বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা, সমাজজীবন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও জনশুমারি — NTRCA school-level
বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা, সমাজজীবন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও জনশুমারি: সাধারণ জ্ঞান, NTRCA school-level পাঠ ও 49টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/1।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
- বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ
- বঙ্গবন্ধু সেতু
- পদ্মা সেতু
- বাংলাদেশের মেট্রোরেল
- কর্ণফুলী টানেল
- ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
- ভূ-উপগ্রহ ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ
- বাংলাদেশের সমাজজীবন
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
- চাকমা জনগোষ্ঠী
- মারমা জনগোষ্ঠী
- গারো জনগোষ্ঠী
- খাসিয়া জনগোষ্ঠী
- সাঁওতাল জনগোষ্ঠী
- অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উৎসব
- জনশুমারি ও গৃহগণনা
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা
- জনসংখ্যাবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- বিভাগ ও জেলাভিত্তিক জনসংখ্যা
- সাক্ষরতার তথ্য
- বহুনির্বাচনী প্রশ্নত্তর
বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা
Communication System of Bangladesh
বাংলাদেশে সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। নদীবহুল ভূপ্রকৃতি এবং ঘন জনবসতির কারণে দেশের যোগাযোগ অবকাঠামোয় সেতু, ফেরি, টানেল, রেলপথ ও মহাসড়কের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগকে দ্রুততর করার জন্য বড় সেতু, এক্সপ্রেসওয়ে, উড়ালসড়ক ও মেট্রোরেলের মতো আধুনিক অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে। পদ্মা সেতু, বঙ্গবন্ধু সেতু, কর্ণফুলী টানেল, ঢাকা মেট্রোরেল ও ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এ ধরনের উল্লেখযোগ্য প্রকল্প।
দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগকে দ্রুততর করার জন্য বড় সেতু, এক্সপ্রেসওয়ে, উড়ালসড়ক ও মেট্রোরেলের মতো আধুনিক অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে। পদ্মা সেতু, বঙ্গবন্ধু সেতু, কর্ণফুলী টানেল, ঢাকা মেট্রোরেল ও ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এ ধরনের উল্লেখযোগ্য প্রকল্প।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
Road Transport and Bridges
বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগ ও সেতু ব্যবস্থাপনায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন বা BRTC রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। BRTC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Road Transport Corporation।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যানবাহনের চলাচল সহজ করা, সড়ক যোগাযোগ উন্নত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সেতু নির্মাণ বাংলাদেশের পরিবহন অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন বা BRTC রাষ্ট্রীয় সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। BRTC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Road Transport Corporation।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যানবাহনের চলাচল সহজ করা, সড়ক যোগাযোগ উন্নত করা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সেতু নির্মাণ বাংলাদেশের পরিবহন অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ
Railway Communication in Bangladesh
বাংলাদেশ রেলওয়ের সদরদপ্তর ঢাকায় অবস্থিত। দেশের রেল যোগাযোগের ইতিহাস ব্রিটিশ আমলে শুরু হয়।
বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রথম রেলপথ স্থাপিত হয় ১৮৬২ সালে। চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ দেশের প্রাচীনতম রেলপথ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পাবনা জেলার পাকশীতে পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত। লর্ড হার্ডিঞ্জের নামানুসারে ব্রিজটির নামকরণ করা হয়। এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক রেলসেতুগুলোর একটি।
যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মিত হওয়ায় দেশের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের রেল ও সড়ক যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে।
বর্তমান বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রথম রেলপথ স্থাপিত হয় ১৮৬২ সালে। চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ দেশের প্রাচীনতম রেলপথ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পাবনা জেলার পাকশীতে পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত। লর্ড হার্ডিঞ্জের নামানুসারে ব্রিজটির নামকরণ করা হয়। এটি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক রেলসেতুগুলোর একটি।
যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মিত হওয়ায় দেশের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের রেল ও সড়ক যোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে।
বঙ্গবন্ধু সেতু
Bangabandhu Bridge
