বাগধারা ও বাগবিধি — NTRCA school-2-level
বাগধারা ও বাগবিধি: বাংলা, NTRCA school-2-level পাঠ ও 80টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/2।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী।
- বাগধারার পরিচয়
- অ ও আ দিয়ে বাগধারা
- ক দিয়ে বাগধারা
- খ দিয়ে বাগধারা
- গ দিয়ে বাগধারা
- চ ও ছ দিয়ে বাগধারা
- জ ও ঝ দিয়ে বাগধারা
- ট, ঠ ও ড দিয়ে বাগধারা
- দ ও ধ দিয়ে বাগধারা
- ন দিয়ে বাগধারা
- প দিয়ে বাগধারা
- ব ও ভ দিয়ে বাগধারা
- ম দিয়ে বাগধারা
- র ও ল দিয়ে বাগধারা
- শ, স ও হ দিয়ে বাগধারা
- সমজাতীয় অর্থের গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
- বহুনির্বাচনী প্রশ্নত্তর
বাগধারা কী
Phrase and Idiom
বাগধারা এমন বিশেষ শব্দগুচ্ছ বা বাক্যাংশ, যার অর্থ পৃথক শব্দগুলোর সরল আভিধানিক অর্থ থেকে সরাসরি বোঝা যায় না। প্রচলিত ব্যবহার, রূপক অর্থ এবং ভাষার সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে একটি নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে। শিক্ষক নিবন্ধনসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অর্থ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে।
অ ও আ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
Idioms beginning with অ and আ
অকাল কুষ্মাণ্ড — অপদার্থ বা কোনো কাজে অযোগ্য ব্যক্তি।
অক্কা পাওয়া — মৃত্যুবরণ করা।
অগস্ত্য যাত্রা — দীর্ঘ সময়ের জন্য বা অনির্দিষ্টকালের উদ্দেশ্যে চলে যাওয়া।
অগাধ জলের মাছ — অত্যন্ত চালাক এবং সহজে ধরা যায় না এমন ব্যক্তি।
অজগর বৃত্তি — পরিশ্রম না করে অলসভাবে জীবন কাটানো।
অর্ধচন্দ্র — কাউকে গলা ধরে বা জোর করে বের করে দেওয়ার ভাব।
অন্ধের যষ্টি — যার ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করা যায় এমন একমাত্র আশ্রয়।
অন্ধের নড়ি — একমাত্র নির্ভরযোগ্য অবলম্বন।
অগ্নিশর্মা — প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ ব্যক্তি।
অগ্নিপরীক্ষা — অত্যন্ত কঠিন পরীক্ষা বা দুরূহ পরিস্থিতি।
অতি চালাকের গলায় দড়ি — অতিরিক্ত চতুরতার ফল অনেক সময় ক্ষতিকর হয়।
অতি লোভে তাঁতি নষ্ট — মাত্রাতিরিক্ত লোভ শেষ পর্যন্ত ক্ষতির কারণ হয়।
অনুতপ্ত পরিহাস — নিজের কাজের ফল বুঝে অনুশোচনা করা।
অষ্টরম্ভা — ফাঁকা বা শূন্য ফলাফল।
অথৈ জলে পড়া — বড় ধরনের বিপদে পড়া।
অকালে তিল মারা — প্রয়োজনের সময়ের আগেই কোনো কাজ করে ফেলা।
অমৃতের অরুচি — ভালো জিনিস সহজে পেয়ে তার মূল্য না বোঝা।
অরণ্যে রোদন — এমন স্থানে আবেদন বা অভিযোগ করা যেখানে তার কোনো ফল হয় না।
অকর্মার ঢেঁকি — কোনো কাজে দক্ষ নয় এমন মানুষ।
অনধিকার চর্চা — নিজের সীমার বাইরে কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা।
অনুরোধে ঢেঁকি গেলা — অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কারও অনুরোধে কাজ করা।
অক্ষম বট — পুরোনো কিন্তু অকার্যকর ব্যক্তি।
অহিফেন — প্রবল আসক্তি বা নেশার ভাব।
অন্ধকার দেখা — দিশেহারা অবস্থায় পড়ে যাওয়া।
আমাবস্যার চাঁদ — খুব কম দেখা যায় এমন ব্যক্তি বা বস্তু।
আকাশ কুসুম — বাস্তবে সম্ভব নয় এমন কল্পনা।
আকাশ পাতাল — বিরাট ব্যবধান বা বড় পার্থক্য।
আকাশ থেকে পড়া — হঠাৎ কোনো ঘটনায় অত্যন্ত বিস্মিত হওয়া।
আকাশে চাঁদ হাতে পাওয়া — অত্যন্ত দুর্লভ বা কাঙ্ক্ষিত বস্তু পাওয়া।
আগুন নিয়ে খেলা — জেনেশুনে বিপজ্জনক কাজে জড়ানো।
আগুনে ঘি ঢালা — উত্তেজনা বা বিবাদ আরও বাড়িয়ে দেওয়া।
আদা জল খেয়ে লাগা — দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কোনো কাজে নেমে পড়া।
আক্কেল গুড়ুম — হঠাৎ ঘটনায় হতবুদ্ধি হয়ে যাওয়া।
আমড়া কাঠের ঢেঁকি — নিষ্প্রয়োজন বা অকাজের বস্তু।
আপন ঢোল নিজে পেটানো — নিজের গুণ বা কৃতিত্ব নিজেই প্রচার করা।
আঠার মাসে বছর — অস্বাভাবিক ধীরগতি বা দীর্ঘসূত্রতা।
আলালের ঘরের দুলাল — অতিরিক্ত আদরে মানুষ হওয়া সন্তান।
আকাশে তোলা — মাত্রাতিরিক্ত প্রশংসা করা।
আখেরে গোছ — শেষ পর্যন্ত নিজের স্বার্থ রক্ষা করা।
ইঁদুর কপালে — অত্যন্ত সামান্য বা নগণ্য সুযোগ।
ইঁচড়ে পাকা — বয়সের তুলনায় বেশি চালাক বা পাকা।
অক্কা পাওয়া — মৃত্যুবরণ করা।
অগস্ত্য যাত্রা — দীর্ঘ সময়ের জন্য বা অনির্দিষ্টকালের উদ্দেশ্যে চলে যাওয়া।
অগাধ জলের মাছ — অত্যন্ত চালাক এবং সহজে ধরা যায় না এমন ব্যক্তি।
অজগর বৃত্তি — পরিশ্রম না করে অলসভাবে জীবন কাটানো।
অর্ধচন্দ্র — কাউকে গলা ধরে বা জোর করে বের করে দেওয়ার ভাব।
অন্ধের যষ্টি — যার ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করা যায় এমন একমাত্র আশ্রয়।
অন্ধের নড়ি — একমাত্র নির্ভরযোগ্য অবলম্বন।
অগ্নিশর্মা — প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ ব্যক্তি।
অগ্নিপরীক্ষা — অত্যন্ত কঠিন পরীক্ষা বা দুরূহ পরিস্থিতি।
অতি চালাকের গলায় দড়ি — অতিরিক্ত চতুরতার ফল অনেক সময় ক্ষতিকর হয়।
অতি লোভে তাঁতি নষ্ট — মাত্রাতিরিক্ত লোভ শেষ পর্যন্ত ক্ষতির কারণ হয়।
অনুতপ্ত পরিহাস — নিজের কাজের ফল বুঝে অনুশোচনা করা।
অষ্টরম্ভা — ফাঁকা বা শূন্য ফলাফল।
অথৈ জলে পড়া — বড় ধরনের বিপদে পড়া।
অকালে তিল মারা — প্রয়োজনের সময়ের আগেই কোনো কাজ করে ফেলা।
অমৃতের অরুচি — ভালো জিনিস সহজে পেয়ে তার মূল্য না বোঝা।
অরণ্যে রোদন — এমন স্থানে আবেদন বা অভিযোগ করা যেখানে তার কোনো ফল হয় না।
অকর্মার ঢেঁকি — কোনো কাজে দক্ষ নয় এমন মানুষ।
অনধিকার চর্চা — নিজের সীমার বাইরে কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা।
অনুরোধে ঢেঁকি গেলা — অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কারও অনুরোধে কাজ করা।
অক্ষম বট — পুরোনো কিন্তু অকার্যকর ব্যক্তি।
অহিফেন — প্রবল আসক্তি বা নেশার ভাব।
অন্ধকার দেখা — দিশেহারা অবস্থায় পড়ে যাওয়া।
আমাবস্যার চাঁদ — খুব কম দেখা যায় এমন ব্যক্তি বা বস্তু।
আকাশ কুসুম — বাস্তবে সম্ভব নয় এমন কল্পনা।
আকাশ পাতাল — বিরাট ব্যবধান বা বড় পার্থক্য।
আকাশ থেকে পড়া — হঠাৎ কোনো ঘটনায় অত্যন্ত বিস্মিত হওয়া।
আকাশে চাঁদ হাতে পাওয়া — অত্যন্ত দুর্লভ বা কাঙ্ক্ষিত বস্তু পাওয়া।
আগুন নিয়ে খেলা — জেনেশুনে বিপজ্জনক কাজে জড়ানো।
আগুনে ঘি ঢালা — উত্তেজনা বা বিবাদ আরও বাড়িয়ে দেওয়া।
