বাক্য সংকোচন ও লিঙ্গ পরিবর্তন — NTRCA school-level

বাক্য সংকোচন ও লিঙ্গ পরিবর্তন: বাংলা, NTRCA school-level পাঠ ও 64টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/2।

এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী।
বাক্য সংকোচন
Condensation of sentences
একাধিক শব্দের বক্তব্যকে সংক্ষিপ্তভাবে এক শব্দে প্রকাশঃ
বাক্যে প্রকাশিত কোনো বিস্তৃত ভাবকে একটি যথাযথ শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ করাকে বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ বলা হয়।

এ ধরনের শব্দ ব্যবহারে বক্তব্য সংক্ষিপ্ত, পরিষ্কার ও অর্থবহ হয়। এক কথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে মূল বাক্যের অর্থ যেন পরিবর্তিত না হয়, সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হয়।

এক কথায় প্রকাশ সাধারণত ব্যক্তি, গুণ, অবস্থা, সময়, স্থান, সম্পর্ক, ইচ্ছা, যোগ্যতা, জন্ম-মৃত্যু, পুনরাবৃত্তি, পশুপাখির ডাক এবং বিভিন্ন বিশেষ অবস্থাকে নির্দেশ করে।
বাক্য সংকোচনের গুরুত্বপূর্ণ ধারণা
Important concepts of sentence contraction
১। কোনো কাজ করা সম্ভব নয়—এ ধরনের ভাব প্রকাশে সাধারণত অ-, অন-, দুর্-, নির্- ইত্যাদি উপসর্গযুক্ত শব্দ ব্যবহৃত হয়।
২। কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর বিশেষ গুণ বোঝাতে বিশেষণধর্মী একক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৩। জন্ম, মৃত্যু, ইচ্ছা, কর্ম, যোগ্যতা, সময় ও স্থানভেদে বিশেষ পারিভাষিক শব্দ ব্যবহৃত হতে পারে।
৪। একই ধরনের কাজ বারবার সংঘটিত হলে পুনরাবৃত্তি নির্দেশক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
৫। কোনো প্রাণীর নির্দিষ্ট ডাক বা ধ্বনির জন্য বাংলা ভাষায় স্বতন্ত্র শব্দ রয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ
Important Single-Word Substitutions
সর্বজন ও সাধারণ ভাব
সবার জন্য প্রযোজ্য — সর্বজনীন
সকলের জন্য কল্যাণকর — সর্বমঙ্গলকর
সবার মধ্যে শ্রেষ্ঠ — সর্বশ্রেষ্ঠ
সবার জ্ঞাত বিষয় — সর্ববিদিত
যা কারও অজানা নয় — সুবিদিত
যা সকলের পক্ষে গ্রহণযোগ্য — সর্বগ্রাহ্য
যার কোনো বিকল্প নেই — অনন্য
যা সাধারণ নিয়মের বাইরে — অসাধারণ
যাকে তুলনা করা যায় না — অতুলনীয়
যার সমকক্ষ নেই — অদ্বিতীয়
করা যায় বা করা যায় না
যা নিবারণ করা সম্ভব নয় — অনিবার্য
যা সহজে নিবারণ করা যায় না — দুর্নিবার
যা এড়িয়ে যাওয়া যায় না — অবশ্যম্ভাবী
যা অর্জন করা কঠিন — দুর্লভ
