আন্তর্জাতিক সংস্থা, জাতিসংঘ, আঞ্চলিক জোট ও আন্তর্জাতিক চুক্তি — Bank Job
আন্তর্জাতিক সংস্থা, জাতিসংঘ, আঞ্চলিক জোট ও আন্তর্জাতিক চুক্তি: সাধারণ জ্ঞান, Bank Job পাঠ ও 228টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/5।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- সার্ক (SAARC)
- আসিয়ান (ASEAN)
- কমনওয়েলথ
- আফ্রিকান ইউনিয়ন
- আরব লীগ
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা
- UNFCCC ও জলবায়ু উদ্যোগ
- CEDAW
- জাতিপুঞ্জ
- জাতিসংঘ
- সাধারণ পরিষদ
- নিরাপত্তা পরিষদ
- অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
- অছি পরিষদ
- আন্তর্জাতিক আদালত
- জাতিসংঘ সচিবালয়
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস
- ইউনেস্কো
- IAEA
- IPCC
- শিশু অধিকার সনদ
- বিশ্ব জলবায়ু ও পরিবেশ
- গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সীমারেখা
- গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি
- পারমাণবিক ও পরিবেশবিষয়ক চুক্তি
- MDG ও SDG
- বিশ্বের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও চিত্রকর্ম
- বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সংস্থা
সার্ক (SAARC)
South Asian Association for Regional Cooperation
SAARC-এর পূর্ণরূপ South Asian Association for Regional Cooperation। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সংস্থাটি গঠিত হয়।
SAARC আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে। এর সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৭টি দেশ— বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ। পরে আফগানিস্তান যোগ দিয়ে সদস্যসংখ্যা ৮-এ উন্নীত হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণা প্রবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
SAARC-এর পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র ও সংস্থার মধ্যে চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, মরিশাস, মিয়ানমার, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাম উল্লেখযোগ্য।
SAARC University ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত। SAARC Agriculture Centre ঢাকায় এবং SAARC Human Resource Development Centre ইসলামাবাদে অবস্থিত ছিল।
দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য SAPTA বা SAARC Preferential Trading Arrangement গৃহীত হয়। SAPTA স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৩ সালে এবং কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালে।
পরবর্তীতে SAFTA বা South Asian Free Trade Area গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এটি স্বাক্ষরিত হয় ২০০৪ সালে এবং কার্যকর হয় ২০০৬ সালে।
SAARC আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে। এর সচিবালয় নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৭টি দেশ— বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ। পরে আফগানিস্তান যোগ দিয়ে সদস্যসংখ্যা ৮-এ উন্নীত হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণা প্রবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
SAARC-এর পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র ও সংস্থার মধ্যে চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, মরিশাস, মিয়ানমার, অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নাম উল্লেখযোগ্য।
SAARC University ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত। SAARC Agriculture Centre ঢাকায় এবং SAARC Human Resource Development Centre ইসলামাবাদে অবস্থিত ছিল।
দক্ষিণ এশিয়ায় বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য SAPTA বা SAARC Preferential Trading Arrangement গৃহীত হয়। SAPTA স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৩ সালে এবং কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালে।
পরবর্তীতে SAFTA বা South Asian Free Trade Area গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এটি স্বাক্ষরিত হয় ২০০৪ সালে এবং কার্যকর হয় ২০০৬ সালে।
আসিয়ান (ASEAN)
Association of Southeast Asian Nations
ASEAN দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতামূলক আঞ্চলিক সংগঠন। এর পূর্ণরূপ Association of Southeast Asian Nations।
ASEAN প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে ব্যাংককে। এর সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়।
প্রতিষ্ঠাকালীন পাঁচ সদস্য ছিল— মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইন।
পরবর্তীতে ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া যোগ দেওয়ার ফলে সদস্যসংখ্যা ১০-এ উন্নীত হয়।
সংস্থাটির মূল লক্ষ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করা।
ASEAN প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে ব্যাংককে। এর সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়।
প্রতিষ্ঠাকালীন পাঁচ সদস্য ছিল— মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ফিলিপাইন।
পরবর্তীতে ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া যোগ দেওয়ার ফলে সদস্যসংখ্যা ১০-এ উন্নীত হয়।
সংস্থাটির মূল লক্ষ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করা।
কমনওয়েলথ
Commonwealth of Nations
কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীন বা তার সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে সম্পর্কিত স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। একে অনেক সময় Family of Nations বলা হয়।
আধুনিক Commonwealth-এর বিকাশ ১৯২৬ সালের Balfour Declaration এবং পরবর্তীতে ১৯৩১ সালের Statute of Westminster-এর মাধ্যমে এগিয়ে যায়। ১৯৪৯ সালের London Declaration আধুনিক Commonwealth গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এর সচিবালয় লন্ডনের Marlborough House-এ অবস্থিত।
কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, উন্নয়ন, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সংস্থাটির সঙ্গে Commonwealth Secretariat, Commonwealth Foundation এবং Commonwealth of Learning-এর মতো প্রতিষ্ঠান যুক্ত।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল Commonwealth-এর সদস্য হয়।
Commonwealth Parliamentary Association-এর সংক্ষিপ্ত রূপ CPA।
আধুনিক Commonwealth-এর বিকাশ ১৯২৬ সালের Balfour Declaration এবং পরবর্তীতে ১৯৩১ সালের Statute of Westminster-এর মাধ্যমে এগিয়ে যায়। ১৯৪৯ সালের London Declaration আধুনিক Commonwealth গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এর সচিবালয় লন্ডনের Marlborough House-এ অবস্থিত।
কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, উন্নয়ন, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সংস্থাটির সঙ্গে Commonwealth Secretariat, Commonwealth Foundation এবং Commonwealth of Learning-এর মতো প্রতিষ্ঠান যুক্ত।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল Commonwealth-এর সদস্য হয়।
Commonwealth Parliamentary Association-এর সংক্ষিপ্ত রূপ CPA।
আফ্রিকান ইউনিয়ন
African Union
African Union বা AU আফ্রিকা মহাদেশের রাষ্ট্রগুলোর আঞ্চলিক সংগঠন। এর পূর্বসূরি ছিল Organization of African Unity বা OAU।