আদা জল খেয়ে লাগা — দৃঢ় সংকল্প নিয়ে কোনো কাজে নেমে পড়া।
আক্কেল গুড়ুম — হঠাৎ ঘটনায় হতবুদ্ধি হয়ে যাওয়া।
আমড়া কাঠের ঢেঁকি — নিষ্প্রয়োজন বা অকাজের বস্তু।
আপন ঢোল নিজে পেটানো — নিজের গুণ বা কৃতিত্ব নিজেই প্রচার করা।
আঠার মাসে বছর — অস্বাভাবিক ধীরগতি বা দীর্ঘসূত্রতা।
আলালের ঘরের দুলাল — অতিরিক্ত আদরে মানুষ হওয়া সন্তান।
আকাশে তোলা — মাত্রাতিরিক্ত প্রশংসা করা।
আখেরে গোছ — শেষ পর্যন্ত নিজের স্বার্থ রক্ষা করা।
ইঁদুর কপালে — অত্যন্ত সামান্য বা নগণ্য সুযোগ।
ইঁচড়ে পাকা — বয়সের তুলনায় বেশি চালাক বা পাকা।
ক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
Idioms beginning with ক
কেটে গণ্ডুষ — পুরোনো বিষয় আবার নতুন করে শুরু করা।
কেঁচো খুঁড়তে সাপ — ছোট বিষয় অনুসন্ধান করতে গিয়ে বড় বা গুরুতর বিষয় বেরিয়ে আসা।
কই মাছের প্রাণ — খুব শক্ত প্রাণ, সহজে যার মৃত্যু হয় না।
কুঁড়ের বাদশা — অত্যন্ত অলস ব্যক্তি।
কাক ভূষণ্ডি — অতি বৃদ্ধ মানুষ।
কাক ভূষণ্ডির কাক — দীর্ঘজীবী ব্যক্তি।
কেতা দুরস্ত — পোশাক-পরিচ্ছদে বেশ পরিপাটি।
কাচা আলগা — অসাবধান বা ঢিলেঢালা স্বভাব।
কাঁচা পয়সা — সহজে পাওয়া বা অবৈধভাবে অর্জিত নগদ অর্থ।
কূপমণ্ডূক — সীমিত জ্ঞানসম্পন্ন ও সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির ব্যক্তি।
কাঠের পুতুল — প্রাণহীন বা নিজের সিদ্ধান্তহীন ব্যক্তি।
কথায় চিড়ে ভেজা — কথার মাধ্যমে কাউকে প্রভাবিত করা বা কাজ আদায় করা।
কান পাতলা — সহজে অন্যের কথা বিশ্বাস করে এমন ব্যক্তি।
কাঁচা চিঠি — অনভিজ্ঞতা বা অপরিপক্বতার পরিচয়।
কেবলা হাকিম — অভিজ্ঞতাহীন কর্তাব্যক্তি।
কুল কাঠের আগুন — ভেতরে তীব্র জ্বালা বা ক্ষোভ থাকা।
খয়ের খাঁ — চাটুকার ব্যক্তি।
কেঁচো খুঁড়তে সাপ — ছোট বিষয় অনুসন্ধান করতে গিয়ে বড় বা গুরুতর বিষয় বেরিয়ে আসা।
কই মাছের প্রাণ — খুব শক্ত প্রাণ, সহজে যার মৃত্যু হয় না।
কুঁড়ের বাদশা — অত্যন্ত অলস ব্যক্তি।
কাক ভূষণ্ডি — অতি বৃদ্ধ মানুষ।
কাক ভূষণ্ডির কাক — দীর্ঘজীবী ব্যক্তি।
কেতা দুরস্ত — পোশাক-পরিচ্ছদে বেশ পরিপাটি।
কাচা আলগা — অসাবধান বা ঢিলেঢালা স্বভাব।
কাঁচা পয়সা — সহজে পাওয়া বা অবৈধভাবে অর্জিত নগদ অর্থ।
কূপমণ্ডূক — সীমিত জ্ঞানসম্পন্ন ও সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির ব্যক্তি।
কাঠের পুতুল — প্রাণহীন বা নিজের সিদ্ধান্তহীন ব্যক্তি।
কথায় চিড়ে ভেজা — কথার মাধ্যমে কাউকে প্রভাবিত করা বা কাজ আদায় করা।
কান পাতলা — সহজে অন্যের কথা বিশ্বাস করে এমন ব্যক্তি।
কাঁচা চিঠি — অনভিজ্ঞতা বা অপরিপক্বতার পরিচয়।
কেবলা হাকিম — অভিজ্ঞতাহীন কর্তাব্যক্তি।
কুল কাঠের আগুন — ভেতরে তীব্র জ্বালা বা ক্ষোভ থাকা।
খয়ের খাঁ — চাটুকার ব্যক্তি।
খ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
খণ্ড প্রলয় — ভয়াবহ বিপর্যয় বা বিরাট গোলমাল।
খাল কেটে কুমির আনা — নিজের উদ্যোগে নিজের বিপদ ডেকে আনা।
খরচের খাঁ — অতিরিক্ত ব্যয়কারী ব্যক্তি।
খড়ের আগুন — খুব দ্রুত জ্বলে আবার দ্রুত নিভে যায় এমন উত্তেজনা।
খয়েরি চাল — ধীরে ও সাবধানে চলা কৌশল।
খড়গহস্ত — আক্রমণ বা কঠোর শাস্তির জন্য প্রস্তুত।
খোদার খাসি — অতি নিরীহ বা অসহায় ব্যক্তি।
খোদার মার — অপ্রতিরোধ্য বিপদ।
ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো — নিজের অর্থ ও শ্রম ব্যয় করে অন্যের কাজ করা।
ঘাটের মড়া — অত্যন্ত বৃদ্ধ ব্যক্তি।
ঘাটের ঘটি — অযোগ্য বা অকেজো বস্তু।
ঘুঁটের আগুন — ভেতরে ভেতরে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষোভ।
খাল কেটে কুমির আনা — নিজের উদ্যোগে নিজের বিপদ ডেকে আনা।
খরচের খাঁ — অতিরিক্ত ব্যয়কারী ব্যক্তি।
খড়ের আগুন — খুব দ্রুত জ্বলে আবার দ্রুত নিভে যায় এমন উত্তেজনা।
খয়েরি চাল — ধীরে ও সাবধানে চলা কৌশল।
খড়গহস্ত — আক্রমণ বা কঠোর শাস্তির জন্য প্রস্তুত।
খোদার খাসি — অতি নিরীহ বা অসহায় ব্যক্তি।
খোদার মার — অপ্রতিরোধ্য বিপদ।
ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো — নিজের অর্থ ও শ্রম ব্যয় করে অন্যের কাজ করা।
ঘাটের মড়া — অত্যন্ত বৃদ্ধ ব্যক্তি।
ঘাটের ঘটি — অযোগ্য বা অকেজো বস্তু।
ঘুঁটের আগুন — ভেতরে ভেতরে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষোভ।
গ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
গড্ডলিকা প্রবাহ — বিচার না করে অন্যদের অনুসরণ করা।
গণেশ উল্টানো — উদ্যোগ বা কাজ নষ্ট হয়ে যাওয়া।
গলগ্রহ — এমন ব্যক্তি বা বস্তু যা বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।
গরজ বড় বালাই — প্রয়োজন মানুষকে অনেক কিছু করতে বাধ্য করে।
গরম গরম — তাজা বা নতুন অবস্থায়।
গায়ে পড়ে ভাব করা — অপর পক্ষ আগ্রহী না হলেও নিজে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করা।
গায়ে কাঁটা দেওয়া — ভয় বা উত্তেজনায় শরীরে শিহরণ অনুভব করা।
গায়ে তোলা — কাউকে অতিরিক্ত প্রশ্রয় দেওয়া।
গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল — ফল পাওয়ার আগেই সাফল্য ধরে নিয়ে আনন্দ করা।
গা ঢাকা দেওয়া — আত্মগোপন করা।
গায়ে কাটা দেওয়া — রোমাঞ্চিত বা ভীত হওয়া।
গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো — কোনো কাজ না করে অলসভাবে ঘোরাফেরা করা।
গুরু মারা বিদ্যা — যার কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া হয়েছে তাকেই অতিক্রম করার কৌশল।
গোকুলের ষাঁড় — লাগামহীনভাবে চলাফেরা করা ব্যক্তি।
গোঁয়ার গোবিন্দ — খুব একগুঁয়ে এবং হঠকারী ব্যক্তি।
গোঁয়ার যাওয়া — নষ্ট বা অপচয় হওয়া।
গোঁফে তেল দেওয়া — আগেভাগেই সাফল্য নিশ্চিত ধরে নেওয়া।
গোলক ধাঁধা — জটিল ও বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি।
গোড়ায় গলদ — শুরুতেই মৌলিক ভুল থাকা।
গৌরীসেনের টাকা — অন্যের অর্থ খুব সহজে ব্যয় করা।
গুড়ে বালি — আশা বা পরিকল্পনা নষ্ট হয়ে যাওয়া।
গণেশ উল্টানো — উদ্যোগ বা কাজ নষ্ট হয়ে যাওয়া।
গলগ্রহ — এমন ব্যক্তি বা বস্তু যা বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।
গরজ বড় বালাই — প্রয়োজন মানুষকে অনেক কিছু করতে বাধ্য করে।
গরম গরম — তাজা বা নতুন অবস্থায়।
গায়ে পড়ে ভাব করা — অপর পক্ষ আগ্রহী না হলেও নিজে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করা।
