বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, পরিবেশ — NTRCA school-2-level
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি, জলবায়ু, পরিবেশ: সাধারণ জ্ঞান, NTRCA school-2-level পাঠ ও 34টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/1।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি
- ভৌগোলিক অবস্থান ও বিস্তৃতি
- ভূপ্রকৃতির প্রধান বিভাগ
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি অঞ্চল
- প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানভূমি
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
- বরেন্দ্র, মধুপুর ও ভাওয়াল অঞ্চল
- পাহাড় ও উচ্চভূমি
- দ্বীপ ও উপকূলীয় অঞ্চল
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত
- বাংলাদেশের প্রান্তীয় অবস্থান
- আয়তন, সীমারেখা ও সমুদ্রসীমা
- প্রশাসনিক অঞ্চলভিত্তিক তথ্য
- জলবায়ু ও পরিবেশ
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর ধারণা
- বাংলাদেশের মৌসুমি জলবায়ু
- বাংলাদেশের ঋতু
- তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত
- বৃষ্টিবহুল ও শুষ্ক অঞ্চল
- আবহাওয়া-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান
- নদীভাঙন
- সময় ও আন্তর্জাতিক সময়ের পার্থক্য
- বহুনির্বাচনী প্রশ্নত্তর
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি
Physiography of Bangladesh
বাংলাদেশ প্রধানত নদীবাহিত পলি দ্বারা গঠিত একটি নিম্ন সমভূমির দেশ। তবে দেশের সব অঞ্চল একই ধরনের নয়। দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে পাহাড়, মধ্য ও উত্তর-পশ্চিমে প্রাচীন সোপানভূমি এবং দেশের বিস্তীর্ণ অংশে নদীগঠিত নবীন প্লাবন সমভূমি দেখা যায়।
ভূতাত্ত্বিক গঠন, ভূমির উচ্চতা, শিলার বয়স ও গঠনপ্রক্রিয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতিতে স্পষ্ট আঞ্চলিক বৈচিত্র্য রয়েছে।
ভূতাত্ত্বিক গঠন, ভূমির উচ্চতা, শিলার বয়স ও গঠনপ্রক্রিয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতিতে স্পষ্ট আঞ্চলিক বৈচিত্র্য রয়েছে।
ভৌগোলিক অবস্থান ও বিস্তৃতি
Geographical Location and Extent
বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ। এর অবস্থান আনুমানিক \(20^\circ34^\prime\) উত্তর অক্ষাংশ থেকে \(26^\circ38^\prime\) উত্তর অক্ষাংশ এবং \(88^\circ01^\prime\) পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে \(92^\circ41^\prime\) পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে।
দেশটির অধিকাংশ ভূখণ্ড কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী অঞ্চলে অবস্থান করায় এখানে উষ্ণ মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব প্রবল।
দেশটির অধিকাংশ ভূখণ্ড কর্কটক্রান্তি রেখার নিকটবর্তী অঞ্চলে অবস্থান করায় এখানে উষ্ণ মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব প্রবল।
ভূপ্রকৃতির প্রধান বিভাগ
Major Physiographic Divisions
ভূ-প্রকৃতি ও ভূতাত্ত্বিক বয়স বিবেচনায় বাংলাদেশের ভূমিকে প্রধানত তিনটি বড় ভাগে আলোচনা করা যায়।
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি অঞ্চল
২। প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানভূমি
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
এই তিন ধরনের ভূমি দেশের পাহাড়, উঁচু প্রাচীন ভূমি এবং নবীন নদীবিধৌত সমভূমির প্রধান বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি অঞ্চল
২। প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানভূমি
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
এই তিন ধরনের ভূমি দেশের পাহাড়, উঁচু প্রাচীন ভূমি এবং নবীন নদীবিধৌত সমভূমির প্রধান বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি অঞ্চল
Tertiary Hill Region
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কিছু পাহাড় টারশিয়ারি যুগের ভূতাত্ত্বিক গঠনের অন্তর্ভুক্ত।
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকা এ ধরনের ভূমির প্রধান অংশ।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন টিলা ও পাহাড়ও এই ভূপ্রকৃতির অন্তর্ভুক্ত।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়শ্রেণির উৎপত্তিও টারশিয়ারি যুগের সঙ্গে সম্পর্কিত।
