রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সংবিধান, সরকার, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার — NTRCA school-level
রাষ্ট্র, নাগরিকতা, সংবিধান, সরকার, জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকার: সাধারণ জ্ঞান, NTRCA school-level পাঠ ও 30টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/1।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের উপাদান
- নাগরিক ও সুনাগরিক
- বাংলাদেশের সংবিধান
- সংবিধান প্রণয়ন ও কার্যকারিতা
- সংবিধানের বৈশিষ্ট্য
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
- মৌলিক অধিকার
- সংবিধান সংশোধন
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা
- রাষ্ট্রপতি
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা
- বিচার বিভাগ ও সুপ্রিম কোর্ট
- জাতীয় সংসদ
- সংসদের অধিবেশন
- নির্বাচন কমিশন
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
- সাংবিধানিক পদ
- শপথ গ্রহণ
- স্থানীয় সরকার
- ইউনিয়ন পরিষদ
- বহুনির্বাচনী প্রশ্নত্তর
রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের উপাদান
State and Its Elements
রাষ্ট্র হলো একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর এমন রাজনৈতিক সংগঠন, যেখানে একটি সরকার কার্যকর থাকে এবং রাষ্ট্রটি সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
রাষ্ট্র গঠনের চারটি মৌলিক উপাদান হলো—
১। জনসমষ্টি
২। নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
৩। সরকার
৪। সার্বভৌমত্ব
এই চারটির মধ্যে সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রের অন্যতম বিশেষ বৈশিষ্ট্য। সার্বভৌমত্বের মাধ্যমে রাষ্ট্র নিজের ভূখণ্ডের ভেতরে সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব প্রয়োগ করে এবং বহির্বিশ্বে স্বাধীন সত্তা হিসেবে অবস্থান করে।
রাষ্ট্র ও সরকারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। রাষ্ট্র একটি স্থায়ী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, আর সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যকর যন্ত্র বা কাঠামো। সরকার পরিবর্তিত হতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের অস্তিত্ব অব্যাহত থাকে।
রাষ্ট্র গঠনের চারটি মৌলিক উপাদান হলো—
১। জনসমষ্টি
২। নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
৩। সরকার
৪। সার্বভৌমত্ব
এই চারটির মধ্যে সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রের অন্যতম বিশেষ বৈশিষ্ট্য। সার্বভৌমত্বের মাধ্যমে রাষ্ট্র নিজের ভূখণ্ডের ভেতরে সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব প্রয়োগ করে এবং বহির্বিশ্বে স্বাধীন সত্তা হিসেবে অবস্থান করে।
রাষ্ট্র ও সরকারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। রাষ্ট্র একটি স্থায়ী রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, আর সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যকর যন্ত্র বা কাঠামো। সরকার পরিবর্তিত হতে পারে, কিন্তু রাষ্ট্রের অস্তিত্ব অব্যাহত থাকে।
নাগরিক ও সুনাগরিক
Citizen and Good Citizenship
যে ব্যক্তি কোনো রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করে, রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে, রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে এবং রাষ্ট্রের প্রতি নির্ধারিত কর্তব্য পালন করে তাকে নাগরিক বলা হয়।
একজন সুনাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ গুণের মধ্যে বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেক-বিচার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
নাগরিকের প্রধান কর্তব্যের মধ্যে রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা, রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখা, নিয়মিত কর প্রদান, দেশের স্বার্থ রক্ষা এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন অন্তর্ভুক্ত।
একজন সুনাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ গুণের মধ্যে বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেক-বিচার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
নাগরিকের প্রধান কর্তব্যের মধ্যে রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা, রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখা, নিয়মিত কর প্রদান, দেশের স্বার্থ রক্ষা এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন অন্তর্ভুক্ত।
বাংলাদেশের সংবিধান
Constitution of Bangladesh
সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক আইন। বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। দেশের সর্বোচ্চ আইন হিসেবে সংবিধান রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গ, নাগরিক অধিকার, সরকারের ক্ষমতা ও রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