গায়ে কাঁটা দেওয়া — ভয় বা উত্তেজনায় শরীরে শিহরণ অনুভব করা।
গায়ে তোলা — কাউকে অতিরিক্ত প্রশ্রয় দেওয়া।
গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল — ফল পাওয়ার আগেই সাফল্য ধরে নিয়ে আনন্দ করা।
গা ঢাকা দেওয়া — আত্মগোপন করা।
গায়ে কাটা দেওয়া — রোমাঞ্চিত বা ভীত হওয়া।
গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো — কোনো কাজ না করে অলসভাবে ঘোরাফেরা করা।
গুরু মারা বিদ্যা — যার কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া হয়েছে তাকেই অতিক্রম করার কৌশল।
গোকুলের ষাঁড় — লাগামহীনভাবে চলাফেরা করা ব্যক্তি।
গোঁয়ার গোবিন্দ — খুব একগুঁয়ে এবং হঠকারী ব্যক্তি।
গোঁয়ার যাওয়া — নষ্ট বা অপচয় হওয়া।
গোঁফে তেল দেওয়া — আগেভাগেই সাফল্য নিশ্চিত ধরে নেওয়া।
গোলক ধাঁধা — জটিল ও বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি।
গোড়ায় গলদ — শুরুতেই মৌলিক ভুল থাকা।
গৌরীসেনের টাকা — অন্যের অর্থ খুব সহজে ব্যয় করা।
গুড়ে বালি — আশা বা পরিকল্পনা নষ্ট হয়ে যাওয়া।
চ ও ছ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
চক্ষুশূল — অত্যন্ত অপছন্দের ব্যক্তি।
চক্ষুদান করা — চুরি বা গোপনে হাতিয়ে নেওয়া।
চক্ষুলজ্জা — লোকলজ্জা বা সামাজিক সংকোচ।
চর্বিত চর্বণ — একই বিষয় বারবার বলা বা পুনরাবৃত্তি করা।
চাঁদের হাট — আনন্দপূর্ণ ও সমবেত উৎসবমুখর পরিবেশ।
চিনির বলদ — পরিশ্রম করে কিন্তু সুবিধা অন্যে পায় এমন ব্যক্তি।
চোখের বালি — বিরক্তিকর বা অপছন্দের মানুষ।
চোখের পানি — লজ্জা বা আত্মসম্মানবোধ।
চোখ কপালে তোলা — প্রচণ্ড বিস্মিত হওয়া।
চোখ টাটানো — অন্যের ভালো দেখে ঈর্ষান্বিত হওয়া।
চোখ ধুলো দেওয়া — প্রতারণা করা বা ফাঁকি দেওয়া।
চোখে দেখা — নিজের অভিজ্ঞতায় যাচাই করা।
চোখের মণি — অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তি।
চামচিকা — সুবিধাবাদী বা তোষামোদকারী ব্যক্তি।
চিনি পুতুল — অতিরিক্ত কোমল বা শ্রমে অক্ষম ব্যক্তি।
ছক্কা নক্কা — বিপর্যস্ত বা এলোমেলো অবস্থা।
ছা-পোষা — অতি দরিদ্র বা সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত।
ছাই ফেলতে ভাঙা কুলা — সাধারণত মূল্যহীন হলেও বিশেষ প্রয়োজনে কাজে লাগে এমন কিছু।
ছেলের হাতের মোয়া — খুব সহজে পাওয়া যায় এমন বস্তু।
ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ — নগণ্য লাভের জন্য বদনাম অর্জন করা।
চক্ষুদান করা — চুরি বা গোপনে হাতিয়ে নেওয়া।
চক্ষুলজ্জা — লোকলজ্জা বা সামাজিক সংকোচ।
চর্বিত চর্বণ — একই বিষয় বারবার বলা বা পুনরাবৃত্তি করা।
চাঁদের হাট — আনন্দপূর্ণ ও সমবেত উৎসবমুখর পরিবেশ।
চিনির বলদ — পরিশ্রম করে কিন্তু সুবিধা অন্যে পায় এমন ব্যক্তি।
চোখের বালি — বিরক্তিকর বা অপছন্দের মানুষ।
চোখের পানি — লজ্জা বা আত্মসম্মানবোধ।
চোখ কপালে তোলা — প্রচণ্ড বিস্মিত হওয়া।
চোখ টাটানো — অন্যের ভালো দেখে ঈর্ষান্বিত হওয়া।
চোখ ধুলো দেওয়া — প্রতারণা করা বা ফাঁকি দেওয়া।
চোখে দেখা — নিজের অভিজ্ঞতায় যাচাই করা।
চোখের মণি — অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তি।
চামচিকা — সুবিধাবাদী বা তোষামোদকারী ব্যক্তি।
চিনি পুতুল — অতিরিক্ত কোমল বা শ্রমে অক্ষম ব্যক্তি।
ছক্কা নক্কা — বিপর্যস্ত বা এলোমেলো অবস্থা।
ছা-পোষা — অতি দরিদ্র বা সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত।
ছাই ফেলতে ভাঙা কুলা — সাধারণত মূল্যহীন হলেও বিশেষ প্রয়োজনে কাজে লাগে এমন কিছু।
ছেলের হাতের মোয়া — খুব সহজে পাওয়া যায় এমন বস্তু।
ছুঁচো মেরে হাত গন্ধ — নগণ্য লাভের জন্য বদনাম অর্জন করা।
জ ও ঝ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
জড়ভরত — নির্বোধ বা কর্মে অক্ষম ব্যক্তি।
জিলাপির প্যাঁচ — অত্যন্ত জটিল কৌশল বা গোলমেলে বিষয়।
জলে কুমির ডাঙায় বাঘ — দুই দিকেই বিপদের মধ্যে থাকা।
জগাই-মাধাই — ঝগড়াটে বা দুর্বৃত্ত স্বভাবের দুই ব্যক্তি।
ঝড়ো কাক — দুর্দশাগ্রস্ত বা অসহায় ব্যক্তি।
ঝাঁকের কৈ — একই দল বা একই স্বভাবের মানুষ।
ঝোপ বুঝে কোপ মারা — পরিস্থিতি বুঝে সুবিধাজনক সময়ে কাজ করা।
ঝড়ের মুখে পড়া — প্রবল বাধা বা বিপদের সম্মুখীন হওয়া।
জিলাপির প্যাঁচ — অত্যন্ত জটিল কৌশল বা গোলমেলে বিষয়।
জলে কুমির ডাঙায় বাঘ — দুই দিকেই বিপদের মধ্যে থাকা।
জগাই-মাধাই — ঝগড়াটে বা দুর্বৃত্ত স্বভাবের দুই ব্যক্তি।
ঝড়ো কাক — দুর্দশাগ্রস্ত বা অসহায় ব্যক্তি।
ঝাঁকের কৈ — একই দল বা একই স্বভাবের মানুষ।
ঝোপ বুঝে কোপ মারা — পরিস্থিতি বুঝে সুবিধাজনক সময়ে কাজ করা।
ঝড়ের মুখে পড়া — প্রবল বাধা বা বিপদের সম্মুখীন হওয়া।
ট, ঠ ও ড দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
টনক নড়া — দেরিতে হলেও সচেতন হওয়া।
টাকার কুমির — অত্যন্ত ধনী ব্যক্তি।
টাকার গরম — অর্থের দম্ভ বা অহংকার।
টুঁ শব্দ না করা — একেবারেই প্রতিবাদ না করা।
ঠাঁট বজায় রাখা — বাহ্যিক আড়ম্বর বা মর্যাদা ধরে রাখা।
ঠোঁট কাটা — স্পষ্টভাষী এবং সংকোচহীন ব্যক্তি।
ঠ্যাঙ ভাঙা — কঠোর শাস্তি দেওয়া।
ডাকাবুকো — সাহসী এবং দুঃসাহসী ব্যক্তি।
ডাকের সুন্দরী — বাহ্যিকভাবে অত্যন্ত সুন্দরী।
ডান হাত — বিশ্বস্ত সহকারী।
ডামাডোল — বিশৃঙ্খল বা অস্থির অবস্থা।
ডাক ডাক গুড় গুড় — কোনো কথা বা কাজ গোপন রাখার চেষ্টা।
ডুমুরের ফুল — খুব কম দেখা যায় এমন ব্যক্তি বা বস্তু।
টাকার কুমির — অত্যন্ত ধনী ব্যক্তি।
টাকার গরম — অর্থের দম্ভ বা অহংকার।
টুঁ শব্দ না করা — একেবারেই প্রতিবাদ না করা।
ঠাঁট বজায় রাখা — বাহ্যিক আড়ম্বর বা মর্যাদা ধরে রাখা।
ঠোঁট কাটা — স্পষ্টভাষী এবং সংকোচহীন ব্যক্তি।
ঠ্যাঙ ভাঙা — কঠোর শাস্তি দেওয়া।
ডাকাবুকো — সাহসী এবং দুঃসাহসী ব্যক্তি।
ডাকের সুন্দরী — বাহ্যিকভাবে অত্যন্ত সুন্দরী।
ডান হাত — বিশ্বস্ত সহকারী।
ডামাডোল — বিশৃঙ্খল বা অস্থির অবস্থা।
ডাক ডাক গুড় গুড় — কোনো কথা বা কাজ গোপন রাখার চেষ্টা।
ডুমুরের ফুল — খুব কম দেখা যায় এমন ব্যক্তি বা বস্তু।
দ ও ধ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
দা-কুমড়া — দুই পক্ষের চরম শত্রুতাপূর্ণ সম্পর্ক।
দহরম মহরম — খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
দুধে ভাতে থাকা — আরাম ও সুখে জীবনযাপন করা।
দেঁতো হাসি — কৃত্রিম বা প্রাণহীন হাসি।
দাদ নেওয়া — প্রতিশোধ গ্রহণ করা।
