আধুনিক বাংলা সাহিত্য, গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক গ্রন্থ ও লোকসাহিত্য — Primary Teacher
আধুনিক বাংলা সাহিত্য, গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক গ্রন্থ ও লোকসাহিত্য: বাংলা, Primary Teacher পাঠ ও 0টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/1।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- রাজা রামমোহন রায়
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
- শামসুর রাহমান
- শওকত ওসমান
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
- বেগম রোকেয়া
- সৈয়দ শামসুল হক
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- প্রমথ চৌধুরী
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- মীর মশাররফ হোসেন
- কাজী নজরুল ইসলাম
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- জসীমউদ্দীন
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- জহির রায়হান
- জীবনানন্দ দাশ
- কায়কোবাদ
- ফররুখ আহমদ
- বাংলা নাটক ও নাট্যকার
- বাংলা উপন্যাস ও ঔপন্যাসিক
- বাংলা ব্যাকরণ ও ভাষাবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসবিষয়ক গ্রন্থ
- গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম ও রচয়িতা
- ভ্রমণ সাহিত্য
- মহাকাব্য ও মহাকবি
- লোকসাহিত্য
- ময়মনসিংহ গীতিকা
রাজা রামমোহন রায়
Raja Rammohan Roy
রাজা রামমোহন রায় বাংলা নবজাগরণের অন্যতম অগ্রদূত। ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা বিলোপের আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে স্মরণীয়। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের শাসনামলে সতীদাহ প্রথা আইন করে রহিত হলে রামমোহনের দীর্ঘ সামাজিক আন্দোলনের একটি বড় সাফল্য অর্জিত হয়।
ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কারের উদ্দেশ্যে তিনি ‘আত্মীয় সভা’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরে ‘ব্রাহ্ম সমাজ’ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
বাংলা গদ্যচর্চা ও বাংলা ব্যাকরণ রচনাতেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। বাংলা ভাষায় রচিত তাঁর ব্যাকরণগ্রন্থ ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ বিশেষভাবে পরিচিত।
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে ‘বেদান্ত গ্রন্থ’ অন্যতম। বেদান্তচর্চা, ধর্মীয় যুক্তিবাদ এবং সমাজসংস্কারমূলক চিন্তা তাঁর রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য।
ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কারের উদ্দেশ্যে তিনি ‘আত্মীয় সভা’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরে ‘ব্রাহ্ম সমাজ’ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
বাংলা গদ্যচর্চা ও বাংলা ব্যাকরণ রচনাতেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। বাংলা ভাষায় রচিত তাঁর ব্যাকরণগ্রন্থ ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ বিশেষভাবে পরিচিত।
তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে ‘বেদান্ত গ্রন্থ’ অন্যতম। বেদান্তচর্চা, ধর্মীয় যুক্তিবাদ এবং সমাজসংস্কারমূলক চিন্তা তাঁর রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
Dr. Muhammad Shahidullah
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বহুভাষাবিদ, ভাষাতাত্ত্বিক, গবেষক ও পণ্ডিত। বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ নিয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ মত প্রদান করেন। তাঁর মতে বাংলা ভাষার উৎপত্তি গৌড় অপভ্রংশ থেকে।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে তাঁর গবেষণাগ্রন্থের মধ্যে ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ এবং ‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস, বৌদ্ধ সাহিত্য এবং আঞ্চলিক ভাষা সম্পর্কেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছেন। তাঁর ‘Buddhist Mystic Songs’ গ্রন্থ চর্যাপদ ও বৌদ্ধ সাধনসাহিত্যের আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে তাঁর গবেষণাগ্রন্থের মধ্যে ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ এবং ‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস, বৌদ্ধ সাহিত্য এবং আঞ্চলিক ভাষা সম্পর্কেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছেন। তাঁর ‘Buddhist Mystic Songs’ গ্রন্থ চর্যাপদ ও বৌদ্ধ সাধনসাহিত্যের আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত।
শামসুর রাহমান
শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি। তাঁর কবিতায় স্বাধীনতা, দেশপ্রেম, নগরজীবন, রাজনৈতিক চেতনা, ব্যক্তিমানস ও সমকালীন বাস্তবতার প্রকাশ দেখা যায়।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’।
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতার মধ্যে ‘স্বাধীনতা তুমি’ বিশেষভাবে পরিচিত। ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’ কবিতাটিও মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘রৌদ্র করোটিতে’, ‘বন্দী শিবির থেকে’, ‘নিজ বাসভূমে’, ‘দুঃসময়ের মুখোমুখি’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে’।
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতার মধ্যে ‘স্বাধীনতা তুমি’ বিশেষভাবে পরিচিত। ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’ কবিতাটিও মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে যুক্ত।
তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘রৌদ্র করোটিতে’, ‘বন্দী শিবির থেকে’, ‘নিজ বাসভূমে’, ‘দুঃসময়ের মুখোমুখি’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
শওকত ওসমান
শওকত ওসমান বাংলা কথাসাহিত্যের বিশিষ্ট ঔপন্যাসিক ও গল্পকার। তাঁর রচনায় সামাজিক বৈষম্য, রাজনৈতিক নিপীড়ন, স্বৈরাচার ও মানুষের সংগ্রামের চিত্র বিশেষভাবে উঠে এসেছে।
‘জননী’ তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। উপন্যাসটি পারিবারিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে রচিত।
‘ক্রীতদাসের হাসি’ তাঁর অন্যতম আলোচিত উপন্যাস। এটি ক্ষমতা, দাসত্ব, ব্যক্তি-স্বাধীনতা এবং স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিবাদের রচনা।
তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে ‘রাজা উপাখ্যান’, ‘চৌরসন্ধি’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
‘জননী’ তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। উপন্যাসটি পারিবারিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে রচিত।
‘ক্রীতদাসের হাসি’ তাঁর অন্যতম আলোচিত উপন্যাস। এটি ক্ষমতা, দাসত্ব, ব্যক্তি-স্বাধীনতা এবং স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিবাদের রচনা।
তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে ‘রাজা উপাখ্যান’, ‘চৌরসন্ধি’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাস ও নাটকের গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক সাহিত্যিক। তাঁর সাহিত্যে গ্রামীণ সমাজ, ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাস, মানসিক দ্বন্দ্ব, অস্তিত্বসংকট এবং ব্যক্তির নিঃসঙ্গতা গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
‘লালসালু’ তাঁর সবচেয়ে আলোচিত উপন্যাস। এতে গ্রামীণ সমাজে ধর্মীয় বিশ্বাসকে ব্যবহার করে ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার প্রবণতা তুলে ধরা হয়েছে। উপন্যাসটির ইংরেজি অনুবাদের নাম ‘Tree Without Roots’।
তাঁর অন্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে ‘চাঁদের অমাবস্যা’ এবং ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ রয়েছে।
নাটক রচনাতেও তিনি উল্লেখযোগ্য। ‘তরঙ্গভঙ্গ’, ‘বহিপীর’ প্রভৃতি তাঁর নাট্যরচনার উদাহরণ।
তাঁর গল্পরচনার মধ্যে ‘নয়নচারা’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
‘লালসালু’ তাঁর সবচেয়ে আলোচিত উপন্যাস। এতে গ্রামীণ সমাজে ধর্মীয় বিশ্বাসকে ব্যবহার করে ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার প্রবণতা তুলে ধরা হয়েছে। উপন্যাসটির ইংরেজি অনুবাদের নাম ‘Tree Without Roots’।
তাঁর অন্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে ‘চাঁদের অমাবস্যা’ এবং ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ রয়েছে।
নাটক রচনাতেও তিনি উল্লেখযোগ্য। ‘তরঙ্গভঙ্গ’, ‘বহিপীর’ প্রভৃতি তাঁর নাট্যরচনার উদাহরণ।
তাঁর গল্পরচনার মধ্যে ‘নয়নচারা’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বেগম রোকেয়া
Begum Rokeya
বেগম রোকেয়া ছিলেন নারীশিক্ষা, নারীজাগরণ ও সামাজিক সংস্কারের অগ্রদূত। ঊনবিংশ শতকের শেষভাগ ও বিংশ শতকের শুরুতে মুসলিম নারীসমাজের শিক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি নিরলসভাবে কাজ করেন।
নারীর শিক্ষা বিস্তারের জন্য তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। মুসলিম নারীদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে ‘আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার সঙ্গেও তাঁর নাম যুক্ত।
তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে ‘মতিচূর’, ‘পদ্মরাগ’, ‘অবরোধবাসিনী’ ও ‘Sultana's Dream’ গুরুত্বপূর্ণ। ‘Sultana's Dream’ ইংরেজি ভাষায় রচিত তাঁর একটি ব্যঙ্গধর্মী ও কল্পনামূলক রচনা।
নারীর শিক্ষা বিস্তারের জন্য তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। মুসলিম নারীদের সংগঠিত করার উদ্দেশ্যে ‘আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার সঙ্গেও তাঁর নাম যুক্ত।
তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে ‘মতিচূর’, ‘পদ্মরাগ’, ‘অবরোধবাসিনী’ ও ‘Sultana's Dream’ গুরুত্বপূর্ণ। ‘Sultana's Dream’ ইংরেজি ভাষায় রচিত তাঁর একটি ব্যঙ্গধর্মী ও কল্পনামূলক রচনা।
সৈয়দ শামসুল হক
সৈয়দ শামসুল হক ছিলেন বহুমাত্রিক সাহিত্যিক। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, কাব্যনাট্যসহ বিভিন্ন শাখায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। অল্প বয়সেই বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।
তাঁর কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘একদা এক রাজ্যে’, ‘কাননে কাননে তোমারই সন্ধানে’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
কাব্যনাট্যের ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
তাঁর কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘একদা এক রাজ্যে’, ‘কাননে কাননে তোমারই সন্ধানে’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
কাব্যনাট্যের ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
Bankim Chandra Chattopadhyay
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা উপন্যাসের বিকাশে অগ্রগণ্য সাহিত্যিক। তাঁর সাহিত্যিক কর্মজীবনে উপন্যাস, প্রবন্ধ, সমালোচনা ও সাময়িকপত্র সম্পাদনা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘ললিতা তথা মানস’।
বাংলা ভাষায় তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’। বাংলা সাহিত্যে এটিকে প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে ‘কপালকুণ্ডলা’, ‘বিষবৃক্ষ’, ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’, ‘রাজসিংহ’, ‘দেবী চৌধুরাণী’, ‘আনন্দমঠ’, ‘চন্দ্রশেখর’, ‘ইন্দিরা’, ‘রজনী’, ‘রাধারাণী’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের সঙ্গে ‘বন্দে মাতরম্’ গানের সম্পর্ক রয়েছে।
প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যরচনার মধ্যে ‘লোকরহস্য’, ‘কমলাকান্তের দপ্তর’, ‘বিবিধ সমালোচনা’, ‘সাম্য’, ‘কৃষ্ণচরিত্র’, ‘ধর্মতত্ত্ব’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
তিনি ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘ললিতা তথা মানস’।
বাংলা ভাষায় তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’। বাংলা সাহিত্যে এটিকে প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে ‘কপালকুণ্ডলা’, ‘বিষবৃক্ষ’, ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’, ‘রাজসিংহ’, ‘দেবী চৌধুরাণী’, ‘আনন্দমঠ’, ‘চন্দ্রশেখর’, ‘ইন্দিরা’, ‘রজনী’, ‘রাধারাণী’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের সঙ্গে ‘বন্দে মাতরম্’ গানের সম্পর্ক রয়েছে।
প্রবন্ধ ও অন্যান্য গদ্যরচনার মধ্যে ‘লোকরহস্য’, ‘কমলাকান্তের দপ্তর’, ‘বিবিধ সমালোচনা’, ‘সাম্য’, ‘কৃষ্ণচরিত্র’, ‘ধর্মতত্ত্ব’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
তিনি ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা কথাসাহিত্যের জনপ্রিয়তম ঔপন্যাসিকদের একজন। সমাজজীবন, নারীর অবস্থান, প্রেম, ব্যক্তিসংঘাত, সামাজিক বৈষম্য ও মানবিক সম্পর্ক তাঁর উপন্যাসে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে এসেছে।
তাঁর প্রকাশিত প্রথম রচনা হিসেবে ‘মন্দির’-এর উল্লেখ পাওয়া যায়।
প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘বড়দিদি’।
তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ‘শ্রীকান্ত’, ‘পথের দাবী’, ‘গৃহদাহ’, ‘দেবদাস’, ‘চরিত্রহীন’, ‘দত্তা’, ‘পল্লীসমাজ’, ‘নিষ্কৃতি’, ‘পরিণীতা’, ‘বিরাজ বৌ’, ‘বিপ্রদাস’, ‘দেনাপাওনা’, ‘বৈকুণ্ঠের উইল’, ‘শেষ প্রশ্ন’, ‘শেষের পরিচয়’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
‘পথের দাবী’ রাজনৈতিক ভাবসম্পন্ন উপন্যাস হিসেবে পরিচিত এবং একসময় সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়েছিল।
‘শ্রীকান্ত’ তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও আত্মজৈবনিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উপন্যাস।
