পদ প্রকরণ, ক্রিয়া, কাল, বাক্য ও বাক্য শুদ্ধিকরণ — Primary Teacher
পদ প্রকরণ, ক্রিয়া, কাল, বাক্য ও বাক্য শুদ্ধিকরণ: বাংলা, Primary Teacher পাঠ ও 45টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/1।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- পদ প্রকরণ
- বিশেষ্য পদ
- সর্বনাম পদ
- বিশেষণ পদ
- ক্রিয়া বিশেষণ ও অন্যান্য বিশেষণ
- অব্যয় পদ
- ক্রিয়াপদ
- সকর্মক ও অকর্মক ক্রিয়া
- দ্বিকর্মক ও সমধাতুজ কর্ম
- প্রযোজক ক্রিয়া
- যৌগিক ও মিশ্র ক্রিয়া
- ক্রিয়ার ভাব
- বাংলা ক্রিয়ার কাল
- বর্তমান কাল
- অতীত কাল
- ভবিষ্যৎ কাল
- বাক্য-প্রকরণ
- সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য
- বাক্য শুদ্ধিকরণ
- গুরুত্বপূর্ণ শুদ্ধিকরণ বিধি
পদ প্রকরণ
Parts of Speech
বাক্যে ব্যবহৃত অর্থবোধক শব্দকে পদ বলা হয়। একটি শব্দ বাক্যে প্রবেশ করার পর তার অর্থ, কাজ এবং অন্য পদের সঙ্গে সম্পর্ক অনুযায়ী নির্দিষ্ট পদ হিসেবে গণ্য হয়।
বাংলা ব্যাকরণে পদকে মূলত দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়—
১। সব্যয় পদ
২। অব্যয় পদ
সব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত প্রধান পদগুলো হলো—
বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়া।
অব্যয় পদ সাধারণত রূপ পরিবর্তন করে না।
বাংলা ব্যাকরণে পদকে মূলত দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়—
১। সব্যয় পদ
২। অব্যয় পদ
সব্যয় পদের অন্তর্ভুক্ত প্রধান পদগুলো হলো—
বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও ক্রিয়া।
অব্যয় পদ সাধারণত রূপ পরিবর্তন করে না।
বিশেষ্য পদ
Noun
যে পদ দ্বারা ব্যক্তি, প্রাণী, বস্তু, স্থান, কাল, জাতি, গুণ, ভাব, কর্ম বা কোনো বিষয়ের নাম বোঝানো হয়, তাকে বিশেষ্য পদ বলা হয়।
বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার—
১। নাম বা সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য
২। জাতিবাচক বিশেষ্য
৩। সমষ্টিবাচক বিশেষ্য
৪। বস্তু বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য
৫। গুণবাচক বিশেষ্য
৬। ভাববাচক বিশেষ্য
বিশেষ্য পদ প্রধানত ছয় প্রকার—
১। নাম বা সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য
২। জাতিবাচক বিশেষ্য
৩। সমষ্টিবাচক বিশেষ্য
৪। বস্তু বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য
৫। গুণবাচক বিশেষ্য
৬। ভাববাচক বিশেষ্য
নাম বা সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য
যে বিশেষ্য দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দেশ, স্থান, নদী, পর্বত, প্রতিষ্ঠান বা ভৌগোলিক সত্তার নিজস্ব নাম বোঝানো হয়, তাকে নাম বা সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য বলা হয়।
উদাহরণ—
মিজান, তারেক, বাংলাদেশ, ঢাকা, দিনাজপুর, তিস্তা, পদ্মা, হিমালয়, বিসিএস, ওআইসি ইত্যাদি।
উদাহরণ—
মিজান, তারেক, বাংলাদেশ, ঢাকা, দিনাজপুর, তিস্তা, পদ্মা, হিমালয়, বিসিএস, ওআইসি ইত্যাদি।
জাতিবাচক বিশেষ্য
একই জাতি বা শ্রেণির সব ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ নাম বোঝাতে যে বিশেষ্য ব্যবহৃত হয়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে।
উদাহরণ—
মানুষ, গরু, পাখি, গাছ, বালক, নদী ইত্যাদি।
উদাহরণ—
মানুষ, গরু, পাখি, গাছ, বালক, নদী ইত্যাদি।
সমষ্টিবাচক বিশেষ্য
কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টিকে এককভাবে বোঝালে সেই বিশেষ্যকে সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলা হয়।
উদাহরণ—
জনতা, সমিতি, সভা, পঞ্চায়েত, বাহিনী ইত্যাদি।
উদাহরণ—
জনতা, সমিতি, সভা, পঞ্চায়েত, বাহিনী ইত্যাদি।
বস্তু বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য
যে বিশেষ্য কোনো উপাদান, পদার্থ বা দ্রব্যের নাম প্রকাশ করে, তাকে বস্তু বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য বলা হয়।
উদাহরণ—
বই, খাতা, কলম, মাটি, চাল, চিনি, লবণ, কাঠ, পানি ইত্যাদি।
উদাহরণ—
বই, খাতা, কলম, মাটি, চাল, চিনি, লবণ, কাঠ, পানি ইত্যাদি।
গুণবাচক বিশেষ্য
যে বিশেষ্যের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর গুণ, দোষ, অবস্থা অথবা বৈশিষ্ট্যের নাম প্রকাশ করা হয়, তাকে গুণবাচক বিশেষ্য বলা হয়।
উদাহরণ—
সৌন্দর্য, সততা, বাহ্যিকতা, মূর্খতা, সুখ, দুঃখ ইত্যাদি।
উদাহরণ—
সৌন্দর্য, সততা, বাহ্যিকতা, মূর্খতা, সুখ, দুঃখ ইত্যাদি।
ভাববাচক বিশেষ্য
কোনো ক্রিয়ার কাজ, অবস্থা বা ভাবকে বিশেষ্যরূপে প্রকাশ করলে তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলা হয়।
যেমন—
গমন, ভোজন, দর্শন, শয়ন ইত্যাদি।
যেমন—
গমন, ভোজন, দর্শন, শয়ন ইত্যাদি।
সর্বনাম পদ
Pronoun
বিশেষ্যের পুনরাবৃত্তি এড়িয়ে তার পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম বলা হয়।
যেমন—
হস্তী একটি বৃহৎ প্রাণী। তার শরীর বিশাল।
এখানে দ্বিতীয় বাক্যের ‘তার’ শব্দটি ‘হস্তী’ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই ‘তার’ সর্বনাম।
বাংলা ভাষায় সর্বনামের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণি হলো—
১। ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম
২। আত্মবাচক সর্বনাম
৩। সামীপ্যবাচক সর্বনাম
৪। দূরত্ববাচক সর্বনাম
৫। সাকল্যবাচক সর্বনাম
৬। প্রশ্নবাচক সর্বনাম
৭। অনির্দিষ্টতাবাচক সর্বনাম
৮। ব্যতিহারিক সর্বনাম
৯। সংযোগজ্ঞাপক সর্বনাম
১০। অন্যাদিবাচক সর্বনাম
যেমন—
হস্তী একটি বৃহৎ প্রাণী। তার শরীর বিশাল।
এখানে দ্বিতীয় বাক্যের ‘তার’ শব্দটি ‘হস্তী’ বিশেষ্যের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে। তাই ‘তার’ সর্বনাম।
বাংলা ভাষায় সর্বনামের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণি হলো—
১। ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনাম
২। আত্মবাচক সর্বনাম
৩। সামীপ্যবাচক সর্বনাম
৪। দূরত্ববাচক সর্বনাম
৫। সাকল্যবাচক সর্বনাম
৬। প্রশ্নবাচক সর্বনাম
৭। অনির্দিষ্টতাবাচক সর্বনাম
৮। ব্যতিহারিক সর্বনাম
৯। সংযোগজ্ঞাপক সর্বনাম
১০। অন্যাদিবাচক সর্বনাম
সর্বনামের পুরুষ
