ভূগোল, মহাকাশ, পৃথিবীর গতি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা — Bank Job

ভূগোল, মহাকাশ, পৃথিবীর গতি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: সাধারণ জ্ঞান, Bank Job পাঠ ও 200টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/4।

এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
মহাবিশ্ব ও মহাকাশ
Universe and Space
পৃথিবী, সূর্য, চাঁদ, গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, নীহারিকা, গ্যালাক্সি, ধূমকেতু এবং মহাশূন্যের অন্যান্য জ্যোতিষ্ক মিলিয়ে যে সুবিশাল ব্যবস্থা গঠিত হয়েছে তাকে মহাবিশ্ব বলা হয়।

মহাবিশ্বের বিস্তার এত বিশাল যে এর পূর্ণ সীমা মানুষের কাছে এখনও অজানা। বিভিন্ন জ্যোতিষ্ক মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত থেকে নিজ নিজ গতিপথে চলাচল করে।

সূর্য একটি নক্ষত্র, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং চাঁদ পৃথিবীর প্রাকৃতিক উপগ্রহ।
নক্ষত্র ও নক্ষত্রমণ্ডলী
Stars and Constellations
যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো ও তাপ রয়েছে তাদের নক্ষত্র বলা হয়। নক্ষত্রগুলো প্রধানত উত্তপ্ত গ্যাস দ্বারা গঠিত এবং অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায় দীপ্ত থাকে।

সূর্য পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র। পৃথিবী থেকে অন্যান্য নক্ষত্রের দূরত্ব এত বেশি যে তাদের অধিকাংশকে আলোকবিন্দুর মতো দেখা যায়।

মহাকাশে কয়েকটি নক্ষত্রকে নির্দিষ্ট কাল্পনিক আকৃতিতে বিন্যস্ত মনে হলে সেই গুচ্ছকে নক্ষত্রমণ্ডলী বা Constellation বলা হয়।

নক্ষত্রের দূরত্ব প্রকাশে আলোকবর্ষ ব্যবহার করা হয়। আলো এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলা হয়।

সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র হিসেবে প্রক্সিমা সেন্টোরির উল্লেখ পাওয়া যায়।
গ্যালাক্সি, নীহারিকা ও ছায়াপথ
Galaxy, Nebula and Milky Way
অসংখ্য নক্ষত্র, গ্যাস, ধূলিকণা এবং অন্যান্য মহাজাগতিক পদার্থের বিশাল সমষ্টিকে গ্যালাক্সি বলা হয়। গ্যালাক্সির আকার সর্পিল, উপবৃত্তাকার কিংবা অনিয়মিত হতে পারে।

কোনো গ্যালাক্সির একটি ক্ষুদ্র অংশকে অনেক সময় ছায়াপথ হিসেবে আকাশে দৃশ্যমান হতে দেখা যায়। আমাদের সৌরজগৎ যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তা আকাশগঙ্গা বা Milky Way নামে পরিচিত।

নীহারিকা হলো মহাকাশে বিস্তৃত গ্যাস ও ধূলিকণার বিশাল মেঘসদৃশ অঞ্চল। অনেক নীহারিকা নতুন নক্ষত্র সৃষ্টির ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
উল্কা ও ধূমকেতু
Meteor and Comet
রাতের আকাশে কখনো কোনো আলোকবিন্দুকে দ্রুত ছুটে যেতে দেখা যায়। মহাশূন্যের ক্ষুদ্র বস্তু পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে ঘর্ষণে উত্তপ্ত ও উজ্জ্বল হয়ে উঠলে তাকে উল্কা বলা হয়।

ধূমকেতু সূর্যকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ উপবৃত্তাকার কক্ষপথে আবর্তনকারী জ্যোতিষ্ক। সাধারণত এর একটি উজ্জ্বল মাথা এবং সূর্যের বিপরীত দিকে প্রসারিত লেজ দেখা যায়।

ধূমকেতু সূর্যের কাছাকাছি এলে তাপের প্রভাবে এর গ্যাস ও ধূলিকণা উজ্জ্বল হয়ে দৃশ্যমান লেজ সৃষ্টি করে।
গ্রহ ও উপগ্রহ
Planet and Satellite
যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো নেই এবং কোনো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে তাদের গ্রহ বলা হয়। গ্রহ নক্ষত্রের আলো প্রতিফলিত করে দৃশ্যমান হয়।

