সাধারণ বিজ্ঞান — NTRCA school-2-level
সাধারণ বিজ্ঞান: সাধারণ জ্ঞান, NTRCA school-2-level পাঠ ও 79টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/2।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- পদার্থ ও পদার্থের অবস্থা
- তাপবিদ্যা
- আলোকশক্তি
- শব্দ ও তরঙ্গ
- বিভিন্ন প্রকার রশ্মি
- চৌম্বক ও অচৌম্বক পদার্থ
- পরমাণুর গঠন
- বিভিন্ন প্রকার পরিমাপক যন্ত্র
- রসায়নের মৌলিক ধারণা
- বিভিন্ন প্রকার গ্যাস ও জ্বালানি
- ধাতু ও অধাতু
- জীববিজ্ঞান
- কোষ
- প্লাস্টিড
- জেনেটিক্স
- মানবদেহ ও রক্ত
- বহুনির্বাচনী প্রশ্নত্তর
পদার্থ ও পদার্থের অবস্থা
Matter and States of Matter
যার ভর আছে, স্থান দখল করে এবং জড়তা আছে তাকে পদার্থ বলা হয়। সাধারণভাবে পদার্থকে কঠিন, তরল ও বায়বীয় এই তিন অবস্থায় দেখা যায়।
কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে। এর অণুগুলো খুব কাছাকাছি অবস্থান করে এবং পারস্পরিক আকর্ষণ শক্তি বেশি থাকে।
তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও নির্দিষ্ট আকার থাকে না। পাত্রের আকৃতি অনুসারে এর আকার বদলে যায়।
বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন কোনোটিই থাকে না। অণুগুলোর পারস্পরিক দূরত্ব বেশি হওয়ায় তারা সহজে চলাচল করতে পারে।
কোনো পদার্থকে উত্তপ্ত বা শীতল করলে তার অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে। কঠিন থেকে তরলে পরিবর্তন গলন, তরল থেকে কঠিনে পরিবর্তন জমাট বাঁধা, তরল থেকে বাষ্পে পরিবর্তন বাষ্পীভবন এবং বাষ্প থেকে তরলে পরিবর্তন ঘনীভবন নামে পরিচিত।
কঠিন পদার্থ সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হলে তাকে ঊর্ধ্বপাতন বলা হয়। কর্পূর, আয়োডিন ও ন্যাপথলিন এ ধরনের পদার্থের উদাহরণ।
কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে। এর অণুগুলো খুব কাছাকাছি অবস্থান করে এবং পারস্পরিক আকর্ষণ শক্তি বেশি থাকে।
তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও নির্দিষ্ট আকার থাকে না। পাত্রের আকৃতি অনুসারে এর আকার বদলে যায়।
বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন কোনোটিই থাকে না। অণুগুলোর পারস্পরিক দূরত্ব বেশি হওয়ায় তারা সহজে চলাচল করতে পারে।
কোনো পদার্থকে উত্তপ্ত বা শীতল করলে তার অবস্থার পরিবর্তন হতে পারে। কঠিন থেকে তরলে পরিবর্তন গলন, তরল থেকে কঠিনে পরিবর্তন জমাট বাঁধা, তরল থেকে বাষ্পে পরিবর্তন বাষ্পীভবন এবং বাষ্প থেকে তরলে পরিবর্তন ঘনীভবন নামে পরিচিত।
কঠিন পদার্থ সরাসরি বাষ্পে রূপান্তরিত হলে তাকে ঊর্ধ্বপাতন বলা হয়। কর্পূর, আয়োডিন ও ন্যাপথলিন এ ধরনের পদার্থের উদাহরণ।
তাপবিদ্যা
Heat and Temperature
তাপ এক ধরনের শক্তি। তাপমাত্রা কোনো বস্তুর গরম বা ঠান্ডা অবস্থার পরিমাপ নির্দেশ করে। তাপমাত্রার আন্তর্জাতিক একক কেলভিন, আর প্রচলিত স্কেলের মধ্যে সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট ব্যবহৃত হয়।
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় \(98.4^\circ\) ফারেনহাইট বা \(36.9^\circ\mathrm{C}\)। পরমশূন্য তাপমাত্রা প্রায় \(-273^\circ\mathrm{C}\)। পানির হিমাঙ্ক \(0^\circ\mathrm{C}\) এবং স্ফুটনাঙ্ক \(100^\circ\mathrm{C}\)। ফারেনহাইট স্কেলে পানির স্ফুটনাঙ্ক \(212^\circ\mathrm{F}\)।
তাপ সাধারণত পরিবহন, প্রবাহন ও বিকিরণ—এই তিন প্রক্রিয়ায় সঞ্চারিত হয়। কঠিনে প্রধানত পরিবহন, তরল ও গ্যাসে প্রবাহন এবং শূন্যস্থানে বিকিরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বায়বীয় পদার্থে তাপ তুলনামূলকভাবে বেশি প্রসারিত হয়। উঁচু পাহাড়ে বায়ুচাপ কম থাকায় পানির স্ফুটনাঙ্ক কমে যায় এবং রান্নায় বেশি সময় লাগতে পারে। প্রেসার কুকারে চাপ বাড়ানো হলে স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে গিয়ে খাবার দ্রুত সিদ্ধ হয়।
মাটির কলসের সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে পানি বের হয়ে বাষ্পীভূত হওয়ার সময় তাপ শোষণ করে, তাই কলসের পানি তুলনামূলক ঠান্ডা থাকে। ফ্যান শরীরের ঘাম বাষ্পীভবনের হার বাড়িয়ে ??ান্ডা অনুভূতি সৃষ্টি করে।
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় \(98.4^\circ\) ফারেনহাইট বা \(36.9^\circ\mathrm{C}\)। পরমশূন্য তাপমাত্রা প্রায় \(-273^\circ\mathrm{C}\)। পানির হিমাঙ্ক \(0^\circ\mathrm{C}\) এবং স্ফুটনাঙ্ক \(100^\circ\mathrm{C}\)। ফারেনহাইট স্কেলে পানির স্ফুটনাঙ্ক \(212^\circ\mathrm{F}\)।
তাপ সাধারণত পরিবহন, প্রবাহন ও বিকিরণ—এই তিন প্রক্রিয়ায় সঞ্চারিত হয়। কঠিনে প্রধানত পরিবহন, তরল ও গ্যাসে প্রবাহন এবং শূন্যস্থানে বিকিরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বায়বীয় পদার্থে তাপ তুলনামূলকভাবে বেশি প্রসারিত হয়। উঁচু পাহাড়ে বায়ুচাপ কম থাকায় পানির স্ফুটনাঙ্ক কমে যায় এবং রান্নায় বেশি সময় লাগতে পারে। প্রেসার কুকারে চাপ বাড়ানো হলে স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে গিয়ে খাবার দ্রুত সিদ্ধ হয়।
মাটির কলসের সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে পানি বের হয়ে বাষ্পীভূত হওয়ার সময় তাপ শোষণ করে, তাই কলসের পানি তুলনামূলক ঠান্ডা থাকে। ফ্যান শরীরের ঘাম বাষ্পীভবনের হার বাড়িয়ে ??ান্ডা অনুভূতি সৃষ্টি করে।
আলোকশক্তি
Light
