বাংলাদেশ বিষয়াবলি — Bank Job
বাংলাদেশ বিষয়াবলি: সাধারণ জ্ঞান, Bank Job পাঠ ও 2250টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/45।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- ছয় দফা ও রাজনৈতিক আন্দোলন
- মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- বঙ্গবন্ধুর রচনা ও স্মৃতিচারণ
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুরস্কার ও সম্মাননা
- বাংলাদেশ ক্রিকেট
- বাংলাদেশের খেলাধুলা
- বাংলাদেশের অর্থনীতি
- বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা
- শিল্প, বাণিজ্য ও বৈদেশিক বিনিয়োগ
- জাহাজ নির্মাণ ও রপ্তানি
- বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
- দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়ন
- বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা
- শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান
- বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
Life and Political Career of Bangabandhu
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। তাঁর পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান এবং মাতার নাম সায়েরা খাতুন। শৈশব ও কৈশোর থেকেই তিনি সংগঠন ও নেতৃত্বের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন।
তিনি গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় শেখ মুজিবুর রহমান সংগঠনটির যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৫৩ সালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬৬ সালে দলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
যুক্তফ্রন্ট সরকারের সময় তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৪ সালে তিনি কৃষি, বন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন বলে প্রদত্ত পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের দীর্ঘ ধারাবাহিকতায় তাঁর নেতৃত্ব বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বিভিন্ন সময়ে তাঁকে কারাবরণ করতে হয়েছে এবং পাকিস্তানি শাসকদের রাজনৈতিক নিপীড়নের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
তিনি গোপালগঞ্জের গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন। পরবর্তীতে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে অধ্যয়ন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় শেখ মুজিবুর রহমান সংগঠনটির যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৫৩ সালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬৬ সালে দলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
যুক্তফ্রন্ট সরকারের সময় তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৪ সালে তিনি কৃষি, বন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন বলে প্রদত্ত পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের দীর্ঘ ধারাবাহিকতায় তাঁর নেতৃত্ব বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বিভিন্ন সময়ে তাঁকে কারাবরণ করতে হয়েছে এবং পাকিস্তানি শাসকদের রাজনৈতিক নিপীড়নের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
ছয় দফা ও রাজনৈতিক আন্দোলন
Six-Point Movement
পাকিস্তানি শাসনব্যবস্থায় পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে সুসংগঠিত রূপ দেয় বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা কর্মসূচি। ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনের প্রেক্ষাপটে এই দাবি সামনে আসে।
পরবর্তীতে ছয় দফা কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে জনগণের সামনে উপস্থাপিত হয়। ছয় দফাকে বাঙালির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির সনদ হিসেবে দেখা হয়। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত করে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার দাবি জোরালো হয়।
ছয় দফাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক আন্দোলন বিস্তৃত হলে বঙ্গবন্ধুসহ আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হন। ১৯৬৬ সালের মার্চ মাসে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব আরও সুসংহত হয়।
পরবর্তীতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করা হয়। ব্যাপক গণআন্দোলনের মুখে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানের গণসংবর্ধনায় শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে “বঙ্গবন্ধু” উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন আরও বেগবান হয় এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
পরবর্তীতে ছয় দফা কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে জনগণের সামনে উপস্থাপিত হয়। ছয় দফাকে বাঙালির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির সনদ হিসেবে দেখা হয়। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত করে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার দাবি জোরালো হয়।
ছয় দফাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক আন্দোলন বিস্তৃত হলে বঙ্গবন্ধুসহ আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হন। ১৯৬৬ সালের মার্চ মাসে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব আরও সুসংহত হয়।
পরবর্তীতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করা হয়। ব্যাপক গণআন্দোলনের মুখে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানের গণসংবর্ধনায় শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে “বঙ্গবন্ধু” উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন আরও বেগবান হয় এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
Liberation War and Independence
১৯৭১ সালের মার্চে রাজনৈতিক সংকট চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে। ৭ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। এই ভাষণ বাঙালিকে স্বাধীনতার সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়।
২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আসে এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। পরবর্তীতে স্থানটির নাম হয় মুজিবনগর।
স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।
পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। দিনটি “বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস” হিসেবে পরিচিত।
১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আসে এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়।
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। পরবর্তীতে স্থানটির নাম হয় মুজিবনগর।
স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।
পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। দিনটি “বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস” হিসেবে পরিচিত।
১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।
বঙ্গবন্ধুর রচনা ও স্মৃতিচারণ
Books and Memoirs of Bangabandhu
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীমূলক রচনার মধ্যে অসমাপ্ত আত্মজীবনী বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কারাগারে অবস্থানকালে তিনি জীবনের বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এতে লিখে রাখেন। বইটি ২০১২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রকাশক দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
তাঁর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা কারাগারের রোজনামচা। এতে কারাজীবনের নানা অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও সমকালীন ঘটনাপ্রবাহ উঠে এসেছে। বইটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়।
আমার দেখা নয়াচীন বঙ্গবন্ধুর ভ্রমণভিত্তিক রচনা। চীন সফরের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণকে কেন্দ্র করে বইটি রচিত।
বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ইংরেজি সংস্করণের নাম The Unfinished Memoirs।
বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদান করে। পদকটি ১৯৭৩ সালের ২৩ মে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
তাঁর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রচনা কারাগারের রোজনামচা। এতে কারাজীবনের নানা অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও সমকালীন ঘটনাপ্রবাহ উঠে এসেছে। বইটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়।
আমার দেখা নয়াচীন বঙ্গবন্ধুর ভ্রমণভিত্তিক রচনা। চীন সফরের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণকে কেন্দ্র করে বইটি রচিত।
বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ইংরেজি সংস্করণের নাম The Unfinished Memoirs।
বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রদান করে। পদকটি ১৯৭৩ সালের ২৩ মে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মাননা
Awards and International Recognition
শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময়ে শান্তি, নারী ক্ষমতায়ন, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, টিকাদান, পরিবেশ ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন।
২০১৯ সালে শান্তি, ক্ষুধা ও দুর্নীতি প্রতিরোধসহ সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে Tagore Peace Award প্রদান করা হয়। একই বছরে দক্ষতা উন্নয়নে অবদানের জন্য UNICEF তাঁকে Champion of Skill Development for Youth Award দেয়।
বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে GAVI তাঁকে Vaccine Hero পুরস্কারে ভূষিত করে। ২০১৯ সালে Dr. Kalam Smriti International Excellence Award-ও তিনি লাভ করেন।
২০১৮ সালে মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি International Achievement Award এবং Special Recognition for Outstanding Leadership-ধর্মী আন্তর্জাতিক সম্মাননা লাভ করেন। একই সময়ে নারী নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে Global Women’s Leadership Award প্রদান করা হয়।
২০১৬ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকার জন্য তিনি জাতিসংঘের Champion of the Earth পুরস্কার লাভ করেন। একই বছর ডিজিটাল উন্নয়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রসারের জন্য ITU Award এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর নেতৃত্বের জন্য WIP Global Award পান।
২০১৪ সালে নারী ও শিশু শিক্ষা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তাঁকে Peace Tree Award প্রদান করা হয়।
২০১৩ সালে খাদ্য নিরাপত্তা ও দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানের জন্য তিনি South-South Award লাভ করেন। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশাসনিক সেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি Manthan Award-এও সম্মানিত হন।
২০১২ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকার জন্য UNESCO থেকে সম্মাননা লাভের তথ্যও প্রদত্ত পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে।
২০১৯ সালে শান্তি, ক্ষুধা ও দুর্নীতি প্রতিরোধসহ সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে Tagore Peace Award প্রদান করা হয়। একই বছরে দক্ষতা উন্নয়নে অবদানের জন্য UNICEF তাঁকে Champion of Skill Development for Youth Award দেয়।
বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে GAVI তাঁকে Vaccine Hero পুরস্কারে ভূষিত করে। ২০১৯ সালে Dr. Kalam Smriti International Excellence Award-ও তিনি লাভ করেন।
২০১৮ সালে মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি International Achievement Award এবং Special Recognition for Outstanding Leadership-ধর্মী আন্তর্জাতিক সম্মাননা লাভ করেন। একই সময়ে নারী নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে Global Women’s Leadership Award প্রদান করা হয়।
২০১৬ সালে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকার জন্য তিনি জাতিসংঘের Champion of the Earth পুরস্কার লাভ করেন। একই বছর ডিজিটাল উন্নয়ন ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রসারের জন্য ITU Award এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর নেতৃত্বের জন্য WIP Global Award পান।
২০১৪ সালে নারী ও শিশু শিক্ষা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তাঁকে Peace Tree Award প্রদান করা হয়।
২০১৩ সালে খাদ্য নিরাপত্তা ও দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানের জন্য তিনি South-South Award লাভ করেন। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে প্রশাসনিক সেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি Manthan Award-এও সম্মানিত হন।
২০১২ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য রক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকার জন্য UNESCO থেকে সম্মাননা লাভের তথ্যও প্রদত্ত পৃষ্ঠায় উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট
Bangladesh Cricket
বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধীরে ধীরে সাফল্য অর্জনের পর ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ওয়ানডে মর্যাদা পায়।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ১৯৮৬ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেট ম্যাচ খেলে। প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান।