ব্যাকরণে সর্বনামের পুরুষ প্রধানত তিন প্রকার—
১। উত্তম পুরুষ
২। মধ্যম পুরুষ
৩। নাম পুরুষ
উত্তম পুরুষ
বক্তা নিজেকে নির্দেশ করতে যে সর্বনাম ব্যবহার করেন।
যেমন— আমি, আমরা, আমাকে, আমাদের।
মধ্যম পুরুষ
যাকে উদ্দেশ করে কথা বলা হয় তাকে নির্দেশকারী সর্বনাম।
যেমন— তুমি, তোমরা, আপনি, আপনারা, তোরা ইত্যাদি।
নাম পুরুষ
বক্তা ও শ্রোতা ছাড়া অন্য ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুকে নির্দেশকারী সর্বনাম।
যেমন— সে, তারা, তিনি, তাঁরা, তাকে, তাদের ইত্যাদি।
১। উত্তম পুরুষ
২। মধ্যম পুরুষ
৩। নাম পুরুষ
উত্তম পুরুষ
বক্তা নিজেকে নির্দেশ করতে যে সর্বনাম ব্যবহার করেন।
যেমন— আমি, আমরা, আমাকে, আমাদের।
মধ্যম পুরুষ
যাকে উদ্দেশ করে কথা বলা হয় তাকে নির্দেশকারী সর্বনাম।
যেমন— তুমি, তোমরা, আপনি, আপনারা, তোরা ইত্যাদি।
নাম পুরুষ
বক্তা ও শ্রোতা ছাড়া অন্য ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুকে নির্দেশকারী সর্বনাম।
যেমন— সে, তারা, তিনি, তাঁরা, তাকে, তাদের ইত্যাদি।
বিশেষণ পদ
Adjective
যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম, ক্রিয়া অথবা অন্য কোনো পদের গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ বলা হয়।
যেমন—
চঞ্চল গাড়ি
মায়াবী তুমি
দ্রুত চল
প্রথম উদাহরণে ‘চঞ্চল’ বিশেষ্যকে, দ্বিতীয়টিতে ‘মায়াবী’ সর্বনামকে এবং তৃতীয়টিতে ‘দ্রুত’ ক্রিয়াকে বিশেষিত করেছে।
বিশেষণ প্রধানত দুই ভাগে আলোচনা করা যায়—
১। নাম বিশেষণ
২। ভাব বিশেষণ
যেমন—
চঞ্চল গাড়ি
মায়াবী তুমি
দ্রুত চল
প্রথম উদাহরণে ‘চঞ্চল’ বিশেষ্যকে, দ্বিতীয়টিতে ‘মায়াবী’ সর্বনামকে এবং তৃতীয়টিতে ‘দ্রুত’ ক্রিয়াকে বিশেষিত করেছে।
বিশেষণ প্রধানত দুই ভাগে আলোচনা করা যায়—
১। নাম বিশেষণ
২। ভাব বিশেষণ
নাম বিশেষণের প্রকারভেদ
নাম বিশেষণ বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শ্রেণি হলো—
১। রূপবাচক — নীল আকাশ, কালো মেঘ
২। গুণবাচক — দক্ষ কারিগর, ঠান্ডা হাওয়া
৩। অবস্থাবাচক — ভাঙা মাছ, রোগা ছেলে
৪। সংখ্যাবাচক — হাজার লোক, দশ টাকা
৫। ক্রমবাচক — দশম শ্রেণি, প্রথম কন্যা
৬। পরিমাণবাচক — পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা, এক কেজি চাল
৭। অংশবাচক — অর্ধেক সম্পত্তি, সিকি পথ
৮। উপাদানবাচক — রেশমি কাপড়, মাটির পাত্র
৯। প্??শ্নবাচক — কতজন মানুষ, কেমন অবস্থা
১০। নির্দিষ্টতাজ্ঞাপক — এই লোক, সেই ছেলে
১। রূপবাচক — নীল আকাশ, কালো মেঘ
২। গুণবাচক — দক্ষ কারিগর, ঠান্ডা হাওয়া
৩। অবস্থাবাচক — ভাঙা মাছ, রোগা ছেলে
৪। সংখ্যাবাচক — হাজার লোক, দশ টাকা
৫। ক্রমবাচক — দশম শ্রেণি, প্রথম কন্যা
৬। পরিমাণবাচক — পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা, এক কেজি চাল
৭। অংশবাচক — অর্ধেক সম্পত্তি, সিকি পথ
৮। উপাদানবাচক — রেশমি কাপড়, মাটির পাত্র
৯। প্??শ্নবাচক — কতজন মানুষ, কেমন অবস্থা
১০। নির্দিষ্টতাজ্ঞাপক — এই লোক, সেই ছেলে
ভাব বিশেষণ
Adverb and Other Modifiers
যে বিশেষণ বিশেষ্য বা সর্বনাম ছাড়া অন্য কোনো পদকে বিশেষিত করে, তাকে ভাব বিশেষণ বলা যায়।
ভাব বিশেষণের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ব্যবহার—
১। ক্রিয়া বিশেষণ
২। বিশেষণের বিশেষণ
৩। অব্যয়ের বিশেষণ
৪। বাক্যের বিশেষণ
উদাহরণ—
ধীরে ধীরে বায়ু বয়।
খুব সুন্দর ফুল।
একেবারে ঠিক কথা।
দুর্ভাগ্যক্রমে আজ আমাদের যেতে হবে।
ভাব বিশেষণের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ব্যবহার—
১। ক্রিয়া বিশেষণ
২। বিশেষণের বিশেষণ
৩। অব্যয়ের বিশেষণ
৪। বাক্যের বিশেষণ
উদাহরণ—
ধীরে ধীরে বায়ু বয়।
খুব সুন্দর ফুল।
একেবারে ঠিক কথা।
দুর্ভাগ্যক্রমে আজ আমাদের যেতে হবে।
অব্যয় পদ
Indeclinable Words
যে শব্দের ব্যয় বা রূপান্তর ঘটে না তাকে অব্যয় বলা হয়। অর্থাৎ লিঙ্গ, বচন, পুরুষ বা বিভক্তির কারণে অব্যয়ের সাধারণত রূপ পরিবর্তিত হয় না।
অব্যয় কখনো শব্দের সঙ্গে শব্দ, কখনো বাক্যের সঙ্গে বাক্য যুক্ত করে; আবার কখনো মনের ভাব বা বাক্যের বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
অব্যয় প্রধানত চার প্রকার—
১। সমুচ্চয়ী অব্যয়
২। অনন্বয়ী অব্যয়
৩। অনুসর্গ
৪। অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়
অব্যয় কখনো শব্দের সঙ্গে শব্দ, কখনো বাক্যের সঙ্গে বাক্য যুক্ত করে; আবার কখনো মনের ভাব বা বাক্যের বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
অব্যয় প্রধানত চার প্রকার—
১। সমুচ্চয়ী অব্যয়
২। অনন্বয়ী অব্যয়
৩। অনুসর্গ
৪। অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়
সমুচ্চয়ী অব্যয়
যে অব্যয় একটি পদ বা বাক্যের সঙ্গে অন্য পদ বা বাক্যের সংযোগ, বিয়োগ অথবা ভাবের সংকোচন ঘটায়, তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলা হয়।
সমুচ্চয়ী অব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ রূপ—
ক। সংযোজক
খ। বিয়োজক
গ। সংকোচক
ঘ। অনুসামী সমুচ্চয়ী
উদাহরণ—
উচ্চপদ ও সামাজিক মর্যাদা সবাই চায়।
তিনি সৎ, তাই সবাই তাকে শ্রদ্ধা করে।
কিন্তু, বরং, অথচ প্রভৃতি শব্দও বাক্যে ভাবগত সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
সমুচ্চয়ী অব্যয়ের গুরুত্বপূর্ণ রূপ—
ক। সংযোজক
খ। বিয়োজক
গ। সংকোচক
ঘ। অনুসামী সমুচ্চয়ী
উদাহরণ—
উচ্চপদ ও সামাজিক মর্যাদা সবাই চায়।
তিনি সৎ, তাই সবাই তাকে শ্রদ্ধা করে।
কিন্তু, বরং, অথচ প্রভৃতি শব্দও বাক্যে ভাবগত সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
অনন্বয়ী অব্যয়
যে অব্যয় অন্য পদের সঙ্গে সরাসরি ব্যাকরণগত সম্বন্ধ না রেখে স্বাধীনভাবে মনের ভাব প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলা হয়।
এগুলো দ্বারা সম্মতি, অসম্মতি, বিস্ময়, সমর্থন, আবেগ, প্রশ্ন, সম্বোধন ইত্যাদি প্রকাশ করা যায়।
যেমন—
হ্যাঁ, আমি যাব।
না, আমি যাব না।
আহা, কী সুন্দর দৃশ্য!
ছিঃ, তুমি এমন কাজ করলে!
এগুলো দ্বারা সম্মতি, অসম্মতি, বিস্ময়, সমর্থন, আবেগ, প্রশ্ন, সম্বোধন ইত্যাদি প্রকাশ করা যায়।
যেমন—
হ্যাঁ, আমি যাব।
না, আমি যাব না।
আহা, কী সুন্দর দৃশ্য!
ছিঃ, তুমি এমন কাজ করলে!