তাঁর প্রকাশিত প্রথম রচনা হিসেবে ‘মন্দির’-এর উল্লেখ পাওয়া যায়।
প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘বড়দিদি’।
তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে ‘শ্রীকান্ত’, ‘পথের দাবী’, ‘গৃহদাহ’, ‘দেবদাস’, ‘চরিত্রহীন’, ‘দত্তা’, ‘পল্লীসমাজ’, ‘নিষ্কৃতি’, ‘পরিণীতা’, ‘বিরাজ বৌ’, ‘বিপ্রদাস’, ‘দেনাপাওনা’, ‘বৈকুণ্ঠের উইল’, ‘শেষ প্রশ্ন’, ‘শেষের পরিচয়’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
‘পথের দাবী’ রাজনৈতিক ভাবসম্পন্ন উপন্যাস হিসেবে পরিচিত এবং একসময় সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়েছিল।
‘শ্রীকান্ত’ তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও আত্মজৈবনিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উপন্যাস।
প্রমথ চৌধুরী
বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রসারে প্রমথ চৌধুরীর ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনামে লিখতেন।
‘বীরবলের হালখাতা’ তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ।
তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে ‘সনেট পঞ্চাশ’, ‘পদচারণ’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
চলিত গদ্যরীতিকে সাহিত্যিক মর্যাদা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বাংলা গদ্যের ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
‘বীরবলের হালখাতা’ তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ।
তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে ‘সনেট পঞ্চাশ’, ‘পদচারণ’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
চলিত গদ্যরীতিকে সাহিত্যিক মর্যাদা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বাংলা গদ্যের ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের শৃঙ্খলিত ও পরিমার্জিত রূপ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সংস্কৃত কলেজ তাঁকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে তাঁকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলা বিরামচিহ্নের সুশৃঙ্খল ব্যবহারেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য।
তাঁর অনুবাদ ও রূপান্তরমূলক গ্রন্থের মধ্যে ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ বিশেষভাবে পরিচিত।
‘ভ্রান্তিবিলাস’ শেক্সপিয়ারের ‘Comedy of Errors’-এর কাহিনি অবলম্বনে রচিত।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর সঙ্গে তাঁর নাম উৎসর্গগ্রহীতা হিসেবেও যুক্ত।
‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ তাঁর মৌলিক গদ্যরচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক রচনার নাম ‘আত্মচরিত’।
বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে তাঁকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলা বিরামচিহ্নের সুশৃঙ্খল ব্যবহারেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য।
তাঁর অনুবাদ ও রূপান্তরমূলক গ্রন্থের মধ্যে ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ বিশেষভাবে পরিচিত।
‘ভ্রান্তিবিলাস’ শেক্সপিয়ারের ‘Comedy of Errors’-এর কাহিনি অবলম্বনে রচিত।
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর সঙ্গে তাঁর নাম উৎসর্গগ্রহীতা হিসেবেও যুক্ত।
‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ তাঁর মৌলিক গদ্যরচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক রচনার নাম ‘আত্মচরিত’।
মীর মশাররফ হোসেন
মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম ঔপন্যাসিক ও নাট্যকারদের একজন। মুসলিম সমাজের জীবন, ইতিহাস ও সামাজিক বাস্তবতা তাঁর রচনায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
‘রত্নবতী’ তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।
‘বিষাদসিন্ধু’ তাঁর সর্বাধিক পরিচিত উপন্যাস। এটি কারবালার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। গ্রন্থটি একাধিক পর্বে বিন্যস্ত।
‘জমিদার দর্পণ’ তাঁর বিখ্যাত নাটক। এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিক কর্তৃক রচিত প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নাটক হিসেবে আলোচিত।
তাঁর অন্যান্য নাটকের মধ্যে ‘বেহুলা গীতাভিনয়’, ‘টালা অভিনয়’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
‘রত্নবতী’ তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।
‘বিষাদসিন্ধু’ তাঁর সর্বাধিক পরিচিত উপন্যাস। এটি কারবালার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। গ্রন্থটি একাধিক পর্বে বিন্যস্ত।
‘জমিদার দর্পণ’ তাঁর বিখ্যাত নাটক। এটি বাংলা সাহিত্যে মুসলিম সাহিত্যিক কর্তৃক রচিত প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নাটক হিসেবে আলোচিত।
তাঁর অন্যান্য নাটকের মধ্যে ‘বেহুলা গীতাভিনয়’, ‘টালা অভিনয়’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
কাজী নজরুল ইসলাম
Kazi Nazrul Islam
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, সাম্যবাদী কবি, সংগীতস্রষ্টা, কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার। তাঁর সাহিত্যকর্মে বিদ্রোহ, সাম্য, মানবমুক্তি, প্রেম, ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং শোষণবিরোধী চেতনা প্রবল।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্প ‘বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী’।
প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’। এতে ‘বিদ্রোহী’সহ তাঁর বিখ্যাত কবিতাগুলো অন্তর্ভুক্ত।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘বাঁধনহারা’।
প্রথম নাটক হিসেবে ‘ঝিলিমিলি’-র উল্লেখ পাওয়া যায়।
তাঁর উপন্যাসের মধ্যে ‘বাঁধনহারা’, ‘কুহেলিকা’ ও ‘মৃত্যুক্ষুধা’ উল্লেখযোগ্য। ‘মৃত্যুক্ষুধা’ রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতানির্ভর উপন্যাস।
তাঁর গল্পগ্রন্থের মধ্যে ‘ব্যথার দান’, ‘রিক্তের বেদন’, ‘শিউলিমালা’ গুরুত্বপূর্ণ।
নাটকের মধ্যে ‘ঝিলিমিলি’, ‘আলেয়া’, ‘মধুমালা’, ‘পুতুলের বিয়ে’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
গীতিনাট্যের মধ্যে ‘আলেয়া’ ও ‘মধুমালা’ পরিচিত।
‘সঞ্চিতা’ তাঁর কবিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকলন। ‘অগ্নিবীণা’ তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলেও ‘সঞ্চিতা’ তাঁর নির্বাচিত কবিতার পরিচিত সংকলন।
তাঁর জীবনীমূলক রচনার মধ্যে ‘চিনামাটি’ ও ‘মরুভাস্কর’-এর উল্লেখ পাওয়া যায়।
নজরুল সংগীত বাংলা গানের একটি স্বতন্ত্র ও সমৃদ্ধ ধারা। তিনি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন; ‘ধ্রুব’ চলচ্চিত্রের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত গল্প ‘বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী’।
