কারক ও বিভক্তি — NTRCA school-2-level
কারক ও বিভক্তি: বাংলা, NTRCA school-2-level পাঠ ও 57টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/2।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী।
- বিভক্তি ও বিভক্তির ধারণা
- শূন্য বিভক্তি
- বিভক্তির প্রকারভেদ
- কারক
- কর্তৃকারক
- কর্মকারক
- করণ কারক
- সম্প্রদান কারক
- অপাদান কারক
- অধিকরণ কারক
- অধিকরণের প্রকারভেদ
- অপাদান ও অধিকরণ কারকের পার্থক্য
- কারক নির্ণয়ের সহজ কৌশল
- বহুনির্বাচনী প্রশ্নত্তর
বিভক্তি
শব্দের সঙ্গে বাক্যের অন্যান্য পদের সম্পর্ক
বাক্যের মধ্যে একটি পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্পর্ক প্রকাশের জন্য শব্দ বা ধাতুর শেষে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বিভক্তি বলা হয়।
শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হওয়ার পরে সেটি বাক্যে একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা গ্রহণ করে। তাই বিভক্তিযুক্ত শব্দকে সাধারণত পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
যেমন—
শিশু চাঁদ দেখছে।
এখানে বিভিন্ন শব্দের পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ পেয়েছে। শব্দগুলোর কোনো কোনোটিতে দৃশ্যমান বিভক্তি না থাকলেও ব্যাকরণগতভাবে সেখানে শূন্য বিভক্তি ধরা হয়।
বিভক্তি শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে না দিয়ে বাক্যের মধ্যে তার সম্পর্ক ও ভূমিকা নির্দেশ করে।
শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হওয়ার পরে সেটি বাক্যে একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা গ্রহণ করে। তাই বিভক্তিযুক্ত শব্দকে সাধারণত পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
যেমন—
শিশু চাঁদ দেখছে।
এখানে বিভিন্ন শব্দের পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ পেয়েছে। শব্দগুলোর কোনো কোনোটিতে দৃশ্যমান বিভক্তি না থাকলেও ব্যাকরণগতভাবে সেখানে শূন্য বিভক্তি ধরা হয়।
বিভক্তি শব্দের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে না দিয়ে বাক্যের মধ্যে তার সম্পর্ক ও ভূমিকা নির্দেশ করে।
শূন্য বিভক্তি
দৃশ্যমান বিভক্তি না থাকলেও ব্যাকরণগত বিভক্তি
কোনো শব্দ বাক্যে পদ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও তার সঙ্গে দৃশ্যমান কোনো বিভক্তিচিহ্ন যুক্ত না থাকলে সেখানে শূন্য বিভক্তি ধরা হয়।
যেমন—
মা চাঁদ দেখেন।
এখানে প্রসঙ্গভেদে কোনো কোনো শব্দে আলাদা বিভক্তিচিহ্ন নেই, কিন্তু সেগুলো বাক্যের মধ্যে নির্দিষ্ট কারক-সম্পর্ক প্রকাশ করছে। তাই সেসব ক্ষেত্রে শূন্য বিভক্তি বিবেচিত হয়।
শূন্য বিভক্তিকে অনেক সময় প্রথমা বিভক্তির অন্তর্ভুক্ত হিসেবেও দেখা হয়।
যেমন—
মা চাঁদ দেখেন।
এখানে প্রসঙ্গভেদে কোনো কোনো শব্দে আলাদা বিভক্তিচিহ্ন নেই, কিন্তু সেগুলো বাক্যের মধ্যে নির্দিষ্ট কারক-সম্পর্ক প্রকাশ করছে। তাই সেসব ক্ষেত্রে শূন্য বিভক্তি বিবেচিত হয়।
শূন্য বিভক্তিকে অনেক সময় প্রথমা বিভক্তির অন্তর্ভুক্ত হিসেবেও দেখা হয়।
বিভক্তির প্রকারভেদ
বাংলা শব্দবিভক্তির সাতটি প্রধান স্তর
বাংলা ব্যাকরণে শব্দবিভক্তিকে সাধারণভাবে সাত ভাগে আলোচনা করা হয়।
একই বিভক্তি ভিন্ন ভিন্ন কারকের সঙ্গে ব্যবহৃত হতে পারে। তাই শুধু বিভক্তিচিহ্ন দেখেই কারক নির্ণয় না করে বাক্যের অর্থ ও ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বিবেচনা করতে হয়।
| বিভক্তির নাম | প্রধান বিভক্তিচিহ্ন |
|---|---|
| প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি | শূন্য, অ, আ প্রভৃতি |
| দ্বিতীয়া বিভক্তি | কে, রে প্রভৃতি |
| তৃতীয়া বিভক্তি | দ্বারা, দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক প্রভৃতি |
| চতুর্থী বিভক্তি | কে, রে, নিমিত্তে, জন্য প্রভৃতি |
| পঞ্চমী বিভক্তি | হতে, থেকে, চেয়ে প্রভৃতি |
| ষষ্ঠী বিভক্তি | র, এর প্রভৃতি |
| সপ্তমী বিভক্তি | এ, য়, তে প্রভৃতি |