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকা এ ধরনের ভূমির প্রধান অংশ।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন টিলা ও পাহাড়ও এই ভূপ্রকৃতির অন্তর্ভুক্ত।
পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়শ্রেণির উৎপত্তিও টারশিয়ারি যুগের সঙ্গে সম্পর্কিত।
প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানভূমি
Pleistocene Terrace
বাংলাদেশের কয়েকটি তুলনামূলক প্রাচীন ও উঁচু ভূমি প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত। এগুলো বর্তমান প্লাবন সমভূমির তুলনায় উঁচু এবং প্রাচীন মৃত্তিকার জন্য স্বতন্ত্র।
বরেন্দ্র অঞ্চল, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড়-সংলগ্ন অঞ্চল প্লাইস্টোসিন যুগের ভূমির উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
বরেন্দ্র অঞ্চল, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড়-সংলগ্ন অঞ্চল প্লাইস্টোসিন যুগের ভূমির উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
Recent Flood Plain
বাংলাদেশের অধিকাংশ সমতল ভূমি নদ-নদীর বহন করা পলি জমে গড়ে উঠেছে। এই নবীন পললভূমি সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি নামে পরিচিত।
নদীর প্রবাহ, বন্যা ও পলি সঞ্চয়ের ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় এ অঞ্চলের ভূমিরূপ পরিবর্তিত হতে থাকে।
বাংলাদেশের কৃষির জন্য এসব উর্বর পললভূমির গুরুত্ব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
নদীর প্রবাহ, বন্যা ও পলি সঞ্চয়ের ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় এ অঞ্চলের ভূমিরূপ পরিবর্তিত হতে থাকে।
বাংলাদেশের কৃষির জন্য এসব উর্বর পললভূমির গুরুত্ব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বরেন্দ্র, মধুপুর ও ভাওয়াল অঞ্চল
Barind, Madhupur and Bhawal Tracts
বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের প্রাচীন সোপানভূমির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বিস্তৃত এবং প্লাইস্টোসিন যুগের ভূপ্রকৃতির অন্তর্ভুক্ত।
রাজশাহী অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা বরেন্দ্রভূমির সঙ্গে সম্পর্কিত।
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়ও প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত পুরোনো উঁচু ভূমি। গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহের কিছু অংশে এই ভূমির বিস্তার দেখা যায়।
মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমিও এই সোপানভূমির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
রাজশাহী অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা বরেন্দ্রভূমির সঙ্গে সম্পর্কিত।
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়ও প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত পুরোনো উঁচু ভূমি। গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহের কিছু অংশে এই ভূমির বিস্তার দেখা যায়।
মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমিও এই সোপানভূমির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
পাহাড় ও উচ্চভূমি
Hills and Highlands
বাংলাদেশের প্রধান পাহাড়ি অঞ্চল চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামকেন্দ্রিক। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ পাহাড়ি জেলা।
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকাতেও পাহাড়ের বিস্তার রয়েছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে টিলা ও নিম্ন পাহাড় দেখা যায়।
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও সীমিত পাহাড়ি ভূমি রয়েছে।
লালমাই পাহাড় কুমিল্লা অঞ্চলে অবস্থিত একটি উল্লেখযোগ্য প্রাচীন উচ্চভূমি। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী লালমাই পাহাড়ের আয়তন প্রায় \(34\) বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা প্রায় \(21\) মিটার।
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকাতেও পাহাড়ের বিস্তার রয়েছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে টিলা ও নিম্ন পাহাড় দেখা যায়।
