বাংলার ইতিহাস, শাসনব্যবস্থা ও স্বাধীনতা আন্দোলন — NTRCA school-2-level
বাংলার ইতিহাস, শাসনব্যবস্থা ও স্বাধীনতা আন্দোলন: সাধারণ জ্ঞান, NTRCA school-2-level পাঠ ও 82টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/2।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- বাঙালি জাতির উদ্ভব ও নৃতাত্ত্বিক পরিচয়
- প্রাচীন বাংলার জনপদ ও রাজ্য
- গৌড় রাজ্য ও শশাঙ্ক
- পাল বংশ
- সেন বংশ
- বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা
- দিল্লি সালতানাতের অধীনে বাংলা
- স্বাধীন সুলতানি বাংলা
- ইলিয়াস শাহী শাসন
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসন
- বাংলায় মুঘল শাসন
- ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর
- শায়েস্তা খানের শাসন
- বাংলায় নবাবি আমল
- মুর্শিদকুলি খান ও মুর্শিদাবাদ
- পলাশীর যুদ্ধ ও নবাবি শাসনের অবসান
- কোম্পানি শাসন ও ঔপনিবেশিক প্রশাসন
- দেওয়ানি লাভ ও দ্বৈত শাসন
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
- সামাজিক সংস্কার ও ব্রিটিশ আমলের আইন
- প্রাথমিক ব্রিটিশবিরোধী প্রতিরোধ
- ফরায়েজি আন্দোলন
- সিপাহী বিদ্রোহ
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা
- বঙ্গভঙ্গ
- স্বদেশি আন্দোলন
- মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা
- লক্ষ্ণৌ চুক্তি
- খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন
- বেঙ্গল প্যাক্ট
- ভারত শাসন আইন ও নির্বাচন
- ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতা
- বহুনির্বাচনী প্রশ্নত্তর
বাঙালি জাতির উদ্ভব ও নৃতাত্ত্বিক পরিচয়
Origin and Anthropological Background of the Bengali People
প্রদত্ত পাঠ্য অনুযায়ী বাঙালি একটি সংকর জাতি। বহু যুগ ধরে নানা জনগোষ্ঠীর আগমন, বসতি ও পারস্পরিক মিশ্রণের মাধ্যমে বাঙালি জনগোষ্ঠীর বর্তমান রূপ গড়ে উঠেছে।
নৃতাত্ত্বিক দৃষ্টিতে বাঙালির সঙ্গে প্রধানত আদি-অস্ট্রেলীয় বা অস্ট্রালয়েড জনগোষ্ঠীর সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলার প্রাচীন জনবসতির বড় অংশ অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী থেকে গড়ে ওঠে বলে পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
বাংলার প্রাচীন জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীর প্রভাব ছিল প্রবল। পরবর্তীতে দ্রাবিড়, আর্য, তুর্কি, আফগান, মুঘল ও অন্যান্য জনগোষ্ঠীর আগমন বাংলার জাতিগত বৈচিত্র্য আরও বৃদ্ধি করে।
নৃতাত্ত্বিক দৃষ্টিতে বাঙালির সঙ্গে প্রধানত আদি-অস্ট্রেলীয় বা অস্ট্রালয়েড জনগোষ্ঠীর সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলার প্রাচীন জনবসতির বড় অংশ অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী থেকে গড়ে ওঠে বলে পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
বাংলার প্রাচীন জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীর প্রভাব ছিল প্রবল। পরবর্তীতে দ্রাবিড়, আর্য, তুর্কি, আফগান, মুঘল ও অন্যান্য জনগোষ্ঠীর আগমন বাংলার জাতিগত বৈচিত্র্য আরও বৃদ্ধি করে।
প্রাচীন বাংলার জনপদ ও রাজ্য
Ancient Janapadas and Kingdoms of Bengal
প্রাচীনকালে আজকের সমগ্র বাংলাদেশ একটি একক রাজনৈতিক ভূখণ্ড ছিল না। বিভিন্ন অঞ্চল ভিন্ন ভিন্ন জনপদ ও রাজ্যের অধীনে ছিল। বঙ্গ, গৌড়, পুণ্ড্র, সমতট, হরিকেল, রাঢ় প্রভৃতি জনপদ ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ।
দেশবাচক অর্থে ‘বঙ্গ’ শব্দের প্রাচীন ব্যবহার সম্পর্কেও পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বঙ্গ নামটি ধীরে ধীরে বৃহত্তর ভূখণ্ডের পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়।
বর্তমান বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশ প্রাচীনকালে বঙ্গ, পুণ্ড্র, সমতট ও হরিকেলসহ একাধিক ঐতিহাসিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
দেশবাচক অর্থে ‘বঙ্গ’ শব্দের প্রাচীন ব্যবহার সম্পর্কেও পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বঙ্গ নামটি ধীরে ধীরে বৃহত্তর ভূখণ্ডের পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়।
বর্তমান বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশ প্রাচীনকালে বঙ্গ, পুণ্ড্র, সমতট ও হরিকেলসহ একাধিক ঐতিহাসিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
গৌড় রাজ্য ও শশাঙ্ক
Gauda Kingdom and Shashanka
সপ্তম শতকে গৌড় বাংলার একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে। পাঠ্যে গৌড় রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে শশাঙ্কের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি স্বাধীন নৃপতি হিসেবে বাংলার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেন।
শশাঙ্কের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। তাঁর সময় গৌড় একটি শক্তিশালী রাজ্যে পরিণত হয়। শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং এক সময় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
শশাঙ্কের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। তাঁর সময় গৌড় একটি শক্তিশালী রাজ্যে পরিণত হয়। শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দুর্বল হয়ে পড়ে এবং এক সময় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
পাল বংশ
Pala Dynasty
বাংলার রাজনৈতিক অরাজকতা দূর করতে জনগণের সমর্থনে গোপালকে রাজা নির্বাচিত করা হয়। এর মাধ্যমে পাল বংশের শাসনের সূচনা ঘটে।
পাল শাসকদের মধ্যে গোপাল, ধর্মপাল ও দেবপাল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ধর্মপালের শাসনামলে পাল সাম্রাজ্যের শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং উত্তর ভারতের রাজনীতিতে পালদের প্রভাব বিস্তৃত হয়।