আলো এক ধরনের শক্তি, যা চোখে প্রবেশ করলে দর্শনের অনুভূতি সৃষ্টি করে। শূন্যস্থানে আলোর বেগ সর্বাধিক। প্রদত্ত পাঠ্য অনুযায়ী আলোর বেগ প্রায় \(1,86,000\) মাইল প্রতি সেকেন্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আকাশ নীল দেখানোর কারণ হিসেবে সূর্যালোকের নীল অংশের বেশি বিক্ষেপণের কথা বলা হয়েছে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় সূর্যকে লাল দেখায়, কারণ দীর্ঘ পথ অতিক্রমের সময় অপেক্ষাকৃত কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো বেশি বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়।
আলোর প্রতিফলন হলো কোনো পৃষ্ঠে পতিত আলো একই মাধ্যমে ফিরে আসা। সমতল দর্পণে নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে। পানিতে কাঠি বাঁকা দেখা, মরীচিকা এবং পানির নিচের বস্তু উপরে দেখা—এসব আলোর প্রতিসরণের উদাহরণ।
দৃশ্যমান আলোর সাতটি বর্ণের মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। বিক্ষেপণ তুলনামূলকভাবে বেগুনি আলোর বেশি এবং লাল আলোর কম।
আকাশ নীল দেখানোর কারণ হিসেবে সূর্যালোকের নীল অংশের বেশি বিক্ষেপণের কথা বলা হয়েছে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় সূর্যকে লাল দেখায়, কারণ দীর্ঘ পথ অতিক্রমের সময় অপেক্ষাকৃত কম তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো বেশি বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়।
আলোর প্রতিফলন হলো কোনো পৃষ্ঠে পতিত আলো একই মাধ্যমে ফিরে আসা। সমতল দর্পণে নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে। পানিতে কাঠি বাঁকা দেখা, মরীচিকা এবং পানির নিচের বস্তু উপরে দেখা—এসব আলোর প্রতিসরণের উদাহরণ।
দৃশ্যমান আলোর সাতটি বর্ণের মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বেগুনি আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম। বিক্ষেপণ তুলনামূলকভাবে বেগুনি আলোর বেশি এবং লাল আলোর কম।
শব্দ ও তরঙ্গ
Sound and Wave
শব্দ শক্তির একটি তরঙ্গরূপ, যা আমাদের কানে শ্রবণের অনুভূতি সৃষ্টি করে। শব্দ চলাচলের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন; তাই শূন্যস্থানে শব্দ চলতে পারে না।
শব্দের বেগ মাধ্যমভেদে পরিবর্তিত হয়। কঠিনে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি, তরলে তার চেয়ে কম এবং গ্যাসে তুলনামূলক কম। প্রদত্ত পাঠ্যে লোহায় শব্দের বেগ প্রায় \(5121\) মিটার প্রতি সেকেন্ড, পানিতে প্রায় \(1450\) মিটার প্রতি সেকেন্ড এবং শুষ্ক বায়ুতে প্রায় \(332\) মিটার প্রতি সেকেন্ড উল্লেখ করা হয়েছে।
বাতাসের আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের বেগ বাড়ে। তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়লে শব্দের তীব্রতা বা কম্পাঙ্কসংক্রান্ত বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন ঘটে। মানুষের শ্রাব্য কম্পাঙ্কসীমা প্রায় \(20\) হার্জ থেকে \(20000\) হার্জ।
প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ ও প্রতিফলিত শব্দের মধ্যে যথেষ্ট সময় ব্যবধান দরকার। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব প্রায় \(16.6\) মিটার হলে পৃথক প্রতিধ্বনি শোনা যায়।
আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে মানুষের শ্রাব্যসীমার চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ ব্যবহার করা হয়।
শব্দের বেগ মাধ্যমভেদে পরিবর্তিত হয়। কঠিনে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি, তরলে তার চেয়ে কম এবং গ্যাসে তুলনামূলক কম। প্রদত্ত পাঠ্যে লোহায় শব্দের বেগ প্রায় \(5121\) মিটার প্রতি সেকেন্ড, পানিতে প্রায় \(1450\) মিটার প্রতি সেকেন্ড এবং শুষ্ক বায়ুতে প্রায় \(332\) মিটার প্রতি সেকেন্ড উল্লেখ করা হয়েছে।
বাতাসের আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের বেগ বাড়ে। তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়লে শব্দের তীব্রতা বা কম্পাঙ্কসংক্রান্ত বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন ঘটে। মানুষের শ্রাব্য কম্পাঙ্কসীমা প্রায় \(20\) হার্জ থেকে \(20000\) হার্জ।
প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ ও প্রতিফলিত শব্দের মধ্যে যথেষ্ট সময় ব্যবধান দরকার। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব প্রায় \(16.6\) মিটার হলে পৃথক প্রতিধ্বনি শোনা যায়।
আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে মানুষের শ্রাব্যসীমার চেয়ে বেশি কম্পাঙ্কের শব্দ ব্যবহার করা হয়।
বিভিন্ন প্রকার রশ্মি
Radiation
তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালিতে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও শক্তির রশ্মি রয়েছে। গামা রশ্মি অত্যন্ত ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও উচ্চ শক্তিসম্পন্ন। জীবদেহের জন্য এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং ক্যানসার চিকিৎসায়ও নিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহৃত হয়।
এক্স-রে অদৃশ্য তড়িৎচুম্বকীয় রশ্মি। শরীরের ভেতরের হাড় বা অঙ্গের ছবি তুলতে এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়। এক্স-রের আবিষ্কারক হিসেবে উইলহেল্ম কনরাড রন্টগেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে এবং শরীরে ভিটামিন-ডি তৈরিতে সহায়তা করে। অতিরিক্ত অতিবেগুনি রশ্মি ত্বক ও চোখের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
অবলোহিত রশ্মি তাপের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং রিমোট কন্ট্রোলসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়।