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও সীমিত পাহাড়ি ভূমি রয়েছে।
লালমাই পাহাড় কুমিল্লা অঞ্চলে অবস্থিত একটি উল্লেখযোগ্য প্রাচীন উচ্চভূমি। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী লালমাই পাহাড়ের আয়তন প্রায় \(34\) বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা প্রায় \(21\) মিটার।
দ্বীপ ও উপকূলীয় অঞ্চল
Islands and Coastal Region
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে অসংখ্য দ্বীপ ও চর রয়েছে। নদীর মোহনা ও বঙ্গোপসাগরের পলি সঞ্চয়ের ফলে অনেক দ্বীপের সৃষ্টি হয়েছে।
ভোলা বাংলাদেশের বৃহৎ দ্বীপগুলোর একটি এবং প্রশাসনিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ।
মহেশখালী বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য পাহাড়ি দ্বীপ।
সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। এর আরেক নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।
হাতিয়া, সন্দ্বীপ ও নিঝুম দ্বীপও উপকূলীয় ভূপ্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
ভোলা বাংলাদেশের বৃহৎ দ্বীপগুলোর একটি এবং প্রশাসনিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ।
মহেশখালী বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য পাহাড়ি দ্বীপ।
সেন্ট মার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হিসেবে পরিচিত। এর আরেক নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।
হাতিয়া, সন্দ্বীপ ও নিঝুম দ্বীপও উপকূলীয় ভূপ্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত
International Boundary of Bangladesh
বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে যুক্ত। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় \(4,156\) কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সঙ্গে প্রায় \(271\) কিলোমিটার।
ভারতের পাঁচটি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্ত স্পর্শ করেছে। এগুলো হলো—
পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্তযুক্ত বাংলাদেশের জেলা হিসেবে বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজার উল্লেখ করা হয়েছে।
ভারত ও মিয়ানমার—উভয় দেশের সীমান্তের নিকটবর্তী অঞ্চল হিসেবে রাঙামাটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তসংক্রান্ত ঐতিহাসিক চুক্তির মধ্যে ১৯৭৪ সালের স্থলসীমান্ত চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তীতে সীমান্তের ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের একটি সীমান্ত সমস্যা নিষ্পত্তির পথে আসে।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় \(4,156\) কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সঙ্গে প্রায় \(271\) কিলোমিটার।
ভারতের পাঁচটি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্ত স্পর্শ করেছে। এগুলো হলো—
পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
মিয়ানমারের সঙ্গে সীমান্তযুক্ত বাংলাদেশের জেলা হিসেবে বান্দরবান, রাঙামাটি ও কক্সবাজার উল্লেখ করা হয়েছে।
ভারত ও মিয়ানমার—উভয় দেশের সীমান্তের নিকটবর্তী অঞ্চল হিসেবে রাঙামাটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তসংক্রান্ত ঐতিহাসিক চুক্তির মধ্যে ১৯৭৪ সালের স্থলসীমান্ত চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ। পরবর্তীতে সীমান্তের ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের একটি সীমান্ত সমস্যা নিষ্পত্তির পথে আসে।
বাংলাদেশের প্রান্তীয় অবস্থান
Extreme Geographical Locations
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের ভৌগোলিক প্রান্তগুলোকে জেলা ও উপজেলার ভিত্তিতে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সর্ব উত্তরের জেলা — পঞ্চগড়
সর্ব দক্ষিণের জেলা — কক্সবাজার
সর্ব পশ্চিমের জেলা — চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সর্ব পূর্বের জেলা — বান্দরবান
সর্ব উত্তরের উপজেলা — তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়
সর্ব দক্ষিণের উপজেলা — টেকনাফ, কক্সবাজার
সর্ব পশ্চিমের উপজেলা — শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সর্ব পূর্বের উপজেলা — থানচি, বান্দরবান
