মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর, বীরত্বসূচক খেতাব ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য — Bank Job
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর, বীরত্বসূচক খেতাব ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য: সাধারণ জ্ঞান, Bank Job পাঠ ও 400টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/8।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- মুক্তিযুদ্ধের সামরিক সংগঠন
- মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর
- ১–৫ নম্বর সেক্টরের উল্লেখযোগ্য সাব-সেক্টর
- ৬–১১ নম্বর সেক্টরের কার্যক্রম
- মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বসূচক খেতাব
- সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ
- মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার ও নেতৃত্ব
- মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকা
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার ধারাবাহিকতা
- ক্র্যাক প্লাটুন ও নগর গেরিলা
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্থাপত্য ও স্মৃতিসৌধ
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ স্মারক
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য সাহিত্য ও দলিল
- মুক্তিযুদ্ধের গান
- শিরোনামে শেষ শব্দযুক্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে রবীন্দ্রনাথের জনপ্রিয় রচনা
- পরীক্ষার জন্য বিষয়ভিত্তিক পুনরালোচনা
মুক্তিযুদ্ধের সামরিক সংগঠন
Organization of the Liberation War
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে সমন্বিতভাবে পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে ১১টি সামরিক সেক্টরে ভাগ করা হয়। প্রতিটি সেক্টরের নির্দিষ্ট কার্যাঞ্চল, কমান্ডার এবং প্রয়োজন অনুসারে একাধিক সাব-সেক্টর ছিল। অঞ্চলভিত্তিক এই ব্যবস্থা প্রশিক্ষণ, সরবরাহ, যোগাযোগ এবং সামরিক অভিযানের সমন্বয়ে সহায়ক হয়।
একেক অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের কার্যপদ্ধতি ভূপ্রকৃতি, সীমান্তের অবস্থান এবং শত্রুপক্ষের উপস্থিতির ভিত্তিতে আলাদা ছিল। নিয়মিত বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিরোধযোদ্ধা ও গেরিলা দলও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
একেক অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের কার্যপদ্ধতি ভূপ্রকৃতি, সীমান্তের অবস্থান এবং শত্রুপক্ষের উপস্থিতির ভিত্তিতে আলাদা ছিল। নিয়মিত বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিরোধযোদ্ধা ও গেরিলা দলও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর
Eleven War Sectors
নিচের সারণিতে উৎসপৃষ্ঠার সেক্টরভিত্তিক অঞ্চল, কমান্ডার, সাব-সেক্টর এবং যোদ্ধাসংখ্যার সারাংশ দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধ চলাকালে নেতৃত্ব ও মোতায়েনের পরিবর্তন ঘটেছে; তাই এগুলোকে ঐতিহাসিক স্ন্যাপশট হিসেবে পড়তে হবে।
| সেক্টর | কার্যাঞ্চল | সেক্টর কমান্ডার | সাব-সেক্টর | সদর/হেডকোয়ার্টার | সেক্টর বাহিনী (উৎসে) | গেরিলা (উৎসে) |
|---|---|---|---|---|---|---|
| ১ | চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী-সংলগ্ন এলাকা | মেজর জিয়াউর রহমান; পরে ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম | ৫ | হরিণা | ১,২০০ | ৮,০০০ |
| ২ | নোয়াখালী, কুমিল্লা, আখাউড়া, ভৈরব, ঢাকা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ | মেজর খালেদ মোশাররফ; পরে ক্যাপ্টেন এ. টি. এম. হায়দার | ৬ | মেলাঘর | প্রায় ৬,০০০ | প্রায় ৩৫,০০০ |
