প্রাচীন বাংলার ইতিহাস, ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু ও পরিবেশ — Bank Job
প্রাচীন বাংলার ইতিহাস, ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু ও পরিবেশ: সাধারণ জ্ঞান, Bank Job পাঠ ও 0টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/1।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- প্রাচীন বাংলা ও জনপদ
- প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন আঞ্চলিক নাম
- প্রাচীন বাংলার প্রধান জনপদ
- সেন বংশ
- নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়
- মাৎস্যন্যায়
- গুপ্ত সাম্রাজ্য
- গৌড় রাজ্য ও শশাঙ্ক
- পাল বংশ
- মৌর্য সাম্রাজ্য
- প্রাচীন বাংলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি
- ভৌগোলিক অবস্থান ও বিস্তৃতি
- ভূপ্রকৃতির প্রধান বিভাগ
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
- প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানভূমি
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
- বরেন্দ্র, মধুপুর ও ভাওয়াল অঞ্চল
- পাহাড় ও উচ্চভূমি
- দ্বীপ ও উপকূলীয় অঞ্চল
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত
- বাংলাদেশের প্রান্তীয় অবস্থান
- আয়তন, সীমারেখা ও সমুদ্রসীমা
- জলবায়ু ও পরিবেশ
- আবহাওয়া ও জলবায়ু
- বাংলাদেশের ঋতু
- তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত
- আবহাওয়া-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান
প্রাচীন বাংলা ও জনপদ
Ancient Bengal and Janapadas
প্রাচীন যুগে বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ড একক রাজনৈতিক অঞ্চলে বিভক্ত ছিল না। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অংশ স্বতন্ত্র জনপদ হিসেবে পরিচিত ছিল। এসব জনপদের মধ্যে পুণ্ড্র, গৌড়, বঙ্গ, সমতট, হরিকেল, রাঢ় ও বরেন্দ্র বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
রাজা শশাঙ্ক প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন জনপদকে রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর সময়ে গৌড় শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্যে পরিণত হয়।
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে পুণ্ড্রকে অন্যতম প্রাচীন জনপদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পুণ্ড্রের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমানে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত।
রাজা শশাঙ্ক প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন জনপদকে রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর সময়ে গৌড় শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্যে পরিণত হয়।
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে পুণ্ড্রকে অন্যতম প্রাচীন জনপদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পুণ্ড্রের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমানে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত।
প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন আঞ্চলিক নাম
Regional Names of Ancient Bengal
প্রাচীন অঞ্চল
রাঢ়
বরেন্দ্র
গৌড়
বঙ্গ
সমতট
হরিকেল
পুণ্ড্র
রাঢ়
বরেন্দ্র
গৌড়
বঙ্গ
সমতট
হরিকেল
পুণ্ড্র
আধুনিক অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্ক
ভাগীরথী নদীর পশ্চিমতীরবর্তী অঞ্চল
উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশ
পশ্চিম ও উত্তর বাংলার গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল
দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল
কুমিল্লা ও নোয়াখালীকেন্দ্রিক অঞ্চল
চট্টগ্রাম ও সিলেটসংলগ্ন অঞ্চল
বগুড়া-মহাস্থানগড়কেন্দ্রিক উত্তরাঞ্চল
ভাগীরথী নদীর পশ্চিমতীরবর্তী অঞ্চল
উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশ
পশ্চিম ও উত্তর বাংলার গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল
দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল
কুমিল্লা ও নোয়াখালীকেন্দ্রিক অঞ্চল
চট্টগ্রাম ও সিলেটসংলগ্ন অঞ্চল
বগুড়া-মহাস্থানগড়কেন্দ্রিক উত্তরাঞ্চল
প্রাচীন বাংলার প্রধান জনপদ
Important Janapadas of Ancient Bengal
পুণ্ড্র
পুণ্ড্র ছিল প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রাচীন জনপদ। বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ে এর বিস্তার ছিল। এর রাজধানী পুণ্ড্রনগর বর্তমান মহাস্থানগড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।
গৌড়
গৌড় উত্তর ভারতের পূর্বাংশ এবং বাংলার গুরুত্বপূর্ণ জনপদ ও রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিকশিত হয়েছিল। মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের কিছু অংশের সঙ্গে এর ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
বঙ্গ
দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গ নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ গড়ে উঠেছিল। ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঢাকা, কুষ্টিয়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বিভিন্ন অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে উল্লেখ করা হয়।
সমতট
প্রাচীন সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক অঞ্চল ছিল।
রাঢ়
ভাগীরথী নদীর পশ্চিমতীরবর্তী অঞ্চল প্রাচীনকালে রাঢ় নামে পরিচিত ছিল।
হরিকেল
হরিকেল ছিল বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি জনপদ। বর্তমান চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশের সঙ্গে এর সম্পর্ক ছিল।
পুণ্ড্র ছিল প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রাচীন জনপদ। বর্তমান বগুড়া, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলের কিছু অংশ নিয়ে এর বিস্তার ছিল। এর রাজধানী পুণ্ড্রনগর বর্তমান মহাস্থানগড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।
গৌড়
গৌড় উত্তর ভারতের পূর্বাংশ এবং বাংলার গুরুত্বপূর্ণ জনপদ ও রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিকশিত হয়েছিল। মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জের কিছু অংশের সঙ্গে এর ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
বঙ্গ
দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গ নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ গড়ে উঠেছিল। ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঢাকা, কুষ্টিয়া ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বিভিন্ন অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে উল্লেখ করা হয়।
সমতট
প্রাচীন সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক অঞ্চল ছিল।
রাঢ়
ভাগীরথী নদীর পশ্চিমতীরবর্তী অঞ্চল প্রাচীনকালে রাঢ় নামে পরিচিত ছিল।
হরিকেল
হরিকেল ছিল বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি জনপদ। বর্তমান চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশের সঙ্গে এর সম্পর্ক ছিল।
সেন বংশ
Sena Dynasty
বাংলায় পাল শাসনের পর সেন বংশ শক্তিশালী হয়ে ওঠে। হেমন্ত সেনকে সেন বংশের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং বিজয় সেনের সময়ে বংশটি শক্ত রাজনৈতিক ভিত্তি লাভ করে।
বিজয় সেন সেন বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন। তাঁর পর বল্লাল সেন ও লক্ষ্মণ সেন বাংলার শাসন পরিচালনা করেন। লক্ষ্মণ সেন ছিলেন সেন বংশের শেষ উল্লেখযোগ্য শাসক।
বল্লাল সেন সামাজিক সংস্কার ও কৌলীন্য প্রথার সঙ্গে যুক্ত। লক্ষ্মণ সেনের রাজধানী ছিল নদীয়া। তাঁর শাসনামলে সাহিত্য ও সংস্কৃতিরও বিকাশ ঘটে।
১২০৪ খ্রিস্টাব্দের দিকে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজির নদীয়া অভিযানের ফলে বাংলায় সেন শাসনের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়ে।
বিজয় সেন সেন বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন। তাঁর পর বল্লাল সেন ও লক্ষ্মণ সেন বাংলার শাসন পরিচালনা করেন। লক্ষ্মণ সেন ছিলেন সেন বংশের শেষ উল্লেখযোগ্য শাসক।
বল্লাল সেন সামাজিক সংস্কার ও কৌলীন্য প্রথার সঙ্গে যুক্ত। লক্ষ্মণ সেনের রাজধানী ছিল নদীয়া। তাঁর শাসনামলে সাহিত্য ও সংস্কৃতিরও বিকাশ ঘটে।
১২০৪ খ্রিস্টাব্দের দিকে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজির নদীয়া অভিযানের ফলে বাংলায় সেন শাসনের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব দুর্বল হয়ে পড়ে।
নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়
Nalanda University
নালন্দা ছিল ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও বিখ্যাত উচ্চশিক্ষাকেন্দ্র। এটি বর্তমান ভারতের বিহার অঞ্চলে অবস্থিত।
গুপ্ত যুগে নালন্দা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়। পরবর্তীকালে পাল শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় এর খ্যাতি আরও বৃদ্ধি পায়। দেশ-বিদেশের শিক্ষার্থী ও পণ্ডিতরা এখানে অধ্যয়ন ও গবেষণার জন্য আসতেন।
প্রাচীন বাংলার পাল শাসকদের সঙ্গে নালন্দার সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ। বিশেষ করে ধর্মপালের সময় বৌদ্ধ শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা হয়।
গুপ্ত যুগে নালন্দা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হয়। পরবর্তীকালে পাল শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় এর খ্যাতি আরও বৃদ্ধি পায়। দেশ-বিদেশের শিক্ষার্থী ও পণ্ডিতরা এখানে অধ্যয়ন ও গবেষণার জন্য আসতেন।
প্রাচীন বাংলার পাল শাসকদের সঙ্গে নালন্দার সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ। বিশেষ করে ধর্মপালের সময় বৌদ্ধ শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা হয়।
মাৎস্যন্যায়