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থলভাগ হিসেবে ছেঁড়াদ্বীপের উল্লেখ রয়েছে।
সর্ব উত্তরের জেলা — পঞ্চগড়
সর্ব দক্ষিণের জেলা — কক্সবাজার
সর্ব পশ্চিমের জেলা — চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সর্ব পূর্বের জেলা — বান্দরবান
সর্ব উত্তরের উপজেলা — তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়
সর্ব দক্ষিণের উপজেলা — টেকনাফ, কক্সবাজার
সর্ব পশ্চিমের উপজেলা — শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সর্ব পূর্বের উপজেলা — থানচি, বান্দরবান
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থলভাগ হিসেবে ছেঁড়াদ্বীপের উল্লেখ রয়েছে।
আয়তন, সীমারেখা ও সমুদ্রসীমা
Area, Boundary and Maritime Zone
বাংলাদেশের মোট আয়তন সম্পর্কে প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী প্রায় \(147,570\) বর্গকিলোমিটার উল্লেখ করা হয়েছে।
দেশের মোট স্থলসীমা প্রায় \(4,427\) কিলোমিটার এবং উপকূলরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় \(711\) কিলোমিটার হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা বা Exclusive Economic Zone প্রায় \(200\) নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত।
রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা বা টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা \(12\) নটিক্যাল মাইল।
১ নটিক্যাল মাইল প্রায় \(1.852\) কিলোমিটার।
বাংলাদেশের মোট সমুদ্রসীমার আয়তন হিসেবে প্রায় \(118,813\) বর্গকিলোমিটারের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
দেশের মোট স্থলসীমা প্রায় \(4,427\) কিলোমিটার এবং উপকূলরেখার দৈর্ঘ্য প্রায় \(711\) কিলোমিটার হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা বা Exclusive Economic Zone প্রায় \(200\) নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত।
রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা বা টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা \(12\) নটিক্যাল মাইল।
১ নটিক্যাল মাইল প্রায় \(1.852\) কিলোমিটার।
বাংলাদেশের মোট সমুদ্রসীমার আয়তন হিসেবে প্রায় \(118,813\) বর্গকিলোমিটারের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক অঞ্চলভিত্তিক তথ্য
Administrative Geographical Facts
আয়তনে
বৃহত্তম বিভাগ — চট্টগ্রাম
ক্ষুদ্রতম বিভাগ — ময়মনসিংহ
বৃহত্তম জেলা — রাঙামাটি
ক্ষুদ্রতম জেলা — নারায়ণগঞ্জ
বৃহত্তম উপজেলা — শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
ক্ষুদ্রতম উপজেলা — বন্দর, নারায়ণগঞ্জ
বৃহত্তম বিভাগ — চট্টগ্রাম
ক্ষুদ্রতম বিভাগ — ময়মনসিংহ
বৃহত্তম জেলা — রাঙামাটি
ক্ষুদ্রতম জেলা — নারায়ণগঞ্জ
বৃহত্তম উপজেলা — শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
ক্ষুদ্রতম উপজেলা — বন্দর, নারায়ণগঞ্জ
জনসংখ্যায়
বৃহত্তম বিভাগ — ঢাকা
ক্ষুদ্রতম বিভাগ — বরিশাল
বৃহত্তম জেলা — ঢাকা
ক্ষুদ্রতম জেলা — বান্দরবান
বৃহত্তম উপজেলা — সাভার
ক্ষুদ্রতম উপজেলা — থানচি
বৃহত্তম বিভাগ — ঢাকা
ক্ষুদ্রতম বিভাগ — বরিশাল
বৃহত্তম জেলা — ঢাকা
ক্ষুদ্রতম জেলা — বান্দরবান
বৃহত্তম উপজেলা — সাভার
ক্ষুদ্রতম উপজেলা — থানচি
জলবায়ু ও পরিবেশ
Climate and Environment
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান, বঙ্গোপসাগরের নৈকট্য, মৌসুমি বায়ু, নদ-নদী ও ভূমির উচ্চতা দেশের জলবায়ুকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
এখানে গ্রীষ্মের উষ্ণতা, বর্ষাকালের প্রচুর বৃষ্টিপাত এবং শীতকালের অপেক্ষাকৃত শুষ্ক ও শীতল আবহাওয়া মৌসুমি জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
এখানে গ্রীষ্মের উষ্ণতা, বর্ষাকালের প্রচুর বৃষ্টিপাত এবং শীতকালের অপেক্ষাকৃত শুষ্ক ও শীতল আবহাওয়া মৌসুমি জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
আবহাওয়া ও জলবায়ুর ধারণা
Weather and Climate
কোনো নির্দিষ্ট স্থানে অল্প সময়ের মধ্যে বায়ুর তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, আর্দ্রতা, মেঘের পরিমাণ, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের যে সামগ্রিক অবস্থা দেখা যায় তাকে আবহাওয়া বলা হয়।