একই বিভক্তি ভিন্ন ভিন্ন কারকের সঙ্গে ব্যবহৃত হতে পারে। তাই শুধু বিভক্তিচিহ্ন দেখেই কারক নির্ণয় না করে বাক্যের অর্থ ও ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বিবেচনা করতে হয়।
কারক
ক্রিয়ার সঙ্গে নামপদের সম্পর্ক
কারক শব্দের আক্ষরিক অর্থ ক্রিয়া সম্পাদনকারী বা ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত পদ। বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে কোনো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের যে অর্থগত ও ব্যাকরণগত সম্পর্ক গড়ে ওঠে, তাকে কারক বলা হয়।
কারক প্রধানত ছয় প্রকার—
১। কর্তৃকারক
২। কর্মকারক
৩। করণ কারক
৪। সম্প্রদান কারক
৫। অপাদান কারক
৬। অধিকরণ কারক
কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে বাক্যের ক্রিয়া শনাক্ত করতে হয়। এরপর ক্রিয়াকে কে, কাকে, কী, কী দিয়ে, কোথা থেকে, কোথায় ইত্যাদি প্রশ্ন করলে বিভিন্ন কারক সহজে নির্ণয় করা যায়।
কারক প্রধানত ছয় প্রকার—
১। কর্তৃকারক
২। কর্মকারক
৩। করণ কারক
৪। সম্প্রদান কারক
৫। অপাদান কারক
৬। অধিকরণ কারক
কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে বাক্যের ক্রিয়া শনাক্ত করতে হয়। এরপর ক্রিয়াকে কে, কাকে, কী, কী দিয়ে, কোথা থেকে, কোথায় ইত্যাদি প্রশ্ন করলে বিভিন্ন কারক সহজে নির্ণয় করা যায়।
১। কর্তৃকারক
ক্রিয়ার কর্তা
বাক্যে যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে।
কর্তৃকারক নির্ণয়ের জন্য সাধারণত ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
যেমন—
গরু ঘাস খায়।
কে খায়? গরু। তাই গরু কর্তৃকারক।
আমি বই পড়ি।
কে পড়ে? আমি। তাই আমি কর্তৃকারক।
কর্মবাচ্য বা ভাববাচ্যে কর্তৃকারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শুধু বাক্যের প্রথম পদ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। ক্রিয়ার প্রকৃত কর্তার সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করতে হয়।
কর্তৃকারক নির্ণয়ের জন্য সাধারণত ক্রিয়াকে কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
যেমন—
গরু ঘাস খায়।
কে খায়? গরু। তাই গরু কর্তৃকারক।
আমি বই পড়ি।
কে পড়ে? আমি। তাই আমি কর্তৃকারক।
কর্মবাচ্য বা ভাববাচ্যে কর্তৃকারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শুধু বাক্যের প্রথম পদ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। ক্রিয়ার প্রকৃত কর্তার সঙ্গে সম্পর্ক বিচার করতে হয়।
২। কর্মকারক
ক্রিয়ার কাজ যার উপর পড়ে
যে পদকে অবলম্বন করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে বা ক্রিয়ার ফল যে ব্যক্তি বা বস্তুর উপর গিয়ে পড়ে, তাকে কর্মকারক বলে।
কর্মকারক নির্ণয়ে ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করা যায়।
যেমন—
বাবা আমাকে একটি বই দিলেন।
কাকে দিলেন? আমাকে। এখানে আমাকে কর্মকারক।
রহিম চিঠি লিখছে।
কী লিখছে? চিঠি। তাই চিঠি কর্মকারক।
একটি বাক্যে দুই ধরনের কর্ম থাকলে প্রধান কর্ম ও গৌণ কর্মের ধারণাও আসতে পারে। সাধারণত বস্তুবাচক পদ প্রধান কর্ম এবং ব্যক্তিবাচক পদ গৌণ কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
কর্মকারক নির্ণয়ে ক্রিয়াকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করা যায়।
যেমন—
বাবা আমাকে একটি বই দিলেন।
কাকে দিলেন? আমাকে। এখানে আমাকে কর্মকারক।
রহিম চিঠি লিখছে।
কী লিখছে? চিঠি। তাই চিঠি কর্মকারক।
একটি বাক্যে দুই ধরনের কর্ম থাকলে প্রধান কর্ম ও গৌণ কর্মের ধারণাও আসতে পারে। সাধারণত বস্তুবাচক পদ প্রধান কর্ম এবং ব্যক্তিবাচক পদ গৌণ কর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
৩। করণ কারক
ক্রিয়ার যন্ত্র, উপায় বা মাধ্যম
যে উপায়, যন্ত্র বা মাধ্যম ব্যবহার করে কোনো ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে করণ কারক বলে।
করণ কারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়াকে কী দিয়ে, কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে দিয়ে প্রশ্ন করা যায়।
যেমন—
কলম দিয়ে লিখি।
কী দিয়ে লিখি? কলম দিয়ে। তাই কলম করণ কারক।