OAU প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৩ সালে এবং পরবর্তীতে তা African Union-এ রূপান্তরিত হয়। African Union আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে ২০০২ সালে।
এর সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায়।
আফ্রিকান ইউনিয়নের লক্ষ্য আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা এবং মহাদেশীয় সংহতি শক্তিশালী করা।
মরক্কো একসময় OAU থেকে বেরিয়ে গেলেও পরে African Union-এ পুনরায় যোগ দেয়।
OAU প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৩ সালে এবং পরবর্তীতে তা African Union-এ রূপান্তরিত হয়। African Union আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে ২০০২ সালে।
এর সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায়।
আফ্রিকান ইউনিয়নের লক্ষ্য আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা এবং মহাদেশীয় সংহতি শক্তিশালী করা।
মরক্কো একসময় OAU থেকে বেরিয়ে গেলেও পরে African Union-এ পুনরায় যোগ দেয়।
আরব লীগ
League of Arab States
Arab League আরব বিশ্বের দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক সংগঠন। এটি ২২ মার্চ ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৭টি— ইরাক, সিরিয়া, মিসর, লেবানন, জর্ডান, ইয়েমেন ও সৌদি আরব। পরবর্তীতে সদস্যসংখ্যা ২২-এ উন্নীত হয়।
এর সদর দপ্তর মিসরের কায়রোতে।
সংস্থাটির মূল লক্ষ্য আরব রাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
Camp David চুক্তির পর মিসরকে একসময় Arab League থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল এবং সদর দপ্তর কায়রো থেকে তিউনিসে স্থানান্তরিত হয়েছিল। পরে মিসর পুনরায় সদস্যপদ লাভ করলে সদর দপ্তর আবার কায়রোতে ফিরিয়ে আনা হয়।
ইরান আরব রাষ্ট্র নয় এবং তার প্রধান ভাষা ফারসি হওয়ায় Arab League-এর সদস্য নয়।
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৭টি— ইরাক, সিরিয়া, মিসর, লেবানন, জর্ডান, ইয়েমেন ও সৌদি আরব। পরবর্তীতে সদস্যসংখ্যা ২২-এ উন্নীত হয়।
এর সদর দপ্তর মিসরের কায়রোতে।
সংস্থাটির মূল লক্ষ্য আরব রাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
Camp David চুক্তির পর মিসরকে একসময় Arab League থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল এবং সদর দপ্তর কায়রো থেকে তিউনিসে স্থানান্তরিত হয়েছিল। পরে মিসর পুনরায় সদস্যপদ লাভ করলে সদর দপ্তর আবার কায়রোতে ফিরিয়ে আনা হয়।
ইরান আরব রাষ্ট্র নয় এবং তার প্রধান ভাষা ফারসি হওয়ায় Arab League-এর সদস্য নয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন
European Union
European Union বা EU-এর পূর্বসূরি ছিল European Economic Community বা EEC। EEC গঠিত হয় ১৯৫৭ সালের Rome Treaty-এর মাধ্যমে।
Maastricht Treaty-এর মাধ্যমে European Union-এর আধুনিক কাঠামো গড়ে ওঠে এবং ১৯৯৩ সালে EU কার্যকরভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
EU-এর সরকারি ভাষার সংখ্যা ২৪টি এবং পতাকায় ১২টি তারকা রয়েছে। এই ১২টি তারকা সদস্যসংখ্যা নির্দেশ করে না; এগুলো ঐক্য ও পূর্ণতার প্রতীক।
EU-এর সদস্যসংখ্যা বর্তমানে ২৭। যুক্তরাজ্য ৩১ জানুয়ারি ২০২০ সালে EU ত্যাগ করে; এই প্রক্রিয়া Brexit নামে পরিচিত।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কেন্দ্র ব্রাসেলস, স্ট্রাসবুর্গ, লুক্সেমবার্গ ও ফ্রাঙ্কফুর্টসহ বিভিন্ন শহরে অবস্থিত।
EU-এর কেন্দ্রীয় ব্যাংক European Central Bank, যার সদর দপ্তর ফ্রাঙ্কফুর্টে।
Euro মুদ্রা চালুর ক্ষেত্রে Maastricht Treaty গুরুত্বপূর্ণ। ইউরো ১৯৯৯ সালে হিসাবনিকাশের মুদ্রা হিসেবে এবং ২০০২ সালে নোট ও কয়েন আকারে ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়।
Schengen Agreement ইউরোপের অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সীমান্তে পাসপোর্ট পরীক্ষা কমানো বা তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।
Maastricht Treaty-এর মাধ্যমে European Union-এর আধুনিক কাঠামো গড়ে ওঠে এবং ১৯৯৩ সালে EU কার্যকরভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
EU-এর সরকারি ভাষার সংখ্যা ২৪টি এবং পতাকায় ১২টি তারকা রয়েছে। এই ১২টি তারকা সদস্যসংখ্যা নির্দেশ করে না; এগুলো ঐক্য ও পূর্ণতার প্রতীক।
EU-এর সদস্যসংখ্যা বর্তমানে ২৭। যুক্তরাজ্য ৩১ জানুয়ারি ২০২০ সালে EU ত্যাগ করে; এই প্রক্রিয়া Brexit নামে পরিচিত।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কেন্দ্র ব্রাসেলস, স্ট্রাসবুর্গ, লুক্সেমবার্গ ও ফ্রাঙ্কফুর্টসহ বিভিন্ন শহরে অবস্থিত।
EU-এর কেন্দ্রীয় ব্যাংক European Central Bank, যার সদর দপ্তর ফ্রাঙ্কফুর্টে।
Euro মুদ্রা চালুর ক্ষেত্রে Maastricht Treaty গুরুত্বপূর্ণ। ইউরো ১৯৯৯ সালে হিসাবনিকাশের মুদ্রা হিসেবে এবং ২০০২ সালে নোট ও কয়েন আকারে ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়।
Schengen Agreement ইউরোপের অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সীমান্তে পাসপোর্ট পরীক্ষা কমানো বা তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।
ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা
Organization of Islamic Cooperation
OIC-এর পূর্ণরূপ Organization of Islamic Cooperation। এর পূর্ব নাম ছিল Organization of the Islamic Conference। ২০১১ সালে বর্তমান নাম গ্রহণ করা হয়।
১৯৬৯ সালে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা থেকে OIC গঠনের উদ্যোগ জোরদার হয়।
প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত হয়।
OIC-এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়। এর সরকারি ভাষা আরবি, ইংরেজি ও ফরাসি।
সংস্থাটির সদস্যসংখ্যা ৫৭। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র ছাড়াও কিছু ভিন্ন ধর্মীয় জনসংখ্যার রাষ্ট্র OIC-এর সদস্য।
OIC-এর গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে Islamic Development Bank বা IDB উল্লেখযোগ্য। এটি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সদর দপ্তর জেদ্দায়।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে OIC-এর সদস্য হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের লাহোর শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
১৯৬৯ সালে জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা থেকে OIC গঠনের উদ্যোগ জোরদার হয়।
প্রথম শীর্ষ সম্মেলন ১৯৬৯ সালে মরক্কোর রাবাতে অনুষ্ঠিত হয়।
OIC-এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়। এর সরকারি ভাষা আরবি, ইংরেজি ও ফরাসি।
সংস্থাটির সদস্যসংখ্যা ৫৭। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র ছাড়াও কিছু ভিন্ন ধর্মীয় জনসংখ্যার রাষ্ট্র OIC-এর সদস্য।
OIC-এর গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে Islamic Development Bank বা IDB উল্লেখযোগ্য। এটি ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সদর দপ্তর জেদ্দায়।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে OIC-এর সদস্য হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের লাহোর শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
UNFCCC ও জলবায়ু উদ্যোগ
United Nations Framework Convention on Climate Change