| ৩ | আখাউড়া থেকে পূর্বের কুমিল্লা, ঢাকা ও কিশোরগঞ্জের অংশ | মেজর কে. এম. শফিউল্লাহ; পরে এ. এন. এম. নূরুজ্জামান | ১০ | হেজামারা | ২,৫০০ | ৩০,০০০ |
| ৪ | সিলেট জেলার পূর্বাংশ | মেজর সি. আর. দত্ত | ৬ | করিমগঞ্জ; পরে মাসিমপুর | ৪,০০০ | ৯,০০০ |
| ৫ | সিলেটের পশ্চিমাংশ, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ-সংলগ্ন অঞ্চল | মেজর মীর শওকত আলী | ৬ | বাঁশতলা | ৮০০ | ৫,০০০ |
| ৬ | রংপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ের অঞ্চল | উইং কমান্ডার এম. খাদেমুল বাশার | ৫ | পাটগ্রাম | ২,০০০ | ৯,০০০ |
| ৭ | পাবনা, বগুড়া, রাজশাহী ও দিনাজপুরের অংশ | মেজর নাজমুল হক; পরে মেজর কাজী নুরুজ্জামান | ৯ | তরঙ্গপুর | ২,৫০০ | ১২,৫০০ |
| ৮ | কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর ও খুলনার অংশ | মেজর আবু ওসমান চৌধুরী; পরে মেজর এম. এ. মঞ্জুর | ৭ | কল্যাণী | ৩,০০০ | ২৫,০০০ |
| ৯ | বৃহত্তর বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা ও সাতক্ষীরার অংশ | মেজর এম. এ. জলিল; পরে মেজর জয়নাল আবেদীন | ৩ | টাকি, হিঙ্গলগঞ্জ, শমসেরনগর | প্রায় ৮০০ | প্রায় ২০,০০০ |
| ১০ | নদীপথ ও সমুদ্রপথের নৌ-কমান্ডো অভিযান; নির্দিষ্ট ভূখণ্ডভিত্তিক সেক্টর নয় | নৌ-কমান্ডোদের বিভিন্ন দল ও অপারেশনাল নেতৃত্ব | প্রযোজ্য নয় | বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও অভিযানকেন্দ্র | — | — |
| ১১ | কিশোরগঞ্জসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহের অঞ্চল | মেজর আবু তাহের; পরে স্কোয়াড্রন লিডার এম. হামিদুল্লাহ | ৮ | মহেন্দ্রগঞ্জ; পরে ঢালু | প্রায় ৮০০ | প্রায় ২৫,০০০ |
১–৫ নম্বর সেক্টরের উল্লেখযোগ্য সাব-সেক্টর
Sub-sectors of Sectors 1–5
প্রতিটি সেক্টরে সীমান্তঘেঁষা ক্যাম্প, আঞ্চলিক অবস্থান এবং বিশেষ অভিযানের জন্য পৃথক সাব-সেক্টর গঠিত হয়। নিচের নামগুলো স্ক্যান করা পৃষ্ঠায় উল্লেখিত উদাহরণ।
| সেক্টর | সাব-সেক্টরের নাম |
|---|---|
| ১ | শ্রীনগর, ঋষিমুখ, মনুঘাট, তবলছড়ি, চিম্বুক |
| ২ | গঙ্গাসাগর–আখাউড়া–কসবা, মন্দভাগ, সালদা নদী, মিরপুর, রাজনগর, নির্ভয়পুর |
| ৩ | আশ্রমবাড়ি, বাঘাইবাড়ি, হাতকাটা, সিমনা, পঞ্চবটী, মনতলা, বিজয়নগর, কালাছড়া, কলকলিয়া, বামুটিয়া |
| ৪ | জালালপুর, বড়পুঞ্জী, আমলসিদ, কুকিতল, কৈলাশহর, কমলপুর |
| ৫ | মুক্তারপুর, ডাউকি, শেলা, ভোলাগঞ্জ, রংগুয়া, বড়ছড়া |
৬–১১ নম্বর সেক্টরের কার্যক্রম
Sectors 6–11 and Naval Operations
৬ নম্বর সেক্টর প্রধানত উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তে, ৭ নম্বর সেক্টর রাজশাহী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়, ৮ নম্বর সেক্টর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে, ৯ নম্বর সেক্টর দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় এবং ১১ নম্বর সেক্টর বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে যুদ্ধ পরিচালনা করে।
১০ নম্বর সেক্টর অন্যগুলোর মতো নির্দিষ্ট স্থলসীমা নিয়ে গঠিত হয়নি। এটি নদী ও সমুদ্রবন্দরে নৌ-কমান্ডো অভিযান পরিচালনার সংগঠন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। উৎসপৃষ্ঠায় নৌ-কমান্ডোদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং বন্দর ও জাহাজকে লক্ষ্য করে পরিচালিত অভিযান বর্ণিত হয়েছে।
১০ নম্বর সেক্টর অন্যগুলোর মতো নির্দিষ্ট স্থলসীমা নিয়ে গঠিত হয়নি। এটি নদী ও সমুদ্রবন্দরে নৌ-কমান্ডো অভিযান পরিচালনার সংগঠন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। উৎসপৃষ্ঠায় নৌ-কমান্ডোদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং বন্দর ও জাহাজকে লক্ষ্য করে পরিচালিত অভিযান বর্ণিত হয়েছে।
| সেক্টর | উল্লেখিত সাব-সেক্টর বা কার্যকেন্দ্র |