যা সহজে পাওয়া যায় — সুলভ
যা বর্জন করা উচিত নয় — অপরিহার্য
যা উপেক্ষা করা যায় না — অনুপেক্ষণীয়
যার প্রতিকার নেই — অপ্রতিকার্য
যা অতিক্রম করা কঠিন — দুরতিক্রম্য
যা পার হওয়া কঠিন — দুর্লঙ্ঘ্য
যা উচ্চারণ করা কঠিন — দুরুচ্চার্য
যা উচ্চারণ করা যায় না — অনুচ্চার্য
যা দমন করা কঠিন — দুর্দমনীয়
যা দমন করা যায় না — অদম্য
যা সহ্য করা যায় না — অসহ্য
যা কখনো নষ্ট হয় না — অবিনশ্বর
যা সহজে ভাঙে না — দৃঢ়
যা সহজে বোঝা যায় না — দুর্বোধ্য
যা জানা কঠিন — দুর্জ্ঞেয়
যা বিশ্বাস করার যোগ্য — বিশ্বাসযোগ্য
যা বিশ্বাস করা যায় না — অবিশ্বাস্য
যা দেখা যায় না — অদৃশ্য
যা শোনা যায় না — অশ্রাব্য
যা স্পর্শ করা যায় না — অস্পৃশ্য
যা ধরা যায় না — অধরা
পূর্ব ও অতীত
যা আগে কখনো ঘটেনি — অভূতপূর্ব
যা আগে ছিল কিন্তু এখন নেই — ভূতপূর্ব
যা আগে দেখা যায়নি — অদৃষ্টপূর্ব
যা আগে শোনা যায়নি — অশ্রুতপূর্ব
যা আগে জানা ছিল না — অজ্ঞাতপূর্ব
যা আগে চিন্তা করা হয়নি — অচিন্তিতপূর্ব
ব্যক্তি ও চরিত্র
যিনি নিজের স্বার্থের কথা না ভেবে অন্যের মঙ্গল করেন — পরোপকারী
যিনি অন্যের উপকার করেন — উপকারী
যিনি অন্যের উপকার স্বীকার করেন — কৃতজ্ঞ
যিনি উপকার স্বীকার করেন না — অকৃতজ্ঞ
যিনি ইতিহাস সম্পর্কে জানেন — ঐতিহাসিক
যিনি ন্যায়শাস্ত্র সম্পর্কে অভিজ্ঞ — নৈয়ায়িক
যিনি কম কথা বলেন — মিতভাষী
যিনি অনেক কথা বলেন — বাচাল
যিনি সত্য কথা বলেন — সত্যবাদী
যিনি মিথ্যা বলেন — মিথ্যাবাদী
যিনি সবকিছু সহ্য করতে পারেন — সহিষ্ণু
যিনি সবকিছু হারিয়েছেন — সর্বহারা
যিনি ব্যয় করতে সংকোচ করেন — কৃপণ
যিনি প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যয় করেন — অপব্যয়ী
যিনি অত্যন্ত হিসাব করে ব্যয় করেন — মিতব্যয়ী
যিনি বিলাসে অতিরিক্ত ব্যয় করেন — বিলাসী
যিনি ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবেন — দূরদর্শী
যিনি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে না ভেবে কাজ করেন — অবিমৃষ্যকারী
যিনি সুযোগ বুঝে নিজের স্বার্থ রক্ষা করেন — সুবিধাবাদী
যিনি অন্যের অধিকার হরণ করেন — দখলদার
যিনি অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করেন — আত্মসাৎকারী
যিনি ক্ষমা করতে চান — ক্ষমাশীল
যিনি কারও প্রতি পক্ষপাত করেন না — নিরপেক্ষ
যিনি দুই পক্ষের মধ্যে বিচার করেন — মধ্যস্থ
জন্ম ও মৃত্যু
যার জন্ম নেই — অজ
দুইবার জন্মেছে এমন — দ্বিজ
অকালে জন্মেছে যে — অকালজাত
যে জীবিত অবস্থায় আছে — জীবিত