অনুসর্গ অব্যয়
যে অব্যয় বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে বসে কারক-সম্পর্ক বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাকে অনুসর্গ বলা হয়।
যেমন—
তোমার জন্য
তার থেকে
বাড়ির দিকে
তোমাকে দিয়ে
অনুসর্গকে পদান্বয়ী অব্যয়ও বলা হয়।
যেমন—
তোমার জন্য
তার থেকে
বাড়ির দিকে
তোমাকে দিয়ে
অনুসর্গকে পদান্বয়ী অব্যয়ও বলা হয়।
অনুকার ও ধ্বন্যাত্মক অব্যয়
কোনো শব্দ, আওয়াজ, চলন বা অনুভূতির অনুকরণে গঠিত শব্দকে অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলা হয়।
উদাহরণ—
ঝমঝম, কলকল, গরগর, টুংটাং, কটকট, খটখট, মরমর, কুহুকুহু ইত্যাদি।
উদাহরণ—
ঝমঝম, কলকল, গরগর, টুংটাং, কটকট, খটখট, মরমর, কুহুকুহু ইত্যাদি।
ক্রিয়াপদ
Verb
যে পদ দ্বারা কোনো কাজ সম্পাদন করা বোঝায় তাকে ক্রিয়াপদ বলা হয়।
যেমন—
শামীম নতুন বই পড়ছে।
তোমরা আগামী মাসে পরীক্ষা দেবে।
‘পড়ছে’ এবং ‘দেবে’ শব্দ দুটি কাজ সংঘটিত হওয়া প্রকাশ করেছে। তাই এগুলো ক্রিয়াপদ।
ক্রিয়াপদের গঠন সাধারণভাবে ধাতুর সঙ্গে কাল ও পুরুষ অনুযায়ী ক্রিয়াবিভক্তি যোগের মাধ্যমে হয়।
যেমন—
শামীম নতুন বই পড়ছে।
তোমরা আগামী মাসে পরীক্ষা দেবে।
‘পড়ছে’ এবং ‘দেবে’ শব্দ দুটি কাজ সংঘটিত হওয়া প্রকাশ করেছে। তাই এগুলো ক্রিয়াপদ।
ক্রিয়াপদের গঠন সাধারণভাবে ধাতুর সঙ্গে কাল ও পুরুষ অনুযায়ী ক্রিয়াবিভক্তি যোগের মাধ্যমে হয়।
সমাপিকা ও অসমাপিকা ক্রিয়া
অর্থের পূর্ণতার দিক থেকে ক্রিয়াকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়—
১। সমাপিকা ক্রিয়া
২। অসমাপিকা ক্রিয়া
সমাপিকা ক্রিয়া
যে ক্রিয়া বাক্যের ভাব সম্পূর্ণ করে তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলা হয়।
যেমন— বালকেরা খেলা করছে।
অসমাপিকা ক্রিয়া
যে ক্রিয়ার মাধ্যমে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং ভাব পূর্ণ করতে আরেকটি ক্রিয়ার প্রয়োজন পড়ে, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলা হয়।
যেমন—
প্রভাতে সূর্য উঠলে ...
আমরা হাত-মুখ ধুয়ে ...
আমরা বিকেলে খেলতে ...
এসব বাক্যাংশের অর্থ সম্পূর্ণ করতে আরও ক্রিয়া প্রয়োজন।
১। সমাপিকা ক্রিয়া
২। অসমাপিকা ক্রিয়া
সমাপিকা ক্রিয়া
যে ক্রিয়া বাক্যের ভাব সম্পূর্ণ করে তাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলা হয়।
যেমন— বালকেরা খেলা করছে।
অসমাপিকা ক্রিয়া
যে ক্রিয়ার মাধ্যমে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না এবং ভাব পূর্ণ করতে আরেকটি ক্রিয়ার প্রয়োজন পড়ে, তাকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলা হয়।
যেমন—
প্রভাতে সূর্য উঠলে ...
আমরা হাত-মুখ ধুয়ে ...
আমরা বিকেলে খেলতে ...
এসব বাক্যাংশের অর্থ সম্পূর্ণ করতে আরও ক্রিয়া প্রয়োজন।
সকর্মক ও অকর্মক ক্রিয়া
যে ক্রিয়ার সঙ্গে ‘কী’ বা ‘কাকে’ প্রশ্ন করলে কর্ম পাওয়া যায়, তাকে সকর্মক ক্রিয়া বলা হয়।
যেমন—
বাবা আমাকে একটি বই দিয়েছেন।
কী দিয়েছেন? — বই।
কাকে দিয়েছেন? — আমাকে।
অন্যদিকে যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম থাকে না তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন—
মেয়েটি হাসে।
‘কী হাসে’ বা ‘কাকে হাসে’ প্রশ্নের উপযুক্ত কর্ম পাওয়া যায় না। তাই এখানে ‘হাসে’ অকর্মক ক্রিয়া।
যেমন—
বাবা আমাকে একটি বই দিয়েছেন।
কী দিয়েছেন? — বই।
কাকে দিয়েছেন? — আমাকে।
অন্যদিকে যে ক্রিয়ার কোনো কর্ম থাকে না তাকে অকর্মক ক্রিয়া বলে।
যেমন—
মেয়েটি হাসে।
‘কী হাসে’ বা ‘কাকে হাসে’ প্রশ্নের উপযুক্ত কর্ম পাওয়া যায় না। তাই এখানে ‘হাসে’ অকর্মক ক্রিয়া।
একই ক্রিয়ার সকর্মক ও অকর্মক ব্যবহার
প্রয়োগভেদে একই ক্রিয়া কখনো অকর্মক, আবার কখনো সকর্মক হতে পারে।
অকর্মক — আমি চোখে দেখি না।
সকর্মক — আকাশে চাঁদ দেখি না।
অকর্মক — ছেলেটা কানে শোনে না।
সকর্মক — ছেলেটা কথা শোনে।
অর্থাৎ বাক্যে কর্মের উপস্থিতির ওপর ক্রিয়ার প্রকৃতি নির্ভর করতে পারে।
অকর্মক — আমি চোখে দেখি না।
সকর্মক — আকাশে চাঁদ দেখি না।
অকর্মক — ছেলেটা কানে শোনে না।
সকর্মক — ছেলেটা কথা শোনে।
অর্থাৎ বাক্যে কর্মের উপস্থিতির ওপর ক্রিয়ার প্রকৃতি নির্ভর করতে পারে।
দ্বিকর্মক ক্রিয়া
যে ক্রিয়ার সঙ্গে দুটি কর্ম যুক্ত থাকে তাকে দ্বিকর্মক ক্রিয়া বলা হয়।
সাধারণত একটি মুখ্য কর্ম এবং অন্যটি গৌণ কর্ম হয়।
যেমন—
আমাকে একটি বই দিলেন।
এখানে ‘বই’ মুখ্য কর্ম এবং ‘আমাকে’ গৌণ কর্ম।
সাধারণত একটি মুখ্য কর্ম এবং অন্যটি গৌণ কর্ম হয়।
যেমন—
আমাকে একটি বই দিলেন।
এখানে ‘বই’ মুখ্য কর্ম এবং ‘আমাকে’ গৌণ কর্ম।
সমধাতুজ কর্ম
ক্রিয়া এবং কর্ম একই ধাতু থেকে উৎপন্ন হলে সেই কর্মকে সমধাতুজ কর্ম বলা হয়।
যেমন—
এমন সুন্দর মরণ কে মরতে পারে?
বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি।
এখানে ‘মরণ’ ও ‘মরতে’, আবার ‘ঘুম’ ও ‘ঘুমিয়েছি’ একই ধাতুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
যেমন—
এমন সুন্দর মরণ কে মরতে পারে?
