বিশ্ব ভৌগোলিক পরিচিতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ — NTRCA school-level
বিশ্ব ভৌগোলিক পরিচিতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ: সাধারণ জ্ঞান, NTRCA school-level পাঠ ও 31টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/1।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- বিশ্ব ভৌগোলিক পরিচিতি
- মহাদেশসমূহ
- এশিয়া মহাদেশ
- ইউরোপ মহাদেশ
- আফ্রিকা মহাদেশ
- উত্তর আমেরিকা
- দক্ষিণ আমেরিকা
- ওশেনিয়া
- বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক রেকর্ড
- বিশ্বের ভৌগোলিক উপনাম
- গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও শহর
- গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সীমারেখা
- আবহাওয়া ও জলবায়ু
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান
- জলবায়ুর নিয়ামক
- জলবায়ু পরিবর্তন
- UNEP
- IPCC
- UNFCCC
- COP
- V-20 ও Green Climate Fund
- গ্রিনহাউস গ্যাস ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
- বাংলাদেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধরন
- বাংলাদেশের দুর্যোগপ্রবণতা
- বহুনির্বাচনী প্রশ্নত্তর
বিশ্ব ভৌগোলিক পরিচিতি
Introduction to World Geography
বিশ্বের ভূগোল অধ্যয়নে মহাদেশ, দেশ, পর্বত, নদী, সাগর-মহাসাগর, মরুভূমি, দ্বীপ, সীমারেখা এবং গুরুত্বপূর্ণ নগর ও ভৌগোলিক উপনাম বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া। আয়তনে ক্ষুদ্রতম মহাদেশ অস্ট্রেলিয়া বা ওশেনিয়া অঞ্চল।
বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া এবং জনসংখ্যার বিচারে বৃহৎ দেশগুলোর মধ্যে ভারত অন্যতম।
বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র ভ্যাটিকান সিটি। এটি আয়তন ও জনসংখ্যা—উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত ক্ষুদ্র রাষ্ট্র।
আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া। আয়তনে ক্ষুদ্রতম মহাদেশ অস্ট্রেলিয়া বা ওশেনিয়া অঞ্চল।
বিশ্বের বৃহত্তম দেশ রাশিয়া এবং জনসংখ্যার বিচারে বৃহৎ দেশগুলোর মধ্যে ভারত অন্যতম।
বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র ভ্যাটিকান সিটি। এটি আয়তন ও জনসংখ্যা—উভয় দিক থেকেই অত্যন্ত ক্ষুদ্র রাষ্ট্র।
মহাদেশসমূহ
Continents of the World
বিশ্বের ভূখণ্ডকে সাধারণভাবে এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া বা ওশেনিয়া এবং অ্যান্টার্কটিকা—এই প্রধান মহাদেশগুলোতে ভাগ করা হয়।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী এশিয়া মহাদেশে ৪৫টি, ইউরোপে ৪৪টি, আফ্রিকায় ৫৪টি, উত্তর আমেরিকা অঞ্চলে ২৩টি, দক্ষিণ আমেরিকায় ১২টি এবং ওশেনিয়ায় ১৪টি স্বাধীন রাষ্ট্রের উল্লেখ রয়েছে।
কিছু রাষ্ট্র ভৌগোলিকভাবে একাধিক মহাদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত। তুরস্ক ও রাশিয়া এশিয়া ও ইউরোপ—উভয় মহাদেশের সঙ্গে যুক্ত।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী এশিয়া মহাদেশে ৪৫টি, ইউরোপে ৪৪টি, আফ্রিকায় ৫৪টি, উত্তর আমেরিকা অঞ্চলে ২৩টি, দক্ষিণ আমেরিকায় ১২টি এবং ওশেনিয়ায় ১৪টি স্বাধীন রাষ্ট্রের উল্লেখ রয়েছে।
কিছু রাষ্ট্র ভৌগোলিকভাবে একাধিক মহাদেশের সঙ্গে সম্পর্কিত। তুরস্ক ও রাশিয়া এশিয়া ও ইউরোপ—উভয় মহাদেশের সঙ্গে যুক্ত।
এশিয়া মহাদেশ
Asia
এশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ। দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া—এভাবে বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে এশিয়াকে ভাগ করে আলোচনা করা হয়।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তানের উল্লেখ রয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমার, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই, লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও পূর্ব তিমুর রয়েছে।
মধ্য এশিয়ায় কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তুর্কমেনিস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানের মতো দেশ রয়েছে।
পূর্ব এশিয়ায় মঙ্গোলিয়া, চীন, জাপান, উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার উল্লেখ রয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ইরান, ইরাক, বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, লেবানন, তুরস্ক, ওমান, ইয়েমেন, সিরিয়া ও ইসরায়েলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তানের উল্লেখ রয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমার, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, ব্রুনাই, লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও পূর্ব তিমুর রয়েছে।
মধ্য এশিয়ায় কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তুর্কমেনিস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তানের মতো দেশ রয়েছে।
পূর্ব এশিয়ায় মঙ্গোলিয়া, চীন, জাপান, উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার উল্লেখ রয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে ইরান, ইরাক, বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, লেবানন, তুরস্ক, ওমান, ইয়েমেন, সিরিয়া ও ইসরায়েলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
ইউরোপ মহাদেশ
Europe
ইউরোপ মহাদেশকে সাধারণভাবে পূর্ব ইউরোপ, পশ্চিম ইউরোপ, উত্তর ইউরোপ ও দক্ষিণ ইউরোপে ভাগ করে আলোচনা করা হয়।
পূর্ব ইউরোপে রাশিয়া, ইউক্রেন, বেলারুশ, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি, চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া ও মলদোভার মতো দেশ রয়েছে।