যে জীবন হারিয়েছে — মৃত
মৃতের মতো অবস্থা — মুমূর্ষু
মৃত্যুর কাছাকাছি — মৃত্যুপথযাত্রী
যে সদ্য জন্মেছে — নবজাত
জন্মের পরপরই — সদ্যোজাত
ইচ্ছা
জানার ইচ্ছা — জিজ্ঞাসা
জয় করার ইচ্ছা — জিগীষা
বিজয়ের আকাঙ্ক্ষা — বিজিগীষা
হত্যা করার ইচ্ছা — জিঘাংসা
খাওয়ার ইচ্ছা — জিঘৎসা
বেঁচে থাকার ইচ্ছা — জিজীবিষা
মুক্তি পাওয়ার ইচ্ছা — মুমুক্ষা
সেবা করার ইচ্ছা — শুশ্রূষা
অনুসন্ধান করার ইচ্ছা — অনুসন্ধিৎসা
অনুকরণ করার ইচ্ছা — অনুচিকীর্ষা
প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা — প্রিয়চিকীর্ষা
উপকার করার ইচ্ছা — উপচিকীর্ষা
প্রতিকার করার ইচ্ছা — প্রতিচিকীর্ষা
প্রতিবিধান করার ইচ্ছা — প্রতিবিধিৎসা
প্রবেশের ইচ্ছা — বিবিক্ষা
কিছু করার প্রবল ইচ্ছা — চিকীর্ষা
ক্ষমা করার ইচ্ছা — চিক্ষমিষা
ত্যাগ করার ইচ্ছা — তিতিক্ষা
প্রাণ রক্ষা করার ইচ্ছা — তিতীর্ষা
দান করার ইচ্ছা — দিৎসা
পান করার ইচ্ছা — পিপাসা
ভোজনের আকাঙ্ক্ষা — বুভুক্ষা
নিন্দা করার ইচ্ছা — জুগুপ্সা
নির্মাণের ইচ্ছা — নির্মিৎসা
বাস করার ইচ্ছা — বিবৎসা
রমণের ইচ্ছা — রিরংসা
যোগ্যতা
যা জন্ম দেওয়ার উপযোগী — জননক্ষম
যা চিকিৎসার উপযুক্ত — চিকিৎস্য
যা চাষের উপযোগী — চাষযোগ্য
যা চেটে খাওয়ার উপযুক্ত — লেহ্য
যা রন্ধন করা যায় — পাচ্য
যা জানা সম্ভব — জ্ঞাতব্য
যা পান করার উপযোগী — পেয়
যিনি সম্মানের যোগ্য — মাননীয়
যা বরণ করার যোগ্য — বরণীয়
যা পাঠ করার উপযুক্ত — পাঠ্য
যা নিন্দার যোগ্য নয় — অনিন্দ্য
যা প্রশংসনীয় — প্রশস্ত
যা কৃতজ্ঞতার যোগ্য — ধন্য
পুনঃপুনঃ ও ক্রম
যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয় — ক্ষীয়মাণ
যা ধীরে ধীরে দূরে চলে যাচ্ছে — অপসৃয়মাণ
যা ক্রমে বৃদ্ধি পায় — ক্রমবর্ধমান
যা বারবার দেখা দেয় — পুনরাবৃত্ত
যা বারবার দোল খায় — দোদুল্যমান
যা ভুল করতে থাকে — ভ্রান্তিমান
যা ক্রমশ মিলিয়ে যাচ্ছে — অন্তর্হিতপ্রায়
যা ক্রমে বাড়ছে — বর্ধিষ্ণু
যা ক্রমে কমছে — ক্ষীয়মাণ
সময়
দিনের প্রথম ভাগ — পূর্বাহ্ণ
দিনের মধ্যভাগ — মধ্যাহ্ন
দিনের শেষভাগ — অপরাহ্ণ
রাতের শুরু — সন্ধ্যা
রাতের প্রথম প্রহর — প্রদোষ
রাতের মধ্যভাগ — মধ্যরাত্রি
রাতের শেষাংশ — শেষরাত্রি
মাসের প্রথম দিন — প্রতিপদ
একই সময়ে সংঘটিত — যুগপৎ
একই সময়ের মানুষ — সমসাময়িক
একই সময়ের ঘটনা — সমকালীন
যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে — ত্র্যহস্পর্শ
স্থান ও পরিবেশ
যেখানে যাওয়ার পথ খুব কঠিন — দুর্গম
যেখানে মানুষের বসতি নেই — জনশূন্য