অন্যদিকে একটি বিস্তৃত অঞ্চলের দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার সাধারণ ও গড় বৈশিষ্ট্যকে জলবায়ু বলা হয়। প্রদত্ত পাঠ্যে সাধারণত প্রায় \(30\) থেকে \(40\) বছরের আবহাওয়ার গড়কে জলবায়ু নির্ধারণে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে।
অন্যদিকে একটি বিস্তৃত অঞ্চলের দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার সাধারণ ও গড় বৈশিষ্ট্যকে জলবায়ু বলা হয়। প্রদত্ত পাঠ্যে সাধারণত প্রায় \(30\) থেকে \(40\) বছরের আবহাওয়ার গড়কে জলবায়ু নির্ধারণে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশের মৌসুমি জলবায়ু
Monsoon Climate of Bangladesh
বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি প্রকৃতির। মৌসুমি বায়ুর ঋতুভিত্তিক দিক পরিবর্তন বাংলাদেশের বৃষ্টিপাত ও তাপমাত্রার ওপর বড় প্রভাব ফেলে।
গ্রীষ্মকালে সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে আর্দ্র বায়ু প্রবাহিত হয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। বর্ষাকালে এই প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।
শীতকালে বায়ুপ্রবাহের প্রকৃতি পরিবর্তিত হওয়ায় আবহাওয়া তুলনামূলক শুষ্ক ও শীতল থাকে।
গ্রীষ্মকালে সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে আর্দ্র বায়ু প্রবাহিত হয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। বর্ষাকালে এই প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।
শীতকালে বায়ুপ্রবাহের প্রকৃতি পরিবর্তিত হওয়ায় আবহাওয়া তুলনামূলক শুষ্ক ও শীতল থাকে।
বাংলাদেশের ঋতু
Seasons of Bangladesh
বাংলাদেশে প্রচলিতভাবে ছয়টি ঋতু ধরা হয়। এগুলো হলো—
১। গ্রীষ্মকাল — বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ
২। বর্ষাকাল — আষাঢ় ও শ্রাবণ
৩। শরৎকাল — ভাদ্র ও আশ্বিন
৪। হেমন্তকাল — কার্তিক ও অগ্রহায়ণ
৫। শীতকাল — পৌষ ও মাঘ
৬। বসন্তকাল — ফাল্গুন ও চৈত্র
১। গ্রীষ্মকাল — বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ
২। বর্ষাকাল — আষাঢ় ও শ্রাবণ
৩। শরৎকাল — ভাদ্র ও আশ্বিন
৪। হেমন্তকাল — কার্তিক ও অগ্রহায়ণ
৫। শীতকাল — পৌষ ও মাঘ
৬। বসন্তকাল — ফাল্গুন ও চৈত্র
তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত
Temperature and Rainfall
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা প্রায় \(26.01^\circ\mathrm{C}\)।
বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় \(203\) সেন্টিমিটার।
সাধারণভাবে জানুয়ারি দেশের শীতলতম মাস এবং এপ্রিল উষ্ণতম মাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাত তুলনামূলক বেশি এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তুলনামূলক কম।
বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় \(203\) সেন্টিমিটার।
সাধারণভাবে জানুয়ারি দেশের শীতলতম মাস এবং এপ্রিল উষ্ণতম মাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাত তুলনামূলক বেশি এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে তুলনামূলক কম।
বৃষ্টিবহুল ও শুষ্ক অঞ্চল
Rainfall Distribution
বাংলাদেশে বৃষ্টিপাতের বণ্টন সর্বত্র সমান নয়। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বৃষ্টিপাত বেশি এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে কম।
অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর ও বগুড়া অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে।
নাটোরের লালপুরকে কম গড় বৃষ্টিপাতপ্রাপ্ত এবং তুলনামূলক উষ্ণ স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাজশাহী অঞ্চলকে খরাপ্রবণ এলাকা হিসেবে ধরা হয়েছে।
বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত রেকর্ডের ক্ষেত্রে সিলেট স্টেশনের উল্লেখ রয়েছে।
অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলের মধ্যে রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর ও বগুড়া অঞ্চলের কথা বলা হয়েছে।
নাটোরের লালপুরকে কম গড় বৃষ্টিপাতপ্রাপ্ত এবং তুলনামূলক উষ্ণ স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাজশাহী অঞ্চলকে খরাপ্রবণ এলাকা হিসেবে ধরা হয়েছে।
বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত রেকর্ডের ক্ষেত্রে সিলেট স্টেশনের উল্লেখ রয়েছে।