বেশ এক ঘুম ঘুমিয়েছি।
এখানে ‘মরণ’ ও ‘মরতে’, আবার ‘ঘুম’ ও ‘ঘুমিয়েছি’ একই ধাতুর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
প্রযোজক ক্রিয়া
যে ক্রিয়া কোনো ব্যক্তির উদ্যোগে অন্য ব্যক্তির দ্বারা সম্পাদিত হয় তাকে প্রযোজক ক্রিয়া বলা হয়।
যে ব্যক্তি কাজ করায় তাকে প্রযোজক কর্তা এবং যার মাধ্যমে কাজটি সংঘটিত হয় তাকে প্রযোজ্য কর্তা বলা হয়।
যেমন—
মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
বাবা শিশুকে হাসাচ্ছেন।
প্রযোজক ক্রিয়া গঠনে মূল ধাতুর সঙ্গে বিশেষ প্রত্যয় বা ক্রিয়াংশ যুক্ত হতে পারে।
যে ব্যক্তি কাজ করায় তাকে প্রযোজক কর্তা এবং যার মাধ্যমে কাজটি সংঘটিত হয় তাকে প্রযোজ্য কর্তা বলা হয়।
যেমন—
মা শিশুকে চাঁদ দেখাচ্ছেন।
বাবা শিশুকে হাসাচ্ছেন।
প্রযোজক ক্রিয়া গঠনে মূল ধাতুর সঙ্গে বিশেষ প্রত্যয় বা ক্রিয়াংশ যুক্ত হতে পারে।
যৌগিক ক্রিয়া
একটি অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে একটি সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলা হয়।
যেমন—
ঘটনাটি শুনে রাখ।
তিনি বলতে লাগলেন।
ছেলেমেয়েরা ভয়ে পড়ল।
সাইরেন বেজে উঠল।
এখন যেতে পার।
যৌগিক ক্রিয়ায় প্রথম অংশটি মূল ক্রিয়ার ভাব বহন করে এবং পরবর্তী অংশটি অর্থকে সম্পূর্ণ বা বিশেষায়িত করে।
যেমন—
ঘটনাটি শুনে রাখ।
তিনি বলতে লাগলেন।
ছেলেমেয়েরা ভয়ে পড়ল।
সাইরেন বেজে উঠল।
এখন যেতে পার।
যৌগিক ক্রিয়ায় প্রথম অংশটি মূল ক্রিয়ার ভাব বহন করে এবং পরবর্তী অংশটি অর্থকে সম্পূর্ণ বা বিশেষায়িত করে।
মিশ্র ক্রিয়া
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক পদের সঙ্গে কর, হ, দে, পা, যা, কাট, মার, ধর ইত্যাদি ধাতু যোগ হয়ে যে ক্রিয়াপদ তৈরি হয়, তাকে মিশ্র ক্রিয়া বলা হয়।
যেমন—
দর্শন করলাম
প্রশ্রয় দিও না
মাথা ঝিমঝিম করছে
বৃষ্টি ঝমঝম করছে
যেমন—
দর্শন করলাম
প্রশ্রয় দিও না
মাথা ঝিমঝিম করছে
বৃষ্টি ঝমঝম করছে
ক্রিয়ার ভাব
The Mood of Verbs
ক্রিয়ার মাধ্যমে বক্তার বক্তব্য, আদেশ, ইচ্ছা, শর্ত, সম্ভাবনা বা কামনার যে ভঙ্গি প্রকাশ পায় তাকে ক্রিয়ার ভাব বলা হয়।
ক্রিয়ার ভাব প্রধানত চার প্রকার—
১। নির্দেশক ভাব — Indicative Mood
২। অনুজ্ঞা ভাব — Imperative Mood
৩। সাপেক্ষ ভাব — Subjunctive Mood
৪। আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব — Optative Mood
ক্রিয়ার ভাব প্রধানত চার প্রকার—
১। নির্দেশক ভাব — Indicative Mood
২। অনুজ্ঞা ভাব — Imperative Mood
৩। সাপেক্ষ ভাব — Subjunctive Mood
৪। আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব — Optative Mood
নির্দেশক ভাব
সাধারণ ঘটনা, তথ্য বা প্রশ্ন সরাসরি প্রকাশ করলে নির্দেশক ভাব ব্যবহৃত হয়।
যেমন—
আমরা বই পড়ি।
তারা বাড়ি যাবে।
আপনি কি আসবেন?
সে কি গিয়েছিল?
যেমন—
আমরা বই পড়ি।
তারা বাড়ি যাবে।
আপনি কি আসবেন?
সে কি গিয়েছিল?
অনুজ্ঞা ভাব
আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ, উপদেশ বা অনুমতির ভাব প্রকাশে অনুজ্ঞা ভাব ব্যবহৃত হয়।
যেমন—
চুপ কর।
অন্যায় কাজ করো না।
ঘটনাটি শুনে যাও ভাই।
মন দিয়ে পড়।
যেমন—
চুপ কর।
অন্যায় কাজ করো না।
ঘটনাটি শুনে যাও ভাই।
মন দিয়ে পড়।
সাপেক্ষ ভাব
একটি ক্রিয়ার সংঘটন যখন অন্য কোনো শর্ত, ঘটনা বা ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে, তখন সাপেক্ষ ভাব প্রকাশ পায়।
যেমন—
তিনি ফিরে এলে সব সমস্যার সমাধান হবে।
যদি সে পড়ত, তবে পাশ করত।
ভালো করে পড়লে সফল হবে।
যেমন—
তিনি ফিরে এলে সব সমস্যার সমাধান হবে।
যদি সে পড়ত, তবে পাশ করত।
ভালো করে পড়লে সফল হবে।
আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব
ইচ্ছা, প্রার্থনা, আশীর্বাদ, কামনা বা আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করলে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব হয়।
যেমন—
সে যাক।
সে সুখী হোক।
বৃষ্টি আসুক।
তার মঙ্গল হোক।
যেমন—
সে যাক।
সে সুখী হোক।
বৃষ্টি আসুক।
তার মঙ্গল হোক।
বাংলা ক্রিয়ার কাল
Bangla Tense
ক্রিয়া সংঘটনের সময়কে ক্রিয়ার কাল বলা হয়।
বাংলা ক্রিয়ার কাল প্রধানত তিন প্রকার—
১। বর্তমান কাল
২। অতীত কাল
৩। ভবিষ্যৎ কাল
যেমন—
আমি ভাত খাই — বর্তমান কাল
আমি ভাত খেয়েছিলাম — অতীত কাল
আমি ভাত খাব — ভবিষ্যৎ কাল
বাংলা ক্রিয়ার কাল প্রধানত তিন প্রকার—
১। বর্তমান কাল
২। অতীত কাল
৩। ভবিষ্যৎ কাল
যেমন—
আমি ভাত খাই — বর্তমান কাল
আমি ভাত খেয়েছিলাম — অতীত কাল
আমি ভাত খাব — ভবিষ্যৎ কাল
বর্তমান কাল
বর্তমানে ঘটে বা চলমান এমন ক্রিয়াকে বর্তমান কাল বলা হয়।
বর্তমান কাল প্রধানত তিন প্রকার—
১। সাধারণ বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল
২। ঘটমান বর্তমান কাল
৩। পুরাঘটিত বর্তমান কাল
বর্তমান কাল প্রধানত তিন প্রকার—
১। সাধারণ বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল
২। ঘটমান বর্তমান কাল
৩। পুরাঘটিত বর্তমান কাল
সাধারণ বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান
স্বাভাবিক ঘটনা, অভ্যাস, চিরন্তন সত্য, ঐতিহাসিক বর্তমান অথবা নিয়মিত কাজ বোঝাতে সাধারণ বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান ব্যবহৃত হয়।
যেমন—
সূর্য পূর্বদিকে উদিত হয়।
আমি প্রতিদিন সকালে হাঁটতে যাই।
পাঁচ আর তিনে আট হয়।
শর্তযুক্ত বাস্তব বাক্যেও সাধারণ বর্তমান ব্যবহৃত হতে পারে।
যেমন—
সূর্য পূর্বদিকে উদিত হয়।
আমি প্রতিদিন সকালে হাঁটতে যাই।
পাঁচ আর তিনে আট হয়।
শর্তযুক্ত বাস্তব বাক্যেও সাধারণ বর্তমান ব্যবহৃত হতে পারে।
ঘটমান বর্তমান
যে কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে কিন্তু এখনো শেষ হয়নি এবং বর্তমানে চলছে, তাকে ঘটমান বর্তমান বলা হয়।
যেমন—
মনি বই লিখছে।
আমি ভাত খাচ্ছি।
যেমন—
মনি বই লিখছে।
আমি ভাত খাচ্ছি।
পুরাঘটিত বর্তমান
যে কাজ অল্প আগে শেষ হয়েছে কিন্তু তার ফল বা প্রভাব বর্তমানেও বিদ্যমান, তাকে পুরাঘটিত বর্তমান বলা হয়।
যেমন—
শামীম অনার্স পাস করেছে।
আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।
যেমন—
শামীম অনার্স পাস করেছে।
আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।
অতীত কাল
বর্তমান সময়ের আগে সংঘটিত কাজ বা ঘটনাকে অতীত কাল বলা হয়।
বাংলায় অতীত কাল চার ভাগে আলোচিত হয়—
১। সাধারণ অতীত কাল
২। নিত্যবৃত্ত অতীত কাল
৩। ঘটমান অতীত কাল
৪। পুরাঘটিত অতীত কাল
বাংলায় অতীত কাল চার ভাগে আলোচিত হয়—
১। সাধারণ অতীত কাল
২। নিত্যবৃত্ত অতীত কাল
৩। ঘটমান অতীত কাল
৪। পুরাঘটিত অতীত কাল
সাধারণ অতীত কাল
অতীতে কোনো কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে এবং তার চলমানতার ওপর গুরুত্ব না থাকলে সাধারণ অতীত কাল ব্যবহৃত হয়।
যেমন—
প্রদীপ নদীতে গেল।
শিকারি পাখিটিকে গুলি করল।
যেমন—
প্রদীপ নদীতে গেল।
শিকারি পাখিটিকে গুলি করল।
নিত্যবৃত্ত অতীত কাল
অতীতে নিয়মিত, অভ্যাসগত বা বারবার সংঘটিত কোনো কাজ বোঝাতে নিত্যবৃত্ত অতীত ব্যবহৃত হয়।
যেমন—
আমরা তখন প্রতিদিন সকালে নদীর তীরে ভ্রমণ করতাম।
তার সঙ্গে আমি নিয়মিত পড়তে যেতাম।
তারা প্রতিদিন ঝগড়া করত।
অসম্ভব কামনা বা অবাস্তব শর্ত প্রকাশেও এই রূপ দেখা যেতে পারে।
যেমন—
আমরা তখন প্রতিদিন সকালে নদীর তীরে ভ্রমণ করতাম।
তার সঙ্গে আমি নিয়মিত পড়তে যেতাম।
তারা প্রতিদিন ঝগড়া করত।
অসম্ভব কামনা বা অবাস্তব শর্ত প্রকাশেও এই রূপ দেখা যেতে পারে।
ঘটমান অতীত কাল
অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময়ে যে কাজ চলমান ছিল কিন্তু তখনও শেষ হয়নি, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলা হয়।
যেমন—
কাল সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়ছিল।
আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
বাবা আমাদের পড়াশোনা দেখাচ্ছিলেন।
যেমন—
কাল সন্ধ্যায় বৃষ্টি পড়ছিল।
আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
বাবা আমাদের পড়াশোনা দেখাচ্ছিলেন।
পুরাঘটিত অতীত কাল
অতীতে একটি কাজ অন্য আরেকটি অতীত ঘটনার আগেই সম্পন্ন হয়েছিল বোঝাতে পুরাঘটিত অতীত ব্যবহৃত হয়।
যেমন—
তাকে তখনই দেখেছিলাম।
কাজটি কি তুমি করেছিলে?