UNFCCC-এর পূর্ণরূপ United Nations Framework Convention on Climate Change। এটি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য গৃহীত একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাঠামো।
UNFCCC ১৯৯২ সালে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয় এবং ১৯৯৪ সালে কার্যকর হয়। এর সদর দপ্তর জার্মানির Bonn-এ।
প্রতি বছর Conference of the Parties বা COP-এর মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো জলবায়ু পরিবর্তন, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ, অভিযোজন ও অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা করে।
Kyoto Protocol এবং Paris Agreement UNFCCC কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি।
UNFCCC ১৯৯২ সালে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয় এবং ১৯৯৪ সালে কার্যকর হয়। এর সদর দপ্তর জার্মানির Bonn-এ।
প্রতি বছর Conference of the Parties বা COP-এর মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো জলবায়ু পরিবর্তন, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ, অভিযোজন ও অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা করে।
Kyoto Protocol এবং Paris Agreement UNFCCC কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি।
CEDAW
Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women
CEDAW হলো নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপের আন্তর্জাতিক সনদ। এর পূর্ণরূপ Convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৭৯ সালে এই সনদ গ্রহণ করে এবং ১৯৮১ সালে তা কার্যকর হয়।
বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে CEDAW অনুমোদন করে।
নারীর রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাগত ও পারিবারিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং বৈষম্যমূলক আইন ও প্রথা দূর করা এই সনদের মূল উদ্দেশ্য।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৭৯ সালে এই সনদ গ্রহণ করে এবং ১৯৮১ সালে তা কার্যকর হয়।
বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে CEDAW অনুমোদন করে।
নারীর রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, শিক্ষাগত ও পারিবারিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং বৈষম্যমূলক আইন ও প্রথা দূর করা এই সনদের মূল উদ্দেশ্য।
জাতিপুঞ্জ
League of Nations
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে League of Nations বা জাতিপুঞ্জ গঠিত হয়। এটি ১৯১৯ সালের Versailles Treaty-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
League of Nations গঠনের ধারণাকে জনপ্রিয় করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Woodrow Wilson গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের Geneva-তে ছিল।
জাতিপুঞ্জের প্রধান অঙ্গ ছিল Assembly, Council এবং Secretariat।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধে ব্যর্থ হওয়ার পর সংস্থাটি কার্যকারিতা হারায় এবং ১৯৪৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়। পরবর্তীতে এর স্থানে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
League of Nations গঠনের ধারণাকে জনপ্রিয় করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Woodrow Wilson গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের Geneva-তে ছিল।
জাতিপুঞ্জের প্রধান অঙ্গ ছিল Assembly, Council এবং Secretariat।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধে ব্যর্থ হওয়ার পর সংস্থাটি কার্যকারিতা হারায় এবং ১৯৪৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়। পরবর্তীতে এর স্থানে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়।
জাতিসংঘ
United Nations
জাতিসংঘ বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক সংগঠন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের পর আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
United Nations নামটি প্রস্তাব করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Franklin D. Roosevelt।
জাতিসংঘ সনদ ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে San Francisco-তে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে কার্যকর হয়। তাই প্রতিবছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালন করা হয়।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর New York-এ। ইউরোপীয় কার্যালয় Geneva-তে।
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৫১টি দেশ। বর্তমান পূর্ণ সদস্য ১৯৩টি।
জাতিসংঘের সরকারি ভাষা ৬টি— ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, রুশ, চীনা ও আরবি।
জাতিসংঘের প্রধান ৬টি অঙ্গ—
১। General Assembly
২। Security Council
৩। Economic and Social Council
৪। Trusteeship Council
৫। International Court of Justice
৬। Secretariat
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
United Nations নামটি প্রস্তাব করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Franklin D. Roosevelt।
জাতিসংঘ সনদ ২৬ জুন ১৯৪৫ সালে San Francisco-তে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে কার্যকর হয়। তাই প্রতিবছর ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ দিবস পালন করা হয়।
জাতিসংঘের সদর দপ্তর New York-এ। ইউরোপীয় কার্যালয় Geneva-তে।
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৫১টি দেশ। বর্তমান পূর্ণ সদস্য ১৯৩টি।
জাতিসংঘের সরকারি ভাষা ৬টি— ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ, রুশ, চীনা ও আরবি।
জাতিসংঘের প্রধান ৬টি অঙ্গ—
১। General Assembly
২। Security Council
৩। Economic and Social Council
৪। Trusteeship Council
৫। International Court of Justice
৬। Secretariat
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ
United Nations General Assembly
General Assembly জাতিসংঘের প্রধান আলোচনামূলক অঙ্গ। জাতিসংঘের প্রত্যেক সদস্য রাষ্ট্র সাধারণ পরিষদের সদস্য।
প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্র সর্বোচ্চ পাঁচজন প্রতিনিধি পাঠাতে পারলেও ভোট দেওয়ার সময় প্রতিটি রাষ্ট্রের ভোটসংখ্যা এক।
সাধারণ পরিষদের নিয়মিত অধিবেশন সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হয়।
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যেমন শান্তি ও নিরাপত্তা, নতুন সদস্য গ্রহণ, বাজেট এবং নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচন ইত্যাদির ক্ষেত্রে সাধারণত দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন।
সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্র সর্বোচ্চ পাঁচজন প্রতিনিধি পাঠাতে পারলেও ভোট দেওয়ার সময় প্রতিটি রাষ্ট্রের ভোটসংখ্যা এক।
সাধারণ পরিষদের নিয়মিত অধিবেশন সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হয়।
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যেমন শান্তি ও নিরাপত্তা, নতুন সদস্য গ্রহণ, বাজেট এবং নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচন ইত্যাদির ক্ষেত্রে সাধারণত দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন।
সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ
United Nations Security Council