যে জ্যোতিষ্ক কোনো গ্রহকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে তাকে উপগ্রহ বলা হয়। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ।

সৌরজগতের গ্রহগুলো সূর্যের মহাকর্ষীয় আকর্ষণের কারণে নিজ নিজ কক্ষপথে অবস্থান করে।
কৃত্রিম উপগ্রহ
Artificial Satellite
মানুষের তৈরি যেসব উপগ্রহ নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে পৃথিবী বা অন্য কোনো জ্যোতিষ্কের কক্ষপথে স্থাপন করা হয় তাদের কৃত্রিম উপগ্রহ বলা হয়।

কৃত্রিম উপগ্রহ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, টেলিযোগাযোগ, টেলিভিশন সম্প্রচার, মানচিত্র তৈরি, ভূমি ও প্রাকৃতিক সম্পদ পর্যবেক্ষণ, দুর্যোগ পূর্বাভাস এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
সৌরজগৎ
Solar System
সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তনকারী গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণু, ধূমকেতু এবং অন্যান্য জ্যোতিষ্কের সমষ্টিকে সৌরজগৎ বলা হয়।

সৌরজগতের কেন্দ্রীয় জ্যোতিষ্ক হলো সূর্য। এর মহাকর্ষীয় আকর্ষণ গ্রহগুলোকে নিজ নিজ কক্ষপথে ধরে রাখে।

সূর্য থেকে ক্রমানুসারে আটটি গ্রহ হলো—

বুধ
শুক্র
পৃথিবী
মঙ্গল
বৃহস্পতি
শনি
ইউরেনাস
নেপচুন
সূর্য
Sun
সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রীয় নক্ষত্র এবং পৃথিবীর আলো ও তাপের প্রধান উৎস। এটি অত্যন্ত উত্তপ্ত গ্যাসীয় পদার্থ দিয়ে গঠিত।

সূর্য পৃথিবীতে জীবনের জন্য অপরিহার্য। উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ, বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা, জলচক্র এবং আবহাওয়ার প্রধান শক্তির উৎস সূর্য।

সূর্যের মহাকর্ষীয় শক্তির কারণে গ্রহগুলো এর চারদিকে আবর্তিত হয়।
বুধ
Mercury
বুধ সৌরজগতের সূর্যের নিকটতম এবং ক্ষুদ্রতম গ্রহ। সূর্যের অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থানের কারণে পৃথিবী থেকে এটিকে সবসময় সহজে দেখা যায় না।

বুধের বায়ুমণ্ডল অত্যন্ত ক্ষীণ। ফলে দিন ও রাতের তাপমাত্রার মধ্যে বড় পার্থক্য দেখা যায়।

বুধের কোনো প্রাকৃতিক উপগ্রহ নেই।
শুক্র
Venus
শুক্র পৃথিবীর নিকটবর্তী গ্রহগুলোর একটি। ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা নামে পরিচিত হলেও এটি প্রকৃতপক্ষে নক্ষত্র নয়, একটি গ্রহ।

ঘন মেঘে আবৃত শুক্রের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের আধিক্য রয়েছে। শক্তিশালী গ্রিনহাউস প্রভাবের কারণে এটি সৌরজগতের অত্যন্ত উষ্ণ গ্রহ।

শুক্রের ঘূর্ণন দিক অধিকাংশ গ্রহের তুলনায় বিপরীত। এর কোনো প্রাকৃতিক উপগ্রহ নেই।
পৃথিবী
Earth
পৃথিবী সূর্য থেকে তৃতীয় গ্রহ এবং মানুষের আবাসস্থল। এতে তরল পানি, অক্সিজেনসমৃদ্ধ বায়ুমণ্ডল এবং জীবনধারণের উপযোগী তাপমাত্রা রয়েছে।

সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব প্রায় \(15\) কোটি কিলোমিটার।

পৃথিবী সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে আনুমানিক \(365\) দিন \(5\) ঘণ্টা \(48\) মিনিট \(47\) সেকেন্ড সময় নেয়।

চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ।
মঙ্গল
Mars
মঙ্গল পৃথিবীর নিকটবর্তী প্রতিবেশী গ্রহগুলোর একটি। এর পৃষ্ঠে লৌহসমৃদ্ধ খনিজের উপস্থিতির কারণে গ্রহটিকে লালচে দেখায়। তাই মঙ্গলকে লাল গ্রহ বলা হয়।