পশ্চিম ইউরোপে ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, লিচেনস্টাইন ও মোনাকো উল্লেখযোগ্য।
উত্তর ইউরোপে যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ রয়েছে।
দক্ষিণ ইউরোপে ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল, গ্রিস, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া, আলবেনিয়া, বসনিয়া, স্লোভেনিয়া, মন্টেনেগ্রো ও অন্যান্য বলকান রাষ্ট্র অন্তর্ভুক্ত।
পূর্ব ইউরোপে রাশিয়া, ইউক্রেন, বেলারুশ, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, হাঙ্গেরি, চেক প্রজাতন্ত্র, স্লোভাকিয়া ও মলদোভার মতো দেশ রয়েছে।
পশ্চিম ইউরোপে ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, লিচেনস্টাইন ও মোনাকো উল্লেখযোগ্য।
উত্তর ইউরোপে যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ রয়েছে।
দক্ষিণ ইউরোপে ইতালি, স্পেন, পর্তুগাল, গ্রিস, সার্বিয়া, ক্রোয়েশিয়া, আলবেনিয়া, বসনিয়া, স্লোভেনিয়া, মন্টেনেগ্রো ও অন্যান্য বলকান রাষ্ট্র অন্তর্ভুক্ত।
আফ্রিকা মহাদেশ
Africa
আফ্রিকা আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ মহাদেশ। প্রদত্ত তথ্যে আফ্রিকা মহাদেশে মোট ৫৪টি স্বাধীন রাষ্ট্রের উল্লেখ রয়েছে।
উত্তর আফ্রিকার মধ্যে আলজেরিয়া, লিবিয়া, মিশর, মরক্কো, তিউনিসিয়া ও সুদানের মতো দেশ রয়েছে।
পশ্চিম আফ্রিকায় নাইজেরিয়া, নাইজার, সেনেগাল, ঘানা, গিনি, মালি, লাইবেরিয়া, কোট দিভোয়ারসহ বহু রাষ্ট্র রয়েছে।
পূর্ব আফ্রিকায় ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, কেনিয়া, তানজানিয়া, সোমালিয়া, উগান্ডা, রুয়ান্ডা ও বুরুন্ডির মতো দেশ উল্লেখযোগ্য।
দক্ষিণ আফ্রিকার অঞ্চলে দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা, নামিবিয়া, লেসোথো ও এসওয়াতিনি উল্লেখযোগ্য।
মধ্য আফ্রিকায় মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ক্যামেরুন, গ্যাবন, চাদসহ বিভিন্ন রাষ্ট্র রয়েছে।
উত্তর আফ্রিকার মধ্যে আলজেরিয়া, লিবিয়া, মিশর, মরক্কো, তিউনিসিয়া ও সুদানের মতো দেশ রয়েছে।
পশ্চিম আফ্রিকায় নাইজেরিয়া, নাইজার, সেনেগাল, ঘানা, গিনি, মালি, লাইবেরিয়া, কোট দিভোয়ারসহ বহু রাষ্ট্র রয়েছে।
পূর্ব আফ্রিকায় ইথিওপিয়া, ইরিত্রিয়া, কেনিয়া, তানজানিয়া, সোমালিয়া, উগান্ডা, রুয়ান্ডা ও বুরুন্ডির মতো দেশ উল্লেখযোগ্য।
দক্ষিণ আফ্রিকার অঞ্চলে দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা, নামিবিয়া, লেসোথো ও এসওয়াতিনি উল্লেখযোগ্য।
মধ্য আফ্রিকায় মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ক্যামেরুন, গ্যাবন, চাদসহ বিভিন্ন রাষ্ট্র রয়েছে।
উত্তর আমেরিকা
North America
উত্তর আমেরিকা অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো প্রধান বৃহৎ রাষ্ট্র। মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের বিভিন্ন দ্বীপরাষ্ট্রও এই মহাদেশীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের মধ্যে কিউবা, জ্যামাইকা, হাইতি, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, বাহামা, বার্বাডোস, গ্রেনাডা, ডোমিনিকা, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর মতো রাষ্ট্র রয়েছে।
ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের মধ্যে কিউবা, জ্যামাইকা, হাইতি, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, বাহামা, বার্বাডোস, গ্রেনাডা, ডোমিনিকা, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা এবং ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর মতো রাষ্ট্র রয়েছে।
দক্ষিণ আমেরিকা
South America
দক্ষিণ আমেরিকায় আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ভেনিজুয়েলা, বলিভিয়া, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, পেরু, চিলি, সুরিনাম, ইকুয়েডর, কলম্বিয়া ও গায়ানার মতো স্বাধীন রাষ্ট্র রয়েছে।
ব্রাজিল এই মহাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্র। আমাজন নদী ও আমাজন অববাহিকা দক্ষিণ আমেরিকার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের অন্যতম প্রধান অংশ।
ব্রাজিল এই মহাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্র। আমাজন নদী ও আমাজন অববাহিকা দক্ষিণ আমেরিকার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের অন্যতম প্রধান অংশ।
ওশেনিয়া
Oceania
ওশেনিয়া অঞ্চলে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের পাশাপাশি প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন দ্বীপরাষ্ট্র রয়েছে।
পলিনেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া ও মেলানেশিয়া—এই তিন ভৌগোলিক উপঅঞ্চলের মাধ্যমে ওশেনিয়ার দ্বীপরাষ্ট্রগুলোকে ব্যাখ্যা করা হয়।
পলিনেশিয়ার মধ্যে সামোয়া, টুভালু ও টোঙ্গা উল্লেখযোগ্য। মাইক্রোনেশিয়ায় মাইক্রোনেশিয়া, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নাউরু, কিরিবাতি ও পালাউ এবং মেলানেশিয়ায় পাপুয়া নিউগিনি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ফিজি ও ভানুয়াতুর উল্লেখ রয়েছে।
পলিনেশিয়া, মাইক্রোনেশিয়া ও মেলানেশিয়া—এই তিন ভৌগোলিক উপঅঞ্চলের মাধ্যমে ওশেনিয়ার দ্বীপরাষ্ট্রগুলোকে ব্যাখ্যা করা হয়।
পলিনেশিয়ার মধ্যে সামোয়া, টুভালু ও টোঙ্গা উল্লেখযোগ্য। মাইক্রোনেশিয়ায় মাইক্রোনেশিয়া, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, নাউরু, কিরিবাতি ও পালাউ এবং মেলানেশিয়ায় পাপুয়া নিউগিনি, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, ফিজি ও ভানুয়াতুর উল্লেখ রয়েছে।
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক রেকর্ড
Important Geographical Records
বিশ্বের বৃহত্তম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর এবং ক্ষুদ্রতম মহাসাগর উত্তর মহাসাগর বা আর্কটিক মহাসাগর।