দুকান কাটা — ছলচাতুরী বা প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া।
দুধের মাছি — প্রয়োজন ফুরালে যাকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়।
ধরা-ছোঁয়ার বাইরে — সহজে নিয়ন্ত্রণ বা নাগাল পাওয়া যায় না এমন অবস্থা।
ধারাকে সরা জ্ঞান করা — প্রকৃত সত্য বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে গুরুত্ব না দেওয়া।
ধর্মের ষাঁড় — দায়িত্বহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো ব্যক্তি।
ধর্মের কল বাতাসে নড়ে — অন্যায় চিরকাল গোপন থাকে না।
ধরি মাছ না ছুঁই পানি — ঝুঁকি না নিয়ে সুবিধা পাওয়ার কৌশল।
দহরম মহরম — খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
দুধে ভাতে থাকা — আরাম ও সুখে জীবনযাপন করা।
দেঁতো হাসি — কৃত্রিম বা প্রাণহীন হাসি।
দাদ নেওয়া — প্রতিশোধ গ্রহণ করা।
দুকান কাটা — ছলচাতুরী বা প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া।
দুধের মাছি — প্রয়োজন ফুরালে যাকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়।
ধরা-ছোঁয়ার বাইরে — সহজে নিয়ন্ত্রণ বা নাগাল পাওয়া যায় না এমন অবস্থা।
ধারাকে সরা জ্ঞান করা — প্রকৃত সত্য বা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে গুরুত্ব না দেওয়া।
ধর্মের ষাঁড় — দায়িত্বহীনভাবে ঘুরে বেড়ানো ব্যক্তি।
ধর্মের কল বাতাসে নড়ে — অন্যায় চিরকাল গোপন থাকে না।
ধরি মাছ না ছুঁই পানি — ঝুঁকি না নিয়ে সুবিধা পাওয়ার কৌশল।
ন দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
ননীর পুতুল — অত্যন্ত কোমল ও শ্রমবিমুখ ব্যক্তি।
নয় ছয় — অপচয়, গরমিল বা অনিয়ম করা।
নাটের গুরু — কোনো ঘটনার পেছনের প্রধান পরিকল্পনাকারী।
নাড়ি নক্ষত্র — কারও সম্পর্কে খুব বিস্তারিত তথ্য।
নিমকহারাম — অকৃতজ্ঞ ব্যক্তি।
নিমরাজি — অনিচ্ছুক বা অর্ধসম্মত অবস্থা।
নামকাটা সেপাই — চাকরি বা পদ হারানো ব্যক্তি।
নথ নাড়া — অহংকার বা গর্ব প্রকাশ করা।
নারদের ঢেঁকি — বিবাদ সৃষ্টি বা ছড়ানোর বিষয়।
নগদ নারায়ণ — হাতে থাকা নগদ অর্থের গুরুত্ব।
নেই আঁকড়া — একেবারে নিঃস্ব অবস্থা।
নেপোয় মারে দই — অন্যের পরিশ্রমের ফল তৃতীয় ব্যক্তি ভোগ করা।
নয় ছয় — অপচয়, গরমিল বা অনিয়ম করা।
নাটের গুরু — কোনো ঘটনার পেছনের প্রধান পরিকল্পনাকারী।
নাড়ি নক্ষত্র — কারও সম্পর্কে খুব বিস্তারিত তথ্য।
নিমকহারাম — অকৃতজ্ঞ ব্যক্তি।
নিমরাজি — অনিচ্ছুক বা অর্ধসম্মত অবস্থা।
নামকাটা সেপাই — চাকরি বা পদ হারানো ব্যক্তি।
নথ নাড়া — অহংকার বা গর্ব প্রকাশ করা।
নারদের ঢেঁকি — বিবাদ সৃষ্টি বা ছড়ানোর বিষয়।
নগদ নারায়ণ — হাতে থাকা নগদ অর্থের গুরুত্ব।
নেই আঁকড়া — একেবারে নিঃস্ব অবস্থা।
নেপোয় মারে দই — অন্যের পরিশ্রমের ফল তৃতীয় ব্যক্তি ভোগ করা।
প দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
পটল তোলা — মৃত্যুবরণ করা।
পগার পার হওয়া — পালিয়ে যাওয়া বা দ্রুত সরে পড়া।
পটের বিবি — অতিরিক্ত সাজসজ্জায় সজ্জিত নারী।
পত্রপাঠ — কোনো বিলম্ব না করে সঙ্গে সঙ্গে।
পালের গোদা — কোনো দলের প্রধান বা নেতা।
পাকা ধানে মই — ভালোভাবে চলতে থাকা কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করা।
পাপী পাড়া করা — বারবার অপরাধ বা অন্যায় করে যাওয়া।
পাততাড়ি গুটানো — কাজকর্ম গুটিয়ে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া।
পাথরে পাঁচ কিল — অত্যন্ত সৌভাগ্যজনক ঘটনা।
পুঁটি মাছের প্রাণ — খুব দুর্বল বা সহজে মারা যায় এমন প্রাণ।
পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা — পুরোনো অপ্রীতিকর বিষয় আবার আলোচনায় আনা।
পোঁ ধরা — অন্যের কাজ বা মত অন্ধভাবে অনুসরণ করা।
পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা — অন্যকে ব্যবহার করে নিজের কাজ উদ্ধার করা।
পরের ধনে পোদ্দারি — অন্যের সম্পদ নিয়ে কর্তৃত্ব দেখানো।
পোয়া বারো — বিশেষ সুবিধা বা বাড়তি লাভ পাওয়া।
পায়াভারী — অহংকারী বা আত্মগর্বী ব্যক্তি।
পগার পার হওয়া — পালিয়ে যাওয়া বা দ্রুত সরে পড়া।
পটের বিবি — অতিরিক্ত সাজসজ্জায় সজ্জিত নারী।
পত্রপাঠ — কোনো বিলম্ব না করে সঙ্গে সঙ্গে।
পালের গোদা — কোনো দলের প্রধান বা নেতা।
পাকা ধানে মই — ভালোভাবে চলতে থাকা কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করা।
পাপী পাড়া করা — বারবার অপরাধ বা অন্যায় করে যাওয়া।
পাততাড়ি গুটানো — কাজকর্ম গুটিয়ে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া।
পাথরে পাঁচ কিল — অত্যন্ত সৌভাগ্যজনক ঘটনা।
পুঁটি মাছের প্রাণ — খুব দুর্বল বা সহজে মারা যায় এমন প্রাণ।
পুরোনো কাসুন্দি ঘাঁটা — পুরোনো অপ্রীতিকর বিষয় আবার আলোচনায় আনা।
পোঁ ধরা — অন্যের কাজ বা মত অন্ধভাবে অনুসরণ করা।
পরের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা — অন্যকে ব্যবহার করে নিজের কাজ উদ্ধার করা।
পরের ধনে পোদ্দারি — অন্যের সম্পদ নিয়ে কর্তৃত্ব দেখানো।
পোয়া বারো — বিশেষ সুবিধা বা বাড়তি লাভ পাওয়া।
পায়াভারী — অহংকারী বা আত্মগর্বী ব্যক্তি।
ব ও ভ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
বগল বাজানো — অতি আনন্দ প্রকাশ করা।
বড় আঁটুনি ছোট গেরো — বাহ্যিক আয়োজন বড় হলেও ভেতরে দুর্বল ব্যবস্থা থাকা।
বসন্তের কোকিল — সুসময়ের বন্ধু।
বিড়াল তপস্বী — বাইরে সাধু সাজলেও অন্তরে অসৎ ব্যক্তি।
বর্ণচোরা আম — প্রকৃত পরিচয় গোপনকারী ব্যক্তি।
বাঁ হাতের ব্যাপার — খুব সহজ কাজ।
বাঁধা গৎ — নির্দিষ্ট ও পরিবর্তনহীন আচরণ।
বাজারে কাটা — ব্যাপক বিক্রি বা চাহিদা পাওয়া।
বালির বাঁধ — খুব দুর্বল ও অস্থায়ী ব্যবস্থা।
বিনা মেঘে বজ্রপাত — হঠাৎ ও অপ্রত্যাশিত বিপদ।
বিশ্বামিত্রের গন্ধ — গুরুতর ভুল বা ভুলের ইঙ্গিত।
বুদ্ধির ঢেঁকি — খুব নির্বোধ ব্যক্তি।
বারো ভূতে লুট — সম্পদের কোনো নিয়ন্ত্রণ না থেকে সবাই মিলে নষ্ট করা।
বাড়ন্ত ভাতে ছাই — ভালোভাবে চলা অবস্থায় বাধা সৃষ্টি করা।
বাহাত্তরে ধরা — বয়সের কারণে স্মৃতি বা বিচারশক্তি দুর্বল হওয়া।
ভানুমতীর খেলা — চোখ ধাঁধানো কৌশল বা ভেলকিবাজি।
ভদ্রলোকের জ্বর — সামান্য অসুস্থতাকেও বড় করে দেখা।
ভূতের ব্যাগার — অর্থহীন বা নিষ্ফল পরিশ্রম।
ভূঁইফোঁড় — হঠাৎ গড়ে ওঠা, নতুন এবং প্রতিষ্ঠাহীন।
ভিজে বিড়াল — বাইরে খুব শান্ত বা নিরীহ সাজা ব্যক্তি।