প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’। এতে ‘বিদ্রোহী’সহ তাঁর বিখ্যাত কবিতাগুলো অন্তর্ভুক্ত।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘বাঁধনহারা’।
প্রথম নাটক হিসেবে ‘ঝিলিমিলি’-র উল্লেখ পাওয়া যায়।
তাঁর উপন্যাসের মধ্যে ‘বাঁধনহারা’, ‘কুহেলিকা’ ও ‘মৃত্যুক্ষুধা’ উল্লেখযোগ্য। ‘মৃত্যুক্ষুধা’ রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতানির্ভর উপন্যাস।
তাঁর গল্পগ্রন্থের মধ্যে ‘ব্যথার দান’, ‘রিক্তের বেদন’, ‘শিউলিমালা’ গুরুত্বপূর্ণ।
নাটকের মধ্যে ‘ঝিলিমিলি’, ‘আলেয়া’, ‘মধুমালা’, ‘পুতুলের বিয়ে’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
গীতিনাট্যের মধ্যে ‘আলেয়া’ ও ‘মধুমালা’ পরিচিত।
‘সঞ্চিতা’ তাঁর কবিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকলন। ‘অগ্নিবীণা’ তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলেও ‘সঞ্চিতা’ তাঁর নির্বাচিত কবিতার পরিচিত সংকলন।
তাঁর জীবনীমূলক রচনার মধ্যে ‘চিনামাটি’ ও ‘মরুভাস্কর’-এর উল্লেখ পাওয়া যায়।
নজরুল সংগীত বাংলা গানের একটি স্বতন্ত্র ও সমৃদ্ধ ধারা। তিনি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন; ‘ধ্রুব’ চলচ্চিত্রের সঙ্গে তাঁর নাম যুক্ত।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
Rabindranath Tagore
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের সর্বাধিক বহুমুখী সাহিত্যিকদের একজন। কবিতা, গান, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ, চিঠিপত্র ও সাহিত্যসমালোচনাসহ প্রায় সব প্রধান সাহিত্যশাখায় তিনি অবদান রেখেছেন।
তিনি অল্প বয়সেই কবিতা লেখা শুরু করেন। তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘হিন্দু মেলার উপহার’।
প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘কবি-কাহিনী’।
প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘বৌ-ঠাকুরাণীর হাট’।
প্রথম প্রকাশিত নাটক হিসেবে ‘বাল্মীকি প্রতিভা’ উল্লেখযোগ্য।
প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘বিবিধ প্রসঙ্গ’।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প ‘ভিখারিণী’। গল্পসংকলনের মধ্যে ‘গল্পগুচ্ছ’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
রবীন্দ্রনাথের গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাসের মধ্যে ‘গোরা’, ‘যোগাযোগ’, ‘চোখের বালি’, ‘ঘরে বাইরে’, ‘চার অধ্যায়’, ‘রাজর্ষি’, ‘দুই বোন’, ‘নৌকাডুবি’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
তাঁর নাটকের মধ্যে ‘বিসর্জন’, ‘রাজা’, ‘ডাকঘর’, ‘অচলায়তন’, ‘চিরকুমার সভা’, ‘রক্তকরবী’ প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ।
প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে ‘কালান্তর’, ‘সভ্যতার সংকট’, ‘পঞ্চভূত’, ‘মানুষের ধর্ম’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘সন্ধ্যাসংগীত’, ‘প্রভাতসংগীত’, ‘সোনার তরী’, ‘চিত্রা’, ‘চৈতালি’, ‘মানসী’, ‘বলাকা’, ‘গীতাঞ্জলি’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’-র ইংরেজি অনুবাদসংকলনের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম এশীয় নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হিসেবে ইতিহাসে স্থান পান।
বাংলা ভাষার কাব্যিক ও সংগীতধারায় রবীন্দ্রনাথের অবদান এত ব্যাপক যে তাঁর রচিত গান ‘রবীন্দ্রসংগীত’ নামে স্বতন্ত্র ধারায় পরিচিত।
তিনি অল্প বয়সেই কবিতা লেখা শুরু করেন। তাঁর প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘হিন্দু মেলার উপহার’।
প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘কবি-কাহিনী’।
প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘বৌ-ঠাকুরাণীর হাট’।
প্রথম প্রকাশিত নাটক হিসেবে ‘বাল্মীকি প্রতিভা’ উল্লেখযোগ্য।
প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘বিবিধ প্রসঙ্গ’।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প ‘ভিখারিণী’। গল্পসংকলনের মধ্যে ‘গল্পগুচ্ছ’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
রবীন্দ্রনাথের গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাসের মধ্যে ‘গোরা’, ‘যোগাযোগ’, ‘চোখের বালি’, ‘ঘরে বাইরে’, ‘চার অধ্যায়’, ‘রাজর্ষি’, ‘দুই বোন’, ‘নৌকাডুবি’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
তাঁর নাটকের মধ্যে ‘বিসর্জন’, ‘রাজা’, ‘ডাকঘর’, ‘অচলায়তন’, ‘চিরকুমার সভা’, ‘রক্তকরবী’ প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ।
প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে ‘কালান্তর’, ‘সভ্যতার সংকট’, ‘পঞ্চভূত’, ‘মানুষের ধর্ম’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘সন্ধ্যাসংগীত’, ‘প্রভাতসংগীত’, ‘সোনার তরী’, ‘চিত্রা’, ‘চৈতালি’, ‘মানসী’, ‘বলাকা’, ‘গীতাঞ্জলি’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’-র ইংরেজি অনুবাদসংকলনের জন্য তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম এশীয় নোবেলজয়ী সাহিত্যিক হিসেবে ইতিহাসে স্থান পান।
বাংলা ভাষার কাব্যিক ও সংগীতধারায় রবীন্দ্রনাথের অবদান এত ব্যাপক যে তাঁর রচিত গান ‘রবীন্দ্রসংগীত’ নামে স্বতন্ত্র ধারায় পরিচিত।
জসীমউদ্দীন
জসীমউদ্দীন বাংলা সাহিত্যের পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত। গ্রামীণ জীবন, লোকসংস্কৃতি, বাংলার কৃষকসমাজ, প্রেম, বেদনা ও পল্লিজীবনের আবেগ তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়।
‘রাখালী’ তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
‘নকশী কাঁথার মাঠ’ তাঁর বিখ্যাত কাহিনিকাব্য। এটি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এর ইংরেজি অনুবাদের সঙ্গে ‘The Field of the Embroidered Quilt’ নামটি যুক্ত।
তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’, ‘বালুচর’, ‘ধানক্ষেত’, ‘মাটির কান্না’, ‘মা যে জননী কাঁদে’, ‘রূপবতী’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
নাটকের মধ্যে ‘বেদের মেয়ে’, ‘মধুমালা’, ‘গ্রামের মায়া’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
উপন্যাস হিসেবে ‘বোবা কাহিনী’ উল্লেখযোগ্য।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক রচনার মধ্যে ‘জীবনকথা’ ও স্মৃতিকথাধর্মী রচনা গুরুত্বপূর্ণ।
‘রাখালী’ তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
‘নকশী কাঁথার মাঠ’ তাঁর বিখ্যাত কাহিনিকাব্য। এটি বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এর ইংরেজি অনুবাদের সঙ্গে ‘The Field of the Embroidered Quilt’ নামটি যুক্ত।
তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’, ‘বালুচর’, ‘ধানক্ষেত’, ‘মাটির কান্না’, ‘মা যে জননী কাঁদে’, ‘রূপবতী’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
