বাংলা ভাষা, ব্যাকরণ ও সাহিত্য — NTRCA school-level

বাংলা ভাষা, ব্যাকরণ ও সাহিত্য: বাংলা, NTRCA school-level পাঠ ও 330টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/7।

এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী।
ভাষার ধারণা
Language and Forms of Bengali
মানুষ নিজের মনের ভাব অন্যের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কণ্ঠ থেকে উৎপন্ন অর্থবোধক ধ্বনি, শব্দ ও বাক্যের সাহায্য নেয়। এই সুসংগঠিত ধ্বনি-সংকেতের ব্যবস্থাই ভাষা।

ভাষার মৌলিক উপাদান হলো ধ্বনি। ধ্বনিগুলো নির্দিষ্ট বিন্যাসে মিলিত হয়ে শব্দ এবং শব্দগুলো অর্থপূর্ণ বিন্যাসে যুক্ত হয়ে বাক্য তৈরি করে। তাই ভাষার ক্ষুদ্রতম ধ্বনিগত একককে ধ্বনিমূল বা Phoneme এবং অর্থবোধক ক্ষুদ্রতম রূপকে রূপমূল বা Morpheme বলা হয়।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসামসহ বিভিন্ন অঞ্চলে এবং পৃথিবীর বহু দেশে প্রবাসী বাঙালির মুখে বাংলা ব্যবহৃত হয়।

বাংলা ভাষার প্রধান রূপকে সাধারণভাবে দুই ভাগে দেখা যায়—
১। মৌখিক বা কথ্য রূপ
২। লিখিত রূপ

লিখিত ও কথ্য ব্যবহারের ঐতিহাসিক বিকাশের ফলে বাংলা ভাষায় সাধু, চলিত এবং আঞ্চলিক বা উপভাষাগত রূপ গড়ে উঠেছে।
সাধু, চলিত ও আঞ্চলিক রীতি
Standard, Colloquial and Regional Forms
সাধু রীতি
সাধু রীতিতে সংস্কৃতঘেঁষা শব্দ, অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ এবং পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণিক রূপ ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যায়। উনিশ ও বিশ শতকের প্রথম দিকে সাহিত্য ও আনুষ্ঠানিক গদ্যে এ রীতির ব্যবহার ছিল বেশি। পরবর্তীকালে চলিত রীতির বিস্তারের কারণে দৈনন্দিন লেখালেখিতে সাধু রীতির ব্যবহার কমে যায়।

চলিত রীতি
শিক্ষিত মানুষের মুখের ভাষাকে ভিত্তি করে সহজ, সংক্ষিপ্ত ও স্বাভাবিক যে গদ্যরীতি গড়ে ওঠে তাকে চলিত রীতি বলা হয়। আধুনিক বাংলা গদ্যে এই রীতিই প্রধান। চলিত রীতিকে সাহিত্যে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরীর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁর সম্পাদিত সবুজপত্র পত্রিকা এ রীতির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আঞ্চলিক ভাষা বা উপভাষা
একই ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন অঞ্চলে উচ্চারণ, শব্দ ও বাক্যগঠনের পার্থক্যের কারণে যে স্থানীয় ভাষারূপ তৈরি হয় তাকে আঞ্চলিক ভাষা বা উপভাষা বলা হয়। বাংলার প্রধান আঞ্চলিক রূপগুলোর মধ্যে রাঢ়ী, ঝাড়খণ্ডি, বরেন্দ্রী, বঙ্গালী ও কামরূপী উল্লেখযোগ্য।
সাধু ও চলিত রীতির কিছু রূপগত পার্থক্য
পদের ধরন সাধু রীতি চলিত রীতি
বিশেষ্য তুলা তুলো
বিশেষ্য পূজা পুজো
বিশেষ্য জ্যোৎস্না জোছনা
বিশেষ্য মস্তক মাথা
বিশেষণ বন্য বুনো
বিশেষণ কিঞ্চিৎক্ষণ কিছুক্ষণ
বিশেষণ অতঃপর তারপর
অব্যয় পূর্বেই আগেই
অব্যয় সহিত সাথে
সর্বনাম তাহাকে তাকে
সর্বনাম তাহারা তারা
ক্রিয়া আসিয়া এসে
ক্রিয়া করিয়া করে
ক্রিয়া করিল করল
ক্রিয়া দেখিয়া দেখে
ক্রিয়া হইয়া হয়ে
ক্রিয়া পড়িয়াছেন পড়েছেন
ক্রিয়া বলিয়া বলে
বাংলা ভাষার উৎপত্তি
Origin of Bengali Language
বাংলা ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাপরিবারের অন্তর্গত। ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার শতম শাখা থেকে ভারতীয় আর্যভাষার ধারাবাহিক বিকাশের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।

বাংলা ভাষার ক্রমবিকাশকে সহজভাবে এভাবে বোঝানো যায়—

ইন্দো-ইউরোপীয়
(Rightarrow) শতম শাখা
(Rightarrow) ভারতীয় আর্য
(Rightarrow) প্রাচীন ভারতীয় আর্য
(Rightarrow) প্রাচীন ভারতীয় কথ্য আর্য
(Rightarrow) প্রাকৃত ভাষার পূর্বাঞ্চলীয় ধারা
(Rightarrow) অপভ্রংশ
(Rightarrow) প্রাচীন বাংলা
(Rightarrow) আধুনিক বাংলা।

ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের আলোচনায় বাংলা ভাষার বিকাশের সঙ্গে মাগধী প্রাকৃত ও মাগধী অপভ্রংশের সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা ভাষার উৎস ব্যাখ্যায় গৌড়ীয় প্রাকৃত ও গৌড়ীয় অপভ্রংশকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।