কসমিক রে বা মহাজাগতিক রশ্মি মহাশূন্য থেকে পৃথিবীতে আসে এবং উচ্চ শক্তিসম্পন্ন কণিকা নিয়ে গঠিত।
এক্স-রে অদৃশ্য তড়িৎচুম্বকীয় রশ্মি। শরীরের ভেতরের হাড় বা অঙ্গের ছবি তুলতে এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়। এক্স-রের আবিষ্কারক হিসেবে উইলহেল্ম কনরাড রন্টগেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে এবং শরীরে ভিটামিন-ডি তৈরিতে সহায়তা করে। অতিরিক্ত অতিবেগুনি রশ্মি ত্বক ও চোখের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
অবলোহিত রশ্মি তাপের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং রিমোট কন্ট্রোলসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়।
কসমিক রে বা মহাজাগতিক রশ্মি মহাশূন্য থেকে পৃথিবীতে আসে এবং উচ্চ শক্তিসম্পন্ন কণিকা নিয়ে গঠিত।
চৌম্বক ও অচৌম্বক পদার্থ
Magnetic and Non-magnetic Materials
যে সব পদার্থ চুম্বকের দ্বারা আকৃষ্ট হয় বা চুম্বকে পরিণত করা যায়, সেগুলো চৌম্বক পদার্থ। লোহা, নিকেল, কোবাল্ট এবং এদের কিছু সংকর ধাতু চৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।
যে সব পদার্থ চুম্বকের দ্বারা সহজে আকৃষ্ট হয় না এবং সাধারণভাবে চুম্বকে পরিণত করা যায় না, সেগুলো অচৌম্বক পদার্থ। সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম ও স্টিলকে পাঠ্যে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
চৌম্বক পদার্থ মনে রাখার কৌশল হিসেবে লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ও ইস্পাতের নাম একত্রে স্মরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
যে সব পদার্থ চুম্বকের দ্বারা সহজে আকৃষ্ট হয় না এবং সাধারণভাবে চুম্বকে পরিণত করা যায় না, সেগুলো অচৌম্বক পদার্থ। সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম ও স্টিলকে পাঠ্যে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
চৌম্বক পদার্থ মনে রাখার কৌশল হিসেবে লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ও ইস্পাতের নাম একত্রে স্মরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পরমাণুর গঠন
Structure of Atom
পদার্থের এমন ক্ষুদ্র কণাকে পরমাণু বলা হয়, যা মৌলের বৈশিষ্ট্য বহন করে। পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে এবং এর চারপাশে ইলেকট্রন অবস্থান করে।
নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে। প্রোটন ধনাত্মক আধানযুক্ত, ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত এবং নিউট্রন আধানহীন। স্বাভাবিক পরমাণুতে প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকায় মোট আধান নিরপেক্ষ থাকে।
পারমাণবিক সংখ্যা হলো নিউক্লিয়াসে বিদ্যমান প্রোটনের সংখ্যা। পারমাণবিক ভর বলতে প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যাকে বোঝানো হয়। হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াসে সাধারণত একটি প্রোটন থাকে এবং সাধারণ হাইড্রোজেনে নিউট্রন থাকে না।
ইলেকট্রনের আবিষ্কারের সঙ্গে জে. জে. থমসন, নিউট্রনের সঙ্গে জেমস চ্যাডউইক এবং প্রোটনের সঙ্গে আর্নেস্ট রাদারফোর্ডের নাম পাঠ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে। প্রোটন ধনাত্মক আধানযুক্ত, ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত এবং নিউট্রন আধানহীন। স্বাভাবিক পরমাণুতে প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকায় মোট আধান নিরপেক্ষ থাকে।
পারমাণবিক সংখ্যা হলো নিউক্লিয়াসে বিদ্যমান প্রোটনের সংখ্যা। পারমাণবিক ভর বলতে প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যাকে বোঝানো হয়। হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াসে সাধারণত একটি প্রোটন থাকে এবং সাধারণ হাইড্রোজেনে নিউট্রন থাকে না।
ইলেকট্রনের আবিষ্কারের সঙ্গে জে. জে. থমসন, নিউট্রনের সঙ্গে জেমস চ্যাডউইক এবং প্রোটনের সঙ্গে আর্নেস্ট রাদারফোর্ডের নাম পাঠ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিভিন্ন প্রকার পরিমাপক যন্ত্র
Measuring Instruments
অলটিমিটার উচ্চতা নির্ণয়ে, অ্যামিটার বিদ্যুৎ প্রবাহ মাপতে, অ্যানিমোমিটার বাতাসের গতিবেগ পরিমাপে এবং অডিওমিটার শব্দের তীব্রতা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
ওডোমিটার মোটরগাড়ির অতিক্রান্ত দূরত্ব নির্ণয় করে, ওহম মিটার বৈদ্যুতিক রোধ নির্ণয় করে এবং ক্যালরিমিটার তাপ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
কার্ডিওগ্রাফ হৃদপিণ্ডের গতি বা ক্রিয়া রেকর্ড করে এবং ক্রোনোমিটার নির্ভুল সময় পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
ট্যাকোমিটার ঘূর্ণনগতির পরিমাপক, পেরিস্কোপ আড়াল থেকে বস্তু দেখার যন্ত্র, ফ্যাদোমিটার সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক এবং ডেনসিমিটার ঘনত্ব নির্ণায়ক।
ভোল্টমিটার বিভব পার্থক্য মাপে, রিখটার স্কেল ভূমিকম্পের মাত্রা নির্দেশ করে, সিসমোগ্রাফ ভূকম্প রেকর্ড করে এবং সেক্সট্যান্ট সূর্য বা নক্ষত্রের কৌণিক উচ্চতা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
ল্যাক্টোমিটার দুধের বিশুদ্ধতা, ম্যানোমিটার গ্যাসের চাপ, স্পিগমোম্যানোমিটার রক্তচাপ, স্টেথোস্কোপ হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের শব্দ, থার্মোমিটার তাপমাত্রা এবং স্পিডোমিটার গাড়ির গতি পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