বঙ্গবন্ধু সেতু যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বহুমুখী সেতু। এর মাধ্যমে দেশের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ সহজ হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় \(4.8\) কিলোমিটার উল্লেখ করা হয়েছে। সেতুটি সড়ক ও রেল যোগাযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন ইউটিলিটি পরিবহনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।
বঙ্গবন্ধু সেতু চালুর ফলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকা ও দেশের পূর্বাঞ্চলের যাতায়াত সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
প্রদত্ত তথ্যে বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় \(4.8\) কিলোমিটার উল্লেখ করা হয়েছে। সেতুটি সড়ক ও রেল যোগাযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন ইউটিলিটি পরিবহনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।
বঙ্গবন্ধু সেতু চালুর ফলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকা ও দেশের পূর্বাঞ্চলের যাতায়াত সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
পদ্মা সেতু
Padma Multipurpose Bridge
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ যোগাযোগ অবকাঠামো। পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত এ বহুমুখী সেতু দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ও অন্যান্য অঞ্চলের সরাসরি যোগাযোগ বাড়িয়েছে।
পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ৭ ডিসেম্বর ২০১৪। যানবাহন চলাচলের জন্য সেতুটি উদ্বোধন করা হয় ২৫ জুন ২০২২ এবং ২৬ জুন ২০২২ থেকে যান চলাচল শুরু হয়।
পদ্মা সেতুর মোট স্প্যানের সংখ্যা ৪১টি এবং পিলারের সংখ্যা ৪২টি। সেতুটির দৈর্ঘ্য প্রায় \(6.15\) কিলোমিটার এবং প্রস্থ প্রায় \(18.10\) মিটার।
সেতুর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে China Major Bridge Engineering Company Limited-এর উল্লেখ রয়েছে।
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু হিসেবে পরিচিত। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সেতুর মধ্যেও গণ্য।
পদ্মা সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেনের বাণিজ্যিক চলাচল ১ নভেম্বর ২০২৩ থেকে শুরু হওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ঢাকা-বেনাপোল ট্রেন চলাচল ২ ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে শুরু হওয়ার তথ্যও প্রদত্ত পৃষ্ঠায় রয়েছে।
পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ৭ ডিসেম্বর ২০১৪। যানবাহন চলাচলের জন্য সেতুটি উদ্বোধন করা হয় ২৫ জুন ২০২২ এবং ২৬ জুন ২০২২ থেকে যান চলাচল শুরু হয়।
পদ্মা সেতুর মোট স্প্যানের সংখ্যা ৪১টি এবং পিলারের সংখ্যা ৪২টি। সেতুটির দৈর্ঘ্য প্রায় \(6.15\) কিলোমিটার এবং প্রস্থ প্রায় \(18.10\) মিটার।
সেতুর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে China Major Bridge Engineering Company Limited-এর উল্লেখ রয়েছে।
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু হিসেবে পরিচিত। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ সেতুর মধ্যেও গণ্য।
পদ্মা সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেনের বাণিজ্যিক চলাচল ১ নভেম্বর ২০২৩ থেকে শুরু হওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ঢাকা-বেনাপোল ট্রেন চলাচল ২ ডিসেম্বর ২০২৪ থেকে শুরু হওয়ার তথ্যও প্রদত্ত পৃষ্ঠায় রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল
Dhaka Metro Rail
ঢাকার যানজট কমানো এবং দ্রুত গণপরিবহন গড়ে তোলার লক্ষ্যে মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম মেট্রোরেল প্রকল্পের একটি অংশ MRT Line-6 নামে পরিচিত।
প্রদত্ত তথ্যে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল পথের দৈর্ঘ্য প্রায় \(20.1\) কিলোমিটার এবং উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পরিকল্পিত দৈর্ঘ্য প্রায় \(21.26\) কিলোমিটার উল্লেখ করা হয়েছে।
উত্তরা থেকে মতিঝিল অংশে মোট ১৬টি স্টেশন এবং উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মোট ১৭টি স্টেশনের কথা উল্লেখ রয়েছে।
মেট্রোরেলের সর্বোচ্চ গতিসীমা প্রতি ঘণ্টায় প্রায় \(110\) কিলোমিটার।
মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন ২০১৬। প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপানের উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা JICA গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করেছে।
মেট্রোরেলের নির্মাতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় জাপানি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ রয়েছে। এর মূল ডিপো উত্তরায় অবস্থিত।
জনসাধারণের জন্য মেট্রোরেল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ এবং পরদিন থেকে যাত্রী চলাচল শুরু হয়।
প্রদত্ত তথ্যে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল পথের দৈর্ঘ্য প্রায় \(20.1\) কিলোমিটার এবং উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পরিকল্পিত দৈর্ঘ্য প্রায় \(21.26\) কিলোমিটার উল্লেখ করা হয়েছে।
উত্তরা থেকে মতিঝিল অংশে মোট ১৬টি স্টেশন এবং উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মোট ১৭টি স্টেশনের কথা উল্লেখ রয়েছে।
মেট্রোরেলের সর্বোচ্চ গতিসীমা প্রতি ঘণ্টায় প্রায় \(110\) কিলোমিটার।
মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন ২০১৬। প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপানের উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা JICA গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করেছে।
