মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর, বীরত্বসূচক খেতাব ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য — Bank Job

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর, বীরত্বসূচক খেতাব ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্য: সাধারণ জ্ঞান, Bank Job পাঠ ও 400টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/8।

এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
মুক্তিযুদ্ধের সামরিক সংগঠন
Organization of the Liberation War
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে সমন্বিতভাবে পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে ১১টি সামরিক সেক্টরে ভাগ করা হয়। প্রতিটি সেক্টরের নির্দিষ্ট কার্যাঞ্চল, কমান্ডার এবং প্রয়োজন অনুসারে একাধিক সাব-সেক্টর ছিল। অঞ্চলভিত্তিক এই ব্যবস্থা প্রশিক্ষণ, সরবরাহ, যোগাযোগ এবং সামরিক অভিযানের সমন্বয়ে সহায়ক হয়।

একেক অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধাদের কার্যপদ্ধতি ভূপ্রকৃতি, সীমান্তের অবস্থান এবং শত্রুপক্ষের উপস্থিতির ভিত্তিতে আলাদা ছিল। নিয়মিত বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিরোধযোদ্ধা ও গেরিলা দলও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর
Eleven War Sectors
নিচের সারণিতে উৎসপৃষ্ঠার সেক্টরভিত্তিক অঞ্চল, কমান্ডার, সাব-সেক্টর এবং যোদ্ধাসংখ্যার সারাংশ দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধ চলাকালে নেতৃত্ব ও মোতায়েনের পরিবর্তন ঘটেছে; তাই এগুলোকে ঐতিহাসিক স্ন্যাপশট হিসেবে পড়তে হবে।

সেক্টরকার্যাঞ্চলসেক্টর কমান্ডারসাব-সেক্টরসদর/হেডকোয়ার্টারসেক্টর বাহিনী (উৎসে)গেরিলা (উৎসে)
১চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী-সংলগ্ন এলাকামেজর জিয়াউর রহমান; পরে ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম৫হরিণা১,২০০৮,০০০
২নোয়াখালী, কুমিল্লা, আখাউড়া, ভৈরব, ঢাকা ও ফরিদপুরের কিছু অংশমেজর খালেদ মোশাররফ; পরে ক্যাপ্টেন এ. টি. এম. হায়দার৬মেলাঘরপ্রায় ৬,০০০প্রায় ৩৫,০০০
৩আখাউড়া থেকে পূর্বের কুমিল্লা, ঢাকা ও কিশোরগঞ্জের অংশমেজর কে. এম. শফিউল্লাহ; পরে এ. এন. এম. নূরুজ্জামান১০হেজামারা২,৫০০৩০,০০০
৪সিলেট জেলার পূর্বাংশমেজর সি. আর. দত্ত৬করিমগঞ্জ; পরে মাসিমপুর৪,০০০৯,০০০
৫সিলেটের পশ্চিমাংশ, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ-সংলগ্ন অঞ্চলমেজর মীর শওকত আলী৬বাঁশতলা৮০০৫,০০০
৬রংপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ের অঞ্চলউইং কমান্ডার এম. খাদেমুল বাশার৫পাটগ্রাম২,০০০৯,০০০
৭পাবনা, বগুড়া, রাজশাহী ও দিনাজপুরের অংশমেজর নাজমুল হক; পরে মেজর কাজী নুরুজ্জামান৯তরঙ্গপুর২,৫০০১২,৫০০
৮কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর ও খুলনার অংশমেজর আবু ওসমান চৌধুরী; পরে মেজর এম. এ. মঞ্জুর৭কল্যাণী৩,০০০২৫,০০০
৯বৃহত্তর বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা ও সাতক্ষীরার অংশমেজর এম. এ. জলিল; পরে মেজর জয়নাল আবেদীন৩টাকি, হিঙ্গলগঞ্জ, শমসেরনগরপ্রায় ৮০০প্রায় ২০,০০০
১০নদীপথ ও সমুদ্রপথের নৌ-কমান্ডো অভিযান; নির্দিষ্ট ভূখণ্ডভিত্তিক সেক্টর নয়নৌ-কমান্ডোদের বিভিন্ন দল ও অপারেশনাল নেতৃত্বপ্রযোজ্য নয়বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও অভিযানকেন্দ্র——
১১কিশোরগঞ্জসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহের অঞ্চলমেজর আবু তাহের; পরে স্কোয়াড্রন লিডার এম. হামিদুল্লাহ৮মহেন্দ্রগঞ্জ; পরে ঢালুপ্রায় ৮০০প্রায় ২৫,০০০
১–৫ নম্বর সেক্টরের উল্লেখযোগ্য সাব-সেক্টর
Sub-sectors of Sectors 1–5
প্রতিটি সেক্টরে সীমান্তঘেঁষা ক্যাম্প, আঞ্চলিক অবস্থান এবং বিশেষ অভিযানের জন্য পৃথক সাব-সেক্টর গঠিত হয়। নিচের নামগুলো স্ক্যান করা পৃষ্ঠায় উল্লেখিত উদাহরণ।