অতীতে সংঘটিত ঘটনার নির্দিষ্ট বর্ণনা এবং পরবর্তী অতীত ঘটনার সঙ্গে সময়গত সম্পর্ক বোঝাতে এই কাল গুরুত্বপূর্ণ।
যেমন—
তাকে তখনই দেখেছিলাম।
কাজটি কি তুমি করেছিলে?
অতীতে সংঘটিত ঘটনার নির্দিষ্ট বর্ণনা এবং পরবর্তী অতীত ঘটনার সঙ্গে সময়গত সম্পর্ক বোঝাতে এই কাল গুরুত্বপূর্ণ।
ভবিষ্যৎ কাল
বর্তমানের পরে যে কাজ বা ঘটনা সংঘটিত হবে, তাকে ভবিষ্যৎ কাল বলা হয়।
ভবিষ্যৎ কাল তিন প্রকার—
১। সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল
২। ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল
৩। পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ কাল
ভবিষ্যৎ কাল তিন প্রকার—
১। সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল
২। ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল
৩। পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ কাল
সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল
ভবিষ্যতে সংঘটিত হবে এমন সাধারণ কাজ বোঝাতে সাধারণ ভবিষ্যৎ কাল ব্যবহৃত হয়।
যেমন—
শীঘ্রই বৃষ্টি আসবে।
আমি আগামীকাল যাব।
যেমন—
শীঘ্রই বৃষ্টি আসবে।
আমি আগামীকাল যাব।
ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল
ভবিষ্যতের কোনো সময়ে যে কাজ চলতে থাকবে, তাকে ঘটমান ভবিষ্যৎ কাল বলা হয়।
যেমন—
আমরা ফুটবল খেলতে থাকব।
তারা পড়াশোনা করতে থাকবে।
এই ধরনের বাক্যে ‘থাকব’, ‘থাকবে’, ‘থাকিবে’ প্রভৃতি সহায়ক ক্রিয়া ব্যবহৃত হতে পারে।
যেমন—
আমরা ফুটবল খেলতে থাকব।
তারা পড়াশোনা করতে থাকবে।
এই ধরনের বাক্যে ‘থাকব’, ‘থাকবে’, ‘থাকিবে’ প্রভৃতি সহায়ক ক্রিয়া ব্যবহৃত হতে পারে।
পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ কাল
ভবিষ্যতের কোনো সময়ের আগেই কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে— এমন ভাব প্রকাশ করলে পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ কাল হয়।
যেমন—
আমরা সেখানে গিয়ে থাকব।
যেমন—
আমরা সেখানে গিয়ে থাকব।
কাল নির্ণয়ে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালে সাধারণত তিনটি রূপ পাওয়া যায়— সাধারণ, ঘটমান ও পুরাঘটিত।
অতীত কালে সাধারণ রূপের পাশাপাশি নিত্যবৃত্ত অতীতের একটি স্বতন্ত্র ব্যবহার রয়েছে। তাই বাংলা অতীত কাল চার ভাগে আলোচনা করা হয়।
উদাহরণ—
প্রদীপ নদীতে গেল — সাধারণ অতীত
আমরা তখন প্রতিদিন নদীর তীরে ভ্রমণ করতাম — নিত্যবৃত্ত অতীত
অতীত কালে সাধারণ রূপের পাশাপাশি নিত্যবৃত্ত অতীতের একটি স্বতন্ত্র ব্যবহার রয়েছে। তাই বাংলা অতীত কাল চার ভাগে আলোচনা করা হয়।
উদাহরণ—
প্রদীপ নদীতে গেল — সাধারণ অতীত
আমরা তখন প্রতিদিন নদীর তীরে ভ্রমণ করতাম — নিত্যবৃত্ত অতীত
বাক্য-প্রকরণ
Sentence Structure
একটি সার্থক বাক্যের মাধ্যমে বক্তার মনের সম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ পায়। শব্দের এলোমেলো সমষ্টিকে বাক্য বলা যায় না। অর্থপূর্ণ ও সম্পূর্ণ বাক্যের জন্য কয়েকটি মৌলিক গুণ প্রয়োজন।
একটি সার্থক বাক্যের প্রধান তিন গুণ—
১। আকাঙ্ক্ষা
২। আসত্তি
৩। যোগ্যতা
একটি সার্থক বাক্যের প্রধান তিন গুণ—
১। আকাঙ্ক্ষা
২। আসত্তি
৩। যোগ্যতা
আকাঙ্ক্ষা
বাক্যের একটি অংশ শোনার পর পরবর্তী অংশ জানার যে স্বাভাবিক প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়, তাকে আকাঙ্ক্ষা বলা হয়।
যেমন—
‘চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে...’ বললে বাক্যটি তখনও সম্পূর্ণ মনে হয় না।
‘চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে’ বললে ভাব সম্পূর্ণ হয়।
যেমন—
‘চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে...’ বললে বাক্যটি তখনও সম্পূর্ণ মনে হয় না।
‘চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে’ বললে ভাব সম্পূর্ণ হয়।
আসত্তি
বাক্যের পরস্পর সম্পর্কযুক্ত পদ যথাযথ স্থানে এবং প্রয়োজনীয় নৈকট্যে ব্যবহৃত হওয়াকে আসত্তি বলা হয়।
সম্পর্কিত শব্দগুলো অযথা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে বাক্যের ভাব অস্পষ্ট বা অসম্পূর্ণ হয়ে যেতে পারে।
সম্পর্কিত শব্দগুলো অযথা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে বাক্যের ভাব অস্পষ্ট বা অসম্পূর্ণ হয়ে যেতে পারে।
যোগ্যতা
বাক্যের পদগুলোর অর্থ ও ভাবের মধ্যে যৌক্তিক সম্পর্ক থাকাকে যোগ্যতা বলা হয়।
শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে সাজানো হলেও যদি তাদের অর্থগত সম্পর্ক অসংগত হয়, তবে বাক্য সার্থক হয় না।
শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে সাজানো হলেও যদি তাদের অর্থগত সম্পর্ক অসংগত হয়, তবে বাক্য সার্থক হয় না।
সরল, জটিল ও যৌগিক বাক্য
গঠন অনুসারে বাক্য প্রধানত তিন প্রকার—
১। সরল বাক্য
২। জটিল বা মিশ্র বাক্য
৩। যৌগিক বাক্য
১। সরল বাক্য
২। জটিল বা মিশ্র বাক্য
৩। যৌগিক বাক্য
সরল বাক্য
যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটি প্রধান সমাপিকা ক্রিয়া থাকে এবং কোনো নির্ভরশীল খণ্ডবাক্য থাকে না, তাকে সরল বাক্য বলা হয়।
যেমন—
শামীম বই পড়ে।
আমার নতুন বই পড়তে ভালো লাগে।
যেমন—
শামীম বই পড়ে।
আমার নতুন বই পড়তে ভালো লাগে।
জটিল বা মিশ্র বাক্য
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের ওপর এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য নির্ভর করে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলা হয়।
এ ধরনের বাক্যে যদি, যদিও, যে, যিনি, যারা, যখন, তবে, তবুও প্রভৃতি সংযোগকারী শব্দ ব্যবহৃত হতে পারে।
যেমন—
যদি তোমার ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো।
এ ধরনের বাক্যে যদি, যদিও, যে, যিনি, যারা, যখন, তবে, তবুও প্রভৃতি সংযোগকারী শব্দ ব্যবহৃত হতে পারে।
যেমন—