সে লাঠি দিয়ে দরজা ঠেলে দিল।
কী দিয়ে ঠেলল? লাঠি দিয়ে। তাই লাঠি করণ কারক।
সাধনায় মানুষ উন্নত হয়।
কী উপায়ে উন্নত হয়? সাধনায়। তাই এটি করণ সম্পর্ক প্রকাশ করে।
করণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি খুবই পরিচিত। তবে বাক্যভেদে অন্য বিভক্তিও ব্যবহৃত হতে পারে।
করণ কারক নির্ণয়ের জন্য ক্রিয়াকে কী দিয়ে, কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে দিয়ে প্রশ্ন করা যায়।
যেমন—
কলম দিয়ে লিখি।
কী দিয়ে লিখি? কলম দিয়ে। তাই কলম করণ কারক।
সে লাঠি দিয়ে দরজা ঠেলে দিল।
কী দিয়ে ঠেলল? লাঠি দিয়ে। তাই লাঠি করণ কারক।
সাধনায় মানুষ উন্নত হয়।
কী উপায়ে উন্নত হয়? সাধনায়। তাই এটি করণ সম্পর্ক প্রকাশ করে।
করণ কারকে তৃতীয়া বিভক্তি খুবই পরিচিত। তবে বাক্যভেদে অন্য বিভক্তিও ব্যবহৃত হতে পারে।
৪। সম্প্রদান কারক
দান বা প্রদান যার উদ্দেশ্যে
স্বত্ব ত্যাগ করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে কিছু দান, প্রদান বা অর্পণ করা হলে যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান গ্রহণকারী হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে।
যেমন—
ভিখারিকে ভিক্ষা দাও।
কাকে দান করা হলো? ভিখারিকে। তাই ভিখারিকে সম্প্রদান কারক।
অসহায়কে খাবার দাও।
যার উদ্দেশ্যে খাবার প্রদান করা হচ্ছে, সেই পদটি সম্প্রদান কারক।
সমিতিতে চাঁদা দিলাম।
এখানে অর্থ এমন প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে যেখানে প্রদানের পর দাতার স্বত্ব থাকে না। তাই এটি সম্প্রদান সম্পর্ক প্রকাশ করতে পারে।
সম্প্রদান কারক সাধারণত চতুর্থী বিভক্তির সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত হলেও বিভক্তি ও কারক সব সময় এক নয়। বাক্যের অর্থই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়।
যেমন—
ভিখারিকে ভিক্ষা দাও।
কাকে দান করা হলো? ভিখারিকে। তাই ভিখারিকে সম্প্রদান কারক।
অসহায়কে খাবার দাও।
যার উদ্দেশ্যে খাবার প্রদান করা হচ্ছে, সেই পদটি সম্প্রদান কারক।
সমিতিতে চাঁদা দিলাম।
এখানে অর্থ এমন প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে প্রদান করা হয়েছে যেখানে প্রদানের পর দাতার স্বত্ব থাকে না। তাই এটি সম্প্রদান সম্পর্ক প্রকাশ করতে পারে।
সম্প্রদান কারক সাধারণত চতুর্থী বিভক্তির সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত হলেও বিভক্তি ও কারক সব সময় এক নয়। বাক্যের অর্থই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়।
৫। অপাদান কারক
উৎস, বিচ্ছেদ, উৎপত্তি বা দূরত্বের সূচক
যে পদ থেকে কোনো কিছু গৃহীত, উৎপন্ন, বিচ্ছিন্ন, দূরীভূত, পতিত বা সরিয়ে নেওয়া হয়, তাকে অপাদান কারক বলে।
অপাদান নির্ণয়ের জন্য সাধারণত কোথা থেকে, কী থেকে, কার থেকে বা কী হতে জাতীয় প্রশ্ন করা যায়।
যেমন—
গাছ থেকে পাতা পড়ে।
কী থেকে পাতা পড়ে? গাছ থেকে। তাই গাছ অপাদান কারক।
ভক্তি থেকে মুক্তি আসে।
কী থেকে মুক্তি আসে? ভক্তি থেকে। এখানে উৎসের অর্থ থাকায় অপাদান কারক।
জমি থেকে ফসল পাই।
কী থেকে ফসল পাওয়া যায়? জমি থেকে। তাই জমি অপাদান কারক।
বিপদ থেকে বাঁচো।
কী থেকে বাঁচতে বলা হয়েছে? বিপদ থেকে। বিচ্ছেদ বা দূরত্বের অর্থে এটি অপাদান কারক।
অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তির ব্যবহার বিশেষভাবে দেখা যায়।
অপাদান নির্ণয়ের জন্য সাধারণত কোথা থেকে, কী থেকে, কার থেকে বা কী হতে জাতীয় প্রশ্ন করা যায়।
যেমন—
গাছ থেকে পাতা পড়ে।
কী থেকে পাতা পড়ে? গাছ থেকে। তাই গাছ অপাদান কারক।
ভক্তি থেকে মুক্তি আসে।
কী থেকে মুক্তি আসে? ভক্তি থেকে। এখানে উৎসের অর্থ থাকায় অপাদান কারক।
জমি থেকে ফসল পাই।
কী থেকে ফসল পাওয়া যায়? জমি থেকে। তাই জমি অপাদান কারক।
বিপদ থেকে বাঁচো।
কী থেকে বাঁচতে বলা হয়েছে? বিপদ থেকে। বিচ্ছেদ বা দূরত্বের অর্থে এটি অপাদান কারক।
অপাদান কারকে পঞ্চমী বিভক্তির ব্যবহার বিশেষভাবে দেখা যায়।
৬। অধিকরণ কারক
ক্রিয়ার স্থান, সময় বা বিষয়
ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল, আধার বা ক্ষেত্রকে অধিকরণ কারক বলে।