নাটকের মধ্যে ‘বেদের মেয়ে’, ‘মধুমালা’, ‘গ্রামের মায়া’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
উপন্যাস হিসেবে ‘বোবা কাহিনী’ উল্লেখযোগ্য।
তাঁর আত্মজীবনীমূলক রচনার মধ্যে ‘জীবনকথা’ ও স্মৃতিকথাধর্মী রচনা গুরুত্বপূর্ণ।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
Michael Madhusudan Dutt
মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কবিতা ও নাটকের অন্যতম পথিকৃৎ। বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের সার্থক প্রয়োগ এবং মহাকাব্য রচনার জন্য তিনি বিশেষভাবে স্মরণীয়।
তাঁর জন্ম ১৮২৪ খ্রিষ্টাব্দে যশোর জেলার সাগরদাঁড়িতে।
১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন।
‘মেঘনাদবধ কাব্য’ তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হিসেবে পরিচিত। কাব্যটি নয়টি সর্গে বিভক্ত এবং রামায়ণের কাহিনি থেকে অনুপ্রাণিত।
‘The Captive Lady’ তাঁর ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
বাংলা ভাষায় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘তিলোত্তমাসম্ভব’।
‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ বাংলা সাহিত্যে সনেটচর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেটরীতির প্রভাব গ্রহণ করেন।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি হিসেবে ‘কৃষ্ণকুমারী’ উল্লেখযোগ্য।
তাঁর নাটকগুলোর মধ্যে ‘শর্মিষ্ঠা’, ‘কৃষ্ণকুমারী’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
তাঁর জন্ম ১৮২৪ খ্রিষ্টাব্দে যশোর জেলার সাগরদাঁড়িতে।
১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন।
‘মেঘনাদবধ কাব্য’ তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হিসেবে পরিচিত। কাব্যটি নয়টি সর্গে বিভক্ত এবং রামায়ণের কাহিনি থেকে অনুপ্রাণিত।
‘The Captive Lady’ তাঁর ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
বাংলা ভাষায় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘তিলোত্তমাসম্ভব’।
‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ বাংলা সাহিত্যে সনেটচর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেটরীতির প্রভাব গ্রহণ করেন।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি হিসেবে ‘কৃষ্ণকুমারী’ উল্লেখযোগ্য।
তাঁর নাটকগুলোর মধ্যে ‘শর্মিষ্ঠা’, ‘কৃষ্ণকুমারী’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
জহির রায়হান
জহির রায়হান বাংলাদেশের বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক, চলচ্চিত্রকার ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। ভাষা আন্দোলন, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ তাঁর সাহিত্য ও চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেয়েছে।
‘আরেক ফাল্গুন’ ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
তাঁর গল্পগ্রন্থের মধ্যে ‘সূর্যগ্রহণ’ এবং ‘সময়ের প্রয়োজনে’ উল্লেখযোগ্য।
‘কখনো আসেনি’ তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে পরিচিত। ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘Stop Genocide’, ‘Let There Be Light’ প্রভৃতি চলচ্চিত্র তাঁর সৃজনশীল পরিচয়ের অংশ।
‘Stop Genocide’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
‘আরেক ফাল্গুন’ ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
তাঁর গল্পগ্রন্থের মধ্যে ‘সূর্যগ্রহণ’ এবং ‘সময়ের প্রয়োজনে’ উল্লেখযোগ্য।
‘কখনো আসেনি’ তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে পরিচিত। ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘Stop Genocide’, ‘Let There Be Light’ প্রভৃতি চলচ্চিত্র তাঁর সৃজনশীল পরিচয়ের অংশ।
‘Stop Genocide’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
জীবনানন্দ দাশ
জীবনানন্দ দাশ আধুনিক বাংলা কবিতার প্রধান কবিদের একজন। প্রকৃতি, নিঃসঙ্গতা, স্মৃতি, ইতিহাস, প্রেম ও বাংলার রূপ তাঁর কবিতায় এক স্বতন্ত্র কাব্যভাষা সৃষ্টি করেছে।
তাঁর কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘ঝরা পালক’, ‘রূপসী বাংলা’, ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’, ‘মহাপৃথিবী’, ‘সাতটি তারার তিমির’, ‘বেলা অবেলা কালবেলা’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
‘বনলতা সেন’ তাঁর অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও কবিতা।
তাঁর কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘ঝরা পালক’, ‘রূপসী বাংলা’, ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’, ‘মহাপৃথিবী’, ‘সাতটি তারার তিমির’, ‘বেলা অবেলা কালবেলা’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
‘বনলতা সেন’ তাঁর অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ও কবিতা।
কায়কোবাদ
কায়কোবাদ বাংলা মুসলিম কবিদের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি। তাঁর প্রকৃত নাম কাজেম আল কোরেশী।
তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা ‘মহাশ্মশান’। এটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি মহাকাব্যধর্মী কাব্য।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘বিরহ-বিলাপ’। অল্প বয়সেই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে ‘কুসুমকানন’, ‘অশ্রুমালা’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা ‘মহাশ্মশান’। এটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত একটি মহাকাব্যধর্মী কাব্য।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘বিরহ-বিলাপ’। অল্প বয়সেই গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে ‘কুসুমকানন’, ‘অশ্রুমালা’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
ফররুখ আহমদ
ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম কবি। ইসলামী ইতিহাস, ঐতিহ্য, মানবিকতা ও সামাজিক চেতনা তাঁর কবিতার প্রধান বিষয়।
‘সাত সাগরের মাঝি’ তাঁর সবচেয়ে পরিচিত কাব্যগ্রন্থগুলোর একটি।
তাঁর কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘সিরাজাম মুনীরা’ও উল্লেখযোগ্য।
নাট্যরচনার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান রয়েছে; ‘নৌফেল ও হাতেম’ তাঁর নাট্যকর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
‘সাত সাগরের মাঝি’ তাঁর সবচেয়ে পরিচিত কাব্যগ্রন্থগুলোর একটি।
তাঁর কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘সিরাজাম মুনীরা’ও উল্লেখযোগ্য।
নাট্যরচনার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান রয়েছে; ‘নৌফেল ও হাতেম’ তাঁর নাট্যকর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।
বাংলা নাটক ও নাট্যকার
Bangla Drama and Playwrights