Security Council আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব পালন করে। এর মোট সদস্য ১৫টি।
স্থায়ী সদস্য ৫টি— যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।
অস্থায়ী সদস্য ১০টি এবং তারা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।
স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্রগুলোর বিশেষ ক্ষমতা Veto নামে পরিচিত। গুরুত্বপূর্ণ বা non-procedural বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় স্থায়ী সদস্যের নেতিবাচক ভোট প্রস্তাব বাতিল করতে পারে।
নিরাপত্তা পরিষদের নতুন সদস্য নির্বাচন এবং জাতিসংঘ মহাসচিব নিয়োগে Security Council-এর সুপারিশ গুরুত্বপূর্ণ।
স্থায়ী সদস্য ৫টি— যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।
অস্থায়ী সদস্য ১০টি এবং তারা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।
স্থায়ী সদস্যরাষ্ট্রগুলোর বিশেষ ক্ষমতা Veto নামে পরিচিত। গুরুত্বপূর্ণ বা non-procedural বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় স্থায়ী সদস্যের নেতিবাচক ভোট প্রস্তাব বাতিল করতে পারে।
নিরাপত্তা পরিষদের নতুন সদস্য নির্বাচন এবং জাতিসংঘ মহাসচিব নিয়োগে Security Council-এর সুপারিশ গুরুত্বপূর্ণ।
অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
Economic and Social Council
Economic and Social Council বা ECOSOC জাতিসংঘের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও উন্নয়নবিষয়ক কার্যক্রম সমন্বয় করে।
এর সদস্যসংখ্যা ৫৪। সদস্যরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নির্বাচিত হয়।
জাতিসংঘের বহু বিশেষায়িত সংস্থা, কমিশন এবং উন্নয়ন কার্যক্রম ECOSOC-এর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে।
এর সদস্যসংখ্যা ৫৪। সদস্যরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য সাধারণ পরিষদ কর্তৃক নির্বাচিত হয়।
জাতিসংঘের বহু বিশেষায়িত সংস্থা, কমিশন এবং উন্নয়ন কার্যক্রম ECOSOC-এর সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করে।
অছি পরিষদ
Trusteeship Council
Trusteeship Council গঠিত হয়েছিল উপনিবেশ বা অছি অঞ্চলের জনগণকে স্বশাসন ও স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য।
Palau স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৯৪ সালে Trusteeship Council-এর নিয়মিত কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
Palau স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৯৪ সালে Trusteeship Council-এর নিয়মিত কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
আন্তর্জাতিক আদালত
International Court of Justice
International Court of Justice বা ICJ জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ। এটি নেদারল্যান্ডসের The Hague শহরে অবস্থিত।
ICJ ১৯৪৬ সাল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে। আদালতে ১৫ জন বিচারক থাকেন।
বিচারকদের মেয়াদ ৯ বছর এবং তারা পুনর্নির্বাচিত হতে পারেন। আদালতের সভাপতি সাধারণত তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
রাষ্ট্রসমূহের মধ্যকার আন্তর্জাতিক আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি এবং আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে advisory opinion প্রদান ICJ-এর প্রধান কাজ।
ICJ ১৯৪৬ সাল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে। আদালতে ১৫ জন বিচারক থাকেন।
বিচারকদের মেয়াদ ৯ বছর এবং তারা পুনর্নির্বাচিত হতে পারেন। আদালতের সভাপতি সাধারণত তিন বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
রাষ্ট্রসমূহের মধ্যকার আন্তর্জাতিক আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি এবং আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে advisory opinion প্রদান ICJ-এর প্রধান কাজ।
জাতিসংঘ সচিবালয়
United Nations Secretariat
Secretariat জাতিসংঘের প্রশাসনিক অঙ্গ। এর প্রধান হলেন Secretary-General বা মহাসচিব।
মহাসচিব নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশে General Assembly কর্তৃক নিযুক্ত হন। সাধারণত মেয়াদ পাঁচ বছর।
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন Trygve Lie। পরবর্তীতে Dag Hammarskjold, U Thant, Kurt Waldheim, Javier Pérez de Cuéllar, Boutros Boutros-Ghali, Kofi Annan, Ban Ki-moon এবং António Guterres দায়িত্ব পালন করেছেন।
মহাসচিব নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশে General Assembly কর্তৃক নিযুক্ত হন। সাধারণত মেয়াদ পাঁচ বছর।
জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন Trygve Lie। পরবর্তীতে Dag Hammarskjold, U Thant, Kurt Waldheim, Javier Pérez de Cuéllar, Boutros Boutros-Ghali, Kofi Annan, Ban Ki-moon এবং António Guterres দায়িত্ব পালন করেছেন।
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস
Major Conferences Behind the United Nations
জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা একক কোনো সম্মেলনের ফল নয়; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ধারাবাহিক কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এর কাঠামো গড়ে ওঠে।
London Declaration — ১৯৪১ সালে মিত্রশক্তির মধ্যে যুদ্ধোত্তর সহযোগিতার ধারণা জোরদার করে।
Atlantic Charter — ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নেতাদের ঘোষণায় ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নীতি তুলে ধরা হয়।
Washington Declaration — ১৯৪২ সালে United Nations নাম ব্যবহারের মাধ্যমে মিত্ররাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতা আনুষ্ঠানিক রূপ পায়।
Moscow Conference — ১৯৪৩ সালে একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা স্বীকৃত হয়।
Tehran Conference — ১৯৪৩ সালে যুদ্ধোত্তর রাজনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
Dumbarton Oaks Conference — ১৯৪৪ সালে জাতিসংঘের সাংগঠনিক কাঠামোর প্রাথমিক রূপরেখা প্রস্তুত হয়।
Yalta Conference — ১৯৪৫ সালে Security Council-এর ভোটব্যবস্থা ও স্থায়ী সদস্যদের বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে সমঝোতা হয়।
San Francisco Conference — ১৯৪৫ সালে UN Charter চূড়ান্ত ও স্বাক্ষরিত হয়।
London Declaration — ১৯৪১ সালে মিত্রশক্তির মধ্যে যুদ্ধোত্তর সহযোগিতার ধারণা জোরদার করে।
Atlantic Charter — ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের নেতাদের ঘোষণায় ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নীতি তুলে ধরা হয়।
Washington Declaration — ১৯৪২ সালে United Nations নাম ব্যবহারের মাধ্যমে মিত্ররাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতা আনুষ্ঠানিক রূপ পায়।
Moscow Conference — ১৯৪৩ সালে একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা স্বীকৃত হয়।
Tehran Conference — ১৯৪৩ সালে যুদ্ধোত্তর রাজনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
Dumbarton Oaks Conference — ১৯৪৪ সালে জাতিসংঘের সাংগঠনিক কাঠামোর প্রাথমিক রূপরেখা প্রস্তুত হয়।
Yalta Conference — ১৯৪৫ সালে Security Council-এর ভোটব্যবস্থা ও স্থায়ী সদস্যদের বিশেষ ক্ষমতা নিয়ে সমঝোতা হয়।
San Francisco Conference — ১৯৪৫ সালে UN Charter চূড়ান্ত ও স্বাক্ষরিত হয়।
ইউনেস্কো
United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization
UNESCO-এর পূর্ণরূপ United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization। শিক্ষা, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এর প্রধান উদ্দেশ্য।
UNESCO প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে এবং জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে ১৯৪৬ সালে। সদর দপ্তর ফ্রান্সের Paris-এ।
UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে World Heritage হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক উভয় ধরনের ঐতিহ্য এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
বাংলাদেশের UNESCO ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের মধ্যে সুন্দরবন, বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরী এবং পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মধ্যে বাউল গান, জামদানি বয়ন, মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং শীতলপাটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
UNESCO সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৭ সালে।
২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানে UNESCO গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে UNESCO-এর সদস্যপদ লাভ করে।
UNESCO প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে এবং জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে ১৯৪৬ সালে। সদর দপ্তর ফ্রান্সের Paris-এ।
UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানকে World Heritage হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক উভয় ধরনের ঐতিহ্য এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
বাংলাদেশের UNESCO ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের মধ্যে সুন্দরবন, বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরী এবং পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মধ্যে বাউল গান, জামদানি বয়ন, মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং শীতলপাটি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
UNESCO সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ১৯৯৭ সালে।
২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানে UNESCO গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে UNESCO-এর সদস্যপদ লাভ করে।
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা
International Atomic Energy Agency
IAEA-এর পূর্ণরূপ International Atomic Energy Agency। পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার উৎসাহিত করা এবং পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর আন্তর্জাতিক নজরদারি এর গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
IAEA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৭ সালে। সদর দপ্তর Austria-এর Vienna-তে।
সংস্থাটির প্রধানকে Director General বলা হয়।
IAEA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৭ সালে। সদর দপ্তর Austria-এর Vienna-তে।
সংস্থাটির প্রধানকে Director General বলা হয়।
IPCC
Intergovernmental Panel on Climate Change
IPCC-এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন, প্রভাব, ঝুঁকি ও মোকাবিলার উপায় নিয়ে কাজ করে।
IPCC প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৮ সালে। এর সদর দপ্তর Geneva-তে।
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি UNEP এবং World Meteorological Organization-এর যৌথ উদ্যোগে IPCC গঠিত হয়।
IPCC প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৮ সালে। এর সদর দপ্তর Geneva-তে।
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি UNEP এবং World Meteorological Organization-এর যৌথ উদ্যোগে IPCC গঠিত হয়।
জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ
UN Convention on the Rights of the Child
UN Convention on the Rights of the Child বা UNCRC শিশুদের নাগরিক, রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার সুরক্ষার আন্তর্জাতিক সনদ।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর সনদটি গ্রহণ করে।
বাংলাদেশ ১৯৯০ সালের ৩ আগস্ট এই সনদ অনুমোদন করে।
শিশুর জীবন, বিকাশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিচয়, সুরক্ষা এবং মতামত প্রকাশের অধিকারকে সনদটি গুরুত্ব দেয়।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর সনদটি গ্রহণ করে।
বাংলাদেশ ১৯৯০ সালের ৩ আগস্ট এই সনদ অনুমোদন করে।
শিশুর জীবন, বিকাশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিচয়, সুরক্ষা এবং মতামত প্রকাশের অধিকারকে সনদটি গুরুত্ব দেয়।
বিশ্ব জলবায়ু ও পরিবেশ
Global Climate and Environment
১৯৭২ সালের Stockholm Conference আন্তর্জাতিক পরিবেশ আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই সম্মেলনের ধারাবাহিকতায় United Nations Environment Programme বা UNEP প্রতিষ্ঠিত হয়।
UNEP প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে এবং এর সদর দপ্তর Kenya-এর Nairobi-তে।
১৯৯২ সালের Rio Earth Summit পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
Kyoto Protocol গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর আন্তর্জাতিক উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
Paris Agreement বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে সীমিত রাখার উদ্দেশ্যে গৃহীত জলবায়ু চুক্তি।
UNFCCC-এর অধীনে COP সম্মেলনগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার আন্তর্জাতিক আলোচনা পরিচালিত হয়।
UNEP প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে এবং এর সদর দপ্তর Kenya-এর Nairobi-তে।
১৯৯২ সালের Rio Earth Summit পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
Kyoto Protocol গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর আন্তর্জাতিক উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
Paris Agreement বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে সীমিত রাখার উদ্দেশ্যে গৃহীত জলবায়ু চুক্তি।
UNFCCC-এর অধীনে COP সম্মেলনগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার আন্তর্জাতিক আলোচনা পরিচালিত হয়।
গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সীমারেখা
Important International Boundary Lines
Durand Line — আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
Radcliffe Line — ভারত ও পাকিস্তান বিভাজনের সঙ্গে সম্পর্কিত
McMahon Line — ভারত ও চীনের সীমান্তসংক্রান্ত রেখা
Line of Control — ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর অঞ্চল
Line of Actual Control — ভারত ও চীনের সীমান্তে কার্যকর নিয়ন্ত্রণরেখা
38th Parallel — উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভাজনের ঐতিহাসিক রেখা
49th Parallel — যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তের একটি বৃহৎ অংশ
Oder-Neisse Line — জার্মানি ও পোল্যান্ডের সীমান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত
Hindenburg Line — প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান প্রতিরক্ষা রেখা
Maginot Line — ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