ক্রিয়াকে কোথায়, কখন বা কী বিষয়ে দিয়ে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক চিহ্নিত করা যায়।
যেমন—
পুকুরে মাছ আছে।
কোথায় মাছ আছে? পুকুরে। তাই পুকুরে অধিকরণ কারক।
বনে বাঘ থাকে।
কোথায় থাকে? বনে। তাই বনে অধিকরণ কারক।
সকালে সূর্য ওঠে।
কখন ওঠে? সকালে। তাই সকালে অধিকরণ কারক।
রবিন অঙ্কে ভালো।
কী বিষয়ে ভালো? অঙ্কে। এখানে বিষয়গত অধিকরণ প্রকাশ পেয়েছে।
অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি বহুল ব্যবহৃত হয়।
ক্রিয়াকে কোথায়, কখন বা কী বিষয়ে দিয়ে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক চিহ্নিত করা যায়।
যেমন—
পুকুরে মাছ আছে।
কোথায় মাছ আছে? পুকুরে। তাই পুকুরে অধিকরণ কারক।
বনে বাঘ থাকে।
কোথায় থাকে? বনে। তাই বনে অধিকরণ কারক।
সকালে সূর্য ওঠে।
কখন ওঠে? সকালে। তাই সকালে অধিকরণ কারক।
রবিন অঙ্কে ভালো।
কী বিষয়ে ভালো? অঙ্কে। এখানে বিষয়গত অধিকরণ প্রকাশ পেয়েছে।
অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি বহুল ব্যবহৃত হয়।
অধিকরণ কারকের প্রকারভেদ
স্থান, সময় ও বিষয়ভিত্তিক অধিকরণ
অধিকরণ কারককে প্রধানত তিন ভাগে আলোচনা করা যায়—
১। কালাধিকরণ
২। আধারাধিকরণ
৩। বৈষয়িক অধিকরণ
কালাধিকরণ
যখন ক্রিয়া সম্পাদনের সময় নির্দেশ করা হয়, তখন তাকে কালাধিকরণ বলে।
যেমন—
প্রভাতে সূর্য ওঠে।
কখন সূর্য ওঠে? প্রভাতে। তাই প্রভাতে কালাধিকরণ।
সে গতকাল এসেছিল।
কখন এসেছিল? গতকাল। তাই গতকাল কালাধিকরণ।
আধারাধিকরণ
যে স্থান বা আধারে কোনো ব্যক্তি বা বস্তু অবস্থান করে অথবা যেখানে ক্রিয়া ঘটে, তাকে আধারাধিকরণ বলে।
আধারাধিকরণকে আবার একদেশিক, অভিব্যাপক ও বৈষয়িক দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করা যায়।
১। কালাধিকরণ
২। আধারাধিকরণ
৩। বৈষয়িক অধিকরণ
কালাধিকরণ
যখন ক্রিয়া সম্পাদনের সময় নির্দেশ করা হয়, তখন তাকে কালাধিকরণ বলে।
যেমন—
প্রভাতে সূর্য ওঠে।
কখন সূর্য ওঠে? প্রভাতে। তাই প্রভাতে কালাধিকরণ।
সে গতকাল এসেছিল।
কখন এসেছিল? গতকাল। তাই গতকাল কালাধিকরণ।
আধারাধিকরণ
যে স্থান বা আধারে কোনো ব্যক্তি বা বস্তু অবস্থান করে অথবা যেখানে ক্রিয়া ঘটে, তাকে আধারাধিকরণ বলে।
আধারাধিকরণকে আবার একদেশিক, অভিব্যাপক ও বৈষয়িক দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করা যায়।
একদেশিক আধারাধিকরণ
কোনো বিস্তৃত স্থান বা বস্তুর কেবল একটি অংশে ক্রিয়া বা অবস্থান সীমাবদ্ধ থাকলে তাকে একদেশিক আধারাধিকরণ বলা হয়।
যেমন—
আকাশে চাঁদ উঠেছে।
অর্থাৎ আকাশের একটি অংশে চাঁদ দৃশ্যমান।
বনে বাঘ আছে।
অর্থাৎ বনের কোনো একটি অংশে বাঘ অবস্থান করছে।
পুকুরে মাছ আছে।
অর্থাৎ পুকুরের কোনো একটি অংশে মাছের অবস্থান বোঝানো হয়েছে।
যেমন—
আকাশে চাঁদ উঠেছে।
অর্থাৎ আকাশের একটি অংশে চাঁদ দৃশ্যমান।
বনে বাঘ আছে।
অর্থাৎ বনের কোনো একটি অংশে বাঘ অবস্থান করছে।
পুকুরে মাছ আছে।
অর্থাৎ পুকুরের কোনো একটি অংশে মাছের অবস্থান বোঝানো হয়েছে।
অভিব্যাপক আধারাধিকরণ
যখন কোনো বস্তু বা পদার্থ সমগ্র আধার জুড়ে বিস্তৃত অবস্থায় থাকে, তখন তাকে অভিব্যাপক আধারাধিকরণ বলা হয়।
যেমন—
নদীতে পানি আছে।
এখানে পানিকে নদীর বিস্তৃত অংশজুড়ে উপস্থিত হিসেবে বোঝানো হয়েছে।
তিলে তেল আছে।
তিলের ভেতর তেলের উপস্থিতি সমগ্র আধারের সঙ্গে সম্পর্কিত।
যেমন—
নদীতে পানি আছে।
এখানে পানিকে নদীর বিস্তৃত অংশজুড়ে উপস্থিত হিসেবে বোঝানো হয়েছে।
তিলে তেল আছে।
তিলের ভেতর তেলের উপস্থিতি সমগ্র আধারের সঙ্গে সম্পর্কিত।
বৈষয়িক অধিকরণ
কোনো ব্যক্তি বা বিষয়ের দক্ষতা, অদক্ষতা, পারদর্শিতা বা সীমাবদ্ধতা যে বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রকাশ পায়, সেই বিষয় বৈষয়িক অধিকরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন—
করিম অঙ্কে ভালো।
কোন বিষয়ে ভালো? অঙ্কে। তাই অঙ্কে বৈষয়িক অধিকরণ।
আমাদের সৈন্যরা যুদ্ধে দক্ষ।
কোন বিষয়ে দক্ষ? যুদ্ধে। তাই যুদ্ধে বৈষয়িক অধিকরণ।
যেমন—
করিম অঙ্কে ভালো।
কোন বিষয়ে ভালো? অঙ্কে। তাই অঙ্কে বৈষয়িক অধিকরণ।
