বাংলাদেশের অর্থনীতি, সম্পদ, বন, কৃষি, খনিজ ও পানি — NTRCA school-level
বাংলাদেশের অর্থনীতি, সম্পদ, বন, কৃষি, খনিজ ও পানি: সাধারণ জ্ঞান, NTRCA school-level পাঠ ও 104টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/3।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- বাংলাদেশের অর্থনীতির মৌলিক বৈশিষ্ট্য
- জাতীয় আয়, মাথাপিছু আয় ও দারিদ্র্য
- সরকারি রাজস্ব, কর ও ভ্যাট
- বৈদেশিক বাণিজ্য
- বৈদেশিক সহায়তা ও বিনিয়োগ
- ব্যাংকিং ও আর্থিক ব্যবস্থা
- শিল্প, EPZ ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো
- বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
- বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ
- বনসম্পদ
- বনভূমির প্রধান ধরন
- সুন্দরবন
- বনজ সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিদ
- বাংলাদেশের কৃষি
- ধান ও প্রধান ফসল
- পাট, চা ও অর্থকরী ফসল
- কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান
- মৎস্যসম্পদ
- খনিজ ও গ্যাসসম্পদ
- বাংলাদেশের নদ-নদী
- প্রধান নদী ব্যবস্থা
- নদীর মিলনস্থল
- হাওর, বিল ও জলাভূমি
- ঝরনা ও জলপ্রপাত
- পানি ও জলসম্পদ
- বহুনির্বাচনী প্রশ্নত্তর
বাংলাদেশের অর্থনীতির মৌলিক বৈশিষ্ট্য
Basic Features of the Economy of Bangladesh
বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষি, শিল্প ও সেবা—এই প্রধান খাতগুলোর সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। সময়ের সঙ্গে জাতীয় অর্থনীতিতে সেবা ও শিল্প খাতের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেলেও কৃষি এখনো কর্মসংস্থান, খাদ্যনিরাপত্তা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে বর্তমানে সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো তৈরি পোশাক শিল্প।
সরকার উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা ADP গ্রহণ করে। সাধারণত এক অর্থবছরের জন্য এ কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়। বড় উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা ECNEC গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ECNEC-এর সভাপতি প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে অর্থমন্ত্রী এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকেন।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে বর্তমানে সেবা খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে রপ্তানি আয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো তৈরি পোশাক শিল্প।
সরকার উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা ADP গ্রহণ করে। সাধারণত এক অর্থবছরের জন্য এ কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়। বড় উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষেত্রে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি বা ECNEC গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ECNEC-এর সভাপতি প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে অর্থমন্ত্রী এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকেন।
জাতীয় আয়, মাথাপিছু আয় ও দারিদ্র্য
National Income, Per Capita Income and Poverty
দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সূচকের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদন, জাতীয় আয়, মাথাপিছু আয় এবং দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্য।
প্রদত্ত হালনাগাদ তথ্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় প্রায় ২,৭৮৪ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি উল্লেখ করা হয়েছে। পুরোনো নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নে ভিন্ন সময়ের মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ দেওয়া থাকতে পারে, তাই এ ধরনের তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বছরের তথ্য বিবেচনা করা প্রয়োজন।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে সাধারণ দারিদ্র্যের হার প্রায় \(18.7\%\) এবং চরম দারিদ্র্যের হার প্রায় \(5.6\%\) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রদত্ত হালনাগাদ তথ্যে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় প্রায় ২,৭৮৪ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি উল্লেখ করা হয়েছে। পুরোনো নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নে ভিন্ন সময়ের মাথাপিছু আয়ের পরিমাণ দেওয়া থাকতে পারে, তাই এ ধরনের তথ্য ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বছরের তথ্য বিবেচনা করা প্রয়োজন।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে সাধারণ দারিদ্র্যের হার প্রায় \(18.7\%\) এবং চরম দারিদ্র্যের হার প্রায় \(5.6\%\) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সরকারি রাজস্ব, কর ও ভ্যাট
Government Revenue, Tax and VAT
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের বড় একটি অংশ বিভিন্ন ধরনের কর থেকে আসে। এর মধ্যে মূল্য সংযোজন কর বা VAT একটি গুরুত্বপূর্ণ পরোক্ষ কর।
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। VAT ভোক্তার পণ্য ও সেবা ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এটি সরকারের অন্যতম প্রধান রাজস্ব উৎস।
করকে সাধারণভাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ—এই দুই ভাগে বোঝানো যায়। আয়কর প্রত্যক্ষ করের উদাহরণ। VAT ও বিক্রয় কর পরোক্ষ করের অন্তর্ভুক্ত।
দেশে কর প্রশাসনের প্রধান প্রতিষ্ঠান জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা NBR। শুল্ক, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থাপনায় প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। VAT ভোক্তার পণ্য ও সেবা ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এটি সরকারের অন্যতম প্রধান রাজস্ব উৎস।
করকে সাধারণভাবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ—এই দুই ভাগে বোঝানো যায়। আয়কর প্রত্যক্ষ করের উদাহরণ। VAT ও বিক্রয় কর পরোক্ষ করের অন্তর্ভুক্ত।