ভূষণ্ডির কাক — অত্যন্ত দীর্ঘজীবী মানুষ।
বড় আঁটুনি ছোট গেরো — বাহ্যিক আয়োজন বড় হলেও ভেতরে দুর্বল ব্যবস্থা থাকা।
বসন্তের কোকিল — সুসময়ের বন্ধু।
বিড়াল তপস্বী — বাইরে সাধু সাজলেও অন্তরে অসৎ ব্যক্তি।
বর্ণচোরা আম — প্রকৃত পরিচয় গোপনকারী ব্যক্তি।
বাঁ হাতের ব্যাপার — খুব সহজ কাজ।
বাঁধা গৎ — নির্দিষ্ট ও পরিবর্তনহীন আচরণ।
বাজারে কাটা — ব্যাপক বিক্রি বা চাহিদা পাওয়া।
বালির বাঁধ — খুব দুর্বল ও অস্থায়ী ব্যবস্থা।
বিনা মেঘে বজ্রপাত — হঠাৎ ও অপ্রত্যাশিত বিপদ।
বিশ্বামিত্রের গন্ধ — গুরুতর ভুল বা ভুলের ইঙ্গিত।
বুদ্ধির ঢেঁকি — খুব নির্বোধ ব্যক্তি।
বারো ভূতে লুট — সম্পদের কোনো নিয়ন্ত্রণ না থেকে সবাই মিলে নষ্ট করা।
বাড়ন্ত ভাতে ছাই — ভালোভাবে চলা অবস্থায় বাধা সৃষ্টি করা।
বাহাত্তরে ধরা — বয়সের কারণে স্মৃতি বা বিচারশক্তি দুর্বল হওয়া।
ভানুমতীর খেলা — চোখ ধাঁধানো কৌশল বা ভেলকিবাজি।
ভদ্রলোকের জ্বর — সামান্য অসুস্থতাকেও বড় করে দেখা।
ভূতের ব্যাগার — অর্থহীন বা নিষ্ফল পরিশ্রম।
ভূঁইফোঁড় — হঠাৎ গড়ে ওঠা, নতুন এবং প্রতিষ্ঠাহীন।
ভিজে বিড়াল — বাইরে খুব শান্ত বা নিরীহ সাজা ব্যক্তি।
ভূষণ্ডির কাক — অত্যন্ত দীর্ঘজীবী মানুষ।
ম দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
মগের মুল্লুক — শৃঙ্খলাহীন বা অরাজক এলাকা।
মন না মতি — অস্থির বা সিদ্ধান্তহীন মন।
মড়াকান্না — অত্যন্ত উচ্চস্বরে বা অতিরঞ্জিত শোকপ্রকাশ।
মাছের মা — নিঃস্ব বা অসহায় অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত।
মাছের মায়ের পুত্রশোক — লোক দেখানো বা কপট শোক।
মিছরির ছুরি — বাইরে মিষ্টি কিন্তু ভেতরে ক্ষতিকর আচরণ।
মুখ চুন হওয়া — লজ্জিত বা হতাশ হওয়া।
মুখে ফুল চন্দন পড়া — শুভ সংবাদ বা সুন্দর কথা বলার জন্য ধন্যবাদ প্রকাশ।
মুখে মধু অন্তরে বিষ — মুখে ভালো ব্যবহার করলেও মনে শত্রুতা রাখা।
মুখে রক্ত ওঠা — হঠাৎ রাগে উত্তেজিত হওয়া।
মূর্তিমান শয়তান — অত্যন্ত দুষ্ট বা ক্ষতিকর ব্যক্তি।
মৌন মুখ — খুব নীরব বা কথা না বলা অবস্থা।
মুখচোরা — লাজুক স্বভাবের ব্যক্তি।
মক্কেল ফল — অসন্তোষজনক বা ব্যর্থ ফলাফল।
মশা মারতে কামান দাগা — ছোট কাজে প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত বড় আয়োজন করা।
মেয়ে মেয়ে বেলা হওয়া — বয়স বেড়ে যাওয়া।
মেছো হাঁটা — তুচ্ছ বিষয়ে মুখর বা অতিরিক্ত ব্যস্ত হওয়া।
মন না মতি — অস্থির বা সিদ্ধান্তহীন মন।
মড়াকান্না — অত্যন্ত উচ্চস্বরে বা অতিরঞ্জিত শোকপ্রকাশ।
মাছের মা — নিঃস্ব বা অসহায় অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত।
মাছের মায়ের পুত্রশোক — লোক দেখানো বা কপট শোক।
মিছরির ছুরি — বাইরে মিষ্টি কিন্তু ভেতরে ক্ষতিকর আচরণ।
মুখ চুন হওয়া — লজ্জিত বা হতাশ হওয়া।
মুখে ফুল চন্দন পড়া — শুভ সংবাদ বা সুন্দর কথা বলার জন্য ধন্যবাদ প্রকাশ।
মুখে মধু অন্তরে বিষ — মুখে ভালো ব্যবহার করলেও মনে শত্রুতা রাখা।
মুখে রক্ত ওঠা — হঠাৎ রাগে উত্তেজিত হওয়া।
মূর্তিমান শয়তান — অত্যন্ত দুষ্ট বা ক্ষতিকর ব্যক্তি।
মৌন মুখ — খুব নীরব বা কথা না বলা অবস্থা।
মুখচোরা — লাজুক স্বভাবের ব্যক্তি।
মক্কেল ফল — অসন্তোষজনক বা ব্যর্থ ফলাফল।
মশা মারতে কামান দাগা — ছোট কাজে প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত বড় আয়োজন করা।
মেয়ে মেয়ে বেলা হওয়া — বয়স বেড়ে যাওয়া।
মেছো হাঁটা — তুচ্ছ বিষয়ে মুখর বা অতিরিক্ত ব্যস্ত হওয়া।
র ও ল দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
রাক্ষসের ধন — এমন সম্পদ যা কেউ ব্যবহার করতে পারে না বা আগলে রাখা হয়।
রাঘব বোয়াল — অত্যন্ত ক্ষমতাবান বা প্রভাবশালী ব্যক্তি।
রাবণের চিতা — দীর্ঘস্থায়ী অশান্তি বা অশেষ দুশ্চিন্তা।
রামভাজি — গভীর প্রকৃতির বা রহস্যময় ব্যক্তি।
রাই কুড়িয়ে বেল — অল্প অল্প করে বড় সঞ্চয় তৈরি করা।
রাজা উজির মারা — অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা বড় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা।
রাবণের গুষ্টি — বড় পরিবার বা বিস্তৃত আত্মীয়গোষ্ঠী।
রায় বাঘিনী — অত্যন্ত প্রভাবশালী বা ক্ষমতাশালী নারী।
রাজ যোটক — খুব উপযুক্ত মিল।
রাহুর দশা — দুর্দশা বা খারাপ সময়।
লঙ্কাকাণ্ড — ভয়াবহ গোলযোগ বা বড় বিশৃঙ্খলা।
লোকমুখে দরস্ত — সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত।
লাল পানি — মদ্যপ পানীয় বোঝাতে ব্যবহৃত।
লাল বাতি জ্বালা — সর্বস্বান্ত বা দেউলিয়া হয়ে যাওয়া।
লাল হয়ে যাওয়া — সম্পদশালী বা ধনী হয়ে ওঠা।
লেজে গোবরে — সমস্যায় পড়ে তালগোল পাকানো।
রাঘব বোয়াল — অত্যন্ত ক্ষমতাবান বা প্রভাবশালী ব্যক্তি।
রাবণের চিতা — দীর্ঘস্থায়ী অশান্তি বা অশেষ দুশ্চিন্তা।
রামভাজি — গভীর প্রকৃতির বা রহস্যময় ব্যক্তি।
রাই কুড়িয়ে বেল — অল্প অল্প করে বড় সঞ্চয় তৈরি করা।
রাজা উজির মারা — অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বা বড় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা।
রাবণের গুষ্টি — বড় পরিবার বা বিস্তৃত আত্মীয়গোষ্ঠী।
রায় বাঘিনী — অত্যন্ত প্রভাবশালী বা ক্ষমতাশালী নারী।
রাজ যোটক — খুব উপযুক্ত মিল।
রাহুর দশা — দুর্দশা বা খারাপ সময়।
লঙ্কাকাণ্ড — ভয়াবহ গোলযোগ বা বড় বিশৃঙ্খলা।
লোকমুখে দরস্ত — সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত।
লাল পানি — মদ্যপ পানীয় বোঝাতে ব্যবহৃত।
লাল বাতি জ্বালা — সর্বস্বান্ত বা দেউলিয়া হয়ে যাওয়া।
লাল হয়ে যাওয়া — সম্পদশালী বা ধনী হয়ে ওঠা।
লেজে গোবরে — সমস্যায় পড়ে তালগোল পাকানো।
শ, স ও হ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
শাপে বর — অমঙ্গলজনক ঘটনা শেষ পর্যন্ত মঙ্গলের কারণ হওয়া।
শিকায় ওঠা — কোনো জিনিস স্থগিত বা অব্যবহৃত হয়ে থাকা।
শিশু খোকা — অত্যন্ত সরল বা অভিজ্ঞতাহীন ব্যক্তি।
শিবরাত্রির সলতে — পরিবারে একমাত্র সন্তান।
শিরে সংক্রান্তি — খুব নিকটবর্তী বড় বিপদ।
শরতের শিশির — খুব অল্প সময় স্থায়ী কোনো বিষয়।
শূন্যের মুখে ছাই — আকাঙ্ক্ষা বা আশাকে ব্যর্থ করে দেওয়া।
শ্রীঘর — কারাগার।
ষাঁড়ের গোবর — অযোগ্য বা অকেজো জিনিস।
খোল আনা — পুরোনো বা সেকেলে জিনিস।
সরু মেঘে ফল — অল্প সম্ভাবনা থেকে ভালো ফল পাওয়া।
সরকারি কাজ করা — দায়িত্ব পালন করা।
সাত খুন মাফ — অতিরিক্ত প্রশ্রয় পাওয়া।