Matsyanyaya
শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক অস্থিরতা ও কেন্দ্রীয় শাসনের দুর্বলতা দেখা দেয়। প্রায় একশ বছরের এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ইতিহাসে মাৎস্যন্যায় নামে পরিচিত।
মাৎস্যন্যায় বলতে এমন এক অরাজক অবস্থা বোঝায় যেখানে শক্তিশালী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দুর্বলদের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। ছোট মাছকে বড় মাছ গ্রাস করার উপমার সঙ্গে এই অবস্থার তুলনা করা হয়।
অষ্টম শতকের মাঝামাঝি সময়ে গোপালকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে বাংলায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসতে শুরু করে এবং পাল বংশের প্রতিষ্ঠা ঘটে।
মাৎস্যন্যায় বলতে এমন এক অরাজক অবস্থা বোঝায় যেখানে শক্তিশালী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দুর্বলদের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। ছোট মাছকে বড় মাছ গ্রাস করার উপমার সঙ্গে এই অবস্থার তুলনা করা হয়।
অষ্টম শতকের মাঝামাঝি সময়ে গোপালকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে বাংলায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসতে শুরু করে এবং পাল বংশের প্রতিষ্ঠা ঘটে।
গুপ্ত সাম্রাজ্য
Gupta Empire
গুপ্ত যুগ ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক, সাহিত্যিক, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক উন্নতির একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলও কোনো কোনো সময়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রভাবাধীন ছিল।
প্রথম চন্দ্রগুপ্ত গুপ্ত সাম্রাজ্যের শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলেন। সমুদ্রগুপ্ত সামরিক সাফল্য ও সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর সময়কে গুপ্ত শক্তির বিকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে ধরা হয়।
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তও একজন শক্তিশালী শাসক ছিলেন। গুপ্ত যুগে শিল্প, সাহিত্য, জ্ঞানচর্চা ও শিক্ষার প্রসার ঘটে।
প্রথম চন্দ্রগুপ্ত গুপ্ত সাম্রাজ্যের শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলেন। সমুদ্রগুপ্ত সামরিক সাফল্য ও সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর সময়কে গুপ্ত শক্তির বিকাশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হিসেবে ধরা হয়।
দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তও একজন শক্তিশালী শাসক ছিলেন। গুপ্ত যুগে শিল্প, সাহিত্য, জ্ঞানচর্চা ও শিক্ষার প্রসার ঘটে।
গৌড় রাজ্য ও শশাঙ্ক
Gauda Kingdom and Shashanka
সপ্তম শতকের প্রথমভাগে রাজা শশাঙ্ক বাংলায় একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁকে প্রাচীন বাংলার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ স্বাধীন নরপতিদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
শশাঙ্কের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। তিনি গৌড় রাজ্যের শক্তি বৃদ্ধি করেন এবং বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন অঞ্চলকে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
শশাঙ্কের উপাধির মধ্যে রাজাধিরাজ ও মহাসামন্তের উল্লেখ পাওয়া যায়। তাঁর মৃত্যুর পর বাংলায় রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তী সময়ে মাৎস্যন্যায়ের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
শশাঙ্কের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। তিনি গৌড় রাজ্যের শক্তি বৃদ্ধি করেন এবং বিভিন্ন বিচ্ছিন্ন অঞ্চলকে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
শশাঙ্কের উপাধির মধ্যে রাজাধিরাজ ও মহাসামন্তের উল্লেখ পাওয়া যায়। তাঁর মৃত্যুর পর বাংলায় রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তী সময়ে মাৎস্যন্যায়ের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পাল বংশ
Pala Dynasty
বাংলার দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশগুলোর মধ্যে পাল বংশ অন্যতম। অরাজক পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে গোপালকে রাজা নির্বাচিত করার মাধ্যমে পাল শাসনের সূচনা হয়।
গোপালের পর ধর্মপাল পাল সাম্রাজ্যের ক্ষমতা ও বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেন। ধর্মপাল শিক্ষা ও বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর সময় নালন্দাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমৃদ্ধ হয়।
দেবপাল পাল বংশের অন্যতম শক্তিশালী শাসক ছিলেন। তাঁর আমলেও পাল সাম্রাজ্যের প্রভাব বিস্তৃত ছিল।
পাল রাজারা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তাঁদের সময়ে বাংলায় বৌদ্ধ শিক্ষা, শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে।