মঙ্গলের বায়ুমণ্ডল পাতলা এবং এতে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি।

ফোবোস ও ডিমোস মঙ্গলের দুটি উপগ্রহ।
বৃহস্পতি
Jupiter
বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। এটি প্রধানত গ্যাসীয় উপাদান দিয়ে গঠিত।

এর বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের আধিক্য রয়েছে। বৃহস্পতির শক্তিশালী মহাকর্ষ এবং বহু উপগ্রহ এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

এর পৃষ্ঠসদৃশ মেঘস্তরে বৃহৎ ঝড়ের অঞ্চলও দেখা যায়।
শনি
Saturn
শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ। এর সবচেয়ে পরিচিত বৈশিষ্ট্য হলো বিস্তৃত বলয় ব্যবস্থা।

শনির বায়ুমণ্ডল প্রধানত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম দিয়ে গঠিত। বরফ, ধূলিকণা ও ক্ষুদ্র শিলাখণ্ডের সমন্বয়ে এর বলয়গুলো গঠিত।

টাইটান শনির উল্লেখযোগ্য এবং বৃহৎ উপগ্রহগুলোর একটি।
ইউরেনাস ও নেপচুন
Uranus and Neptune
ইউরেনাস সৌরজগতের সপ্তম গ্রহ। এর ঘূর্ণন অক্ষ অত্যন্ত কাত হওয়ায় এটি প্রায় পাশ ফিরে ঘোরে বলে মনে হয়।

ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন, হিলিয়াম এবং মিথেন রয়েছে। মিথেনের কারণে গ্রহটির নীলাভ-সবুজ বর্ণ দেখা যায়।

নেপচুন সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরের প্রধান গ্রহ। এর বায়ুমণ্ডলেও হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও মিথেন রয়েছে এবং এতে শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহ দেখা যায়।
পৃথিবীর আকার ও অভিকর্ষ
Shape and Gravity of the Earth
পৃথিবী সম্পূর্ণ নিখুঁত গোলক নয়। মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা এবং বিষুবীয় অঞ্চলে সামান্য স্ফীত। এই প্রকৃত আকৃতিকে অনেক ক্ষেত্রে অভিগত গোলক বা Oblate Spheroid বলা হয়।

মহাকর্ষ বলের কারণে পৃথিবী মানুষ, পানি, বায়ুমণ্ডল এবং অন্যান্য বস্তু নিজের দিকে আকর্ষণ করে রাখে।

পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগে কেন্দ্রের দিকে মহাকর্ষীয় প্রভাবের প্রকৃতি পরিবর্তিত হয়, আর পৃষ্ঠে এর মান অঞ্চলভেদে সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।
পৃথিবীর আহ্নিক গতি
Rotation of the Earth
পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে। পৃথিবীর এই ঘূর্ণনকে আহ্নিক গতি বলা হয়।

একবার নিজ অক্ষের চারদিকে ঘুরতে পৃথিবীর প্রায় \(24\) ঘণ্টা সময় লাগে।

পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে প্রধানত দিন-রাত্রি সৃষ্টি হয়। পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের দিকে থাকে সেখানে দিন এবং বিপরীত অংশে রাত হয়।

আহ্নিক গতির কারণে বিভিন্ন দ্রাঘিমায় স্থানীয় সময়ের পার্থক্য সৃষ্টি হয়।

বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের দিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও পৃথিবীর ঘূর্ণনের প্রভাব রয়েছে।
পৃথিবীর বার্ষিক গতি
Revolution of the Earth
পৃথিবী সূর্যের মহাকর্ষের প্রভাবে নিজ কক্ষপথে সূর্যকে পরিভ্রমণ করে। এই পরিভ্রমণকে পৃথিবীর বার্ষিক গতি বলা হয়।

একবার সূর্যকে সম্পূর্ণ পরিভ্রমণ করতে পৃথিবীর প্রায় \(365\) দিন \(5\) ঘণ্টা \(48\) মিনিট \(47\) সেকেন্ড সময় লাগে।

ক্যালেন্ডারে সাধারণ বছর \(365\) দিন ধরা হলেও অতিরিক্ত সময় সমন্বয়ের জন্য নির্দিষ্ট ব্যবধানে অধিবর্ষে ফেব্রুয়ারি মাসে একটি দিন যোগ করা হয়।