ধর্মপালের সঙ্গে বিক্রমশীলা মহাবিহারের নাম যুক্ত। নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর মহাবিহার পাল যুগের বৌদ্ধ স্থাপত্য ও শিক্ষা-সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
পাল আমলে বৌদ্ধধর্ম, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্প ও স্থাপত্যের বিকাশ ঘটে। এই বংশের দীর্ঘ শাসন বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
পাল শাসকদের মধ্যে গোপাল, ধর্মপাল ও দেবপাল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ধর্মপালের শাসনামলে পাল সাম্রাজ্যের শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং উত্তর ভারতের রাজনীতিতে পালদের প্রভাব বিস্তৃত হয়।
ধর্মপালের সঙ্গে বিক্রমশীলা মহাবিহারের নাম যুক্ত। নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর মহাবিহার পাল যুগের বৌদ্ধ স্থাপত্য ও শিক্ষা-সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
পাল আমলে বৌদ্ধধর্ম, শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্প ও স্থাপত্যের বিকাশ ঘটে। এই বংশের দীর্ঘ শাসন বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
সেন বংশ
Sena Dynasty
পাল যুগের পর বাংলায় সেন বংশের উত্থান ঘটে। হেমন্ত সেনকে এই বংশের প্রাথমিক প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজয় সেন, বল্লাল সেন ও লক্ষ্মণ সেন সেন বংশের গুরুত্বপূর্ণ শাসক।
বিজয় সেন বাংলায় শক্তিশালী একক শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। বল্লাল সেন কৌলিন্য প্রথার সঙ্গে যুক্ত এবং লক্ষ্মণ সেন ছিলেন সেন বংশের শেষ দিকের প্রধান শাসক।
সেন আমলে হিন্দু ধর্মীয় ও সামাজিক রীতির প্রভাব বৃদ্ধি পায়। লক্ষ্মণ সেনের সময় তুর্কি আক্রমণের ফলে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করে।
বিজয় সেন বাংলায় শক্তিশালী একক শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন। বল্লাল সেন কৌলিন্য প্রথার সঙ্গে যুক্ত এবং লক্ষ্মণ সেন ছিলেন সেন বংশের শেষ দিকের প্রধান শাসক।
সেন আমলে হিন্দু ধর্মীয় ও সামাজিক রীতির প্রভাব বৃদ্ধি পায়। লক্ষ্মণ সেনের সময় তুর্কি আক্রমণের ফলে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করে।
বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা
Beginning of Muslim Rule in Bengal
বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনার সঙ্গে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির নাম ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। তিনি তুর্কি বংশোদ্ভূত একজন সেনানায়ক ছিলেন।
পাঠ্য অনুযায়ী ১২০৪ খ্রিস্টাব্দের দিকে তিনি বাংলায় অভিযান পরিচালনা করে লক্ষ্মণ সেনের রাজধানী নদীয়া দখল করেন। পরবর্তীতে লক্ষ্মণাবতী বা লখনৌতিকে রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়। তাঁর শাসনামলে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং সামরিক সম্প্রসারণের চেষ্টা দেখা যায়।
পাঠ্য অনুযায়ী ১২০৪ খ্রিস্টাব্দের দিকে তিনি বাংলায় অভিযান পরিচালনা করে লক্ষ্মণ সেনের রাজধানী নদীয়া দখল করেন। পরবর্তীতে লক্ষ্মণাবতী বা লখনৌতিকে রাজনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়। তাঁর শাসনামলে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং সামরিক সম্প্রসারণের চেষ্টা দেখা যায়।
দিল্লি সালতানাতের অধীনে বাংলা
Bengal under the Delhi Sultanate
বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রাথমিক পর্যায়ে দিল্লির শাসকদের সঙ্গে বাংলার সম্পর্ক কখনো ঘনিষ্ঠ, কখনো শিথিল ছিল। অনেক সময় বাংলার গভর্নর বা স্থানীয় শাসকেরা স্বাধীনতার চেষ্টা করেন।
দিল্লি সালতানাতের রাজনৈতিক দুর্বলতা এবং বাংলার দূরবর্তী অবস্থান বাংলায় স্বতন্ত্র শাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি করে। ফলে চতুর্দশ শতাব্দীতে বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসনের ভিত্তি দৃঢ় হয়।
দিল্লি সালতানাতের রাজনৈতিক দুর্বলতা এবং বাংলার দূরবর্তী অবস্থান বাংলায় স্বতন্ত্র শাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি করে। ফলে চতুর্দশ শতাব্দীতে বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসনের ভিত্তি দৃঢ় হয়।
স্বাধীন সুলতানি বাংলা
Independent Sultanate of Bengal
দিল্লির কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাংলা এক পর্যায়ে স্বাধীন সুলতানি রাষ্ট্রে পরিণত হয়। এ সময় বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলকে একত্রিত করার প্রচেষ্টা জোরদার হয়।
প্রদত্ত পৃষ্ঠাগুলোতে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে সমগ্র বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর শাসনের মাধ্যমে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক কাঠামোর অধীনে আসে।
এই সময় ‘বাংলা’ নামটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক পরিচয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে থাকে।
প্রদত্ত পৃষ্ঠাগুলোতে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে সমগ্র বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর শাসনের মাধ্যমে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চল একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক কাঠামোর অধীনে আসে।
এই সময় ‘বাংলা’ নামটি বৃহত্তর রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক পরিচয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে থাকে।
ইলিয়াস শাহী শাসন
Ilyas Shahi Rule