১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে জয় লাভ করে। এই জয়টি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে প্রথমবার ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে। সেই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা লাভ করে এবং একই বছর ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে। বাংলাদেশের অভিষেক টেস্ট অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায়।
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান দুর্জয়। প্রথম টেস্টে আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের হয়ে শতক করেন।
২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় অর্জন করে। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওয়ানডে ও টেস্ট উভয় সংস্করণে ধারাবাহিক উন্নতি ঘটে।
বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন অলক কাপালি। ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম হ্যাটট্রিকের কৃতিত্ব শাহাদাত হোসেনের নামে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রদত্ত পৃষ্ঠার তথ্য অনুযায়ী মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে একাধিক ডাবল সেঞ্চুরির মালিক এবং তামিম ইকবাল ওয়ানডে ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হিসেবে আলোচিত।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ১৯৮৬ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেট ম্যাচ খেলে। প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান।
১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে জয় লাভ করে। এই জয়টি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালে প্রথমবার ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে। সেই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করে।
বাংলাদেশ ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা লাভ করে এবং একই বছর ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে। বাংলাদেশের অভিষেক টেস্ট অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায়।
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান দুর্জয়। প্রথম টেস্টে আমিনুল ইসলাম বুলবুল বাংলাদেশের হয়ে শতক করেন।
২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় অর্জন করে। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওয়ানডে ও টেস্ট উভয় সংস্করণে ধারাবাহিক উন্নতি ঘটে।
বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন অলক কাপালি। ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম হ্যাটট্রিকের কৃতিত্ব শাহাদাত হোসেনের নামে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রদত্ত পৃষ্ঠার তথ্য অনুযায়ী মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে একাধিক ডাবল সেঞ্চুরির মালিক এবং তামিম ইকবাল ওয়ানডে ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের অন্যতম সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হিসেবে আলোচিত।
বাংলাদেশের খেলাধুলা
Sports of Bangladesh
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি। ভারতীয় উপমহাদেশে কাবাডির উৎপত্তি ঘটেছে বলে প্রদত্ত পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের দাবা ইতিহাসে নিয়াজ মোর্শেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। তিনি বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার। আন্তর্জাতিক দাবায় বাংলাদেশি নারী খেলোয়াড়দের মধ্যেও রাণী হামিদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের নারী ক্রীড়ার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সালমা খাতুন নারী ক্রিকেট দলের অন্যতম পরিচিত অধিনায়ক হিসেবে উল্লেখিত।
এশিয়ান গেমস, সাফ গেমস ও অন্যান্য আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ বিভিন্ন সময়ে পদক অর্জন করেছে। ক্রিকেট, কাবাডি, শুটিং, আর্চারি ও দাবা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সাফল্যের উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র।
বাংলাদেশের দাবা ইতিহাসে নিয়াজ মোর্শেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। তিনি বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার। আন্তর্জাতিক দাবায় বাংলাদেশি নারী খেলোয়াড়দের মধ্যেও রাণী হামিদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের নারী ক্রীড়ার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সালমা খাতুন নারী ক্রিকেট দলের অন্যতম পরিচিত অধিনায়ক হিসেবে উল্লেখিত।
এশিয়ান গেমস, সাফ গেমস ও অন্যান্য আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ বিভিন্ন সময়ে পদক অর্জন করেছে। ক্রিকেট, কাবাডি, শুটিং, আর্চারি ও দাবা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সাফল্যের উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র।
বাংলাদেশের অর্থনীতি
Economy of Bangladesh
বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষি, শিল্প ও সেবা—এই তিনটি প্রধান খাতের সমন্বয়ে গঠিত। প্রদত্ত পৃষ্ঠার তথ্য অনুযায়ী জাতীয় অর্থনীতিতে সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।
সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে কর গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা NBR দেশের কর প্রশাসন ও রাজস্ব সংগ্রহের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান।
জাতীয় আয় হিসাবের সময় অর্থনীতিকে বিভিন্ন খাতে ভাগ করে বিশ্লেষণ করা হয়। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা ADP দেশের অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা ECNEC। এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী এবং ভাইস-চেয়ারম্যান পরিকল্পনামন্ত্রী।
সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে কর গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা NBR দেশের কর প্রশাসন ও রাজস্ব সংগ্রহের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান।
জাতীয় আয় হিসাবের সময় অর্থনীতিকে বিভিন্ন খাতে ভাগ করে বিশ্লেষণ করা হয়। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা ADP দেশের অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা ECNEC। এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী এবং ভাইস-চেয়ারম্যান পরিকল্পনামন্ত্রী।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা
Banking System of Bangladesh
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের মুদ্রানীতি প্রণয়ন, ব্যাংক তদারকি, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ নয় সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত বলে প্রদত্ত পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে। গভর্নরের মেয়াদ চার বছর।