বিশ্বের বৃহৎ নদীগুলোর মধ্যে আমাজন ও নীল নদ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রদত্ত তথ্যে আমাজনকে বৃহত্তম নদী এবং নীলকে দীর্ঘতম নদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ কাস্পিয়ান সাগর এবং গভীরতম হ্রদ বৈকাল হ্রদ।
বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত হিসেবে ভেনিজুয়েলার অ্যাঞ্জেল ফলস উল্লেখিত। নায়াগ্রা জলপ্রপাত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতমালা হিমালয় এবং সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট।
বিশ্বের বৃহৎ মরুভূমিগুলোর মধ্যে সাহারা অন্যতম। আরব উপদ্বীপ এবং উত্তর আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলেও মরুপ্রকৃতি দেখা যায়।
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড। বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার উল্লেখ রয়েছে।
বিশ্বের বৃহৎ নদীগুলোর মধ্যে আমাজন ও নীল নদ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রদত্ত তথ্যে আমাজনকে বৃহত্তম নদী এবং নীলকে দীর্ঘতম নদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্বের বৃহত্তম হ্রদ কাস্পিয়ান সাগর এবং গভীরতম হ্রদ বৈকাল হ্রদ।
বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত হিসেবে ভেনিজুয়েলার অ্যাঞ্জেল ফলস উল্লেখিত। নায়াগ্রা জলপ্রপাত যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতমালা হিমালয় এবং সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট।
বিশ্বের বৃহৎ মরুভূমিগুলোর মধ্যে সাহারা অন্যতম। আরব উপদ্বীপ এবং উত্তর আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলেও মরুপ্রকৃতি দেখা যায়।
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড। বৃহত্তম দ্বীপরাষ্ট্র হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার উল্লেখ রয়েছে।
বিশ্বের ভৌগোলিক উপনাম
Geographical Nicknames
বিভিন্ন দেশ ও শহর ঐতিহাসিক, অর্থনৈতিক, প্রাকৃতিক বা সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে বিশেষ উপনামে পরিচিত।
সূর্যোদয়ের দেশ — জাপান
নিশীথ সূর্যের দেশ — নরওয়ে
ভূ-স্বর্গ — কাশ্মীর
নিষিদ্ধ দেশ — তিব্বত
Big Apple — নিউইয়র্ক
মুক্তার দেশ — কিউবা
মুক্তার দ্বীপ — বাহরাইন
পাম দ্বীপ — আয়ারল্যান্ড
আগুনের দ্বীপ — আইসল্যান্ড
সাদা হাতির দেশ — থাইল্যান্ড
বাজারের শহর — কায়রো
নীল নদের দান — মিশর
প্রাচ্যের ম্যানচেস্টার — ওসাকা
ভূমিকম্পের দেশ — জাপান
ব্রিটেনের বাগান — কেন্ট
মসজিদের শহর — ঢাকা
রিকশার শহর — ঢাকা
চির বসন্তের দেশ — ইকুয়েডর
সাত পাহাড়ের শহর — রোম
হাজার দ্বীপের দেশ — ইন্দোনেশিয়া
হাজার হ্রদের দেশ — ফিনল্যান্ড
পবিত্র দেশ — ফিলিস্তিন
পবিত্র ভূমি — জেরুজালেম
মরুভূমির দেশ — আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অংশ
চীনের দুঃখ — হোয়াংহো নদী
ম্যাপল পাতার দেশ — কানাডা
সমুদ্রের বধূ — গ্রেট ব্রিটেন
সোনালি তোরণের শহর — সানফ্রান্সিসকো
সোনালি আঁশের দেশ — বাংলাদেশ
প্রাচ্যের দেশ — চীন
সূর্যোদয়ের দেশ — জাপান
নিশীথ সূর্যের দেশ — নরওয়ে
ভূ-স্বর্গ — কাশ্মীর
নিষিদ্ধ দেশ — তিব্বত
Big Apple — নিউইয়র্ক
মুক্তার দেশ — কিউবা
মুক্তার দ্বীপ — বাহরাইন
পাম দ্বীপ — আয়ারল্যান্ড
আগুনের দ্বীপ — আইসল্যান্ড
সাদা হাতির দেশ — থাইল্যান্ড
বাজারের শহর — কায়রো
নীল নদের দান — মিশর
প্রাচ্যের ম্যানচেস্টার — ওসাকা
ভূমিকম্পের দেশ — জাপান
ব্রিটেনের বাগান — কেন্ট
মসজিদের শহর — ঢাকা
রিকশার শহর — ঢাকা
চির বসন্তের দেশ — ইকুয়েডর
সাত পাহাড়ের শহর — রোম
হাজার দ্বীপের দেশ — ইন্দোনেশিয়া
হাজার হ্রদের দেশ — ফিনল্যান্ড
পবিত্র দেশ — ফিলিস্তিন
পবিত্র ভূমি — জেরুজালেম
মরুভূমির দেশ — আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অংশ
চীনের দুঃখ — হোয়াংহো নদী
ম্যাপল পাতার দেশ — কানাডা
সমুদ্রের বধূ — গ্রেট ব্রিটেন
সোনালি তোরণের শহর — সানফ্রান্সিসকো
সোনালি আঁশের দেশ — বাংলাদেশ
প্রাচ্যের দেশ — চীন
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও শহর
Important Places and Cities
বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানের অবস্থান সাধারণ জ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
গ্রেট হল — বেইজিং, চীন
হোয়াইট হল — লন্ডন
হোয়াইট হাউস — ওয়াশিংটন ডিসি
ইন্ডিপেনডেন্স হল — যুক্তরাষ্ট্র
স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড — লন্ডন
ইস্ট লন্ডন — দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যান্ডুং — ইন্দোনেশিয়া
আইফেল টাওয়ার — প্যারিস
স্ট্যাচু অব লিবার্টি — নিউইয়র্ক
বুর্জ খলিফা — সংযুক্ত আরব আমিরাত
ওয়াল স্ট্রিট — নিউইয়র্ক
ফ্লিট স্ট্রিট — লন্ডন
ডাউনিং স্ট্রিট — লন্ডন
রেড স্কয়ার — মস্কো
ট্রাফালগার স্কয়ার — লন্ডন
তাহরির স্কয়ার — কায়রো
গ্রিন স্কয়ার — ত্রিপোলি
ম্যাডিসন স্কয়ার — নিউইয়র্ক
তিয়েনআনমেন স্কয়ার — বেইজিং
বাকিংহাম প্যালেস — লন্ডন
ভার্সাই নগরী — ফ্রান্স
ডাভোস — সুইজারল্যান্ড
ভ্যাটিকান সিটি — ইতালির ভেতরে অবস্থিত স্বাধীন রাষ্ট্র
সিয়ালকোট — পাকিস্তান
লাহোর — পাকিস্তান
গ্রেট হল — বেইজিং, চীন
হোয়াইট হল — লন্ডন
হোয়াইট হাউস — ওয়াশিংটন ডিসি
ইন্ডিপেনডেন্স হল — যুক্তরাষ্ট্র
স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড — লন্ডন
ইস্ট লন্ডন — দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যান্ডুং — ইন্দোনেশিয়া
আইফেল টাওয়ার — প্যারিস
স্ট্যাচু অব লিবার্টি — নিউইয়র্ক
বুর্জ খলিফা — সংযুক্ত আরব আমিরাত
ওয়াল স্ট্রিট — নিউইয়র্ক
ফ্লিট স্ট্রিট — লন্ডন
ডাউনিং স্ট্রিট — লন্ডন
রেড স্কয়ার — মস্কো
ট্রাফালগার স্কয়ার — লন্ডন
তাহরির স্কয়ার — কায়রো