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ বাংলার বিভিন্ন অংশকে এক শাসনের অধীনে আনেন। তিনি রাজনৈতিকভাবে স্বাধীন বাংলা রাষ্ট্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করেন।
তাঁর সময় থেকে ‘বাংলা’ একটি সমন্বিত রাজনৈতিক পরিচয় হিসেবে শক্তিশালী হতে থাকে। পরবর্তী শাসকদের সময়েও স্বাধীন সুলতানি বাংলার প্রশাসন, বাণিজ্য, স্থাপত্য ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে।
তাঁর সময় থেকে ‘বাংলা’ একটি সমন্বিত রাজনৈতিক পরিচয় হিসেবে শক্তিশালী হতে থাকে। পরবর্তী শাসকদের সময়েও স্বাধীন সুলতানি বাংলার প্রশাসন, বাণিজ্য, স্থাপত্য ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে।
আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসন
Reign of Alauddin Husain Shah
আলাউদ্দিন হোসেন শাহের শাসনকাল বাংলার সুলতানি যুগের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর আমলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশ এবং ধর্মীয় সহাবস্থানের পরিবেশ গড়ে ওঠে।
পাঠ্যে তাঁর শাসনকালকে বাংলার মুসলিম শাসনের একটি সমৃদ্ধ সময় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বাংলা সাহিত্যচর্চার প্রসারেও এই সময়ের গুরুত্ব ছিল।
পাঠ্যে তাঁর শাসনকালকে বাংলার মুসলিম শাসনের একটি সমৃদ্ধ সময় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বাংলা সাহিত্যচর্চার প্রসারেও এই সময়ের গুরুত্ব ছিল।
বাংলায় মুঘল শাসন
Mughal Rule in Bengal
মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলায় মুঘল প্রভাব দৃঢ় হতে শুরু করে। বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
মুঘল প্রশাসনে বাংলাকে ‘সুবাহ বাংলা’ হিসেবে সংগঠিত করা হয়। রাজস্বব্যবস্থা, সামরিক প্রশাসন, নগরায়ণ এবং বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ সময় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটে।
মুঘল আমলে বাংলার মসলিন, বস্ত্র, কৃষিপণ্য ও নৌবাণিজ্যের খ্যাতি বৃদ্ধি পায়। ইউরোপীয় বণিকদেরও বাংলার বাণিজ্যে আগ্রহ বাড়ে।
মুঘল প্রশাসনে বাংলাকে ‘সুবাহ বাংলা’ হিসেবে সংগঠিত করা হয়। রাজস্বব্যবস্থা, সামরিক প্রশাসন, নগরায়ণ এবং বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এ সময় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটে।
মুঘল আমলে বাংলার মসলিন, বস্ত্র, কৃষিপণ্য ও নৌবাণিজ্যের খ্যাতি বৃদ্ধি পায়। ইউরোপীয় বণিকদেরও বাংলার বাণিজ্যে আগ্রহ বাড়ে।
ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর
Dhaka and Jahangirnagar
মুঘল আমলে ঢাকা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নগরীতে পরিণত হয়। সুবাদার ইসলাম খানের সময় রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
সম্রাট জাহাঙ্গীরের সম্মানে ঢাকার নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়েছিল। মুঘল প্রশাসনের অধীনে ঢাকা পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক, সামরিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে দ্রুত বিকশিত হয়।
সম্রাট জাহাঙ্গীরের সম্মানে ঢাকার নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়েছিল। মুঘল প্রশাসনের অধীনে ঢাকা পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক, সামরিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে দ্রুত বিকশিত হয়।
শায়েস্তা খানের শাসন
Administration of Shaista Khan
শায়েস্তা খান মুঘল বাংলার অন্যতম উল্লেখযোগ্য সুবাদার। তাঁর শাসনকালে প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা, বাণিজ্য ও নগরজীবনের উন্নতি ঘটে।
পা???্যে চট্টগ্রাম বিজয়ের সঙ্গে তাঁর শাসনকালকে যুক্ত করা হয়েছে। ঢাকা ও পূর্ব বাংলায় মুঘল কর্তৃত্ব দৃঢ় করার ক্ষেত্রেও শায়েস্তা খানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তাঁর আমলের সমৃদ্ধির প্রসঙ্গে কম দামে খাদ্যশস্য পাওয়ার ঐতিহাসিক বর্ণনারও উল্লেখ রয়েছে।
পা???্যে চট্টগ্রাম বিজয়ের সঙ্গে তাঁর শাসনকালকে যুক্ত করা হয়েছে। ঢাকা ও পূর্ব বাংলায় মুঘল কর্তৃত্ব দৃঢ় করার ক্ষেত্রেও শায়েস্তা খানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তাঁর আমলের সমৃদ্ধির প্রসঙ্গে কম দামে খাদ্যশস্য পাওয়ার ঐতিহাসিক বর্ণনারও উল্লেখ রয়েছে।
বাংলায় নবাবি আমল
Nawabi Period in Bengal
মুঘল সাম্রাজ্যের কেন্দ্রীয় ক্ষমতা দুর্বল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলায় সুবাদার ও নবাবদের স্বাধীনতা বৃদ্ধি পায়। অষ্টাদশ শতকে বাংলা কার্যত স্বায়ত্তশাসিত নবাবি শাসনের অধীনে পরিচালিত হতে থাকে।
মুর্শিদকুলি খান, সুজাউদ্দিন, আলীবর্দী খান ও সিরাজউদ্দৌলা নবাবি আমলের গুরুত্বপূর্ণ নাম। এ সময় বাংলার রাজধানী, রাজস্বব্যবস্থা ও ইউরোপীয় বাণিজ্যিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
মুর্শিদকুলি খান, সুজাউদ্দিন, আলীবর্দী খান ও সিরাজউদ্দৌলা নবাবি আমলের গুরুত্বপূর্ণ নাম। এ সময় বাংলার রাজধানী, রাজস্বব্যবস্থা ও ইউরোপীয় বাণিজ্যিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
মুর্শিদকুলি খান ও মুর্শিদাবাদ
Murshid Quli Khan and Murshidabad
মুর্শিদকুলি খান বাংলার নবাবি শাসনের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। তিনি প্রশাসন ও রাজস্বব্যবস্থায় পরিবর্তন আনেন।
তাঁর সময় প্রশাসনিক রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত হয়। মুর্শিদাবাদ পরবর্তীতে বাংলার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব হিসেবে পাঠ্যে মুর্শিদকুলি খানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