|---|---|
| ৬ | ভজনপুর, পাটগ্রাম, সাহেবগঞ্জ, মোগলহাট, চিলাহাটি |
| ৭ | মালন, তপন, মেহেদীপুর, হামজাপুর, আড়ানী, লালগোলা, ঠোকরাবাড়ি, লালগোলা |
| ৮ | বয়রা, হাকিমপুর, ডোমড়া, লালবাজার, বনপুর, বেনাপোল, শিকারপুর |
| ৯ | টাকি, হিঙ্গলগঞ্জ, শমসেরনগর |
| ১১ | মহেন্দ্রগঞ্জ, মহেশখোলা, পুরাখাসিয়া, ডালু, রংরা, শিববাড়ি, বাঘমারা, মহেশখোলা |
মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বসূচক খেতাব
Gallantry Awards of the Liberation War
মুক্তিযুদ্ধে অনন্য সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম এবং বীর প্রতীক—এই চার ধরনের বীরত্বসূচক খেতাব দেওয়া হয়। ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে এসব খেতাব প্রদানের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
সংযুক্ত উৎস অনুযায়ী মোট খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ৬৭৬ জন। নিচের সারণির পরিসংখ্যান ঐতিহাসিক পাঠ্যটির অনুসরণে দেওয়া হয়েছে।
সংযুক্ত উৎস অনুযায়ী মোট খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ৬৭৬ জন। নিচের সারণির পরিসংখ্যান ঐতিহাসিক পাঠ্যটির অনুসরণে দেওয়া হয়েছে।
| খেতাব | খেতাবপ্রাপ্তের সংখ্যা |
|---|---|
| বীরশ্রেষ্ঠ | ৭ |
| বীর উত্তম | ৬৭ |
| বীর বিক্রম | ১৭৪ |
| বীর প্রতীক | ৪২৮ |
| সর্বমোট | ৬৭৬ |
সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ
Seven Bir Sreshtho
বীরশ্রেষ্ঠ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক বীরত্বসূচক খেতাব। যুদ্ধের বিভিন্ন রণাঙ্গনে অসামান্য সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের জন্য সাতজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এ সম্মান লাভ করেন।
| বীরশ্রেষ্ঠ | যুদ্ধের সেক্টর/বাহিনী |
|---|---|
| মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর | ৭ |
| হামিদুর রহমান | ৪ |
| মোস্তফা কামাল | ২ |
| মুনশী আবদুর রউফ | ১ |
| নূর মোহাম্মদ শেখ | ৮ |
| মতিউর রহমান | বিমানবাহিনী |
| রুহুল আমিন | নৌবাহিনী |
মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার ও নেতৃত্ব
Wartime Government and Leadership
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান মুজিবনগর) এলাকায় ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক নেতৃত্ব, কূটনৈতিক কার্যক্রম এবং সামরিক সমন্বয়ে এই সরকার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে।
| নেতা/কর্মকর্তা | দায়িত্ব |
|---|---|
| বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান | রাষ্ট্রপতি |
| সৈয়দ নজরুল ইসলাম | অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি |
| তাজউদ্দীন আহমদ | প্রধানমন্ত্রী |
| ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী | অর্থমন্ত্রী |
| খন্দকার মোশতাক আহমদ | পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী |
| এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান | স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রী |
| কর্নেল এম. এ. জি. ওসমানী | প্রধান সেনাপতি |
| লে. কর্নেল আবদুর রব | চিফ অব স্টাফ |
| গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার | ডেপুটি চিফ অব স্টাফ |
মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকা
Women in Liberation War
মুক্তিযুদ্ধে নারীরা সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ, চিকিৎসাসেবা, আশ্রয় প্রদান, যোগাযোগ, খাবার ও রসদ সরবরাহ, তথ্য আদান-প্রদান এবং জনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের অবদানকে শুধুমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখা যায় না।