রেইনগেজ বৃষ্টিপাত, ব্যারোমিটার বায়ুচাপ, হাইগ্রোমিটার বায়ুর আর্দ্রতা এবং হাইড্রোমিটার তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
ওডোমিটার মোটরগাড়ির অতিক্রান্ত দূরত্ব নির্ণয় করে, ওহম মিটার বৈদ্যুতিক রোধ নির্ণয় করে এবং ক্যালরিমিটার তাপ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
কার্ডিওগ্রাফ হৃদপিণ্ডের গতি বা ক্রিয়া রেকর্ড করে এবং ক্রোনোমিটার নির্ভুল সময় পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
ট্যাকোমিটার ঘূর্ণনগতির পরিমাপক, পেরিস্কোপ আড়াল থেকে বস্তু দেখার যন্ত্র, ফ্যাদোমিটার সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক এবং ডেনসিমিটার ঘনত্ব নির্ণায়ক।
ভোল্টমিটার বিভব পার্থক্য মাপে, রিখটার স্কেল ভূমিকম্পের মাত্রা নির্দেশ করে, সিসমোগ্রাফ ভূকম্প রেকর্ড করে এবং সেক্সট্যান্ট সূর্য বা নক্ষত্রের কৌণিক উচ্চতা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
ল্যাক্টোমিটার দুধের বিশুদ্ধতা, ম্যানোমিটার গ্যাসের চাপ, স্পিগমোম্যানোমিটার রক্তচাপ, স্টেথোস্কোপ হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের শব্দ, থার্মোমিটার তাপমাত্রা এবং স্পিডোমিটার গাড়ির গতি পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
রেইনগেজ বৃষ্টিপাত, ব্যারোমিটার বায়ুচাপ, হাইগ্রোমিটার বায়ুর আর্দ্রতা এবং হাইড্রোমিটার তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব বা ঘনত্ব নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
রসায়নের মৌলিক ধারণা
Basic Chemistry
মৌলিক পদার্থ রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করে অন্য কোনো সহজ পদার্থে বিভক্ত করা যায় না। যৌগিক পদার্থে দুই বা ততোধিক মৌল নির্দিষ্ট অনুপাতে যুক্ত থাকে। দুই বা ততোধিক পদার্থ নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করলে তাকে মিশ্রণ বলা হয়। বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ।
প্রদত্ত পাঠ্যে মৌলিক পদার্থকে ধাতু, উপধাতু, অধাতু ও নিষ্ক্রিয় মৌল—এইভাবে শ্রেণিবদ্ধভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। যেসব বস্তু রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করে অন্য পদার্থে রূপান্তর করা যায় না, সেগুলো মৌলিক পদার্থ।
রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থের নিজস্ব ধর্ম বদলে নতুন পদার্থ তৈরি হয়। লোহায় মরিচা ধরা, দুধ টক হওয়া, মোমবাতির দহন এবং দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বলা রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ।
অন্যদিকে বরফ গলা, পানি ঠান্ডা হয়ে বরফ হওয়া, পানি বাষ্পে পরিণত হওয়া এবং ধাতব তার গরম হয়ে প্রসারিত হওয়া ভৌত পরিবর্তনের উদাহরণ।
প্রদত্ত পাঠ্যে মৌলিক পদার্থকে ধাতু, উপধাতু, অধাতু ও নিষ্ক্রিয় মৌল—এইভাবে শ্রেণিবদ্ধভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। যেসব বস্তু রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করে অন্য পদার্থে রূপান্তর করা যায় না, সেগুলো মৌলিক পদার্থ।
রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থের নিজস্ব ধর্ম বদলে নতুন পদার্থ তৈরি হয়। লোহায় মরিচা ধরা, দুধ টক হওয়া, মোমবাতির দহন এবং দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বলা রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ।
অন্যদিকে বরফ গলা, পানি ঠান্ডা হয়ে বরফ হওয়া, পানি বাষ্পে পরিণত হওয়া এবং ধাতব তার গরম হয়ে প্রসারিত হওয়া ভৌত পরিবর্তনের উদাহরণ।
বিভিন্ন প্রকার গ্যাস ও জ্বালানি
Gases and Fuels
সাধারণ তাপমাত্রায় যে পদার্থ বায়বীয় অবস্থায় থাকে তাকে গ্যাস বলা হয়। সবচেয়ে হালকা গ্যাস হাইড্রোজেন এবং সবচেয়ে ভারী গ্যাস হিসেবে রেডনের নাম দেওয়া হয়েছে। নিষ্ক্রিয় গ্যাসের মধ্যে হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন, জেনন ও রেডন উল্লেখযোগ্য।
হিলিয়াম হাইড্রোজেনের তুলনায় ভারী হলেও দাহ্য নয়, তাই বেলুন ও উড়োজাহাজজাতীয় ব্যবহারে নিরাপদ বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। বৈদ্যুতিক বাতির ভেতরে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে নাইট্রোজেনের ব্যবহার এবং টিউব লাইটে আর্গন ও নিয়নের ব্যবহারের কথা পাঠ্যে এসেছে।
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেন প্রায় \(80\%\) থেকে \(90\%\) পর্যন্ত থাকতে পারে। দেশে ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় \(46\%\)।
CNG-এর পূর্ণরূপ Compressed Natural Gas এবং LNG-এর পূর্ণরূপ Liquefied Natural Gas। LPG সাধারণত বিউটেন ও প্রোপেনের মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
জীবাশ্ম জ্বালানি বহু বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা জীবদেহের অবশেষ থেকে গঠিত। কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস প্রধান জীবাশ্ম জ্বালানি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলশক্তি ও অন্যান্য পুনর্নবীকরণযোগ্য উৎসের কথা বলা হয়েছে।
সৌরকোষ সৌরশক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে এবং এতে সিলিকন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
হিলিয়াম হাইড্রোজেনের তুলনায় ভারী হলেও দাহ্য নয়, তাই বেলুন ও উড়োজাহাজজাতীয় ব্যবহারে নিরাপদ বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। বৈদ্যুতিক বাতির ভেতরে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে নাইট্রোজেনের ব্যবহার এবং টিউব লাইটে আর্গন ও নিয়নের ব্যবহারের কথা পাঠ্যে এসেছে।
