বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব, শিল্প-সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, নদ-নদী, বনজ সম্পদ ও কৃষি — Bank Job

বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব, শিল্প-সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, নদ-নদী, বনজ সম্পদ ও কৃষি: সাধারণ জ্ঞান, Bank Job পাঠ ও 450টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/9।

এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
উয়ারী-বটেশ্বর
Wari-Bateshwar Archaeological Site
উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। এটি নরসিংদী জেলার বেলাবো অঞ্চলে অবস্থিত। উয়ারী ও বটেশ্বর নামে পাশাপাশি দুটি গ্রামের নাম থেকে প্রত্নস্থলটির পরিচিতি গড়ে উঠেছে।

এখানে আবিষ্কৃত প্রত্ননিদর্শন থেকে বোঝা যায়, বহু প্রাচীনকালেই এ অঞ্চলে উন্নত নগরজীবন, বাণিজ্য ও বসতি গড়ে উঠেছিল। প্রত্নস্থলটির বয়স প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরোনো বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানটিতে মাটির নিচে দুর্গনগর, বন্দর, প্রাচীন স্থাপনার চিহ্ন এবং বিভিন্ন প্রত্নবস্তু আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাচীন নগরসভ্যতা ও বাণিজ্যব্যবস্থা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়।

উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চলের প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের সঙ্গে অধ্যাপক সুফি মোস্তাফিজুর রহমানের নাম বিশেষভাবে যুক্ত।

প্রাচীন প্রত্নস্থলটির পাশ দিয়ে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ প্রবাহিত হওয়ার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতি
Art and Culture of Bangladesh
বাংলাদেশের সংস্কৃতি বহু আঞ্চলিক লোকাচার, গান, নৃত্য, ধর্মীয় উৎসব, নাট্যধারা, চিত্রকলা ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন অঞ্চলের নিজস্ব গান, নাচ ও লোকজ রীতির কারণে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

বাংলা নববর্ষের প্রচলিত আয়োজন, গ্রামীণ মেলা, লোকগান, পল্লিগীতি, আঞ্চলিক নৃত্য এবং ধর্মীয় উৎসব বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ।
আঞ্চলিক গান ও লোকসংগীত
Regional and Folk Songs
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বতন্ত্র লোকসংগীতের ধারা গড়ে উঠেছে। এসব গান স্থানীয় ভাষা, জীবনযাপন, কৃষি, নদী, প্রেম, ধর্মীয় অনুভূতি এবং সামাজিক অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটায়।

রংপুর অঞ্চলের ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত লোকসংগীতধারা। এর সুরে উত্তরাঞ্চলের জীবন, বিচ্ছেদ ও আবেগ বিশেষভাবে ফুটে ওঠে।

ময়মনসিংহ অঞ্চলে আঞ্চলিক লোকগানের নিজস্ব ধারা রয়েছে। একইভাবে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও স্থানীয় সুর ও শব্দভাণ্ডারভিত্তিক গান বিকশিত হয়েছে।

গারো জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সামাজিক সংগীত ঐতিহ্যের সঙ্গে ওয়ানগালা উৎসবের সম্পর্ক রয়েছে।
লোকনৃত্য ও আঞ্চলিক নৃত্য
Folk and Regional Dance
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীতে নৃত্যের স্বতন্ত্র ঐতিহ্য রয়েছে। মণিপুরি নৃত্য বিশেষভাবে সিলেট অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সারি নৃত্য, ধূপ নৃত্য এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক লোকনৃত্য দেশের লোকসংস্কৃতির বৈচিত্র্য প্রকাশ করে।

ময়মনসিংহ, সিলেট, ফরিদপুর, খুলনা, রংপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের নিজস্ব লোকগান ও নাচের ধারা রয়েছে।
সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান
Cultural Institutions and Important Places
বাংলাদেশের লোকশিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কাজ করে।

বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
জাতীয় প্রাণী জাদুঘর মিরপুর এলাকায় অবস্থিত।
জাতীয় জাদুঘর ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত।
বাংলা একাডেমি ঢাকায় অবস্থিত।

বাংলাদেশের প্রথম ফিশ ওয়ার্ড অ্যাকুরিয়ামের অবস্থান হিসেবে কক্সবাজারের উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রথম পানি জাদুঘর বরগুনায় অবস্থিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি রাজশাহীর সারদায় অবস্থিত।
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বা BARD কুমিল্লায় অবস্থিত।
বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য
World Heritage Sites of Bangladesh
UNESCO ঘোষিত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্যের মধ্যে তিনটি স্থান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