Siegfried Line — জার্মান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
Radcliffe Line — ভারত ও পাকিস্তান বিভাজনের সঙ্গে সম্পর্কিত
McMahon Line — ভারত ও চীনের সীমান্তসংক্রান্ত রেখা
Line of Control — ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীর অঞ্চল
Line of Actual Control — ভারত ও চীনের সীমান্তে কার্যকর নিয়ন্ত্রণরেখা
38th Parallel — উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভাজনের ঐতিহাসিক রেখা
49th Parallel — যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তের একটি বৃহৎ অংশ
Oder-Neisse Line — জার্মানি ও পোল্যান্ডের সীমান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত
Hindenburg Line — প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান প্রতিরক্ষা রেখা
Maginot Line — ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
Siegfried Line — জার্মান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি
Major International Treaties
আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বিশ্ব ইতিহাসে বিভিন্ন চুক্তি যুদ্ধের অবসান, সীমান্ত নির্ধারণ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
First Treaty of Versailles — আমেরিকার স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
Treaty of Versailles 1919 — প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ওপর শান্তিচুক্তির শর্ত আরোপ করা হয় এবং League of Nations প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি হয়।
UN Charter — জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার মূল দলিল; ১৯৪৫ সালে স্বাক্ষরিত।
Human Rights Declaration — ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর Universal Declaration of Human Rights গৃহীত হয়।
Geneva Convention — যুদ্ধাহত, যুদ্ধবন্দি ও বেসামরিক মানুষের মানবিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো।
North Atlantic Treaty — NATO প্রতিষ্ঠার ভিত্তি; ১৯৪৯ সালে স্বাক্ষরিত।
Tashkent Agreement — ভারত-পাকিস্তানের ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর সম্পাদিত।
Simla Agreement — ১৯৭২ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত।
Camp David Accords — মিসর ও ইসরাইলের শান্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।
Bangladesh-India Friendship Treaty — ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত।
Bretton Woods Agreement — আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় IMF ও World Bank প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
Maastricht Treaty — European Union-এর আধুনিক কাঠামো ও ইউরো মুদ্রা ব্যবস্থার ভিত্তি।
Lisbon Treaty — EU-এর সাংগঠনিক কাঠামো সংস্কার ও সিদ্ধান্তগ্রহণ পদ্ধতি উন্নত করে।
Schengen Agreement — ইউরোপের অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সীমান্তে অবাধ চলাচল সহজ করে।
Montreal Protocol — ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত।
Dayton Agreement — বসনিয়া যুদ্ধের অবসানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Ganges Water Treaty — বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন সংক্রান্ত চুক্তি।
First Treaty of Versailles — আমেরিকার স্বাধীনতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
Treaty of Versailles 1919 — প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির ওপর শান্তিচুক্তির শর্ত আরোপ করা হয় এবং League of Nations প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি হয়।
UN Charter — জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার মূল দলিল; ১৯৪৫ সালে স্বাক্ষরিত।
Human Rights Declaration — ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর Universal Declaration of Human Rights গৃহীত হয়।
Geneva Convention — যুদ্ধাহত, যুদ্ধবন্দি ও বেসামরিক মানুষের মানবিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামো।
North Atlantic Treaty — NATO প্রতিষ্ঠার ভিত্তি; ১৯৪৯ সালে স্বাক্ষরিত।
Tashkent Agreement — ভারত-পাকিস্তানের ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের পর সম্পাদিত।
Simla Agreement — ১৯৭২ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত।
Camp David Accords — মিসর ও ইসরাইলের শান্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।
Bangladesh-India Friendship Treaty — ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত।
Bretton Woods Agreement — আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় IMF ও World Bank প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
Maastricht Treaty — European Union-এর আধুনিক কাঠামো ও ইউরো মুদ্রা ব্যবস্থার ভিত্তি।
Lisbon Treaty — EU-এর সাংগঠনিক কাঠামো সংস্কার ও সিদ্ধান্তগ্রহণ পদ্ধতি উন্নত করে।
Schengen Agreement — ইউরোপের অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সীমান্তে অবাধ চলাচল সহজ করে।
Montreal Protocol — ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত।
Dayton Agreement — বসনিয়া যুদ্ধের অবসানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
Ganges Water Treaty — বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন সংক্রান্ত চুক্তি।
পারমাণবিক ও পরিবেশবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি
Nuclear and Environmental Agreements
NPT — Nuclear Non-Proliferation Treaty। এর লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ করা। চুক্তিটি ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত হয় এবং ১৯৭০ সালে কার্যকর হয়।
CTBT — Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty। এর উদ্দেশ্য পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করা। ১৯৯৬ সালে চুক্তিটি গৃহীত হয়।
Kyoto Protocol — গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি।
Paris Agreement — বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গৃহীত চুক্তি।
CEDAW — নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ।
ITLOS — International Tribunal for the Law of the Sea আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা ও সামুদ্রিক আইনসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত।
CTBT — Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty। এর উদ্দেশ্য পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করা। ১৯৯৬ সালে চুক্তিটি গৃহীত হয়।
Kyoto Protocol — গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন নিয়ন্ত্রণে গৃহীত আন্তর্জাতিক চুক্তি।
Paris Agreement — বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গৃহীত চুক্তি।
CEDAW — নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য বিলোপ।
ITLOS — International Tribunal for the Law of the Sea আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা ও সামুদ্রিক আইনসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত।
MDG ও SDG
Millennium Development Goals and Sustainable Development Goals