| নাম | মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার পরিচিতি |
|---|---|
| ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম | মেডিকেল সেবায় অবদান; বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত |
| তারামন বিবি | সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা; বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত |
| কাঁকন বিবি | সীমান্তাঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা |
| আশালতা বৈদ্য | নারী সংগঠক ও মুক্তিযোদ্ধা |
| সেলিনা পারভীন | শহীদ নারী সাংবাদিক |
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার ধারাবাহিকতা
International Recognition of Bangladesh
স্বাধীন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ধাপে ধাপে আসে। সংযুক্ত পৃষ্ঠায় প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশ থেকে শুরু করে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দেশের তারিখ দেওয়া হয়েছে।
| দেশ | তারিখ | প্রাসঙ্গিক পরিচিতি |
|---|---|---|
| ভুটান | ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ | প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশ |
| ভারত | ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ | প্রথমদিককার স্বীকৃতিদাতা |
| ইরাক | ৮ জুলাই ১৯৭২ | আরব দেশ |
| পূর্ব জার্মানি | ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ | ইউরোপীয় দেশ |
| বার্বাডোস | ২০ জানুয়ারি ১৯৭২ | উত্তর আমেরিকার দেশ |
| ভেনেজুয়েলা | ২ মে ১৯৭২ | দক্ষিণ আমেরিকার দেশ |
| টোঙ্গা | ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২ | ওশেনিয়া |
| ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া | ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ | এশীয় মুসলিম দেশ |
ক্র্যাক প্লাটুন ও নগর গেরিলা
Crack Platoon
ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময় গেরিলা অভিযানের সঙ্গে যুক্ত একটি আলোচিত দল ছিল ক্র্যাক প্লাটুন। তরুণ মুক্তিযোদ্ধারা দখলদার বাহিনীর নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে আকস্মিক হামলা চালিয়ে তাদের অবস্থান দুর্বল করার চেষ্টা করেন।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই দলের কার্যক্রম শহরভিত্তিক প্রতিরোধ, গোপন সংগঠন এবং ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই দলের কার্যক্রম শহরভিত্তিক প্রতিরোধ, গোপন সংগঠন এবং ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্থাপত্য ও স্মৃতিসৌধ
Memorials and Monuments
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে ধারণ করার জন্য দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, শহর ও ঐতিহাসিক স্থানে ভাস্কর্য, স্মৃতিসৌধ ও স্মারক নির্মিত হয়েছে। এগুলো শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্বাধীনতার ইতিহাস সংরক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
| ভাস্কর্য / স্থাপত্য | শিল্পী/স্থপতি | অবস্থান |
|---|---|---|
| অপরাজেয় বাংলা | আবদুল্লাহ খালেদ | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |
| স্বাধীনতা সংগ্রাম | শামীম শিকদার | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |
| সংশপ্তক | হামিদুজ্জামান খান | জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় |
| সাবাস বাংলাদেশ | নিতুন কুণ্ডু | রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় |
| মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ | তানভীর কবির | মেহেরপুর |