১। সুন্দরবন
২। বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরী
৩। পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর মহাবিহার

সুন্দরবন প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরী এবং পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে গুরুত্ব বহন করে।

বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে বাগেরহাট মসজিদ নগরীর উল্লেখ পাওয়া যায়।
অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
Intangible Cultural Heritage
UNESCO বাংলাদেশের কয়েকটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে Intangible Cultural Heritage বা অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণগুলো হলো—

বাউল গান
জামদানি শাড়ি
মঙ্গল শোভাযাত্রা
শীতল পাটি

এসব ঐতিহ্য বাংলাদেশের জীবন্ত সাংস্কৃতিক পরিচয়, লোকজ দক্ষতা এবং সামাজিক ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরে।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা GI পণ্য
Geographical Indication Products
Geographical Indication বা GI হলো এমন স্বীকৃতি, যার মাধ্যমে কোনো পণ্যের বিশেষ গুণ, খ্যাতি বা বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার সম্পর্ক নির্দেশ করা হয়।

প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের GI পণ্যের সংখ্যা নয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—

১। জামদানি শাড়ি
২। ইলিশ মাছ
৩। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম
৪। মসলিন কাপড়
৫। রাজশাহী সিল্ক
৬। বিজয়পুরের সাদা মাটি
৭। দিনাজপুরের কাটারিভোগ
৮। বাংলাদেশ কালিজিরা
৯। রংপুরের শতরঞ্জি

জামদানি শাড়িকে বাংলাদেশের প্রথম GI পণ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মসজিদ
Historic Mosques of Bangladesh
বাংলাদেশের মধ্যযুগীয় স্থাপত্য ঐতিহ্যে বহু প্রাচীন মসজিদ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

ষাট গম্বুজ মসজিদ
বাগেরহাটে অবস্থিত ষাট গম্বুজ মসজিদ খান জাহান আলীর সঙ্গে সম্পর্কিত। মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ হলেও প্রদত্ত তথ্যে গম্বুজের সংখ্যা ৮১টি উল্লেখ করা হয়েছে।

সাত গম্বুজ মসজিদ
ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত। এর গম্বুজ সংখ্যা সাতটি।

তারা মসজিদ
পুরান ঢাকায় অবস্থিত। মির্জা গোলাম পীর এটি নির্মাণ করেন বলে উল্লেখ রয়েছে।

ছোট কাটরা মসজিদ
পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক স্থাপনার সঙ্গে যুক্ত।

বড় কাটরা মসজিদ
ঢাকায় অবস্থিত এবং ঐতিহাসিক মুঘল স্থাপত্যের অংশ।

আতিয়া মসজিদ
টাঙ্গাইল অঞ্চলের একটি উল্লেখযোগ্য প্রাচীন মসজিদ।

বাঘা মসজিদ
রাজশাহী অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক মসজিদ।
ঐতিহাসিক স্থান ও স্থাপনা
Historical Places and Monuments
বাংলাদেশে বিভিন্ন যুগের স্থাপত্য, প্রত্নস্থল, ধর্মীয় কেন্দ্র এবং ঐতিহাসিক নগরীর নিদর্শন ছড়িয়ে আছে।

পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলায় অবস্থিত। এটি দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধবিহারগুলোর একটি।

মহাস্থানগড় বগুড়া জেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন নগর প্রত্নস্থল।

ময়নামতির প্রত্নস্থল কুমিল্লায় অবস্থিত। শালবন বিহার এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ প্রত্নস্থাপনা।

লালবাগ কেল্লা পুরান ঢাকায় অবস্থিত। মুঘল আমলে নির্মাণ শুরু হওয়া এই দুর্গ ঢাকার অন্যতম পরিচিত ঐতিহাসিক স্থাপনা।

পানাম নগর সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত। প্রাচীন বাণিজ্য ও নগরজীবনের স্মারক হিসেবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।

আহসান মঞ্জিল ঢাকায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ।
উদ্যান, পার্ক ও স্মৃতিস্থান
Parks, Gardens and Memorial Places
বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্যান ও পার্ক ঐতিহাসিক, বিনোদনমূলক ও পরিবেশগত গুরুত্ব বহন করে।