সেক্টরসাব-সেক্টরের নাম
১শ্রীনগর, ঋষিমুখ, মনুঘাট, তবলছড়ি, চিম্বুক
২গঙ্গাসাগর–আখাউড়া–কসবা, মন্দভাগ, সালদা নদী, মিরপুর, রাজনগর, নির্ভয়পুর
৩আশ্রমবাড়ি, বাঘাইবাড়ি, হাতকাটা, সিমনা, পঞ্চবটী, মনতলা, বিজয়নগর, কালাছড়া, কলকলিয়া, বামুটিয়া
৪জালালপুর, বড়পুঞ্জী, আমলসিদ, কুকিতল, কৈলাশহর, কমলপুর
৫মুক্তারপুর, ডাউকি, শেলা, ভোলাগঞ্জ, রংগুয়া, বড়ছড়া
৬–১১ নম্বর সেক্টরের কার্যক্রম
Sectors 6–11 and Naval Operations
৬ নম্বর সেক্টর প্রধানত উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তে, ৭ নম্বর সেক্টর রাজশাহী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়, ৮ নম্বর সেক্টর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে, ৯ নম্বর সেক্টর দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকায় এবং ১১ নম্বর সেক্টর বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে যুদ্ধ পরিচালনা করে।

১০ নম্বর সেক্টর অন্যগুলোর মতো নির্দিষ্ট স্থলসীমা নিয়ে গঠিত হয়নি। এটি নদী ও সমুদ্রবন্দরে নৌ-কমান্ডো অভিযান পরিচালনার সংগঠন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। উৎসপৃষ্ঠায় নৌ-কমান্ডোদের বিশেষ প্রশিক্ষণ এবং বন্দর ও জাহাজকে লক্ষ্য করে পরিচালিত অভিযান বর্ণিত হয়েছে।

সেক্টরউল্লেখিত সাব-সেক্টর বা কার্যকেন্দ্র
৬ভজনপুর, পাটগ্রাম, সাহেবগঞ্জ, মোগলহাট, চিলাহাটি
৭মালন, তপন, মেহেদীপুর, হামজাপুর, আড়ানী, লালগোলা, ঠোকরাবাড়ি, লালগোলা
৮বয়রা, হাকিমপুর, ডোমড়া, লালবাজার, বনপুর, বেনাপোল, শিকারপুর
৯টাকি, হিঙ্গলগঞ্জ, শমসেরনগর
১১মহেন্দ্রগঞ্জ, মহেশখোলা, পুরাখাসিয়া, ডালু, রংরা, শিববাড়ি, বাঘমারা, মহেশখোলা
মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বসূচক খেতাব
Gallantry Awards of the Liberation War
মুক্তিযুদ্ধে অনন্য সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম এবং বীর প্রতীক—এই চার ধরনের বীরত্বসূচক খেতাব দেওয়া হয়। ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে এসব খেতাব প্রদানের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

সংযুক্ত উৎস অনুযায়ী মোট খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ৬৭৬ জন। নিচের সারণির পরিসংখ্যান ঐতিহাসিক পাঠ্যটির অনুসরণে দেওয়া হয়েছে।

খেতাবখেতাবপ্রাপ্তের সংখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ৭
বীর উত্তম৬৭
বীর বিক্রম১৭৪
বীর প্রতীক৪২৮
সর্বমোট৬৭৬
সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ
Seven Bir Sreshtho
বীরশ্রেষ্ঠ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক বীরত্বসূচক খেতাব। যুদ্ধের বিভিন্ন রণাঙ্গনে অসামান্য সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের জন্য সাতজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এ সম্মান লাভ করেন।