বাংলা সাহিত্যের নাট্যধারায় ঊনবিংশ শতক থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত বহু নাট্যকার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। সামাজিক নাটক, ঐতিহাসিক নাটক, রাজনৈতিক নাটক, কাব্যনাট্য ও প্রতীকী নাটক—বিভিন্ন ধারায় বাংলা নাটকের বিকাশ ঘটেছে।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাটক হিসেবে তারাচরণ শিকদার রচিত ‘ভদ্রার্জুন’-এর উল্লেখ পাওয়া যায়।
রামনারায়ণ তর্করত্নের ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক নাটক হিসেবে পরিচিত।
দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নীলকরদের অত্যাচারের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি যুগান্তকারী নাটক।
মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ ভাষা আন্দোলন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক।
বাংলাদেশের আধুনিক নাট্যকারদের মধ্যে সেলিম আল দীন, সৈয়দ শামসুল হক, মামুনুর রশীদ, আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাটক হিসেবে তারাচরণ শিকদার রচিত ‘ভদ্রার্জুন’-এর উল্লেখ পাওয়া যায়।
রামনারায়ণ তর্করত্নের ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক নাটক হিসেবে পরিচিত।
দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নীলকরদের অত্যাচারের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি যুগান্তকারী নাটক।
মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’ ভাষা আন্দোলন ও রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক।
বাংলাদেশের আধুনিক নাট্যকারদের মধ্যে সেলিম আল দীন, সৈয়দ শামসুল হক, মামুনুর রশীদ, আবদুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
নাট্যকার
তারাচরণ শিকদার
রামনারায়ণ তর্করত্ন
দীনবন্ধু মিত্র
মুনীর চৌধুরী
সেলিম আল দীন
মামুনুর রশীদ
আবদুল্লাহ আল মামুন
সৈয়দ শামসুল হক
তারাচরণ শিকদার
রামনারায়ণ তর্করত্ন
দীনবন্ধু মিত্র
মুনীর চৌধুরী
সেলিম আল দীন
মামুনুর রশীদ
আবদুল্লাহ আল মামুন
সৈয়দ শামসুল হক
উল্লেখযোগ্য নাট্যরচনা
ভদ্রার্জুন
কুলীনকুলসর্বস্ব
নীলদর্পণ
কবর
কেরামতমঙ্গল, হাত হদাই, যৈবতী কন্যার মন প্রভৃতি
ওরা কদম আলী, ইবলিশ প্রভৃতি
সুবচন নির্বাসনে, এখনও দুঃসময় প্রভৃতি
কাব্যনাট্য ও আধুনিক নাট্যরচনা
ভদ্রার্জুন
কুলীনকুলসর্বস্ব
নীলদর্পণ
কবর
কেরামতমঙ্গল, হাত হদাই, যৈবতী কন্যার মন প্রভৃতি
ওরা কদম আলী, ইবলিশ প্রভৃতি
সুবচন নির্বাসনে, এখনও দুঃসময় প্রভৃতি
কাব্যনাট্য ও আধুনিক নাট্যরচনা
বাংলা উপন্যাস ও ঔপন্যাসিক
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের বিকাশে উপন্যাস একটি প্রধান সাহিত্যধারা। ঊনবিংশ শতক থেকে বাংলা উপন্যাস সামাজিক জীবন, ইতিহাস, প্রেম, রাজনীতি, মানবমন ও সমাজসংকটকে ধারণ করে সমৃদ্ধ হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উল্লেখযোগ্য।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
কাজী নজরুল ইসলামের ‘বাঁধনহারা’ তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস।
ইমদাদুল হক মিলনের ‘কষ্ট’ আধুনিক বাংলা উপন্যাসের একটি পরিচিত রচনা।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উল্লেখযোগ্য।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দুর্গেশনন্দিনী’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস।
কাজী নজরুল ইসলামের ‘বাঁধনহারা’ তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস।
ইমদাদুল হক মিলনের ‘কষ্ট’ আধুনিক বাংলা উপন্যাসের একটি পরিচিত রচনা।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস।
বাংলা ব্যাকরণ ও ভাষাবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনার ইতিহাসে দেশি ও বিদেশি বহু পণ্ডিত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
বাংলা ভাষার প্রাচীন ব্যাকরণগ্রন্থগুলোর মধ্যে বিদেশি ভাষাবিদদের রচিত গ্রন্থ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
ম্যানুয়েল দা আসুম্পসাঁও বাংলা ভাষা নিয়ে প্রাথমিক ব্যাকরণ রচনা করেন।
ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড রচিত ‘A Grammar of the Bengal Language’ বাংলা ভাষার প্রাচীন মুদ্রিত ব্যাকরণগ্রন্থগুলোর অন্যতম।
রাজা রামমোহন রায়ের ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ বাংলা ভাষায় রচিত গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক ব্যাকরণগ্রন্থ।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ বাংলা ভাষার ইতিহাসবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা।
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ‘The Origin and Development of the Bengali Language’ বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণা।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ব্যাকরণবিষয়ক রচনাও বাংলা ব্যাকরণের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা ভাষার প্রাচীন ব্যাকরণগ্রন্থগুলোর মধ্যে বিদেশি ভাষাবিদদের রচিত গ্রন্থ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
ম্যানুয়েল দা আসুম্পসাঁও বাংলা ভাষা নিয়ে প্রাথমিক ব্যাকরণ রচনা করেন।
ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড রচিত ‘A Grammar of the Bengal Language’ বাংলা ভাষার প্রাচীন মুদ্রিত ব্যাকরণগ্রন্থগুলোর অন্যতম।
রাজা রামমোহন রায়ের ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ বাংলা ভাষায় রচিত গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক ব্যাকরণগ্রন্থ।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ বাংলা ভাষার ইতিহাসবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা।
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ‘The Origin and Development of the Bengali Language’ বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণা।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ব্যাকরণবিষয়ক রচনাও বাংলা ব্যাকরণের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে বিভিন্ন গবেষক গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ রচনা করেছেন। এসব গ্রন্থ বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ, সাহিত্যিক, রচনাধারা ও ভাষার ইতিহাস অধ্যয়নে বিশেষ সহায়ক।
ড. দীনেশচন্দ্র সেনের ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসবিষয়ক প্রাচীন গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থের একটি।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ এবং ড. সুকুমার সেনের একই নামের গ্রন্থ বাংলা সাহিত্য-ইতিহাসচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ।
ড. সুকুমার সেনের ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস’ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসচর্চায় উল্লেখযোগ্য।
মুহম্মদ আবদুল হাই, সৈয়দ আলী আহসানসহ আরও বহু গবেষক বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন।