রমনা পার্ক ঢাকার অন্যতম ঐতিহাসিক উদ্যান।
বাহাদুর শাহ পার্ক পুরান ঢাকায় অবস্থিত।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান।

বঙ্গবন্ধু উদ্যান, বিভিন্ন আঞ্চলিক উদ্যান এবং স্মৃতিস্থান দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক স্মৃতি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশের হাওর, বিল ও জলাভূমি
Haors, Beels and Wetlands
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিশেষভাবে হাওরসমৃদ্ধ। সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বহু হাওর রয়েছে।

বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর হিসেবে হাকালুকি হাওরের উল্লেখ রয়েছে। এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার বিস্তৃত এলাকায় অবস্থিত।

টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্র হাওর হিসেবে বুরবুক হাওরের উল্লেখ রয়েছে।

দেশের বৃহত্তম বিল হিসেবে চলন বিল পরিচিত। এটি সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও নাটোর অঞ্চলে বিস্তৃত।

বাইক্কা বিল মৌলভীবাজার অঞ্চলে অবস্থিত।

বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য জলাভূমি ও হাওরগুলো মৎস্যসম্পদ, কৃষি, পাখি এবং প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের নদ-নদী
Rivers of Bangladesh
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। দেশের ভূপ্রকৃতি, কৃষি, যোগাযোগ, মৎস্যসম্পদ ও জনজীবনের সঙ্গে নদ-নদীর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা সাত শতাধিক উল্লেখ করা হয়েছে। যৌথ নদী কমিশনের হিসাব অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বা আন্তসীমান্ত নদীর সংখ্যাও আলাদাভাবে উল্লেখ রয়েছে।

বাংলাদেশে প্রবাহিত গুরুত্বপূর্ণ নদীর মধ্যে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, কর্ণফুলী, সুরমা, কুশিয়ারা, ফেনী, সাংগু ও নাফ উল্লেখযোগ্য।

মেঘনাকে বাংলাদেশের দীর্ঘতম এবং গভীর নদীগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কর্ণফুলী নদীর ওপর কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ নদীর উৎপত্তিস্থল
Origins of Major Rivers
বাংলাদেশের বড় নদীগুলোর অধিকাংশের উৎস দেশের বাইরে। পার্বত্য ও হিমালয় অঞ্চলে উৎপন্ন হয়ে নদীগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

পদ্মা বা গঙ্গার উৎস হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ অঞ্চলে।
ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবরসংলগ্ন অঞ্চল থেকে উৎপন্ন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিস্তা ভারতের সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরামের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
সাংগু ও নাফ নদীর উৎপত্তি মিয়ানমারের পাহাড়ি অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
সুরমা ও কুশিয়ারা বরাক নদীর বিভক্ত প্রবাহ। পরে এই দুই নদী পুনরায় মিলিত হয়ে কালনী নামে প্রবাহিত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশে প্রবেশকারী প্রধান আন্তসীমান্ত নদীগুলো দেশের পলি, কৃষি, নৌযোগাযোগ ও পানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের বনজ সম্পদ
Forest Resources of Bangladesh
বাংলাদেশের বনভূমি পরিবেশের ভারসাম্য, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, কাঠ ও অন্যান্য বনজ সম্পদ উৎপাদন এবং উপকূলীয় সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

প্রদত্ত তথ্যমতে দেশের মোট ভূমির প্রায় ১৭ শতাংশের কাছাকাছি অংশ বনাঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত তিন ধরনের অঞ্চলে আলোচনা করা হয়—

১। ক্রান্তীয় চিরসবুজ ও অর্ধচিরসবুজ বন
২। ক্রান্তীয় পাতাঝরা বন
৩। ম্যানগ্রোভ বা সুন্দরবন
বাংলাদেশের বনের প্রধান ধরন
Major Forest Types
চিরসবুজ ও অর্ধচিরসবুজ বন
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে প্রধানত এ ধরনের বন দেখা যায়। এসব বনে গর্জন, জারুল, চাপালিশ, সেগুন, গামারসহ বিভিন্ন গাছ জন্মে।

ক্রান্তীয় পাতাঝরা বন
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের কিছু অংশে এ ধরনের বন দেখা যায়। শাল এ বনের প্রধান বৃক্ষ।