আমাদের সৈন্যরা যুদ্ধে দক্ষ।
কোন বিষয়ে দক্ষ? যুদ্ধে। তাই যুদ্ধে বৈষয়িক অধিকরণ।
অপাদান ও অধিকরণ কারকের পার্থক্য
অপাদান ও অধিকরণ কারক আলাদা করতে অর্থের দিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য করতে হয়। শুধু বিভক্তিচিহ্ন দেখে সিদ্ধান্ত নিলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
অপাদান কারকের প্রধান বৈশিষ্ট্য
যে স্থান, ব্যক্তি বা বস্তু থেকে কিছু বের হয়, উৎপন্ন হয়, বিচ্ছিন্ন হয় বা দূরে সরে যায়, সেখানে অপাদান সম্পর্ক থাকে।
যেমন—
তিল থেকে তেল হয়।
এখানে তিল তেলের উৎস। তাই তিল অপাদান কারক।
ছাদ থেকে পানি পড়ে।
পানি ছাদ থেকে নিচে নামছে। তাই ছাদ অপাদান কারক।
বিপদ থেকে বাঁচো।
বিপদ থেকে দূরে সরে যাওয়ার অর্থ রয়েছে। তাই বিপদ অপাদান কারক।
অধিকরণ কারকের প্রধান বৈশিষ্ট্য
যে স্থান বা আধারের ভেতরে ক্রিয়া সংঘটিত হয় বা কোনো বস্তু অবস্থান করে, সেখানে অধিকরণ সম্পর্ক থাকে।
যেমন—
তিলে তেল আছে।
এখানে তেলের অবস্থান তিলের ভ???তরে। তাই তিল অধিকরণ কারক।
ছাদে পানি পড়ে।
এখানে ছাদ ক্রিয়ার স্থান বা আধার। তাই ছাদ অধিকরণ কারক।
অর্থাৎ—
কিছু বের হওয়া, বিচ্ছিন্ন হওয়া বা উৎস বোঝালে অপাদান।
কোনো কিছুর অবস্থান বা ক্রিয়ার স্থান বোঝালে অধিকরণ।
অপাদান কারকের প্রধান বৈশিষ্ট্য
যে স্থান, ব্যক্তি বা বস্তু থেকে কিছু বের হয়, উৎপন্ন হয়, বিচ্ছিন্ন হয় বা দূরে সরে যায়, সেখানে অপাদান সম্পর্ক থাকে।
যেমন—
তিল থেকে তেল হয়।
এখানে তিল তেলের উৎস। তাই তিল অপাদান কারক।
ছাদ থেকে পানি পড়ে।
পানি ছাদ থেকে নিচে নামছে। তাই ছাদ অপাদান কারক।
বিপদ থেকে বাঁচো।
বিপদ থেকে দূরে সরে যাওয়ার অর্থ রয়েছে। তাই বিপদ অপাদান কারক।
অধিকরণ কারকের প্রধান বৈশিষ্ট্য
যে স্থান বা আধারের ভেতরে ক্রিয়া সংঘটিত হয় বা কোনো বস্তু অবস্থান করে, সেখানে অধিকরণ সম্পর্ক থাকে।
যেমন—
তিলে তেল আছে।
এখানে তেলের অবস্থান তিলের ভ???তরে। তাই তিল অধিকরণ কারক।
ছাদে পানি পড়ে।
এখানে ছাদ ক্রিয়ার স্থান বা আধার। তাই ছাদ অধিকরণ কারক।
অর্থাৎ—
কিছু বের হওয়া, বিচ্ছিন্ন হওয়া বা উৎস বোঝালে অপাদান।
কোনো কিছুর অবস্থান বা ক্রিয়ার স্থান বোঝালে অধিকরণ।
কারক নির্ণয়ের সহজ কৌশল
প্রশ্ন করে কারক শনাক্তকরণ
কারক নির্ণয়ের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো প্রথমে বাক্যের ক্রিয়াপদ শনাক্ত করা এবং তারপর সেই ক্রিয়াকে যথাযথ প্রশ্ন করা।
কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে সাধারণত কর্তৃকারক পাওয়া যায়।
কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে সাধারণত কর্মকারক পাওয়া যায়।
কী দিয়ে, কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে দিয়ে প্রশ্ন করলে করণ কারক পাওয়া যায়।
কাকে বা কার উদ্দেশ্যে কিছু দান করা হলো—এমন অর্থ থাকলে সম্প্রদান কারক পাওয়া যায়।
কোথা থেকে, কী থেকে বা কার থেকে প্রশ্ন করলে অপাদান কারক পাওয়া যায়।
কোথায়, কখন বা কী বিষয়ে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে—একই বিভক্তিচিহ্ন একাধিক কারকে ব্যবহৃত হতে পারে। তাই বিভক্তি দেখে সরাসরি কারক নির্ণয় না করে ক্রিয়ার সঙ্গে পদের অর্থগত সম্পর্ক বিচার করতে হবে।
কে বা কারা দিয়ে প্রশ্ন করলে সাধারণত কর্তৃকারক পাওয়া যায়।
কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে সাধারণত কর্মকারক পাওয়া যায়।
কী দিয়ে, কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে দিয়ে প্রশ্ন করলে করণ কারক পাওয়া যায়।
কাকে বা কার উদ্দেশ্যে কিছু দান করা হলো—এমন অর্থ থাকলে সম্প্রদান কারক পাওয়া যায়।
কোথা থেকে, কী থেকে বা কার থেকে প্রশ্ন করলে অপাদান কারক পাওয়া যায়।
কোথায়, কখন বা কী বিষয়ে প্রশ্ন করলে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে—একই বিভক্তিচিহ্ন একাধিক কারকে ব্যবহৃত হতে পারে। তাই বিভক্তি দেখে সরাসরি কারক নির্ণয় না করে ক্রিয়ার সঙ্গে পদের অর্থগত সম্পর্ক বিচার করতে হবে।
অর্থ পরিবর্তনে কারক পরিবর্তন