সাত সতেরো — নানা রকম কথা বা প্রসঙ্গ।
সাপে নেউলে — দুই পক্ষের মধ্যে প্রবল শত্রুতা।
সবে ধন নীলমণি — একমাত্র মূল্যবান সন্তান বা প্রিয় বস্তু।
সাতেও নয় পাঁচেও নয় — নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা।
সাপের পাঁচ পা দেখা — অতিরিক্ত চালাক বা পাকা হয়ে ওঠা।
সোনার সোহাগা — ভালো কিছুর সঙ্গে আরও ভালো কিছু যুক্ত হওয়া।
সাক্ষী গোপাল — উপস্থিত থেকেও কার্যত নিষ্ক্রিয় ব্যক্তি।
সাক্ষাৎ যম — অত্যন্ত ভয়ংকর ব্যক্তি।
সাক্ষাৎ শনি — অমঙ্গল বা দুর্ভাগ্যের কারণ।
হ-য-ব-র-ল — সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল অবস্থা।
হরি ঘোষের গোয়াল — যেখানে অনেক ধরনের লোক বা জিনিস একত্রে থাকে।
হরিলুট — নিয়ন্ত্রণহীনভাবে সম্পদ লুট বা অপচয়।
হস্তী মূর্খ — বড় ধরনের নির্বোধ ব্যক্তি।
হাড়ে দুর্বা গজানো — অত্যন্ত অলস বা অকর্মণ্য অবস্থা।
হাতুড়ে — অনভিজ্ঞ বা অপটু চিকিৎসক।
হাতের পাঁচ — শেষ সম্বল বা গোপন প্রধান অস্ত্র।
হীরার ধার — অত্যন্ত তীক্ষ্ণ বুদ্ধি।
হোমরা চোমরা — সমাজের প্রভাবশালী বা গণ্যমান্য ব্যক্তি।
হিতে বিপরীত — ভালো করতে গিয়ে উল্টো ক্ষতি হওয়া।
হাড় হাভাতে — অত্যন্ত অভাবী বা দরিদ্র।
হালে পানি পাওয়া — পরিস্থিতি অনুকূলে আসা।
হাত ধুয়ে বসা — দৃঢ়ভাবে কোনো ব্যক্তির পেছনে লেগে থাকা।
শিকায় ওঠা — কোনো জিনিস স্থগিত বা অব্যবহৃত হয়ে থাকা।
শিশু খোকা — অত্যন্ত সরল বা অভিজ্ঞতাহীন ব্যক্তি।
শিবরাত্রির সলতে — পরিবারে একমাত্র সন্তান।
শিরে সংক্রান্তি — খুব নিকটবর্তী বড় বিপদ।
শরতের শিশির — খুব অল্প সময় স্থায়ী কোনো বিষয়।
শূন্যের মুখে ছাই — আকাঙ্ক্ষা বা আশাকে ব্যর্থ করে দেওয়া।
শ্রীঘর — কারাগার।
ষাঁড়ের গোবর — অযোগ্য বা অকেজো জিনিস।
খোল আনা — পুরোনো বা সেকেলে জিনিস।
সরু মেঘে ফল — অল্প সম্ভাবনা থেকে ভালো ফল পাওয়া।
সরকারি কাজ করা — দায়িত্ব পালন করা।
সাত খুন মাফ — অতিরিক্ত প্রশ্রয় পাওয়া।
সাত সতেরো — নানা রকম কথা বা প্রসঙ্গ।
সাপে নেউলে — দুই পক্ষের মধ্যে প্রবল শত্রুতা।
সবে ধন নীলমণি — একমাত্র মূল্যবান সন্তান বা প্রিয় বস্তু।
সাতেও নয় পাঁচেও নয় — নিরপেক্ষ অবস্থানে থাকা।
সাপের পাঁচ পা দেখা — অতিরিক্ত চালাক বা পাকা হয়ে ওঠা।
সোনার সোহাগা — ভালো কিছুর সঙ্গে আরও ভালো কিছু যুক্ত হওয়া।
সাক্ষী গোপাল — উপস্থিত থেকেও কার্যত নিষ্ক্রিয় ব্যক্তি।
সাক্ষাৎ যম — অত্যন্ত ভয়ংকর ব্যক্তি।
সাক্ষাৎ শনি — অমঙ্গল বা দুর্ভাগ্যের কারণ।
হ-য-ব-র-ল — সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল অবস্থা।
হরি ঘোষের গোয়াল — যেখানে অনেক ধরনের লোক বা জিনিস একত্রে থাকে।
হরিলুট — নিয়ন্ত্রণহীনভাবে সম্পদ লুট বা অপচয়।
হস্তী মূর্খ — বড় ধরনের নির্বোধ ব্যক্তি।
হাড়ে দুর্বা গজানো — অত্যন্ত অলস বা অকর্মণ্য অবস্থা।
হাতুড়ে — অনভিজ্ঞ বা অপটু চিকিৎসক।
হাতের পাঁচ — শেষ সম্বল বা গোপন প্রধান অস্ত্র।
হীরার ধার — অত্যন্ত তীক্ষ্ণ বুদ্ধি।
হোমরা চোমরা — সমাজের প্রভাবশালী বা গণ্যমান্য ব্যক্তি।
হিতে বিপরীত — ভালো করতে গিয়ে উল্টো ক্ষতি হওয়া।
হাড় হাভাতে — অত্যন্ত অভাবী বা দরিদ্র।
হালে পানি পাওয়া — পরিস্থিতি অনুকূলে আসা।
হাত ধুয়ে বসা — দৃঢ়ভাবে কোনো ব্যক্তির পেছনে লেগে থাকা।
সহজে মনে রাখার জন্য সমজাতীয় বাগধারা
Idioms grouped by similar meaning
১। অমঙ্গলের বা অনর্থক ব্যক্তির ধারণা প্রকাশে — অকাল কুষ্মাণ্ড, কাঠালের আমসত্ত্ব, কুমিরের গালিপাট ইত্যাদি ধরনের বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
২। অযোগ্য বা অপদার্থ বোঝাতে — অকর্মার ঢেঁকি, কুনো ব্যক্তি, অকার্যকর বা অকাজের বস্তুবাচক বিভিন্ন বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
৩। নির্বোধ বা জ্ঞানহীন ব্যক্তি বোঝাতে — অকালকুষ্মাণ্ড, আহাম্মক, বুদ্ধির ঢেঁকিসহ বিভিন্ন অভিব্যক্তি দেখা যায়।
৪। মৃত্যু বা জীবনের সমাপ্তি বোঝাতে — পটল তোলা, অক্কা পাওয়া, শেষ বিদায় নেওয়া ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
৫। আকস্মিক বিপদ বা প্রতিকূল পরিস্থিতির অর্থে — বিনা মেঘে বজ্রপাত, আকাশ ভেঙে পড়া, বড় দুর্যোগ ইত্যাদি ব্যবহৃত হতে পারে।
৬। প্রতারণা বা ধোঁকা বোঝাতে — চোখে ধুলো দেওয়া, ঠকানো, ফাঁকি দেওয়া ইত্যাদি কাছাকাছি অর্থ বহন করে।
৭। আকাঙ্ক্ষা পূরণ না হওয়া বোঝাতে — গুড়ে বালি, আশায় ছাই পড়া, পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়া ধরনের প্রকাশ ব্যবহৃত হয়।
৮। দুর্লভ কোনো বিষয় বোঝাতে — আকাশের চাঁদ, ডুমুরের ফুল, খুব কম দেখা যায় এমন বস্তু প্রভৃতি উদাহরণযোগ্য।
৯। আনন্দ বা বড় লাভ বোঝাতে — পোয়া বারো, সোনার সোহাগা, বিশেষ সুবিধা পাওয়া ইত্যাদি কাছাকাছি ধারণা দেয়।
১০। হত্যা বা বড় ধরনের ক্ষতি বোঝাতে — আট কপালে, খণ্ডকপাল বা সর্বনাশের ভাব প্রকাশকারী বাগধারা পাওয়া যায়।
১১। অতিরিক্ত দুঃখ বা লজ্জার পরিস্থিতিতে — মুখ চুন হওয়া, মাথা নিচু হওয়া, হতাশ হওয়া ধরনের অভিব্যক্তি ব্যবহৃত হয়।
১২। প্রবল বা তীব্র ক্রোধ বোঝাতে — অগ্নিশর্মা, মুখে রক্ত ওঠা, রাগে ফেটে পড়া ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
১৩। বেকার বা অকাজে সময় নষ্ট করা বোঝাতে — ঘোড়ার ঘাস কাটা বা অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় কাটানোর মতো অভিব্যক্তি ব্যবহৃত হয়।
১৪। প্রবল বিপদ বোঝাতে — জলে কুমির ডাঙায় বাঘ, শিরে সংক্রান্তি, কঠিন সংকট ইত্যাদি বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
১৫। অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তি বোঝাতে — চোখের মণি, বুকের ধন, প্রাণের মানুষ ইত্যাদি কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
১৬। মূল্যহীন বা অকেজো বস্তু বোঝাতে — কাঠের পুতুল, আমসত্ত্ব জাতীয় অকাজের বস্তুবাচক বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
১৭। অতিরিক্ত অহংকার বা দম্ভ বোঝাতে — টাকার গরম, নথ নাড়া, আত্মগর্ব প্রকাশের বিভিন্ন রূপ দেখা যায়।
১৮। উভয় দিক থেকে বিপদে পড়ার ধারণায় — জলে কুমির ডাঙায় বাঘ, শাঁখের করাত প্রভৃতি পরিচিত বাগধারা।
১৯। সুসময়ের বন্ধুর ক্ষেত্রে — বসন্তের কোকিল, দুধের মাছি এবং প্রয়োজনভিত্তিক সম্পর্ক বোঝানো অন্যান্য বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