| স্মারক ভাস্কর্য | মৃণাল হক | চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় |
| বিজয়োল্লাস | শামীম শিকদার | উদ্যান |
| বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ | মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হিলি | মিরপুর, ঢাকা |
| জাগ্রত চৌরঙ্গী | আবদুর রাজ্জাক | জয়দেবপুর চৌরাস্তা |
| জনযুদ্ধের গণজাগরণ | আলাউদ্দিন খলুন | ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় |
| ৭১-এর গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি | ভাস্কর রাশা | জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় |
| প্রত্যাশা | সুনীল কুমার | বসুন্ধরা, ঢাকা |
| কিংবদন্তি | হামিদুজ্জামান খান | মিরপুর, ঢাকা |
| অঙ্গীকার | সৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদ | চাঁদপুর |
| মুক্তির জলনান ৭১ | আবুল মোতালেব | সুহরাওয়ার্দী হল, চবি |
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ স্মারক
Monuments by Sector
সংযুক্ত পাতায় কয়েকটি জেলার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট পদকপ্রাপ্ত বা শহীদদের স্মারক পরিচয় একত্রে দেওয়া হয়েছে। এগুলো স্থানীয় ইতিহাসের সঙ্গে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি যুক্ত করে।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস
Liberation War Novels
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসে যুদ্ধকালীন জনজীবন, শরণার্থী, নিপীড়ন, প্রতিরোধ, মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা নানা দৃষ্টিকোণ থেকে উঠে এসেছে। নিচে উৎসের তালিকা অনুযায়ী লেখক ও তাঁদের রচনা সাজানো হয়েছে।
| ঔপন্যাসিক | উপন্যাস |
|---|---|
| আর জাহান শামসুদ্দীন | দোলন |
| সৈয়দ শামসুল হক | নিষিদ্ধ লোবান, নীল দংশন |
| শওকত আলী | যাত্রা |
| আনিসুল হক | মা |
| আনোয়ার পাশা | রাইফেল রোটি আওরাত |
| শওকত ওসমান | জাহান্নাম হইতে বিদায়, জলাঙ্গী, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য |
| রশীদ হায়দার | খাঁচায় |
| মাহমুদুল হক | জীবন আমার বোন |
| আল মাহমুদ | উপমহাদেশ |
| জাহির রায়হান | শেষ বিকেলের মেয়ে |
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক
Liberation War Plays
নাটকের মাধ্যমে যুদ্ধকালীন সংঘাত, গণমানুষের প্রতিরোধ এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষা মঞ্চ ও পাঠকের কাছে পৌঁছেছে।
| নাট্যকার | নাটক |
|---|---|
| সৈয়দ শামসুল হক | পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় |
| মমতাজউদ্দীন আহমদ | কি চাহ শঙ্খচিল, বর্ণচোরা, স্বাধীনতার সংগ্রাম |
| আবদুল্লাহ আল মামুন | আয়নায় বন্ধুর মুখ |
| আলাউদ্দিন আল আজাদ | নরকে লাল গোলাপ |
| সাঈদ আহমদ | প্রতিদিন একদিন |
| নীলিমা ইব্রাহিম | যে অরণ্যে আলো নেই |
| রাশেদ দাশগুপ্ত | ফেরী আসছে |
| জিয়া হায়দার | পঙ্কজবিজয় |
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য সাহিত্য ও দলিল
Memoirs, Poems and Documents
মুক্তিযুদ্ধের দলিল, স্মৃতিকথা, প্রবন্ধ, গল্প, চিত্রকর্ম ও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট নথি ঘটনাপ্রবাহ বোঝার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সাহিত্যিক রচনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতানির্ভর লেখা পাঠ করলে যুদ্ধের বহুমাত্রিক পরিচয় পাওয়া যায়।
| লেখক/স্রষ্টা | রচনা | ধরন |
|---|---|---|
| এম আর আখতার মুকুল | আমি বিজয় দেখেছি | স্মৃতিকথা |
| আলাউদ্দিন আল আজাদ | ফেরারী ডায়েরী | স্মৃতিকথা |
| সুফিয়া কামাল | একাত্তরের ডায়েরী | স্মৃতিকথা |
| আবদুল গাফফার চৌধুরী | আমরা বাংলাদেশী না বাঙালী | প্রবন্ধ |