পাল বংশের শেষ পর্যায়ে রাজনৈতিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে সেন বংশ বাংলায় প্রাধান্য লাভ করে।
গোপালের পর ধর্মপাল পাল সাম্রাজ্যের ক্ষমতা ও বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেন। ধর্মপাল শিক্ষা ও বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর সময় নালন্দাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমৃদ্ধ হয়।
দেবপাল পাল বংশের অন্যতম শক্তিশালী শাসক ছিলেন। তাঁর আমলেও পাল সাম্রাজ্যের প্রভাব বিস্তৃত ছিল।
পাল রাজারা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তাঁদের সময়ে বাংলায় বৌদ্ধ শিক্ষা, শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে।
পাল বংশের শেষ পর্যায়ে রাজনৈতিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পরবর্তীতে সেন বংশ বাংলায় প্রাধান্য লাভ করে।
মৌর্য সাম্রাজ্য
Maurya Empire
মৌর্য সাম্রাজ্য ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম বৃহৎ সাম্রাজ্যগুলোর একটি। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এই সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর পর বিন্দুসার এবং সম্রাট অশোক মৌর্য সাম্রাজ্যের শাসন পরিচালনা করেন।
সম্রাট অশোক মৌর্য বংশের সবচেয়ে বিখ্যাত শাসক। কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতার পর তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট হন এবং অহিংসা ও ধর্মীয় নীতির প্রচারে গুরুত্ব দেন।
প্রাচীন বাংলার কিছু অঞ্চলও মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রভাবাধীন ছিল। মহাস্থানগড় এলাকায় পাওয়া প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন প্রাচীন বাংলার সঙ্গে মৌর্য প্রশাসনের সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
সম্রাট অশোক মৌর্য বংশের সবচেয়ে বিখ্যাত শাসক। কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতার পর তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট হন এবং অহিংসা ও ধর্মীয় নীতির প্রচারে গুরুত্ব দেন।
প্রাচীন বাংলার কিছু অঞ্চলও মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রভাবাধীন ছিল। মহাস্থানগড় এলাকায় পাওয়া প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন প্রাচীন বাংলার সঙ্গে মৌর্য প্রশাসনের সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রাচীন বাংলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
Important Facts of Early Bengal
প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পুণ্ড্রনগর বা মহাস্থানগড় একটি গুরুত্বপূর্ণ নগরকেন্দ্র ছিল। এটি বর্তমান বগুড়া জেলার সঙ্গে সম্পর্কিত।
বাংলার প্রাচীন জনগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতিতে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীর প্রভাবের উল্লেখ পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সংমিশ্রণে বাংলার জনসমাজ বিকশিত হয়।
প্রাচীন বাংলার ইতিহাস সম্পর্কে তথ্য জানার ক্ষেত্রে শিলালিপি, তাম্রলিপি, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, মুদ্রা ও সাহিত্যিক উৎস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলার প্রাচীন জনগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতিতে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীর প্রভাবের উল্লেখ পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সংমিশ্রণে বাংলার জনসমাজ বিকশিত হয়।
প্রাচীন বাংলার ইতিহাস সম্পর্কে তথ্য জানার ক্ষেত্রে শিলালিপি, তাম্রলিপি, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, মুদ্রা ও সাহিত্যিক উৎস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি
Physiography of Bangladesh
বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহৎ বদ্বীপ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। দেশের অধিকাংশ ভূমি নদীবাহিত পলি সঞ্চয়ের মাধ্যমে গঠিত সমতল ভূমি। তবে সব অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি একই নয়।
দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পাহাড়ি ভূমি, মধ্য ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তুলনামূলক প্রাচীন উঁচু সোপানভূমি এবং দেশের বিস্তীর্ণ অংশে নবীন প্লাবন সমভূমি দেখা যায়।
ভূতাত্ত্বিক যুগ ও গঠনপ্রক্রিয়া অনুসারে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি প্রধানত টারশিয়ারি যুগের পাহাড়, প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানভূমি এবং সাম্প্রতিক প্লাবন সমভূমিতে বিভক্ত।
দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পাহাড়ি ভূমি, মধ্য ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তুলনামূলক প্রাচীন উঁচু সোপানভূমি এবং দেশের বিস্তীর্ণ অংশে নবীন প্লাবন সমভূমি দেখা যায়।