বাংলা ভাষার জন্মকাল নির্ধারণ নিয়েও ভাষাবিদদের মধ্যে মতভেদ আছে। অধিকাংশ ভাষাবিদ আনুমানিক দশম শতককে বাংলা ভাষার স্বতন্ত্র বিকাশের সময় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, আর ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ আরও প্রাচীন সময়ের পক্ষে মত দিয়েছেন।

বাংলা লিপির উৎস ব্রাহ্মী লিপি। বাংলা ও অসমিয়া পরস্পরের ঘনিষ্ঠ সহোদর ভাষা।
ভাষার ব্যাকরণ
Grammar
ব্যাকরণ এমন একটি শাস্ত্র যেখানে একটি ভাষার ধ্বনি, শব্দ, শব্দগঠন, বাক্যের বিন্যাস এবং অর্থগত ব্যবহারের নিয়ম বিশ্লেষণ করা হয়। ব্যাকরণ পাঠের উদ্দেশ্য হলো ভাষাকে শুদ্ধভাবে বলা, লেখা ও বোঝার নিয়ম জানা।

ভাষাবিজ্ঞানের আলোচনায় ব্যাকরণের প্রধান বিষয়গুলোকে চার ভাগে সাজানো যায়—

১। ধ্বনিতত্ত্ব — ভাষার ধ্বনি, উচ্চারণ, ধ্বনির পরিবর্তন এবং ধ্বনিসংক্রান্ত নিয়ম।
২। রূপতত্ত্ব — শব্দের গঠন, রূপমূল, বচন, লিঙ্গ, কারক, সমাস, উপসর্গ, প্রত্যয় ইত্যাদি।
৩। বাক্যতত্ত্ব — পদগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক, বাক্যগঠন, বাক্যের নিয়ম ও বিন্যাস।
৪। অর্থতত্ত্ব — শব্দ ও বাক্যের অর্থ, অর্থের পরিবর্তন এবং অর্থের বিভিন্ন প্রকৃতি।

এক বা একাধিক ধ্বনি যখন অর্থবোধক একক গঠন করে তখন তাকে রূপমূল বা Morpheme বলা হয়। আবার মানুষের ভাব প্রকাশকারী সুশৃঙ্খল ও অর্থপূর্ণ শব্দসমষ্টিকে বাক্য বলা হয়।
ধ্বনি ও বর্ণ
Sound and Letter
মানুষের বাকযন্ত্র থেকে উচ্চারিত শ্রুতিগ্রাহ্য শব্দাংশকে ধ্বনি বলা হয়। কোনো ভাষার ধ্বনিকে লিখিতভাবে প্রকাশ করার প্রতীক হলো বর্ণ। তাই ধ্বনি শোনা যায়, আর বর্ণ দেখা ও লেখা যায়।

বাংলা বর্ণমালায় প্রচলিত হিসাবে মোট ৫০টি বর্ণ ধরা হয়। এর মধ্যে ১১টি স্বরবর্ণ এবং ৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ।

বর্ণের মাত্রার ভিত্তিতে—
মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি
অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি
পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি।

বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি। পাশাপাশি দুই স্বরধ্বনি একই উচ্চারণে মিলিত হলে যৌগিক স্বরধ্বনি তৈরি হয়।

ক থেকে ম পর্যন্ত বর্গীয় ব্যঞ্জনধ্বনিগুলো পাঁচটি বর্গে বিভক্ত। উচ্চারণের প্রকৃতি অনুসারে অঘোষ, ঘোষ, অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনেরও পৃথক শ্রেণি রয়েছে।
উচ্চারণভিত্তিক কয়েকটি ধারণা
অঘোষ ধ্বনি
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রীতে কম্পন সৃষ্টি হয় না তাকে অঘোষ ধ্বনি বলা হয়।

ঘোষ ধ্বনি
যে ধ্বনি উচ্চারণকালে স্বরতন্ত্রী কম্পিত হয় তাকে ঘোষ ধ্বনি বলা হয়।

অল্পপ্রাণ ধ্বনি
উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ুর চাপ তুলনামূলক কম হলে তা অল্পপ্রাণ ধ্বনি।

মহাপ্রাণ ধ্বনি
যে ধ্বনি উচ্চারণে অপেক্ষাকৃত বেশি শ্বাসবায়ু বের হয় তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলা হয়।
ধ্বনির পরিবর্তন
Phonetic Change
ভাষা ব্যবহারের সময় উচ্চারণের সুবিধা, দ্রুত বলার প্রবণতা বা পার্শ্ববর্তী ধ্বনির প্রভাবে শব্দের ধ্বনিতে পরিবর্তন ঘটতে পারে। বাংলা ভাষায় এমন বিভিন্ন ধরনের ধ্বনি-পরিবর্তন দেখা যায়।
স্বরাগম
কোনো শব্দের শুরু, মাঝখান বা শেষে উচ্চারণের সুবিধার জন্য অতিরিক্ত স্বরধ্বনি যোগ হলে তাকে স্বরাগম বলা হয়।

স্বরাগমকে অবস্থান অনুসারে আদিস্বরাগম, মধ্যস্বরাগম ও অন্ত্যস্বরাগম হিসেবে ব্যাখ্যা করা যায়।
স্বরসংগতি
একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে একই শব্দের অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হলে তাকে স্বরসংগতি বলা হয়।

স্বরসংগতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে—
ক. প্রগত স্বরসংগতি
খ. পরাগত স্বরসংগতি
গ. মধ্যগত স্বরসংগতি
ঘ. অন্যোন্য স্বরসংগতি।
স্বরলোপ
দ্রুত বা সহজ উচ্চারণের কারণে কোনো শব্দের স্বরধ্বনি বাদ পড়লে তাকে স্বরলোপ বলা হয়।