গ্রিন স্কয়ার — ত্রিপোলি
ম্যাডিসন স্কয়ার — নিউইয়র্ক
তিয়েনআনমেন স্কয়ার — বেইজিং
বাকিংহাম প্যালেস — লন্ডন
ভার্সাই নগরী — ফ্রান্স
ডাভোস — সুইজারল্যান্ড
ভ্যাটিকান সিটি — ইতালির ভেতরে অবস্থিত স্বাধীন রাষ্ট্র
সিয়ালকোট — পাকিস্তান
লাহোর — পাকিস্তান
গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সীমারেখা
Important International Boundary Lines
বিভিন্ন দেশের সীমান্ত নির্ধারণে ঐতিহাসিকভাবে কয়েকটি সীমারেখা বিশেষ নামে পরিচিত হয়েছে।
ডুরান্ড লাইন — আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত
র্যাডক্লিফ লাইন — ভারতীয় উপমহাদেশের বিভাজনের সঙ্গে সম্পর্কিত
ম্যাকমোহন লাইন — ভারত ও চীনের সীমান্ত প্রসঙ্গে পরিচিত
লাইন অব কন্ট্রোল — ভারত ও পাকিস্তানের কাশ্মীর অঞ্চলে ব্যবহৃত সীমারেখা
লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল — ভারত ও চীনের সীমান্ত প্রসঙ্গে ব্যবহৃত
ম্যানারহেইম লাইন — রাশিয়া ও ফিনল্যান্ডের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা রেখা
ম্যাজিনো লাইন — ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামূলক সীমারেখা
সিগফ্রিড লাইন — জার্মানির প্রতিরক্ষামূলক রেখা
হিন্ডেনবার্গ লাইন — প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান প্রতিরক্ষা রেখা
ওডার-নাইসে লাইন — জার্মানি ও পোল্যান্ডের সীমান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত
কার্জন লাইন — পূর্ব ইউরোপীয় সীমান্ত রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত
৩৮তম অক্ষরেখা — উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভাজনের সঙ্গে সম্পর্কিত
৪৯তম অক্ষরেখা — যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তের বড় অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত
ডুরান্ড লাইন — আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত
র্যাডক্লিফ লাইন — ভারতীয় উপমহাদেশের বিভাজনের সঙ্গে সম্পর্কিত
ম্যাকমোহন লাইন — ভারত ও চীনের সীমান্ত প্রসঙ্গে পরিচিত
লাইন অব কন্ট্রোল — ভারত ও পাকিস্তানের কাশ্মীর অঞ্চলে ব্যবহৃত সীমারেখা
লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল — ভারত ও চীনের সীমান্ত প্রসঙ্গে ব্যবহৃত
ম্যানারহেইম লাইন — রাশিয়া ও ফিনল্যান্ডের ঐতিহাসিক প্রতিরক্ষা রেখা
ম্যাজিনো লাইন — ফ্রান্সের প্রতিরক্ষামূলক সীমারেখা
সিগফ্রিড লাইন — জার্মানির প্রতিরক্ষামূলক রেখা
হিন্ডেনবার্গ লাইন — প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান প্রতিরক্ষা রেখা
ওডার-নাইসে লাইন — জার্মানি ও পোল্যান্ডের সীমান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত
কার্জন লাইন — পূর্ব ইউরোপীয় সীমান্ত রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত
৩৮তম অক্ষরেখা — উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভাজনের সঙ্গে সম্পর্কিত
৪৯তম অক্ষরেখা — যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার সীমান্তের বড় অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত
আবহাওয়া ও জলবায়ু
Weather and Climate
আবহাওয়া ও জলবায়ু একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও সময়ের ব্যাপ্তিতে এদের পার্থক্য রয়েছে।
কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা হলো আবহাওয়া। তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, আর্দ্রতা, মেঘ, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন পরিবর্তনের মাধ্যমে আবহাওয়া বোঝা যায়।
কোনো অঞ্চলের দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার গড় ও সাধারণ বৈশিষ্ট্যকে জলবায়ু বলা হয়। প্রদত্ত পাঠ্যে সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ বছরের আবহাওয়ার গড়কে জলবায়ুর ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা হলো আবহাওয়া। তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, আর্দ্রতা, মেঘ, বৃষ্টিপাত ও বায়ুপ্রবাহের দৈনন্দিন পরিবর্তনের মাধ্যমে আবহাওয়া বোঝা যায়।
কোনো অঞ্চলের দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার গড় ও সাধারণ বৈশিষ্ট্যকে জলবায়ু বলা হয়। প্রদত্ত পাঠ্যে সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ বছরের আবহাওয়ার গড়কে জলবায়ুর ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান
Elements of Weather and Climate
আবহাওয়া ও জলবায়ু গঠনে কয়েকটি মৌলিক উপাদান কাজ করে। প্রধান উপাদানগুলো হলো—
বায়ুর তাপমাত্রা
বায়ুচাপ
বায়ুপ্রবাহ
বায়ুর আর্দ্রতা
বৃষ্টিপাত
এই উপাদানগুলোর দৈনন্দিন পরিবর্তন আবহাওয়ার অবস্থা নির্দেশ করে এবং দীর্ঘমেয়াদি গড় একটি অঞ্চলের জলবায়ু নির্ধারণে সহায়তা করে।
বায়ুর তাপমাত্রা
বায়ুচাপ
বায়ুপ্রবাহ
বায়ুর আর্দ্রতা
বৃষ্টিপাত
এই উপাদানগুলোর দৈনন্দিন পরিবর্তন আবহাওয়ার অবস্থা নির্দেশ করে এবং দীর্ঘমেয়াদি গড় একটি অঞ্চলের জলবায়ু নির্ধারণে সহায়তা করে।
জলবায়ুর নিয়ামক
Controls of Climate
পৃথিবীর সব অঞ্চলের জলবায়ু একই নয়। ভৌগোলিক অবস্থানের পার্থক্যের কারণে জলবায়ুতেও ভিন্নতা দেখা যায়।
জলবায়ুর গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হলো—
অক্ষাংশ
উচ্চতা
সমুদ্র থেকে দূরত্ব
বায়ুপ্রবাহ
সমুদ্রস্রোত
পর্বতের অবস্থান
ভূমির গঠন
বনভূমির বিস্তার
কোনো স্থান বিষুবরেখার কাছাকাছি না দূরে, সমুদ্রের পাশে না অভ্যন্তরে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতায় অবস্থিত—এসব বিষয় স্থানীয় জলবায়ুকে সরাসরি প্রভাবিত করে।
জলবায়ুর গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হলো—
অক্ষাংশ
উচ্চতা
সমুদ্র থেকে দূরত্ব
বায়ুপ্রবাহ
সমুদ্রস্রোত
পর্বতের অবস্থান
ভূমির গঠন