ভূতাত্ত্বিক যুগ ও গঠনপ্রক্রিয়া অনুসারে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি প্রধানত টারশিয়ারি যুগের পাহাড়, প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানভূমি এবং সাম্প্রতিক প্লাবন সমভূমিতে বিভক্ত।
ভৌগোলিক অবস্থান ও বিস্তৃতি
Geographical Location and Extent
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী দেশটির অবস্থান আনুমানিক \(20^\circ34^\prime\) উত্তর অক্ষাংশ থেকে \(26^\circ38^\prime\) উত্তর অক্ষাংশ এবং \(88^\circ01^\prime\) পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে \(92^\circ41^\prime\) পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে।
বাংলাদেশের ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। কর্কটক্রান্তি রেখা ও বঙ্গোপসাগরের নৈকট্য দেশের উষ্ণ ও মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। কর্কটক্রান্তি রেখা ও বঙ্গোপসাগরের নৈকট্য দেশের উষ্ণ ও মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।
ভূপ্রকৃতির প্রধান বিভাগ
Major Physiographic Divisions
বাংলাদেশের ভূমিকে ভূতাত্ত্বিক বয়স ও গঠনপ্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রধানত তিনটি ভাগে আলোচনা করা হয়।
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
২। প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানসমূহ
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অংশের পাহাড়গুলো তুলনামূলক পুরোনো। বরেন্দ্র, মধুপুর, ভাওয়াল ও লালমাই প্রাচীন সোপানভূমির উদাহরণ। অপরদিকে নদী অববাহিকার বিস্তৃত সমতল অঞ্চল নবীন পলি দ্বারা গঠিত।
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
২। প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানসমূহ
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অংশের পাহাড়গুলো তুলনামূলক পুরোনো। বরেন্দ্র, মধুপুর, ভাওয়াল ও লালমাই প্রাচীন সোপানভূমির উদাহরণ। অপরদিকে নদী অববাহিকার বিস্তৃত সমতল অঞ্চল নবীন পলি দ্বারা গঠিত।
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি অঞ্চল
Tertiary Hill Region
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকা টারশিয়ারি যুগের ভূগঠনের অন্তর্ভুক্ত।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট এলাকার বিভিন্ন টিলা ও পাহাড়ও একই ধরনের প্রাচীন ভূতাত্ত্বিক গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়শ্রেণি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর একটি।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট এলাকার বিভিন্ন টিলা ও পাহাড়ও একই ধরনের প্রাচীন ভূতাত্ত্বিক গঠনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়শ্রেণি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর একটি।
প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানভূমি
Pleistocene Terrace
বাংলাদেশের কিছু উঁচু ও অপেক্ষাকৃত প্রাচীন ভূমি প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত। নবীন প্লাবন সমভূমির তুলনায় এগুলো উচ্চ এবং পুরোনো মৃত্তিকায় গঠিত।
বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লার লালমাই অঞ্চল এই শ্রেণির উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লার লালমাই অঞ্চল এই শ্রেণির উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
Recent Flood Plain
বাংলাদেশের অধিকাংশ ভূমি নদীবাহিত পলি সঞ্চয়ের মাধ্যমে গঠিত নবীন সমভূমি। এ ধরনের ভূমিকে সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি বলা হয়।
নদীর প্রবাহ, বন্যা এবং নিয়মিত পলি সঞ্চয়ের কারণে এই এলাকার ভূমিরূপ পরিবর্তনশীল। এসব পললভূমির মাটি সাধারণত কৃষির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
নদীর প্রবাহ, বন্যা এবং নিয়মিত পলি সঞ্চয়ের কারণে এই এলাকার ভূমিরূপ পরিবর্তনশীল। এসব পললভূমির মাটি সাধারণত কৃষির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
বরেন্দ্র, মধুপুর ও ভাওয়াল অঞ্চল
Barind, Madhupur and Bhawal Tracts
বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমের একটি প্রাচীন সোপানভূমি। রাজশাহী ও পার্শ্ববর্তী বিস্তীর্ণ এলাকার সঙ্গে এই ভূপ্রকৃতির সম্পর্ক রয়েছে।
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়ও প্লাইস্টোসিন যুগের পুরোনো উঁচু ভূমি। গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে এর বিস্তার দেখা যায়।
মধুপুর ও ভাওয়ালের বনাঞ্চল এই প্রাচীন সোপানভূমির গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য।
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়ও প্লাইস্টোসিন যুগের পুরোনো উঁচু ভূমি। গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে এর বিস্তার দেখা যায়।
মধুপুর ও ভাওয়ালের বনাঞ্চল এই প্রাচীন সোপানভূমির গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য।
পাহাড় ও উচ্চভূমি
Hills and Highlands