বীরশ্রেষ্ঠযুদ্ধের সেক্টর/বাহিনী
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর৭
হামিদুর রহমান৪
মোস্তফা কামাল২
মুনশী আবদুর রউফ১
নূর মোহাম্মদ শেখ৮
মতিউর রহমানবিমানবাহিনী
রুহুল আমিননৌবাহিনী
মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকার ও নেতৃত্ব
Wartime Government and Leadership
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা (বর্তমান মুজিবনগর) এলাকায় ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক নেতৃত্ব, কূটনৈতিক কার্যক্রম এবং সামরিক সমন্বয়ে এই সরকার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে।

নেতা/কর্মকর্তাদায়িত্ব
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানরাষ্ট্রপতি
সৈয়দ নজরুল ইসলামঅস্থায়ী রাষ্ট্রপতি
তাজউদ্দীন আহমদপ্রধানমন্ত্রী
ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলীঅর্থমন্ত্রী
খন্দকার মোশতাক আহমদপররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামানস্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রী
কর্নেল এম. এ. জি. ওসমানীপ্রধান সেনাপতি
লে. কর্নেল আবদুর রবচিফ অব স্টাফ
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকারডেপুটি চিফ অব স্টাফ
মুক্তিযুদ্ধে নারীর ভূমিকা
Women in Liberation War
মুক্তিযুদ্ধে নারীরা সরাসরি অস্ত্র হাতে যুদ্ধ, চিকিৎসাসেবা, আশ্রয় প্রদান, যোগাযোগ, খাবার ও রসদ সরবরাহ, তথ্য আদান-প্রদান এবং জনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের অবদানকে শুধুমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখা যায় না।

নামমুক্তিযুদ্ধে ভূমিকার পরিচিতি
ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগমমেডিকেল সেবায় অবদান; বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত
তারামন বিবিসশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা; বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত
কাঁকন বিবিসীমান্তাঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা
আশালতা বৈদ্যনারী সংগঠক ও মুক্তিযোদ্ধা
সেলিনা পারভীনশহীদ নারী সাংবাদিক
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার ধারাবাহিকতা
International Recognition of Bangladesh
স্বাধীন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ধাপে ধাপে আসে। সংযুক্ত পৃষ্ঠায় প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশ থেকে শুরু করে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দেশের তারিখ দেওয়া হয়েছে।

দেশতারিখপ্রাসঙ্গিক পরিচিতি
ভুটান৬ ডিসেম্বর ১৯৭১প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশ
ভারত৬ ডিসেম্বর ১৯৭১প্রথমদিককার স্বীকৃতিদাতা
ইরাক৮ জুলাই ১৯৭২আরব দেশ
পূর্ব জার্মানি১১ জানুয়ারি ১৯৭২ইউরোপীয় দেশ
বার্বাডোস২০ জানুয়ারি ১৯৭২উত্তর আমেরিকার দেশ
ভেনেজুয়েলা২ মে ১৯৭২দক্ষিণ আমেরিকার দেশ
টোঙ্গা২৪ জানুয়ারি ১৯৭২ওশেনিয়া
ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২এশীয় মুসলিম দেশ
ক্র্যাক প্লাটুন ও নগর গেরিলা
Crack Platoon
ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধের সময় গেরিলা অভিযানের সঙ্গে যুক্ত একটি আলোচিত দল ছিল ক্র্যাক প্লাটুন। তরুণ মুক্তিযোদ্ধারা দখলদার বাহিনীর নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে আকস্মিক হামলা চালিয়ে তাদের অবস্থান দুর্বল করার চেষ্টা করেন।

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এই দলের কার্যক্রম শহরভিত্তিক প্রতিরোধ, গোপন সংগঠন এবং ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্থাপত্য ও স্মৃতিসৌধ
Memorials and Monuments
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে ধারণ করার জন্য দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, শহর ও ঐতিহাসিক স্থানে ভাস্কর্য, স্মৃতিসৌধ ও স্মারক নির্মিত হয়েছে। এগুলো শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্বাধীনতার ইতিহাস সংরক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