ড. দীনেশচন্দ্র সেনের ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসবিষয়ক প্রাচীন গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থের একটি।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ এবং ড. সুকুমার সেনের একই নামের গ্রন্থ বাংলা সাহিত্য-ইতিহাসচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ।
ড. সুকুমার সেনের ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস’ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসচর্চায় উল্লেখযোগ্য।
মুহম্মদ আবদুল হাই, সৈয়দ আলী আহসানসহ আরও বহু গবেষক বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন।
গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম ও রচয়িতা
পদ্মা নদীর মাঝি — মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
আলালের ঘরের দুলাল — প্যারীচাঁদ মিত্র
দুর্গেশনন্দিনী — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
কপালকুণ্ডলা — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বাঁধনহারা — কাজী নজরুল ইসলাম
কুহেলিকা — কাজী নজরুল ইসলাম
মৃত্যুক্ষুধা — কাজী নজরুল ইসলাম
কবর — মুনীর চৌধুরী
নীলদর্পণ — দীনবন্ধু মিত্র
বিষাদসিন্ধু — মীর মশাররফ হোসেন
আলালের ঘরের দুলাল — প্যারীচাঁদ মিত্র
দুর্গেশনন্দিনী — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
কপালকুণ্ডলা — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বাঁধনহারা — কাজী নজরুল ইসলাম
কুহেলিকা — কাজী নজরুল ইসলাম
মৃত্যুক্ষুধা — কাজী নজরুল ইসলাম
কবর — মুনীর চৌধুরী
নীলদর্পণ — দীনবন্ধু মিত্র
বিষাদসিন্ধু — মীর মশাররফ হোসেন
নকশী কাঁথার মাঠ — জসীমউদ্দীন
সোজন বাদিয়ার ঘাট — জসীমউদ্দীন
লালসালু — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
চাঁদের অমাবস্যা — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
কাঁদো নদী কাঁদো — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সাত সাগরের মাঝি — ফররুখ আহমদ
মহাশ্মশান — কায়কোবাদ
মেঘনাদবধ কাব্য — মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ক্রীতদাসের হাসি — শওকত ওসমান
পথের দাবী — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সোজন বাদিয়ার ঘাট — জসীমউদ্দীন
লালসালু — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
চাঁদের অমাবস্যা — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
কাঁদো নদী কাঁদো — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সাত সাগরের মাঝি — ফররুখ আহমদ
মহাশ্মশান — কায়কোবাদ
মেঘনাদবধ কাব্য — মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ক্রীতদাসের হাসি — শওকত ওসমান
পথের দাবী — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ভ্রমণ সাহিত্য
বাংলা সাহিত্যে ভ্রমণকাহিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ গদ্যধারা। ভ্রমণের অভিজ্ঞতা, স্থান, মানুষ, সংস্কৃতি ও পর্যবেক্ষণকে সাহিত্যিক ভাষায় উপস্থাপন করাই এ ধারার প্রধান বৈশিষ্ট্য।
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পালামৌ’ বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণকাহিনি।
‘দেশে-বিদেশে’ সৈয়দ মুজতবা আলীর অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণধর্মী রচনা।
বাংলা সাহিত্যে আরও বহু লেখক দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞতা নিয়ে ভ্রমণকাহিনি রচনা করেছেন।
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পালামৌ’ বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণকাহিনি।
‘দেশে-বিদেশে’ সৈয়দ মুজতবা আলীর অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণধর্মী রচনা।
বাংলা সাহিত্যে আরও বহু লেখক দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞতা নিয়ে ভ্রমণকাহিনি রচনা করেছেন।
মহাকাব্য ও মহাকবি
বাংলা সাহিত্যে আধুনিক মহাকাব্যের বিকাশে মাইকেল মধুসূদন দত্তের অবদান সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত।
‘মেঘনাদবধ কাব্য’ রামায়ণের কাহিনি অবলম্বনে রচিত হলেও এতে রাবণপক্ষের চরিত্রগুলোকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করা হয়েছে।
কায়কোবাদের ‘মহাশ্মশান’ বাংলা মুসলিম কাব্যধারার গুরুত্বপূর্ণ মহাকাব্যধর্মী রচনা।
নবীনচন্দ্র সেনের মহাকাব্যিক রচনার মধ্যেও ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক ভাবধারার উপস্থিতি রয়েছে।
‘মেঘনাদবধ কাব্য’ রামায়ণের কাহিনি অবলম্বনে রচিত হলেও এতে রাবণপক্ষের চরিত্রগুলোকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করা হয়েছে।
কায়কোবাদের ‘মহাশ্মশান’ বাংলা মুসলিম কাব্যধারার গুরুত্বপূর্ণ মহাকাব্যধর্মী রচনা।
নবীনচন্দ্র সেনের মহাকাব্যিক রচনার মধ্যেও ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক ভাবধারার উপস্থিতি রয়েছে।
লোকসাহিত্য
Folk Literature
লোকসাহিত্য হলো সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত সাহিত্য। লোকসমাজের অভিজ্ঞতা, বিশ্বাস, কল্পনা, জীবনাচার, আনন্দ-বেদনা এবং সামাজিক মূল্যবোধ এর মধ্যে প্রতিফলিত হয়।
লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত প্রধান উপাদানের মধ্যে লোককাহিনি, লোকগান, ছড়া, প্রবাদ, ধাঁধা, গীতিকা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
বাংলা লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম সৃষ্টির মধ্যে ছড়ার উল্লেখ করা হয়েছে।
লোকসাহিত্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গবেষক ও প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। Folklore Society লোকসাহিত্য সংগ্রহ, গবেষণা ও সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত।
গীতিকা এক ধরনের আখ্যানধর্মী লোকগীতি। ইংরেজিতে একে Ballad বলা হয়।
লোকসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত প্রধান উপাদানের মধ্যে লোককাহিনি, লোকগান, ছড়া, প্রবাদ, ধাঁধা, গীতিকা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
বাংলা লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম সৃষ্টির মধ্যে ছড়ার উল্লেখ করা হয়েছে।
লোকসাহিত্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন গবেষক ও প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। Folklore Society লোকসাহিত্য সংগ্রহ, গবেষণা ও সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত।
গীতিকা এক ধরনের আখ্যানধর্মী লোকগীতি। ইংরেজিতে একে Ballad বলা হয়।
ময়মনসিংহ গীতিকা
Mymensingh Gitika
বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে প্রচলিত আখ্যানধর্মী লোকগানের সংকলনকে ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’ বলা হয়। প্রেম, বিরহ, সামাজিক সংঘাত, মানবিক সম্পর্ক ও গ্রামীণ জীবন এসব গীতিকার প্রধান বিষয়।