বাংলাদেশের প্রধান পাহাড়ি অঞ্চল চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থিত। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান দেশের গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি জেলা।
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন অংশেও পাহাড় রয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে টিলা ও নিম্ন পাহাড়ের বিস্তার দেখা যায়।
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনাতেও কিছু পাহাড়ি ও উঁচু অঞ্চল রয়েছে।
কুমিল্লার লালমাই পাহাড় একটি উল্লেখযোগ্য প্রাচীন উচ্চভূমি। প্রদত্ত তথ্যে এর আয়তন প্রায় \(34\) বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা প্রায় \(21\) মিটার উল্লেখ করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন অংশেও পাহাড় রয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে টিলা ও নিম্ন পাহাড়ের বিস্তার দেখা যায়।
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনাতেও কিছু পাহাড়ি ও উঁচু অঞ্চল রয়েছে।
কুমিল্লার লালমাই পাহাড় একটি উল্লেখযোগ্য প্রাচীন উচ্চভূমি। প্রদত্ত তথ্যে এর আয়তন প্রায় \(34\) বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা প্রায় \(21\) মিটার উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্বীপ ও উপকূলীয় অঞ্চল
Islands and Coastal Region
বাংলাদেশের উপকূল ও নদীমোহনা অঞ্চলে অসংখ্য দ্বীপ ও চর গড়ে উঠেছে। বঙ্গোপসাগর ও নদ-নদীর পলি সঞ্চয় দ্বীপ সৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ।
ভোলা দেশের বৃহৎ দ্বীপগুলোর একটি। মহেশখালী বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য পাহাড়ি দ্বীপ।
সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের প্রবাল দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। এর আরেক নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।
সন্দ্বীপ, হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় দ্বীপ ও চরাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
ভোলা দেশের বৃহৎ দ্বীপগুলোর একটি। মহেশখালী বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য পাহাড়ি দ্বীপ।
সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের প্রবাল দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। এর আরেক নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।
সন্দ্বীপ, হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় দ্বীপ ও চরাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত
International Boundary of Bangladesh
বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে যুক্ত। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তের দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ভারতের সঙ্গে সীমান্ত প্রায় \(4,156\) কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সঙ্গে প্রায় \(271\) কিলোমিটার।
ভারতের পাঁচটি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্ত স্পর্শ করেছে। এগুলো হলো—
পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্তসম্পর্কিত বাংলাদেশের জেলা হিসেবে বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজারের উল্লেখ রয়েছে।
রাঙামাটি এমন একটি জেলা হিসেবে উল্লেখযোগ্য যার অবস্থান ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
১৯৭৪ সালের ভারত-বাংলাদেশ স্থলসীমান্ত চুক্তি দুই দেশের সীমান্ত ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তী সময়ে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সীমান্ত সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাধান কার্যকর হয়।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ভারতের সঙ্গে সীমান্ত প্রায় \(4,156\) কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সঙ্গে প্রায় \(271\) কিলোমিটার।
ভারতের পাঁচটি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্ত স্পর্শ করেছে। এগুলো হলো—
পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্তসম্পর্কিত বাংলাদেশের জেলা হিসেবে বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজারের উল্লেখ রয়েছে।
রাঙামাটি এমন একটি জেলা হিসেবে উল্লেখযোগ্য যার অবস্থান ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
১৯৭৪ সালের ভারত-বাংলাদেশ স্থলসীমান্ত চুক্তি দুই দেশের সীমান্ত ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তী সময়ে ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সীমান্ত সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাধান কার্যকর হয়।
বাংলাদেশের প্রান্তীয় অবস্থান
Extreme Geographical Locations
জেলা
সর্ব উত্তরের জেলা — পঞ্চগড়
সর্ব দক্ষিণের জেলা — কক্সবাজার