বনভূমির বিস্তার
কোনো স্থান বিষুবরেখার কাছাকাছি না দূরে, সমুদ্রের পাশে না অভ্যন্তরে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কত উচ্চতায় অবস্থিত—এসব বিষয় স্থানীয় জলবায়ুকে সরাসরি প্রভাবিত করে।
জলবায়ু পরিবর্তন
Climate Change
দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, সমুদ্রপৃষ্ঠ, বায়ুপ্রবাহ ও আবহাওয়ার স্বাভাবিক ধরনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনকে জলবায়ু পরিবর্তন বলা হয়।
গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধি, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার, বন উজাড়, শিল্পায়ন ও নগরায়ণ আধুনিক জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে বিবেচিত।
জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাবের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, হিমবাহ গলন, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ, কৃষি উৎপাদনে পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর চাপ উল্লেখযোগ্য।
গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব বৃদ্ধি, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার, বন উজাড়, শিল্পায়ন ও নগরায়ণ আধুনিক জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে বিবেচিত।
জলবায়ু পরিবর্তনের সম্ভাব্য প্রভাবের মধ্যে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, হিমবাহ গলন, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, তাপপ্রবাহ, কৃষি উৎপাদনে পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর চাপ উল্লেখযোগ্য।
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি
United Nations Environment Programme
UNEP-এর পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme। ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক কর্মসূচি হিসেবে UNEP প্রতিষ্ঠিত হয়।
এর সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত। পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক পরিবেশনীতি সমন্বয়ে UNEP গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১৯৭২ সালের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত United Nations Conference on the Human Environment-এর পর আন্তর্জাতিক পরিবেশ সহযোগিতায় UNEP-এর প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিকা প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতিবছর ৫ জুন পালিত হয়।
এর সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত। পরিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক পরিবেশনীতি সমন্বয়ে UNEP গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
১৯৭২ সালের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত United Nations Conference on the Human Environment-এর পর আন্তর্জাতিক পরিবেশ সহযোগিতায় UNEP-এর প্রাতিষ্ঠানিক ভূমিকা প্রতিষ্ঠিত হয়।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রতিবছর ৫ জুন পালিত হয়।
IPCC
Intergovernmental Panel on Climate Change
IPCC-এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change। ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা WMO এবং UNEP-এর যৌথ উদ্যোগে IPCC প্রতিষ্ঠিত হয়।
IPCC-এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। এটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন, সম্ভাব্য প্রভাব, ঝুঁকি এবং অভিযোজন ও প্রশমন কৌশল সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
প্রদত্ত পাঠ্যে IPCC-কে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশ্বের সর্বোচ্চ বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
IPCC-এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। এটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন, সম্ভাব্য প্রভাব, ঝুঁকি এবং অভিযোজন ও প্রশমন কৌশল সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
প্রদত্ত পাঠ্যে IPCC-কে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশ্বের সর্বোচ্চ বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
UNFCCC
United Nations Framework Convention on Climate Change
UNFCCC-এর পূর্ণরূপ United Nations Framework Convention on Climate Change। এটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রধান কাঠামোগুলোর একটি।
১৯৯২ সালের রিও ডি জেনিরো পৃথিবী সম্মেলনের মাধ্যমে এ কনভেনশন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।
UNFCCC-এর মূল উদ্দেশ্য হলো বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব এমন পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাতে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের বিপজ্জনক প্রভাব কমানো যায়।
এর সদরদপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত।
১৯৯২ সালের রিও ডি জেনিরো পৃথিবী সম্মেলনের মাধ্যমে এ কনভেনশন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়।
UNFCCC-এর মূল উদ্দেশ্য হলো বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব এমন পর্যায়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাতে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের বিপজ্জনক প্রভাব কমানো যায়।
এর সদরদপ্তর জার্মানির বন শহরে অবস্থিত।
COP
Conference of the Parties
COP হলো Conference of the Parties-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। UNFCCC-তে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর নিয়মিত সম্মেলনকে COP বলা হয়।
এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস, অভিযোজন, অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার নিয়ে আলোচনা হয়।
১৯৯২ সালের রিও পৃথিবী সম্মেলন আন্তর্জাতিক জলবায়ু কাঠামো গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরবর্তীতে Kyoto Protocol এবং Paris Agreement-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি গৃহীত হয়।
কিয়োটো প্রটোকল ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটোতে গৃহীত হয়। প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ২০১৫ সালে গৃহীত হয় এবং ২০১৬ সালে কার্যকর হওয়ার তথ্য পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস, অভিযোজন, অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার নিয়ে আলোচনা হয়।
১৯৯২ সালের রিও পৃথিবী সম্মেলন আন্তর্জাতিক জলবায়ু কাঠামো গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরবর্তীতে Kyoto Protocol এবং Paris Agreement-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি গৃহীত হয়।
কিয়োটো প্রটোকল ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটোতে গৃহীত হয়। প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ২০১৫ সালে গৃহীত হয় এবং ২০১৬ সালে কার্যকর হওয়ার তথ্য পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
V-20 ও Green Climate Fund
Climate Vulnerability and Climate Finance
V-20 বা Vulnerable Twenty জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি সহযোগিতামূলক উদ্যোগ।
প্রদত্ত তথ্যে ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর পেরুর রাজধানী লিমায় V-20-এর যাত্রা শুরু হওয়ার উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীতে সদস্যদেশের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও নামটি V-20 হিসেবেই বহাল থাকে।
Climate Vulnerable Forum বা CVF জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম। প্রদত্ত তথ্যে CVF ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা উল্লেখ আছে।
Green Climate Fund বা GCF জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য গঠিত তহবিল।
প্রদত্ত তথ্যে GCF ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং এর সদরদপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়নে অবস্থিত বলে উল্লেখ রয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর পেরুর রাজধানী লিমায় V-20-এর যাত্রা শুরু হওয়ার উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীতে সদস্যদেশের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও নামটি V-20 হিসেবেই বহাল থাকে।
Climate Vulnerable Forum বা CVF জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম। প্রদত্ত তথ্যে CVF ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা উল্লেখ আছে।
Green Climate Fund বা GCF জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য গঠিত তহবিল।
প্রদত্ত তথ্যে GCF ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং এর সদরদপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়নে অবস্থিত বলে উল্লেখ রয়েছে।
গ্রিনহাউস গ্যাস ও বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
Greenhouse Gases and Global Warming
বায়ুমণ্ডলের কিছু গ্যাস পৃথিবী থেকে বিকিরিত তাপ শোষণ করে আবার নিচের দিকে বিকিরণ করে। এই প্রক্রিয়াকে গ্রিনহাউস প্রভাব বলা হয়।
কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড এবং কিছু শিল্পজাত গ্যাস গ্রিনহাউস প্রভাবে ভূমিকা রাখে।
প্রদত্ত তথ্যে বৈশ্বিক উষ্ণায়নে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং পরিবহন খাত কার্বন নিঃসরণের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে পড়ে।
কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণে বৃহৎ দেশের মধ্যে চীনের উল্লেখ রয়েছে। মাথাপিছু নিঃসরণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নামও গুরুত্বপূর্ণভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড এবং কিছু শিল্পজাত গ্যাস গ্রিনহাউস প্রভাবে ভূমিকা রাখে।
প্রদত্ত তথ্যে বৈশ্বিক উষ্ণায়নে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্পকারখানা এবং পরিবহন খাত কার্বন নিঃসরণের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে পড়ে।
কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণে বৃহৎ দেশের মধ্যে চীনের উল্লেখ রয়েছে। মাথাপিছু নিঃসরণের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নামও গুরুত্বপূর্ণভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন
Bangladesh and Climate Change
বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থান, ঘন জনসংখ্যা, নদীমাতৃক ভূপ্রকৃতি এবং দীর্ঘ উপকূলরেখার কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের প্রতি সংবেদনশীল।
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও খরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশ 'Delta Plan 2100' বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ গ্রহণ করেছে। এটি দীর্ঘমেয়াদি পানি, ভূমি, জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সমন্বিত পরিকল্পনা।
পাঠ্যে নেদারল্যান্ডসের সহায়তা ও পরামর্শের সঙ্গে এ পরিকল্পনার সম্পর্ক উল্লেখ রয়েছে।
Climate Vulnerable Forum-এর কার্যক্রমেও বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, বন্যা ও খরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ধরনের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশ 'Delta Plan 2100' বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ গ্রহণ করেছে। এটি দীর্ঘমেয়াদি পানি, ভূমি, জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সমন্বিত পরিকল্পনা।