২০। ভণ্ড বা বাহ্যিক ধার্মিকতার ক্ষেত্রে — বিড়াল তপস্বী, ভণ্ড সাধু ইত্যাদি ধরনের বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
২১। অপচয় বা বিশৃঙ্খল ব্যয়ের ক্ষেত্রে — নয় ছয়, বারো ভূতে লুট এবং নিয়ন্ত্রণহীন ব্যয়ের অভিব্যক্তি দেখা যায়।
২২। লাজুক স্বভাব বোঝাতে — মুখচোরা, সংকোচপ্রবণ বা মানুষের সামনে সহজে কথা বলতে পারে না এমন ব্যক্তিকে বোঝানোর বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
২৩। একমাত্র অবলম্বন বোঝাতে — অন্ধের যষ্টি, সবে ধন নীলমণি এবং একমাত্র ভরসার ভাব প্রকাশকারী বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
২৪। অত্যন্ত সৌভাগ্যজনক ঘটনা বোঝাতে — পোয়া বারো, পাথরে পাঁচ কিল, সোনার সোহাগা প্রভৃতি বাগধারা প্রসঙ্গভেদে ব্যবহৃত হয়।
২। অযোগ্য বা অপদার্থ বোঝাতে — অকর্মার ঢেঁকি, কুনো ব্যক্তি, অকার্যকর বা অকাজের বস্তুবাচক বিভিন্ন বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
৩। নির্বোধ বা জ্ঞানহীন ব্যক্তি বোঝাতে — অকালকুষ্মাণ্ড, আহাম্মক, বুদ্ধির ঢেঁকিসহ বিভিন্ন অভিব্যক্তি দেখা যায়।
৪। মৃত্যু বা জীবনের সমাপ্তি বোঝাতে — পটল তোলা, অক্কা পাওয়া, শেষ বিদায় নেওয়া ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
৫। আকস্মিক বিপদ বা প্রতিকূল পরিস্থিতির অর্থে — বিনা মেঘে বজ্রপাত, আকাশ ভেঙে পড়া, বড় দুর্যোগ ইত্যাদি ব্যবহৃত হতে পারে।
৬। প্রতারণা বা ধোঁকা বোঝাতে — চোখে ধুলো দেওয়া, ঠকানো, ফাঁকি দেওয়া ইত্যাদি কাছাকাছি অর্থ বহন করে।
৭। আকাঙ্ক্ষা পূরণ না হওয়া বোঝাতে — গুড়ে বালি, আশায় ছাই পড়া, পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়া ধরনের প্রকাশ ব্যবহৃত হয়।
৮। দুর্লভ কোনো বিষয় বোঝাতে — আকাশের চাঁদ, ডুমুরের ফুল, খুব কম দেখা যায় এমন বস্তু প্রভৃতি উদাহরণযোগ্য।
৯। আনন্দ বা বড় লাভ বোঝাতে — পোয়া বারো, সোনার সোহাগা, বিশেষ সুবিধা পাওয়া ইত্যাদি কাছাকাছি ধারণা দেয়।
১০। হত্যা বা বড় ধরনের ক্ষতি বোঝাতে — আট কপালে, খণ্ডকপাল বা সর্বনাশের ভাব প্রকাশকারী বাগধারা পাওয়া যায়।
১১। অতিরিক্ত দুঃখ বা লজ্জার পরিস্থিতিতে — মুখ চুন হওয়া, মাথা নিচু হওয়া, হতাশ হওয়া ধরনের অভিব্যক্তি ব্যবহৃত হয়।
১২। প্রবল বা তীব্র ক্রোধ বোঝাতে — অগ্নিশর্মা, মুখে রক্ত ওঠা, রাগে ফেটে পড়া ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
১৩। বেকার বা অকাজে সময় নষ্ট করা বোঝাতে — ঘোড়ার ঘাস কাটা বা অপ্রয়োজনীয় কাজে সময় কাটানোর মতো অভিব্যক্তি ব্যবহৃত হয়।
১৪। প্রবল বিপদ বোঝাতে — জলে কুমির ডাঙায় বাঘ, শিরে সংক্রান্তি, কঠিন সংকট ইত্যাদি বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
১৫। অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তি বোঝাতে — চোখের মণি, বুকের ধন, প্রাণের মানুষ ইত্যাদি কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
১৬। মূল্যহীন বা অকেজো বস্তু বোঝাতে — কাঠের পুতুল, আমসত্ত্ব জাতীয় অকাজের বস্তুবাচক বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
১৭। অতিরিক্ত অহংকার বা দম্ভ বোঝাতে — টাকার গরম, নথ নাড়া, আত্মগর্ব প্রকাশের বিভিন্ন রূপ দেখা যায়।
১৮। উভয় দিক থেকে বিপদে পড়ার ধারণায় — জলে কুমির ডাঙায় বাঘ, শাঁখের করাত প্রভৃতি পরিচিত বাগধারা।
১৯। সুসময়ের বন্ধুর ক্ষেত্রে — বসন্তের কোকিল, দুধের মাছি এবং প্রয়োজনভিত্তিক সম্পর্ক বোঝানো অন্যান্য বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
২০। ভণ্ড বা বাহ্যিক ধার্মিকতার ক্ষেত্রে — বিড়াল তপস্বী, ভণ্ড সাধু ইত্যাদি ধরনের বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
২১। অপচয় বা বিশৃঙ্খল ব্যয়ের ক্ষেত্রে — নয় ছয়, বারো ভূতে লুট এবং নিয়ন্ত্রণহীন ব্যয়ের অভিব্যক্তি দেখা যায়।
২২। লাজুক স্বভাব বোঝাতে — মুখচোরা, সংকোচপ্রবণ বা মানুষের সামনে সহজে কথা বলতে পারে না এমন ব্যক্তিকে বোঝানোর বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
২৩। একমাত্র অবলম্বন বোঝাতে — অন্ধের যষ্টি, সবে ধন নীলমণি এবং একমাত্র ভরসার ভাব প্রকাশকারী বাগধারা ব্যবহৃত হয়।
২৪। অত্যন্ত সৌভাগ্যজনক ঘটনা বোঝাতে — পোয়া বারো, পাথরে পাঁচ কিল, সোনার সোহাগা প্রভৃতি বাগধারা প্রসঙ্গভেদে ব্যবহৃত হয়।
- ‘আকাশ কুসুম’ বাগধারাটি কোন অর্থ নির্দেশ করে?
- আকাশে অবস্থিত কোনো বস্তু
- অপ্রত্যাশিত ঘটনা
- বহুল প্রচলিত ব্যবস্থা
- বাস্তবে সম্ভব নয় এমন কল্পনা
- ‘সাক্ষী গোপাল’ বলতে সাধারণত কেমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়?
- অপদার্থ ব্যক্তি
- মূর্খ ব্যক্তি
- নিরেট বোকা
- নিষ্ক্রিয় দর্শক
- ‘ধামাধরা’ বাগধারাটির ভাবার্থ কোনটি?
- স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি
- ভণ্ড ধার্মিক
- তোষামোদকারী ব্যক্তি
- কর্মহীন লোক
- বাইরের সাজসজ্জা ও আড়ম্বর ঠিক রেখে চলার ভাব প্রকাশে কোন বাগধারাটি উপযুক্ত?
- বাঘের আঁচড়
- লেফাফা দুরস্ত
- রাশভারী
- ভিজে বেড়াল
- ‘ঢাক ঢাক গুড় গুড়’ বলতে কোন ধরনের আচরণ বোঝানো হয়?
- ঝগড়াটে আচরণ
- সন্দেহজনক আচরণ
- ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার
- লুকোচুরি বা গোপনীয়তা
- ‘ডাক্তার সাহেবের হাত যশ ভালো’—এখানে ‘হাত’ কোন অর্থে ব্যবহৃত?
- অধিকার অর্থে
- যশ অর্থে
- অভ্যাস অর্থে
- নিপুণতা অর্থে
- ‘তাসের ঘর’ কথাটির অর্থ কী?
- সর্বনাশ
- তামাশা
- ক্ষণস্থায়ী বিষয়
- দৃঢ় স্থাপনা
- ‘তামার বিষ’ বাগধারাটিতে কোন ভাবটি প্রকাশ পায়?
- অর্থের অভাব
- অর্থের প্রাচুর্য
- অর্থের কুপ্রভাব
- অর্থের অহংকার
- ‘গোঁয়ার গণেশ’ কাকে বলা হয়?
- অপদার্থ লোক
- নিরেট মূর্খ
- অত্যন্ত অলস ব্যক্তি
- অপটু ব্যক???তি
- ‘একাদশে বৃহস্পতি’ কোন শ্রেণির ভাষিক প্রকাশ?
- প্রবাদ
- বাগধারা
- সমস্তপদ
- ব্যাসবাক্য
- ‘পুকুর চুরি’ বাগধারাটি কী বোঝায়?
- বাস্তবে অসম্ভব বিষয়
- বড় ধরনের চুরি
- পুকুর থেকে কিছু চুরি করা
- গোপন ষড়যন্ত্র
- ‘ইঁদুর কপালে’ ভাষার কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
- প্রবাদ
- বাগধারা
- সমস্তপদ
- ব্যাসবাক্য
- ‘একাদশে বৃহস্পতি’ বাগধারায় কী ধরনের সময় বোঝায়?
- সুসময়
- দুঃসময়
- অলীক সময়
- শেষ রক্ষা
- ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’ বলতে কাকে বোঝানো হয়?