তাঁর সময় প্রশাসনিক রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত হয়। মুর্শিদাবাদ পরবর্তীতে বাংলার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব হিসেবে পাঠ্যে মুর্শিদকুলি খানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
পলাশীর যুদ্ধ ও নবাবি শাসনের অবসান
Battle of Plassey and Decline of Nawabi Rule
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সংঘাত ক্রমে তীব্র হয়ে ওঠে। এই সংঘাতের চূড়ান্ত পর্যায় ছিল পলাশীর যুদ্ধ।
প্রদত্ত পাঠ্যে ২৩ জুন ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হন।
পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজনৈতিক প্রভাব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং নবাবি শাসন ক্রমে কার্যত ক্ষমতাহীন হয়ে পড়ে।
প্রদত্ত পাঠ্যে ২৩ জুন ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হন।
পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রাজনৈতিক প্রভাব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং নবাবি শাসন ক্রমে কার্যত ক্ষমতাহীন হয়ে পড়ে।
কোম্পানি শাসন ও ঔপনিবেশিক প্রশাসন
Company Rule and Colonial Administration
পলাশীর যুদ্ধের পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় গভীর প্রভাব বিস্তার করতে থাকে।
কোম্পানি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ধীরে ধীরে শাসনক্ষমতাসম্পন্ন রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ নেয়। রাজস্ব আদায়, বিচার, প্রশাসন ও সামরিক ব্যবস্থায় ইংরেজদের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পায়।
কোম্পানি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে ধীরে ধীরে শাসনক্ষমতাসম্পন্ন রাজনৈতিক শক্তিতে রূপ নেয়। রাজস্ব আদায়, বিচার, প্রশাসন ও সামরিক ব্যবস্থায় ইংরেজদের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি পায়।
দেওয়ানি লাভ ও দ্বৈত শাসন
Diwani and Dual Government
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভের পর রাজস্ব সংগ্রহের ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। এর ফলে বাংলার অর্থনৈতিক সম্পদ ক্রমে কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
পাঠ্যে রবার্ট ক্লাইভের সঙ্গে দ্বৈত শাসনব্যবস্থার সম্পর্ক উল্লেখ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা কোম্পানির হাতে থাকলেও প্রশাসনিক দায়িত্বের একটি অংশ নবাবের নামে পরিচালিত হতো।
পরবর্তীতে এই দ্বৈত ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে সরাসরি প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করা হয়।
পাঠ্যে রবার্ট ক্লাইভের সঙ্গে দ্বৈত শাসনব্যবস্থার সম্পর্ক উল্লেখ করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা কোম্পানির হাতে থাকলেও প্রশাসনিক দায়িত্বের একটি অংশ নবাবের নামে পরিচালিত হতো।
পরবর্তীতে এই দ্বৈত ব্যবস্থা বিলুপ্ত করে সরাসরি প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করা হয়।
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
Permanent Settlement
ব্রিটিশ আমলে বাংলার ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনা হয়। লর্ড কর্নওয়ালিসের সঙ্গে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের সম্পর্ক উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ব্যবস্থায় জমিদারদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। ফলে জমিদারি শ্রেণির অবস্থান শক্তিশালী হয় এবং কৃষকদের ওপর রাজস্বচাপের নতুন কাঠামো তৈরি হয়।
এই ব্যবস্থায় জমিদারদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। ফলে জমিদারি শ্রেণির অবস্থান শক্তিশালী হয় এবং কৃষকদের ওপর রাজস্বচাপের নতুন কাঠামো তৈরি হয়।
সামাজিক সংস্কার ও ব্রিটিশ আমলের আইন
Social Reform under British Rule
ঊনবিংশ শতকে ব্রিটিশ শাসনামলে বিভিন্ন সামাজিক সংস্কারমূলক আইন প্রবর্তিত হয়। সতীদাহ প্রথা বিলোপ এবং বিধবা বিবাহের বৈধতা গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক পরিবর্তনের উদাহরণ।
প্রদত্ত পাঠ্য অনুযায়ী সতীদাহ প্রথা বিলোপে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রাজা রামমোহন রায়ের সামাজিক আন্দোলনও এ সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত।
বিধবা বিবাহ প্রচলনের আন্দোলনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
প্রদত্ত পাঠ্য অনুযায়ী সতীদাহ প্রথা বিলোপে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। রাজা রামমোহন রায়ের সামাজিক আন্দোলনও এ সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত।
বিধবা বিবাহ প্রচলনের আন্দোলনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
প্রাথমিক ব্রিটিশবিরোধী প্রতিরোধ
Early Anti-British Resistance
ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বাংলায় বিভিন্ন সময় কৃষক, ধর্মীয় নেতা, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠী প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন, ফরায়েজি আন্দোলন, তিতুমীরের আন্দোলন এবং সিপাহী বিদ্রোহ বাংলার ব্রিটিশবিরোধী ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।
ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন, ফরায়েজি আন্দোলন, তিতুমীরের আন্দোলন এবং সিপাহী বিদ্রোহ বাংলার ব্রিটিশবিরোধী ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।
ফরায়েজি আন্দোলন
Faraizi Movement