| খান আতাউর রহমান | আবার তোরা মানুষ হ | চলচ্চিত্র |
| মেজর জেনারেল সুব্রত সিং | The Liberation of Bangladesh | প্রবন্ধ |
| ড. নীলিমা ইব্রাহিম | আমি বীরাঙ্গনা বলছি | প্রবন্ধ/স্মৃতিকথা |
| বেগম মুশতারী শফী | একাত্তরের কাহামালা | স্মৃতিচারণ |
| শামসুর রাহমান | স্বাধীনতা তুমি | কবিতা |
| জহির রায়হান | Stop Genocide | চলচ্চিত্র |
| চাষী নজরুল ইসলাম | ওরা ১১ জন | চলচ্চিত্র |
| সেলিনা হোসেন | একাত্তরের ঢাকা | প্রবন্ধ |
| নাসির উদ্দিন ইউসুফ | একাত্তরের যীশু | চলচ্চিত্র |
| রাবেয়া খাতুন | মুক্তিযুদ্ধের গল্প | গল্পসংকলন |
| অ্যালেন গিন্সবার্গ | সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড | কবিতা |
| মেজর মো. আবদুল জলিল | A Search for Identity | প্রবন্ধ |
| জাহানারা ইমাম | একাত্তরের দিনগুলি | স্মৃতিকথা |
| হাসান হাফিজুর রহমান | মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস | সম্পাদিত গ্রন্থ |
মুক্তিযুদ্ধের গান
Liberation War Songs
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেশপ্রেম, স্বদেশচেতনা ও সংগ্রামের শক্তি জোগাতে গান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বহু গান স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের অনুষ্ঠান ও জনসমাবেশের মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
| গানের নাম | গীতিকার |
|---|---|
| মা গো ভাবনা কেন | গোবিন্দ হালদার |
| মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো | গোবিন্দ হালদার |
| জন্ম আমার ধন্য হলো | নঈম গহর |
| নোঙর তোলো তোলো | নঈম গহর |
| জনতার সংগ্রাম চলবেই | সিকান্দার আবু জাফর |
শিরোনামে শেষ শব্দযুক্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা
Works Beginning with শেষ
প্রদত্ত পৃষ্ঠায় ‘শেষ’ শব্দ দিয়ে শুরু কয়েকটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম ও তার লেখকের তালিকা রয়েছে। এগুলো সাধারণ সাহিত্য-জ্ঞান অংশের সহায়ক তথ্য।
| রচনার নাম | লেখক | ধরন |
|---|---|---|
| শেষ বিকেলের মেয়ে | জহির রায়হান | উপন্যাস |
| শেষ প্রশ্ন | শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | উপন্যাস |
| শেষ লেখা | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | কাব্যগ্রন্থ |
| শেষের পরিচয় | শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় | উপন্যাস |
| শেষের কবিতা | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | উপন্যাস |
| শেষকথা | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | ছোটগল্প |
| শেষ সপ্তক | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | কাব্যগ্রন্থ |
| শেষরক্ষা | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | প্রহসন |
| শেষ পাণ্ডুলিপি | বুদ্ধদেব বসু | উপন্যাস |
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে রবীন্দ্রনাথের জনপ্রিয় রচনা
Selected Works of Rabindranath Tagore
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি সমসাময়িক নয়; তবে তাঁর সাহিত্য ও সংগীত বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়, ভাষা ও স্বাধীনতার চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। সংযুক্ত পাতায় তাঁর কয়েকটি রচনার প্রথম প্রকাশ ও উৎসর্গ-সংক্রান্ত তথ্য একত্রে দেওয়া হয়েছে।
| রচনা | প্রকাশ | ধরন | উৎসর্গ |
|---|---|---|---|
| কালের যাত্রা | ১৯৩২ | নাটক | শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় |
| বসন্ত | ১৯২৩ | গীতিনাট্য | কাজী নজরুল ইসলাম |
| পূরবী | ১৯২৫ | কাব্যগ্রন্থ | ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো |
| খেয়া | ১৯০৬ | কাব্যগ্রন্থ | বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু |
| আকাশ প্রদীপ | ১৯৩৯ | কাব্যগ্রন্থ | সুধীন্দ্রনাথ দত্ত |
| তাসের ঘর | ১৯৩৩ | নাটক | নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু |
| বৌঠাকুরানীর হাট | ১৮৮৩ | উপন্যাস | জ্যোতি সৌদামিনী দেবী |
পরীক্ষার জন্য বিষয়ভিত্তিক পুনরালোচনা
Revision Notes
প্রথমে ১১টি সেক্টরের অঞ্চল ও কমান্ডার, তারপরে খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা ও সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ, তারপর মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের দায়িত্ববণ্টন এবং নারীর অবদান পড়া সুবিধাজনক।
সাহিত্য অংশে একই লেখকের একাধিক রচনা একটি গ্রুপে রাখলে বিভ্রান্তি কমে। নাম, রচনার ধরণ এবং লেখককে একসঙ্গে অনুশীলন করা কার্যকর।
এই নথির তথ্য সংযুক্ত ৫টি স্ক্যান পৃষ্ঠার ভিত্তিতে পুনর্গঠিত। কিছু স্থাননাম, বানান ও পরিসংখ্যান পুরোনো বা দুর্বোধ্য হতে পারে; নির্ভুল পরীক্ষামূলক ব্যবহারের আগে উৎসের সঙ্গে পুনর্মিলন করা উচিত।
সাহিত্য অংশে একই লেখকের একাধিক রচনা একটি গ্রুপে রাখলে বিভ্রান্তি কমে। নাম, রচনার ধরণ এবং লেখককে একসঙ্গে অনুশীলন করা কার্যকর।
এই নথির তথ্য সংযুক্ত ৫টি স্ক্যান পৃষ্ঠার ভিত্তিতে পুনর্গঠিত। কিছু স্থাননাম, বানান ও পরিসংখ্যান পুরোনো বা দুর্বোধ্য হতে পারে; নির্ভুল পরীক্ষামূলক ব্যবহারের আগে উৎসের সঙ্গে পুনর্মিলন করা উচিত।
- ‘জুলাই শহিদ দিবস’ কোন তারিখে পালিত হয়?
- ৭ নভেম্বর
- ১৬ জুলাই
- ৬ জুলাই
- ৫ আগস্ট
- ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান দিবস’ কোন তারিখে পালিত হয়?
- ৫ আগস্ট
- ৬ জুলাই
- ৭ নভেম্বর
- ১৬ জুলাই
- ‘পল্লী উন্নয়ন দিবস’ কোন তারিখে?
- ৬ জুলাই
- ৫ আগস্ট
- ১৬ জুলাই
- ৭ নভেম্বর
- উৎসের ‘বিশ্ব ও সংহতি দিবস’-এর তারিখ কোনটি?
- ৫ আগস্ট
- ৭ নভেম্বর
- ১৬ জুলাই
- ৬ জুলাই
- বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কতজন?
- ৭ জন
- ১৭৪ জন
- ৪২৪ জন
- ৬৭ জন
- বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কতজন?
- ৪২৪ জন
- ১৭৪ জন
- ৬৭ জন
- ৭ জন
- বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কতজন?
- ৭ জন
- ৬৭ জন
- ৪২৪ জন
- ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কতজন?
- ১৭৪ জন
- ৭ জন
- ৬৭ জন
- ৪২৪ জন
- চার শ্রেণির খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার মোট সংখ্যা কত?
- ৬৭ জন
- ১৭৪ জন
- ৭ জন
- ৬৭২ জন
- কোন তারিখে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাব প্রদান শুরু হয়?
- ৬৭ জন
- ৭ জন
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩
- ১৭৪ জন
- উৎসের ‘নারীর অবদান’ অংশে নারী বীর প্রতীক হিসেবে কাদের নাম আছে?
- তারামন বিবি ও ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম
- ৭ জন
- ৬৭ জন
- ১৭৪ জন
- ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
- ২ নম্বর সেক্টর
- ১১ নম্বর সেক্টর
- আশালতা বৈদ্য
- ৫ নম্বর সেক্টর
- তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
- ১১ নম্বর সেক্টর
- ৫ নম্বর সেক্টর
- আশালতা বৈদ্য
- ২ নম্বর সেক্টর
- কাঁকন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
- আশালতা বৈদ্য
- ১১ নম্বর সেক্টর
- ২ নম্বর সেক্টর
- ৫ নম্বর সেক্টর
- উৎস অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার কে?
- আশালতা বৈদ্য
- ২ নম্বর সেক্টর
- ৫ নম্বর সেক্টর
- ১১ নম্বর সেক্টর
- উৎস অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধে নিহত নারী সাংবাদিক কে?
- ২ নম্বর সেক্টর
- সেলিনা পারভীন
- ১১ নম্বর সেক্টর
- ৫ নম্বর সেক্টর
- বাংলাদেশকে প্রথম কোন দেশ স্বীকৃতি দেয়?