যদি তোমার ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো।
যৌগিক বাক্য
দুই বা ততোধিক স্বাধীন সরল বাক্য সংযোজক বা বিয়োজক অব্যয়ের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলা হয়।
যেমন—
তিনি ধনী, কিন্তু কৃপণ।
তুমি আমার বাড়িতে এসো, আমি খুশি হব।
যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত সাধারণ সংযোজক শব্দ—
ও, এবং, আর, কিন্তু, বা, অথবা, কিংবা, বরং, তথাপি, সুতরাং, তাই ইত্যাদি।
যেমন—
তিনি ধনী, কিন্তু কৃপণ।
তুমি আমার বাড়িতে এসো, আমি খুশি হব।
যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত সাধারণ সংযোজক শব্দ—
ও, এবং, আর, কিন্তু, বা, অথবা, কিংবা, বরং, তথাপি, সুতরাং, তাই ইত্যাদি।
বাক্য শুদ্ধিকরণ
Sentence Correction
শুদ্ধ বাক্য গঠনের জন্য শব্দের রূপ, বিভক্তি, কারক, পুরুষ, ক্রিয়া, বচন, বানান, অর্থ এবং বাক্যবিন্যাসের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হয়।
বাক্য শুদ্ধিকরণে সাধারণত যেসব ত্রুটি বেশি দেখা যায়—
১। বানানগত ভুল
২। সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ
৩। বাচনগত ভুল
৪। বাহুল্যজনিত ভুল
৫। লিঙ্গজনিত ভুল
৬। বিভক্তির ভুল
৭। প্রবাদ-প্রবচনের ভুল প্রয়োগ
৮। বচনগত অসংগতি
৯। সমাসজনিত ভুল
১০। প্রত্যয়জনিত ভুল
১১। সন্ধিজনিত ভুল
১২। রচনাপদ্ধতির ভুল
১৩। পদের অসমঞ্জস্য
১৪। দ্বিত্ব বা পুনরুক্তি
বাক্য শুদ্ধিকরণে সাধারণত যেসব ত্রুটি বেশি দেখা যায়—
১। বানানগত ভুল
২। সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ
৩। বাচনগত ভুল
৪। বাহুল্যজনিত ভুল
৫। লিঙ্গজনিত ভুল
৬। বিভক্তির ভুল
৭। প্রবাদ-প্রবচনের ভুল প্রয়োগ
৮। বচনগত অসংগতি
৯। সমাসজনিত ভুল
১০। প্রত্যয়জনিত ভুল
১১। সন্ধিজনিত ভুল
১২। রচনাপদ্ধতির ভুল
১৩। পদের অসমঞ্জস্য
১৪। দ্বিত্ব বা পুনরুক্তি
বানান ও শব্দরূপের ভুল
শব্দের শুদ্ধ বানান না হলে বাক্যের শুদ্ধতা নষ্ট হয়।
উদাহরণ—
অশুদ্ধ: আমার আকাংক্ষা পূর্ণ হলো না।
শুদ্ধ: আমার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হলো না।
অশুদ্ধ: কথাটি ঠিক নয়।
শুদ্ধ রূপ নির্ধারণে শব্দের প্রচলিত ও প্রমিত বানান অনুসরণ করতে হবে।
উদাহরণ—
অশুদ্ধ: আমার আকাংক্ষা পূর্ণ হলো না।
শুদ্ধ: আমার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হলো না।
অশুদ্ধ: কথাটি ঠিক নয়।
শুদ্ধ রূপ নির্ধারণে শব্দের প্রচলিত ও প্রমিত বানান অনুসরণ করতে হবে।
সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ
একই বাক্যে সাধু ও চলিত ভাষার ক্রিয়ারূপ বা সর্বনাম অকারণে মেশানো উচিত নয়।
একই ভাষারীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শব্দ ও ক্রিয়ারূপ নির্বাচন করতে হবে।
যেমন—
‘দেখিয়া’ সাধুরীতির রূপ।
‘দেখে’ চলিত রীতির রূপ।
একই ভাষারীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শব্দ ও ক্রিয়ারূপ নির্বাচন করতে হবে।
যেমন—
‘দেখিয়া’ সাধুরীতির রূপ।
‘দেখে’ চলিত রীতির রূপ।
বাহুল্য ও পুনরুক্তি
একই অর্থ প্রকাশকারী দুটি শব্দ অপ্রয়োজনে একসঙ্গে ব্যবহার করলে বাক্যে বাহুল্য সৃষ্টি হয়।
যেমন—
‘আবার পুনরায়’ ধরনের প্রয়োগে একই অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটে।
একটি যথাযথ শব্দ ব্যবহার করলেই বাক্য স্পষ্ট ও শুদ্ধ হয়।
যেমন—
‘আবার পুনরায়’ ধরনের প্রয়োগে একই অর্থের পুনরাবৃত্তি ঘটে।
একটি যথাযথ শব্দ ব্যবহার করলেই বাক্য স্পষ্ট ও শুদ্ধ হয়।
লিঙ্গ ও বচনের সামঞ্জস্য
ব্যক্তি বা পদের লিঙ্গ এবং সংখ্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শব্দ ও ক্রিয়ার সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন।
একবচন কর্তার সঙ্গে অপ্রয়োজনে বহুবচনসূচক চিহ্ন ব্যবহার অথবা বহুবচন অর্থের সঙ্গে আবার অতিরিক্ত বহুবচনসূচক শব্দ ব্যবহার করা শুদ্ধ নয়।
একবচন কর্তার সঙ্গে অপ্রয়োজনে বহুবচনসূচক চিহ্ন ব্যবহার অথবা বহুবচন অর্থের সঙ্গে আবার অতিরিক্ত বহুবচনসূচক শব্দ ব্যবহার করা শুদ্ধ নয়।
বিভক্তির শুদ্ধ ব্যবহার
শব্দের সঙ্গে ভুল বিভক্তি যুক্ত হলে বাক্যের কারক-সম্পর্ক নষ্ট হয়।
তাই কর্তা, কর্ম, অধিকরণ, অপাদান, সম্বন্ধ ইত্যাদির অর্থ অনুযায়ী উপযুক্ত বিভক্তি নির্বাচন করতে হবে।
তাই কর্তা, কর্ম, অধিকরণ, অপাদান, সম্বন্ধ ইত্যাদির অর্থ অনুযায়ী উপযুক্ত বিভক্তি নির্বাচন করতে হবে।
অতীতবাচক শব্দের সঙ্গে বর্তমানকাল
‘গতকাল’, ‘গত বছর’, ‘সেদিন’ ইত্যাদি স্পষ্ট অতীতবাচক শব্দের সঙ্গে সাধারণত অতীতকালের ক্রিয়া ব্যবহার করতে হয়।
অতীতের সময় নির্দেশ করেও বর্তমানকালের ক্রিয়া ব্যবহার করলে বাক্যে কালগত অসংগতি দেখা দিতে পারে।
অতীতের সময় নির্দেশ করেও বর্তমানকালের ক্রিয়া ব্যবহার করলে বাক্যে কালগত অসংগতি দেখা দিতে পারে।
সম্মানসূচক কর্তা ও ক্রিয়া
সম্মানসূচক ব্যক্তিবাচক কর্তার সঙ্গে সম্মানসূচক ক্রিয়ারূপ ব্যবহার করতে হয়।
যেমন—
তিনি গেছেন।
আপনি এসেছেন।
‘তিনি গেছে’ বা ‘আপনি এসেছ’ ধরনের ব্যবহার প্রমিত রীতিতে গ্রহণযোগ্য নয়।
যেমন—
তিনি গেছেন।
আপনি এসেছেন।
‘তিনি গেছে’ বা ‘আপনি এসেছ’ ধরনের ব্যবহার প্রমিত রীতিতে গ্রহণযোগ্য নয়।
পুরুষ অনুযায়ী ক্রিয়ার সামঞ্জস্য
কর্তার পুরুষ পরিবর্তিত হলে ক্রিয়ার রূপও উপযুক্তভাবে পরিবর্তিত হয়।
যেমন—
আমি যাই।
তুমি যাও।
তিনি যান।
একই বাক্যে কর্তার পুরুষ ও ক্রিয়ার রূপের অসামঞ্জস্য বাক্যকে অশুদ্ধ করে।
যেমন—
আমি যাই।
তুমি যাও।
তিনি যান।
একই বাক্যে কর্তার পুরুষ ও ক্রিয়ার রূপের অসামঞ্জস্য বাক্যকে অশুদ্ধ করে।
সঠিক শব্দ নির্বাচন
শব্দের অর্থ কাছাকাছি হলেও সব শব্দ সব প্রসঙ্গে ব্যবহার করা যায় না। তাই বাক্যের ভাব অনুযায়ী নির্ভুল শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
উদাহরণস্বরূপ, সাক্ষী ও সাক্ষ্য এক অর্থের শব্দ নয়।