অবস্থান অনুসারে স্বরলোপের ধরন—
১। আদিস্বরলোপ বা Aphaeresis
২। মধ্যস্বরলোপ বা Syncope
৩। অন্ত্যস্বরলোপ বা Apocope।
সমীভবন
একটি ধ্বনির প্রভাবে পাশাপাশি থাকা অন্য একটি ভিন্ন ধ্বনি উচ্চারণগতভাবে তার কাছাকাছি বা সমরূপ হয়ে গেলে তাকে সমীভবন বলা হয়।

সমীভবনের প্রধান ধরন—
প্রগত সমীভবন
পরাগত সমীভবন
অন্যোন্য সমীভবন।
বিষমীভবন
একই বা কাছাকাছি দুটি ধ্বনির পুনরাবৃত্তি এড়িয়ে উচ্চারণ সহজ করার জন্য কোনো একটি ধ্বনি ভিন্ন রূপ গ্রহণ করলে তাকে বিষমীভবন বলা হয়।
অপিনিহিতি
শব্দের মধ্যকার ই বা উ জাতীয় ধ্বনি উচ্চারণে তার স্বাভাবিক স্থান ছেড়ে আগের দিকে চলে এলে তাকে অপিনিহিতি বলা হয়।
অভিশ্রুতি
অপিনিহিতির প্রভাবে আগের স্বরধ্বনির সঙ্গে পরবর্তী স্বরের মিশ্রণ ঘটলে এবং সেই স্বরের রূপান্তর হলে তাকে অভিশ্রুতি বলা হয়।
ধ্বনি বিপর্যয়
শব্দের দুটি ধ্বনি নিজেদের স্থান পরিবর্তন করলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলা হয়।
ব্যঞ্জন বিকৃতি
কোনো ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তে নতুন একটি ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হলে তাকে ব্যঞ্জন বিকৃতি বলা হয়।
ব্যঞ্জনচ্যুতি
শব্দের পাশাপাশি থাকা দুটি ব্যঞ্জনের একটি উচ্চারণ থেকে বাদ গেলে তাকে ব্যঞ্জনচ্যুতি বলা হয়।
দ্বিত্ব ব্যঞ্জন
উচ্চারণে জোর দেওয়ার কারণে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি দুবার উচ্চারিত হলে তাকে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বলা হয়।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের শব্দ
Classification of Bengali Words
বাংলা শব্দকে গঠন ও উৎসের ভিত্তিতে বিভিন্নভাবে ভাগ করা যায়।

গঠনগতভাবে
১। মৌলিক শব্দ
২। সাধিত শব্দ।

অর্থগত ও ব্যুৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যে
১। যৌগিক শব্দ
২। রূঢ় শব্দ
৩। যোগরূঢ় শব্দ।

উৎসের ভিত্তিতে
১। তৎসম
২। অর্ধতৎসম
৩। তদ্ভব
৪। দেশি
৫। বিদেশি।
মৌলিক শব্দ
যে শব্দকে আরও ছোট অর্থবোধক অংশে বিশ্লেষণ করা যায় না তাকে মৌলিক শব্দ বলা হয়। মা, তিন, পা, নাক, লাল ইত্যাদি এর উদাহরণ।
সাধিত শব্দ
মৌলিক শব্দের সঙ্গে উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস বা অন্য কোনো শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হলে সেটি সাধিত শব্দ।
যৌগিক শব্দ
যে শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং প্রচলিত অর্থের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক থাকে তাকে যৌগিক শব্দ বলা হয়।
রূঢ় শব্দ
যে শব্দের বর্তমান প্রচলিত অর্থ তার গঠনগত বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থ থেকে আলাদা হয়ে গেছে তাকে রূঢ় শব্দ বলা হয়।
যোগরূঢ় শব্দ
সমাস বা একাধিক শব্দের সংযোগে তৈরি কোনো শব্দ যখন সম্ভাব্য বহু অর্থের পরিবর্তে একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলা হয়।
তৎসম শব্দ
সংস্কৃত থেকে প্রায় অপরিবর্তিত অবস্থায় বাংলায় ব্যবহৃত শব্দকে তৎসম শব্দ বলা হয়।
অর্ধতৎসম শব্দ
সংস্কৃত শব্দ বাংলায় এসে সামান্য পরিবর্তিত রূপে ব্যবহৃত হলে তাকে অর্ধতৎসম শব্দ বলা হয়।
তদ্ভব শব্দ
সংস্কৃত বা প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের মধ্য দিয়ে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় আসা শব্দকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
দেশি শব্দ
বাংলার প্রাচীন স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে আগত শব্দকে দেশি শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
বিদেশি শব্দ
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, হিন্দি, তুর্কি, জাপানি প্রভৃতি বিদেশি ভাষা থেকে বাংলায় গৃহীত শব্দ বিদেশি শব্দ নামে পরিচিত।
বিভিন্ন ভাষা থেকে আগত শব্দ
আরবি উৎসের পরিচিত শব্দ
ইমান, ওজু, গোসল, হাদিস, কোরআন, তসবিহ, হজ, যাকাত, কোরবানি, হালাল, হারাম, আল্লাহ, জান্নাত, জাহান্নাম, হিসাব, তারিখ, মোকাম, কলম, দোয়াত, আদালত ইত্যাদি।

ফারসি উৎসের পরিচিত শব্দ
রোজা, নামাজ, বেহেশত, দোজখ, পেয়াজ, বাজার, সরকার, বাগান, দরবার, কারসাজি প্রভৃতি।