দেশে কর প্রশাসনের প্রধান প্রতিষ্ঠান জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা NBR। শুল্ক, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থাপনায় প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য
Foreign Trade of Bangladesh
বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে তৈরি পোশাক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাত। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে তৈরি পোশাক ও প্রবাসী আয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখ রয়েছে। তৈরি পাটজাত পণ্যের ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রকে গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ আমদানি উৎসের মধ্যে চীন অন্যতম। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার।
বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বিভিন্ন পর্যায়ে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখ রয়েছে। তৈরি পাটজাত পণ্যের ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রকে গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ আমদানি উৎসের মধ্যে চীন অন্যতম। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার।
বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের বিভিন্ন পর্যায়ে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
বৈদেশিক সহায়তা ও বিনিয়োগ
Foreign Aid and Investment
বাংলাদেশে বৈদেশিক সহায়তার একটি বড় অংশ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যবহৃত হয়।
প্রদত্ত তথ্যে জাপানকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বৈদেশিক ঋণ ও উন্নয়ন সহায়তাদাতা দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে রাশিয়ার সহযোগিতা রয়েছে। অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৩ সালে খাতভিত্তিক বিদেশি বিনিয়োগের মধ্যে সেবা খাতকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে জাপানকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বৈদেশিক ঋণ ও উন্নয়ন সহায়তাদাতা দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে রাশিয়ার সহযোগিতা রয়েছে। অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগকারী দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৩ সালে খাতভিত্তিক বিদেশি বিনিয়োগের মধ্যে সেবা খাতকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
ব্যাংকিং ও আর্থিক ব্যবস্থা
Banking and Financial System
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের মুদ্রানীতি পরিচালনা, ব্যাংক তদারকি এবং আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।
প্রদত্ত তথ্যে তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৬২টি উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংক অন্তর্ভুক্ত।
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে শুরু হয়। পরে মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে।
বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমও পরবর্তীকালে চালু হয়। ব্যাংক এশিয়া এ ক্ষেত্রে অগ্রণী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।
রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান হিসেবে জীবন বীমা কর্পোরেশন ও সাধারণ বীমা কর্পোরেশন গুরুত্বপূর্ণ।
প্রদত্ত তথ্যে তফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৬২টি উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংক অন্তর্ভুক্ত।
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে শুরু হয়। পরে মোবাইল আর্থিক সেবা ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করে।
বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমও পরবর্তীকালে চালু হয়। ব্যাংক এশিয়া এ ক্ষেত্রে অগ্রণী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি।
রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান হিসেবে জীবন বীমা কর্পোরেশন ও সাধারণ বীমা কর্পোরেশন গুরুত্বপূর্ণ।
শিল্প, EPZ ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো
Industry, EPZ and Economic Infrastructure
বাংলাদেশে রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশে Export Processing Zone বা EPZ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দেশের প্রথম EPZ চট্টগ্রামে স্থাপিত হয়।
প্রদত্ত তথ্যে বর্তমানে মোট ১০টি EPZ-এর কথা উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ২টি বেসরকারি।
বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র World Trade Center চট্টগ্রামে অবস্থিত।
তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়নে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে হাই-টেক পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। এটি দেশের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক শিল্পায়নের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ডের পরিবর্তিত নাম বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড বা BTCL।
প্রদত্ত তথ্যে বর্তমানে মোট ১০টি EPZ-এর কথা উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ২টি বেসরকারি।
বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র World Trade Center চট্টগ্রামে অবস্থিত।
তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়নে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে হাই-টেক পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। এটি দেশের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক শিল্পায়নের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ডের পরিবর্তিত নাম বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড বা BTCL।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
Power and Energy