ভাস্কর্য / স্থাপত্যশিল্পী/স্থপতিঅবস্থান
অপরাজেয় বাংলাআবদুল্লাহ খালেদঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
স্বাধীনতা সংগ্রামশামীম শিকদারঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সংশপ্তকহামিদুজ্জামান খানজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
সাবাস বাংলাদেশনিতুন কুণ্ডুরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধতানভীর কবিরমেহেরপুর
স্মারক ভাস্কর্যমৃণাল হকচট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
বিজয়োল্লাসশামীম শিকদারউদ্যান
বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধমোস্তফা হারুন কুদ্দুস হিলিমিরপুর, ঢাকা
জাগ্রত চৌরঙ্গীআবদুর রাজ্জাকজয়দেবপুর চৌরাস্তা
জনযুদ্ধের গণজাগরণআলাউদ্দিন খলুনঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৭১-এর গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতিভাস্কর রাশাজগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
প্রত্যাশাসুনীল কুমারবসুন্ধরা, ঢাকা
কিংবদন্তিহামিদুজ্জামান খানমিরপুর, ঢাকা
অঙ্গীকারসৈয়দ আবদুল্লাহ খালেদচাঁদপুর
মুক্তির জলনান ৭১আবুল মোতালেবসুহরাওয়ার্দী হল, চবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ স্মারক
Monuments by Sector
সংযুক্ত পাতায় কয়েকটি জেলার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট পদকপ্রাপ্ত বা শহীদদের স্মারক পরিচয় একত্রে দেওয়া হয়েছে। এগুলো স্থানীয় ইতিহাসের সঙ্গে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি যুক্ত করে।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস
Liberation War Novels
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসে যুদ্ধকালীন জনজীবন, শরণার্থী, নিপীড়ন, প্রতিরোধ, মানুষের মনস্তত্ত্ব এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা নানা দৃষ্টিকোণ থেকে উঠে এসেছে। নিচে উৎসের তালিকা অনুযায়ী লেখক ও তাঁদের রচনা সাজানো হয়েছে।

ঔপন্যাসিকউপন্যাস
আর জাহান শামসুদ্দীনদোলন
সৈয়দ শামসুল হকনিষিদ্ধ লোবান, নীল দংশন
শওকত আলীযাত্রা
আনিসুল হকমা
আনোয়ার পাশারাইফেল রোটি আওরাত
শওকত ওসমানজাহান্নাম হইতে বিদায়, জলাঙ্গী, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য
রশীদ হায়দারখাঁচায়
মাহমুদুল হকজীবন আমার বোন
আল মাহমুদউপমহাদেশ
জাহির রায়হানশেষ বিকেলের মেয়ে
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক
Liberation War Plays
নাটকের মাধ্যমে যুদ্ধকালীন সংঘাত, গণমানুষের প্রতিরোধ এবং মুক্তির আকাঙ্ক্ষা মঞ্চ ও পাঠকের কাছে পৌঁছেছে।

নাট্যকারনাটক
সৈয়দ শামসুল হকপায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
মমতাজউদ্দীন আহমদকি চাহ শঙ্খচিল, বর্ণচোরা, স্বাধীনতার সংগ্রাম
আবদুল্লাহ আল মামুনআয়নায় বন্ধুর মুখ
আলাউদ্দিন আল আজাদনরকে লাল গোলাপ
সাঈদ আহমদপ্রতিদিন একদিন
নীলিমা ইব্রাহিমযে অরণ্যে আলো নেই
রাশেদ দাশগুপ্তফেরী আসছে
জিয়া হায়দারপঙ্কজবিজয়
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অন্যান্য সাহিত্য ও দলিল
Memoirs, Poems and Documents
মুক্তিযুদ্ধের দলিল, স্মৃতিকথা, প্রবন্ধ, গল্প, চিত্রকর্ম ও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট নথি ঘটনাপ্রবাহ বোঝার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। সাহিত্যিক রচনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতানির্ভর লেখা পাঠ করলে যুদ্ধের বহুমাত্রিক পরিচয় পাওয়া যায়।