সাক্ষী ব্যক্তি নির্দেশ করে, আর সাক্ষ্য প্রমাণ বা বিবৃতি নির্দেশ করে।
উদাহরণস্বরূপ, সাক্ষী ও সাক্ষ্য এক অর্থের শব্দ নয়।
সাক্ষী ব্যক্তি নির্দেশ করে, আর সাক্ষ্য প্রমাণ বা বিবৃতি নির্দেশ করে।
বানানগত ই-কার ও উ-কারের সতর্কতা
বাংলা শব্দের শুদ্ধ রূপ নির্ধারণে ই-কার, ঈ-কার, উ-কার ও ঊ-কারের সঠিক ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ।
যেমন কিছু শব্দে উচ্চারণ কাছাকাছি হলেও বানানভেদে শুদ্ধ ও অশুদ্ধ রূপ সৃষ্টি হয়। পরীক্ষায় পরিচিত প্রমিত বানান অনুযায়ী উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
যেমন কিছু শব্দে উচ্চারণ কাছাকাছি হলেও বানানভেদে শুদ্ধ ও অশুদ্ধ রূপ সৃষ্টি হয়। পরীক্ষায় পরিচিত প্রমিত বানান অনুযায়ী উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
উপসর্গ ও শব্দগঠনজনিত ভুল
উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগের সময় মূল শব্দের গঠন এবং প্রচলিত প্রমিত রূপ লক্ষ করতে হয়। ভুল উপসর্গ বা প্রত্যয় ব্যবহারে নতুন শব্দটি অপ্রমিত হয়ে যেতে পারে।
বিশেষ করে নির-, অন-, অ-, সু-, দুর্- ইত্যাদি উপসর্গযুক্ত শব্দের শুদ্ধ রূপ পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে নির-, অন-, অ-, সু-, দুর্- ইত্যাদি উপসর্গযুক্ত শব্দের শুদ্ধ রূপ পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ।
বাক্যে অসম অর্থসম্পর্ক
একটি বাক্যের সব শব্দ ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ হলেও তাদের মধ্যে অর্থগত যোগ্যতা না থাকলে বাক্যটি গ্রহণযোগ্য হয় না।
সুতরাং বাক্য শুদ্ধিকরণে শুধু বানান বা ক্রিয়ারূপ নয়, সম্পূর্ণ বাক্যের অর্থও বিচার করতে হবে।
সুতরাং বাক্য শুদ্ধিকরণে শুধু বানান বা ক্রিয়ারূপ নয়, সম্পূর্ণ বাক্যের অর্থও বিচার করতে হবে।
পরীক্ষার জন্য দ্রুত শুদ্ধিকরণ কৌশল
বাক্য শুদ্ধ করার সময় ধাপে ধাপে নিচের বিষয়গুলো পরীক্ষা করা সুবিধাজনক—
১। কোনো শব্দের বানান ভুল কি না দেখুন।
২। কর্তা ও ক্রিয়ার পুরুষ মিলছে কি না দেখুন।
৩। একবচন ও বহুবচনের সামঞ্জস্য পরীক্ষা করুন।
৪। সাধু ও চলিত ভাষারীতি একসঙ্গে মিশেছে কি না দেখুন।
৫। একই অর্থের দুটি শব্দ অকারণে ব্যবহৃত হয়েছে কি না দেখুন।
৬। কারক ও বিভক্তি সঠিক কি না পরীক্ষা করুন।
৭। বাক্যের কাল এবং সময়সূচক শব্দের মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি না দেখুন।
৮। লিঙ্গ ও সম্মানসূচক রূপ সঠিক কি না দেখুন।
৯। প্রবাদ, বাগধারা বা স্থির শব্দবন্ধ বিকৃত হয়েছে কি না দেখুন।
১০। সবশেষে সম্পূর্ণ বাক্যটি অর্থগতভাবে স্বাভাবিক কি না যাচাই করুন।
১। কোনো শব্দের বানান ভুল কি না দেখুন।
২। কর্তা ও ক্রিয়ার পুরুষ মিলছে কি না দেখুন।
৩। একবচন ও বহুবচনের সামঞ্জস্য পরীক্ষা করুন।
৪। সাধু ও চলিত ভাষারীতি একসঙ্গে মিশেছে কি না দেখুন।
৫। একই অর্থের দুটি শব্দ অকারণে ব্যবহৃত হয়েছে কি না দেখুন।
৬। কারক ও বিভক্তি সঠিক কি না পরীক্ষা করুন।
৭। বাক্যের কাল এবং সময়সূচক শব্দের মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি না দেখুন।
৮। লিঙ্গ ও সম্মানসূচক রূপ সঠিক কি না দেখুন।
৯। প্রবাদ, বাগধারা বা স্থির শব্দবন্ধ বিকৃত হয়েছে কি না দেখুন।
১০। সবশেষে সম্পূর্ণ বাক্যটি অর্থগতভাবে স্বাভাবিক কি না যাচাই করুন।
পরীক্ষোপযোগী সারসংক্ষেপ
পদ ও ক্রিয়া
বিশেষ্য — নাম প্রকাশ করে
সর্বনাম — বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে
বিশেষণ — গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে
অব্যয় — সাধারণত রূপ পরিবর্তন করে না
ক্রিয়া — কাজ সংঘটন বোঝায়
সকর্মক — কর্ম গ্রহণ করে
অকর্মক — কর্ম গ্রহণ করে না
দ্বিকর্মক — দুটি কর্ম গ্রহণ করে
বিশেষ্য — নাম প্রকাশ করে
সর্বনাম — বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে
বিশেষণ — গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে
অব্যয় — সাধারণত রূপ পরিবর্তন করে না
ক্রিয়া — কাজ সংঘটন বোঝায়
সকর্মক — কর্ম গ্রহণ করে
অকর্মক — কর্ম গ্রহণ করে না
দ্বিকর্মক — দুটি কর্ম গ্রহণ করে
কাল ও বাক্য
বর্তমান — বর্তমানে সংঘটিত কাজ
অতীত — বর্তমানের আগে সংঘটিত কাজ
ভবিষ্যৎ — বর্তমানের পরে সংঘটিত কাজ
সরল — একটি স্বাধীন মূল কাঠামো
জটিল — প্রধান ও নির্ভরশীল খণ্ডবাক্য
যৌগিক — দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্যের সমন্বয়
বর্তমান — বর্তমানে সংঘটিত কাজ
অতীত — বর্তমানের আগে সংঘটিত কাজ
ভবিষ্যৎ — বর্তমানের পরে সংঘটিত কাজ
সরল — একটি স্বাধীন মূল কাঠামো
জটিল — প্রধান ও নির্ভরশীল খণ্ডবাক্য
যৌগিক — দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্যের সমন্বয়
- নিচের কোনটি নিত্য সম্বন্ধীয় অব্যয়ের উদাহরণ?
- হ্যাঁ আমি যাব
- যথা ধর্ম তথা জয়
- আবার যেতে হবে
- অতি ভক্তি চোরের লক্ষণ
- কোন বাক্যে সমুচ্চয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে?
- ধন অপেক্ষা মান বড়
- লেখা পড়া কর, নতুবা ফেল করবে
- ঢং ঢং ঘণ্টা বাজে
- তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না
- ‘মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।’ এখানে ‘কিংবা’ কোন শ্রেণির অব্যয়?
- অনুকার অব্যয়
- বিয়োজক অব্যয়
- সমুচ্চয়ী অব্যয়
- সংযোজক অব্যয়
- ‘লোকটি দরিদ্র কিন্তু সৎ’—এই বাক্যে ‘কিন্তু’ কোন ধরনের অব্যয়?
- বিয়োজক অব্যয়
- সংযোজক অব্যয়
- সংকোচক অব্যয়
- বিষয়াদিসূচক অব্যয়
- ‘পলাশ দেখতে সুন্দর বটে কিন্তু গন্ধহীন’—এখানে ‘কিন্তু’ কোন ধরনের অব্যয়?
- সংযোজক
- বিয়োজক
- সংকোচক
- পদান্বয়ী
- ‘এবং’ কোন পদ?
- সর্বনাম
- বিশেষণ
- বিশেষ্য
- অব্যয়
- ‘মরি মরি! কি সুন্দর প্রভাতের রূপ’—বাক্যে ‘মরি মরি’ কোন শ্রেণির অব্যয়?