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে দীর্ঘদিন ধরে প্রাকৃতিক গ্যাস গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হওয়ার ফলে বিদ্যুৎ, সার ও শিল্পখাতে গ্যাসের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাইয়ে অবস্থিত। কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত বাঁধের মাধ্যমে এ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
বায়ুশক্তির ব্যবহারেও বাংলাদেশে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রদত্ত প্রশ্নগুলোতে কক্সবাজার অঞ্চলকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন এলাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনার ঈশ্বরদী অঞ্চলে নির্মিত হচ্ছে এবং এতে রাশিয়ার সহযোগিতা রয়েছে।
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাইয়ে অবস্থিত। কর্ণফুলী নদীর ওপর নির্মিত বাঁধের মাধ্যমে এ জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
বায়ুশক্তির ব্যবহারেও বাংলাদেশে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রদত্ত প্রশ্নগুলোতে কক্সবাজার অঞ্চলকে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন এলাকা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনার ঈশ্বরদী অঞ্চলে নির্মিত হচ্ছে এবং এতে রাশিয়ার সহযোগিতা রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ
Natural Resources of Bangladesh
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে ভূমি, বন, নদ-নদী, মৎস্য, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, চুনাপাথর, পিট, কৃষিজ সম্পদ এবং সামুদ্রিক সম্পদ উল্লেখযোগ্য।
দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবিকার সঙ্গে ভূমি, কৃষি, বন ও পানিসম্পদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের অন্যতম প্রধান খনিজ জ্বালানি সম্পদ।
কৃষিজমি ও মিঠাপানির জলাশয়ের ঘন বিস্তার বাংলাদেশের কৃষি ও মৎস্যসম্পদকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।
দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবিকার সঙ্গে ভূমি, কৃষি, বন ও পানিসম্পদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। অন্যদিকে প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের অন্যতম প্রধান খনিজ জ্বালানি সম্পদ।
কৃষিজমি ও মিঠাপানির জলাশয়ের ঘন বিস্তার বাংলাদেশের কৃষি ও মৎস্যসম্পদকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।
বাংলাদেশের বনসম্পদ
Forest Resources of Bangladesh
বাংলাদেশের বনভূমি প্রাকৃতিক পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, ভূমি সংরক্ষণ এবং অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ি বন, শালবন ও উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বন দেখা যায়।
প্রদত্ত তথ্যে সরকারি হিসাবে বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় \(17.5\%\) বনভূমি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশে বন সংরক্ষণ ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার জন্য বন বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিও দেশের বৃক্ষসম্পদ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।
প্রদত্ত তথ্যে সরকারি হিসাবে বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় \(17.5\%\) বনভূমি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশে বন সংরক্ষণ ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার জন্য বন বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিও দেশের বৃক্ষসম্পদ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।
বনভূমির প্রধান ধরন
Major Types of Forest
বাংলাদেশের বনভূমিকে সাধারণভাবে কয়েকটি প্রধান শ্রেণিতে আলোচনা করা যায়।
১। ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা পাহাড়ি বন
২। ক্রান্তীয় পাতাঝরা শালবন
৩। ম্যানগ্রোভ বা উপকূলীয় বন
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে চিরহরিৎ ও অর্ধচিরহরিৎ পাহাড়ি বন দেখা যায়।
মধুপুর ও ভাওয়াল অঞ্চলে পাতাঝরা শালবনের বিস্তার রয়েছে।
সুন্দরবন বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন। এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলে কৃত্রিম ম্যানগ্রোভ বনায়নও করা হয়েছে।
১। ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা পাহাড়ি বন
২। ক্রান্তীয় পাতাঝরা শালবন
৩। ম্যানগ্রোভ বা উপকূলীয় বন
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে চিরহরিৎ ও অর্ধচিরহরিৎ পাহাড়ি বন দেখা যায়।
মধুপুর ও ভাওয়াল অঞ্চলে পাতাঝরা শালবনের বিস্তার রয়েছে।
সুন্দরবন বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বন। এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চলে কৃত্রিম ম্যানগ্রোভ বনায়নও করা হয়েছে।
সুন্দরবন
The Sundarbans
সুন্দরবন পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন এবং বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিস্তৃত।
প্রদত্ত তথ্যে সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় \(10,000\) বর্গকিলোমিটার এবং বাংলাদেশের অংশ প্রায় \(6,017\) বর্গকিলোমিটার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মোট সুন্দরবনের প্রায় \(62\%\) বাংলাদেশে অবস্থিত।
বাংলাদেশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার অংশজুড়ে সুন্দরবনের বিস্তার রয়েছে।
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী। এছাড়া গেওয়া, কেওড়া, গোলপাতা, পশুরসহ বিভিন্ন লবণসহিষ্ণু উদ্ভিদ এখানে জন্মে।
সুন্দরবনের উল্লেখযোগ্য প্রাণীর মধ্যে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর, কুমির এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রয়েছে।
UNESCO সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত করেছে। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ক্ষতি কমাতেও সুন্দরবন প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা বলয় হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