একই বা কাছাকাছি শব্দগঠন ব্যবহার করেও বাক্যের অর্থ পরিবর্তিত হলে কারক পরিবর্তিত হতে পারে।
তিলে তেল হয়।
এখানে তিল থেকে তেল উৎপন্ন হওয়ার ধারণা রয়েছে। তাই তিল অপাদান কারক।
তিলে তেল আছে।
এখানে তেলের অবস্থান তিলের মধ্যে বোঝানো হয়েছে। তাই তিল অধিকরণ কারক।
টাকায় টাকা আনে।
এখানে টাকা অন্য টাকা অর্জনের উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই প্রথম টাকা করণ সম্পর্ক প্রকাশ করে।
টাকায় কী না হয়।
এখানেও টাকা নানা কাজ সাধনের উপায় হিসেবে বোঝানো হয়েছে। তাই করণ সম্পর্ক বিদ্যমান।
অন্যের ডাক্তার ডাক।
যে ব্যক্তি কাজটি সম্পাদন করছে সে কর্তা। আবার অন্য কাউকে দিয়ে ডাকানোর অর্থ থাকলে সেই সম্পর্ক অনুযায়ী কারক নির্ণয় করতে হবে। বাক্যের পূর্ণ অর্থ বোঝা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিলে তেল হয়।
এখানে তিল থেকে তেল উৎপন্ন হওয়ার ধারণা রয়েছে। তাই তিল অপাদান কারক।
তিলে তেল আছে।
এখানে তেলের অবস্থান তিলের মধ্যে বোঝানো হয়েছে। তাই তিল অধিকরণ কারক।
টাকায় টাকা আনে।
এখানে টাকা অন্য টাকা অর্জনের উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই প্রথম টাকা করণ সম্পর্ক প্রকাশ করে।
টাকায় কী না হয়।
এখানেও টাকা নানা কাজ সাধনের উপায় হিসেবে বোঝানো হয়েছে। তাই করণ সম্পর্ক বিদ্যমান।
অন্যের ডাক্তার ডাক।
যে ব্যক্তি কাজটি সম্পাদন করছে সে কর্তা। আবার অন্য কাউকে দিয়ে ডাকানোর অর্থ থাকলে সেই সম্পর্ক অনুযায়ী কারক নির্ণয় করতে হবে। বাক্যের পূর্ণ অর্থ বোঝা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষভাবে মনে রাখবে
১। কারক নির্ণয়ে শুধু শব্দের শেষে থাকা বিভক্তি দেখলে চলবে না।
২। আগে ক্রিয়াপদ শনাক্ত করতে হবে।
৩। ক্রিয়ার সঙ্গে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সম্পর্ক বিচার করতে হবে।
৪। একই বিভক্তি একাধিক কারকে ব্যবহৃত হতে পারে।
৫। শূন্য বিভক্তিও প্রকৃত বিভক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
৬। উৎস বা বিচ্ছেদ বোঝালে অপাদান কারক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
৭। স্থান, কাল, আধার বা বিষয় বোঝালে অধিকরণ কারক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
৮। দান বা স্বত্ব ত্যাগের অর্থ থাকলে সম্প্রদান কারক বিচার করতে হবে।
৯। যন্ত্র, উপায় বা মাধ্যম বোঝালে করণ কারক হয়।
১০। ক্রিয়ার কর্তা ও ক্রিয়ার কর্ম নির্ণয় করতে যথাক্রমে কে এবং কী বা কাকে প্রশ্ন করা সবচেয়ে কার্যকর।
২। আগে ক্রিয়াপদ শনাক্ত করতে হবে।
৩। ক্রিয়ার সঙ্গে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সম্পর্ক বিচার করতে হবে।
৪। একই বিভক্তি একাধিক কারকে ব্যবহৃত হতে পারে।
৫। শূন্য বিভক্তিও প্রকৃত বিভক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
৬। উৎস বা বিচ্ছেদ বোঝালে অপাদান কারক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
৭। স্থান, কাল, আধার বা বিষয় বোঝালে অধিকরণ কারক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
৮। দান বা স্বত্ব ত্যাগের অর্থ থাকলে সম্প্রদান কারক বিচার করতে হবে।
৯। যন্ত্র, উপায় বা মাধ্যম বোঝালে করণ কারক হয়।
১০। ক্রিয়ার কর্তা ও ক্রিয়ার কর্ম নির্ণয় করতে যথাক্রমে কে এবং কী বা কাকে প্রশ্ন করা সবচেয়ে কার্যকর।
- ব্যাকরণে ‘কারক’ শব্দটি কোন অর্থ প্রকাশ করে?
- যা পদকে সম্পাদন করে
- যা পদ ও সমাস সম্পাদন করে
- যা ক্রিয়া সম্পাদন করে
- যা সমাস সম্পাদন করে
- বাক্যের বিভিন্ন শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে কী বলা হয়?
- কারক
- বিভক্তি
- সমাস
- সম্বন্ধ পদ
- বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে কোন ধরনের পদের সম্পর্ককে কারক বলা হয়?
- বিশেষণ পদের
- অব্যয় পদের
- নাম পদের
- ক্রিয়া-বিশেষণ পদের
- ‘বুলবুলিতে ধান খেয়েছে’— চিহ্নিত পদটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- করণে সপ্তমী
- অধিকরণে সপ্তমী
- কর্তৃকারকে সপ্তমী
- অপাদানে সপ্তমী
- ‘আমাকে যেতে হবে’— ‘আমাকে’ কোন কারক-বিভক্তি?
- কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া
- কর্মে দ্বিতীয়া
- করণে দ্বিতীয়া
- অপাদানে দ্বিতীয়া
- ‘সকলকে মরতে হবে’— ‘সকলকে’ কোন কারক-বিভক্তির উদাহরণ?
- কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া
- কর্ম কারকে দ্বিতীয়া
- অপাদানে দ্বিতীয়া
- অধিকরণে দ্বিতীয়া
- ‘দশে মিলে করি কাজ’— ‘দশে’ কোন কারক-বিভক্তি?
- কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া
- সম্প্রদান কারকে সপ্তমী
- কর্তৃকারকে সপ্তমী
- কর্তৃকারকে চতুর্থী
- ‘তাকে দিয়ে কিছু হবে না’— চিহ্নিত পদটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া
- কর্মে দ্বিতীয়া
- করণে দ্বিতীয়া
- অধিকরণে দ্বিতীয়া
- কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ কোনটি?
- ছাগলে কিনা খায়
- টাকায় টাকা আনে
- আরেফ বই পড়ে
- ডাক্তার ডাক
- কর্তৃকারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ কোনটি?
- কোদালে মাটি কাটব
- জাহাজ চট্টগ্রাম ছাড়ল
- সাপের হাসি বেদে চেনে
- আমারে তুমি রক্ষা করো
- ‘লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু’— চিহ্নিত পদে কোন কারক-বিভক্তি ব্যবহৃত?
- অপাদানে শূন্য
- কর্মে সপ্তমী
- কর্তায় সপ্তমী
- অপাদানে সপ্তমী
- উৎসে প্রদত্ত বাক্যের নিম্নরেখ পদটি কোন কারক-বিভক্তির উদাহরণ?
- কর্মে সপ্তমী
- অধিকরণে সপ্তমী
- সম্প্রদানে সপ্তমী
- অপাদানে সপ্তমী
- কর্তা যে উপায় বা মাধ্যম ব্যবহার করে ক্রিয়া সম্পন্ন করেন, সেই পদকে কী বলা হয়?
- করণ কারক
- কর্মকারক
- অপাদান কারক
- কর্তৃকারক
- ‘কালির দাগ দাও’— চিহ্নিত অংশটি কোন কারক-বিভক্তির উদাহরণ?
- অধিকরণে শূন্য
- অপাদানে শূন্য
- করণে ষষ্ঠী
- কর্মে দ্বিতীয়া
- ‘জগতে কীর্তিমান হও সাধনায়’— ‘সাধনায়’ কোন কারক-বিভক্তি?
- কর্তায় সপ্তমী
- কর্মে দ্বিতীয়া
- অধিকরণে সপ্তমী
- করণে সপ্তমী
- ‘আলোর আঁধার কাটে’— চিহ্নিত শব্দটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- অধিকরণে সপ্তমী
- করণে সপ্তমী
- অপাদানে সপ্তমী
- কর্তায় সপ্তমী
- ‘ব্যায়ামে শরীর ভালো থাকে’— ‘ব্যায়ামে’ কোন কারক-বিভক্তি?
- করণে সপ্তমী
- কর্মে সপ্তমী
- অপাদানে সপ্তমী
- অধিকরণে সপ্তমী
- ‘অহংকার পতনের মূল’— ‘অহংকার’ কোন কারকে শূন্য বিভক্তি?
- কর্মে শূন্য
- করণে শূন্য
- অপাদানে শূন্য
- অধিকরণে শূন্য
- ‘তিনি চোখে দেখেন না’— ‘চোখে’ কোন কারক?
- করণ কারক
- অপাদান কারক
- সম্প্রদান কারক
- অধিকরণ কারক
- ‘অল্প শোকে কাতর’— ‘শোকে’ কোন কারক-বিভক্তি?
- কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া
- করণ কারকে সপ্তমী
- অপাদান কারকে সপ্তমী
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী
- ‘যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন’— চিহ্নিত পদটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- কর্মকারকে দ্বিতীয়া
- করণ কারকে ষষ্ঠী
- অপাদান কারকে ষষ্ঠী
- অধিকরণ কারকে ষষ্ঠী
- ‘ছাত্ররা বল খেলে’— ‘বল’ কোন কারক-বিভক্তির উদাহরণ?
- কর্মে শূন্য
- করণে শূন্য
- অপাদানে পঞ্চমী
- সম্প্রদানে শূন্য
- ‘নীল আকাশের নিচে আমি রাস্তা চলেছি একা’— চিহ্নিত পদটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- কর্মে শূন্য
- করণে শূন্য
- অপাদানে শূন্য
- সম্প্রদানে শূন্য
- ‘টাকায় কি না হয়’— ‘টাকায়’ কোন কারক-বিভক্তি?
- অপাদানে সপ্তমী
- কর্মে শূন্য
- করণে সপ্তমী
- কর্তায় দ্বিতীয়া
- ‘টাকায় অসাধ্য সাধন হয়’— ‘টাকায়’ কোন কারক-বিভক্তি?
- কর্মকারকে সপ্তমী
- করণ কারকে সপ্তমী
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী
- অপাদান কারকে সপ্তমী
- নিচের কোন বাক্যে করণ কারকে শূন্য বিভক্তির ব্যবহার আছে?
- ঘোড়াকে চাবুক মার
- ডাক্তার ডাক
- গাড়ি স্টেশন ছেড়েছে
- মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে
- ‘আশার ছলনে ভুলি কী ফল লভিনু হায়’— ‘ছলনে’ কোন কারক-বিভক্তি?
- করণে সপ্তমী
- অধিকরণে সপ্তমী
- অপাদানে সপ্তমী
- কর্মে সপ্তমী
- ‘ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে’— চিহ্নিত অংশে কোন কারক-বিভক্তি?