ম্যানগ্রোভ বন
জোয়ার-ভাটাপ্রবণ লবণাক্ত এলাকায় জন্মানো বিশেষ বনকে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়। বাংলাদেশের সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনগুলোর একটি।
সুন্দরবন
The Sundarbans
সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিশাল ম্যানগ্রোভ বন। এটি বাংলাদেশ ও ভারতের ভূখণ্ডে বিস্তৃত। বাংলাদেশ অংশ খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার সঙ্গে সম্পর্কিত।

সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে সুন্দরী, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। সুন্দরী গাছ থেকেই সুন্দরবনের নামকরণ হয়েছে বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে।

রয়েল বেঙ্গল টাইগার সুন্দরবনের সবচেয়ে বিখ্যাত প্রাণী। এছাড়া হরিণ, বানর, সাপ, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও জলজ প্রাণীও এখানে পাওয়া যায়।

সুন্দরবন UNESCO ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ এবং বাংলাদেশের পরিবেশগত সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।

প্রদত্ত তথ্যে সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় \(10,000\) বর্গকিলোমিটার এবং বাংলাদেশ অংশের আয়তন প্রায় \(6,017\) বর্গকিলোমিটার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের কাঠের উল্লেখযোগ্য অংশ সুন্দরবন থেকে আসে বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের কৃষি
Agriculture of Bangladesh
বাংলাদেশের অর্থনীতি, গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও খাদ্যনিরাপত্তায় কৃষির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের উর্বর পললমাটি, নদ-নদী, মৌসুমি বৃষ্টিপাত এবং বৈচিত্র্যময় জলবায়ু কৃষির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত প্রধান খাদ্যশস্য হলো ধান। এছাড়া গম, পাট, আলু, ডাল, আখ, ভুট্টা, চা, বিভিন্ন তেলবীজ, ফল ও সবজি উৎপন্ন হয়।

কৃষি উৎপাদনের পরিমাণ ও বৈশিষ্ট্য অঞ্চলভেদে ভিন্ন। উত্তরাঞ্চলে ধান ও গম, পাহাড়ি অঞ্চলে জুমচাষ এবং সিলেট ও পার্বত্য এলাকার কিছু অংশে চা চাষ গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের প্রধান কৃষিজ ফসল
Major Agricultural Crops
প্রধান খাদ্য ও অর্থকরী ফসল
ধান — বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য
গম — দ্বিতীয় প্রধান খাদ্যশস্য হিসেবে উল্লেখিত
পাট — প্রধান অর্থকরী ফসলগুলোর একটি
আখ — চিনি উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল
চা — গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ও রপ্তানিমুখী ফসল
আলু — বহুল উৎপাদিত খাদ্য ও সবজি ফসল
আঞ্চলিক উৎপাদন
ধান — সারা দেশে উৎপাদিত
চা — প্রধানত সিলেট ও পার্বত্য অঞ্চল
আম — রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চল
আনারস — পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য
পাট — ফরিদপুরসহ বিভিন্ন সমতল অঞ্চলে ব্যাপক
ফসল ও কৃষি মৌসুম
Crop Seasons of Bangladesh
বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদন মৌসুমভিত্তিক। ধানকে সাধারণভাবে আউশ, আমন ও বোরো—এই তিন মৌসুমে ভাগ করা হয়।

বোরো ধান শুষ্ক মৌসুমে সেচনির্ভর অবস্থায় উৎপন্ন হয়।
আমন বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ের প্রধান ধান।
আউশ তুলনামূলক আগাম মৌসুমের ধান।

প্রদত্ত তথ্যে রবি ফসল বলতে প্রধানত শীতকালীন ফসলকে বোঝানো হয়েছে।
খরিফ ফসল উষ্ণ ও বর্ষাপ্রধান মৌসুমে জন্মে।

বাংলাদেশের কৃষিতে তিনটি প্রধান ফসলি মৌসুমের উল্লেখ রয়েছে—রবি, আউশ ও আমন।
উন্নত জাতের কৃষিজ ফসল
Improved Crop Varieties
বাংলাদেশে কৃষি গবেষণার মাধ্যমে ধান, গম, ভুট্টা, আলু, আখ, আমসহ বিভিন্ন ফসলের উচ্চফলনশীল ও উন্নত জাত উদ্ভাবিত হয়েছে।

প্রদত্ত তথ্যে ধানের উন্নত জাত হিসেবে হীরা, মুক্তা, আশা, মালা, ময়না, ইরাটম, হরি, প্রগতি, সোনার বাংলা-১, নারিকা-১ ও আলোকের উল্লেখ রয়েছে।