বার্ষিক গতি এবং পৃথিবীর অক্ষের হেলনের যৌথ প্রভাবে ঋতু পরিবর্তন, দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন এবং সূর্যরশ্মির আপতন কোণের পরিবর্তন ঘটে।
ঋতু পরিবর্তনের কারণ
Causes of Seasonal Change
পৃথিবীতে ঋতু পরিবর্তনের পেছনে কয়েকটি কারণ একসঙ্গে কাজ করে। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো—

পৃথিবীর সূর্যকে পরিভ্রমণ করা।
পৃথিবীর অক্ষের হেলানো অবস্থা।
পৃথিবীর প্রায় গোলাকার আকৃতি।
সূর্য থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে আলোর আপতন কোণের পার্থক্য।
পরিভ্রমণের সময় পৃথিবীর অক্ষ প্রায় একই দিকে মুখ করে থাকা।

এই কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে সূর্যরশ্মির তীব্রতা এবং দিনের দৈর্ঘ্য পরিবর্তিত হয়।
দিন-রাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি
Variation in Length of Day and Night
পৃথিবীর অক্ষ কক্ষপথের সমতলের সঙ্গে হেলে থাকার কারণে বছরের সব সময় দিন ও রাত সমান থাকে না।

উত্তর গোলার্ধে প্রায় \(21\) জুন সূর্য কর্কটক্রান্তির ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। এ সময় উত্তর গোলার্ধে দিনের দৈর্ঘ্য বেশি এবং রাত ছোট হয়।

প্রায় \(22\) ডিসেম্বর সূর্যের লম্ব রশ্মি মকরক্রান্তির দিকে অবস্থান করায় উত্তর গোলার্ধে দিন ছোট ও রাত দীর্ঘ হয়।

প্রায় \(21\) মার্চ এবং \(23\) সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার ওপর প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই সময় পৃথিবীর অধিকাংশ স্থানে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়।
অক্ষরেখা ও অক্ষাংশ
Latitude
পৃথিবীর গোলাকার পৃষ্ঠে পূর্ব-পশ্চিমে কল্পিতভাবে আঁকা সমান্তরাল বৃত্তাকার রেখাগুলোকে অক্ষরেখা বলা হয়।

নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে বিভক্ত করে। নিরক্ষরেখার অক্ষাংশ \(0^\circ\)।

নিরক্ষরেখার উত্তরের স্থানগুলো উত্তর অক্ষাংশ এবং দক্ষিণের স্থানগুলো দক্ষিণ অক্ষাংশ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

অক্ষাংশ \(0^\circ\) থেকে উত্তর ও দক্ষিণে সর্বোচ্চ \(90^\circ\) পর্যন্ত বিস্তৃত।

অক্ষাংশকে ডিগ্রি, মিনিট এবং সেকেন্ডে প্রকাশ করা যায়।

কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয়ে সূর্য বা নক্ষত্রের উচ্চতা পর্যবেক্ষণসহ বিভিন্ন জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়।
গুরুত্বপূর্ণ অক্ষরেখা
Important Parallels of Latitude
নিরক্ষরেখা — \(0^\circ\) অক্ষাংশ।

কর্কটক্রান্তি — প্রায় \(23.5^\circ\) উত্তর অক্ষাংশ।

মকরক্রান্তি — প্রায় \(23.5^\circ\) দক্ষিণ অক্ষাংশ।

সুমেরুবৃত্ত — প্রায় \(66.5^\circ\) উত্তর অক্ষাংশ।

কুমেরুবৃত্ত — প্রায় \(66.5^\circ\) দক্ষিণ অক্ষাংশ।

উত্তর মেরু — \(90^\circ\) উত্তর অক্ষাংশ।

দক্ষিণ মেরু — \(90^\circ\) দক্ষিণ অক্ষাংশ।

বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
দ্রাঘিমারেখা ও দ্রাঘিমাংশ
Longitude
উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত কল্পিতভাবে অঙ্কিত অর্ধবৃত্তাকার রেখাগুলোকে দ্রাঘিমারেখা বলা হয়।