প্রদত্ত তথ্যে সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় \(10,000\) বর্গকিলোমিটার এবং বাংলাদেশের অংশ প্রায় \(6,017\) বর্গকিলোমিটার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মোট সুন্দরবনের প্রায় \(62\%\) বাংলাদেশে অবস্থিত।
বাংলাদেশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার অংশজুড়ে সুন্দরবনের বিস্তার রয়েছে।
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী। এছাড়া গেওয়া, কেওড়া, গোলপাতা, পশুরসহ বিভিন্ন লবণসহিষ্ণু উদ্ভিদ এখানে জন্মে।
সুন্দরবনের উল্লেখযোগ্য প্রাণীর মধ্যে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর, কুমির এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রয়েছে।
UNESCO সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত করেছে। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ক্ষতি কমাতেও সুন্দরবন প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা বলয় হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
বনজ সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিদ
Forest Products and Important Plants
বাংলাদেশের বন থেকে কাঠ, বাঁশ, বেত, গোলপাতা, মধু, মোমসহ বিভিন্ন সম্পদ সংগ্রহ করা হয়।
কাগজ তৈরির জন্য গেওয়া কাঠের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। খুলনা অঞ্চলের নিউজপ্রিন্ট শিল্পের সঙ্গে সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
কর্ণফুলী কাগজ কলে বাঁশ গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উত্তরবঙ্গে কাগজ উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে আখের ছোবড়ার ব্যবহারও উল্লেখ করা হয়েছে।
মধু সংগ্রহকারীদের স্থানীয়ভাবে মৌয়াল বলা হয়। সুন্দরবনের গোলপাতা সংগ্রহকারী শ্রমজীবীদের বাওয়ালি বলা হয়।
গজারি শালগাছের আরেক পরিচিত নাম। চিরহরিৎ বনাঞ্চলে গর্জন, চাপালিশ ও জারুলের মতো গাছ দেখা যায়।
কাগজ তৈরির জন্য গেওয়া কাঠের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। খুলনা অঞ্চলের নিউজপ্রিন্ট শিল্পের সঙ্গে সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
কর্ণফুলী কাগজ কলে বাঁশ গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। উত্তরবঙ্গে কাগজ উৎপাদনের কাঁচামাল হিসেবে আখের ছোবড়ার ব্যবহারও উল্লেখ করা হয়েছে।
মধু সংগ্রহকারীদের স্থানীয়ভাবে মৌয়াল বলা হয়। সুন্দরবনের গোলপাতা সংগ্রহকারী শ্রমজীবীদের বাওয়ালি বলা হয়।
গজারি শালগাছের আরেক পরিচিত নাম। চিরহরিৎ বনাঞ্চলে গর্জন, চাপালিশ ও জারুলের মতো গাছ দেখা যায়।
বাংলাদেশের কৃষি
Agriculture of Bangladesh
বাংলাদেশের কৃষি প্রধানত উর্বর পলিমাটি, মৌসুমি বৃষ্টিপাত, নদ-নদী এবং সেচব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। দেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যশস্য হিসেবে গমের উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল পাট। এছাড়া চা, আখ, তামাক, তুলা, রাবার ও বিভিন্ন ফলমূল অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
ফসল উৎপাদনের মৌসুম বিবেচনায় কৃষিকে রবি ও খরিফ—এই দুই প্রধান ভাগে আলোচনা করা হয়। শীতকালীন ফসলকে রবি ফসল বলা হয়। বর্ষা ও গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের ফসল খরিফ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল পাট। এছাড়া চা, আখ, তামাক, তুলা, রাবার ও বিভিন্ন ফলমূল অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
ফসল উৎপাদনের মৌসুম বিবেচনায় কৃষিকে রবি ও খরিফ—এই দুই প্রধান ভাগে আলোচনা করা হয়। শীতকালীন ফসলকে রবি ফসল বলা হয়। বর্ষা ও গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের ফসল খরিফ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
ধান ও প্রধান খাদ্যশস্য
Rice and Major Food Crops
ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য এবং সবচেয়ে বেশি জমিতে চাষ করা ফসলগুলোর একটি। বাংলাদেশে সাধারণভাবে আউশ, আমন ও বোরো—এই তিন মৌসুমে ধান উৎপাদিত হয়।
বর্তমানে বোরো ধান দেশের মোট ধান উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেচনির্ভর হওয়ায় বোরো উৎপাদন শুষ্ক মৌসুমেও সম্ভব হয়।
আউশ ধান তুলনামূলক কম সময়ে ফলন দেয়। বর্ষানির্ভর অঞ্চলে আমন ধানের চাষ ঐতিহ্যগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
কৃষির জন্য দো-আঁশ মাটি বিশেষ উপযোগী। তবে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বেশি হওয়ায় এঁটেল মাটিও ধানচাষে কার্যকর।
বর্তমানে বোরো ধান দেশের মোট ধান উৎপাদনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেচনির্ভর হওয়ায় বোরো উৎপাদন শুষ্ক মৌসুমেও সম্ভব হয়।
আউশ ধান তুলনামূলক কম সময়ে ফলন দেয়। বর্ষানির্ভর অঞ্চলে আমন ধানের চাষ ঐতিহ্যগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
কৃষির জন্য দো-আঁশ মাটি বিশেষ উপযোগী। তবে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বেশি হওয়ায় এঁটেল মাটিও ধানচাষে কার্যকর।
পাট, চা ও অর্থকরী ফসল
Jute, Tea and Cash Crops
পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল। এটি একসময় দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হওয়ায় পাটকে সোনালি আঁশ বলা হয়।
চা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্য। বাংলাদেশের প্রথম চা বাগান সিলেটের মালনীছড়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রদত্ত তথ্যে ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামে পরীক্ষামূলকভাবে চা চাষ শুরু এবং পরে ১৮৫৪ সালে মালনীছড়ায় বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
চা বাগানের সংখ্যায় মৌলভীবাজার দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলা। পঞ্চগড়েও সমতলভূমিতে চা উৎপাদন সম্প্রসারিত হয়েছে।
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত।
কৃষ্ণচূড়া বা অন্যান্য স্থানীয় উদ্ভিদের পাশাপাশি আখ, তামাক, তুলা ও রাবারও বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিচিত।