গমের উন্নত জাতের মধ্যে বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন ও শতাব্দীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুট্টার উন্নত জাত হিসেবে বর্ণালী, শুভ্র ও উত্তরণের নাম পাওয়া যায়।

আলুর উন্নত জাত হিসেবে ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, কুফরী ও সিন্ধুরী প্রভৃতি উল্লেখ করা হয়েছে।

টমেটোর উন্নত জাতের মধ্যে বাহার, মানিক, রতন, মিষ্টি, ঝুমকা, সিন্ধু ও শ্রাবণীর নাম পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের চা
Tea Industry of Bangladesh
বাংলাদেশে চা চাষের ইতিহাস ঔপনিবেশিক আমল থেকে শুরু। প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের প্রথম চা চাষের সূচনা চট্টগ্রাম অঞ্চলে এবং পরে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে বাণিজ্যিক চাষের বিস্তারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক চা বাগানগুলোর একটি।

বাংলাদেশে বর্তমানে বহু নিবন্ধিত চা বাগান রয়েছে। চা উৎপাদনে মৌলভীবাজার বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং পঞ্চগড়েও সাম্প্রতিক সময়ে চা চাষের বিস্তার ঘটেছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ড চা শিল্পের উন্নয়ন, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান
Agricultural Research and Development Institutions
বাংলাদেশে কৃষি, ধান, পাট, চা, মৎস্য, বন ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন বিশেষায়িত গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট — গাজীপুর
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বা BRRI — গাজীপুর
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট — ঢাকা
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট — মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট — পাবনার ঈশ্বরদী
বাংলাদেশ গম গবেষণা কেন্দ্র — দিনাজপুর
বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্র — বগুড়া
বাংলাদেশ ফল গবেষণা কেন্দ্র — রাজশাহী
বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট — ময়মনসিংহ
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান — ময়মনসিংহ অঞ্চলে
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট — চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র — বাগেরহাট