বাংলার মুসলিম সমাজে ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কারের উদ্দেশ্যে ফরায়েজি আন্দোলনের সূচনা হয়। হাজী শরীয়তুল্লাহকে এই আন্দোলনের প্রবর্তক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তাঁর মৃত্যুর পর দুদু মিয়া আন্দোলনকে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিবাদের রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কৃষক ও সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার দাবিও এ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
তাঁর মৃত্যুর পর দুদু মিয়া আন্দোলনকে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিবাদের রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কৃষক ও সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার দাবিও এ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
সিপাহী বিদ্রোহ
Sepoy Revolt
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক বিদ্রোহ ছিল। বাংলার বিভিন্ন স্থানেও এই বিদ্রোহের প্রভাব পড়ে।
পাঠ্যে ঢাকার লালবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় সিপাহীদের তৎপরতার উল্লেখ রয়েছে। বিদ্রোহ দমনের পর কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে এবং ব্রিটিশ রাজমুকুটের সরাসরি শাসন প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়।
পাঠ্যে ঢাকার লালবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় সিপাহীদের তৎপরতার উল্লেখ রয়েছে। বিদ্রোহ দমনের পর কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে এবং ব্রিটিশ রাজমুকুটের সরাসরি শাসন প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা
Establishment of the University of Dhaka
পূর্ব বাংলায় উচ্চশিক্ষার উন্নয়নের দাবি থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গৃহীত হয়। এ উদ্দেশ্যে নাথান কমিশন গঠনের উল্লেখ পাঠ্যে রয়েছে।
পাঠ্য অনুযায়ী ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। এটি তৎকালীন পূর্ব বাংলার উচ্চশিক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নবাব সলিমুল্লাহর ভূমিকা ও ভূমিদানের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
পাঠ্য অনুযায়ী ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। এটি তৎকালীন পূর্ব বাংলার উচ্চশিক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নবাব সলিমুল্লাহর ভূমিকা ও ভূমিদানের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
বঙ্গভঙ্গ
Partition of Bengal
ব্রিটিশ শাসনামলে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে বাংলা বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই ঘটনাই বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
লর্ড কার্জনের সময়ে বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা দেওয়া হয় এবং ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তা কার্যকর হয়। এর মাধ্যমে বাংলা দুইটি প্রধান প্রশাসনিক অংশে বিভক্ত হয়।
একদিকে বাংলা প্রদেশ, অন্যদিকে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হয়। পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজধানী ছিল ঢাকা।
বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু হয়। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা আসে এবং ১৯১২ সালে তা কার্যকর হয়।
লর্ড কার্জনের সময়ে বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা দেওয়া হয় এবং ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর তা কার্যকর হয়। এর মাধ্যমে বাংলা দুইটি প্রধান প্রশাসনিক অংশে বিভক্ত হয়।
একদিকে বাংলা প্রদেশ, অন্যদিকে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হয়। পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজধানী ছিল ঢাকা।
বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক আন্দোলন শুরু হয়। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা আসে এবং ১৯১২ সালে তা কার্যকর হয়।
স্বদেশি আন্দোলন
Swadeshi Movement
বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল স্বদেশি আন্দোলন। এর লক্ষ্য ছিল বিদেশি পণ্যের বর্জন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া।
সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ ঘোষসহ বিভিন্ন জাতীয়তাবাদী নেতা এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শিক্ষার্থী, বুদ্ধিজীবী ও মধ্যবিত্ত সমাজের একটি অংশও এতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।
স্বদেশি আন্দোলনের সময় জাতীয় শিক্ষা, দেশীয় শিল্প ও রাজনৈতিক সচেতনতার প্রসার ঘটে।
সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ ঘোষসহ বিভিন্ন জাতীয়তাবাদী নেতা এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শিক্ষার্থী, বুদ্ধিজীবী ও মধ্যবিত্ত সমাজের একটি অংশও এতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।
স্বদেশি আন্দোলনের সময় জাতীয় শিক্ষা, দেশীয় শিল্প ও রাজনৈতিক সচেতনতার প্রসার ঘটে।
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা
Formation of the Muslim League
উপমহাদেশের মুসলমানদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের উদ্দেশ্যে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। পাঠ্যে ঢাকাকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার স্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নবাব সলিমুল্লাহ মুসলিম লীগ গঠনের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন। ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় বলে পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