বাংলাদেশে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং ও এজেন্ট ব্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ডাচ্-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং চালু করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ২০১১ সালে দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালুর কথা উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সেবা চালুর ক্ষেত্রে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাংক এশিয়া এজেন্ট ব্যাংকিং চালুর ক্ষেত্রে অগ্রণী প্রতিষ্ঠান।
দেশে ATM কার্ড প্রবর্তনের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের নাম উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত, বিশেষায়িত, বেসরকারি ও বিদেশি—এই কয়েক ধরনের তফসিলি ব্যাংক পরিচালিত হয়। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মধ্যে কৃষি ও নির্দিষ্ট খাতভিত্তিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ নয় সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত বলে প্রদত্ত পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে। গভর্নরের মেয়াদ চার বছর।
বাংলাদেশে আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং ও এজেন্ট ব্যাংকিং গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ডাচ্-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং চালু করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। ২০১১ সালে দেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালুর কথা উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং সেবা চালুর ক্ষেত্রে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাংক এশিয়া এজেন্ট ব্যাংকিং চালুর ক্ষেত্রে অগ্রণী প্রতিষ্ঠান।
দেশে ATM কার্ড প্রবর্তনের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের নাম উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত, বিশেষায়িত, বেসরকারি ও বিদেশি—এই কয়েক ধরনের তফসিলি ব্যাংক পরিচালিত হয়। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মধ্যে কৃষি ও নির্দিষ্ট খাতভিত্তিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
শিল্প, বাণিজ্য ও বৈদেশিক বিনিয়োগ
Industry, Trade and Foreign Investment
বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক শিল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের রপ্তানি আয়ের বড় অংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। তৈরি পোশাকের প্রধান বাজারগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রপ্তানি হওয়া পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্যসহ বিভিন্ন শিল্পপণ্য রয়েছে।
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আমদানি উৎস হিসেবে উল্লেখিত।
বৈদেশিক বিনিয়োগ বা FDI আকর্ষণের জন্য বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা BIDA কাজ করে। সংস্থাটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ২০২০ সালের FDI প্রবাহে যুক্তরাজ্যের অবস্থান উল্লেখযোগ্য ছিল এবং বিদ্যুৎ খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি ছিল।
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা BEPZA দেশের Export Processing Zone পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত। প্রথম EPZ চট্টগ্রামে স্থাপিত হয়।
চট্টগ্রাম EPZ বাংলাদেশের প্রথম এবং আয়তনের দিক থেকে বড় EPZগুলোর একটি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি ও বেসরকারি EPZ গড়ে উঠেছে।
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রপ্তানি হওয়া পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্যসহ বিভিন্ন শিল্পপণ্য রয়েছে।
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান আমদানি উৎস হিসেবে উল্লেখিত।
বৈদেশিক বিনিয়োগ বা FDI আকর্ষণের জন্য বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা BIDA কাজ করে। সংস্থাটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ২০২০ সালের FDI প্রবাহে যুক্তরাজ্যের অবস্থান উল্লেখযোগ্য ছিল এবং বিদ্যুৎ খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি ছিল।
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা BEPZA দেশের Export Processing Zone পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত। প্রথম EPZ চট্টগ্রামে স্থাপিত হয়।
চট্টগ্রাম EPZ বাংলাদেশের প্রথম এবং আয়তনের দিক থেকে বড় EPZগুলোর একটি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারি ও বেসরকারি EPZ গড়ে উঠেছে।
জাহাজ নির্মাণ ও রপ্তানি
Shipbuilding Industry
বাংলাদেশের উদীয়মান রপ্তানিমুখী শিল্পের মধ্যে জাহাজ নির্মাণ গুরুত্বপূর্ণ। দেশীয় জাহাজ নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বিদেশে সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করার সক্ষমতা অর্জন করেছে।
প্রদত্ত পৃষ্ঠার তথ্য অনুযায়ী ডেনমার্কে বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করা হয়। বাংলাদেশে রপ্তানিযোগ্য জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আনন্দ শিপইয়ার্ডের নাম উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশে নির্মিত জাহাজ ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি হয়েছে। এই খাত সম্ভাবনাময় ভারী শিল্প হিসেবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রদত্ত পৃষ্ঠার তথ্য অনুযায়ী ডেনমার্কে বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করা হয়। বাংলাদেশে রপ্তানিযোগ্য জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আনন্দ শিপইয়ার্ডের নাম উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশে নির্মিত জাহাজ ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি হয়েছে। এই খাত সম্ভাবনাময় ভারী শিল্প হিসেবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
Five-Year Plans of Bangladesh
দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সরকার পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। পরিকল্পনা কমিশন এসব পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সমন্বয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে।
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল ছিল ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮ সাল। স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন ও উৎপাদন বৃদ্ধিই ছিল এর অন্যতম লক্ষ্য।
ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০১১ থেকে ২০১৫ মেয়াদে বাস্তবায়িত হয়। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল ছিল ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল।
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে শুরু হওয়া উন্নয়ন পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখিত এবং এর মেয়াদ ২০২১ থেকে ২০২৫ সময়সীমার সঙ্গে সম্পর্কিত।
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় উচ্চতর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পরিকল্পনায় মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, দারিদ্র্যের হার কমানো, চরম দারিদ্র্য হ্রাস এবং মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রথম ও দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মধ্যবর্তী সময়ে দুই বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের নজিরও রয়েছে। পরবর্তীতে বিভিন্ন মেয়াদে পরিকল্পনা প্রণয়ন করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিচালিত হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল ছিল ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮ সাল। স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন ও উৎপাদন বৃদ্ধিই ছিল এর অন্যতম লক্ষ্য।
ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০১১ থেকে ২০১৫ মেয়াদে বাস্তবায়িত হয়। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল ছিল ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল।
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে শুরু হওয়া উন্নয়ন পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখিত এবং এর মেয়াদ ২০২১ থেকে ২০২৫ সময়সীমার সঙ্গে সম্পর্কিত।
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় উচ্চতর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
পরিকল্পনায় মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, দারিদ্র্যের হার কমানো, চরম দারিদ্র্য হ্রাস এবং মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রথম ও দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মধ্যবর্তী সময়ে দুই বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের নজিরও রয়েছে। পরবর্তীতে বিভিন্ন মেয়াদে পরিকল্পনা প্রণয়ন করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন পরিচালিত হয়েছে।
দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়ন
Poverty Reduction and Social Development
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় দারিদ্র্য হ্রাস দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ক্ষুদ্রঋণ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ দারিদ্র্য বিমোচনের গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য Poverty Reduction Strategy Paper বা PRSP গ্রহণ করা হয়। প্রথম PRSP-এর মেয়াদ ২০০৪ সালের জুলাই থেকে ২০০৮ সালের জুন পর্যন্ত ছিল বলে প্রদত্ত পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে।
দ্বিতীয় PRSP ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০১২ সালের জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকার তথ্য দেওয়া হয়েছে।
গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়নে ক্ষুদ্রঋণ ও সঞ্চয়ভিত্তিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে বেকার যুবকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য Poverty Reduction Strategy Paper বা PRSP গ্রহণ করা হয়। প্রথম PRSP-এর মেয়াদ ২০০৪ সালের জুলাই থেকে ২০০৮ সালের জুন পর্যন্ত ছিল বলে প্রদত্ত পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে।
দ্বিতীয় PRSP ২০১০ সালের জুলাই থেকে ২০১২ সালের জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকার তথ্য দেওয়া হয়েছে।
গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উন্নয়নে ক্ষুদ্রঋণ ও সঞ্চয়ভিত্তিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে বেকার যুবকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা
Education System of Bangladesh
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনের জন্য বিভিন্ন শিক্ষা কমিশন ও শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ১৯৭২ সালে গঠিত হয়। এটি ড. কুদরত-ই-খুদার নেতৃত্বে পরিচালিত হওয়ায় কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন নামে পরিচিত।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে একাধিক শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়েছে এবং জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। সর্বশেষ উল্লেখিত জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ সালে প্রণীত।
প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন করার লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৯৯০ সালে পাস হয়। ১৯৯২ সালে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু উপজেলায় এবং ১৯৯৩ সাল থেকে দেশব্যাপী বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য শিশুর ন্যূনতম বয়স সাধারণভাবে ছয় বছর। প্রাক-প্রাথমিক স্তরে তুলনামূলক কম বয়সী শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।
শিশুদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা, ঝরে পড়া কমানো এবং শিক্ষায় সমতা বৃদ্ধির জন্য উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার উপবৃত্তি প্রকল্পে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবং সমমানের পরীক্ষা চালুর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সময়ে কেন্দ্রীয় মূল্যায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল বলে প্রদত্ত পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে একাধিক শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়েছে এবং জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। সর্বশেষ উল্লেখিত জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ সালে প্রণীত।
প্রাথমিক শিক্ষাকে সর্বজনীন করার লক্ষ্যে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৯৯০ সালে পাস হয়। ১৯৯২ সালে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু উপজেলায় এবং ১৯৯৩ সাল থেকে দেশব্যাপী বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য শিশুর ন্যূনতম বয়স সাধারণভাবে ছয় বছর। প্রাক-প্রাথমিক স্তরে তুলনামূলক কম বয়সী শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।