BRRI-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Rice Research Institute।
BADC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Agricultural Development Corporation। এর সদরদপ্তর ঢাকায়।
BARD-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Academy for Rural Development। এটি কুমিল্লায় অবস্থিত এবং এর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে ড. আখতার হামিদ খানের নাম যুক্ত।
  1. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম নাটক ‘যে অরণ্যে আলো নেই’-এর রচয়িতা কে?
    • নীলিমা ইব্রাহীম
    • সেলিনা হোসেন
    • মমতাজউদ্দীন আহমদ
    • আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ নাটকটির রচয়িতা কে?
    • সৈয়দ শামসুল হক
    • শামসুর রাহমান
    • হাসান হাফিজুর রহমান
    • সেলিনা হোসেন
  3. ‘বকুলপুরের স্বাধীনতা’ নাটকের রচয়িতা কে?
    • মমতাজউদ্দীন আহমদ
    • সৈয়দ শামসুল হক
    • নীলিমা ইব্রাহীম
    • রাবেয়া খাতুন
  4. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ‘বর্ণচোরা’-এর রচয়িতা কে?
    • মমতাজউদ্দীন আহমদ
    • আলাউদ্দিন আল আজাদ
    • জহির রায়হান
    • হুমায়ূন আহমেদ
  5. ‘কী চাহ শঙ্খচিল’ নাটকটির রচয়িতা কে?
    • মমতাজউদ্দীন আহমদ
    • শামসুর রাহমান
    • আবুল হাসনাত
    • হাসান আজিজুল হক
  6. ‘নরকে লাল গোলাপ’ নাটকটির রচয়িতা কে?
    • আলাউদ্দিন আল আজাদ
    • মমতাজউদ্দীন আহমদ
    • সেলিনা হোসেন
    • শওকত ওসমান
  7. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যগ্রন্থ ‘বন্দী শিবির থেকে’-এর রচয়িতা কে?
    • শামসুর রাহমান
    • আল মাহমুদ
    • সৈয়দ আলী আহসান
    • হাসান হাফিজুর রহমান
  8. ‘যখন উদ্যত সঙ্গীন’ কাব্যগ্রন্থটি কার রচনা?
    • হাসান হাফিজুর রহমান
    • শামসুর রাহমান
    • আবুল হাসনাত
    • আলাউদ্দিন আল আজাদ
  9. ‘আমার প্রতিদিনের শব্দ’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
    • সৈয়দ আলী আহসান
    • হাসান হাফিজুর রহমান
    • শামসুর রাহমান
    • রফিক আজাদ
  10. ‘মুক্তিযুদ্ধের কবিতা’ সংকলনটির সম্পাদক কে?
    • আবুল হাসনাত
    • হাসান হাফিজুর রহমান
    • শামসুর রাহমান
    • সৈয়দ শামসুল হক
  11. ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • নীলিমা ইব্রাহীম
    • সেলিনা হোসেন
    • জাহানারা ইমাম
    • সুফিয়া কামাল
  12. ‘আমি নারী আমি মুক্তিযোদ্ধা’ গ্রন্থটি কার লেখা?
    • সেলিনা হোসেন
    • নীলিমা ইব্রাহীম
    • সুফিয়া কামাল
    • রাবেয়া খাতুন
  13. ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • গাজীউল হক
    • মোনায়েম সরকার
    • এম. আর. আখতার মুকুল
    • হারুন হাবীব
  14. ‘জয় বাংলা’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • এম. আর. আখতার মুকুল
    • হারুন হাবীব
    • আনিসুজ্জামান
    • জাহানারা ইমাম
  15. ‘বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • মোনায়েম সরকার
    • এম. আর. আখতার মুকুল
    • মেজর রফিকুল ইসলাম
    • আবদুল গাফফার চৌধুরী
  16. ‘বিদ্রোহে বাঙালি’ গ্রন্থটি কার রচনা?
    • দুর্গাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    • আবদুল গাফফার চৌধুরী
    • আল মাহমুদ
    • হাসান আজিজুল হক
  17. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • জাহানারা ইমাম
    • সুফিয়া কামাল
    • রাবেয়া খাতুন
    • সেলিনা হোসেন
  18. ‘একাত্তরের বর্ণমালা’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • এম. আর. আখতার মুকুল
    • মেজর রফিকুল ইসলাম
    • শামসুর রাহমান
    • হারুন হাবীব
  19. ‘একাত্তরের বিজয় গাঁথা’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • মেজর রফিকুল ইসলাম
    • আনিসুজ্জামান
    • হারুন হাবীব
    • আলাউদ্দিন আল আজাদ
  20. ‘একাত্তরের নিশান’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • রাবেয়া খাতুন
    • সেলিনা হোসেন
    • সুফিয়া কামাল
    • জাহানারা ইমাম
  21. ‘একাত্তরের ঢাকা’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • সেলিনা হোসেন
    • রাবেয়া খাতুন
    • জাহানারা ইমাম
    • নীলিমা ইব্রাহীম
  22. ‘একাত্তরের ডায়েরী’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • সুফিয়া কামাল
    • জাহানারা ইমাম
    • রাবেয়া খাতুন
    • সেলিনা হোসেন
  23. ‘আমার একাত্তর’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • আনিসুজ্জামান
    • শামসুর রাহমান
    • হারুন হাবীব
    • আল মাহমুদ
  24. ‘ফেরারি ডায়েরি’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • আলাউদ্দিন আল আজাদ
    • শামসুর রাহমান
    • আবদুল গাফফার চৌধুরী
    • হারুন হাবীব
  25. ‘স্মৃতির শহর’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • শামসুর রাহমান
    • আল মাহমুদ
    • হাসান হাফিজুর রহমান
