কার্তেসীয় ও পোলার স্থানাঙ্ক (Cartesian and Polar Co-ordinates)

( ENGLISH VERSION )

# এ অধ্যায়ে আমরা যে বিষয় গুলি আলোচনা করব।

  • সমতলে বিন্দুর স্থানাঙ্ক।
  • সমতলে কার্তেসীয় এবং পোলার স্থানাঙ্কের ধারণা।
  • কার্তেসীয় ও পোলার স্থানাঙ্কের মধ্যে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা।
  • কার্তেসীয় এবং পোলার স্থানাঙ্কের বাস্তব প্রয়োগ।
  • সমতলে কার্তেসীয় এবং পোলার সমীকরণ।

জ্যামিতি(Geometry)

euclid
যে শিক্ষায় সুশিক্ষা অর্জন করে ভূমির পরিমাপ সম্পর্কে খুঁটিনাটি যাবতীয় বিষয় নিখুঁত ভাবে জানা যায় তাকে জ্যামিতি বলে। ইতিহাস থেকে নেয়া, প্রাচীন সভ্যতা মেসোপটমিয়া, মিসর এবং সিন্ধু উপত্যকায় কৃষি জমির সীমানা ও পরিমাপ সংক্রান্ত জরিফ কাজের মধ্যদিয়ে সর্বপ্রথম জ্যামিতির সূচনা হয়।গ্রীক দার্শনিক ইউক্লিড খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দে এই ধারনাকে পুষ্ট করে একটি সুবিন্যস্ত বৈজ্ঞানিক কাঠামো দিয়ে সাস্ত্র রূপে রূপান্তরিত করেন। এ কারণে ইউক্লিডকে জ্যামিতির জনক বলা হয়।

বিন্দু (Point)

descates
যার দৈর্ঘ, প্রস্থ এবং উচ্চতা কিছুই নেই কিন্তু অবস্থান আছে তাকে বিন্দু বলে। ‘পশ্চিমা গোষ্টির আধুনিক দার্শনিকদের পিতা’ খেতাব প্রাপ্ত ফরাসী দার্শনিক, বিজ্ঞানী এবং গণিতবিদ ‘রেনে ডেকার্তে’ (১৫৯৬-১৬৫০) সর্বপ্রথম জ্যামিতকে বীজগণিতের সাহায্যে প্রয়োগ, সমতলীয় জ্যামিতিতে স্থানাংকের সূচনা করে বিন্দুর অবস্থান অংকের মাধ্যমে প্রকাশ, সর্বপরি প্রকৌশলবিদ্যায় জ্যামিতির অবতারণা প্রতিষ্ঠিত করেন। নিম্নে বিন্দুর স্থানাংক বিষয়ে আলোচনা করা হল।

1 2 3 4 5 6 7 8

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Are you human? *

WordPress spam blocked by CleanTalk.