মেট্রোরেলের নির্মাতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় জাপানি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ রয়েছে। এর মূল ডিপো উত্তরায় অবস্থিত।
জনসাধারণের জন্য মেট্রোরেল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ এবং পরদিন থেকে যাত্রী চলাচল শুরু হয়।
কর্ণফুলী টানেল
Karnaphuli Tunnel
চট্টগ্রাম নগরী ও আনোয়ারাকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে যুক্ত করার জন্য কর্ণফুলী টানেল নির্মিত হয়েছে। টানেলটির আরেক পরিচিত নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল।
প্রদত্ত তথ্যে বঙ্গবন্ধু কর্ণফুলী টানেলের দৈর্ঘ্য প্রায় \(3.32\) কিলোমিটার। এটি কর্ণফুলী নদীর প্রায় \(150\) ফুট নিচ দিয়ে নির্মিত হয়েছে।
টানেল নির্মাণে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতার উল্লেখ রয়েছে। চীনের সাংহাই শহরের টানেল ব্যবস্থা এর পরিকল্পনায় অনুপ্রেরণা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
এটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীতল সড়ক টানেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। টানেলটি চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সংযোগ তৈরি করেছে।
প্রদত্ত তথ্যে বঙ্গবন্ধু কর্ণফুলী টানেলের দৈর্ঘ্য প্রায় \(3.32\) কিলোমিটার। এটি কর্ণফুলী নদীর প্রায় \(150\) ফুট নিচ দিয়ে নির্মিত হয়েছে।
টানেল নির্মাণে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতার উল্লেখ রয়েছে। চীনের সাংহাই শহরের টানেল ব্যবস্থা এর পরিকল্পনায় অনুপ্রেরণা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
এটি দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম নদীতল সড়ক টানেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। টানেলটি চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সংযোগ তৈরি করেছে।
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
Dhaka Elevated Expressway
ঢাকার যানজট কমাতে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ প্রকল্পগুলোর একটি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
প্রদত্ত তথ্যে মূল এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য প্রায় \(19.73\) কিলোমিটার। সংযোগ সড়ক ও র্যাম্পসহ এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় \(46.73\) কিলোমিটার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এক্সপ্রেসওয়ের দুই প্রান্ত হিসেবে কাওলা এবং কুতুবখালী এলাকার উল্লেখ রয়েছে। এর ফলে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণাংশের মধ্যে দ্রুত যান চলাচলের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে মূল এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য প্রায় \(19.73\) কিলোমিটার। সংযোগ সড়ক ও র্যাম্পসহ এর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় \(46.73\) কিলোমিটার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এক্সপ্রেসওয়ের দুই প্রান্ত হিসেবে কাওলা এবং কুতুবখালী এলাকার উল্লেখ রয়েছে। এর ফলে ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণাংশের মধ্যে দ্রুত যান চলাচলের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভূ-উপগ্রহ ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ
Satellite and Ground Communication
আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগে স্যাটেলাইট ব্যবস্থার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ব্যবহৃত হয়।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের চারটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের উল্লেখ রয়েছে। এগুলো বেতবুনিয়া, তালিবাবাদ, মহাখালী এবং সিলেট অঞ্চলে স্থাপিত হয়েছিল।
বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র বেতবুনিয়ায়, রাঙামাটিতে স্থাপিত হয়। এটি ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে।
মহাখালীতে দেশের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ মাইক্রোওয়েভ যোগাযোগ কেন্দ্র স্থাপনের তথ্যও উল্লেখ রয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের চারটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের উল্লেখ রয়েছে। এগুলো বেতবুনিয়া, তালিবাবাদ, মহাখালী এবং সিলেট অঞ্চলে স্থাপিত হয়েছিল।
বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র বেতবুনিয়ায়, রাঙামাটিতে স্থাপিত হয়। এটি ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে।
মহাখালীতে দেশের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ মাইক্রোওয়েভ যোগাযোগ কেন্দ্র স্থাপনের তথ্যও উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের সমাজজীবন
Social Life of Bangladesh
বাংলাদেশের সমাজ বহু ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম ও নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন পাহাড়ি, সমতল ও সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নানা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
এসব জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা, পোশাক, ধর্মীয় বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি, সামাজিক সংগঠন এবং উৎসব বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