মুসলিম লীগের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল মুসলিম জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং ব্রিটিশ ভারতের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় তাদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি করা।
নবাব সলিমুল্লাহ মুসলিম লীগ গঠনের অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন। ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় বলে পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
মুসলিম লীগের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল মুসলিম জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং ব্রিটিশ ভারতের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় তাদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি করা।
লক্ষ্ণৌ চুক্তি
Lucknow Pact
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল লক্ষ্ণৌ চুক্তি।
প্রদত্ত পাঠ্যে ১৯১৬ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে হিন্দু-মুসলিম রাজনৈতিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় সৃষ্টি হয়।
প্রদত্ত পাঠ্যে ১৯১৬ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে হিন্দু-মুসলিম রাজনৈতিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় সৃষ্টি হয়।
খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন
Khilafat and Non-Cooperation Movement
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তুরস্কের খিলাফতের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। এর প্রেক্ষাপটে খিলাফত আন্দোলন গড়ে ওঠে।
মহাত্মা গান্ধী অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে খিলাফত আন্দোলনের সহযোগিতা গড়ে তোলেন। ১৯২০ সালের দিকে অসহযোগ আন্দোলন বিস্তৃত আকার ধারণ করে।
ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে অহিংস অসহযোগ, সরকারি প্রতিষ্ঠান বর্জন এবং রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি ছিল এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
মহাত্মা গান্ধী অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে খিলাফত আন্দোলনের সহযোগিতা গড়ে তোলেন। ১৯২০ সালের দিকে অসহযোগ আন্দোলন বিস্তৃত আকার ধারণ করে।
ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে অহিংস অসহযোগ, সরকারি প্রতিষ্ঠান বর্জন এবং রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি ছিল এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
বেঙ্গল প্যাক্ট
Bengal Pact
বাংলায় হিন্দু-মুসলিম রাজনৈতিক সমঝোতা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ হিসেবে বেঙ্গল প্যাক্ট গুরুত্বপূর্ণ। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের নাম এই চুক্তির সঙ্গে যুক্ত।
এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমঝোতা তৈরি করা এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হ্রাস করা।
এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমঝোতা তৈরি করা এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হ্রাস করা।
ভারত শাসন আইন ও নির্বাচন
Government of India Act and Elections
ব্রিটিশ সরকার ভারতীয় উপমহাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন সময়ে ভারত শাসন আইন প্রবর্তন করে।
প্রদত্ত পাঠ্যে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের উল্লেখ রয়েছে। এই আইন প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের পরিধি বৃদ্ধি করে এবং পরবর্তী নির্বাচনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১৯৩৭ সালে ব্রিটিশ ভারতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলায় এ. কে. ফজলুল হকের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠিত হয় বলে পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
প্রদত্ত পাঠ্যে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের উল্লেখ রয়েছে। এই আইন প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের পরিধি বৃদ্ধি করে এবং পরবর্তী নির্বাচনী রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১৯৩৭ সালে ব্রিটিশ ভারতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বাংলায় এ. কে. ফজলুল হকের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠিত হয় বলে পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতা
Independence of India and Pakistan
দীর্ঘ ব্রিটিশ শাসন, জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় ব্রিটিশ ভারত বিভক্ত হয়।
প্রদত্ত পাঠ্য অনুযায়ী পাকিস্তান ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ এবং ভারত ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
ব্রিটিশ ভারতের বিভাজনের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি পৃথক রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়। বাংলা অঞ্চলও বিভক্ত হয় এবং পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অংশে পরিণত হয়।
প্রদত্ত পাঠ্য অনুযায়ী পাকিস্তান ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ এবং ভারত ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
ব্রিটিশ ভারতের বিভাজনের ভিত্তিতে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি পৃথক রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়। বাংলা অঞ্চলও বিভক্ত হয় এবং পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অংশে পরিণত হয়।
- বাংলার ইতিহাসে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ নামে পরিচিত দুর্ভিক্ষটি বাংলা সনের কোন বছরে সংঘটিত হয়েছিল?