সব দ্রাঘিমারেখা দুই মেরুতে মিলিত হয়। অক্ষরেখার মতো এগুলো পরস্পর সমান্তরাল নয়।

পৃথিবীর \(360^\circ\) পরিধিকে দ্রাঘিমার ভিত্তিতে পূর্ব ও পশ্চিমে ভাগ করা হয়। মূল মধ্যরেখার পূর্বে \(180^\circ\) পর্যন্ত পূর্ব দ্রাঘিমা এবং পশ্চিমে \(180^\circ\) পর্যন্ত পশ্চিম দ্রাঘিমা ধরা হয়।
মূল মধ্যরেখা ও গ্রিনিচ
Prime Meridian and Greenwich
যুক্তরাজ্যের লন্ডনের নিকটবর্তী গ্রিনিচ মানমন্দিরের ওপর দিয়ে অতিক্রমকারী দ্রাঘিমারেখাকে \(0^\circ\) দ্রাঘিমা বা Prime Meridian হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।

এই রেখাকে ভিত্তি করে পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়। বিশ্ব সময় নির্ধারণেও গ্রিনিচ রেখা ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
দ্রাঘিমা ও সময়ের পার্থক্য
Longitude and Time Difference
পৃথিবী \(24\) ঘণ্টায় প্রায় \(360^\circ\) আবর্তন করে। ফলে \(15^\circ\) দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য প্রায় \(1\) ঘণ্টা হয়।

অতএব \(1^\circ\) দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য প্রায় \(4\) মিনিট।

গ্রিনিচের পূর্বদিকে অবস্থিত স্থানগুলোর স্থানীয় সময় গ্রিনিচের তুলনায় এগিয়ে এবং পশ্চিমে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় পিছিয়ে থাকে।

বাংলাদেশ প্রায় \(90^\circ\) পূর্ব দ্রাঘিমার মান সময় অনুসরণ করায় গ্রিনিচ সময়ের তুলনায় বাংলাদেশের সময় প্রায় \(6\) ঘণ্টা এগিয়ে।
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
International Date Line
\(180^\circ\) দ্রাঘিমার কাছাকাছি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কল্পনা করা হয়েছে। পৃথিবীতে তারিখ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এই রেখা গুরুত্বপূর্ণ।

রেখাটি স্থলভাগ ও দ্বীপপুঞ্জের রাজনৈতিক সীমানা এড়িয়ে বিভিন্ন স্থানে কিছুটা বাঁক নিয়ে অতিক্রম করে।

তারিখ রেখা অতিক্রমের দিক অনুযায়ী এক দিন যোগ বা বিয়োগ করতে হয়।

এই ব্যবস্থা একই মুহূর্তে পৃথিবীর বিপরীত প্রান্তে তারিখগত বিভ্রান্তি এড়াতে সাহায্য করে।
প্রতিপাদ স্থান
Antipode
পৃথিবীর কোনো একটি স্থানের ঠিক বিপরীত দিকে ভূগোলকের অপর পৃষ্ঠে যে বিন্দু অবস্থিত তাকে সেই স্থানের প্রতিপাদ স্থান বলা হয়।

একটি বিন্দু থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র দিয়ে সরলরেখা টেনে বিপরীত পৃষ্ঠে যেখানে রেখাটি পৌঁছায় সেটিই প্রতিপাদ বিন্দু।
GIS বা Geographic Information System
Geographic Information System
GIS-এর পূর্ণরূপ Geographic Information System। এটি ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং মানচিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপনের একটি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা।

ভূমি ব্যবহার, নগর পরিকল্পনা, পরিবেশ পর্যবেক্ষণ, কৃষি, যোগাযোগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিশ্লেষণে GIS ব্যবহৃত হয়।

GIS-এ স্থানিক তথ্যের সঙ্গে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যগত তথ্য যুক্ত করে একটি অঞ্চলের বাস্তব অবস্থা বিশ্লেষণ করা যায়।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ
Natural Disasters
প্রকৃতির বিভিন্ন প্রক্রিয়ার ফলে সংঘটিত এমন ঘটনা, যা মানুষের জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি ঘটায়, তাকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলা হয়।

ভূমিকম্প, সুনামি, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিধস ও খরা গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক দুর্যোগের উদাহরণ।

সমুদ্রতলের ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা বৃহৎ ভূমিধসের ফলে সমুদ্রের বিশাল জলরাশি স্থানচ্যুত হলে সুনামি সৃষ্টি হতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় শক্তিশালী নিম্নচাপকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণায়মান বায়ুপ্রবাহ। এর সঙ্গে ভারী বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাস যুক্ত হলে উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
বাংলাদেশের দুর্যোগপ্রবণতা
Disaster Proneness of Bangladesh
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, বিস্তৃত নদীব্যবস্থা, নিম্নভূমি এবং বঙ্গোপসাগরের নৈকট্যের কারণে দেশটি বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকে।

উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি বেশি। উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভূমিকম্পের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি বলে উৎসে উল্লেখ করা হয়েছে।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে খরা বেশি দেখা যায়। দক্ষিণাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব তুলনামূলক বেশি।

বর্ষাকালে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ে।

সামুদ্রিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে উপকূলের জনগণের জন্য আগাম সতর্কতা, আশ্রয়কেন্দ্র এবং দ্রুত উদ্ধার ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ।
দুর্যোগসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
Important Disaster-related Facts
উৎসে বাংলাদেশের ইতিহাসে \(1998\) সালের বন্যাকে বড় বন্যাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

\(2004\) সালের ভারত মহাসাগরীয় সুনামি বিশ্বের বহু দেশে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি ঘটায়।

ভূমিকম্পের সঙ্গে সম্পর্কিত সামুদ্রিক দুর্যোগ হিসেবে সুনামির ঝুঁকি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুচাপজনিত অস্বাভাবিক জলস্তর বৃদ্ধিকে জলোচ্ছ্বাস হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা, আবহাওয়া ও ঝড়সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র, আবহাওয়া সংস্থা এবং উপগ্রহভিত্তিক প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎসে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের অবস্থান নয়াদিল্লিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এক ডিগ্রি দ্রাঘিমার সময় পার্থক্য প্রায় \(4\) মিনিট।