এসব জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা, পোশাক, ধর্মীয় বিশ্বাস, পারিবারিক রীতি, সামাজিক সংগঠন এবং উৎসব বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
Ethnic Communities of Bangladesh
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশে প্রায় ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বা জনগোষ্ঠীর বসবাসের উল্লেখ রয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের বসতি ছড়িয়ে আছে।
সংখ্যার বিচারে চাকমা দেশের বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর একটি। মারমা দ্বিতীয় বৃহৎ জনগোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রোসহ বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর বাস। অন্যদিকে গারো, হাজং, খাসিয়া, সাঁওতাল, রাখাইন, মণিপুরীসহ আরও অনেক জনগোষ্ঠী দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বসবাস করে।
সংখ্যার বিচারে চাকমা দেশের বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর একটি। মারমা দ্বিতীয় বৃহৎ জনগোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রোসহ বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর বাস। অন্যদিকে গারো, হাজং, খাসিয়া, সাঁওতাল, রাখাইন, মণিপুরীসহ আরও অনেক জনগোষ্ঠী দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বসবাস করে।
চাকমা জনগোষ্ঠী
Chakma Community
চাকমারা বাংলাদেশের বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর একটি। তাদের প্রধান বসতি পার্বত্য চট্টগ্রামে এবং রাঙামাটি জেলায় তাদের সংখ্যা বেশি।
চাকমারা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। নিজেদের ভাষাকে তারা চাকমা ভাষা হিসেবে পরিচয় দেয়।
চাকমা সমাজে বংশানুক্রমিক নেতৃত্বের ঐতিহ্য রয়েছে। চাকমাদের প্রধানকে রাজা নামে অভিহিত করা হয়।
চাকমাদের নববর্ষ ও বর্ষবরণ উৎসবের অন্যতম পরিচিত নাম বিজু। বাংলা নববর্ষের সময় এ উৎসব পালিত হয়।
চাকমা ভাষায় রচিত প্রথম উপন্যাস হিসেবে প্রদত্ত তথ্যে 'ফাবো'-র উল্লেখ রয়েছে।
চাকমারা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। নিজেদের ভাষাকে তারা চাকমা ভাষা হিসেবে পরিচয় দেয়।
চাকমা সমাজে বংশানুক্রমিক নেতৃত্বের ঐতিহ্য রয়েছে। চাকমাদের প্রধানকে রাজা নামে অভিহিত করা হয়।
চাকমাদের নববর্ষ ও বর্ষবরণ উৎসবের অন্যতম পরিচিত নাম বিজু। বাংলা নববর্ষের সময় এ উৎসব পালিত হয়।
চাকমা ভাষায় রচিত প্রথম উপন্যাস হিসেবে প্রদত্ত তথ্যে 'ফাবো'-র উল্লেখ রয়েছে।
মারমা জনগোষ্ঠী
Marma Community
মারমারা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখিত। পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি অঞ্চলে তাদের উল্লেখযোগ্য বসতি রয়েছে।
মারমারা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের নিজস্ব মারমা ভাষা রয়েছে।
মারমা সমাজে প্রধান বা নেতৃত্বের সঙ্গে 'বোমাং রাজা' নামটি বিশেষভাবে সম্পর্কিত।
মারমাদের বর্ষবরণ উৎসব সাংগ্রাই নামে পরিচিত। এটি তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব।
মারমারা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের নিজস্ব মারমা ভাষা রয়েছে।
মারমা সমাজে প্রধান বা নেতৃত্বের সঙ্গে 'বোমাং রাজা' নামটি বিশেষভাবে সম্পর্কিত।
মারমাদের বর্ষবরণ উৎসব সাংগ্রাই নামে পরিচিত। এটি তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব।
গারো জনগোষ্ঠী
Garo Community
গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান বসতি বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা অঞ্চলে। গারোদের নিজস্ব পরিচিতি 'আচিক মান্দে'। 'আচিক মান্দে' অর্থ পাহাড়ের মানুষ।
গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। পরিবার ও উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে নারীর গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে।
গারো ভাষার প্রধান রূপ হিসেবে আচিক এবং মান্দি ভাষার উল্লেখ রয়েছে।
গারোদের প্রধান ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক উৎসব ওয়ানগালা। এটি নবান্ন ও ফসল সংগ্রহের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। পরিবার ও উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে নারীর গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে।
গারো ভাষার প্রধান রূপ হিসেবে আচিক এবং মান্দি ভাষার উল্লেখ রয়েছে।
গারোদের প্রধান ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক উৎসব ওয়ানগালা। এটি নবান্ন ও ফসল সংগ্রহের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
খাসিয়া জনগোষ্ঠী
Khasi Community
খাসিয়াদের প্রধান বসতি সিলেট অঞ্চলে। তাদের গ্রাম বা বসতিকে পুঞ্জি বলা হয়।
খাসিয়া সমাজ মাতৃসূত্রীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। পরিবারের সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
খাসিয়াদের ভাষা মন-খেমের ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
তাদের প্রধান ধর্মীয় পরিচয়ের মধ্যে খ্রিস্টধর্মের উল্লেখ করা হয়েছে।
খাসিয়া সমাজ মাতৃসূত্রীয় বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত। পরিবারের সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
খাসিয়াদের ভাষা মন-খেমের ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
তাদের প্রধান ধর্মীয় পরিচয়ের মধ্যে খ্রিস্টধর্মের উল্লেখ করা হয়েছে।
সাঁওতাল জনগোষ্ঠী
Santal Community