- ১১৭৬
- ১৭৭০
- ১৭৭৬
- ১৯৭০
- ব্রিটিশ শাসনামলে প্রথম বঙ্গভঙ্গ কোন ভাইসরয়ের সময় কার্যকর হয়েছিল?
- লর্ড কার্জন
- লর্ড হার্ডিঞ্জ
- লর্ড ক্যানিং
- লর্ড মেকলে
- লর্ড রিপনের উদ্যোগে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য গঠিত কমিশনটির নাম কী?
- রিপন কমিশন
- হান্টার কমিশন
- নাথান কমিশন
- লর্ড কমিশন
- ঐতিহাসিক কুতুব মিনার কোন দেশে অবস্থিত?
- চীন
- ভারত
- বাংলাদেশ
- মিয়ানমার
- ঢাকার লালবাগ দুর্গের নির্মাণকাজ কোন মুঘল সম্রাটের শাসনকালে শুরু হয়েছিল?
- আকবর
- শাহজাহান
- জাহাঙ্গীর
- আওরঙ্গজেব
- বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে কে দায়িত্ব লাভ করেন?
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
- বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা প্রবর্তনের সঙ্গে কোন ব্রিটিশ শাসকের নাম জড়িত?
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন
- লর্ড ক্লাইভ
- লর্ড মিন্টো
- লর্ড কর্নওয়ালিস
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ১৯০৫ সালে
- ১৯১১ সালে
- ১৯০৬ সালে
- ১৯২১ সালে
- বাংলা বর্ণমালার বিকাশের মূল উৎস হিসেবে কোন প্রাচীন লিপিকে ধরা হয়?
- কিউনিফর্ম লিপি
- ব্রাহ্মী লিপি
- ল্যাটিন লিপি
- হায়ারোগ্লিফিক লিপি
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি পরীক্ষা ও সুপারিশ করার জন্য গঠিত কমিশনটির নাম কী?
- সাইমন কমিশন
- নাথান কমিশন
- স্যার পি. জে. হার্টগ কমিশন
- র্যাডক্লিফ কমিশন
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ১৯৭১ সালে প্রথম কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করা হয়?
- ২৬ মার্চ
- ২৫ মার্চ
- ৭ মার্চ
- ২ মার্চ
- ‘আমার দেখা নয়াচীন’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
- আবুল ফজল
- শহীদুল্লাহ কায়সার
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে UNESCO ‘Memory of the World’ স্বীকৃতি দেয় কোন তারিখে?
- ৩০ অক্টোবর ২০১৭
- ২৫ অক্টোবর ২০১৭
- ৩০ নভেম্বর ২০১৭
- ৩১ অক্টোবর ২০১৭
- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের ঘটনাপ্রবাহ প্রধানত কোন সময়কাল পর্যন্ত বিস্তৃত?
- ১৯৪৭ সাল
- ১৯৫২ সাল
- ১৯৬৯ সাল
- ১৯৭১ সাল
- মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বীর প্রতীক’ খেতাব কতজনকে দেওয়া হয়?
- ৭ জন
- ৬৮ জন
- ১৭৫ জন
- ৪২৬ জন
- ‘কারাগারের রোজনামচা’ কার লেখা?
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- মওলানা ভাসানী
- জাহানারা ইমাম
- ড. কামাল হোসেন
- শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয় কোন সালে?
- ১৯৭০ সালে
- ১৯৬৯ সালে
- ১৯৬৮ সালে
- ১৯৬৬ সালে
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কোন দুই নারী ‘বীর প্রতীক’ খেতাব লাভ করেন?
- তারামন বিবি ও মমতাজ বিবি
- সিতারা বেগম ও মমতাজ বিবি
- তারামন বিবি ও সিতারা বেগম
- মনোয়ারা বিবি ও তারামন বিবি
- বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন?
- সেনাবাহিনী
- নৌবাহিনী
- বিমানবাহিনী
- পুলিশ বাহিনী
- বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
- শেখ মুজিবুর রহমান
- এম. মনসুর আলী
- তাজউদ্দীন আহমদ
- আতাউর রহমান খান
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ UNESCO-এর ‘Memory of the World International Register’-এ কোন তারিখে অন্তর্ভুক্ত হয়?
- ২০ অক্টোবর ২০১৭
- ২৫ অক্টোবর ২০১৭
- ৩০ অক্টোবর ২০১৭
- ৩১ অক্টোবর ২০১৭
- বঙ্গবন্ধুর জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়া কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- মধুমতি
- বাইগার
- কুমার
- ভৈরব
- তারামন বিবি মুক্তিযুদ্ধে কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন?
- ৮ নম্বর সেক্টর
- ৯ নম্বর সেক্টর
- ১০ নম্বর সেক্টর
- ১১ নম্বর সেক্টর
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী কর্মসূচি কত দফার ছিল?
- ৬ দফা
- ১১ দফা
- ২১ দফা
- ৮ দফা
- শেখ মুজিবুর রহমান কোন সালে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত হন?