যেখানে পানি নেই — নির্জল
যেখানে গাছপালা বেশি — বনাঞ্চল
যেখানে পশু পালন করা হয় — পশুশালা
যেখানে মৃতদেহ রাখা হয় — শবাগার
যেখানে বিচার করা হয় — বিচারালয়
যেখানে রোগীর চিকিৎসা হয় — চিকিৎসালয়
যেখানে বই সংরক্ষণ করা হয় — গ্রন্থাগার
পশু-পাখি ও ডাক
পাখির মধুর ডাক — কাকলি
পাখির সাধারণ ডাক — কূজন
কোকিলের ডাক — কুহু
ময়ূরের ডাক — কেকা
মোরগের ডাক — কুক্কুটধ্বনি
বাঘের ডাক — গর্জন
সিংহের ডাক — হুঙ্কার
হাতির ডাক — বৃংহণ
ঘোড়ার ডাক — হ্রেষা
ব্যাঙের ডাক — ঘ্যাঙরানি
মৌমাছির শব্দ — গুঞ্জন
নূপুরের শব্দ — নিক্বণ
গম্ভীর ধ্বনি — মন্দ্র
আনন্দময় ধ্বনি — কলধ্বনি
বাতাসের শব্দ — শোঁ শোঁ ধ্বনি
সমুদ্রের গর্জন — কল্লোল
গাছ ও ফল
যে গাছ অন্য গাছের আশ্রয়ে জন্মায় — পরগাছা
যে গাছে ফল ধরে কিন্তু ফুল চোখে পড়ে না — বনস্পতি
ফল পাকলে যে গাছ নষ্ট হয় — ওষধি
যে গাছ থেকে ঔষধ তৈরি হয় — ঔষধি
ফুলে ভরা গাছ — পুষ্পিত
ফলে ভরা গাছ — ফলবান
বিভিন্ন বিশেষ অবস্থা
যার কোনো ভয় নেই — নির্ভীক
যিনি বিপদের ভয় করেন না — অকুতোভয়
যার আশা নেই — নিরাশ
যার আকাঙ্ক্ষা নেই — নিরাকাঙ্ক্ষ
যার কোনো বাসস্থান নেই — নিরাশ্রয়
যার কোনো উপায় নেই — নিরুপায়
যার অন্য পথ নেই — অনন্যোপায়
যার বর্তমান ঠিকানা নেই — নিরুদ্দেশ
যার শত্রু নেই — অজাতশত্রু
যার তুলনা নেই — অতুলনীয়
যার আকার সুন্দর — সুশ্রী
যার গঠন সুন্দর — সুঠাম
যার চোখ সুন্দর — সুনয়না
যার কণ্ঠ সুন্দর — সুকণ্ঠ
যার আচরণ সুন্দর — সদাচারী
যার চরিত্র ভালো — সচ্চরিত্র
যার চরিত্র খারাপ — দুশ্চরিত্র
যা সমাজের রীতিবিরুদ্ধ — অসামাজিক
যা আইনবিরুদ্ধ — বেআইনি
যা নীতির বিরুদ্ধে — অনৈতিক
যা যুক্তিসংগত নয় — অযৌক্তিক
যা অর্থবোধক নয় — অর্থহীন
যা সহজে বোঝা যায় — সহজবোধ্য
যা সহজে বোঝা যায় না — দুর্বোধ্য
লিঙ্গ পরিবর্তন
Gender transition
বাংলা ভাষায় ব্যক্তি বা প্রাণীর পুরুষ ও স্ত্রীভেদ বোঝাতে লিঙ্গের ব্যবহার করা হয়। সাধারণভাবে পুরুষবাচক শব্দকে পুংলিঙ্গ এবং স্ত্রীবাচক শব্দকে স্ত্রীলিঙ্গ বলা হয়।

বাংলা ভাষায় বহু ক্ষেত্রে শব্দের সঙ্গে স্ত্রীবাচক প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ গঠন করা হয়। আবার কিছু শব্দে সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ ব্যবহার করতে হয়। কোনো কোনো শব্দ পুরুষ ও স্ত্রী উভয়কেই বোঝাতে পারে। এমন শব্দকে উভলিঙ্গ বলা হয়।

কিছু শব্দ ব্যাকরণগতভাবে কেবল একটি লিঙ্গেই ব্যবহৃত হয়। এগুলো নিত্য পুংলিঙ্গ বা নিত্য স্ত্রীলিঙ্গ হিসেবে বিবেচিত।