সাঁওতালদের বসতি বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় বিস্তৃত। রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া অঞ্চলে তাদের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে।
সাঁওতালদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকৃতি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। বর্তমানে সাঁওতাল সমাজের একটি অংশ খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছে।
সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই। এছাড়া 'বাহা পরব' বা 'বাহা উৎসব' তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বসন্তকালীন উৎসব।
সাঁওতালদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় বিশ্বাস প্রকৃতি ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। বর্তমানে সাঁওতাল সমাজের একটি অংশ খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছে।
সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই। এছাড়া 'বাহা পরব' বা 'বাহা উৎসব' তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বসন্তকালীন উৎসব।
অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
Other Ethnic Communities
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও বহু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
হাজং — ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা অঞ্চলে
রাখাইন — পটুয়াখালী ও কক্সবাজার অঞ্চলে
মণিপুরী — সিলেট অঞ্চলে
পাঙন — মৌলভীবাজার অঞ্চলে
ম্রো — বান্দরবান অঞ্চলে
ত্রিপুরা — পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে
লুসাই — পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে
খুমি — বান্দরবান অঞ্চলে
চাক — বান্দরবান অঞ্চলে
তঞ্চঙ্গ্যা — রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি অঞ্চলে
রাখাইন জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম সাংগ্রাই হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাখাইনদের আরেক উৎসব জলকেলি। তাদের বড় ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা।
মণিপুরীদের অন্যতম প্রধান উৎসব রাসলীলা বা রাসনৃত্য। সিলেট অঞ্চলে মণিপুরীদের উল্লেখযোগ্য বসতি রয়েছে।
হাজং — ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা অঞ্চলে
রাখাইন — পটুয়াখালী ও কক্সবাজার অঞ্চলে
মণিপুরী — সিলেট অঞ্চলে
পাঙন — মৌলভীবাজার অঞ্চলে
ম্রো — বান্দরবান অঞ্চলে
ত্রিপুরা — পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে
লুসাই — পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে
খুমি — বান্দরবান অঞ্চলে
চাক — বান্দরবান অঞ্চলে
তঞ্চঙ্গ্যা — রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি অঞ্চলে
রাখাইন জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম সাংগ্রাই হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাখাইনদের আরেক উৎসব জলকেলি। তাদের বড় ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা।
মণিপুরীদের অন্যতম প্রধান উৎসব রাসলীলা বা রাসনৃত্য। সিলেট অঞ্চলে মণিপুরীদের উল্লেখযোগ্য বসতি রয়েছে।
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান উৎসব
Festivals of Ethnic Communities
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর উৎসব তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস, কৃষি, ঋতুচক্র ও সামাজিক জীবনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
চাকমা — বিজু
মারমা — সাংগ্রাই
ত্রিপুরা — বৈসুক
সাঁওতাল — সোহরাই ও বাহা উৎসব
গারো — ওয়ানগালা
মণিপুরী — রাসলীলা
রাখাইন — সাংগ্রাই ও জলকেলি
ত্রিপুরাদের বৈসুক, মারমাদের সাংগ্রাই এবং চাকমাদের বিজু—এই তিন জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবকে সম্মিলিতভাবে বৈসাবি নামে পরিচিত করা হয়।
চাকমা — বিজু
মারমা — সাংগ্রাই
ত্রিপুরা — বৈসুক
সাঁওতাল — সোহরাই ও বাহা উৎসব
গারো — ওয়ানগালা
মণিপুরী — রাসলীলা
রাখাইন — সাংগ্রাই ও জলকেলি
ত্রিপুরাদের বৈসুক, মারমাদের সাংগ্রাই এবং চাকমাদের বিজু—এই তিন জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবকে সম্মিলিতভাবে বৈসাবি নামে পরিচিত করা হয়।
জনশুমারি ও গৃহগণনা
Population and Housing Census
একটি দেশের নির্দিষ্ট সময়ে মোট জনসংখ্যা, পরিবারের সংখ্যা, বয়স, লিঙ্গ, শিক্ষা, বাসস্থান ও অন্যান্য জনমিতিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের বৃহৎ কার্যক্রমকে জনশুমারি ও গৃহগণনা বলা হয়।
বাংলাদেশে সাধারণত প্রায় ১০ বছর পরপর জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। 'আদমশুমারি' নামটি ২০১৩ সালে পরিবর্তন করে 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' করা হয়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা BBS জনশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠানটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন।
বাংলাদেশে সাধারণত প্রায় ১০ বছর পরপর জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। 'আদমশুমারি' নামটি ২০১৩ সালে পরিবর্তন করে 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' করা হয়।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা BBS জনশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালনা করে। প্রতিষ্ঠানটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন।
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা
Sixth Population and Housing Census