আবহাওয়া-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান
Weather and Remote Sensing Institutions
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত হয়। এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার আগারগাঁও এলাকায় অবস্থিত।
বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান SPARRSO-ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং এর সদরদপ্তর ঢাকার আগারগাঁওয়ে।
আবহাওয়া, পরিবেশ, দুর্যোগ ও প্রাকৃতিক সম্পদ পর্যবেক্ষণে দূর অনুধাবন প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান SPARRSO-ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং এর সদরদপ্তর ঢাকার আগারগাঁওয়ে।
আবহাওয়া, পরিবেশ, দুর্যোগ ও প্রাকৃতিক সম্পদ পর্যবেক্ষণে দূর অনুধাবন প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।
নদীভাঙন
River Erosion
বর্ষাকালে নদীর পানিপ্রবাহ ও স্রোত বেড়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশে নদীভাঙনের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। জুন থেকে সেপ্টেম্বর সময়কে নদীভাঙনের বেশি সক্রিয় সময় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী সিরাজগঞ্জকে অধিক নদীভাঙনপ্রবণ জেলা এবং শরীয়তপুরের নড়িয়া অঞ্চলকে উল্লেখযোগ্য নদীভাঙনপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী সিরাজগঞ্জকে অধিক নদীভাঙনপ্রবণ জেলা এবং শরীয়তপুরের নড়িয়া অঞ্চলকে উল্লেখযোগ্য নদীভাঙনপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সময় ও আন্তর্জাতিক সময়ের পার্থক্য
Time Difference
লন্ডনের সময়ের তুলনায় বাংলাদেশের সময় \(6\) ঘণ্টা এগিয়ে।
অর্থাৎ একই মুহূর্তে লন্ডনের স্থানীয় সময়ের সঙ্গে \(6\) ঘণ্টা যোগ করলে বাংলাদেশের সময় পাওয়া যায়।
অর্থাৎ একই মুহূর্তে লন্ডনের স্থানীয় সময়ের সঙ্গে \(6\) ঘণ্টা যোগ করলে বাংলাদেশের সময় পাওয়া যায়।
- গ্রিনিচ মান সময়ের তুলনায় বাংলাদেশের স্থানীয় সময় কত ঘণ্টা এগিয়ে থাকে?
- ৬ ঘণ্টা
- ৫ ঘণ্টা
- ৪ ঘণ্টা
- ৩ ঘণ্টা
- নিচের কোনটি বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের সঠিক সীমা নির্দেশ করে?
- ২৪°৩০′ থেকে ২৮°৩৪′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
- ৮০°৩৪′ থেকে ৮০°৯০′ পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ
- ৩৪°২৫′ থেকে ২৮°৩৮′ উত্তর অক্ষাংশ
- ৮৮°০১′ থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
- বিলোনিয়া সীমান্ত এলাকা বাংলাদেশের কোন জেলার অন্তর্ভুক্ত?
- ফেনী
- নীলফামারী
- পঞ্চগড়
- জয়পুরহাট
- বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে নিচের কোন স্থানটি পরিচিত?
- লালখান
- লালপুর
- রাজশাহী
- বগুড়া
- আয়তনের বিচারে বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজেলা কোনটি?
- শ্যামনগর
- ঘাটাইল
- সাভার
- বরকল
- বাংলাদেশের কোন জেলা একই সঙ্গে দুটি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত স্পর্শ করেছে?
- খাগড়াছড়ি
- বান্দরবান
- রাঙামাটি
- কুমিল্লা
- দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলার অন্তর্গত?
- পঞ্চগড়
- কুড়িগ্রাম
- লালমনিরহাট
- নীলফামারী
- বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের কতটি ছিটমহল ছিল?
- ৫৫টি
- ১১০টি
- ১১৪টি
- ১১১টি
- নিচের কোন বিভাগটির সঙ্গে বর্তমানে ভারতের সরাসরি আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই?
- ঢাকা
- বরিশাল
- রাজশাহী
- চট্টগ্রাম
- ঐতিহাসিকভাবে নাসিরাবাদ নামে পরিচিত বর্তমান জেলার নাম কী?
- ময়মনসিংহ
- জাহাঙ্গীরনগর
- বরিশাল
- চট্টগ্রাম
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গসমূহ যে জেলায় অবস্থিত, সেটি কোনটি?
- চট্টগ্রাম
- খাগড়াছড়ি
- বান্দরবান
- রাঙামাটি
- নিচের কোন গুরুত্বপূর্ণ কাল্পনিক ভৌগোলিক রেখাটি বাংলাদেশের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে?
- মূল মধ্যরেখা
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
- মকরক্রান্তি রেখা
- কর্কটক্রান্তি রেখা
- প্রদত্ত বিভাগগুলোর মধ্যে কোন বিভাগে জেলার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
- ঢাকা
- চট্টগ্রাম
- রাজশাহী
- খুলনা
- তিতাস উপজেলা বাংলাদেশের কোন জেলার প্রশাসনিক অংশ?