স্ত্রীলিঙ্গ গঠনের প্রধান পদ্ধতি
Primary methods of forming the feminine gender
১। আ-প্রত্যয় যোগে — শিক্ষক থেকে শিক্ষিকা, গায়ক থেকে গায়িকা।
২। ঈ বা ইনী-জাতীয় প্রত্যয় যোগে — অভিনেতা থেকে অভিনেত্রী, সেবক থেকে সেবিকা।
৩। আনী বা রানী জাতীয় রূপে — ঠাকুর থেকে ঠাকুরানী, চৌধুরী থেকে চৌধুরানী।
৪। সম্পূর্ণ পৃথক শব্দে — পিতা থেকে মাতা, ভাই থেকে বোন, রাজা থেকে রানি।
৫। পুরুষ বা স্ত্রী নির্দেশক শব্দ যোগে — পুরুষশিক্ষক, নারীশিক্ষক ইত্যাদি।
৬। কিছু শব্দের একই রূপ উভয় লিঙ্গে ব্যবহৃত হয় — শিশু, ব্যক্তি, সন্তান, অতিথি ইত্যাদি।
গুরুত্বপূর্ণ পুংলিঙ্গ ও স্ত্রীলিঙ্গ
Important concepts of sentence contraction
বালক — বালিকা
নায়ক — নায়িকা
গায়ক — গায়িকা
লেখক — লেখিকা
শিক্ষক — শিক্ষিকা
পাঠক — পাঠিকা
সেবক — সেবিকা
অধ্যাপক — অধ্যাপিকা
অভিনেতা — অভিনেত্রী
কর্তা — কর্ত্রী
দাতা — দাত্রী
নেতা — নেত্রী
স্বামী — স্ত্রী
পতি — পত্নী
বর — কনে
রাজা — রানি
বাদশাহ — বেগম
সম্রাট — সম্রাজ্ঞী
দেব — দেবী
দেবর — দেবরানী
জামাতা — পুত্রবধূ
শ্বশুর — শাশুড়ি
পিতা — মাতা
বাবা — মা
ভাই — বোন
পুত্র — কন্যা
নর — নারী
পুরুষ — মহিলা
বালক — বালিকা
যুবক — যুবতী
কিশোর — কিশোরী
বৃদ্ধ — বৃদ্ধা
বন্ধু — বান্ধবী
সহপাঠী — সহপাঠিনী
ছাত্র — ছাত্রী
শিষ্য — শিষ্যা
সন্ন্যাসী — সন্ন্যাসিনী
তপস্বী — তপস্বিনী
ব্রাহ্মণ — ব্রাহ্মণী
গোস্বামী — গোস্বামিনী
ঠাকুর — ঠাকুরানী
চাকর — চাকরানী
মালী — মালিনী
ধোপা — ধোপানি
নাপিত — নাপিতানি
জেলে — জেলেনি
কৃষক — কৃষাণী
কুমার — কুমারী
ভিখারি — ভিখারিণী
অধিকারী — অধিকারিণী
পূজারি — পূজারিণী
সিংহ — সিংহী
বাঘ — বাঘিনী
হরিণ — হরিণী
ঘোড়া — ঘোটকী
ময়ূর — ময়ূরী
হাঁস — হাঁসী
মোরগ — মুরগি
ষাঁড় — গাভী
পাঁঠা — ছাগী
কুকুর — কুকুরী

স্ত্রীবাচক কিছু বিশেষ শব্দ
যে নারী বীর সন্তান জন্ম দেয় — বীরপ্রসূ
যে নারী একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে — কাকবন্ধ্যা
যে নারী সন্তানহীন — বন্ধ্যা
যে নারীর স্বামী জীবিত — সধবা
যে নারীর স্বামী মৃত — বিধবা
যে নারীর স্বামী নেই — অবীরা
যে নারী পুনরায় বিবাহ করেছে — পুনর্ভূ
যে নারী স্বামীকে অনুসরণ করে — অনুগামিনী
যে নারীর বিবাহ হয়নি — অনূঢ়া
যে নারীর বিবাহ হয়েছে — ঊঢ়া
যে নারীর বিয়ে সদ্য হয়েছে — নবোঢ়া
যে নারীর সন্তান জন্মায় না — বন্ধ্যা
যে নারীর কন্যা সন্তানই বেশি — কন্যাবতী
যে নারী অত্যন্ত সুন্দর — রমা
যে নারী রূপে অতুলনীয় — রূপসী