বাংলাদেশের সংবিধানের মূল পাঠ বাংলা ও ইংরেজি—এই দুই ভাষায় রয়েছে।
প্রদত্ত পাঠ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, ১১টি ভাগ এবং ৭টি তফসিল রয়েছে।
সংবিধানের সঙ্গে রাষ্ট্রের আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও দায়িত্ব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
বাংলাদেশের সংবিধানের মূল পাঠ বাংলা ও ইংরেজি—এই দুই ভাষায় রয়েছে।
প্রদত্ত পাঠ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, ১১টি ভাগ এবং ৭টি তফসিল রয়েছে।
সংবিধানের সঙ্গে রাষ্ট্রের আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও দায়িত্ব ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
সংবিধান প্রণয়ন ও কার্যকারিতা
Making of the Constitution
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রের জন্য সংবিধান প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১০ এপ্রিল ১৯৭২।
সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যের একটি খসড়া প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন। প্রদত্ত তথ্যে বেগম রাজিয়া বানুকে কমিটির একমাত্র নারী সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় ৪ নভেম্বর ১৯৭২। এ কারণে ৪ নভেম্বরকে সংবিধান দিবস হিসেবে স্মরণ করা হয়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যের একটি খসড়া প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন। প্রদত্ত তথ্যে বেগম রাজিয়া বানুকে কমিটির একমাত্র নারী সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় ৪ নভেম্বর ১৯৭২। এ কারণে ৪ নভেম্বরকে সংবিধান দিবস হিসেবে স্মরণ করা হয়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য
Features of the Constitution
বাংলাদেশের সংবিধান লিখিত সংবিধান। এটি রাষ্ট্রের মৌলিক আইন হিসেবে আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের ক্ষমতা ও সীমা নির্ধারণ করে।
সংবিধানে জনগণের সার্বভৌমত্ব, গণতান্ত্রিক শাসন, নাগরিক অধিকার, আইনের শাসন, মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে জনগণের ক্ষমতা ও সংবিধানের সর্বোচ্চতার ধারণা প্রতিফলিত হয়েছে।
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির উল্লেখ রয়েছে সংবিধানের ৮ নং অনুচ্ছেদে।
সংবিধানে জনগণের সার্বভৌমত্ব, গণতান্ত্রিক শাসন, নাগরিক অধিকার, আইনের শাসন, মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিমালা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে জনগণের ক্ষমতা ও সংবিধানের সর্বোচ্চতার ধারণা প্রতিফলিত হয়েছে।
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির উল্লেখ রয়েছে সংবিধানের ৮ নং অনুচ্ছেদে।
রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
Fundamental Principles of State Policy
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মৌলিক মূলনীতির উল্লেখ রয়েছে। এগুলো হলো—
১। জাতীয়তাবাদ
২। সমাজতন্ত্র
৩। গণতন্ত্র
৪। ধর্মনিরপেক্ষতা
এই মূলনীতিগুলো রাষ্ট্র পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণের মৌলিক দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত।
প্রদত্ত তথ্যে ১৯৭৮ সালে ধর্মনিরপেক্ষতার স্থলে পরিবর্তিত ধারণা যুক্ত হওয়ার এবং ১৯৭৯ সালের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে তা সাংবিধানিক রূপ পাওয়ার উল্লেখ রয়েছে।
১। জাতীয়তাবাদ
২। সমাজতন্ত্র
৩। গণতন্ত্র
৪। ধর্মনিরপেক্ষতা
এই মূলনীতিগুলো রাষ্ট্র পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণের মৌলিক দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত।
প্রদত্ত তথ্যে ১৯৭৮ সালে ধর্মনিরপেক্ষতার স্থলে পরিবর্তিত ধারণা যুক্ত হওয়ার এবং ১৯৭৯ সালের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে তা সাংবিধানিক রূপ পাওয়ার উল্লেখ রয়েছে।
মৌলিক অধিকার
Fundamental Rights
সংবিধান নাগরিকদের বিভিন্ন মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করেছে। এসব অধিকার নাগরিকের স্বাধীনতা, সমতা, মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
আইনের দৃষ্টিতে সমতা ও আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকার ২৭ নং অনুচ্ছেদের সঙ্গে সম্পর্কিত।
রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের বিষয়টি ২৮ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সম্পর্কিত। সরকারি নিয়োগে সুযোগের সমতা ২৯ নং অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে।
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার কথা ৩৯ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে। একই অনুচ্ছেদে বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত।
পেশা ও বৃত্তির স্বাধীনতা ৪০ নং অনুচ্ছেদের সঙ্গে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ৪১ নং অনুচ্ছেদের সঙ্গে সম্পর্কিত।