চা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিযোগ্য কৃষিপণ্য। বাংলাদেশের প্রথম চা বাগান সিলেটের মালনীছড়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রদত্ত তথ্যে ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামে পরীক্ষামূলকভাবে চা চাষ শুরু এবং পরে ১৮৫৪ সালে মালনীছড়ায় বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
চা বাগানের সংখ্যায় মৌলভীবাজার দেশের গুরুত্বপূর্ণ জেলা। পঞ্চগড়েও সমতলভূমিতে চা উৎপাদন সম্প্রসারিত হয়েছে।
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত।
কৃষ্ণচূড়া বা অন্যান্য স্থানীয় উদ্ভিদের পাশাপাশি আখ, তামাক, তুলা ও রাবারও বাংলাদেশের অর্থকরী ফসল হিসেবে পরিচিত।
কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান
Agricultural Research Institutions
বাংলাদেশে কৃষি উন্নয়ন, নতুন জাত উদ্ভাবন, উৎপাদন বৃদ্ধি ও রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে একাধিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাজ করে।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট — গাজীপুর
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট — গাজীপুর
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট — ঢাকা
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট — শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট — ঈশ্বরদী, পাবনা
বাংলাদেশ গম গবেষণা কেন্দ্র — দিনাজপুর
বাংলাদেশ ফল গবেষণা কেন্দ্র — রাজশাহী
বাংলাদেশ ডাল গবেষণা কেন্দ্র — ঈশ্বরদী, পাবনা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সংক্ষিপ্ত রূপ BRRI। উচ্চফলনশীল ও পরিবেশসহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবনে এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বা BADC কৃষি উপকরণ, সেচ, বীজ ও কৃষি উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত।
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বা BARD কুমিল্লায় অবস্থিত। এর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে ড. আখতার হামিদ খানের নাম বিশেষভাবে জড়িত।
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বা RDA বগুড়ায় অবস্থিত।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট — গাজীপুর
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট — গাজীপুর
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট — ঢাকা
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট — শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট — ঈশ্বরদী, পাবনা
বাংলাদেশ গম গবেষণা কেন্দ্র — দিনাজপুর
বাংলাদেশ ফল গবেষণা কেন্দ্র — রাজশাহী
বাংলাদেশ ডাল গবেষণা কেন্দ্র — ঈশ্বরদী, পাবনা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সংক্ষিপ্ত রূপ BRRI। উচ্চফলনশীল ও পরিবেশসহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবনে এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বা BADC কৃষি উপকরণ, সেচ, বীজ ও কৃষি উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত।
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বা BARD কুমিল্লায় অবস্থিত। এর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে ড. আখতার হামিদ খানের নাম বিশেষভাবে জড়িত।
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বা RDA বগুড়ায় অবস্থিত।
মৎস্যসম্পদ
Fisheries Resources
নদ-নদী, হাওর, বিল, পুকুর, উপকূল ও বঙ্গোপসাগরের কারণে বাংলাদেশে মৎস্যসম্পদের বৈচিত্র্য অনেক বেশি। মাছ দেশের মানুষের প্রাণিজ আমিষের অন্যতম প্রধান উৎস।
বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ময়মনসিংহে অবস্থিত। চাঁদপুরেও মৎস্য গবেষণা ও প্রশিক্ষণসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
চট্টগ্রামের হালদা নদী প্রাকৃতিকভাবে কার্পজাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
চিংড়িকে বাংলাদেশের White Gold বলা হয়। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে চিংড়ি ও হিমায়িত মৎস্য দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ পণ্য হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৎস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান ময়মনসিংহে অবস্থিত। চাঁদপুরেও মৎস্য গবেষণা ও প্রশিক্ষণসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
চট্টগ্রামের হালদা নদী প্রাকৃতিকভাবে কার্পজাতীয় মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। এটি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
চিংড়িকে বাংলাদেশের White Gold বলা হয়। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে চিংড়ি ও হিমায়িত মৎস্য দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ পণ্য হিসেবে পরিচিত।
খনিজ ও গ্যাসসম্পদ
Mineral and Natural Gas Resources
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, পিট, সিলিকা বালু ও ভারী খনিজ বালু উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় সিলেটের হরিপুরে। পরবর্তীকালে দেশের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একাধিক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের মোট গ্যাসক্ষেত্র ২৯টি উল্লেখ করা হয়েছে এবং নতুন আবিষ্কৃত ক্ষেত্র হিসেবে ভোলার ইলিশা-১-এর উল্লেখ রয়েছে।
তিতাস বাংলাদেশের বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্রগুলোর একটি। দৈনিক গ্যাস উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সময়ে বিবিয়ানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
দেশের কয়লাক্ষেত্রগুলোর মধ্যে বড়পুকুরিয়া সবচেয়ে পরিচিত। দিনাজপুর অঞ্চলে কয়লা ও কঠিন শিলার মজুত পাওয়া গেছে।
মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি দিনাজপুর অঞ্চলে অবস্থিত। কঠিন শিলা নির্মাণ ও অবকাঠামোগত কাজে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ।
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় সিলেটের হরিপুরে। পরবর্তীকালে দেশের পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে একাধিক গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের মোট গ্যাসক্ষেত্র ২৯টি উল্লেখ করা হয়েছে এবং নতুন আবিষ্কৃত ক্ষেত্র হিসেবে ভোলার ইলিশা-১-এর উল্লেখ রয়েছে।