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেন প্রায় \(80\%\) থেকে \(90\%\) পর্যন্ত থাকতে পারে। দেশে ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় \(46\%\)।
CNG-এর পূর্ণরূপ Compressed Natural Gas এবং LNG-এর পূর্ণরূপ Liquefied Natural Gas। LPG সাধারণত বিউটেন ও প্রোপেনের মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
জীবাশ্ম জ্বালানি বহু বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা জীবদেহের অবশেষ থেকে গঠিত। কয়লা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস প্রধান জীবাশ্ম জ্বালানি। নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলশক্তি ও অন্যান্য পুনর্নবীকরণযোগ্য উৎসের কথা বলা হয়েছে।
সৌরকোষ সৌরশক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে এবং এতে সিলিকন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
ধাতু ও অধাতু
Metals and Non-metals
ধাতু সাধারণত কঠিন, উজ্জ্বল, তাপ ও বিদ্যুতের সুপরিবাহী এবং আঘাত করলে ধাতব শব্দ উৎপন্ন করে। সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, তামা, লোহা, অ্যালুমিনিয়াম, রূপা, সোনা, দস্তা ও টিন ধাতুর উদাহরণ।
অধাতু সাধারণত তুলনামূলক হালকা, ভঙ্গুর এবং তাপ ও বিদ্যুতের কুপরিবাহী। কার্বন, সালফার, ফসফরাস, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও হ্যালোজেনজাত মৌল অধাতুর উদাহরণ। গ্রাফাইট অধাতু হলেও বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে—এটি উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী প্রকৃতিতে প্রায় \(70\)টি ধাতু পাওয়া যায় এবং সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম। সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু পটাশিয়াম, পানিতে ভাসে সোডিয়াম এবং সবচেয়ে ভারী তরল ধাতু পারদ। পৃথিবীর ভূত্বকে অ্যালুমিনিয়াম প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
ইস্পাত হলো লোহার সংকর ধাতু। স্টেইনলেস স্টিলে লোহার সঙ্গে ক্রোমিয়াম, নিকেল ও কার্বন থাকে। ব্রোঞ্জ তামা ও টিনের সংকর এবং ব্রাস বা পিতল তামা ও দস্তার সংকর।
চুনের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম অক্সাইড, চক বা পাথরের প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বোনেট এবং ব্লিচিং পাউডার তৈরিতে ক্যালসিয়াম যৌগ ব্যবহৃত হয়। কাচের অন্যতম প্রধান উপাদান সিলিকা।
অধাতু সাধারণত তুলনামূলক হালকা, ভঙ্গুর এবং তাপ ও বিদ্যুতের কুপরিবাহী। কার্বন, সালফার, ফসফরাস, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও হ্যালোজেনজাত মৌল অধাতুর উদাহরণ। গ্রাফাইট অধাতু হলেও বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে—এটি উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী প্রকৃতিতে প্রায় \(70\)টি ধাতু পাওয়া যায় এবং সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম। সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু পটাশিয়াম, পানিতে ভাসে সোডিয়াম এবং সবচেয়ে ভারী তরল ধাতু পারদ। পৃথিবীর ভূত্বকে অ্যালুমিনিয়াম প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
ইস্পাত হলো লোহার সংকর ধাতু। স্টেইনলেস স্টিলে লোহার সঙ্গে ক্রোমিয়াম, নিকেল ও কার্বন থাকে। ব্রোঞ্জ তামা ও টিনের সংকর এবং ব্রাস বা পিতল তামা ও দস্তার সংকর।
চুনের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম অক্সাইড, চক বা পাথরের প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বোনেট এবং ব্লিচিং পাউডার তৈরিতে ক্যালসিয়াম যৌগ ব্যবহৃত হয়। কাচের অন্যতম প্রধান উপাদান সিলিকা।
জীববিজ্ঞান
Biology
জীবদেহের গঠন, কার্যপ্রণালি, বংশগতি, বিবর্তন ও পরিবেশের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে জীববিজ্ঞান আলোচনা করে। এই অধ্যায়ে কোষ, প্লাস্টিড, জেনেটিক্স এবং মানবদেহ ও রক্তসংক্রান্ত মৌলিক তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে।
কোষ
Cell
কোষ জীবদেহের গঠন ও কাজের মৌলিক একক। মানুষের শরীরে বহুসংখ্যক বিশেষায়িত কোষ থাকে। ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা ও ম্যালেরিয়ার জীবাণুর মতো জীব এককোষী হতে পারে।
কোষের প্রধান অংশের মধ্যে কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস উল্লেখযোগ্য। নিউক্লিয়াস কোষের বিভিন্ন জৈবনিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। লোহিত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকায় সাধারণত নিউক্লিয়াস থাকে না, আর কিছু কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকতে পারে।
মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলা হয়। এখানে শ্বসন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদিত হয়। রাইবোজোমে আমিষ সংশ্লেষণ ঘটে, তাই একে প্রোটিন তৈরির কারখানা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
মানবদেহে কোষ বিভাজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ এবং প্রজনন-সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
কোষের প্রধান অংশের মধ্যে কোষঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস উল্লেখযোগ্য। নিউক্লিয়াস কোষের বিভিন্ন জৈবনিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। লোহিত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকায় সাধারণত নিউক্লিয়াস থাকে না, আর কিছু কোষে একাধিক নিউক্লিয়াস থাকতে পারে।
মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলা হয়। এখানে শ্বসন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদিত হয়। রাইবোজোমে আমিষ সংশ্লেষণ ঘটে, তাই একে প্রোটিন তৈরির কারখানা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
মানবদেহে কোষ বিভাজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ এবং প্রজনন-সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
প্লাস্টিড
Plastid
উদ্ভিদকোষে বিদ্যমান বর্ণযুক্ত বা বর্ণহীন বিশেষ অঙ্গাণুকে প্লাস্টিড বলা হয়। এটি উদ্ভিদের পাতা, ফুল ও ফলের বর্ণ এবং খাদ্যসংরক্ষণে ভূমিকা রাখে।
প্লাস্টিডকে তিন ভাগে আলোচনা করা হয়—ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট ও লিউকোপ্লাস্ট। ক্লোরোপ্লাস্ট সবুজ এবং এতে ক্লোরোফিল থাকে। ক্লোরোফিলের কারণে উদ্ভিদের সবুজ অংশে সালোকসংশ্লেষণ সম্ভব হয়।
সালোকসংশ্লেষণে উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি ব্যবহার করে শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে। এই প্রক্রিয়া প্রধানত পাতায় ঘটে।
ক্রোমোপ্লাস্ট ফুল ও ফলের বিভিন্ন বর্ণের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং লিউকোপ্লাস্ট সাধারণত বর্ণহীন, যা খাদ্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে।
প্লাস্টিডকে তিন ভাগে আলোচনা করা হয়—ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট ও লিউকোপ্লাস্ট। ক্লোরোপ্লাস্ট সবুজ এবং এতে ক্লোরোফিল থাকে। ক্লোরোফিলের কারণে উদ্ভিদের সবুজ অংশে সালোকসংশ্লেষণ সম্ভব হয়।
সালোকসংশ্লেষণে উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি ব্যবহার করে শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে। এই প্রক্রিয়া প্রধানত পাতায় ঘটে।
ক্রোমোপ্লাস্ট ফুল ও ফলের বিভিন্ন বর্ণের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং লিউকোপ্লাস্ট সাধারণত বর্ণহীন, যা খাদ্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে।
জেনেটিক্স
Genetics
জীবের বংশগতি ও বৈচিত্র্য নিয়ে যে শাখা আলোচনা করে তাকে জেনেটিক্স বলা হয়। জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্যের প্রধান বাহক জিন, আর জিন DNA-এর নির্দিষ্ট অংশ।
ক্রোমোজোম নিউক্লিয়াসে অবস্থিত সুতা সদৃশ গঠন, যা বংশগত বৈশিষ্ট্য বহন করে। মানুষের দেহকোষে \(23\) জোড়া বা \(46\)টি ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে \(22\) জোড়া অটোজোম এবং \(1\) জোড়া যৌন ক্রোমোজোম।
DNA-এর পূর্ণরূপ Deoxyribonucleic Acid এবং RNA-এর পূর্ণরূপ Ribonucleic Acid। DNA-তে অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও থাইমিন নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে। RNA-তে থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল পাওয়া যায়।
একটি DNA অণু থেকে আরেকটি DNA অণু তৈরির প্রক্রিয়াকে রেপ্লিকেশন বা অনুলিপন বলা হয়। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কোনো জীবের জিন পরিবর্তন বা স্থানান্তর করে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য আনার চেষ্টা করা হয়। উচ্চ ফলনশীল শস্য ও বীজ উৎপাদনে এই প্রযুক্তির ব্যবহার রয়েছে।
উদ্ভিদের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ থেকে নতুন চারা উৎপাদনের একটি পদ্ধতি হিসেবে টিস্যু কালচারের উল্লেখ রয়েছে। সম্পূর্ণ জীবনচক্রসহ কোনো জীবের অনুরূপ প্রতিলিপি তৈরির ধারণাকে ক্লোনিং বলা হয়।
ক্রোমোজোম নিউক্লিয়াসে অবস্থিত সুতা সদৃশ গঠন, যা বংশগত বৈশিষ্ট্য বহন করে। মানুষের দেহকোষে \(23\) জোড়া বা \(46\)টি ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে \(22\) জোড়া অটোজোম এবং \(1\) জোড়া যৌন ক্রোমোজোম।
DNA-এর পূর্ণরূপ Deoxyribonucleic Acid এবং RNA-এর পূর্ণরূপ Ribonucleic Acid। DNA-তে অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন ও থাইমিন নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে। RNA-তে থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল পাওয়া যায়।
একটি DNA অণু থেকে আরেকটি DNA অণু তৈরির প্রক্রিয়াকে রেপ্লিকেশন বা অনুলিপন বলা হয়। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে কোনো জীবের জিন পরিবর্তন বা স্থানান্তর করে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য আনার চেষ্টা করা হয়। উচ্চ ফলনশীল শস্য ও বীজ উৎপাদনে এই প্রযুক্তির ব্যবহার রয়েছে।
উদ্ভিদের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ থেকে নতুন চারা উৎপাদনের একটি পদ্ধতি হিসেবে টিস্যু কালচারের উল্লেখ রয়েছে। সম্পূর্ণ জীবনচক্রসহ কোনো জীবের অনুরূপ প্রতিলিপি তৈরির ধারণাকে ক্লোনিং বলা হয়।
মানবদেহ ও রক্ত
Human Body and Blood
মানবদেহের রাসায়নিক গঠনে অক্সিজেনকে অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে হাইপোথ্যালামাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
একটি পূর্ণাঙ্গ স্নায়ুকোষকে নিউরন বলা হয়। মস্তিষ্কের সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অংশের যোগাযোগে স্নায়ুতন্ত্র কাজ করে।
মানুষের রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা। রক্তের প্রধান অংশ প্লাজমা এবং রক্তকণিকা। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী রক্তকণিকা প্রায় \(45\%\) এবং প্লাজমা প্রায় \(55\%\)।