লন্ডনের গ্রিনিচ সময়ের তুলনায় বাংলাদেশের মান সময় প্রায় \(6\) ঘণ্টা এগিয়ে।
  1. বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বন্যা সংঘটিত হয় কোন সালে?
    • ১৯৮৮ সালে
    • ১৯৯৮ সালে
    • ২০০৪ সালে
    • ২০০৭ সালে
  2. বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ সুনামি সংঘটিত হয় কোন সালে?
    • ২০০১ সালে
    • ২০০৪ সালে
    • ২০০৭ সালে
    • ২০১১ সালে
  3. ২০০৪ সালের সুনামিতে বিশ্বের কতটি দেশ আক্রান্ত হয়েছিল?
    • ১০টি
    • ১২টি
    • ১৪টি
    • ১৮টি
  4. কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ কেবল সমুদ্রে দেখা যায়?
    • ভূমিকম্প
    • সুনামি
    • ঘূর্ণিঝড়
    • খরা
  5. কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ভূমিকম্প ছাড়াও সংঘটিত হতে পারে?
    • সুনামি
    • বন্যা
    • জলোচ্ছ্বাস
    • টর্নেডো
  6. ভূমিকম্পের সঙ্গে সম্পর্কিত সামুদ্রিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ কোনটি?
    • জলোচ্ছ্বাস
    • সুনামি
    • ঘূর্ণিঝড়
    • খরা
  7. বাংলাদেশের উপকূলীয় সমুদ্রতটে বনসৃজনের মাধ্যমে সৃষ্টি বনকে কী বলা হয়?
    • ম্যানগ্রোভ বন
    • জলোচ্ছ্বাসজনিত বন
    • চিরসবুজ বন
    • পাতাঝরা বন
  8. কোন ধরনের বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি?
    • মৌসুমি বন্যা
    • আকস্মিক বন্যা
    • উপকূলীয় বন্যা
    • নদী বন্যা
  9. দীর্ঘস্থায়ী বন্যাকে কী বলা হয়?
    • মৌসুমি বন্যা
    • আকস্মিক বন্যা
    • জলোচ্ছ্বাস
    • ঘূর্ণিঝড়
  10. শহরাঞ্চলে অতিরিক্ত পানি জমে সৃষ্ট বন্যাকে কী বলা হয়?
    • শহুরে বন্যা
    • মৌসুমি বন্যা
    • উপকূলীয় বন্যা
    • নদী বন্যা
  11. ঘূর্ণিঝড় কোন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ?
    • সাময়িক দুর্যোগ
    • স্থায়ী দুর্যোগ
    • ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগ
    • মানবসৃষ্ট দুর্যোগ
  12. বাংলাদেশের কোন অঞ্চল অধিক ভূমিকম্পপ্রবণ?
    • উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল
    • দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
    • মধ্যাঞ্চল
    • উপকূলীয় অঞ্চল
  13. বাংলাদেশের কোন অঞ্চল খরায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
    • উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
    • দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল
    • মধ্যাঞ্চল
    • উপকূলীয় অঞ্চল
  14. বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় বেশি হয় কোন অঞ্চলে?
    • দক্ষিণাঞ্চলে
    • উত্তরাঞ্চলে
    • উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে
    • মধ্যাঞ্চলে
  15. বাংলাদেশে নদীভাঙনের ঘটনা বেশি ঘটে কোন ঋতুতে?
    • বর্ষাকালে
    • শীতকালে
    • গ্রীষ্মকালে
    • বসন্তকালে
  16. দুর্যোগ-পরবর্তী সম্পদহানি মোকাবিলায় সহযোগিতার রেখাকে কী বলা হয়?
    • আইসোহাইয়েট
    • আইসোবার
    • আইসোথার্ম
    • আইসোনেফ
  17. SAARC Disaster Management Centre কোথায় অবস্থিত?
    • নয়া দিল্লি
    • ঢাকা
    • কলম্বো
    • কাঠমান্ডু
  18. SAARC আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত ছিল?
    • ঢাকা
    • নয়া দিল্লি
    • থ??ম্পু
    • ইসলামাবাদ
  19. ১ ডিগ্রি দ্রাঘিমার সময় পার্থক্য কত?
    • ২ মিনিট
    • ৪ মিনিট
    • ৬ মিনিট
    • ৮ মিনিট
  20. লন্ডনের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য কত?
    • +৪ ঘণ্টা
    • +৫ ঘণ্টা
    • +৬ ঘণ্টা
    • +৭ ঘণ্টা
  21. দুটি স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১ ডিগ্রি হলে সময়ের পার্থক্য কত?
    • ১ মিনিট
    • ২ মিনিট
    • ৪ মিনিট
    • ১০ মিনিট
  22. পৃথিবীর উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাগুলোকে কী বলা হয়?
    • অক্ষরেখা
    • দ্রাঘিমারেখা
    • নিরক্ষরেখা
    • ক্রান্তিরেখা
  23. পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টনকারী কল্পিত রেখাকে কী বলা হয়?
    • অক্ষরেখা
    • দ্রাঘিমারেখা
    • তারিখরেখা
    • মেরুরেখা
  24. অক্ষরেখার অপর নাম কী?
    • সমান্তরাল রেখা
    • মধ্যরেখা
    • তারিখরেখা
    • মেরুরেখা
  25. ০ ডিগ্রি অক্ষরেখাকে কী বলা হয়?
    • নিরক্ষরেখা
    • কর্কটক্রান্তি
    • মকরক্রান্তি
    • গ্রিনিচ রেখা