হিন্দি উৎসের পরিচিত শব্দ
চাচা, চাচি, দাদা, দাদি, ফুফা, ফুফি, ঠিকানা প্রভৃতি।
পর্তুগিজ উৎসের পরিচিত শব্দ
আনারস, পেঁপে, পেয়ারা, আলপিন, আলকাতরা, বোতাম প্রভৃতি।

জাপানি উৎসের পরিচিত শব্দ
রিকশা, ক্যারাটে, জুডো, হারাকিরি প্রভৃতি।

ইংরেজি উৎসের পরিচিত শব্দ
টেবিল, বোতল, হাসপাতাল, পুলিশ, চেয়ার প্রভৃতি।
পারিভাষিক শব্দ
Terminology
কোনো বিশেষ বিদ্যা, পেশা বা জ্ঞানক্ষেত্রে একটি বিদেশি শব্দের পরিবর্তে নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত বাংলা প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলা হয়।
Attestation — সত্যায়ন
Attested — সত্যায়িত
Attested Copy — সত্যায়িত প্রতিলিপি
Certify — প্রত্যয়ন করা
Certified — প্রত্যয়িত
Certificate — প্রত্যয়নপত্র
Nationalization — জাতীয়করণ
Manuscript — পাণ্ডুলিপি
Memorandum — স্মারকলিপি
Monument — স্মৃতিসৌধ
Announcement — ঘোষণা
Amendment — সংশোধন
In charge — ভারপ্রাপ্ত
Acting — ভারপ্রাপ্ত
Biography — জীবনী
Autobiography — আত্মজীবনী
Propaganda — প্রচারণা
Circulation — প্রচার
Circular — বিজ্ঞপ্তি
Notification — প্রজ্ঞাপন
Gazette — সরকারি গেজেট বা প্রজ্ঞাপন
Issue — প্রকাশ বা সংখ্যা
Chancellor — আচার্য
Vice-chancellor — উপাচার্য
Intellectual — বুদ্ধিজীবী
Intelligentsia — বুদ্ধিজীবী সমাজ
Civil Society — সুশীল সমাজ
Civil — বেসামরিক
Justice — বিচার বা বিচারপতি
Judgment — রায়
Census — আদমশুমারি
Consensus — ঐকমত্য
Dialect — উপভাষা
Dialogue — সংলাপ
Blockade — অবরোধ
Deadlock — অচলাবস্থা
Aboriginal — আদিবাসী
Tribe — উপজাতি
Cadre — ক্যাডার বা পদালি
Rank — পদমর্যাদা
Hierarchy — অধিপর্যায়ের ক্রম
Knowledge — জ্ঞান
Wisdom — প্রজ্ঞা
Amplitude — বিস্তার
Amplification — পরিবর্ধন
Flora — উদ্ভিদকুল
Fauna — প্রাণিকুল
Hand-bill — ইশতেহার
Handbook — তথ্যপুস্তিকা
File — নথি
Portfolio — দপ্তর
Guideline — নির্দেশিকা
Ordinance — অধ্যাদেশ
Act — আইন
Pact — চুক্তি
Deed — দলিল
Syllabus — পাঠ্যক্রম
Routine — সময়সূচি
Subjudice — বিচারাধীন
Sub-conscious — অবচেতন
Demonstration — প্রদর্শন
Demonstrator — প্রদর্শক
Postage — ডাকমাশুল
Hostage — জিম্মি
Plebiscite — গণভোট
Referendum — গণভোট
Reference — সূত্র
Custom — প্রথা
Customs — শুল্ক
Excise duty — আবগারি শুল্ক
Tariff duty — শুল্ক
Customshouse — শুল্ক ভবন
Goods — পণ্য
Faulty — ত্রুটিপূর্ণ
Council — পরিষদ
Valuation — মূল্যায়ন
Devaluation — অবমূল্যায়ন
Note — মন্তব্য
Key-note — মূলভাব
Vocation — বৃত্তি
Vacation — ছুটি
Vacancy — শূন্যপদ
Emigrant — দেশত্যাগী অভিবাসী
Immigrant — আগত অভিবাসী
বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ
Periods of Bengali Literature
বাংলা সাহিত্যের দীর্ঘ ইতিহাসকে সাধারণভাবে তিনটি প্রধান যুগে ভাগ করা হয়—

১। প্রাচীন যুগ — আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ।
২। মধ্যযুগ — আনুমানিক ১২০১ থেকে ১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ।
৩। আধুনিক যুগ — ১৮০১ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বর্তমান সময়।

মধ্যযুগের শুরুর একটি অংশকে অনেক আলোচনায় অন্ধকার যুগ নামে উল্লেখ করা হয়। আবার মধ্যযুগের শেষ এবং আধুনিক যুগের শুরুর মধ্যবর্তী পরিবর্তনশীল সময়কে যুগসন্ধিক্ষণ বলা হয়।
প্রাচীন ও মধ্যযুগের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য
চর্যাপদ
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হিসেবে চর্যাপদ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন। পরবর্তীকালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রকাশিত হয়।

চর্যাপদের রচয়িতারা ছিলেন বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্য। লুইপাকে চর্যাপদের প্রাচীন কবিদের অন্যতম এবং বহু আলোচনায় আদি কবি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। চর্যার ভাষায় প্রাচীন বাংলা, অসমিয়া, ওড়িয়া ও মৈথিলির পূর্ববর্তী ভাষারূপের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়।
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
মধ্যযুগের প্রাচীন বাংলা কাব্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন শ্রীকৃষ্ণকীর্তন। এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া অঞ্চলে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন এবং পরে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
বৈষ্ণব পদাবলি ও ব্রজবুলি
বৈষ্ণব পদাবলি বাংলা মধ্যযুগের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যধারা। বিদ্যাপতি পদাবলি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। তাঁর কবিতার ভাষা থেকে ব্রজবুলি নামে পরিচিত একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষারীতি বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে।

বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদ রচনায় বড়ু চণ্ডীদাসসহ বহু কবির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
মধ্যযুগের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ধারা
মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব সাহিত্য, অনুবাদ সাহিত্য, মুসলিম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান, জীবনী সাহিত্য এবং লোকসাহিত্য মধ্যযুগের প্রধান সাহিত্যধারার অন্তর্ভুক্ত।

শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের প্রথমদিকের কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর ইউসুফ-জুলেখা এ ধারার উল্লেখযোগ্য কাব্য।

ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরকে মধ্যযুগের শেষ দিকের অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে ধরা হয়। মুসলিম কবিদের মধ্যে আলাওল বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ।
ময়মনসিংহ গীতিকা
পূর্ববাংলার লোকজ কাহিনিভিত্তিক পালাগানের গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহ হলো ময়মনসিংহ গীতিকা। চন্দ্রকুমার দে বিভিন্ন পালাগান সংগ্রহ করেন এবং ড. দীনেশচন্দ্র সেন সেগুলো সম্পাদনা ও গবেষণার মাধ্যমে বৃহত্তর পাঠকের কাছে পরিচিত করে তোলেন।

মহুয়া, মলুয়া, দেওয়ানা মদিনা প্রভৃতি পালা এ ধারার গুরুত্বপূর্ণ রচনা।
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিকাশ
আধুনিক যুগে বাংলা গদ্য, উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, সংবাদপত্র ও আধুনিক কবিতার দ্রুত বিকাশ ঘটে। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ, শ্রীরামপুর মিশন, বাংলা সংবাদপত্র এবং উনিশ শতকের সমাজসংস্কার আন্দোলন আধুনিক বাংলা গদ্যচর্চাকে এগিয়ে নেয়।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের শৃঙ্খলিত রূপ নির্মাণে বিশেষ অবদান রাখেন। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দ, মহাকাব্য, সনেট ও আধুনিক নাট্যধারায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা কবিতা, গান, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক ও প্রবন্ধকে বিশ্বমানের উচ্চতায় নিয়ে যান। কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহ, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি হিসেবে আধুনিক বাংলা সাহিত্যে স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সর্বপ্রধান কবি, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও সংগীতস্রষ্টা। তাঁর সাহিত্যচর্চা অল্প বয়সেই শুরু হয়।

তাঁর প্রথমদিকের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে কবি-কাহিনী উল্লেখযোগ্য। ব্রজবুলি ভাষায় রচিত কবিতাগুলো তিনি ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী নামে প্রকাশ করেন।

তাঁর কবিতার নির্বাচিত সংকলনের মধ্যে সঞ্চয়িতা গুরুত্বপূর্ণ। গীতাঞ্জলি তাঁকে আন্তর্জাতিক খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দেয়। ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশের পর ১৯১৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

ইংরেজ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস ইংরেজি Gitanjali-এর ভূমিকায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথকে নাইট উপাধি দিয়েছিল। জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি সেই সম্মান প্রত্যাখ্যান করেন।

রবীন্দ্রনাথ কাজী নজরুল ইসলামকে স্নেহ করতেন এবং তাঁর একটি নাট্যকাব্য নজরুলকে উৎসর্গ করেছিলেন। নজরুলও রবীন্দ্রনাথকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন।
কাজী নজরুল ইসলাম
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহ, সাম্য, মানবমুক্তি ও অসাম্প্রদায়িকতার শক্তিশালী কণ্ঠস্বর। তাঁর কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও সাংবাদিকতা বাংলা সাহিত্যকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

তাঁর প্রথমদিকের প্রকাশিত গল্প হিসেবে বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী উল্লেখযোগ্য। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা। এ কাব্যের উল্লেখযোগ্য কবিতার মধ্যে প্রলয়োল্লাস এবং বিদ্রোহী বিশেষ পরিচিত।

বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশের পর নজরুল দ্রুত সর্বভারতীয় খ্যাতি লাভ করেন। তাঁর সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় ব্রিটিশবিরোধী চেতনা স্পষ্ট ছিল।