যে নারী কলহপ্রিয় — খণ্ডিতা
যে নারী প্রেমিকের অপেক্ষা করে — উৎকণ্ঠিতা
যে নারী স্বামীর সঙ্গে বিদেশে থাকে — প্রোষিতভর্তৃকা
যে নারী স্বামীর সঙ্গে থাকে না — প্রোষিতভর্তৃকা প্রসঙ্গভেদে ব্যবহৃত
যে নারী অন্য পুরুষে আসক্ত — পরকীয়া
যে নারী পতি-পরায়ণা — পতিব্রতা

নিত্য পুংলিঙ্গ
কবিরাজ
কুলাঙ্গার
ঢাকি
রাষ্ট্রপতি
চৌকিদার
দারোয়ান
কর্মকার
পুরোহিত

নিত্য স্ত্রীলিঙ্গ
সতীন
সধবা
বিধবা
অরক্ষণীয়া
অভাগিনী
সপত্নী
দাই
এয়ো

উভলিঙ্গ
শিশু
সন্তান
ব্যক্তি
অতিথি
শিক্ষার্থী
সহপাঠী
সদস্য
শিল্পী
কর্মী
ডাক্তার
কবি
বন্ধু
  1. যার মন অন্য কোনো দিকে বিচলিত হয় না, তাকে এক কথায় কী বলা যায়?
    • অনন্যমনা
    • অনাপেক্ষ
    • অগত্যা
    • অনন্যোপায়
  2. সাপ শরীর বদলানোর সময় যে পুরোনো আবরণ ত্যাগ করে, সেই খোলসের একক শব্দ কোনটি?
    • কৃতি
    • নির্মোক
    • অজিন
    • কবচ
  3. ‘নির্মোক’ শব্দটি কোন অর্থ প্রকাশ করে?
    • সাপের খোলস
    • বাঘের চামড়া
    • পাখির পালক
    • পুরোনো পোশাক
  4. যে নারী বীর সন্তান প্রসব করেন, তাঁর জন্য উপযুক্ত একক শব্দ কোনটি?
    • বীরবালা
    • রণগর্ভা
    • বীরপ্রসূ
    • স্বর্ণগর্ভা
  5. ‘নাদ’ শব্দটি নিচের কোন ধ্বনিকে বোঝায়?
    • মেয়ের ডাক
    • বাঘের ডাক
    • সিংহের ডাক
    • ময়ূরের ডাক
  6. সকল মানুষের কল্যাণ বা হিতের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়কে এক কথায় কী বলা যায়?
    • সর্বজনীন
    • সার্বজনীন
    • বিশ্বজনীন
    • সর্বহিতকর
  7. গাছে ওঠায় অভ্যস্ত ব্যক্তিকে এক কথায় কী বলা হয়?
    • গাছো
    • গাছি
    • গেছো
    • আরোহী
  8. যার নষ্ট হওয়ার স্বভাব নেই, তাকে কী বলা হয়?
    • অবিনশ্বর
    • নশ্বর
    • বিনষ্ট
    • ক্ষণস্থায়ী
  9. ‘খেচর’ শব্দের যথাযথ অর্থ কোনটি?
    • আকাশচারী প্রাণী
    • জলচর প্রাণী
    • স্থলচর প্রাণী
    • গৃহপালিত প্রাণী
  10. ‘টীকা-ভাষ্য’ বলতে মূলত কী বোঝায়?
    • ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ
    • সারকথা
    • উৎস অনুসন্ধান
    • নির্ঘণ্ট
  11. ইতিহাস বিষয়ে গভীর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা যাঁর আছে, তাঁকে কী বলা যায়?
    • ঐতিহাসিক
    • ইতিহাসবিদ
    • ইতিহাসরচয়িতা
    • ইতিহাসবেত্তা
  12. প্রত্যয় যোগ করে তৈরি হওয়া স্ত্রীবাচক শব্দটি চিহ্নিত কর।
    • বাদী
    • সভানেত্রী
    • জেলেনী
    • পেঁচী
  13. ‘সাথী’ শব্দটি কোন লিঙ্গে ব্যবহৃত হতে পারে?