  26. নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে কোন দুই ভাগে ভাগ করেছে?
    • পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধ
    • উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধ
    • স্থল ও জল গোলার্ধ
    • উষ্ণ ও শীতল গোলার্ধ
  27. ২৩.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখাকে কী বলা হয়?
    • কর্কটক্রান্তি রেখা
    • মকরক্রান্তি রেখা
    • সুমেরুবৃত্ত
    • কুমেরুবৃত্ত
  28. ২৩.৫ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কী বলা হয়?
    • কর্কটক্রান্তি রেখা
    • মকরক্রান্তি রেখা
    • সুমেরুবৃত্ত
    • নিরক্ষরেখা
  29. ৬৬.৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষরেখাকে কী বলা হয়?
    • সুমেরুবৃত্ত
    • কুমেরুবৃত্ত
    • কর্কটক্রান্তি
    • মকরক্রান্তি
  30. ৬৬.৫ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কী বলা হয়?
    • সুমেরুবৃত্ত
    • কুমেরুবৃত্ত
    • কর্কটক্রান্তি
    • মকরক্রান্তি
  31. গ্রিনিচ মানমন্দির কোথায় অবস্থিত?
    • লন্ডন
    • প্যারিস
    • রোম
    • বার্লিন
  32. মূল মধ্যরেখা কোন মানমন্দিরের ওপর দিয়ে গেছে?
    • গ্রিনিচ মানমন্দির
    • প্যারিস মানমন্দির
    • রোম মানমন্দির
    • মস্কো মানমন্দির
  33. ০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখাকে কী বলা হয়?
    • মূল মধ্যরেখা
    • নিরক্ষরেখা
    • আন্তর্জাতিক তারিখরেখা
    • কর্কটক্রান্তি রেখা
  34. পৃথিবীর মোট দ্রাঘিমা কত ডিগ্রি?
    • ১৮০ ডিগ্রি
    • ২৭০ ডিগ্রি
    • ৩৬০ ডিগ্রি
    • ৯০ ডিগ্রি
  35. আন্তর্জাতিক তারিখরেখা সাধারণত কত ডিগ্রি দ্রাঘিমা অনুসরণ করে?
    • ০ ডিগ্রি
    • ৯০ ডিগ্রি
    • ১৮০ ডিগ্রি
    • ৩৬০ ডিগ্রি
  36. আন্তর্জাতিক তারিখরেখা প্রধানত কোন মহাসাগরের ওপর দিয়ে গেছে?
    • আটলান্টিক মহাসাগর
    • প্রশান্ত মহাসাগর
    • ভারত মহাসাগর
    • আর্কটিক মহাসাগর
  37. পৃথিবীর বিপরীত দুই স্থানকে কী বলা হয়?
    • প্রতিপাদ স্থান
    • নিরক্ষ স্থান
    • মধ্যরেখীয় স্থান
    • ক্রান্তীয় স্থান
  38. পৃথিবীর আহ্নিক গতি বলতে কী বোঝায়?
    • নিজ অক্ষের ওপর আবর্তন
    • সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ
    • চাঁদের চারদিকে পরিক্রমণ
    • সূর্যের সঙ্গে মহাকাশে গমন
  39. পৃথিবীর বার্ষিক গতি বলতে কী বোঝায়?
    • সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ
    • নিজ অক্ষের ওপর আবর্তন
    • চাঁদের চারদিকে ঘূর্ণন
    • মহাকাশে স্থির থাকা
  40. পৃথিবী নিজ অক্ষের ওপর একবার আবর্তন করতে আনুমানিক কত সময় নেয়?
    • ১২ ঘণ্টা
    • ২৪ ঘণ্টা
    • ৪৮ ঘণ্টা
    • ৩৬ ঘণ্টা
  41. পৃথিবীর নিজ অক্ষের ওপর আবর্তনের দিক কোনটি?
    • পূর্ব থেকে পশ্চিম
    • পশ্চিম থেকে পূর্ব
    • উত্তর থেকে দক্ষিণ
    • দক্ষিণ থেকে উত্তর
  42. পৃথিবীর আহ্নিক গতির প্রধান ফল কোনটি?
    • দিন-রাত্রির সৃষ্টি
    • ঋতু পরিবর্তন
    • বছরের দৈর্ঘ্য
    • গ্রহণ
  43. জোয়ার-ভাটার সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে কোন গতি সম্পর্কিত?
    • আহ্নিক গতি
    • বার্ষিক গতি
    • সরল গতি
    • দোলন গতি
  44. পৃথিবীর আহ্নিক গতির কারণে বায়ুপ্রবাহ কোন দিকে বেঁকে যায়?
    • উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে
    • উত্তর গোলার্ধে বাম দিকে
    • সবখানে পূর্ব দিকে
    • সবখানে পশ্চিম দিকে
  45. পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে কোনটি সৃষ্টি হয়?
    • তাপমাত্রার দৈনিক তারতম্য
    • সূর্যগ্রহণ
    • চন্দ্রগ্রহণ
    • ভূমিকম্প
  46. পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে সময় গণনা কেন সম্ভব হয়?
    • দিন-রাত্রির পর্যায়ক্রমিকতার জন্য
    • বৃষ্টিপাতের জন্য
    • মহাকর্ষের জন্য
    • ঋতু পরিবর্তনের জন্য
  47. পৃথিবীর বার্ষিক গতির প্রধান ফল কোনটি?
    • ঋতু পরিবর্তন
    • দিন-রাত্রি
    • জোয়ার-ভাটা
    • ভূমিকম্প
  48. পৃথিবী সূর্যকে একবার পূর্ণ পরিক্রমণ করতে কত সময় নেয়?
    • ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড
    • ৩৬০ দিন
    • ৩৬৬ দিন
    • ৩৬৪ দিন
  49. অধিবর্ষে মোট দিনের সংখ্যা কত?
    • ৩৬৪ দিন
    • ৩৬৫ দিন
    • ৩৬৬ দিন
    • ৩৬৭ দিন
  50. সাধারণত কত বছর পর পর অধিবর্ষ হয়?
    • ২ বছর
    • ৩ বছর
    • ৪ বছর
    • ৫ বছর