বাংলাদেশের ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি।
প্রদত্ত তথ্যে ষষ্ঠ জনশুমারি ২০২২ সালের ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত পরিচালিত হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জনশুমারিগুলোর বছর হিসেবে ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২ সালের উল্লেখ পাওয়া যায়।
প্রদত্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। পরবর্তী চূড়ান্ত হিসাবের সঙ্গে প্রাথমিক প্রতিবেদনের সংখ্যায় কিছু পার্থক্য রয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে ষষ্ঠ জনশুমারি ২০২২ সালের ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত পরিচালিত হওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জনশুমারিগুলোর বছর হিসেবে ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২ সালের উল্লেখ পাওয়া যায়।
প্রদত্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। পরবর্তী চূড়ান্ত হিসাবের সঙ্গে প্রাথমিক প্রতিবেদনের সংখ্যায় কিছু পার্থক্য রয়েছে।
জনসংখ্যাবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
Important Population Facts
ষষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রায় ১,১১৯ জন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রায় \(1.22\%\) এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রায় \(1.12\%\) উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার প্রায় \(74.80\%\)।
মোট জনসংখ্যার প্রায় \(68.34\%\) গ্রামে এবং প্রায় \(31.66\%\) শহরে বসবাস করে।
নারী ও পুরুষের অনুপাত প্রায় ১০০ : ৯৮ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
প্রতি খানায় গড় সদস্যের সংখ্যা প্রায় ৪ জন।
প্রাথমিক প্রতিবেদনে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার প্রায় \(1.22\%\) এবং চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রায় \(1.12\%\) উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার প্রায় \(74.80\%\)।
মোট জনসংখ্যার প্রায় \(68.34\%\) গ্রামে এবং প্রায় \(31.66\%\) শহরে বসবাস করে।
নারী ও পুরুষের অনুপাত প্রায় ১০০ : ৯৮ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে।
প্রতি খানায় গড় সদস্যের সংখ্যা প্রায় ৪ জন।
বিভাগ ও জেলাভিত্তিক জনসংখ্যা
Population Distribution by Division and District
জনসংখ্যার আকার
বৃহত্তম বিভাগ — ঢাকা বিভাগ
ক্ষুদ্রতম বিভাগ — বরিশাল বিভাগ
বৃহত্তম জেলা — ঢাকা জেলা
ক্ষুদ্রতম জেলা — বান্দরবান জেলা
জনসংখ্যার ঘনত্ব
সর্বাধিক ঘনত্বের বিভাগ — ঢাকা বিভাগ
সর্বনিম্ন ঘনত্বের বিভাগ — বরিশাল বিভাগ
সর্বাধিক ঘনত্বের জেলা — ঢাকা জেলা
সর্বনিম্ন ঘনত্বের জেলা — রাঙামাটি জেলা
বৃহত্তম বিভাগ — ঢাকা বিভাগ
ক্ষুদ্রতম বিভাগ — বরিশাল বিভাগ
বৃহত্তম জেলা — ঢাকা জেলা
ক্ষুদ্রতম জেলা — বান্দরবান জেলা
জনসংখ্যার ঘনত্ব
সর্বাধিক ঘনত্বের বিভাগ — ঢাকা বিভাগ
সর্বনিম্ন ঘনত্বের বিভাগ — বরিশাল বিভাগ
সর্বাধিক ঘনত্বের জেলা — ঢাকা জেলা
সর্বনিম্ন ঘনত্বের জেলা — রাঙামাটি জেলা
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার
সর্বাধিক বৃদ্ধির বিভাগ — ঢাকা বিভাগ
সর্বনিম্ন বৃদ্ধির বিভাগ — বরিশাল বিভাগ
সর্বাধিক বৃদ্ধির জেলা — গাজীপুর জেলা
সর্বনিম্ন বৃদ্ধির জেলা — ঝালকাঠি জেলা
সাক্ষরতা
সর্বাধিক সাক্ষরতার বিভাগ — ঢাকা বিভাগ
সর্বনিম্ন সাক্ষরতার বিভাগ — ময়মনসিংহ বিভাগ
সর্বাধিক বৃদ্ধির বিভাগ — ঢাকা বিভাগ
সর্বনিম্ন বৃদ্ধির বিভাগ — বরিশাল বিভাগ
সর্বাধিক বৃদ্ধির জেলা — গাজীপুর জেলা
সর্বনিম্ন বৃদ্ধির জেলা — ঝালকাঠি জেলা
সাক্ষরতা
সর্বাধিক সাক্ষরতার বিভাগ — ঢাকা বিভাগ
সর্বনিম্ন সাক্ষরতার বিভাগ — ময়মনসিংহ বিভাগ
সাক্ষরতার তথ্য
Literacy Information
ষষ্ঠ জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার প্রায় \(74.80\%\)। বিভাগ ও জেলার মধ্যে সাক্ষরতার হারে পার্থক্য রয়েছে।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে ঢাকা বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক এবং ময়মনসিংহ বিভাগে সর্বনিম্ন বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
জেলাভিত্তিক হিসাবে পিরোজপুরে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক এবং জামালপুরে সর্বনিম্ন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাক্ষরতার হার কোনো অঞ্চলের শিক্ষা সম্প্রসারণ, বিদ্যালয়ে অংশগ্রহণ এবং সামাজিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে ঢাকা বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক এবং ময়মনসিংহ বিভাগে সর্বনিম্ন বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
জেলাভিত্তিক হিসাবে পিরোজপুরে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক এবং জামালপুরে সর্বনিম্ন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সাক্ষরতার হার কোনো অঞ্চলের শিক্ষা সম্প্রসারণ, বিদ্যালয়ে অংশগ্রহণ এবং সামাজিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্রনগর বর্তমান বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
- কুমিল্লা
- নওগাঁ
- বগুড়া
- দিনাজপুর
- বর্তমান বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চল প্রাচীনকালে প্রধানত কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
- সমতট
- পুণ্ড্র
- বঙ্গ
- হরিকেল
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত সবচেয়ে বড় গণহত্যার স্থান হিসেবে কোন স্থানটি পরিচিত?