আইনের দৃষ্টিতে সমতা ও আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকার ২৭ নং অনুচ্ছেদের সঙ্গে সম্পর্কিত।
রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী ও পুরুষের সমান অধিকারের বিষয়টি ২৮ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সম্পর্কিত। সরকারি নিয়োগে সুযোগের সমতা ২৯ নং অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে।
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার কথা ৩৯ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে। একই অনুচ্ছেদে বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত।
পেশা ও বৃত্তির স্বাধীনতা ৪০ নং অনুচ্ছেদের সঙ্গে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ৪১ নং অনুচ্ছেদের সঙ্গে সম্পর্কিত।
সংবিধান সংশোধন
Constitutional Amendments
রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশের সংবিধান বিভিন্ন সময়ে সংশোধন করা হয়েছে। প্রদত্ত পৃষ্ঠার তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালের ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত সংবিধান মোট ১৭ বার সংশোধিত হওয়ার উল্লেখ রয়েছে।
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় সংসদীয় ব্যবস্থা পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছিল।
পরবর্তীতে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আবার সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যুক্ত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সেই ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
পঞ্চম সংশোধনীও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী হিসেবে উল্লেখিত।
সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় সংসদীয় ব্যবস্থা পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছিল।
পরবর্তীতে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আবার সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের তথ্য দেওয়া হয়েছে।
ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা যুক্ত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সেই ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
পঞ্চম সংশোধনীও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী হিসেবে উল্লেখিত।
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা
Government System of Bangladesh
বাংলাদেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত। রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি এবং সরকারপ্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের দৈনন্দিন নির্বাহী কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার বিবেচনায় রাষ্ট্রপতি সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে অবস্থান করেন।
সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের দৈনন্দিন নির্বাহী কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদার বিবেচনায় রাষ্ট্রপতি সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে অবস্থান করেন।
রাষ্ট্রপতি
President of Bangladesh
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান। সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। রাষ্ট্রপতির কার্যকাল দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর।
একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেন। তবে প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির স্বতন্ত্র সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ রাষ্ট্রপতি প্রদান করেন। অ্যাটর্নি জেনারেলকেও রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে স্পিকারের উদ্দেশে পদত্যাগপত্র প্রদান করেন।
একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেন। তবে প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির স্বতন্ত্র সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ রাষ্ট্রপতি প্রদান করেন। অ্যাটর্নি জেনারেলকেও রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে স্পিকারের উদ্দেশে পদত্যাগপত্র প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা
Prime Minister and Cabinet
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারপ্রধান। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সরকারের নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা কেন্দ্রীয়।
প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের সাংবিধানিক ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীকে সহায়তা করার জন্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকতে পারেন। মন্ত্রিসভা সম্মিলিতভাবে সংসদের কাছে দায়বদ্ধ।