শিশুদের বিদ্যালয়ে ধরে রাখা, ঝরে পড়া কমানো এবং শিক্ষায় সমতা বৃদ্ধির জন্য উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষার উপবৃত্তি প্রকল্পে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবং সমমানের পরীক্ষা চালুর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সময়ে কেন্দ্রীয় মূল্যায়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল বলে প্রদত্ত পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান
Educational Institutions and Administration
বাংলাদেশের প্রথম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৯২১ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নওয়াব সলিমুল্লাহসহ তৎকালীন বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের অবদান ছিল।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম প্রাচীন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ও স্বাধীনতার পূর্বে প্রতিষ্ঠিত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি বা NAPE প্রাথমিক শিক্ষার শিক্ষক প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও একাডেমিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী NAPE ময়মনসিংহে অবস্থিত এবং ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত।
বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো বা BANBEIS দেশের শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে। প্রদত্ত পৃষ্ঠায় প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাবর্ষ ১৯৭৭ উল্লেখ করা হয়েছে এবং এর অবস্থান ঢাকার নীলক্ষেতে।
প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন Primary Teacher Institute বা PTI পরিচালিত হয়। এগুলো শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা BKSP সাভারের জিরানীতে অবস্থিত এবং ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ক্রীড়া প্রশিক্ষণ ও ক্রীড়াবিদ তৈরির জন্য বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম প্রাচীন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ও স্বাধীনতার পূর্বে প্রতিষ্ঠিত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি বা NAPE প্রাথমিক শিক্ষার শিক্ষক প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও একাডেমিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী NAPE ময়মনসিংহে অবস্থিত এবং ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত।
বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো বা BANBEIS দেশের শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে। প্রদত্ত পৃষ্ঠায় প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাবর্ষ ১৯৭৭ উল্লেখ করা হয়েছে এবং এর অবস্থান ঢাকার নীলক্ষেতে।
প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন Primary Teacher Institute বা PTI পরিচালিত হয়। এগুলো শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা BKSP সাভারের জিরানীতে অবস্থিত এবং ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ক্রীড়া প্রশিক্ষণ ও ক্রীড়াবিদ তৈরির জন্য বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান।
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি
Cinema and Cultural Heritage of Bangladesh
বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে মুখ ও মুখোশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে নির্মিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা সবাক চলচ্চিত্র হিসেবে পরিচিত। চলচ্চিত্রটি ১৯৫৬ সালে মুক্তি পায় এবং এর পরিচালক ছিলেন আবদুল জব্বার খান।
প্রথম দিকের চলচ্চিত্র অভিনেত্রীদের মধ্যে পূর্ণিমা সেনগুপ্ত ও বনানী চৌধুরীর নাম উল্লেখযোগ্য। বনানী চৌধুরী বাংলা চলচ্চিত্রের প্রথম মুসলিম অভিনেত্রী হিসেবে প্রদত্ত পৃষ্ঠায় উল্লেখিত।
বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন বা FDC ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রযুক্তিগত সুবিধা তৈরিতে এই প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বাংলাদেশে টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৬৪ সালে। ১৯৮০ সালে রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার চালুর তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে জহির রায়হান, খান আতাউর রহমান, তারেক মাসুদসহ বিভিন্ন পরিচালক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। জহির রায়হান পরিচালিত কখনো আসেনি এবং তারেক মাসুদ নির্মিত মাটির ময়না বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি।
Stop Genocide মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র হিসেবে বিশেষ পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত আরও বিভিন্ন চলচ্চিত্র বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্মৃতি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিগুলোর একটি। একইভাবে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেশের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য সম্মাননা।
প্রথম দিকের চলচ্চিত্র অভিনেত্রীদের মধ্যে পূর্ণিমা সেনগুপ্ত ও বনানী চৌধুরীর নাম উল্লেখযোগ্য। বনানী চৌধুরী বাংলা চলচ্চিত্রের প্রথম মুসলিম অভিনেত্রী হিসেবে প্রদত্ত পৃষ্ঠায় উল্লেখিত।
বাংলাদেশে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন বা FDC ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রযুক্তিগত সুবিধা তৈরিতে এই প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
বাংলাদেশে টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৬৪ সালে। ১৯৮০ সালে রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার চালুর তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে জহির রায়হান, খান আতাউর রহমান, তারেক মাসুদসহ বিভিন্ন পরিচালক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। জহির রায়হান পরিচালিত কখনো আসেনি এবং তারেক মাসুদ নির্মিত মাটির ময়না বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি।
Stop Genocide মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র হিসেবে বিশেষ পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত আরও বিভিন্ন চলচ্চিত্র বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্মৃতি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিগুলোর একটি। একইভাবে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেশের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য সম্মাননা।
- যুক্তফ্রন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে কবে গঠিত হয়?
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ
- ১৯৫৪ সালের ৩০ মে
- পূর্ব বাংলার কোন নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট বিপুল সাফল্য লাভ করে?