তিতাস বাংলাদেশের বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্রগুলোর একটি। দৈনিক গ্যাস উৎপাদনের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন সময়ে বিবিয়ানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
দেশের কয়লাক্ষেত্রগুলোর মধ্যে বড়পুকুরিয়া সবচেয়ে পরিচিত। দিনাজপুর অঞ্চলে কয়লা ও কঠিন শিলার মজুত পাওয়া গেছে।
মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি দিনাজপুর অঞ্চলে অবস্থিত। কঠিন শিলা নির্মাণ ও অবকাঠামোগত কাজে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ।
বাংলাদেশের নদ-নদী
Rivers of Bangladesh
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। অসংখ্য নদী, উপনদী ও শাখানদী দেশের ভূপ্রকৃতি, কৃষি, পরিবহন, মৎস্য এবং মানুষের বসতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা ৭০০-এর বেশি উল্লেখ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নদীর সংখ্যা ৫৭টি এবং ভারত-বাংলাদেশ অভিন্ন নদী ৫৪টি হিসেবে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে অভিন্ন নদী ৩টি উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ নদী কমিশন ১৯৭২ সালে গঠিত হয়। দুই দেশের অভিন্ন নদীর পানি ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট সমস্যা আলোচনায় এ কমিশনের ভূমিকা রয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা ৭০০-এর বেশি উল্লেখ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নদীর সংখ্যা ৫৭টি এবং ভারত-বাংলাদেশ অভিন্ন নদী ৫৪টি হিসেবে দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে অভিন্ন নদী ৩টি উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ নদী কমিশন ১৯৭২ সালে গঠিত হয়। দুই দেশের অভিন্ন নদীর পানি ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট সমস্যা আলোচনায় এ কমিশনের ভূমিকা রয়েছে।
প্রধান নদী ব্যবস্থা
Major River Systems
বাংলাদেশের প্রধান নদী ব্যবস্থার মধ্যে গঙ্গা-পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা এবং মেঘনা ব্যবস্থা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের মানস সরোবর অঞ্চলের কাছাকাছি এলাকা থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বত, ভারত এবং বাংলাদেশ অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশে প্রবেশের পর এর প্রধান প্রবাহ যমুনা নামে পরিচিত।
যমুনা বাংলাদেশের প্রশস্ত নদীগুলোর একটি। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ নদী নাফ।
কর্ণফুলী নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। কাপ্তাই বাঁধ এ নদীর ওপর নির্মিত।
সুরমা ও কুশিয়ারা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নদী। পরে এ দুটি নদী বিভিন্ন স্থানে পুনরায় মিলিত হয়ে মেঘনা নদী ব্যবস্থার অংশ গঠন করে।
ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের মানস সরোবর অঞ্চলের কাছাকাছি এলাকা থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বত, ভারত এবং বাংলাদেশ অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশে প্রবেশের পর এর প্রধান প্রবাহ যমুনা নামে পরিচিত।
যমুনা বাংলাদেশের প্রশস্ত নদীগুলোর একটি। বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ নদী নাফ।
কর্ণফুলী নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। কাপ্তাই বাঁধ এ নদীর ওপর নির্মিত।
সুরমা ও কুশিয়ারা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নদী। পরে এ দুটি নদী বিভিন্ন স্থানে পুনরায় মিলিত হয়ে মেঘনা নদী ব্যবস্থার অংশ গঠন করে।
নদীর মিলনস্থল
River Confluences
বাংলাদেশের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নদীর মিলনস্থল ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক কারণে বিশেষ পরিচিত।
পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল গোয়ালন্দ অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল চাঁদপুরের কাছে।
সুরমা ও কুশিয়ারা হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ অঞ্চলে মিলিত হওয়ার তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদ কুড়িগ্রাম অঞ্চলে মিলিত হয়।
করতোয়া ও বাঙালি নদীর মিলন বগুড়া অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
নদীগুলোর মিলন ও শাখা-প্রশাখা সৃষ্টি বাংলাদেশের প্লাবনভূমি গঠন এবং পলি পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পদ্মা ও যমুনার মিলনস্থল গোয়ালন্দ অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থল চাঁদপুরের কাছে।
সুরমা ও কুশিয়ারা হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ অঞ্চলে মিলিত হওয়ার তথ্য উল্লেখ রয়েছে।
তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদ কুড়িগ্রাম অঞ্চলে মিলিত হয়।
করতোয়া ও বাঙালি নদীর মিলন বগুড়া অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
নদীগুলোর মিলন ও শাখা-প্রশাখা সৃষ্টি বাংলাদেশের প্লাবনভূমি গঠন এবং পলি পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
হাওর, বিল ও জলাভূমি
Haor, Beel and Wetlands
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিস্তৃত নিম্নভূমি ও মৌসুমি জলাভূমিকে হাওর বলা হয়। বর্ষাকালে এসব এলাকা বিশাল জলরাশিতে পরিণত হয় এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষিজমি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহৎ হাওরগুলোর একটি। এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট অঞ্চলে বিস্তৃত।
টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এটি জীববৈচিত্র্য ও জলচর পাখির জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি।
চলনবিল বাংলাদেশের বৃহৎ বিলগুলোর একটি। এটি পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকার সঙ্গে সম্পর্কিত।
হাওর অঞ্চলের কৃষি মূলত বোরো ধানের ওপর অধিক নির্ভরশীল। আকস্মিক পাহাড়ি ঢল এসব এলাকার কৃষির জন্য বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহৎ হাওরগুলোর একটি। এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট অঞ্চলে বিস্তৃত।
টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এটি জীববৈচিত্র্য ও জলচর পাখির জন্য গুরুত্বপূর্ণ জলাভূমি।
চলনবিল বাংলাদেশের বৃহৎ বিলগুলোর একটি। এটি পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকার সঙ্গে সম্পর্কিত।
হাওর অঞ্চলের কৃষি মূলত বোরো ধানের ওপর অধিক নির্ভরশীল। আকস্মিক পাহাড়ি ঢল এসব এলাকার কৃষির জন্য বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
ঝরনা ও জলপ্রপাত
Waterfalls of Bangladesh
বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে বিভিন্ন ঝরনা ও জলপ্রপাত রয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য জলপ্রপাত দেখা যায়।
মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের পরিচিত জলপ্রপাতগুলোর একটি।
হামহাম জলপ্রপাতও মৌলভীবাজার অঞ্চলে অবস্থিত। পাহাড়ি বনভূমির মধ্য দিয়ে এর অবস্থান হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক পর্যটনস্থান।
হিমছড়ি, শুভলংসহ পার্বত্য ও উপকূলীয় পাহাড়ি অঞ্চলের আরও কিছু ঝরনা বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অংশ।
মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের পরিচিত জলপ্রপাতগুলোর একটি।
হামহাম জলপ্রপাতও মৌলভীবাজার অঞ্চলে অবস্থিত। পাহাড়ি বনভূমির মধ্য দিয়ে এর অবস্থান হওয়ায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক পর্যটনস্থান।
হিমছড়ি, শুভলংসহ পার্বত্য ও উপকূলীয় পাহাড়ি অঞ্চলের আরও কিছু ঝরনা বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অংশ।
পানি ও জলসম্পদ
Water Resources of Bangladesh
বাংলাদেশের নদী, হাওর, বিল, খাল, পুকুর, ভূগর্ভস্থ পানি এবং বঙ্গোপসাগর দেশের জলসম্পদের প্রধান ভিত্তি। কৃষি, পানীয়জল, মৎস্য, নৌপরিবহন, শিল্প ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে এসব পানিসম্পদ ব্যবহৃত হয়।
নদীর প্রবাহ পরিমাপে কিউসেক একটি প্রচলিত একক। প্রতি সেকেন্ডে এক ঘনফুট পানির প্রবাহকে এক কিউসেক বলা হয়।
বাংলাদেশে সেচব্যবস্থায় ভূগর্ভস্থ ও ভূ-পৃষ্ঠস্থ—দুই ধরনের পানিই ব্যবহৃত হয়। শুষ্ক মৌসুমে বোরো চাষ সম্প্রসারণে সেচের গুরুত্ব বিশেষভাবে বেশি।
ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর ওপর ভারতে নির্মিত। এর পানি প্রবাহ বাংলাদেশের পদ্মা অববাহিকার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারত পানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ।
তিস্তা নদীর পানিবণ্টনও দুই দেশের অভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়।
নদীর প্রবাহ পরিমাপে কিউসেক একটি প্রচলিত একক। প্রতি সেকেন্ডে এক ঘনফুট পানির প্রবাহকে এক কিউসেক বলা হয়।
বাংলাদেশে সেচব্যবস্থায় ভূগর্ভস্থ ও ভূ-পৃষ্ঠস্থ—দুই ধরনের পানিই ব্যবহৃত হয়। শুষ্ক মৌসুমে বোরো চাষ সম্প্রসারণে সেচের গুরুত্ব বিশেষভাবে বেশি।
ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর ওপর ভারতে নির্মিত। এর পানি প্রবাহ বাংলাদেশের পদ্মা অববাহিকার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারত পানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ।
তিস্তা নদীর পানিবণ্টনও দুই দেশের অভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
- কক্সবাজার
- নোয়াখালী
- বরগুনা
- ভোলা
- বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা বা \(EPZ\) কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
- সাভার
- চট্টগ্রাম
- মংলা
- গাজীপুর
- মূল্য সংযোজন কর বা \(VAT\) কোন শ্রেণির কর?
- প্রত্যক্ষ কর
- পরোক্ষ কর
- পরিপূরক কর
- সম্পূরক কর
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বাংলাদেশকে প্রধানভাবে কোন দেশ সহযোগিতা করছে?
- ভারত
- চীন
- রাশিয়া
- যুক্তরাষ্ট্র
- বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিমুখী ক্ষেত্র কোনটি?
- পাট
- তৈরি পোশাক
- হিমায়িত মৎস্য
- চামড়া
- বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র বা \(World\ Trade\ Center\) কোথায় অবস্থিত?
- ঢাকা
- সিলেট
- কুমিল্লা
- চট্টগ্রাম
- প্রদত্ত প্রশ্নের সময়কার তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সঠিক?
- ১৫.৬ শতাংশ
- ২৪.৫ শতাংশ
- ২৩.৬ শতাংশ
- ২৫.৫ শতাংশ
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সাধারণত কত বছরের মেয়াদের জন্য নিয়োগ পান?
- ২ বছর
- ৩ বছর
- ৪ বছর
- ৫ বছর
- ‘অরুণ আলো’ ও ‘রাঙা প্রভাত’ নাম দুটি কীসের সঙ্গে সম্পর্কিত?
- বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজ
- দুটি নতুন পিকনিক স্পট
- দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ
- বাংলাদেশের প্রথম হাইটেক পার্ক কোথায় গড়ে তোলা হয়?
- কালিয়াকৈর, গাজীপুর
- সাভার, ঢাকা
- বিয়ানীবাজার, সিলেট
- রাউজান, চট্টগ্রাম
- বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
- ভেড়ামারা
- ঘোড়াশাল
- আশুগঞ্জ
- কাপ্তাই
- বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের পরিবর্তিত বর্তমান নাম কোনটি?
- BTTB
- BTCC
- BTCL
- BTRC
- ‘সিন্ধুরী’ বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে কোন ফসলের উন্নত জাত?
- বেগুন
- আম
- আলু
- টমেটো
- ‘নদী ছাড়া মহানন্দা’ কোন ফসলের একটি জাতের নাম?
- তরমুজ
- সরিষা
- আম
- কলা
- বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় কোথায়?
- ঢাকা
- ফরিদপুর
- ময়মনসিংহ
- খুলনা
- পদ্মা ও মেঘনা নদীর মিলনস্থল কোন জায়গায়?
- গোয়ালন্দ
- চাঁদপুর
- ভোলা
- বরিশাল
- \(BARD\)-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কাকে গণ্য করা হয়?
- জনাব আবদুল্লাহ হামিদ খান
- অধ্যাপক আখতার হামিদ খান
- জনাব আলতাফ হামিদ খান
- অধ্যাপক আবুল লতিফ খান
- ‘পারকি’ সমুদ্রসৈকত কোথায় অবস্থিত?
- চট্টগ্রাম
- কক্সবাজার
- বরগুনা
- পটুয়াখালী
- সাম্প্রতিক সুন্দরবন এলাকায় কোন নদীতে কয়লাবাহী কার্গো ডুবে যাওয়ার ঘটনা উল্লেখিত হয়েছে?
- তিস্তা
- ভৈরব
- শ্যালা
- মধুমতী
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ কোথায় শুরু হয়?