রক্তকণিকা তিন ধরনের—লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকা। লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন থাকে এবং এটি অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহনে ভূমিকা রাখে। শ্বেত রক্তকণিকা দেহের প্রতিরক্ষায় কাজ করে এবং অনুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে।
মানুষের রক্তে শ্বেত ও লোহিত রক্তকণিকার অনুপাত পাঠ্যে প্রায় \(1:500\) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না।
রক্তের গ্রুপিংয়ে A, B, AB ও O—এই প্রধান চারটি গ্রুপ ব্যবহৃত হয়। ABO পদ্ধতিতে AB গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা হিসেবে পাঠ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
একটি পূর্ণাঙ্গ স্নায়ুকোষকে নিউরন বলা হয়। মস্তিষ্কের সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অংশের যোগাযোগে স্নায়ুতন্ত্র কাজ করে।
মানুষের রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা। রক্তের প্রধান অংশ প্লাজমা এবং রক্তকণিকা। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী রক্তকণিকা প্রায় \(45\%\) এবং প্লাজমা প্রায় \(55\%\)।
রক্তকণিকা তিন ধরনের—লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা ও অনুচক্রিকা। লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন থাকে এবং এটি অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড পরিবহনে ভূমিকা রাখে। শ্বেত রক্তকণিকা দেহের প্রতিরক্ষায় কাজ করে এবং অনুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করে।
মানুষের রক্তে শ্বেত ও লোহিত রক্তকণিকার অনুপাত পাঠ্যে প্রায় \(1:500\) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না।
রক্তের গ্রুপিংয়ে A, B, AB ও O—এই প্রধান চারটি গ্রুপ ব্যবহৃত হয়। ABO পদ্ধতিতে AB গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা হিসেবে পাঠ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ব্যাকটেরিয়া কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
- জড়বস্তু
- প্রাণী
- উদ্ভিদ
- অণুজীব
- প্রাকৃতিকভাবে অতিবেগুনি রশ্মির প্রধান উৎস কোনটি?
- চন্দ্র
- তারকা
- সূর্য
- ব্ল্যাক হোল
- খাদ্য থেকে পাওয়া শক্তি প্রকাশে সাধারণত কোন এককটি ব্যবহৃত হয়?
- জুল
- কিলোজুল
- ক্যালোরি
- কিলোক্যালোরি
- পৃথিবীর পৃষ্ঠে কোন অঞ্চলে বস্তুর ওজন তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম?
- ভূ-পৃষ্ঠের যেকোনো স্থানে
- মেরু অঞ্চলে
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে
- পৃথিবীর কেন্দ্রে
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
- আইজ্যাক নিউটন
- ক্রিস্টিয়ান হাইগেনস
- গ্যালিলিও
- রামফোর্ড
- রাতের আকাশে সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র কোনটি?
- লুব্ধক
- সূর্য
- প্রক্সিমা সেন্টোরাই
- ধ্রুবতারা
- প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে মূল্যবান ধাতু কোনটি?
- স্বর্ণ
- হীরা
- সিলভার
- প্লাটিনাম
- ভূকম্পনের কম্পন শনাক্ত ও রেকর্ড করার যন্ত্র কোনটি?
- ব্যারোমিটার
- ফ্যাদোমিটার
- সিসমোগ্রাফ
- কম্পাস
- রক্তের হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ কী?
- খাদ্য পরিবহন
- হরমোন পরিবহন
- রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
- অক্সিজেন পরিবহন
- দেহের বৃদ্ধির সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্কিত হরমোন কোনটি?
- থাইরক্সিন
- প্রোল্যাকটিন
- অ্যাড্রেনালিন
- সোমাটোট্রপিক হরমোন
- উচ্চ ফলনশীল ও উন্নত বৈশিষ্ট্যের শস্য উৎপাদনে কোন প্রযুক্তি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়?
- বায়োমেট্রিক্স
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
- ন্যানোটেকনোলজি
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
- প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে জীবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর আয়নকারী রশ্মি কোনটি?
- আলফা রশ্মি
- বিটা রশ্মি
- গামা রশ্মি
- আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি
- ভারী পানির রাসায়নিক সংকেত কোনটি?
- \(\mathrm{H_2O}\)
- \(\mathrm{H_2SO_4}\)
- \(\mathrm{NH_4}\)
- \(\mathrm{D_2O}\)
- পিঁপড়ার কামড়ে সাধারণত কোন অ্যাসিডের উপস্থিতি পাওয়া যায়?
- অক্সালিক অ্যাসিড
- সাইট্রিক অ্যাসিড
- ফর্মিক অ্যাসিড
- নাইট্রিক অ্যাসিড
- মানুষের রক্তে শ্বেত রক্তকণিকা ও লোহিত রক্তকণিকার আনুমানিক অনুপাত কত?
- ১ : ৫০০
- ১ : ৬৫০
- ২ : ৭০০
- ১ : ৭০০
- প্রদত্ত ধাতুগুলোর মধ্যে অত্যন্ত মূল্যবান ধাতু কোনটি?
- লিথিয়াম
- পটাশিয়াম
- প্লাটিনাম
- অ্যালুমিনিয়াম
- মানবশিশুর দুধ দাঁতের মোট সংখ্যা কত?
- ২০টি
- ১২টি
- ২৪টি
- ২৩টি
- রক্তের হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ কোনটি?
- রক্ত জমাট বাঁধা
- রোগ প্রতিরোধ করা
- অক্সিজেন পরিবহন করা
- সবগুলো
- আপেলে প্রধানত কোন জৈব অ্যাসিড পাওয়া যায়?
- ম্যালিক অ্যাসিড
- ফলিক অ্যাসিড
- অক্সালিক অ্যাসিড
- সাইট্রিক অ্যাসিড
- মানবদেহে একটি লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ুষ্কাল কত?
- ১২০ দিন
- ১০০ দিন
- ৮০ দিন
- ৬০ দিন
- কোন রঙের কাপে গরম চা তুলনামূলক দ্রুত ঠান্ডা হতে পারে?
- লাল
- কালো
- সাদা
- সবুজ
- প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া সবচেয়ে কঠিন খনিজ কোনটি?