- আনন্দময়ী
- মোহাম্মদপুর বিররা পল্লী
- চুকনগর
- রাজারবাগ
- প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ কোনটি?
- পুণ্ড্র
- সমতট
- রাঢ়
- হরিকেল
- ‘বর্ধমান হাউজ’ কোথায় অবস্থিত?
- ঢাকা
- কলকাতা
- পশ্চিমবঙ্গ
- কুষ্টিয়া
- ঢাকার ধোলাইখাল খননের উদ্যোগ কার আমলে নেওয়া হয়েছিল?
- ইসলাম খান
- সরফরাজ খান
- মুর্শিদ কুলি খান
- ঈশা খান
- ইউনেস্কো কত সালে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
- ১৯৯৬ সালে
- ১৯৯৭ সালে
- ১৯৯৮ সালে
- ১৯৯৯ সালে
- ‘মনপুরা ’৭০’ কী ধরনের সৃষ্টিকর্ম?
- একটি উপজেলা
- একটি নদীবন্দর
- একটি উপন্যাস
- একটি চিত্রশিল্প
- প্রাচীন বাংলার গুরুত্বপূর্ণ নগর মহাস্থানগড় বর্তমান কোন জেলায় অবস্থিত?
- মুন্সিগঞ্জ
- কুমিল্লা
- বগুড়া
- ফরিদপুর
- মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
- কপোতাক্ষ
- যমুনা
- পদ্মা
- করতোয়া
- ‘মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা’ গানটির রচয়িতা কে?
- অতুলপ্রসাদ সেন
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- কাজী নজরুল ইসলাম
- কবি জসীমউদ্দীন
- বাংলাদেশে সাহিত্যক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পুরস্কার হিসেবে কোনটি পরিচিত?
- একুশে পদক
- স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার
- শিশু একাডেমি পুরস্কার
- ঐতিহাসিক ‘বরেন্দ্র’ অঞ্চল বলতে প্রধানত বাংলাদেশের কোন অংশকে বোঝানো হয়?
- পূর্ববঙ্গ
- পশ্চিমবঙ্গ
- উত্তরবঙ্গ
- দক্ষিণবঙ্গ
- বাংলা নববর্ষে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের ঐতিহাসিক সূচনা কোন শাসকের সময়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
- লক্ষ্মণ সেন
- ইলিয়াস শাহ
- সম্রাট আকবর
- বিজয় সেন
- বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে মণিপুরী নৃত্যের ঐতিহ্য বিশেষভাবে প্রচলিত?
- সিলেট
- ময়মনসিংহ
- রাজশাহী
- কুষ্টিয়া
- বাংলাদেশে ইউরেনিয়ামের প্রাকৃতিক উপস্থিতির নির্দেশনা কোন জেলায় পাওয়া গেছে?
- গাজীপুর
- নরসিংদী
- শেরপুর
- ময়মনসিংহ
- বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থাগার কোথায় অবস্থিত?
- শাহবাগ
- গুলিস্তান
- আগারগাঁও
- উত্তরা
- সোমপুর মহাবিহার প্রতিষ্ঠার সঙ্গে কোন পাল শাসকের নাম যুক্ত?
- দেবপাল
- ধর্মপাল
- শশাঙ্ক
- রাজা গোপাল
- প্রাচীন বাংলার সমতট জনপদ প্রধানত কোন অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল?
- কুমিল্লা ও বরিশাল
- কুমিল্লা ও নোয়াখালী
- ময়মনসিংহ ও নরসিংদী
- ময়মনসিংহ ও জামালপুর
- বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর সংগীত পরিচালনা কে করেছিলেন?
- সমর দাস
- গাজী মাজহারুল আনোয়ার
- খান আতাউর রহমান
- সুবল দাস
- ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসংগীত?
- কুমিল্লা
- বগুড়া
- ময়মনসিংহ
- ফরিদপুর
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
- ঢাকা
- বেইজিং
- নিউইয়র্ক
- প্যারিস
- ‘শাবাশ বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটির শিল্পী কে?
- হামিদুজ্জামান খান
- মৃণাল সেন
- শামীম শিকদার
- নিতুন কুণ্ডু
- বাংলা একাডেমি কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
- ১৯৪৮ সালে
- ১৯৫২ সালে
- ১৯৫৫ সালে
- ১৯৬৬ সালে
- সোমপুর মহাবিহারের প্রতিষ্ঠাতা কে?