- সম্বন্ধী
- অনন্বয়ী
- পদান্বয়ী
- অনুকার
- ‘দ্বারা, দিয়া, হইতে, থেকে, এগুলোকে’ কী বলা হয়?
- অব্যয়
- উপসর্গ
- অনুসর্গ অব্যয়
- অনন্বয়ী অব্যয়
- ‘কতকত’ কোন ধরনের অব্যয়?
- অনুকার
- অনুসর্গ
- সমুচ্চয়ী
- অনন্বয়ী
- ‘না’ কোন জাতীয় শব্দ?
- অব্যয়
- সর্বনাম
- ক্রিয়া
- মহাকাব্য
- ‘তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে?’—এখানে ‘না’-এর ব্যবহার কী অর্থে হয়েছে?
- না-বাচক
- হ্যাঁ-বাচক
- প???রশ্নবোধক
- বিস্ময়সূচক
- ‘তুমি না সেদিন আবৃত্তি করেছিলে?’—এখানে ‘না’ কোন অর্থে ব্যবহৃত?
- সন্দেহ
- বিস্ময়
- অনুমান
- নিশ্চয়তা
- ‘সে নাকি আসবে না।’—এখানে ‘না’ অব্যয়টি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- অনুমান অর্থে
- সম্ভাবনা অর্থে
- বিস্ময় অর্থে
- বিরক্তি অর্থে
- ‘তুমি কি আমায় চেন?’—বাক্যটিতে ‘কি’-এর ব্যাকরণগত পরিচয় কী?
- বিশেষণ
- প্রশ্নবোধক শব্দ
- অব্যয়
- কারক নির্দেশক
- ‘ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ।’—এ বাক্যের ‘কী’-এর অর্থ কী?
- ভয়
- রাগ
- বিরক্তি
- বিপদ
- ‘কী আপদ লোকটা যে কিছু ছাড়ে না।’—বাক্যটিতে কী প্রকাশ পেয়েছে?
- বিরক্তি
- ঘৃণা
- যন্ত্রণা
- কষ্ট
- ‘শুধু শুধু তিনি রেগে ওঠেন।’—বাক্যটিতে কোন ভাব প্রকাশ করা হয়েছে?
- ক্রমশ
- আকস্মিকতা
- অভ্যাস
- ব্যক্তি
- ‘যত গর্জে তত বর্ষে না’—বাক্যটিতে ‘যত তত’ অব্যয়ের ব্যবহার কোন অর্থে?
- পরিমাণ
- বৈপরীত্য
- তুলনা
- নিশ্চিত
- ‘আ মরি বাংলা ভাষা’—এ চরণে ‘আ’ দ্বারা কী প্রকাশ পেয়েছে?
- আশাবাদ
- আবেগ
- আনন্দ
- আগ্রহ
- নিচের কোন বাক্যটি বর্তমান কালের?
- রবু যাবে
- আমি পড়েছি
- তুমি গেছে
- আমি পড়ি
- ‘তোমার সূর্য উদয় হয়’—উদাহরণটি কোন বর্তমান কালের?
- সাধারণ
- ঘটমান
- নিত্যবৃত্ত
- পুরাঘটিত
- ‘বাঙালিরা ভাত খায়’—এটি কোন কালের উদাহরণ?
- বর্তমান অনুজ্ঞা
- ঘটমান বর্তমান
- সাধারণ অতীত
- সাধারণ বর্তমান
- ‘প্রদীপ নিভে গেল’—উদাহরণটি কোন অতীত কালের?
- সাধারণ
- ঘটমান
- পুরাঘটিত
- নিত্যবৃত্ত
- কোন ক্ষেত্রে পরোক্ষ উক্তিতে ক্রিয়ার কাল অপরিবর্তিত থাকে?
- চিরন্তন সত্য
- অনুজ্ঞা ভাব
- আবেগ প্রকাশ
- প্রশ্ন-জিজ্ঞাসা
- নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- তাহার জীবন সংশয়পূর্ণ
- তাহার জীবন সংশয়ভরা
- তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ
- তাহার জীবন সংশয়ময়
- শুদ্ধ বাক্যটি চিহ্নিত কর।
- বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্রতার শিকার হন
- বিদ্যান ব্যক্তিগণ দারিদ্রতার স্বীকার হন
- বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
- বিদ্যান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের স্বীকার হন
- কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
- একটা গোপনীয় কথা বলি
- একটি গোপণ কথা বলি
- একটি গোপন কথা বলি
- একটি গূঢ় কথা বলি
- শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
- দুর্বলবশত অনাথিনী বসে পড়ল
- দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
- দুর্বলতাবশত অনাথিনী বসে পড়ল
- দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
- কোনটি শুদ্ধ বাক্য?
- দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা
- দারিদ্রতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা
- দারিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা
- দারিদ্র বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা
- নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ তা নির্দেশ কর।
- কীর্তিবাস বাংলা রামায়ণ লিখিয়াছেন
- কীর্তিবাস বাংলা রামায়ন লিখিয়াছেন
- কৃত্তিবাস বাংলা রামায়ন লিখিয়াছেন
- কৃত্তিবাস বাংলা রামায়ণ লিখিয়াছেন
- শুদ্ধ বাক্যটি নির্দেশ কর।
- আমার কথাই প্রমাণ হলো
- আমার কথাই প্রমাণিত হলো
- আমার কথা প্রমাণ হলো
- আমার কথাই প্রমাণীত হলো
- শুদ্ধ বাক্যটি নির্দেশ কর।
- আপনি সপরিবার আমন্ত্রিত
- আপনি সপরিবার আমন্ত্রিত
- আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত
- আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত
- শুদ্ধ বাক্যটি কোনটি?
- তিনি আরোগ্য হয়েছেন
- তিনি আরোগ্য লাভ করেছেন
- তিনি আরোগ্যতা হয়েছেন
- তিনি আরোগ্যতা লাভ করেছেন
- শুদ্ধ বাক্যটি নির্দেশ কর।
- বিরাট গরু-ছাগলের হাট
- বিরাট গরু ও বিরাট ছাগলের হাট
- বিরাট গবাদি পশুর হাট
- গরু-ছাগলের বিরাট হাট
- শুদ্ধ বাক্যটি নির্দেশ কর।
- দৈন্যতা প্রশংসনীয় নয়
- দীনতা প্রশংসনীয় নয়
- দৈন্যতা অপ্রশংসনীয়
- দৈন্যতা নিন্দনীয়
- ‘বিদ্যান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর।’—বাক্যটির শুদ্ধরূপ কোনটি?
- বিদ্যান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ
- বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ
- বিদ্যান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ
- বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর
- কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- পাঁচ জন ছাত্ররা স্কুলে যায়
- পাঁচ জন ছাত্রগণ স্কুলে যায়
- পাঁচ জন ছাত্র স্কুলে যায়
- পাঁচ জন সব ছাত্ররা স্কুলে যায়
- নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- আমি সন্দেহ হলাম
- আমি সন্দিগ্ধ হলাম
- আমি সন্দেহ হলাম
- আমি সন্দৃষ্ট হলাম
- শুদ্ধ বাক্য কোনটি?
- দুর্বলবশত অনাথিনী বসে পড়ল
- দুর্বলতাবশত অনাথিনী বসে পড়ল
- দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
- দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
- নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- সর্বদা পরিষ্কার থাকিবে
- সর্বদা পরিষ্কৃত থাকিবে
- সর্বদা পরিষ্কার থাকিবে
- সর্বদা পরিষ্কৃতময় থাকিবে
- কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- তুমি কী ঢাকা যাবে?
- তুমি কি ঢাকা যাবে?
- তোমরা কী ঢাকা যাবে?
- তোমরা কী ঢাকায় যাবে?
- নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
- রহিম পাগল হয়ে গেছে
- রহিমা পাগলি হয়ে গেছে
- রহিমা পাগলিনী হয়ে গেছে
- রহিমা পাগলী হয়ে গেছে
- সঠিক বাক্য কোনটি?
- মনোরম উদ্যানে ভ্রমণ দুরাকাঙ্ক্ষা
- মনরম উদ্যানে ভ্রমণ দুরাকাঙ্ক্ষা
- মনোরম উদ্যানে ভ্রমণ দুরাকাঙ্ক্ষা
- মনোরম উদ্যানে ভ্রমণ দুরাকাঙ্ক্ষা
- নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?
- আমি এ ঘটনা চাক্ষুষ প্রত্যক্ষ করেছি
- আমি এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি
- আমি এ ঘটনা স্বচক্ষে দেখেছি
- আমি এ ঘটনা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করেছি
- নিচের কোন বাক্যটি সঠিক?
- আবশ্যক ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত
- আবশ্যকীয় ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিত
- আবশ্যকীয় ব্যায়ে কার্পণ্য অনুচিত
- আবশ্যকীয় ব্যয়ে কার্পণ্য অনুচিৎ