- লোহা
- ইস্পাত
- হীরক
- পাথর
- মানুষের ত্বকের রং প্রধানত কোন রঞ্জকের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে?
- থায়ামিন
- টায়ালিন
- মেলানিন
- নিয়াসিন
- মৌমাছি পালনবিষয়ক বিদ্যাকে কী বলা হয়?
- সেরিকালচার
- ট্রিকালচার
- এপিকালচার
- পিসিকালচার
- বিশুদ্ধ পানির ঘনত্ব কোন তাপমাত্রায় সর্বাধিক হয়?
- \(3^\circ\mathrm{C}\)
- \(4^\circ\mathrm{C}\)
- \(5^\circ\mathrm{C}\)
- \(6^\circ\mathrm{C}\)
- বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেন ব্যবহার করে শিল্পে কোন সার প্রস্তুত করা হয়?
- ডিএপি
- ইউরিয়া
- সবুজ সার
- মিউরেট অব পটাশ
- মানব রক্তে শ্বেত রক্তকণিকা ও লোহিত রক্তকণিকার আনুমানিক অনুপাত কত?
- ১ : ৭০০
- ১ : ১০০
- ১ : ৫০০
- ১ : ১২০
- পুরোনো ধরনের রঙিন টেলিভিশন থেকে কোন ক্ষতিকর রশ্মি নির্গত হতে পারে?
- রঞ্জন রশ্মি
- বিটা রশ্মি
- গামা রশ্মি
- কসমিক রশ্মি
- নিচের কোন পদার্থটি পানিতে প্রায় অদ্রবণীয়?
- ফিটকিরি
- ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
- ভিটামিন সি
- সোডিয়াম ক্লোরাইড
- CNG বলতে কোন ধরনের প্রাকৃতিক গ্যাসকে বোঝানো হয়?
- সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস
- অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম
- এক ধরনের শিলা
- অতি প্রাকৃত গ্যাস
- সবজি চাষবিষয়ক বিদ্যা কোন বৃহত্তর কৃষিবিদ্যার অন্তর্ভুক্ত?
- Horticulture
- Arboriculture
- Floriculture
- Vegiculture
- রক্তের Platelet-এর প্রধান কাজ কী?
- অক্সিজেন পরিবহন
- সংক্রমণ প্রতিরোধ
- রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
- রক্তের pH নির্ধারণ করা
- কচুশাক বিশেষভাবে কোন খনিজ উপাদানের উৎস হিসেবে পরিচিত?
- লোহা
- ভিটামিন-সি
- ক্যালসিয়াম
- ভিটামিন-এ
- ক্যান্সার বিষয়ে অধ্যয়ন ও চিকিৎসাবিদ্যার শাখাকে কী বলা হয়?
- ইউরোলজি
- ইকোলজি
- অনকোলজি
- সাইটোলজি
- শর্করাজাতীয় খাদ্যের প্রধান ভূমিকা কোনটি?
- দেহের জন্য শক্তি সরবরাহ
- ক্ষত সারানো
- হাড় গঠন
- রক্ত জমাট বাঁধানো
- গাড়ির লেড-অ্যাসিড ব্যাটারিতে কোন অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়?
- \(\mathrm{HNO_3}\)
- \(\mathrm{HCl}\)
- \(\mathrm{H_2SO_4}\)
- \(\mathrm{H_3PO_4}\)
- বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালনকে কী বলা হয়?
- Pisciculture
- Apiculture
- Agriculture
- Sericulture
- আকাশ নীল দেখানোর প্রধান কারণ কী?
- নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি
- নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি
- নীল আলোর প্রতিফলন বেশি
- নীল আলোর শোষণ বেশি
- Laughing Gas-এর রাসায়নিক সংকেত কোনটি?
- \(\mathrm{N_2O_5}\)
- \(\mathrm{N_2O_3}\)
- \(\mathrm{N_2O}\)
- \(\mathrm{Cu_2O}\)
- মহাকর্ষীয় তরঙ্গ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বাংলাদেশি বিজ্ঞানী দীপঙ্কর তালুকদারের নিজ জেলা কোনটি?
- বরিশাল
- বরগুনা
- ঝালকাঠি
- পটুয়াখালী
- সিসমোগ্রাফ কী মাপতে বা রেকর্ড করতে ব্যবহৃত হয়?
- রক্তচাপ
- ভূমিকম্পের কম্পন
- সমুদ্রের গভীরতা
- বৃষ্টিপাত
- এপিকালচার কোন ধরনের পালনবিদ্যা?
- পাখি পালন
- মৌমাছি পালন
- মাছ পালন
- গুটিপোকা পালন
- এপিকালচার বলতে কী বোঝায়?
- মাছ চাষ
- রেশম চাষ
- মৌমাছি চাষ
- বৃক্ষ চাষ
- সাধারণ বৈদ্যুতিক ইনক্যান্ডেসেন্ট বাতির ভেতরে কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
- অক্সিজেন
- নাইট্রোজেন
- হাইড্রোজেন
- হিলিয়াম
- ভূমিকম্প রেকর্ড করার যন্ত্র কোনটি?
- ফ্যাদোমিটার
- ট্রান্সমিটার
- ক্রেসকোগ্রাফ
- সিসমোগ্রাফ
- কোন মৌলিক ধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে?
- ব্রোমিন
- পারদ
- সীসা
- ক্রোমিয়াম
- সাবান তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজাত কোনটি?
- গ্লিসারিন
- সিলিকা
- ইথানল
- সোডিয়াম
- কীটপতঙ্গবিষয়ক জীববিজ্ঞানের শাখার নাম কী?
- Geology
- Anthropology
- Entomology
- Neurology
- শব্দের তীব্রতার মাত্রা সাধারণত কোন এককে প্রকাশ করা হয়?
- ডেসিবেল
- অ্যাম্পিয়ার
- ক্যালোরি
- জুল
- কার নাম বাষ্পীয় ইঞ্জিনের উন্নয়ন ও জনপ্রিয়করণের সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত?
- আইজ্যাক নিউটন
- স্টিফেন হকিং
- হেনরিক মার্শ
- জেমস ওয়াট