- হেমন্ত সেন
- ধর্মপাল
- গোপাল
- শশাঙ্ক
- ‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটির শিল্পী কে?
- আবদুল্লাহ খালিদ
- হামিদুজ্জামান খান
- শামীম শিকদার
- আবু জাফর
- সোমপুর মহাবিহার বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
- নওগাঁ
- সোনারগাঁও
- সাতগাঁও
- মহাস্থানগড়
- তারেক মাসুদের জঙ্গিবাদ ও তার সামাজিক প্রভাববিষয়ক চলচ্চিত্র কোনটি?
- মাটির ময়না
- রানওয়ে
- মুক্তির গান
- নরসুন্দর
- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
- হামিদুর রহমান
- শামীম শিকদার
- মাইনুল হোসেন
- কামরুল হাসান
- বাংলাদেশের প্রথম সড়ক টানেলের মোট দৈর্ঘ্য কত?
- ২.৪৫ কিলোমিটার
- ৩.৩২ কিলোমিটার
- ৩.৪০ কিলোমিটার
- ৩.৪৩ কিলোমিটার
- বাংলাদেশের প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দরটি প্রথমে কোন স্থানে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছিল?
- সন্দ্বীপ
- হাতিয়া
- মনপুরা
- সোনাদিয়া
- ‘হাতিরঝিল’ এলাকার নকশা ও পরিকল্পনার সঙ্গে কোন স্থপতির নাম যুক্ত?
- শিল্পী হামিদুজ্জামান খান
- নিতুন কুণ্ডু
- স্থপতি এহসান খান
- শামীম শিকদার
- বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য বর্তমানে কোন এলাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পথে রয়েছে?
- কুতুবদিয়া
- হাতিয়া
- মংলা
- সোনাদিয়া
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংখ্যার দিক থেকে কোন জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বড়?
- চাকমা
- সাঁওতাল
- গারো
- মারমা
- ২০১২ সালের \(UNICEF\)-এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুর প্রতি হাজারে মৃত্যুর হার কত ছিল?
- ৪০ জন
- ৪৬ জন
- ৪৯ জন
- ৫১ জন
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের দৈর্ঘ্য কত?
- ৩.৩০ কিলোমিটার
- ৩.৩১ কিলোমিটার
- ৩.৩২ কিলোমিটার
- ৩.৩৩ কিলোমিটার
- বঙ্গবন্ধু সেতুতে নিয়মিত যানবাহন চলাচল কোন সালে শুরু হয়?
- ১৯৯৮ সালে
- ১৯৯৭ সালে
- ২০০০ সালে
- ১৯৯৯ সালে
- ২০১০ সালে বাংলাদেশ বিমানের ঢাকা থেকে প্রথম হজ ফ্লাইট কোন তারিখে যাত্রা শুরু করেছিল?
- ৯-১০-২০১০
- ৮-১০-২০১০
- ৭-১০-২০১০
- ৬-১০-২০১০
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি কোন সালে অনুষ্ঠিত হয়?
- ১৯৭২ সালে
- ১৯৭৩ সালে
- ১৯৭৪ সালে
- ১৯৮১ সালে
- ‘ওয়াংগালা’ কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী উৎসব?
- তুর্কিদের
- গারোদের
- চাকমাদের
- মারমাদের
- বাংলাদেশে চাকমা জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বেশি মানুষ কোন জেলায় বসবাস করে?
- রাঙামাটি জেলায়
- খাগড়াছড়ি জেলায়
- বান্দরবান জেলায়
- সিলেট জেলায়
- নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী প্রধানত ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করে?
- রাখাইন
- মারমা
- পাঙন
- খিয়াং
- পঞ্চম আদমশুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম ছিল কোন বিভাগে?
- ঢাকা
- কুমিল্লা
- বরিশাল
- সিলেট
- গারো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামোয় প্রধান ভূমিকা সাধারণত কার?
- বাবার
- মায়ের
- প্রবীণ ব্যক্তির
- বড় ভাইয়ের
- প্রশ্নে উল্লিখিত হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
- ১.৩২ শতাংশ
- ১.৩৩ শতাংশ
- ১.৩৪ শতাংশ
- ১.৪০ শতাংশ
- নিচের কোন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়?
- মাওরি
- সাঁওতাল
- মুরং
- গারো
- বাংলাদেশের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তিত বর্তমান নাম কোনটি?
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
- পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
- সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়
- পরিবহন ও সড়ক মন্ত্রণালয়
- প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনার তথ্য অনুযায়ী দেশে মোট উপজেলা কতটি?
- ৪৮০টি
- ৪৯৮টি
- ৪৯০টি
- ৪৯৫টি
- নিচের কোন জেলায় জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম?
- পটুয়াখালী
- খাগড়াছড়ি
- রাঙামাটি
- বান্দরবান