পরবর্তী জীবনে তাঁকে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় এবং বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। তিনি জাতীয় কবির মর্যাদা লাভ করেন এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত হন।
বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ধারার অগ্রদূত ও প্রবর্তক
ক্ষেত্র সংশ্লিষ্ট সাহিত্যিক
বাংলা গদ্যচর্চার প্রাথমিক অগ্রদূতদের একজন উইলিয়াম কেরি
বাংলা গদ্যের শৃঙ্খলিত সাহিত্যিক রূপ নির্মাণ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
চলিত গদ্যরীতির প্রতিষ্ঠা প্রমথ চৌধুরী
বাংলা উপন্যাসের বিকাশের প্রধান অগ্রদূত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বাংলা ছোটগল্পের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বাংলা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা সনেটের প্রবর্তন মাইকেল মধুসূদন দত্ত
আধুনিক বাংলা নাটকের অন্যতম প্রধান পথিকৃৎ মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা গীতিকবিতার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রদূত বিহারীলাল চক্রবর্তী
বাংলা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের প্রাথমিক কবি শাহ মুহম্মদ সগীর
বাংলা মুসলিম মহাকাব্যের উল্লেখযোগ্য কবি কায়কোবাদ
গ্রামভিত্তিক নাট্যধারায় গুরুত্বপূর্ণ নাম সেলিম আল দীন
কবি-সাহিত্যিকদের পরিচিত উপাধি
কাজী নজরুল ইসলাম — বিদ্রোহী কবি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — সাহিত্যসম্রাট
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — অপরাজেয় কথাশিল্পী
মাইকেল মধুসূদন দত্ত — মহাকবি ও আধুনিকতার অগ্রদূত
আলাওল — মধ্যযুগের মহাকবি
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — যুগসন্ধিক্ষণের কবি
বিহারীলাল চক্রবর্তী — ভোরের পাখি
জীবনানন্দ দাশ — রূপসী বাংলার কবি
জসীমউদ্দীন — পল্লীকবি
ফররুখ আহমদ — মুসলিম রেনেসাঁর কবি
কায়কোবাদ — মহাকাব্যধারার গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম কবি
শামসুর রাহমান — নাগরিক কবি
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — ছন্দের জাদুকর
সুকান্ত ভট্টাচার্য — কিশোর কবি
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক — শান্তিপুরের কবি
যতীন্দ্রনাথ বাগচী — দুঃখবাদের কবি
ভারতচন্দ্র রায় — গুণাকর
পরমেশ্বর — কবীন্দ্র
বাংলা ব্যাকরণচর্চা ও ভাষাবিষয়ক গ্রন্থ
বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ নিয়ে দেশি ও বিদেশি পণ্ডিতেরা বহু গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ রচনা করেছেন। বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাসে পর্তুগিজ মিশনারি, নাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড, রাজা রামমোহন রায়, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ এবং ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের কাজ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রন্থ বা বিষয় রচয়িতা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
প্রথমদিকের বাংলা ব্যাকরণ ম্যানুয়েল দা আসসুম্পসাঁও
A Grammar of the Bengal Language নাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড
গৌড়ীয় ব্যাকরণ রাজা রামমোহন রায়
The Origin and Development of the Bengali Language ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব ড. মুহম্মদ আবদুল হাই
তুলনামূলক ও ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান হুমায়ুন আজাদ
শব্দতত্ত্ব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসবিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ
গ্রন্থ রচয়িতা
বঙ্গভাষা ও সাহিত্য ড. দীনেশচন্দ্র সেন
বাংলা সাহিত্যের কথা ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত মুহম্মদ আবদুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
বাঙলা ভাষার ইতিবৃত্ত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
বাংলা পত্রপত্রিকা ও সম্পাদক
Bengali Newspapers and Editors
বাংলা গদ্য ও আধুনিক সাহিত্য বিকাশে সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্রের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে কয়েকটি ঐতিহাসিক পত্রিকা ও সংশ্লিষ্ট সম্পাদকের নাম সংক্ষেপে দেওয়া হলো।
পত্রিকার নাম সম্পাদক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
বেঙ্গল গেজেট জেমস অগাস্টাস হিকি
দিগদর্শন জন ক্লার্ক মার্শম্যান
সমাচার দর্পণ জন ক্লার্ক মার্শম্যান
বাঙ্গাল গেজেট গঙ্গাকিশোর ভট্টাচার্য
সমাচার সভারাজেন্দ্র শেখ আলীমুল্লাহ
সংবাদ প্রভাকর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
তত্ত্ববোধিনী অক্ষয়কুমার দত্ত
রংপুর বার্তাবহ গুরুচরণ শর্মা রায়
ঢাকা প্রকাশ কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
গ্রামবার্তা প্রকাশিকা কাঙাল হরিনাথ বা হরিনাথ মজুমদার
বঙ্গদর্শন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ভারতী দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
সবুজপত্র প্রমথ চৌধুরী
সওগাত মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
ধূমকেতু কাজী নজরুল ইসলাম
লাঙল কাজী নজরুল ইসলাম
কালিকলম প্রেমেন্দ্র মিত্রসহ সমকালীন সাহিত্যিকগণ
দ্রুত পুনরাবৃত্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
বাংলা ভাষার মূল উপাদান — ধ্বনি
ভাষার বৃহত্তম গঠনগত একক — বাক্য
শব্দের ক্ষুদ্রতম অর্থবোধক অংশ — রূপমূল
ধ্বনির লিখিত প্রতীক — বর্ণ
বাংলা ভাষার ঘনিষ্ঠ সহোদর ভাষা — অসমিয়া
বাংলা লিপির উৎস — ব্রাহ্মী লিপি
বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রধান প্রবর্তক — প্রমথ চৌধুরী
সাধু গদ্যের বিকাশে প্রধান নাম — ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বাংলা ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্যিক নিদর্শন — চর্যাপদ
শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের রচয়িতা — বড়ু চণ্ডীদাস
বাংলা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের প্রাচীন কবি — শাহ মুহম্মদ সগীর
বাংলা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক — মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা সনেটের প্রবর্তক — মাইকেল মধুসূদন দত্ত
বাংলা উপন্যাসের বিকাশের প্রধান অগ্রদূত — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বাংলা ছোটগল্পের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সাহিত্যে নোবেলজয়ী প্রথম বাঙালি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিদ্রোহী কবি — কাজী নজরুল ইসলাম
পল্লীকবি — জসীমউদ্দীন
ছন্দের জাদুকর — সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
রূপসী বাংলার কবি — জীবনানন্দ দাশ
অধ্যায়ভিত্তিক পুনরালোচনা
এই অংশের তথ্য পড়ার সময় কয়েকটি ধারাবাহিকতা মনে রাখলে বিষয়গুলো সহজ হয়—

ভাষার গঠন
ধ্বনি (Rightarrow) শব্দ (Rightarrow) পদ (Rightarrow) বাক্য (Rightarrow) ভাব প্রকাশ।