রাষ্ট্রের প্রশাসনিক নীতিনির্ধারণ ও সরকারের কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের সাংবিধানিক ব্যবস্থা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীকে সহায়তা করার জন্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী থাকতে পারেন। মন্ত্রিসভা সম্মিলিতভাবে সংসদের কাছে দায়বদ্ধ।
রাষ্ট্রের প্রশাসনিক নীতিনির্ধারণ ও সরকারের কার্যক্রম বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিচার বিভাগ ও সুপ্রিম কোর্ট
Judiciary and Supreme Court
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট। এটি দুটি বিভাগ নিয়ে গঠিত—
১। আপিল বিভাগ
২। হাইকোর্ট বিভাগ
প্রধান বিচারপতি দেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত থাকেন। প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
প্রদত্ত তথ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার নীতির উল্লেখ রয়েছে। প্রদত্ত তথ্যে ১ নভেম্বর ২০০৭ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
১। আপিল বিভাগ
২। হাইকোর্ট বিভাগ
প্রধান বিচারপতি দেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদে অধিষ্ঠিত থাকেন। প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
প্রদত্ত তথ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৭ বছর পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার নীতির উল্লেখ রয়েছে। প্রদত্ত তথ্যে ১ নভেম্বর ২০০৭ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
জাতীয় সংসদ
Jatiya Sangsad
বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত। এটি এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা। সংসদের সভাপতি হলেন স্পিকার।
জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি। এর মধ্যে ৩০০টি সাধারণ নির্বাচিত আসন এবং ৫০টি নারী সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত আসন।
প্রদত্ত তথ্যে জাতীয় সংসদ ভবনের ১ নং আসন পঞ্চগড়-১ এবং ৩০০ নং আসন বান্দরবান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি ছিলেন মার্কিন স্থপতি লুই আই কান। সংসদ ভবনের উচ্চতা প্রায় ১৫৫ ফুট এবং কমপ্লেক্সের আয়তন প্রায় ২১৫ একর বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণকাজ ১৯৬৫ সালে শুরু এবং ভবনটির উদ্বোধন ১৯৮২ সালে করা হয়। উদ্বোধনের পর একই বছর নতুন ভবনে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে।
জাতীয় সংসদের প্রতীক হিসেবে শাপলা ফুল ব্যবহৃত হয়।
জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি। এর মধ্যে ৩০০টি সাধারণ নির্বাচিত আসন এবং ৫০টি নারী সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত আসন।
প্রদত্ত তথ্যে জাতীয় সংসদ ভবনের ১ নং আসন পঞ্চগড়-১ এবং ৩০০ নং আসন বান্দরবান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি ছিলেন মার্কিন স্থপতি লুই আই কান। সংসদ ভবনের উচ্চতা প্রায় ১৫৫ ফুট এবং কমপ্লেক্সের আয়তন প্রায় ২১৫ একর বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণকাজ ১৯৬৫ সালে শুরু এবং ভবনটির উদ্বোধন ১৯৮২ সালে করা হয়। উদ্বোধনের পর একই বছর নতুন ভবনে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে।
জাতীয় সংসদের প্রতীক হিসেবে শাপলা ফুল ব্যবহৃত হয়।
সংসদের অধিবেশন
Parliamentary Sessions
জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি। সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে হয়।
সংসদের একটি অধিবেশন শেষ হওয়া এবং পরবর্তী অধিবেশন শুরু হওয়ার মধ্যে ৬০ দিনের বেশি বিরতি না রাখার বিধানের উল্লেখ রয়েছে।
সংসদের অধিবেশন শেষ হওয়ার পর আবার অধিবেশন আহ্বানের ক্ষেত্রেও ৬০ দিনের সময়সীমার কথা পাঠ্যে দেওয়া হয়েছে।
সংসদের কোরাম পূর্ণ হওয়ার জন্য ৬০ জন সংসদ সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
কোনো সদস্য একটানা ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তার সদস্যপদ সম্পর্কিত সাংবিধানিক ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।
সংসদ ভেঙে গেলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধানের কথাও প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
স্পিকার সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্রে Casting Vote বা নির্ণায়ক ভোট প্রয়োগ করতে পারেন।
সংসদের একটি অধিবেশন শেষ হওয়া এবং পরবর্তী অধিবেশন শুরু হওয়ার মধ্যে ৬০ দিনের বেশি বিরতি না রাখার বিধানের উল্লেখ রয়েছে।
সংসদের অধিবেশন শেষ হওয়ার পর আবার অধিবেশন আহ্বানের ক্ষেত্রেও ৬০ দিনের সময়সীমার কথা পাঠ্যে দেওয়া হয়েছে।
সংসদের কোরাম পূর্ণ হওয়ার জন্য ৬০ জন সংসদ সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
কোনো সদস্য একটানা ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তার সদস্যপদ সম্পর্কিত সাংবিধানিক ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।
সংসদ ভেঙে গেলে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধানের কথাও প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