ড. দীনেশচন্দ্র সেন ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলন ও সম্পাদনার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত। স্থানীয় সংগ্রাহকদের সহায়তায় বিভিন্ন পালা ও লোকগীতি সংগ্রহ করা হয়।
চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের বহু গীতিকা সংগ্রহ করেন।
ময়মনসিংহ গীতিকার উল্লেখযোগ্য পালার মধ্যে ‘মহুয়া’, ‘চন্দ্রাবতী’, ‘কাজলরেখা’, ‘দেওয়ানা মদিনা’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
‘মহুয়া’ পালা এই গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় পালা হিসেবে বিবেচিত।
‘নাথ গীতিকা’ও বাংলা লোকসাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা। স্যার জর্জ গ্রিয়ারসনের সংগৃহীত লোকগানের সঙ্গে এ ধারার ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
পূর্ববঙ্গের লোকগীতির সংগ্রহ ও প্রকাশ বাংলা লোকসাহিত্য সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
ড. দীনেশচন্দ্র সেন ময়মনসিংহ গীতিকার সংকলন ও সম্পাদনার সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণভাবে যুক্ত। স্থানীয় সংগ্রাহকদের সহায়তায় বিভিন্ন পালা ও লোকগীতি সংগ্রহ করা হয়।
চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের বহু গীতিকা সংগ্রহ করেন।
ময়মনসিংহ গীতিকার উল্লেখযোগ্য পালার মধ্যে ‘মহুয়া’, ‘চন্দ্রাবতী’, ‘কাজলরেখা’, ‘দেওয়ানা মদিনা’ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
‘মহুয়া’ পালা এই গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় পালা হিসেবে বিবেচিত।
‘নাথ গীতিকা’ও বাংলা লোকসাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা। স্যার জর্জ গ্রিয়ারসনের সংগৃহীত লোকগানের সঙ্গে এ ধারার ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
পূর্ববঙ্গের লোকগীতির সংগ্রহ ও প্রকাশ বাংলা লোকসাহিত্য সংরক্ষণে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।
পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক পরিচিতি
রাজা রামমোহন রায় — সমাজসংস্কারক, বাংলা গদ্য ও ব্যাকরণচর্চার অগ্রদূত
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ভাষাবিদ ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষক
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বাংলা উপন্যাসের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — সমাজবাস্তবতানির্ভর জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক
প্রমথ চৌধুরী — চলিত গদ্যরীতির প্রধান প্রচারক
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — বাংলা গদ্যের শৃঙ্খলিত রূপের অন্যতম নির্মাতা
মীর মশাররফ হোসেন — বাংলা মুসলিম কথাসাহিত্যের অগ্রদূত
মাইকেল মধুসূদন দত্ত — অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও আধুনিক মহাকাব্যের পথিকৃৎ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, ছোটগল্পকার ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক
কাজী নজরুল ইসলাম — বিদ্রোহ, সাম্য ও মানবমুক্তির কবি
জসীমউদ্দীন — পল্লীকবি
জীবনানন্দ দাশ — আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতানির্ভর ঔপন্যাসিক
শওকত ওসমান — কথাসাহিত্যিক ও স্বৈরাচারবিরোধী সাহিত্যিক
বেগম রোকেয়া — নারীশিক্ষা ও নারীজাগরণের অগ্রদূত
সৈয়দ শামসুল হক — কবি, কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ভাষাবিদ ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষক
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — বাংলা উপন্যাসের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — সমাজবাস্তবতানির্ভর জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক
প্রমথ চৌধুরী — চলিত গদ্যরীতির প্রধান প্রচারক
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — বাংলা গদ্যের শৃঙ্খলিত রূপের অন্যতম নির্মাতা
মীর মশাররফ হোসেন — বাংলা মুসলিম কথাসাহিত্যের অগ্রদূত
মাইকেল মধুসূদন দত্ত — অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও আধুনিক মহাকাব্যের পথিকৃৎ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, ছোটগল্পকার ও নোবেলজয়ী সাহিত্যিক
কাজী নজরুল ইসলাম — বিদ্রোহ, সাম্য ও মানবমুক্তির কবি
জসীমউদ্দীন — পল্লীকবি
জীবনানন্দ দাশ — আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতানির্ভর ঔপন্যাসিক
শওকত ওসমান — কথাসাহিত্যিক ও স্বৈরাচারবিরোধী সাহিত্যিক
বেগম রোকেয়া — নারীশিক্ষা ও নারীজাগরণের অগ্রদূত
সৈয়দ শামসুল হক — কবি, কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার
দ্রুত পুনরালোচনা
গৌড়ীয় ব্যাকরণ — রাজা রামমোহন রায়
বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত — ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে — শামসুর রাহমান
জননী — শওকত ওসমান
লালসালু — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
মতিচূর — বেগম রোকেয়া
দুর্গেশনন্দিনী — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
পথের দাবী — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বীরবলের হালখাতা — প্রমথ চৌধুরী
বিষাদসিন্ধু — মীর মশাররফ হোসেন
অগ্নিবীণা — কাজী নজরুল ইসলাম
গীতাঞ্জলি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
নকশী কাঁথার মাঠ — জসীমউদ্দীন
মেঘনাদবধ কাব্য — মাইকেল মধুসূদন দত্ত
আরেক ফাল্গুন — জহির রায়হান
বনলতা সেন — জীবনানন্দ দাশ
মহাশ্মশান — কায়কোবাদ
সাত সাগরের মাঝি — ফররুখ আহমদ
নীলদর্পণ — দীনবন্ধু মিত্র
কবর — মুনীর চৌধুরী
পালামৌ — সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ময়মনসিংহ গীতিকা — বাংলা লোকসাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ গীতিকা-সংকলন
বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত — ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে — শামসুর রাহমান
জননী — শওকত ওসমান
লালসালু — সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
মতিচূর — বেগম রোকেয়া
দুর্গেশনন্দিনী — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
পথের দাবী — শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বীরবলের হালখাতা — প্রমথ চৌধুরী
বিষাদসিন্ধু — মীর মশাররফ হোসেন
অগ্নিবীণা — কাজী নজরুল ইসলাম
গীতাঞ্জলি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
নকশী কাঁথার মাঠ — জসীমউদ্দীন
মেঘনাদবধ কাব্য — মাইকেল মধুসূদন দত্ত
আরেক ফাল্গুন — জহির রায়হান
বনলতা সেন — জীবনানন্দ দাশ
মহাশ্মশান — কায়কোবাদ
সাত সাগরের মাঝি — ফররুখ আহমদ
নীলদর্পণ — দীনবন্ধু মিত্র
কবর — মুনীর চৌধুরী
পালামৌ — সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ময়মনসিংহ গীতিকা — বাংলা লোকসাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ গীতিকা-সংকলন