- ১৯৪৬ সালের নির্বাচন
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচন
- ১৯৬৫ সালের নির্বাচন
- ১৯৭০ সালের নির্বাচন
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী কর্মসূচি কত দফার ছিল?
- ৬ দফা
- ১১ দফা
- ২১ দফা
- ৩১ দফা
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার প্রথম দাবিটি কী ছিল?
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
- জমিদারি প্রথা বিলোপ
- সামরিক শাসন প্রত্যাহার
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক কোনটি ছিল?
- নৌকা
- ধানের শীষ
- লাঙল
- হারিকেন
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদে মোট কতটি আসন ছিল?
- ২৩৭টি
- ৩০৯টি
- ৩১৩টি
- ৩২৫টি
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মোট কতটি আসনে জয়লাভ করেছিল?
- ১৪৩টি
- ১৮৭টি
- ২২৩টি
- ২৯০টি
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগ মাত্র কতটি আসন পেয়েছিল?
- ৯টি
- ১২টি
- ১৭টি
- ২৫টি
- যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কে দায়িত্ব গ্রহণ করেন?
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
- শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
- আবুল হাশিম
- যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা কবে গঠিত হয়?
- ৩ এপ্রিল, ১৯৫৪
- ১৫ মে, ১৯৫৪
- ৩০ মে, ১৯৫৪
- ১ জুলাই, ১৯৫৪
- যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা কবে বাতিল ঘোষণা করা হয়?
- ৩০ মে, ১৯৫৪
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৫
- ৭ অক্টোবর, ১৯৫৮
- ২৩ মার্চ, ১৯৫৬
- ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
- ৮ মার্চ
- ২৩ মার্চ
- ৪ ডিসেম্বর
- ৩০ মে
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
- অর্থ ও বাণিজ???য
- কৃষি, বন, সমবায় ও পল্লী
- শিক্ষা ও সংস্কৃতি
- স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম কবে ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন?
- ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
- ৭ জুন, ১৯৬৬
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮
- ছয় দফা কর্মসূচি প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?
- ঢাকায়
- লাহোরে
- করাচিতে
- রাওয়ালপিন্ডিতে
- আওয়ামী লীগের দলীয় কাউন্সিলে ছয় দফা কবে গৃহীত হয়?
- ১৮ মার্চ, ১৯৬৬
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
- ৭ জুন, ১৯৬৬
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
- ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস হিসেবে কোন দিনটি পালিত হয়?
- ৫ ফেব্রুয়ারি
- ৭ মার্চ
- ৭ জুন
- ২৩ জুন
- ছয় দফা কর্মসূচির প্রথম দফায় প্রধানত কোন বিষয়ের দাবি জানানো হয়েছিল?
- প্রাদেশিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা
- ফেডারেল ও সংসদীয় সরকারব্যবস্থা
- একক মুদ্রা বাতিল
- শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ
- ছয় দফা কর্মসূচিকে বাঙালির কী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়?
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
- মুক্তির সনদ
- অর্থনৈতিক সংবিধান
- জাতীয় সনদ
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কবে দায়ের করা হয়?
- ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮
- ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
- ২৪ জানুয়ারি, ১৯৬৯
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে কবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়?
- ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮
- ৭ জুন, ১৯৬৮
- ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিশেষ আদালতের প্রধান বিচারক কে ছিলেন?
- বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
- বিচারপতি এস. এ. রহমান
- বিচারপতি মুনীর
- বিচারপতি কর্নেলিয়াস
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ হিসেবে কাকে উল্লেখ করা হয়?
- আবুল বরকত
- আবদুল জব্বার
- রফিকউদ্দিন আহমদ
- শফিউর রহমান
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রথম শহীদ মিনার কবে নির্মিত হয়?
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
- ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩
- প্রথম শহীদ মিনার কে উদ্বোধন করেন?
- শহীদ বরকতের বাবা
- শহীদ শফিউরের বাবা
- শহীদ আবুল বরকতের মা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের আগে ১১ মার্চ কোন দিবস হিসেবে পালন করা হতো?
- রাষ্ট্রভাষা দিবস
- শহীদ দিবস
- স্বায়ত্তশাসন দিবস
- বাংলা ভাষা দিবস
- পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব প্রথম কে উত্থাপন করেন?
- শেখ মুজিবুর রহমান
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- তমদ্দুন মজলিস
- আবুল হাশিম
- পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষার পক্ষে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কবে প্রস্তাব উত্থাপন করেন?
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮
- ১১ মার্চ, ১৯৪৮
- ২১ মার্চ, ১৯৪৮
- ২৪ মার্চ, ১৯৪৮
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সংগঠিত প্রথম সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
- বাংলা একাডেমি
- তমদ্দুন মজলিস
- বাংলা সাহিত্য পরিষদ
- ছায়ানট
- তমদ্দুন মজলিস কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
- ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
- ১ অক্টোবর, ১৯৪৭
- ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৪৭
- প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কবে গঠিত হয়?