স্পিকার সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্রে Casting Vote বা নির্ণায়ক ভোট প্রয়োগ করতে পারেন।
নির্বাচন কমিশন
Election Commission of Bangladesh
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। নির্বাচন আয়োজন, ভোটার তালিকা প্রস্তুত এবং নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণসহ বিভিন্ন নির্বাচনী দায়িত্ব এ প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত।
সংবিধানের ১১৮ থেকে ১২৬ নং অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনের গঠন, দায়িত্ব ও ক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
নির্বাচন কমিশনের প্রধান হলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
প্রদত্ত পৃষ্ঠায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বিচারপতি এম. ইদ্রিসের নাম উল্লেখ রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সামগ্রিক দায়িত্ব পালনে নির্বাহী কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে হয়।
সংবিধানের ১১৮ থেকে ১২৬ নং অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনের গঠন, দায়িত্ব ও ক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
নির্বাচন কমিশনের প্রধান হলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
প্রদত্ত পৃষ্ঠায় বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে বিচারপতি এম. ইদ্রিসের নাম উল্লেখ রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সামগ্রিক দায়িত্ব পালনে নির্বাহী কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে হয়।
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
Constitutional Institutions
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হলো—
১। আইন বিভাগ
২। শাসন বা নির্বাহী বিভাগ
৩। বিচার বিভাগ
৪। নির্বাচন কমিশন
৫। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়
৬। সরকারি কর্ম কমিশন
এসব প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন, প্রশাসন, বিচার, নির্বাচন, সরকারি হিসাব নিরীক্ষা এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগের বিভিন্ন সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে।
১। আইন বিভাগ
২। শাসন বা নির্বাহী বিভাগ
৩। বিচার বিভাগ
৪। নির্বাচন কমিশন
৫। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়
৬। সরকারি কর্ম কমিশন
এসব প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন, প্রশাসন, বিচার, নির্বাচন, সরকারি হিসাব নিরীক্ষা এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োগের বিভিন্ন সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করে।
সাংবিধানিক পদ
Constitutional Offices
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ রয়েছে। প্রদত্ত তথ্যে নয় ধরনের সাংবিধানিক পদের উল্লেখ রয়েছে।
১। রাষ্ট্রপতি
২। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী
৩। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার
৪। সংসদ সদস্য
৫। প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারক
৬। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার
৭। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
৮। সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য
৯। অ্যাটর্নি জেনারেল
১। রাষ্ট্রপতি
২। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী
৩। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার
৪। সংসদ সদস্য
৫। প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারক
৬। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার
৭। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
৮। সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য
৯। অ্যাটর্নি জেনারেল
রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের শপথ
Oath of Constitutional Office Holders
বাংলাদেশের বিভিন্ন সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব গ্রহণের আগে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের কাছে শপথ গ্রহণ করতে হয়।
রাষ্ট্রপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার।
স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার।
প্রধান বিচারপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের শপথ গ্রহণের ক্ষেত্রেও প্রধান বিচারপতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
এক নজরে রাষ্ট্রপতি যাদের শপথ পাঠ করান—
স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি।
এক নজরে স্পিকার যাদের শপথ পাঠ করান—
রাষ্ট্রপতি ও সংসদ সদস্য।
রাষ্ট্রপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার।
স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান স্পিকার।