২০০০ সালে জাতিসংঘের Millennium Summit-এর পর Millennium Development Goals বা MDG গৃহীত হয়।
MDG-এর সময়কাল ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল এবং মোট লক্ষ্য ছিল ৮টি। দারিদ্র্য হ্রাস, প্রাথমিক শিক্ষা, লিঙ্গসমতা, শিশুমৃত্যু হ্রাস, মাতৃস্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ, পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও বৈশ্বিক সহযোগিতা এর মূল ক্ষেত্র।
২০১৫ সালে MDG-এর পরবর্তী বৈশ্বিক উন্নয়ন কাঠামো হিসেবে Sustainable Development Goals বা SDG গ্রহণ করা হয়।
SDG কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে এবং লক্ষ্য অর্জনের সময়সীমা ২০৩০ সাল।
SDG-এর মোট লক্ষ্য ১৭টি এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা target ১৬৯টি। সূচকের মাধ্যমে অগ্রগতি পরিমাপ করা হয়।
SDG-এর মূল ভাবনা হলো অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়, পরিবেশ রক্ষা, বৈষম্য হ্রাস এবং “কাউকে পিছিয়ে না রাখা” নীতি বাস্তবায়ন করা।
MDG-এর সময়কাল ছিল ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল এবং মোট লক্ষ্য ছিল ৮টি। দারিদ্র্য হ্রাস, প্রাথমিক শিক্ষা, লিঙ্গসমতা, শিশুমৃত্যু হ্রাস, মাতৃস্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ, পরিবেশগত স্থায়িত্ব ও বৈশ্বিক সহযোগিতা এর মূল ক্ষেত্র।
২০১৫ সালে MDG-এর পরবর্তী বৈশ্বিক উন্নয়ন কাঠামো হিসেবে Sustainable Development Goals বা SDG গ্রহণ করা হয়।
SDG কার্যকর হয় ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে এবং লক্ষ্য অর্জনের সময়সীমা ২০৩০ সাল।
SDG-এর মোট লক্ষ্য ১৭টি এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা target ১৬৯টি। সূচকের মাধ্যমে অগ্রগতি পরিমাপ করা হয়।
SDG-এর মূল ভাবনা হলো অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়, পরিবেশ রক্ষা, বৈষম্য হ্রাস এবং “কাউকে পিছিয়ে না রাখা” নীতি বাস্তবায়ন করা।
বিশ্বের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী ও চিত্রকর্ম
Famous Painters and Paintings
বিশ্বশিল্পের ইতিহাসে কয়েকটি চিত্রকর্ম বিশেষভাবে পরিচিত।
Mona Lisa — Leonardo da Vinci
The Last Supper — Leonardo da Vinci
The Holy Family — Michelangelo
Madonna and Child — Michelangelo ও অন্যান্য Renaissance শিল্পীর কাজেও এই বিষয় ব্যবহৃত হয়েছে
Guernica — Pablo Picasso
Madre and Child — Pablo Picasso-র বিভিন্ন কাজের বিষয়
The Persistence of Memory — Salvador Dalí
Starry Night — Vincent van Gogh
Sunflowers — Vincent van Gogh
Harvest — Vincent van Gogh-এর কৃষিজীবনভিত্তিক কাজগুলোর একটি বিষয়
Leonardo da Vinci ইতালীয় Renaissance-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী। Michelangelo ছিলেন ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রশিল্পী ও স্থপতি। Pablo Picasso স্পেনের শিল্পী এবং Cubism-এর অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। Vincent van Gogh নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত Post-Impressionist শিল্পী।
Mona Lisa — Leonardo da Vinci
The Last Supper — Leonardo da Vinci
The Holy Family — Michelangelo
Madonna and Child — Michelangelo ও অন্যান্য Renaissance শিল্পীর কাজেও এই বিষয় ব্যবহৃত হয়েছে
Guernica — Pablo Picasso
Madre and Child — Pablo Picasso-র বিভিন্ন কাজের বিষয়
The Persistence of Memory — Salvador Dalí
Starry Night — Vincent van Gogh
Sunflowers — Vincent van Gogh
Harvest — Vincent van Gogh-এর কৃষিজীবনভিত্তিক কাজগুলোর একটি বিষয়
Leonardo da Vinci ইতালীয় Renaissance-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী। Michelangelo ছিলেন ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রশিল্পী ও স্থপতি। Pablo Picasso স্পেনের শিল্পী এবং Cubism-এর অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। Vincent van Gogh নেদারল্যান্ডসের বিখ্যাত Post-Impressionist শিল্পী।
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সংস্থা
Major International News Agencies
বিশ্ব সংবাদ পরিবেশনে বিভিন্ন দেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Reuters — যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা
Associated Press বা AP — যুক্তরাষ্ট্র
Agence France-Presse বা AFP — ফ্রান্স
BBC — যুক্তরাজ্য
TASS — রাশিয়া
Xinhua — চীন
Kyodo — জাপান
Al Jazeera — কাতার
Reuters বিশ্বের প্রাচীন ও বৃহৎ আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলোর একটি। AP ও AFP-ও বিশ্বব্যাপী সংবাদ সরবরাহে অত্যন্ত প্রভাবশাল???।
Reuters — যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা
Associated Press বা AP — যুক্তরাষ্ট্র
Agence France-Presse বা AFP — ফ্রান্স
BBC — যুক্তরাজ্য
TASS — রাশিয়া
Xinhua — চীন
Kyodo — জাপান
Al Jazeera — কাতার
Reuters বিশ্বের প্রাচীন ও বৃহৎ আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলোর একটি। AP ও AFP-ও বিশ্বব্যাপী সংবাদ সরবরাহে অত্যন্ত প্রভাবশাল???।
- জাতিসংঘ দিবস কবে পালিত হয়?
- ২৪ অক্টোবর
- ২৫ অক্টোবর
- ২৪ জুন
- ২৪ আগস্ট
- ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস’ কোন তারিখে পালিত হয়?
- ৮ মার্চ
- ৮ এপ্রিল
- ১১ জুলাই
- ১ ডিসেম্বর
- বিশ্ব নারী দিবস কোনটি?
- ৮ মে
- ৮ ফেব্রুয়ারি
- ৮ মার্চ
- ৮ ডিসেম্বর
- বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস কোন তারিখে পালিত হয়?
- ৭ এপ্রিল
- ৭ মার্চ
- ৭ মে
- ৭ জুন
- আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস কবে?
- ৫ জুন
- ২৩ জুন
- ২৬ জুন
- ১৭ জুন
- আন্তর্জাতিক ওজোন দিবস কোন তারিখে পালিত হয়?
- ২২ জুলাই
- ২৮ জুলাই
- ১৭ আগস্ট
- ১৬ সেপ্টেম্বর
- কমনওয়েলথ দিবস কখন পালিত হয়?
- মার্চ মাসের তৃতীয় সোমবার
- মার্চ মাসের দ্বিতীয় সোমবার
- মে মাসের প্রথম মঙ্গলবার
- মে মাসের প্রথম বুধবার
- বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস কত তারিখে পালিত হয়?
- ১৪ নভেম্বর
- ১ ডিসেম্বর
- ৩ ডিসেম্বর
- ১৫ অক্টোবর
- আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস কোনটি?
- ১৭ জুলাই
- ১৭ আগস্ট
- ১৭ সেপ্টেম্বর
- ১০ ডিসেম্বর
- Amnesty International কত সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে?
- ১৯৭৭ সালে
- ১৯৭৮ সালে
- ১৯৭৯ সালে
- ১৯৮১ সালে
- Transparency International কী ধরনের আন্তর্জাতিক সংস্থা?
- দুর্নীতিবিরোধী বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থা
- সামরিক জোট
- আন্তর্জাতিক ব্যাংক
- ক্রীড়া সংস্থা
- Transparency International কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ১৯৯৩ সালে
- ১৯৬১ সালে
- ১৯৭৮ সালে
- ১৯৯৬ সালে
- Transparency International-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
- পিটার আইগেন
- পিটার বেনেনসন
- হেনরি ডুনান্ট
- রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল
- Transparency International-এর সদর দপ্তর কোথায়?
- বার্লিন, জার্মানি
- লন্ডন, যুক্তরাজ্য
- প্যারিস, ফ্রান্স
- ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
- CPI-এর পূর্ণরূপ কী?
- Corruption Perception Index
- Consumer Price International
- Common Peace Index
- Corruption Prevention Institute
- TIB-এর পূর্ণরূপ কী?