লেখক/স্রষ্টারচনাধরন
এম আর আখতার মুকুলআমি বিজয় দেখেছিস্মৃতিকথা
আলাউদ্দিন আল আজাদফেরারী ডায়েরীস্মৃতিকথা
সুফিয়া কামালএকাত্তরের ডায়েরীস্মৃতিকথা
আবদুল গাফফার চৌধুরীআমরা বাংলাদেশী না বাঙালীপ্রবন্ধ
খান আতাউর রহমানআবার তোরা মানুষ হচলচ্চিত্র
মেজর জেনারেল সুব্রত সিংThe Liberation of Bangladeshপ্রবন্ধ
ড. নীলিমা ইব্রাহিমআমি বীরাঙ্গনা বলছিপ্রবন্ধ/স্মৃতিকথা
বেগম মুশতারী শফীএকাত্তরের কাহামালাস্মৃতিচারণ
শামসুর রাহমানস্বাধীনতা তুমিকবিতা
জহির রায়হানStop Genocideচলচ্চিত্র
চাষী নজরুল ইসলামওরা ১১ জনচলচ্চিত্র
সেলিনা হোসেনএকাত্তরের ঢাকাপ্রবন্ধ
নাসির উদ্দিন ইউসুফএকাত্তরের যীশুচলচ্চিত্র
রাবেয়া খাতুনমুক্তিযুদ্ধের গল্পগল্পসংকলন
অ্যালেন গিন্সবার্গসেপ্টেম্বর অন যশোর রোডকবিতা
মেজর মো. আবদুল জলিলA Search for Identityপ্রবন্ধ
জাহানারা ইমামএকাত্তরের দিনগুলিস্মৃতিকথা
হাসান হাফিজুর রহমানমুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসসম্পাদিত গ্রন্থ
মুক্তিযুদ্ধের গান
Liberation War Songs
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে দেশপ্রেম, স্বদেশচেতনা ও সংগ্রামের শক্তি জোগাতে গান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বহু গান স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের অনুষ্ঠান ও জনসমাবেশের মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

গানের নামগীতিকার
মা গো ভাবনা কেনগোবিন্দ হালদার
মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবোগোবিন্দ হালদার
জন্ম আমার ধন্য হলোনঈম গহর
নোঙর তোলো তোলোনঈম গহর
জনতার সংগ্রাম চলবেইসিকান্দার আবু জাফর
শিরোনামে শেষ শব্দযুক্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক রচনা
Works Beginning with শেষ
প্রদত্ত পৃষ্ঠায় ‘শেষ’ শব্দ দিয়ে শুরু কয়েকটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম ও তার লেখকের তালিকা রয়েছে। এগুলো সাধারণ সাহিত্য-জ্ঞান অংশের সহায়ক তথ্য।

রচনার নামলেখকধরন
শেষ বিকেলের মেয়েজহির রায়হানউপন্যাস
শেষ প্রশ্নশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়উপন্যাস
শেষ লেখারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকাব্যগ্রন্থ
শেষের পরিচয়শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়উপন্যাস
শেষের কবিতারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরউপন্যাস
শেষকথারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরছোটগল্প
শেষ সপ্তকরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকাব্যগ্রন্থ
শেষরক্ষারবীন্দ্রনাথ ঠাকুরপ্রহসন
শেষ পাণ্ডুলিপিবুদ্ধদেব বসুউপন্যাস
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে রবীন্দ্রনাথের জনপ্রিয় রচনা
Selected Works of Rabindranath Tagore
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য মুক্তিযুদ্ধের সরাসরি সমসাময়িক নয়; তবে তাঁর সাহিত্য ও সংগীত বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়, ভাষা ও স্বাধীনতার চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। সংযুক্ত পাতায় তাঁর কয়েকটি রচনার প্রথম প্রকাশ ও উৎসর্গ-সংক্রান্ত তথ্য একত্রে দেওয়া হয়েছে।

রচনাপ্রকাশধরনউৎসর্গ
কালের যাত্রা১৯৩২নাটকশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বসন্ত১৯২৩গীতিনাট্যকাজী নজরুল ইসলাম
পূরবী১৯২৫কাব্যগ্রন্থভিক্টোরিয়া ওকাম্পো
খেয়া১৯০৬কাব্যগ্রন্থবিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু
আকাশ প্রদীপ১৯৩৯কাব্যগ্রন্থসুধীন্দ্রনাথ দত্ত
তাসের ঘর১৯৩৩নাটকনেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
বৌঠাকুরানীর হাট১৮৮৩উপন্যাসজ্যোতি সৌদামিনী দেবী
পরীক্ষার জন্য বিষয়ভিত্তিক পুনরালোচনা
Revision Notes
প্রথমে ১১টি সেক্টরের অঞ্চল ও কমান্ডার, তারপরে খেতাবপ্রাপ্তদের সংখ্যা ও সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ, তারপর মুক্তিযুদ্ধকালীন সরকারের দায়িত্ববণ্টন এবং নারীর অবদান পড়া সুবিধাজনক।