- সিলেটের তামাবিলে
- সিলেটের জাফলংয়ে
- সিলেটের মালনীছড়ায়
- সিলেটের শ্রীমঙ্গলে
- ‘বর্ণালী’ ও ‘শুভ’ কী?
- উন্নত জাতের ভুট্টা
- উন্নত জাতের গম
- উন্নত জাতের ধান
- উন্নত জাতের পাট
- ‘মধুবালা’ নামটি কোন কারণে পরিচিত?
- হলুদ জাতের তরমুজ হিসেবে
- নারিকেলের একটি জাত হিসেবে
- পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের নাম হিসেবে
- উন্নত জাতের ধান হিসেবে
- বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে?
- সিলেট
- হবিগঞ্জ
- মৌলভীবাজার
- সুনামগঞ্জ
- পূর্বাশা দ্বীপের অন্য নাম কী?
- নিঝুম দ্বীপ
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ
- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
- কুতুবদিয়া দ্বীপ
- আরাকান পাহাড় থেকে উৎপন্ন বাংলাদেশের নদী কোনটি?
- ফেনী
- সাঙ্গু
- কর্ণফুলী
- নাফ
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাছের রেণুপোনা সংগ্রহের জন্য কোন নদী পরিচিত?
- তিস্তা
- করতোয়া
- তিতাস
- হালদা
- বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা প্রথমবার কোন প্রাণীর পূর্ণাঙ্গ জিনগত নকশা উন্মোচন করেন?
- গরু
- ভেড়া
- ছাগল
- মহিষ
- ‘নারিকা-১’ কী?
- খরা সহিষ্ণু গম
- খরা সহিষ্ণু ধান
- উন্নত জাতের কলা
- উন্নত জাতের পেয়ারা
- বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে কোন এলাকার নাম উল্লেখ করা হয়েছিল?
- সুন্দরপুর
- সুন্দরগঞ্জ
- হরিপুর
- জয়পুর
- বাকশালী বাঁধ কোন নদীর ওপর নির্মিত?
- কর্ণফুলী
- বুড়িগঙ্গা
- ময়ূরী
- মহানন্দা
- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা কত?
- ৫৩টি
- ৫৪টি
- ৫৫টি
- ৫৬টি
- ভবদহ বিল কোথায় অবস্থিত?
- ফরিদপুরে
- জামালপুরে
- যশোরে
- খুলনায়
- বাংলাদেশে সরকারি বিধান অনুযায়ী মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ কত মাস?
- ৩ মাস
- ৪ মাস
- ৫ মাস
- ৬ মাস
- বান্দুং শহরটি কোন দেশে অবস্থিত?
- চীন
- ইন্দোনেশিয়া
- মালয়েশিয়া
- যুগোস্লাভিয়া
- বৌদ্ধ ধর্মের বিখ্যাত নিদর্শন বোরোবুদুর কোথায় অবস্থিত?
- নেপাল
- শ্রীলঙ্কা
- পাকিস্তান
- থাইল্যান্ড
- নিচের কোন দেশটি উপদ্বীপ রাষ্ট্র?
- জার্মানি
- কোরিয়া
- সৌদি আরব
- মিয়ানমার
- লোহিত সাগর কোন দুই মহাদেশকে পৃথক করেছে?
- ইউরোপ ও আফ্রিকা
- এশিয়া ও ইউরোপ
- আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া
- আফ্রিকা ও এশিয়া
- ‘Big Apple’ নামে কোন শহরটি পরিচিত?
- লন্ডন
- প্যারিস
- সিঙ্গাপুর
- নিউইয়র্ক
- ‘আল আকসা’ মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
- ফিলিস্তিন
- ইসরাইল
- অস্ট্রেলিয়া
- সৌদি আরব
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের সংযোগপথ কোন প্রণালি?
- হরমুজ
- বসফরাস
- পক
- জিব্রাল্টার
- ‘Big Apple’ উপনামটি কোন শহরের?
- বেলজিয়াম
- রোম
- নিউইয়র্ক
- গ্রেট ব্রিটেন
- ‘চিরশান্তির শহর’ নামে কোন নগরটি পরিচিত?
- রোম
- ভেনিস
- এথেন্স
- অসলো
- ‘তাসখন্দ শহর’ কোন দেশের রাজধানী?
- শিকাগো
- নিউইয়র্ক
- ওয়াশিংটন
- সিডনি
- নিচের কোন দেশটি ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত নয়?
- ব্রাজিল
- আর্জেন্টিনা
- পেরু
- পানামা
- ‘Wall Street’ কোথায় অবস্থিত?
- নিউইয়র্ক
- ওয়াশিংটন
- চীন
- লন্ডন
- ইউরোপ ও এশিয়া—দুই মহাদেশে বিস্তৃত শহর কোনটি?
- ইস্তাম্বুল
- কায়রো
- ট্রিপোলি
- হায়দরাবাদ
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর অবস্থান কোথায়?
- তুরস্কে
- চিলিতে
- স্পেনে
- সিরিয়ায়
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সহযোগী দেশ কোনটি?
- ভারত
- চীন
- রাশিয়া
- যুক্তরাষ্ট্র
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ইন্টারনেট ব্যবস্থা কোন সালে চালু হয়?
- ১৯৯৫ সালে
- ১৯৯৬ সালে
- ১৯৯৭ সালে
- ১৯৯৮ সালে
- ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম স্যাটেলাইট-অধিকারী দেশ হিসেবে পরিচিত হয়?
- ৩৭তম
- ৪৭তম
- ৫৭তম
- ৬৭তম