ব্যাকরণের প্রধান ধারা
ধ্বনি (Rightarrow) রূপ (Rightarrow) বাক্য (Rightarrow) অর্থ।

বাংলা ভাষার ঐতিহাসিক বিকাশ
ইন্দো-ইউরোপীয় (Rightarrow) ভারতীয় আর্য (Rightarrow) প্রাকৃত (Rightarrow) অপভ্রংশ (Rightarrow) প্রাচীন বাংলা (Rightarrow) আধুনিক বাংলা।

বাংলা সাহিত্যের সাধারণ যুগক্রম
প্রাচীন যুগ (Rightarrow) মধ্যযুগ (Rightarrow) আধুনিক যুগ।

আধুনিক সাহিত্য বিকাশের প্রধান ক্ষেত্র
গদ্য (Rightarrow) সংবাদপত্র (Rightarrow) উপন্যাস (Rightarrow) নাটক (Rightarrow) ছোটগল্প (Rightarrow) আধুনিক কবিতা।
  1. বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীন লিখিত নিদর্শন হিসেবে কোন গ্রন্থটি স্বীকৃত?
    • চর্যাপদ
    • শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
    • বর্ণপরিচয়
    • অন্নদামঙ্গল কাব্য
  2. বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য কবি হিসেবে কাকে গণ্য করা হয়?
    • আবদুল হাকিম
    • বড়ু চণ্ডীদাস
    • আলাওল
    • ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
  3. বাংলা সাহিত্যে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সংযোগস্থলের কবি হিসেবে কে পরিচিত?
    • বিহারীলাল চক্রবর্তী
    • ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    • ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
    • আলাওল
  4. বাংলা সাহিত্যে চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রচলন করেন কে?
    • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • অমিয় চক্রবর্তী
    • বিষ্ণু দে
  5. ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করেছিলেন কে?
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
  6. ‘সঞ্চয়িতা’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • জসীমউদ্দীন
  7. কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
    • মাসিক মোহাম্মদী
    • সাপ্তাহিক বিজলী
    • দৈনিক নবযুগ
    • ধূমকেতু
  8. বেগম রোকেয়া রচিত ‘সুলতানার স্বপ্ন’ কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
    • উপন্যাস
    • কাব্যগ্রন্থ
    • প্রবন্ধগ্রন্থ
    • নাটক
  9. ‘বন্দী শিবির থেকে’ কাব্যগ্রন্থটি কার রচনা?
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • শামসুর রাহমান
    • আহসান হাবীব
    • আবুল হাসান
  10. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করার সিদ্ধান্ত কোন সালে নেওয়া হয়?
    • ১৯৬৮
    • ১৯৭১
    • ১৯৭২
    • ১৯৭৩
  11. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে সম্মানসূচক ডি.লিট. ডিগ্রি প্রদান করেছিল কোন বিশ্ববিদ্যালয়?
    • কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
    • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
    • বিশ্বভারতী
    • শান্তিনিকেতন
  12. ‘রিকশা’ শব্দটির উৎস কোন ভাষা?
    • তুর্কি
    • কোরিয়ান
    • জাপানি
    • পর্তুগিজ
  13. ইংরেজি ‘Ratio’ শব্দের স্বীকৃত বাংলা পরিভাষা কোনটি?
    • নির্ণয়
    • ভাগাংশ
    • অনুপাত
    • সারি
  14. অর্থের ভিত্তিতে বাংলা শব্দকে সাধারণভাবে কয় শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়?
    • ২ প্রকার
    • ৩ প্রকার
    • ৪ প্রকার
    • ৫ প্রকার
  15. ব্যাকরণগত বিচারে উপসর্গ কোন ধরনের শব্দাংশ?
    • বিশেষ্য
    • সর্বনাম
    • অব্যয়
    • বিশেষণ
  16. প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে বাংলা ভাষার মূল উৎস হিসেবে কোন ভাষাকে ধরা হয়েছে?
    • হিন্দি ভাষা
    • বৈদিক ভাষা
    • উড়িয়া ভাষা
    • অনার্য ভাষা
  17. বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম উল্লেখযোগ্য নিদর্শন কোনটি?
    • শূন্যপুরাণ
    • সিকান্দারনামা
    • শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
    • বৈষ্ণব পদাবলি
  18. সাধু ও চলিত—উভয় ভাষারীতিতে কোন পদ সাধারণত একই রূপে ব্যবহৃত হয়?
    • অব্যয়
    • সম্বোধন পদ
    • সর্বনাম
    • ক্রিয়াপদ
  19. কোন ভাষারীতিতে তৎসম শব্দ ব্যবহারের প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি?
    • সাধুরীতি
    • চলিতরীতি
    • কথ্যরীতি
    • লেখ্যরীতি
  20. প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত বিখ্যাত পত্রিকার নাম কী?
    • তত্ত্ববোধিনী
    • সবুজপত্র
    • কল্লোল
    • ধূমকেতু
  21. ‘কলম’ শব্দটি বাংলা ভাষায় কোন ভাষা থেকে এসেছে?
    • সংস্কৃত
    • আরবি
    • ফারসি
    • তুর্কি
  22. ‘পাউরুটি’ শব্দটির উৎস কোন বিদেশি ভাষা?