- ৮ জুলাই ১৯৭২
- ভুটান
- ৪ নভেম্বর ১৯৭৩
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ভুটান বাংলাদেশকে কোন তারিখে স্বীকৃতি দেয়?
- ৮ জুলাই ১৯৭২
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ভুটান
- ৪ নভেম্বর ১৯৭৩
- ইরাকের বাংলাদেশকে স্বীকৃতির তারিখ কোনটি?
- ভুটান
- ৮ জুলাই ১৯৭২
- ৪ নভেম্বর ১৯৭৩
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- উৎস অনুযায়ী কঙ্গো কখন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
- ৪ নভেম্বর ১৯৭৩
- ৮ জুলাই ১৯৭২
- ভুটান
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- পূর্ব জার্মানি কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
- ৮ জুলাই ১৯৭২
- ভুটান
- বার্বাডোস কখন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
- ২০ জানুয়ারি ১৯৭২
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ৮ জুলাই ১৯৭২
- ভুটান
- ভেনেজুয়েলার স্বীকৃতির তারিখ কী?
- ৮ জুলাই ১৯৭২
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ১ মে ১৯৭২
- ভুটান
- টোঙ্গা বাংলাদেশকে কবে স্বীকৃতি দেয়?
- ভুটান
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ৮ জুলাই ১৯৭২
- ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২
- ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ৮ জুলাই ১৯৭২
- ভুটান
- ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- ১ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায় ছিল?
- হরিণা
- ৫টি
- মেলাঘর
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ১ নম্বর সেক্টরে কয়টি সাব-সেক্টর ছিল?
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- হরিণা
- ৫টি
- মেলাঘর
- উৎসে ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে কাদের উল্লেখ আছে?
- হরিণা
- ৫টি
- মেলাঘর
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ২ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায়?
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ৫টি
- মেলাঘর
- হরিণা
- ২ নম্বর সেক্টরে সাব-সেক্টর ছিল কতটি?
- ৬টি
- হরিণা
- ৫টি
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ২ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে কারা উল্লেখিত?
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- হরিণা
- ৫টি
- মেজর খালেদ মোশাররফ ও ক্যাপ্টেন এ. টি. এম. হায়দার
- ৩ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায়?
- হরিণা
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ৫টি
- হেজামারা
- ৩ নম্বর সেক্টরে সাব-সেক্টর কতটি?
- ৫টি
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ১০টি
- হরিণা
- ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কারা ছিলেন?
- ৫টি
- হরিণা
- মেজর কে. এম. শফিউল্লাহ ও মেজর এ. এন. এম. নুরুজ্জামান
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ৪ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায় ছিল?
- ৫টি
- করিমগঞ্জ ও পরে আসামের মাসিমপুর
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- হরিণা
- ৪ নম্বর সেক্টরে সাব-সেক্টরের সংখ্যা কত?
- ৬টি
- হরিণা
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ৫টি
- ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কে ছিলেন?
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- মেজর সি. আর. দত্ত
- হরিণা
- ৫টি
- ৫ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায় ছিল?
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- বাঁশতলা
- ৫টি
- হরিণা
- ৫ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কতটি?
- হরিণা
- ৫টি
- ৬টি
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ৫ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কে?
- হরিণা
- মেজর মীর শওকত আলী
- ৫টি
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ৬ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায়?
- বুড়িমারী
- হরিণা
- ৫টি
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ৬ নম্বর সেক্টরে সাব-সেক্টর কতটি?
- ৫টি
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- মেলাঘর
- হরিণা
- ৬ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কে ছিলেন?
- উইং কমান্ডার খাদেমুল বাশার
- ৫টি
- হরিণা
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ৭ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায়?
- ৫টি
- হরিণা
- তরঙ্গপুর
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ৭ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কয়টি?
- ৮টি
- হরিণা
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ৫টি
- ৭ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কারা?
- মেজর নাজমুল হক ও মেজর কাজী নুরুজ্জামান
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ৫টি
- হরিণা
- ৮ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায়?
- হরিণা
- ৫টি
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- কল্যাণী
- ৮ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কয়টি?
- ৫টি
- হরিণা
- ৭টি
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- ৮ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কারা?
- ৫টি
- মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ও মেজর এম. এ. মঞ্জুর
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- হরিণা
- ৯ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায়?
- হরিণা
- ৫টি
- মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
- টাকিতে