সাহিত্য অংশে একই লেখকের একাধিক রচনা একটি গ্রুপে রাখলে বিভ্রান্তি কমে। নাম, রচনার ধরণ এবং লেখককে একসঙ্গে অনুশীলন করা কার্যকর।

এই নথির তথ্য সংযুক্ত ৫টি স্ক্যান পৃষ্ঠার ভিত্তিতে পুনর্গঠিত। কিছু স্থাননাম, বানান ও পরিসংখ্যান পুরোনো বা দুর্বোধ্য হতে পারে; নির্ভুল পরীক্ষামূলক ব্যবহারের আগে উৎসের সঙ্গে পুনর্মিলন করা উচিত।

  1. ‘জুলাই শহিদ দিবস’ কোন তারিখে পালিত হয়?
    • ৭ নভেম্বর
    • ১৬ জুলাই
    • ৬ জুলাই
    • ৫ আগস্ট
  2. ‘জুলাই গণ অভ্যুত্থান দিবস’ কোন তারিখে পালিত হয়?
    • ৫ আগস্ট
    • ৬ জুলাই
    • ৭ নভেম্বর
    • ১৬ জুলাই
  3. ‘পল্লী উন্নয়ন দিবস’ কোন তারিখে?
    • ৬ জুলাই
    • ৫ আগস্ট
    • ১৬ জুলাই
    • ৭ নভেম্বর
  4. উৎসের ‘বিশ্ব ও সংহতি দিবস’-এর তারিখ কোনটি?
    • ৫ আগস্ট
    • ৭ নভেম্বর
    • ১৬ জুলাই
    • ৬ জুলাই
  5. বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কতজন?
    • ৭ জন
    • ১৭৪ জন
    • ৪২৪ জন
    • ৬৭ জন
  6. বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কতজন?
    • ৪২৪ জন
    • ১৭৪ জন
    • ৬৭ জন
    • ৭ জন
  7. বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কতজন?
    • ৭ জন
    • ৬৭ জন
    • ৪২৪ জন
    • ১৭৪ জন
  8. বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কতজন?
    • ১৭৪ জন
    • ৭ জন
    • ৬৭ জন
    • ৪২৪ জন
  9. চার শ্রেণির খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার মোট সংখ্যা কত?
    • ৬৭ জন
    • ১৭৪ জন
    • ৭ জন
    • ৬৭২ জন
  10. কোন তারিখে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাব প্রদান শুরু হয়?
    • ৬৭ জন
    • ৭ জন
    • ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩
    • ১৭৪ জন
  11. উৎসের ‘নারীর অবদান’ অংশে নারী বীর প্রতীক হিসেবে কাদের নাম আছে?
    • তারামন বিবি ও ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম
    • ৭ জন
    • ৬৭ জন
    • ১৭৪ জন
  12. ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
    • ২ নম্বর সেক্টর
    • ১১ নম্বর সেক্টর
    • আশালতা বৈদ্য
    • ৫ নম্বর সেক্টর
  13. তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
    • ১১ নম্বর সেক্টর
    • ৫ নম্বর সেক্টর
    • আশালতা বৈদ্য
    • ২ নম্বর সেক্টর
  14. কাঁকন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
    • আশালতা বৈদ্য
    • ১১ নম্বর সেক্টর
    • ২ নম্বর সেক্টর
    • ৫ নম্বর সেক্টর
  15. উৎস অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার কে?
    • আশালতা বৈদ্য
    • ২ নম্বর সেক্টর
    • ৫ নম্বর সেক্টর
    • ১১ নম্বর সেক্টর
  16. উৎস অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধে নিহত নারী সাংবাদিক কে?
    • ২ নম্বর সেক্টর
    • সেলিনা পারভীন
    • ১১ নম্বর সেক্টর
    • ৫ নম্বর সেক্টর
  17. বাংলাদেশকে প্রথম কোন দেশ স্বীকৃতি দেয়?
    • ৮ জুলাই ১৯৭২
    • ভুটান
    • ৪ নভেম্বর ১৯৭৩
    • ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  18. ভুটান বাংলাদেশকে কোন তারিখে স্বীকৃতি দেয়?
    • ৮ জুলাই ১৯৭২
    • ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
    • ভুটান
    • ৪ নভেম্বর ১৯৭৩
  19. ইরাকের বাংলাদেশকে স্বীকৃতির তারিখ কোনটি?
    • ভুটান
    • ৮ জুলাই ১৯৭২
    • ৪ নভেম্বর ১৯৭৩
    • ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  20. উৎস অনুযায়ী কঙ্গো কখন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
    • ৪ নভেম্বর ১৯৭৩
    • ৮ জুলাই ১৯৭২
    • ভুটান
    • ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  21. পূর্ব জার্মানি কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
    • ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
    • ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
    • ৮ জুলাই ১৯৭২
    • ভুটান
  22. বার্বাডোস কখন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
    • ২০ জানুয়ারি ১৯৭২
    • ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
    • ৮ জুলাই ১৯৭২
    • ভুটান
  23. ভেনেজুয়েলার স্বীকৃতির তারিখ কী?
    • ৮ জুলাই ১৯৭২
    • ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
    • ১ মে ১৯৭২
    • ভুটান
  24. টোঙ্গা বাংলাদেশকে কবে স্বীকৃতি দেয়?
    • ভুটান
    • ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
    • ৮ জুলাই ১৯৭২
    • ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২
  25. ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
    • ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
    • ৮ জুলাই ১৯৭২
    • ভুটান
    • ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  26. ১ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায় ছিল?
    • হরিণা
    • ৫টি
    • মেলাঘর
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
  27. ১ নম্বর সেক্টরে কয়টি সাব-সেক্টর ছিল?
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • হরিণা
    • ৫টি
    • মেলাঘর
  28. উৎসে ১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে কাদের উল্লেখ আছে?
    • হরিণা
    • ৫টি
    • মেলাঘর
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
  29. ২ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায়?
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • ৫টি
    • মেলাঘর
    • হরিণা
  30. ২ নম্বর সেক্টরে সাব-সেক্টর ছিল কতটি?
    • ৬টি
    • হরিণা
    • ৫টি
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
  31. ২ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে কারা উল্লেখিত?
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • হরিণা
    • ৫টি
    • মেজর খালেদ মোশাররফ ও ক্যাপ্টেন এ. টি. এম. হায়দার
  32. ৩ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায়?
    • হরিণা
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • ৫টি
    • হেজামারা
  33. ৩ নম্বর সেক্টরে সাব-সেক্টর কতটি?
    • ৫টি
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • ১০টি
    • হরিণা
  34. ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কারা ছিলেন?
    • ৫টি
    • হরিণা
    • মেজর কে. এম. শফিউল্লাহ ও মেজর এ. এন. এম. নুরুজ্জামান
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
  35. ৪ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায় ছিল?
    • ৫টি
    • করিমগঞ্জ ও পরে আসামের মাসিমপুর
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • হরিণা
  36. ৪ নম্বর সেক্টরে সাব-সেক্টরের সংখ্যা কত?
    • ৬টি
    • হরিণা
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • ৫টি
  37. ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কে ছিলেন?
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • মেজর সি. আর. দত্ত
    • হরিণা
    • ৫টি
  38. ৫ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায় ছিল?
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • বাঁশতলা
    • ৫টি
    • হরিণা
  39. ৫ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কতটি?
    • হরিণা
    • ৫টি
    • ৬টি
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
  40. ৫ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কে?
    • হরিণা
    • মেজর মীর শওকত আলী
    • ৫টি
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
  41. ৬ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায়?
    • বুড়িমারী
    • হরিণা
    • ৫টি
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
  42. ৬ নম্বর সেক্টরে সাব-সেক্টর কতটি?
    • ৫টি
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • মেলাঘর
    • হরিণা
  43. ৬ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কে ছিলেন?
    • উইং কমান্ডার খাদেমুল বাশার
    • ৫টি
    • হরিণা
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
  44. ৭ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায়?
    • ৫টি
    • হরিণা
    • তরঙ্গপুর
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
  45. ৭ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কয়টি?
    • ৮টি
    • হরিণা
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • ৫টি
  46. ৭ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কারা?
    • মেজর নাজমুল হক ও মেজর কাজী নুরুজ্জামান
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • ৫টি
    • হরিণা
  47. ৮ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায়?
    • হরিণা
    • ৫টি
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • কল্যাণী
  48. ৮ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর কয়টি?
    • ৫টি
    • হরিণা
    • ৭টি
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
  49. ৮ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার কারা?
    • ৫টি
    • মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ও মেজর এম. এ. মঞ্জুর
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • হরিণা
  50. ৯ নম্বর সেক্টরের সদর দপ্তর কোথায়?
    • হরিণা
    • ৫টি
    • মেজর জিয়াউর রহমান ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলাম
    • টাকিতে