    • পাঞ্জাবি
    • ফারসি
    • গুজরাটি
    • পর্তুগিজ
  23. বাংলা ব্যাকরণে ‘সন্ধি’ কোন শাখার আলোচ্য বিষয়?
    • রূপতত্ত্বে
    • বাক্যতত্ত্বে
    • অর্থতত্ত্বে
    • ধ্বনিতত্ত্বে
  24. ‘Edition’ শব্দটির বাংলা অর্থ কোনটি?
    • সংস্করণ
    • সম্পাদক
    • সম্পাদকীয়
    • অনুসন্ধান
  25. ডাকযোগে ব্যবহৃত ‘Postal Code’ মূলত কোন তথ্য নির্দেশ করে?
    • প্রাপকের এলাকা
    • ডাকবিভাগের নাম
    • পোস্ট অফিসের নাম
    • প্রেরকের এলাকা
  26. ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
    • দীনেশচন্দ্র সেন
    • ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
    • সুকুমার সেন
  27. ‘সংবাদ প্রভাকর’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কে ছিলেন?
    • কাজী নজরুল ইসলাম
    • ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    • প্রমথ চৌধুরী
  28. ‘ইউসুফ-জুলেখা’ কোন শ্রেণির সাহিত্যকর্ম?
    • নাটক
    • উপন্যাস
    • রোমান্টিক প্রণয়কাব্য
    • রম্যরচনা
  29. কবি কায়কোবাদের প্রকৃত নাম কী?
    • কাজেম আল কোরেশী
    • আবু নাসের কায়কোবাদ
    • কায়কোবাদ ইসলাম
    • আবুল হোসেন কায়কোবাদ
  30. ‘উষ্ণ’ শব্দের যুক্তবর্ণটি কোন দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত?
    • ষ + ন
    • ষ + ণ
    • ষ + ঞ
    • ষ + ঙ
  31. নিচের কোন শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে?
    • চাবি
    • চাকর
    • চাহিদা
    • চশমা
  32. নিচের কোন পরিবর্তনটি ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ?
    • বড় দাদা → বড়দা
    • কিছু → কিচ্ছু
    • পিশাচ → পিচাশ
    • মুক্তা → মুকতা
  33. প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে যৌগরূঢ় অর্থে ব্যবহৃত শব্দ কোনটি?
    • বালি
    • তৈল
    • পঙ্কজ
    • চিকামারা
  34. ‘রাজায় রাজায় লড়াই করছে’—বাক্যটিতে ‘রাজায় রাজায়’ কোন ধরনের কর্তা?
    • প্রযোজক কর্তা
    • মুখ্য কর্তা
    • ব্যতিহার কর্তা
    • নিজস্ব কর্তা
  35. ‘প্রাকৃত’ শব্দটির ভাষাগত তাৎপর্য কোনটি?
    • মূর্খদের ভাষা
    • পণ্ডিতদের ভাষা
    • জনগণের ভাষা
    • লেখকদের ভাষা
  36. ‘গৌড়ীয় বাংলা ব্যাকরণ’ রচনা করেন কে?
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • রামরাম বসু
    • রামনারায়ণ তর্করত্ন
    • রাজা রামমোহন রায়
  37. ব্রজবুলিতে পদাবলি রচনার জন্য কোন কবি বিশেষভাবে পরিচিত?
    • চণ্ডীদাস
    • জ্ঞানদাস
    • বিদ্যাপতি
    • গোবিন্দদাস
  38. ‘মন + রতন’ সন্ধিতে কোন সন্ধি-নিয়ম কার্যকর হয়?
    • স্বরভক্তি
    • স্বরসঙ্গতি
    • অভিশ্রুতি
    • অপিনিহিতি
  39. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের প্রকাশকাল কোনটি?
    • ১৯৪৩
    • ১৯৪৮
    • ১৯৫২
    • ১৯৭০
  40. ‘টপ্পা’ বলতে কী বোঝায়?
    • এক ধরনের গান
    • নাচের মুদ্রা
    • বাদ্যযন্ত্র
    • বিশেষ ধরনের খেলা
  41. নিচের কোনটি জীবনানন্দ দাশের প্রবন্ধগ্রন্থ?
    • ধূসর পাণ্ডুলিপি
    • কবিতার কথা
    • ঝরা পালক
    • দুর্দিনের যাত্রী
  42. সাধু ও চলিত ভাষারীতিতে কোন পদ সাধারণত একই রূপে থাকে?
    • অব্যয় পদ
    • সম্বোধন পদ
    • সর্বনাম পদ
    • ক্রিয়াপদ
  43. ‘ও’ ধ্বনিটির শুদ্ধ উচ্চারণরূপ কোনটি?
    • উঅ
    • উও
    • ইও
    • উয়ো
  44. ‘সুন্দর মানুষকে নিজের দিকে টানে’—বাক্যে ‘সুন্দর’ কোন পদ?
    • বিশেষ্য
    • বিশেষণ
    • সর্বনাম
    • অব্যয়
  45. নিচের কোন শব্দটি মৌলিক শব্দ?
    • শ্রবণ
    • পাঠক
    • পরিষ্কার
    • কালো
  46. ‘Epicurism’ শব্দটির যথার্থ বাংলা পরিভাষা কোনটি?
    • নিয়তিবাদ
    • অস্তিত্ববাদ
    • ভোগবাদ
    • পরিবেশবাদ
  47. ‘বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
    • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    • বিদ্যাপতি
    • ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
    • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  48. বাংলা সাহিত্যে চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রবর্তক কে?
    • প্যারীচাঁদ মিত্র
    • মোহিতলাল মজুমদার
    • বিহারীলাল চক্রবর্তী
    • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  49. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদের পুঁথি কোন সালে আবিষ্কার করেন?
    • ১৯০৯
    • ১৭৯৮
    • ১৯০৭
    • ১৭০৯
  50. ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
    • ছোটগল্প
    • কাব্যনাটক
    • উপন্যাস
    • পত্রোপন্যাস