প্রধান বিচারপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের শপথ গ্রহণের ক্ষেত্রেও প্রধান বিচারপতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
এক নজরে রাষ্ট্রপতি যাদের শপথ পাঠ করান—
স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি।
এক নজরে স্পিকার যাদের শপথ পাঠ করান—
রাষ্ট্রপতি ও সংসদ সদস্য।
স্থানীয় সরকার
Local Government of Bangladesh
কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে স্থানীয় পর্যায়ে নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের প্রয়োজন পূরণ, স্থানীয় উন্নয়ন ও সীমিত প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য যে প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করে সেগুলো স্থানীয় সরকার হিসেবে পরিচিত।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ নং অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার-সংক্রান্ত বিধানের উল্লেখ রয়েছে।
গ্রামীণ স্থানীয় সরকার কাঠামোকে সাধারণভাবে তিন স্তরে ব্যাখ্যা করা হয়—
১। জেলা পরিষদ
২। উপজেলা পরিষদ
৩। ইউনিয়ন পরিষদ
এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ গ্রামীণ স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক স্তর এবং জেলা পরিষদ সর্বোচ্চ স্তর।
শহর এলাকায় সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ ও ৬০ নং অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার-সংক্রান্ত বিধানের উল্লেখ রয়েছে।
গ্রামীণ স্থানীয় সরকার কাঠামোকে সাধারণভাবে তিন স্তরে ব্যাখ্যা করা হয়—
১। জেলা পরিষদ
২। উপজেলা পরিষদ
৩। ইউনিয়ন পরিষদ
এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ গ্রামীণ স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন প্রশাসনিক স্তর এবং জেলা পরিষদ সর্বোচ্চ স্তর।
শহর এলাকায় সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে।
ইউনিয়ন পরিষদ
Union Parishad
ইউনিয়ন পরিষদ বাংলাদেশের গ্রামীণ স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর। এটি স্থানীয় পর্যায়ে নাগরিক সেবা, উন্নয়ন কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কাজে অংশ নেয়।
প্রদত্ত তথ্যে একটি ইউনিয়ন পরিষদ মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এর কাঠামো হলো—
১ জন চেয়ারম্যান
৯ জন সাধারণ সদস্য
৩ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য
ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান হলেন চেয়ারম্যান।
উপজেলা পরিষদের প্রধানও চেয়ারম্যান নামে পরিচিত। উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮ সালে পাস এবং ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তথ্য প্রদত্ত পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে।
দেশের থানা পর্যায়কে উপজেলা হিসেবে পুনর্গঠনের ইতিহাসও বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত।
প্রদত্ত তথ্যে একটি ইউনিয়ন পরিষদ মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এর কাঠামো হলো—
১ জন চেয়ারম্যান
৯ জন সাধারণ সদস্য
৩ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য
ইউনিয়ন পরিষদের প্রধান হলেন চেয়ারম্যান।
উপজেলা পরিষদের প্রধানও চেয়ারম্যান নামে পরিচিত। উপজেলা পরিষদ আইন ১৯৯৮ সালে পাস এবং ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তথ্য প্রদত্ত পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে।
দেশের থানা পর্যায়কে উপজেলা হিসেবে পুনর্গঠনের ইতিহাসও বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- বাংলাদেশে জাতীয় সংবিধান দিবস কোন তারিখে পালিত হয়?
- ৩ ডিসেম্বর
- ৩ নভেম্বর
- ৪ ডিসেম্বর
- ৪ নভেম্বর
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য কে ছিলেন?
- ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম
- বেগম রাজিয়া বানু
- বেগম মতিয়া চৌধুরী
- বেগম সুফিয়া কামাল
- বাংলাদেশের সংবিধান মূলত কয়টি ভাষায় রচিত?
- ১টি
- ২টি
- ৩টি
- ৪টি
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সাধারণ ও সংরক্ষিত আসন মিলিয়ে মোট সদস্য সংখ্যা কত?
- ৩৩০
- ৩৪০
- ৩৫০
- ৩৬০
- বাংলাদেশের গ্রামীণ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন প্রশাসনিক স্তর কোনটি?
- জেলা পরিষদ
- উপজেলা পরিষদ
- ইউনিয়ন পরিষদ
- গ্রাম পরিষদ
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে কে দায়িত্ব পালন করেন?
- আইনমন্ত্রী
- অ্যাটর্নি জেনারেল
- প্রধান বিচারপতি
- জাতীয় সংসদ
- ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাচন কোন তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
- ২৬ এপ্রিল
- ২৭ এপ্রিল
- ২৮ এপ্রিল
- ৩০ এপ্রিল
- মো. আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় প্রচলিত গণনায় বাংলাদেশের কততম রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখিত ছিলেন?