- ১৯৭০
- ১৯৬৯
- ১৯৬৮
- ১৯৬৬
- ঐতিহাসিক মুজিবনগর বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
- যশোর
- কুষ্টিয়া
- মেহেরপুর
- চুয়াডাঙ্গা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি কোন সালে উত্থাপন করেন?
- ১৯৪৭ সালে
- ১৯৫২ সালে
- ১৯৬৬ সালে
- ১৯৭১ সালে
- মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মোট কতজন মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় বীরত্বসূচক খেতাব দেওয়া হয়েছিল?
- ৬৭৬ জন
- ৬৮ জন
- ১৭৫ জন
- ৪২৬ জন
- বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ প্রথম কোন ভাষায় অনূদিত হয়?
- রুশ
- ডাচ
- চীনা
- ফরাসি
- তৎকালীন পাকিস্তানে শিক্ষা আন্দোলন কোন সালে সংঘটিত হয়েছিল?
- ১৯৫৬ সালে
- ১৯৬২ সালে
- ১৯৬৬ সালে
- ১৯৬৮ সালে
- ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন কে?
- তানভীর মোকাম্মেল
- অনন্ত হীরা
- সোহেল আরমান
- মোরশেদুল ইসলাম
- নিচের কোন গ্রন্থটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা?
- সত্য মামলা আত্মজীবনী
- অরক্ষণ নয় মাস
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী
- বাংলাদেশের কথা কয়
- বর্তমান মুজিবনগরের পূর্ব নাম কী ছিল?
- চন্দ্রবতী
- ভবেরপাড়া
- টুঙ্গিপাড়া
- শিমুলিয়া
- বঙ্গবন্ধু কোন আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মানে ভূষিত হন?
- জুলিও কুরি শান্তি পদক
- ম্যাগসেসে পুরস্কার
- নোবেল শান্তি পুরস্কার
- লেনিন শান্তি পুরস্কার
- বাংলাদেশের অস্থায়ী বা মুজিবনগর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয় কোন তারিখে?
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১
- ১১ এপ্রিল ১৯৭১
- ১২ এপ্রিল ১৯৭১
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
- ২০১৪ সালের স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় সংগীত গেয়ে বিশ্বরেকর্ডের আয়োজনটিতে প্রায় কতজন অংশ নেয়?
- ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন
- ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮৬১ জন
- ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৮৬১ জন
- ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬৮০ জন
- বাংলাদেশে জাতীয় শিশু দিবস কোন তারিখে পালিত হয়?
- ১৭ মার্চ
- ২৭ মার্চ
- ১৭ অক্টোবর
- ২৭ অক্টোবর
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় ‘চরমপত্র’ অনুষ্ঠানটি কে পাঠ করতেন?
- তোফাজ্জল হোসেন
- আবদুল গাফফার চৌধুরী
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
- এম. আর. আখতার মুকুল
- মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিভাগের দায়িত্বে কে ছিলেন?
- ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
- তাজউদ্দীন আহমদ
- খন্দকার মোশতাক আহমদ
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
- মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ‘বল্লভ সাগর’ কোথায় অবস্থিত?
- বরগুনা
- নোয়াখালী
- খুলনা
- নাটোর
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘মুক্তির গান’ কে পরিচালনা করেন?
- জহির রায়হান
- আলমগীর কবির
- গীতা মেহতা
- তারেক মাসুদ
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত ‘September on Jessore Road’ কবিতাটির কবি কে?
- মাইকেল কটসওয়ার্থ
- বব ডিলান
- জর্জ হ্যারিসন
- অ্যালেন গিন্সবার্গ
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট কতজনকে রাষ্ট্রীয় খেতাব দেওয়া হয়েছিল?
- ৪২৬ জন
- ৬৭৬ জন
- ৬৭৫ জন
- ৫৭৬ জন
- ব্রিটিশ সরকারের প্রথম বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্ত কোন সালে বাতিল করা হয়?
- ১৯০৫ সালে
- ১৯১১ সালে
- ১৯০৬ সালে
- ১৯০৯ সালে
- বাঙালি জনগোষ্ঠীর নৃতাত্ত্বিক গঠনে প্রধান প্রভাব কোন জনগোষ্ঠীর?
- দ্রাবিড়
- নেগ্রিটো
- ভোটচীন
- অস্ট্রিক
- ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ ইংরেজি কত সালে সংঘটিত হয়েছিল?
- ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
- ১৭৬৩ খ্রিস্টাব্দ
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ
- ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ
- হিন্দু সমাজে সতীদাহ প্রথা আইনগতভাবে কোন সালে বিলুপ্ত করা হয়?
- ১৭২৯ সালে
- ১৮২৯ সালে
- ১৬২৯ সালে
- ১৮২৮ সালে
- বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা কোন সালে চালু করা হয়?
- ১৭০০ সালে
- ১৭৬২ সালে
- ১৭৯৫ সালে
- ১৭৯৩ সালে
- কোন বাংলাদেশি পর্বতারোহী দুইবার মাউন্ট এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন?
- মুসা ইব্রাহিম
- নিশাত মজুমদার
- এম. এ. মুহিত
- ওয়াসফিয়া নাজরীন
- পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা কোন তারিখে শুরু হয়েছিল?
- ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯
- ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১০
- ২১ আগস্ট ২০০৯
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০১০