পাঠ্যে নেদারল্যান্ডসের সহায়তা ও পরামর্শের সঙ্গে এ পরিকল্পনার সম্পর্ক উল্লেখ রয়েছে।
Climate Vulnerable Forum-এর কার্যক্রমেও বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
Disaster Management
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলতে দুর্যোগের আগে, দুর্যোগ চলাকালে এবং দুর্যোগের পরে ক্ষয়ক্ষতি কমানো ও স্বাভাবিক অবস্থা পুনরুদ্ধারের সমন্বিত কার্যক্রমকে বোঝায়।
দুর্যোগের আগে ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থা গ্রহণকে দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতি বলা যায়। দীর্ঘমেয়াদি ক্ষয়ক্ষতি কমানোর কৌশল দুর্যোগ প্রশমন নামে পরিচিত।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রদত্ত তথ্যে কমিউনিটি পর্যায়ের ব্যবস্থাকে কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান ধাপগুলোর মধ্যে ঝুঁকি নিরূপণ, প্রস্তুতি, সতর্কতা, উদ্ধার, ত্রাণ, পুনর্বাসন এবং পুনর্গঠন অন্তর্ভুক্ত।
দুর্যোগের আগে ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থা গ্রহণকে দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতি বলা যায়। দীর্ঘমেয়াদি ক্ষয়ক্ষতি কমানোর কৌশল দুর্যোগ প্রশমন নামে পরিচিত।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রদত্ত তথ্যে কমিউনিটি পর্যায়ের ব্যবস্থাকে কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান ধাপগুলোর মধ্যে ঝুঁকি নিরূপণ, প্রস্তুতি, সতর্কতা, উদ্ধার, ত্রাণ, পুনর্বাসন এবং পুনর্গঠন অন্তর্ভুক্ত।
প্রাকৃতিক দুর্যোগের ধরন
Types of Natural Disasters
প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এর মধ্যে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প, সুনামি, খরা, ভূমিধস এবং অতিবৃষ্টিজনিত দুর্যোগ উল্লেখযোগ্য।
সুনামি সাধারণত সমুদ্রতলের ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট দীর্ঘ তরঙ্গ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা সমুদ্রতলের ভূমিধসও সুনামির কারণ হতে পারে।
ভূমিকম্প পূর্বাভাস নির্ভুলভাবে দেওয়া কঠিন এবং এটি পূর্বসতর্কতা ছাড়া সংঘটিত হতে পারে। ভূমিকম্পের কারণে সুনামি সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।
বন্যার মধ্যে মৌসুমি বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। জোয়ার-ভাটাজনিত বন্যা তুলনামূলক স্বল্পস্থায়ী। উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে জলোচ্ছ্বাস ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে।
সুনামি সাধারণত সমুদ্রতলের ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট দীর্ঘ তরঙ্গ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বা সমুদ্রতলের ভূমিধসও সুনামির কারণ হতে পারে।
ভূমিকম্প পূর্বাভাস নির্ভুলভাবে দেওয়া কঠিন এবং এটি পূর্বসতর্কতা ছাড়া সংঘটিত হতে পারে। ভূমিকম্পের কারণে সুনামি সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।
বন্যার মধ্যে মৌসুমি বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। জোয়ার-ভাটাজনিত বন্যা তুলনামূলক স্বল্পস্থায়ী। উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে জলোচ্ছ্বাস ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির কারণ হতে পারে।
বাংলাদেশের দুর্যোগপ্রবণতা
Disaster Vulnerability of Bangladesh
বাংলাদেশে বর্ষাকালে নদীভাঙন ও বন্যার ঘটনা বেশি দেখা যায়। উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি বেশি এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে খরার প্রবণতা তুলনামূলক বেশি।
উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকা ভূমিকম্পের ঝুঁকির দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণাঞ্চল ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
বাংলাদেশে কালবৈশাখী সাধারণত প্রাক-মৌসুমি সময়ে দেখা যায়। এটি মূলত পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে অগ্রসর হওয়া আকস্মিক ঝড়।
প্রদত্ত তথ্যে ১৯৯৮ সালের বন্যাকে বাংলাদেশের অন্যতম বড় বন্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিডর ১৫ নভেম্বর ২০০৭ সালে এবং আইলা ২৫ মে ২০০৯ সালে বাংলাদেশে আঘাত হানে বলে পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় আশ্রয়কেন্দ্র, আগাম সতর্কতা, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী, দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো এবং সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকা ভূমিকম্পের ঝুঁকির দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণাঞ্চল ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
বাংলাদেশে কালবৈশাখী সাধারণত প্রাক-মৌসুমি সময়ে দেখা যায়। এটি মূলত পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে অগ্রসর হওয়া আকস্মিক ঝড়।
প্রদত্ত তথ্যে ১৯৯৮ সালের বন্যাকে বাংলাদেশের অন্যতম বড় বন্যা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিডর ১৫ নভেম্বর ২০০৭ সালে এবং আইলা ২৫ মে ২০০৯ সালে বাংলাদেশে আঘাত হানে বলে পাঠ্যে উল্লেখ রয়েছে।
দুর্যোগ মোকাবিলায় আশ্রয়কেন্দ্র, আগাম সতর্কতা, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী, দুর্যোগ-সহনশীল অবকাঠামো এবং সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশের ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনা-২১০০ প্রণয়নে কোন দেশের দীর্ঘমেয়াদি বদ্বীপ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনাকে অনুসরণ করা হয়েছে?