- কর্মে প্রথমা
- অপাদানে সপ্তমী
- করণে সপ্তমী
- করণে শূন্য
- ‘অজ্ঞজনে দেহ আলো’— ‘অজ্ঞজনে’ কোন কারক-বিভক্তি?
- কর্মে সপ্তমী
- কর্তৃকারকে শূন্য
- সম্প্রদানে সপ্তমী
- করণে সপ্তমী
- উৎসে প্রদত্ত বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- সম্প্রদানে ষষ্ঠী
- কর্মে সপ্তমী
- সম্প্রদানে সপ্তমী
- অপাদানে ষষ্ঠী
- উৎসের প্রদত্ত বাক্যে চিহ্নিত ব্যক্তিবাচক পদটি কোন কারক?
- কর্তৃকারক
- করণ কারক
- কর্মকারক
- সম্প্রদান কারক
- ‘সব ঝিনুকে মুক্তা মেলে না’— ‘ঝিনুকে’ কোন কারক-বিভক্তি?
- কর্তায় দ্বিতীয়া
- অপাদানে সপ্তমী
- কর্মে দ্বিতীয়া
- অধিকরণে সপ্তমী
- ‘সাদা মেঘে বৃষ্টি হয় না’— ‘মেঘে’ কোন কারক?
- কর্মকারক
- অপাদান কারক
- সম্প্রদান কারক
- অধিকরণ কারক
- ‘পরাজয়ে ডরে না বীর’— চিহ্নিত পদটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- কর্মে দ্বিতীয়া
- করণে সপ্তমী
- অধিকরণে সপ্তমী
- অপাদানে সপ্তমী
- ‘টাকায় টাকা হয়’— চিহ্নিত পদটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- কর্মে সপ্তমী
- করণে সপ্তমী
- অপাদানে সপ্তমী
- অধিকরণে সপ্তমী
- প্রদত্ত বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- কর্মে দ্বিতীয়া
- অপাদানে সপ্তমী
- করণে সপ্তমী
- অপাদানে পঞ্চমী
- ‘গাড়ি স্টেশন ছাড়ল’— ‘স্টেশন’ কোন কারকে শূন্য বিভক্তি?
- কর্তায় শূন্য
- কর্মে শূন্য
- অপাদানে শূন্য
- অধিকরণে শূন্য
- ‘যেখানে বাঘের ভয়, সেখানে সন্ধ্যা হয়’— চিহ্নিত পদটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- অপাদানে ষষ্ঠী
- কর্মে ষষ্ঠী
- অপাদানে সপ্তমী
- করণে শূন্য
- ‘পাপে বিরত হও’— ‘পাপে’ কোন কারক-বিভক্তি?
- কর্মকারকে তৃতীয়া
- অপাদান কারকে শূন্য
- অপাদান কারকে সপ্তমী
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী
- ‘বিপদে মোরে রক্ষা কর, এ নহে মোর প্রার্থনা’— চিহ্নিত পদটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- করণে সপ্তমী
- অপাদানে পঞ্চমী
- অপাদানে সপ্তমী
- কর্তায় শূন্য
- অধিকরণ কারক প্রধানত কত প্রকার?
- দুই প্রকার
- তিন প্রকার
- চার প্রকার
- পাঁচ প্রকার
- ‘কানায় শোক করে’— ‘কানায়’ কোন কারক?
- করণ কারক
- অপাদান কারক
- সম্প্রদান কারক
- অধিকরণ কারক
- ‘আজকে নগদ, কালকে ধার’— নিম্নরেখ পদটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- অপাদানে প্রথমা
- অধিকরণে দ্বিতীয়া
- কর্মে শূন্য
- করণে দ্বিতীয়া
- ‘কাননে কুসুম কলি সকলি ফুটিল’— ‘কাননে’ কোন কারক-বিভক্তি?
- কর্মে সপ্তমী
- করণে শূন্য
- অপাদানে সপ্তমী
- অধিকরণে সপ্তমী
- অধিকরণ কারকে শূন্য বিভক্তির উদাহরণ কোনটি?
- আমার আবার বৃষ্টি নাই
- আগামীকাল বাড়ি যাব
- আকাশ মেঘে আচ্ছন্ন
- কাজে অবসর নিলাম
- ‘নেহাল অঙ্কে খুব কাঁচা’— ‘অঙ্কে’ কোন কারক-বিভক্তি?
- কর্মে সপ্তমী
- করণে সপ্তমী
- অপাদানে সপ্তমী
- অধিকরণে সপ্তমী
- উৎসে প্রদত্ত বাক্যের নিম্নরেখ শব্দটির কারক-বিভক্তি কোনটি?
- করণে সপ্তমী
- কর্মে সপ্তমী
- অপাদানে সপ্তমী
- অধিকরণে সপ্তমী
- ‘পড়াশোনায় মন দাও’— ‘পড়াশোনায়’ কোন কারক-বিভক্তি?
- কর্তায় সপ্তমী
- কর্মে সপ্তমী
- অপাদানে সপ্তমী
- অধিকরণে সপ্তমী
- ‘পাতায় পাতায় পড়ে শিশির নিশির’— ‘পাতায় পাতায়’ কোন কারক-বিভক্তি?
- অধিকরণে ষষ্ঠী
- অধিকরণে সপ্তমী
- অপাদানে ষষ্ঠী
- অপাদানে সপ্তমী
- ‘শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ পাঠে’— ‘পাঠে’ কোন কারক-বিভক্তির উদাহরণ?
- অধিকরণে সপ্তমী
- অপাদানে পঞ্চমী
- কর্মে সপ্তমী
- অধিকরণে পঞ্চমী