সর্ব পশ্চিমের জেলা — চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সর্ব পূর্বের জেলা — বান্দরবান
সর্ব উত্তরের জেলা — পঞ্চগড়
সর্ব দক্ষিণের জেলা — কক্সবাজার
সর্ব পশ্চিমের জেলা — চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সর্ব পূর্বের জেলা — বান্দরবান
উপজেলা
সর্ব উত্তরের উপজেলা — তেঁতুলিয়া
সর্ব দক্ষিণের উপজেলা — টেকনাফ
সর্ব পশ্চিমের উপজেলা — শিবগঞ্জ
সর্ব পূর্বের উপজেলা — থানচি
সর্ব উত্তরের উপজেলা — তেঁতুলিয়া
সর্ব দক্ষিণের উপজেলা — টেকনাফ
সর্ব পশ্চিমের উপজেলা — শিবগঞ্জ
সর্ব পূর্বের উপজেলা — থানচি
আয়তন, সীমারেখা ও সমুদ্রসীমা
Area, Boundary and Maritime Zone
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট আয়তন প্রায় \(147,570\) বর্গকিলোমিটার।
দেশের মোট স্থলসীমা প্রায় \(4,427\) কিলোমিটার এবং উপকূলরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় \(711\) কিলোমিটার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা বা Exclusive Economic Zone প্রায় \(200\) নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত।
রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা বা Territorial Sea-এর বিস্তার \(12\) নটিক্যাল মাইল।
\(1\) নটিক্যাল মাইল প্রায় \(1.852\) কিলোমিটার।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের সামুদ্রিক এলাকার আয়তন প্রায় \(118,813\) বর্গকিলোমিটার উল্লেখ করা হয়েছে।
দেশের মোট স্থলসীমা প্রায় \(4,427\) কিলোমিটার এবং উপকূলরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় \(711\) কিলোমিটার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা বা Exclusive Economic Zone প্রায় \(200\) নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত।
রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা বা Territorial Sea-এর বিস্তার \(12\) নটিক্যাল মাইল।
\(1\) নটিক্যাল মাইল প্রায় \(1.852\) কিলোমিটার।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের সামুদ্রিক এলাকার আয়তন প্রায় \(118,813\) বর্গকিলোমিটার উল্লেখ করা হয়েছে।
জলবায়ু ও পরিবেশ
Climate and Environment
বাংলাদেশের অবস্থান ক্রান্তীয় অঞ্চলে এবং বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী হওয়ায় দেশের জলবায়ু প্রধানত উষ্ণ ও মৌসুমি প্রকৃতির।
বঙ্গোপসাগর, মৌসুমি বায়ু, নদ-নদী, ভূপ্রকৃতি এবং ভূমির উচ্চতার তারতম্য বাংলাদেশের তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতকে প্রভাবিত করে।
গ্রীষ্মে উচ্চ তাপমাত্রা, বর্ষায় প্রচুর বৃষ্টিপাত এবং শীতকালে অপেক্ষাকৃত শুষ্ক ও শীতল আবহাওয়া বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
বঙ্গোপসাগর, মৌসুমি বায়ু, নদ-নদী, ভূপ্রকৃতি এবং ভূমির উচ্চতার তারতম্য বাংলাদেশের তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতকে প্রভাবিত করে।
গ্রীষ্মে উচ্চ তাপমাত্রা, বর্ষায় প্রচুর বৃষ্টিপাত এবং শীতকালে অপেক্ষাকৃত শুষ্ক ও শীতল আবহাওয়া বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
আবহাওয়া ও জলবায়ুর ধারণা
Weather and Climate
কোনো নির্দিষ্ট স্থানে স্বল্প সময়ের জন্য বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ, আর্দ্রতা, মেঘ, বৃষ্টিপাত এবং বায়ুপ্রবাহের যে সামগ্রিক অবস্থা বিরাজ করে তাকে আবহাওয়া বলা হয়।
দীর্ঘ সময় ধরে কোনো অঞ্চলের আবহাওয়ার সাধারণ ও গড় বৈশিষ্ট্যকে জলবায়ু বলা হয়। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী সাধারণত \(30\) থেকে \(40\) বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা জলবায়ু নির্ধারণে বিবেচনা করা হয়।
দীর্ঘ সময় ধরে কোনো অঞ্চলের আবহাওয়ার সাধারণ ও গড় বৈশিষ্ট্যকে জলবায়ু বলা হয়। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী সাধারণত \(30\) থেকে \(40\) বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থা জলবায়ু নির্ধারণে বিবেচনা করা হয়।
বাংলাদেশের মৌসুমি জলবায়ু
Monsoon Climate of Bangladesh
বাংলাদেশ ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। মৌসুমি বায়ুর দিক পরিবর্তনের সঙ্গে দেশের ঋতুভেদে তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের পরিবর্তন ঘটে।
গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে বঙ্গোপসাগর থেকে আগত আর্দ্র বায়ু দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। শীতকালে বায়ুর প্রকৃতি পরিবর্তিত হওয়ায় আবহাওয়া অপেক্ষাকৃত শুষ্ক থাকে।
গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে বঙ্গোপসাগর থেকে আগত আর্দ্র বায়ু দেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। শীতকালে বায়ুর প্রকৃতি পরিবর্তিত হওয়ায় আবহাওয়া অপেক্ষাকৃত শুষ্ক থাকে।
বাংলাদেশের ঋতু
Seasons of Bangladesh
বাংলাদেশে বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসারে ছয়টি ঋতু প্রচলিত। প্রতিটি ঋতু সাধারণত দুই মাসব্যাপী।