    • পুংলিঙ্গ
    • স্ত্রীলিঙ্গ
    • ক্লীবলিঙ্গ
    • উভয় লিঙ্গ
  14. নিচের কোনটি স্বভাবগতভাবে স্ত্রীবাচক বা নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ?
    • জেনানা
    • সতীন
    • শিক্ষিকা
    • ধাত্রী
  15. যে কথা বলা হয়নি, তার একক প্রকাশ কোনটি?
    • অব্যক্ত
    • অনুক্ত
    • নির্বাক
    • মূক
  16. কাজে অত্যন্ত তৎপর ও সক্রিয় ব্যক্তিকে কোন শব্দে প্রকাশ করা যায়?
    • কর্মিষ্ঠ
    • কর্মবীর
    • কর্মপ্রিয়
    • কর্মনিষ্ঠ
  17. যা ভবিষ্যতে বলা হবে, তাকে এক কথায় কী বলা যায়?
    • উক্ত
    • বাচ্য
    • ভবিতব্য
    • বক্তব্য
  18. কাউকে অভ্যর্থনা জানাতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার কাজকে কী বলা হয়?
    • প্রত্যুদ্গমন
    • প্রত্যাগমন
    • প্রস্থান
    • স্বাগতম
  19. যে নারী বীর সন্তান জন্ম দেন, তাঁর একক পরিচয় কোনটি?
    • বীরবালা
    • রণগর্ভা
    • স্বর্ণমাতা
    • বীরপ্রসূ
  20. উপকার পাওয়ার পরও উপকারীর ক্ষতি করে যে, তাকে কী বলা হয়?
    • কৃতজ্ঞ
    • অকৃতজ্ঞ
    • কৃতঘ্ন
    • নির্দয়
  21. শুভ বা বিশেষ ক্ষণে যার জন্ম হয়েছে, তাকে এক কথায় কী বলা হয়?
    • ক্ষণজন্মা
    • শুভজন্মা
    • জন্মবীর
    • ক্ষণিক
  22. যে ব্যক্তি নিজের উপকারকারীরই ক্ষতি করে, তার উপযুক্ত শব্দ কোনটি?
    • কৃতজ্ঞ
    • সহৃদয়
    • কৃতঘ্ন
    • অকৃত্রিম
  23. যে ব্যক্তি বা বিষয় আগে ছিল কিন্তু এখন আর নেই, তাকে কী বলা হয়?
    • ভূতপূর্ব
    • অতীত
    • বর্তমান
    • প্রাক্তনমাত্র
  24. যার নষ্ট হওয়া বা ক্ষয় হওয়া স্বাভাবিক, তাকে কী বলা হয়?
    • নশ্বর
    • অবিনশ্বর
    • চিরস্থায়ী
    • অক্ষয়
  25. সাপের ত্যাগ করা খোলসের একক শব্দ কোনটি?
    • অজিন
    • কবচ
    • নির্মোক
    • চর্ম
  26. নূপুরের ঝংকারধর্মী ধ্বনির জন্য নির্দিষ্ট শব্দ কোনটি?
    • শিঞ্জন
    • রুমঝুম
    • ঝংকার
    • নিক্কণ
  27. ‘আমি’ সর্বনামটি লিঙ্গের দিক থেকে কোন শ্রেণির?
    • পুংলিঙ্গ
    • স্ত্রীলিঙ্গ
    • ক্লীবলিঙ্গ
    • উভয় লিঙ্গ
  28. কোন শব্দের আগে আলাদা স্ত্রীবাচক নির্দেশক শব্দ বসিয়ে নারীবাচক অর্থ প্রকাশ করা হয়?
    • নেতা
    • কবি
    • দাতা
    • বাদশাহ
  29. নিচের কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ?
    • জেঠী
    • পাগলী
    • বেগমী
    • সখী
  30. ‘রজক’ শব্দের স্ত্রীবাচক রূপ কোনটি?
    • রজকা
    • রজকী
    • রজকিনী
    • রজকানী
  31. ‘নাটিকা’ শব্দে স্ত্রীবাচক রূপটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
    • সমার্থে
    • ক্ষুদ্রার্থে
    • বৃহদার্থে
    • বিপরীতার্থে
  32. নিচের কোন শব্দটির আগে স্ত্রীবাচক নির্দেশক শব্দ বসিয়ে লিঙ্গ স্পষ্ট করা যায়?