    • রফিক আজাদ
  26. ‘জন্মযুদ্ধের উপাখ্যান’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • হারুন হাবীব
    • হাসান আজিজুল হক
    • মোনায়েম সরকার
    • জাহানারা ইমাম
  27. ‘জন্ম যদি তব বঙ্গে’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গল্পগ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • শওকত ওসমান
    • হাসান আজিজুল হক
    • জহির রায়হান
    • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  28. ‘নামহীন গোয়েন্দা’ গল্পটির রচয়িতা কে?
    • হাসান আজিজুল হক
    • শওকত ওসমান
    • সৈয়দ শামসুল হক
    • আবু ইসহাক
  29. ‘একাত্তরের বীথি’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • শাহরিয়ার কবির
    • হারুন হাবীব
    • মেজর রফিকুল ইসলাম
    • এম. আর. আখতার মুকুল
  30. ‘সময়ের প্রয়োজনে’ গল্পটির রচয়িতা কে?
    • জহির রায়হান
    • সেলিনা হোসেন
    • রাবেয়া খাতুন
    • শওকত ওসমান
  31. ‘আমিনা ও মদিনার গল্প’ রচনাটি কার?
    • সেলিনা হোসেন
    • রাবেয়া খাতুন
    • জাহানারা ইমাম
    • নীলিমা ইব্রাহীম
  32. ‘বাংলাদেশ কথা কয়’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
    • আবদুল গাফফার চৌধুরী
    • আনিসুজ্জামান
    • হারুন হাবীব
    • মোনায়েম সরকার
  33. ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র’-এর সম্পাদক কে?
    • হাসান হাফিজুর রহমান
    • আবুল হাসনাত
    • এম. আর. আখতার মুকুল
    • আনিসুজ্জামান
  34. ‘মুক্তিযুদ্ধের কোষ’ গ্রন্থটির সঙ্গে কার নাম যুক্ত?
    • মুনতাসীর মামুন
    • হাসান হাফিজুর রহমান
    • শাহরিয়ার কবির
    • আবদুল গাফফার চৌধুরী
  35. মুক্তিযোদ্ধাদের পত্রসংকলন হিসেবে পরিচিত গ্রন্থ কোনটি?
    • একাত্তরের চিঠি
    • একাত্তরের দিনগুলি
    • একাত্তরের ডায়েরী
    • একাত্তরের নিশান
  36. ‘A Search for Identity’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • মেজর আবদুল জলিল
    • মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং
    • সিদ্দিক সালিক
    • জে. এফ. আর. জ্যাকব
  37. ‘The Liberation War of Bangladesh’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং
    • অ্যান্থনি মাসকারেনহাস
    • গ্যারি জে. ব্যাস
    • সিদ্দিক সালিক
  38. ‘The Rape of Bangladesh’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • অ্যান্থনি মাসকারেনহাস
    • আর্চার কে. ব্লাড
    • গ্যারি জে. ব্যাস
    • সিদ্দিক সালিক
  39. ‘Bangladesh: A Legacy of Blood’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • অ্যান্থনি মাসকারেনহাস
    • আর্চার কে. ব্লাড
    • গ্যারি জে. ব্যাস
    • জে. এফ. আর. জ্যাকব
  40. ‘The Blood Telegram’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • গ্যারি জে. ব্যাস
    • আর্চার কে. ব্লাড
    • অ্যান্থনি মাসকারেনহাস
    • সিদ্দিক সালিক
  41. ‘The Cruel Birth of Bangladesh’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • আর্চার কে. ব্লাড
    • গ্যারি জে. ব্যাস
    • জে. এফ. আর. জ্যাকব
    • অ্যান্থনি মাসকারেনহাস
  42. ‘Surrender at Dacca: Birth of a Nation’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • জে. এফ. আর. জ্যাকব
    • সিদ্দিক সালিক
    • সুখওয়ান্ত সিং
    • অ্যান্থনি মাসকারেনহাস
  43. ‘Witness to Surrender’ গ্রন্থটির লেখক কে?
    • সিদ্দিক সালিক
    • জে. এফ. আর. জ্যাকব
    • গ্যারি জে. ব্যাস
    • আর্চার কে. ব্লাড
  44. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
    • এডওয়ার্ড হিথ
    • হ্যারল্ড উইলসন
    • জেমস ক্যালাহান
    • মার্গারেট থ্যাচার
  45. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের মহাসচিব কে ছিলেন?
    • উ থান্ট
    • কুর্ট ভাল্ডহাইম
    • দাগ হামারশোল্ড
    • পেরেজ দে কুয়েলার
  46. মুক্তিযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
    • নিকোলাই পদগোর্নি
    • আলেক্সেই কোসিগিন
    • লিওনিদ ব্রেজনেভ
    • আন্দ্রেই গ্রোমিকো
  47. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
    • আলেক্সেই কোসিগিন
    • নিকোলাই পদগোর্নি
    • লিওনিদ ব্রেজনেভ
    • আন্দ্রেই গ্রোমিকো
  48. মুক্তিযুদ্ধের সময় সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান নেতা কে ছিলেন?
    • লিওনিদ ব্রেজনেভ
    • আলেক্সেই কোসিগিন
    • নিকোলাই পদগোর্নি
    • আন্দ্রেই গ্রোমিকো
  49. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে ছিলেন?
    • আন্দ্রেই গ্রোমিকো
    • আলেক্সেই কোসিগিন
    • নিকোলাই পদগোর্নি
    • লিওনিদ ব্রেজনেভ
  50. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় চীনের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
    • চৌ এনলাই
    • মাও সেতুং
    • দেং শিয়াওপিং
    • লিউ শাওচি