১। গ্রীষ্ম — বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ
২। বর্ষা — আষাঢ় ও শ্রাবণ
৩। শরৎ — ভাদ্র ও আশ্বিন
৪। হেমন্ত — কার্তিক ও অগ্রহায়ণ
৫। শীত — পৌষ ও মাঘ
৬। বসন্ত — ফাল্গুন ও চৈত্র
১। গ্রীষ্ম — বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ
২। বর্ষা — আষাঢ় ও শ্রাবণ
৩। শরৎ — ভাদ্র ও আশ্বিন
৪। হেমন্ত — কার্তিক ও অগ্রহায়ণ
৫। শীত — পৌষ ও মাঘ
৬। বসন্ত — ফাল্গুন ও চৈত্র
তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত
Temperature and Rainfall
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা প্রায় \(26.01^\circ\mathrm{C}\) এবং বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় \(203\) সেন্টিমিটার উল্লেখ করা হয়েছে।
জানুয়ারি সাধারণত দেশের শীতলতম মাস এবং এপ্রিল উষ্ণতম মাস।
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাত তুলনামূলকভাবে বেশি। সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার অধিক বৃষ্টিপ্রবণ এলাকার অন্তর্ভুক্ত।
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টিপাত তুলনামূলক কম। রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর ও বগুড়া কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
নাটোরের লালপুরকে কম বৃষ্টিপাতপ্রাপ্ত ও তুলনামূলক উষ্ণ অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজশাহী অঞ্চল খরাপ্রবণ হিসেবে পরিচিত।
বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে সিলেট স্টেশনের উল্লেখ রয়েছে।
জানুয়ারি সাধারণত দেশের শীতলতম মাস এবং এপ্রিল উষ্ণতম মাস।
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাত তুলনামূলকভাবে বেশি। সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার অধিক বৃষ্টিপ্রবণ এলাকার অন্তর্ভুক্ত।
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টিপাত তুলনামূলক কম। রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর ও বগুড়া কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
নাটোরের লালপুরকে কম বৃষ্টিপাতপ্রাপ্ত ও তুলনামূলক উষ্ণ অঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজশাহী অঞ্চল খরাপ্রবণ হিসেবে পরিচিত।
বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাতের ক্ষেত্রে সিলেট স্টেশনের উল্লেখ রয়েছে।
আবহাওয়া-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান
Weather and Remote Sensing Institutions
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস দেওয়ার দায়িত্ব পালন করে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন এবং এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান SPARRSO-ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। প্রদত্ত তথ্যে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকাল \(1980\) সাল এবং সদরদপ্তর ঢাকার আগারগাঁওয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
দূর অনুধাবন প্রযুক্তির সাহায্যে আবহাওয়া, পরিবেশ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও দুর্যোগসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা সম্ভব।
বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান SPARRSO-ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। প্রদত্ত তথ্যে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাকাল \(1980\) সাল এবং সদরদপ্তর ঢাকার আগারগাঁওয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
দূর অনুধাবন প্রযুক্তির সাহায্যে আবহাওয়া, পরিবেশ, প্রাকৃতিক সম্পদ ও দুর্যোগসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা সম্ভব।
নদীভাঙন
River Erosion
বর্ষাকালে নদীর পানির প্রবাহ ও স্রোতের শক্তি বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশে নদীভাঙন বৃদ্ধি পায়। জুন থেকে সেপ্টেম্বর সময়কে নদীভাঙনের বেশি সক্রিয় সময় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী সিরাজগঞ্জকে বেশি নদীভাঙনপ্রবণ জেলার একটি এবং শরীয়তপুরের নড়িয়া অঞ্চলকে উল্লেখযোগ্য নদীভাঙনপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী সিরাজগঞ্জকে বেশি নদীভাঙনপ্রবণ জেলার একটি এবং শরীয়তপুরের নড়িয়া অঞ্চলকে উল্লেখযোগ্য নদীভাঙনপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সময় ও আন্তর্জাতিক সময়ের পার্থক্য
Time Difference
বাংলাদেশের সময় লন্ডনের সময়ের তুলনায় \(6\) ঘণ্টা এগিয়ে বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থাৎ লন্ডনের স্থানীয় সময়ের সঙ্গে \(6\) ঘণ্টা যোগ করলে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সময় পাওয়া যায়।
অর্থাৎ লন্ডনের স্থানীয় সময়ের সঙ্গে \(6\) ঘণ্টা যোগ করলে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সময় পাওয়া যায়।