- ১৮তম
- ১৯তম
- ২০তম
- ২১তম
- প্রশ্নের মুদ্রিত বিকল্প অনুযায়ী বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ক্রমিক অবস্থান কোনটি?
- ১১তম
- ১২তম
- ১০তম
- ১৩তম
- একজন নাগরিকের মৌলিক কর্তব্য হিসেবে নিচের কোনটি গণ্য হয়?
- রাষ্ট্রের সেবা করা
- রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা
- নিয়মিত কর প্রদান করা
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করা
- নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকারের অংশ নয়?
- পৌরসভা
- পল্লী বিদ্যুৎ
- সিটি করপোরেশন
- উপজেলা পরিষদ
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান কে?
- প্রধান বিচারপতি
- প্রধানমন্ত্রী
- স্পিকার
- চিফ হুইপ
- বাংলাদেশের সর্বশেষ প্রতিষ্ঠিত সিটি করপোরেশন হিসেবে উৎসে কোনটির নাম দেওয়া হয়েছে?
- সিলেট
- ময়মনসিংহ
- কুমিল্লা
- নোয়াখালী
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বানের সাংবিধানিক দায়িত্ব কার?
- স্পিকারের
- প্রধানমন্ত্রীর
- রাষ্ট্রপতির
- বিরোধীদলীয় নেতার
- মো. আবদুল হামিদকে প্রশ্নটির উৎসে বাংলাদেশের কততম রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে?
- ১৯তম
- ২০তম
- ২১তম
- ২২তম
- বাংলাদেশের সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি কয়টি?
- ২টি
- ৩টি
- ৪টি
- ৬টি
- প্রশ্নের সংশ্লিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংবিধান কতবার সংশোধিত হয়েছিল?
- ১১ বার
- ১৫ বার
- ১৩ বার
- ১৭ বার
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আনুষ্ঠানিকভাবে আহ্বান করার ক্ষমতা কার?
- প্রধানমন্ত্রীর
- স্পিকারের
- রাষ্ট্রপতির
- প্রধান বিচারপতির
- রাষ্ট্রের মৌলিক উপাদানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে কোনটিকে ধরা হয়?
- নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
- জনসংখ্যা
- সরকার
- সার্বভৌমত্ব
- বাংলাদেশের সংবিধানে ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’ কথাটি কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
- অনুচ্ছেদ ৭
- অনুচ্ছেদ ৫
- অনুচ্ছেদ ৩
- অনুচ্ছেদ ১৩
- একাদশ জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশন কোন তারিখে শুরু হয়েছিল?
- ১৯ অক্টোবর ২০২৩
- ২০ অক্টোবর ২০২৩
- ২২ অক্টোবর ২০২৩
- ৩০ অক্টোবর ২০২৩
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি তফসিল রয়েছে?
- ৪টি
- ৫টি
- ৬টি
- ৭টি
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদের মূল বিষয় কোনটি?
- জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
- সুযোগের সমতা
- জাতীয় সংস্কৃতি
- মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ১৩০
- ১৩১
- ১৩৭
- ১৩৮
- বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক কে?
- সেনাবাহিনী প্রধান
- প্রতিরক্ষামন্ত্রী
- প্রধানমন্ত্রী
- রাষ্ট্রপতি
- সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদে প্রধানত কোন অধিকারের কথা বলা হয়েছে?
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান
- রাষ্ট্র ও জনজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার
- সকল নাগরিকের চাকরি লাভের সুযোগ
- জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কয়টি তারকা রয়েছে?
- ৪টি
- ৫টি
- ৬টি
- ২টি
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট অনুচ্ছেদের সংখ্যা কত?
- ১৪৮টি
- ১৫০টি
- ১৫২টি
- ১৫৩টি
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক নীতির সংখ্যা কত?
- ৫টি
- ১২টি
- ৪টি
- ৮টি
- প্রশ্নটির প্রকাশকালীন ভাষ্যে মো. আবদুল হামিদকে বাংলাদেশের কততম রাষ্ট্রপতি বলা হয়েছে?
- ১৬তম
- ১৭তম
- ২০তম
- ১৯তম