- বয়োজ্যেষ্ঠ আত্মীয়
- শত্রুপক্ষের ব্যক্তি
- ঘরের অভিভাবক
- নিজের লোক হয়েও নিজের পক্ষের ক্ষতি করে যে
- ‘রাবণের চিতা’ বাগধারার মূল ভাব কোনটি?
- চির শান্তি
- চির অশান্তি
- চির নিদ্রা
- চির সুখ
- ‘নদের চাঁদ’ দ্বারা কেমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়?
- কর্মে খুব দক্ষ
- দুর্বল ও ব্যক্তিত্বহীন
- দেখতে সুন্দর হলেও কাজে অপদার্থ
- গভীরভাবে কর্মঠ
- বাগধারা বা বাগবিধির প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
- শুধু অভিধানগত অর্থ প্রকাশ করা
- বিশেষ বা প্রচলিত অর্থ প্রকাশ করা
- কেবল আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ করা
- অতিরিক্ত শব্দ যোগ করা
- ‘ভাবনা-চিন্তাহীন’ অর্থের কাছাকাছি কোন বাগধারাটি?
- সুখের পায়রা
- খোদার খাসি
- যক্ষের ধন
- বসন্তের কোকিল
- ‘গৌরচন্দ্রিকা’ শব্দটি বাগধারায় কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
- বাড়তি বোঝা
- রূপের মোহ
- ভূমিকা
- ফিটফাট অবস্থা
- স্বেচ্ছাচারী বা নিয়ন্ত্রণহীন ব্যক্তিকে কোন বাগধারা দিয়ে বোঝানো যায়?
- ধর্মের ষাঁড়
- পোয়া বারো
- রাহুর দশা
- বুদ্ধির ঢেঁকি
- নিচের কোন বাগধারাটি ‘চির অশান্তি’ বোঝায়?
- কুল কাঠের আগুন
- তুষের আগুন
- রাবণের চিতা
- কলির সন্ধ্যা
- ‘ফপর দালালি’ বাগধারাটির কাছাকাছি অর্থ কোনটি?
- ঠোঁটকাটা স্বভাব
- কাণ্ডজ্ঞানহীন আচরণ
- অযাচিতভাবে গায়ে পড়ে মাতব্বরি করা
- ধনের অহংকার করা
- ‘ইঁদুর কপালে’ বাগধারাটি কোন ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়?
- মন্দ কথা
- মন্দ ভাগ্য
- হাস্যকর চেহারা
- ঈর্ষান্বিত মন
- প্রকৃতির উপযুক্ত পরিবেশে প্রতিটি প্রাণী বা সত্তার সৌন্দর্য সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ পায়—এই ভাবের মূল তাৎপর্য কোনটি?
- শুধু বনজ প্রাণী বনেই সুন্দর
- প্রকৃতির রূপ সবসময় অপরিবর্তিত
- মানুষ প্রকৃতির বাইরে থাকলেই সুন্দর
- প্রত্যেক সত্তা তার স্বাভাবিক ও নিজস্ব পরিবেশে সবচেয়ে সুন্দর
- বৈরাগ্যকে একমাত্র লক্ষ্য না মেনে জীবনকে পূর্ণতার মধ্যে গ্রহণ করার বক্তব্যে কোন ধারণাটি প্রধানভাবে উঠে আসে?
- মুক্তি
- আনন্দ
- নির্বাণ
- আসক্তি
- ‘নদের চাঁদ’ বাগধারাটি কোন ধরনের ব্যক্তিকে বোঝায়?
- অত্যন্ত আকাঙ্ক্ষিত বস্তু
- দেখতে আকর্ষণীয় হলেও কাজে অকর্মণ্য ব্যক্তি
- অদৃষ্টের পরিহাস
- বিশেষ সম্মানিত ব্যক্তি
- যে ব্যক্তি বা বস্তুর কোনো মূল্য নেই, তাকে বোঝাতে কোন বাগধারাটি উপযুক্ত?
- ডাকাবুকো
- তুলসী বনের বাঘ
- কাঠের পুতুল
- ঢাকের বাঁয়া
- ‘পটাপট’ শব্দটির বাগধারাগত অর্থের কাছাকাছি কোনটি?
- গোপন চুক্তি
- বৃহৎ ব্যাপার
- অবিলম্বে বা দ্রুত
- দীর্ঘস্থায়ী
- ‘তামার বিষ’ বলতে কী বোঝানো হয়?
- অর্থের কুপ্রভাব
- অপচয়
- ক্ষণস্থায়ী বস্তু
- কৃপণের কড়ি
- অসার ব্যক্তির বড় বড় হুমকি বা গর্জনের ভাব কোন প্রবাদের মাধ্যমে সবচেয়ে ভালো বোঝানো যায়?
- কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন
- ঘুঘু দেখেছ, ফাঁদ দেখনি
- অসারের তর্জন-গর্জন সার
- আসলে মুষল নেই, টেঁকি ঘরে চাঁদোয়া
- ‘শিরে-সংক্রান্তি’ বাগধারার অর্থ কী?
- আসন্ন বিপদ
- মাথাব্যথা
- মহাবিপদ
- মাথার বোঝা
- ‘মন না মতি’ বাগধারা দিয়ে কোন অবস্থা বোঝানো হয়?
- চালবাজি
- অস্থির মানবমন
- অরাজক পরিস্থিতি
- অমূল্য সম্পদ
- ‘চক্ষুদান করা’ বাগধারাটির প্রকৃত অর্থ কী?
- পক্ষপাত করা
- সৌভাগ্য লাভ করা
- চুরি করা
- নষ্ট করা
- ‘শকুনি মামা’ বলতে কাকে বোঝানো হয়?
- কুৎসিত মামা
- সৎ মামা
- কুচক্রী ব্যক্তি
- পাতানো মামা
- ‘ভিক্ষুকটি যে পেছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!’—এখানে ‘কী’ কোন অনুভূতি প্রকাশ করছে?
- বিরক্তি
- রাগ
- ভয়
- হুমকি
- ‘হাতে দুর্বা গজানো’ কথাটি কোন বৈশিষ্ট্যের ইঙ্গিত দেয়?
- ছন্নছাড়া স্বভাব
- অল্পক্ষণ অপেক্ষা
- আলস্যের লক্ষণ
- অতিশয় দুর্বলতা
- ‘দহরম-মহরম’-এর বিপরীত ভাব প্রকাশ করে কোন বাগধারাটি?
- জিলাপির প্যাঁচ
- অহি-নকুল
- দুধের মাছি
- বসন্তের কোকিল
- ‘কেতাদুরস্ত’ বলতে কী বোঝায়?
- অলস
- পরিশ্রমী
- পরিপাটি
- দীর্ঘজীবী
- নিচের কোন বাগধারাটি স্বতন্ত্র অর্থে ব্যবহৃত?
- তুলসী বনের বাঘ
- বিড়াল তপস্বী
- ভিজা বিড়াল
- বকধার্মিক
- ‘চক্ষুদান করা’ কথাটির বাগধারাগত অর্থ কোনটি?
- চুরি করা
- সেবা করা
- অপরাধ করা
- নষ্ট করা
- ‘হাত ধুয়ে বসা’ বলতে কী বোঝায়?
- খেতে বসা
- কাজ শুরু করা
- ভণ্ডামি করা
- সাধু সাজার ভান করা
- ‘উজানের কৈ’ বলতে কী বোঝায়?
- বিরাট আয়োজন
- সহজলভ্য বস্তু
- অপদার্থ ব্যক্তি
- সামান্য পার্থক্য
- ‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারাটির সঙ্গে অর্থগতভাবে কোনটি সবচেয়ে বেশি মিলে?
- তাসের ঘর
- চোখের বালি
- গুড়ে বালি
- ঘরের খাঁ
- ‘নদের চাঁদ’ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়?
- অতি আকাঙ্ক্ষিত বস্তু
- সুদর্শন হলেও কর্মে অকর্মণ্য ব্যক্তি
- অদৃষ্টের পরিহাস
- বিশেষ সম্মানিত ব্যক্তি
- নিচের কোন বাগধারাটি দীর্ঘস্থায়ী অশান্তি বোঝায়?
- ভরাডুবি
- তামার বিষ
- রাবণের চিতা
- আকাশ ভেঙে পড়া
- নিচের কোন জোড়াটি অন্যগুলোর তুলনায় ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে?
- বকধার্মিক — বিড়াল তপস্বী
- মণিকাঞ্চন যোগ — সোনায় সোহাগা
- বাঁশের আঁটি — বাঁশের সাঁদি
- অন্ধের যষ্টি — অন্ধের নড়ি
- ‘ফাঁকা আওয়াজে কাজ আদায়’—এর কাছাকাছি বাগধারা কোনটি?
- কলকাঠি নাড়া
- কূপোকাত
- কালে ভদ্রে
- কথায় চিড়া ভেজা
- নিচের কোন বাক্যে ‘পাকা’ শব্দটি দক্ষ বা পারদর্শী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- পাকা আম খেতে মিষ্টি।
- ছেলেটি অঙ্কে পাকা।
- পাকা সোনায় খাদ থাকে না।
- শাড়িটির রং পাকা।
- সময় থাকতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে পরে সংশোধন কঠিন—এই ভাবের সঙ্গে কোন প্রবাদটি মেলে?
- নিজের পুরুষের ভোজন সার, করেন সদাই মার মার
- উঠতি মুলো পত্তনেই চেনা যায়
- নদী, নারী, শৃঙ্গধারী—এ তিনে না বিশ্বাস করি
- কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে ঠাস ঠাস
- ‘যার কোনো মূল্য নেই’—এই অর্থের সমার্থক বাগধারা কোনটি?
- ডাকাবুকো
- তুলসী বনের বাঘ
- কাঠের পুতুল
- ঢাকের বাঁয়া