- Transparency International Bangladesh
- Transparency Index Bureau
- Trade International Bangladesh
- Transparency Institute Berlin
- বাংলাদেশে TIB-এর কার্যক্রম শুরু হয় কত সালে?
- ১৯৯৬ সালে
- ১৯৯৩ সালে
- ১৯৬১ সালে
- ১৯৭৮ সালে
- Amnesty International কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ১৯৬১ সালে
- ১৯৭৮ সালে
- ১৯৯৩ সালে
- ১৯৪৯ সালে
- Amnesty International-এর সদর দপ্তর কোথায়?
- লন্ডন, যুক্তরাজ্য
- বার্লিন, জার্মানি
- ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
- Amnesty International-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
- পিটার বেনেনসন
- পিটার আইগেন
- হেনরি ডুনান্ট
- রবার্ট ব্যাডেন পাওয়েল
- Amnesty International কোন দেশের মানবাধিকার সংস্থা বলে উৎসে উল্লেখ রয়েছে?
- যুক্তরাজ্য
- যুক্তরাষ্ট্র
- জার্মানি
- ফ্রান্স
- Amnesty International-এর প্রথম নারী, প্রথম এশীয়, প্রথম বাংলাদেশি ও প্রথম মুসলিম মহাসচিব কে?
- আইরিন খান
- শিরিন এবাদি
- মালালা ইউসুফজাই
- তাওয়াক্কুল কারমান
- Human Rights Watch কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ১৯৭৮ সালে
- ১৯৬১ সালে
- ১৯৯৩ সালে
- ১৯৪৯ সালে
- Human Rights Watch-এর সদর দপ্তর কোথায়?
- নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
- লন্ডন, যুক্তরাজ্য
- বার্লিন, জার্মানি
- ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
- Human Rights Watch কোন দেশভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা?
- যুক্তরাষ্ট্র
- যুক্তরাজ্য
- ফ্রান্স
- জার্মানি
- OPEC কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
- ১৯৬০ সালে
- ১৯৬১ সালে
- ১৯৪৮ সালে
- ১৯৭০ সালে
- বিশ্বের তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সংগঠনের নাম কী?
- NATO
- ASEAN
- OPEC
- APEC
- OPEC প্রতিষ্ঠার উদ্যোগী দেশ কোনটি?
- ভেনিজুয়েলা
- ইরান
- রাশিয়া
- সৌদি আরব
- প্রতিষ্ঠাকালীন OPEC-এর সদর দপ্তর কোথায় ছিল বলে উৎসে উল্লেখ করা হয়েছে?
- ভিয়েনা
- তেহরান
- মেক্সিকো
- জেনেভা
- OPEC-এর বর্তমান সদর দপ্তর কোথায়?
- ভিয়েনা
- তেহরান
- মেক্সিকো
- জেনেভা
- NATO-এর পূর্ণরূপ কী?
- North Atlantic Treaty Organization
- North Asian Treaty Organization
- National Atlantic Trade Organization
- New Atlantic Treaty Organization
- NATO আর কোন নামে পরিচিত বলে উৎসে উল্লেখ রয়েছে?
- North Atlantic Alliance
- Atlantic Economic Union
- European Defence League
- Western Trade Alliance
- NATO প্রতিষ্ঠার মূল উদ্যোক্তা হিসেবে উৎসে কার নাম উল্লেখ করা হয়েছে?
- হ্যারি এস. ট্রুম্যান
- উইনস্টন চার্চিল
- জর্জ ওয়াশিংটন
- চার্লস দ্য গল
- NATO কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ১৯৪৯ সালে
- ১৯৪৫ সালে
- ১৯৫৫ সালে
- ১৯৬০ সালে
- NATO আনুষ্ঠানিকভাবে কোন তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
- ১৪ এপ্রিল ১৯৪৯
- ৪ এপ্রিল ১৯৪৮
- ৮ এপ্রিল ১৯৪৭
- NATO প্রতিষ্ঠার চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
- ওয়াশিংটন ডিসি
- ব্রাসেলস
- প্যারিস
- জেনেভা
- NATO-এর সদর দপ্তর কোথায়?
- ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
- প্যারিস, ফ্রান্স
- বার্লিন, জার্মানি
- ওয়াশিংটন ডিসি
- NATO-এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য দেশের সংখ্যা কত ছিল?
- ১০টি
- ১২টি
- ১৫টি
- ১৭টি
- প্রদত্ত উৎস অনুযায়ী NATO-এর বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা কত?
- ২৮টি
- ২৯টি
- ৩০টি
- ৩২টি
- প্রদত্ত উৎস অনুযায়ী NATO-এর সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি?
- উত্তর মেসিডোনিয়া
- তুরস্ক
- যুক্তরাষ্ট্র
- যুক্তরাজ্য
- NATO-এর মুসলিম সদস্য দেশ কোন দুটি বলে উৎসে উল্লেখ রয়েছে?
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া
- সৌদি আরব ও তুরস্ক
- তুরস্ক ও পাকিস্তান
- আলবেনিয়া ও ইরান
- NATO-এর অফিসিয়াল ভাষা কয়টি?
- ১টি
- ২টি
- ৩টি
- ৪টি
- NATO থেকে বেরিয়ে গিয়ে পরে পুনরায় NATO-তে যোগদানকারী দেশ হিসেবে উৎসে কোন দেশের নাম আছে?
- ফ্রান্স
- তুরস্ক
- ইতালি
- কানাডা
- SAARC-এর পূর্ণরূপ কী?
- South Asian Association for Regional Co-operation
- South American Association for Regional Cooperation
- South Asian Alliance for Rural Cooperation
- South Asia Association for Regional Commerce
- SAARC কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ১৯৮৩ সালে
- ১৯৮৫ সালে
- ১৯৮৭ সালে
- ১৯৯০ সালে
- SAARC-এর সচিবালয় কোথায় অবস্থিত?
- ঢাকা
- কাঠমান্ডু
- নয়াদিল্লি
- কলম্বো
- SAARC গঠনের স্বপ্নদ্রষ্টা কে?
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান
- জওহরলাল নেহরু
- মাহাথির মোহাম্মদ
- নেলসন ম্যান্ডেলা
- SAARC-এর প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
- আবুল আহসান
- এসালা ওয়েরাকুন
- মনমোহন সিং
- জিয়াউর রহমান
- প্রদত্ত উৎস অনুযায়ী SAARC-এর বর্তমান সদস্য দেশের সংখ্যা কত?
- ৬টি
- ৭টি
- ৮টি
- ৯টি
- SAARC-এর সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি?
- আফগানিস্তান
- ভুটান
- নেপাল
- মালদ্বীপ