- কুমিল্লা
- রংপুর
- সিলেট
- যশোর
- বাংলাদেশের কোন অংশ তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ?
- উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
- দক্ষিণ অঞ্চল
- দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
- মধ্য অঞ্চল
- বাংলাদেশের স্থলসীমান্ত কয়টি দেশের সঙ্গে যুক্ত?
- ২টি
- ৩টি
- ৪টি
- একটিও নয়
- প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে বছরে গড়ে কত সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত হয়?
- ২০৩ সেমি
- ২০৫ সেমি
- ২০৭ সেমি
- ২০৯ সেমি
- বাংলাদেশের আঞ্চলিক বা রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা উপকূল থেকে কত নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত?
- ১২ নটিক্যাল মাইল
- ২০০ নটিক্যাল মাইল
- ১৪ নটিক্যাল মাইল
- ৪০০ নটিক্যাল মাইল
- বর???ন্দ্রভূমি প্রধানত বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বিস্তৃত?
- মধুপুর
- রংপুর
- রাজশাহী
- কুমিল্লা
- ‘সাগরকন্যা’ নামে পরিচিত স্থানটি কোন জেলার সঙ্গে সম্পর্কিত?
- ভোলা
- খুলনা
- কক্সবাজার
- পটুয়াখালী
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নদী কোনটি?
- সাঙ্গু নদী
- শঙ্খ নদী
- নাফ নদী
- মেঘনা নদী
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে অবস্থিত উপজেলা কোনটি?
- তেঁতুলিয়া
- পাঁচবিবি
- হালুয়াঘাট
- তাহিরপুর
- প্রদত্ত পাঠ্যতথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট আয়তনের প্রায় কত ভাগ বনভূমি?
- ২৯ ভাগ
- ১৯ ভাগ
- ১৭ ভাগ
- ২৩ ভাগ
- বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী ঢাকা বিভাগে মোট কতটি জেলা রয়েছে?
- ১৫টি
- ১৭টি
- ১৪টি
- ১২টি
- বাংলাদেশের একেবারে উত্তর প্রান্তের স্থান কোনটি?
- তেঁতুলিয়া
- পঞ্চগড়
- টেকনাফ
- বাংলাবান্ধা
- বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান বা SPARRSO কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
- শিল্প মন্ত্রণালয়
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- পরিবেশ মন্ত্রণালয়
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
- শীত মৌসুমে বাংলাদেশের কোন জেলাটি সবচেয়ে শীতল হিসেবে পরিচিত?
- দিনাজপুর
- বগুড়া
- শেরপুর
- গাজীপুর
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্থলসীমার মোট দৈর্ঘ্য প্রায় কত কিলোমিটার?
- ৫১৩৮ কিমি
- ৫১২০ কিমি
- ৪৫০০ কিমি
- ৪৩০০ কিমি
- প্রদত্ত স্থানগুলোর মধ্যে কোথায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
- সিলেটের লালখানে
- নাটোরের লালপুরে
- মৌলভীবাজারের মাধবকুণ্ডে
- রাজশাহীর তানোরে
- বাংলাদেশে বর্ষাকালীন মৌসুমি বায়ুর প্রধান প্রভাব কোন সময় দেখা যায়?
- আগস্ট-সেপ্টেম্বর
- মে-জুন
- নভেম্বর-ডিসেম্বর
- ফেব্রুয়ারি-মার্চ
- কুমিল্লার ঐতিহাসিক পূর্বনাম কী?
- নাসিরাবাদ
- ত্রিপুরা
- সুধারাম
- সুবর্ণগ্রাম
- বর্তমান প্রশাসনিক বিন্যাসে আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ কোনটি?
- বরিশাল
- সিলেট
- খুলনা
- রংপুর
- বাংলাদেশের কোন জেলার সীমান্ত একই সঙ্গে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে যুক্ত?
- কক্সবাজার
- খাগড়াছড়ি
- বান্দরবান
- রাঙামাটি
- বর্তমান প্রশাসনিক হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট উপজেলা কতটি?
- ৪৮৭টি
- ৪৫৬টি
- ৪৭১টি
- ৪৬৫টি