    • নেতা
    • কবি
    • দাতা
    • বাদশাহ
  33. নিচের কোন শব্দটির স্বতন্ত্র পুরুষবাচক প্রতিরূপ প্রচলিত নয়?
    • বাঁদি
    • দাত্রী
    • তাদৃশী
    • ডাইনি
  34. কোনটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ?
    • ডাইনি
    • সম্রাজ্ঞী
    • মানুষ
    • সভানেত্রী
  35. ‘মরদ’ শব্দের বিপরীত লিঙ্গবাচক শব্দ কোনটি?
    • মর্দ
    • জেনানা
    • জেনানী
    • মরদী
  36. ‘আমি’ শব্দটির লিঙ্গগত ব্যবহার কী?
    • পুংলিঙ্গ
    • স্ত্রীলিঙ্গ
    • ক্লীবলিঙ্গ
    • উভয় লিঙ্গ
  37. নিচের কোন শব্দটি স্বভাবগতভাবে কেবল নারীবাচক?
    • মা
    • মেয়ে
    • ছাত্রী
    • সতীন
  38. যে নারীর হাসি পবিত্র ও নির্মল, তাকে কী বলা যায়?
    • স্মিতহাসিনী
    • শুচিস্মিতা
    • সুহাসিনী
    • সুহাস্য
  39. যা আগে কখনো দেখা যায়নি, তার একক শব্দ কোনটি?
    • অদৃষ্ট
    • অদেখা
    • অদৃষ্টপূর্ব
    • অনদৃষ্ট
  40. ইতিহাস সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে কী বলা হয়?
    • ইতিহাসবেত্তা
    • ঐতিহাসিক
    • ইতিহাসবিদ
    • ইতিহাসলেখক
  41. মেঘের গভীর গর্জনের জন্য নির্দিষ্ট একক শব্দ কোনটি?
    • মন্দ্র
    • জীমূতমন্দ্র
    • জীমূতভেদ
    • শানকি
  42. যে মেয়ের এখনও বিয়ে হয়নি, তাকে কী বলা হয়?
    • অপরিণীতা
    • কুমারী
    • অবিবাহিতা
    • অনূঢ়া
  43. কাউকে হত্যা বা হনন করার প্রবল ইচ্ছাকে এক কথায় কী বলা হয়?
    • লিপ্সা
    • জিঘাংসা
    • কামনা
    • জিজীবিষা
  44. ইতিহাস সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তির আরেকটি উপযুক্ত একক শব্দ কোনটি?
    • ইতিহাসসচেতন
    • ঐতিহাসিক
    • ইতিহাসবেত্তা
    • ইতিহাসবিদ
  45. শত্রুকে দমন করতে সক্ষম ব্যক্তিকে কী বলা হয়?
    • শত্রুঘ্ন
    • অরিন্দম
    • শত্রুহন্তা
    • কৃতঘ্ন
  46. সব মানুষের জন্য প্রযোজ্য বিষয়ের একক প্রকাশ কোনটি?
    • সর্বজনীন
    • সার্বজনীন
    • সর্বজনীকৃত
    • সর্বজনগ্রাহ্য
  47. সকলের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়—এমন বিষয়কে কী বলা হয়?
    • সর্বজনীন
    • সার্বজনীন
    • সর্বজনীকৃত
    • সর্বজনগ্রাহ্য
  48. যে বন হিংস্র বন্যপ্রাণীতে ভরা, তার একক নাম কোনটি?
    • দুর্গম
    • শ্বাপদসংকুল
    • অরণ্যজনপদ
    • বিপদসংকুল
  49. দীঘি আছে এমন স্থান বা বিষয়কে এক কথায় কী বলা যায়?
    • দীঘ্যমান
    • দীঘিমান
    • দীঘিমান
    • দেদীপ্যমান
  50. ‘অনূঢ়া’ শব্দটি কোন নারীকে বোঝায়?
    • যার সন্তান হয় না
    • যিনি বীর সন্তান প্রসব করেন
    • যার স্বামী বেঁচে নেই
    • যার বিয়ে হয়নি