- ১৯৪৭ সালের ১ অক্টোবর
- ১৯৪৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর
- ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
- ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি
- সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কবে গঠিত হয়?
- ৩০ জানুয়ারি, ১৯৫২
- ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
- ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
- ২০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
- খাজা নাজিমউদ্দিন
- নুরুল আমিন
- মোহাম্মদ আলী বগুড়া
- এ. কে. ফজলুল হক
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
- লিয়াকত আলী খান
- খাজা নাজিমউদ্দিন
- মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
- ইস্কান্দার মির্জা
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে ছিলেন?
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- ড. মাহমুদ হাসান
- সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
- আবু সাঈদ চৌধুরী
- পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলা ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে কবে স্বীকৃতি দেয়?
- ৯ মে, ১৯৫৪
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
- ২৩ মার্চ, ১৯৫৬
- ২৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
- পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে কবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
- ৯ মে, ১৯৫৪
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
- ২৩ মার্চ, ১৯৫৬
- পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে বাংলা ভাষা কবে রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক মর্যাদা লাভ করে?
- ১৯৫৪ সালে
- ১৯৫৫ সালে
- ১৯৫৬ সালে
- ১৯৬২ সালে
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ইউনেস্কো কবে স্বীকৃতি দেয়?
- ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০০০
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৯
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০০১
- বিশ্বব্যাপী প্রথমবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় কবে?
- ১৯৯৯ সালে
- ২০০০ সালে
- ২০০১ সালে
- ২০০২ সালে
- মহাত্মা গান্ধী ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করেন কোন সময়ে?
- ১৯০৫ সালে
- ১৯১১ সালে
- ১৯১৭ সালে
- ১৯২০ সালে
- ভারতের খেলাফত আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা কারা ছিলেন?
- আলী ভ্রাতৃদ্বয়
- লাল-বাল-পাল
- সুরেন্দ্রনাথ ও বিপিনচন্দ্র
- গান্ধী ও নেহরু
- খেলাফত আন্দোলন ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন সময়ে শুরু হয়?
- ১৯০৫ সালে
- ১৯১১ সালে
- ১৯২০ সালে
- ১৯৩০ সালে
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মন্ত্রিসভা কার নেতৃত্বে গঠিত হয়?
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
- শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক
- খাজা নাজিমউদ্দিন
- আবুল হাশিম
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
- খাজা নাজিমউদ্দিন
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
- এ. কে. ফজলুল হক
- নুরুল আমিন
- ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় কে ছিলেন?
- লর্ড কার্জন
- লর্ড ওয়াভেল
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন
- লর্ড ক্যানিং
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪৭
- ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭
- ২৩ মার্চ, ১৯৪০
- ৩ জুন, ১৯৪৭
- পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
- লিয়াকত আলী খান
- মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
- খাজা নাজিমউদ্দিন
- ইস্কান্দার মির্জা
- পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
- খাজা নাজিমউদ্দিন
- লিয়াকত আলী খান
- মোহাম্মদ আলী বগুড়া
- ইস্কান্দার মির্জা
- পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
- এ. কে. ফজলুল হক
- খাজা নাজিমউদ্দিন
- নুরুল আমিন
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
- পৃষ্ঠা 1
- পৃষ্ঠা 2
- পৃষ্ঠা 3
- পৃষ্ঠা 4
- পৃষ্ঠা 5
- পৃষ্ঠা 6
- পৃষ্ঠা 7
- পৃষ্ঠা 8
- পৃষ্ঠা 9
- পৃষ্ঠা 10
- পৃষ্ঠা 11
- পৃষ্ঠা 12
- পৃষ্ঠা 13
- পৃষ্ঠা 14
- পৃষ্ঠা 15
- পৃষ্ঠা 16
- পৃষ্ঠা 17
- পৃষ্ঠা 18
- পৃষ্ঠা 19
- পৃষ্ঠা 20
- পৃষ্ঠা 21
- পৃষ্ঠা 22
- পৃষ্ঠা 23
- পৃষ্ঠা 24
- পৃষ্ঠা 25
- পৃষ্ঠা 26
- পৃষ্ঠা 27
- পৃষ্ঠা 28
- পৃষ্ঠা 29
- পৃষ্ঠা 30
- পৃষ্ঠা 31
- পৃষ্ঠা 32
- পৃষ্ঠা 33
- পৃষ্ঠা 34
- পৃষ্ঠা 35
- পৃষ্ঠা 36
- পৃষ্ঠা 37
- পৃষ্ঠা 38
- পৃষ্ঠা 39
- পৃষ্ঠা 40
- পৃষ্ঠা 41
- পৃষ্ঠা 42
- পৃষ্ঠা 43
- পৃষ্ঠা 44
- পৃষ্ঠা 45