- সুইজারল্যান্ড
- নেদারল্যান্ডস
- আয়ারল্যান্ড
- ফিনল্যান্ড
- বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষয়ের ক্ষেত্রে নিচের কোন গ্যাসের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি?
- CFC
- মিথেন
- কার্বন ডাই-অক্সাইড
- নাইট্রোজেন
- সুনামির সবচেয়ে সাধারণ প্রাকৃতিক কারণ কোনটি?
- অগ্ন্যুৎপাত
- সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
- ঘূর্ণিঝড়
- সুনামি সৃষ্টির প্রধান কারণ হিসেবে কোন ঘটনাটি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য?
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
- সমুদ্রতলদেশের ভূমিকম্প
- ঘূর্ণিঝড়
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নের জন্য বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্যায়ের সংস্থা কোনটি?
- IUCN
- IPCC
- UNOCC
- SANDEE
- বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক কার্বন নিঃসরণকারী দেশ কোনটি?
- চীন
- যুক্তরাষ্ট্র
- জাপান
- ভারত
- সুনামির উৎপত্তির সঙ্গে নিচের কোন ঘটনাটি সরাসরি সম্পর্কিত?
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
- ঘূর্ণিঝড়
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
- সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
- ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়টির নাম কী?
- সিডর
- নার্গিস
- আইলা
- সুনামি
- ‘Big Apple’ কোন শহরের উপনাম?
- নতুন দিল্লি
- ইসলামাবাদ
- নিউইয়র্ক
- শিকাগো
- পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম সীমান্ত কোন দুই দেশের মধ্যে?
- ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত
- ভারত–পাকিস্তান সীমান্ত
- পাকিস্তান–চীন সীমান্ত
- মিয়ানমার–থাইল্যান্ড সীমান্ত
- ‘মংডু’ কোন দুই দেশের সীমান্তসংলগ্ন এলাকা?
- বাংলাদেশ–মিয়ানমার
- বাংলাদেশ–ভারত
- মিয়ানমার–চীন
- ভারত–মিয়ানমার
- ‘নিশীথ সূর্যের দেশ’ নামে কোন দেশ পরিচিত?
- থাইল্যান্ড
- জাপান
- কানাডা
- নরওয়ে
- ‘ভূমিকম্পের দেশ’ নামে কোন দেশটি পরিচিত?
- চীন
- জাপান
- থাইল্যান্ড
- ইন্দোনেশিয়া
- ইতিহাসখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায় অবস্থিত?
- ইতালি
- স্পেন
- তুরস্ক
- গ্রিস
- বর্তমান কারবালা কোন দেশে অবস্থিত?
- জর্ডান
- সিরিয়া
- বাহরাইন
- ইরাক
- নিচের কোনটি জলবায়ুর সরাসরি উপাদান নয়?
- বায়ু প্রবাহ
- বারিপাত
- সমুদ্র স্রোত
- বায়ুর আর্দ্রতা
- জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি বা UNEP-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
- স্টকহোম
- নাইরোবি
- হেগ
- বৈরুত
- ‘E-8’ বলতে পৃথিবীর কোন ধরনের আটটি দেশকে বোঝানো হয়?
- সবচেয়ে দরিদ্র আটটি দেশ
- সবচেয়ে শিল্পোন্নত আটটি দেশ
- সবচেয়ে উন্নত আটটি দেশ
- সবচেয়ে পরিবেশ ঝুঁকিপূর্ণ আটটি দেশ
- বিশ্ব ধরিত্রী সম্মেলন বা Earth Summit কোন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়?
- জুন ১৯৯২
- জুলাই ১৯৯৫
- জুন ১৯৭২
- জুলাই ১৯৯২
- বিশ্বে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণে শীর্ষ দেশ কোনটি?
- চীন
- জাপান
- ব্রিটেন
- যুক্তরাষ্ট্র
- ‘Sidr’ শব্দটির অর্থ কী?
- চোখ
- নদী
- ঝড়
- সমুদ্র
- নিচের কোন দেশটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়?
- সিরিয়া
- লিবিয়া
- ইরাক
- জর্ডান
- ‘পলাউ’ কোন মহাদেশীয় অঞ্চলে অবস্থিত?
- এশিয়া
- ইউরোপ
- আফ্রিকা
- ওশেনিয়া
- নিচের কোন দেশটি আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়?
- মরক্কো
- লিবিয়া
- তিউনিসিয়া
- ইয়েমেন
- ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমান্ত নির্দেশকারী রেখা কোনটি?
- ডুরান্ড লাইন
- র্যাডক্লিফ লাইন
- এলওসি
- ম্যাজিনো লাইন
- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ‘Seven Sisters’ কোন দেশের অংশ?
- ভারত
- পাকিস্তান
- মিয়ানমার
- ভুটান
- ম্যাকমোহন লাইন কোন দুই দেশের সীমান্ত নির্ধারণের সঙ্গে সম্পর্কিত?
- ভারত ও পাকিস্তান
- চীন ও ভারত
- পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
- চীন ও রাশিয়া
- ‘Line of Control’ বা নিয়ন্ত্রণরেখা কোন দুই দেশের মধ্যে?
- ভারত–পাকিস্তান
- ভারত–চীন
- ভারত–বাংলাদেশ
- পাকিস্তান–আফগানিস্তান
- ‘V-20’ গোষ্ঠীটি প্রধানত কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
- জলবায়ু পরিবর্তন
- কৃষি উন্নয়ন
- দারিদ্র্য বিমোচন
- মানবাধিকার
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গঠিত Green Climate Fund বা GCF-এর সদর দপ্তর কোথায়?
- ইনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া
- প্যারিস, ফ্রান্স
- ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
- ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
- ‘Sidr’ কী ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ?
- ঘূর্ণিঝড়
- সুনামি
- টাইফুন
- সাইক্লোনবহির্ভূত ঝড়