সমাস, বাচ্য ও পরিভাষা — Primary Teacher

সমাস, বাচ্য ও পরিভাষা: বাংলা, Primary Teacher পাঠ ও 62টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/2।

এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
সমাস
Samas
দুই বা ততোধিক পদকে অর্থগত ও ব্যাকরণগত সম্পর্কের মাধ্যমে একপদে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে সমাস বলা হয়।

সমাসের উদ্দেশ্য প্রধানত ভাষাকে সংক্ষিপ্ত, সাবলীল ও অর্থবহ করা। সাধারণত একটি পূর্ণ বাক্যাংশ বা কয়েকটি শব্দের অর্থ একটি সংক্ষিপ্ত সমাসবদ্ধ পদের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়।

যেমন—
সিংহ চিহ্নিত আসন → সিংহাসন
বিদ্যার সাগর → বিদ্যাসাগর

সমাসে একাধিক শব্দ মিললেও সন্ধির মতো শুধু ধ্বনির পরিবর্তনই মুখ্য নয়; এখানে অর্থগত সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ।
সমাসের গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা
সমাস বোঝার জন্য কয়েকটি শব্দ জানা জরুরি—

সমস্ত পদ
সমাসের মাধ্যমে যে নতুন একপদী শব্দ তৈরি হয়, তাকে সমস্ত পদ বলা হয়।

সমস্যমান পদ
সমাস গঠনের আগে যে পৃথক পৃথক পদ থাকে, সেগুলো সমস্যমান পদ।

পূর্বপদ
সমাসবদ্ধ পদের প্রথম সমস্যমান পদকে পূর্বপদ বলে।

পরপদ বা উত্তরপদ
সমাসবদ্ধ পদের শেষ সমস্যমান পদকে পরপদ বা উত্তরপদ বলে।

ব্যাসবাক্য
সমাসবদ্ধ পদকে ভেঙে যে পূর্ণ অর্থবোধক বাক্যাংশ পাওয়া যায়, তাকে ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য বলা হয়।

যেমন—
সিংহাসন
ব্যাসবাক্য — সিংহ চিহ্নিত আসন
পূর্বপদ — সিংহ
পরপদ — আসন
সমাসের প্রধান প্রকার
বাংলা ব্যাকরণে সমাসকে সাধারণভাবে কয়েকটি প্রধান শ্রেণিতে ভাগ করা হয়—

১। দ্বন্দ্ব সমাস
২। কর্মধারয় সমাস
৩। তৎপুরুষ সমাস
৪। বহুব্রীহি সমাস
৫। দ্বিগু সমাস
৬। অব্যয়ীভাব সমাস

এ ছাড়া প্রাদি, নিত্য, অলুক প্রভৃতি বিশেষ ধরনের সমাসও আলোচিত হয়।
দ্বন্দ্ব সমাস
Dvandva Samas
যে সমাসে উভয় পদের অর্থই সমান গুরুত্ব পায় এবং ব্যাসবাক্যে সাধারণত ‘ও’, ‘এবং’, ‘আর’ ইত্যাদি থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলা হয়।

যেমন—
মাতা ও পিতা → মাতাপিতা
ভাই ও বোন → ভাইবোন
দিন ও রাত → দিনরাত
দেশ ও বিদেশ → দেশবিদেশ

দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থই বজায় থাকে।
বিভিন্ন অর্থবোধক দ্বন্দ্ব সমাস
দ্বন্দ্ব সমাসে পদের মধ্যকার সম্পর্ক বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন—

মিলনার্থক
মা-বাবা, চাচা-চাচি, মাসি-পিসি।

সমার্থক
হাট-বাজার, ঘর-দুয়ার জাতীয় শব্দজোড়া।

বিরোধার্থক
আয়-ব্যয়, লাভ-লোকসান, বড়-ছোট।

সংখ্যাবাচক
নয়-ছয়, সাত-পাঁচ জাতীয় গঠন।

সর্বনামযোগে
তিনি-তিনি, যে-সে, যা-তা, তুমি-আমি।

বিশেষণযোগে
ভালো-মন্দ, নরম-গরম, কম-বেশি।

ক্রিয়াযোগে
চলা-ফেরা, দেখা-শোনা, আসা-যাওয়া।
কর্মধারয় সমাস
যে সমাসে পূর্বপদ সাধারণত বিশেষণধর্মী এবং পরপদ বিশেষ্যধর্মী হয়, অথচ উভয় পদ একই ব্যক্তি, বস্তু বা ধারণাকে নির্দেশ করে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন—
নীল যে আকাশ → নীলাকাশ
মহান যে পুরুষ → মহাপুরুষ
কাঁচা যে মরিচ → কাঁচামরিচ

এই সমাসে পূর্বপদ পরপদকে বিশেষিত করে।
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী কোনো পদ লুপ্ত থাকে, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলা হয়।

যেমন—
সিংহ চিহ্নিত আসন → সিংহাসন

এখানে ‘চিহ্নিত’ শব্দটি সমাসবদ্ধ পদের মধ্যে প্রকাশিত হয়নি।

আরও উদাহরণ—
দুধ মিশ্রিত ভাত → দুধভাত জাতীয় গঠন
পদ্ম চিহ্নিত আসন → পদ্মাসন
উপমান কর্মধারয় সমাস
যেখানে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর একটি গুণকে অন্য পরিচিত ব্যক্তি বা বস্তুর সঙ্গে তুলনা করে প্রকাশ করা হয় এবং তুলনাটি সত্য বা গ্রহণযোগ্য, সেখানে উপমান কর্মধারয় সমাস হয়।

যেমন—
কাজলের মতো কালো → কাজলকালো
বরফের মতো শীতল → বরফশীতল
কুসুমের মতো কোমল → কুসুমকোমল

উপমান কর্মধারয়ে সাধারণত তুলনার উভয় পদের একটি অভিন্ন গুণ থাকে।
উপমিত কর্মধারয় সমাস
যেখানে দুই ভিন্ন বস্তু বা ব্যক্তির মধ্যে এমন তুলনা করা হয় যা বাস্তবে এক নয়, কিন্তু রূপকধর্মী তুলনার মাধ্যমে প্রকাশ পায়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলা হয়।

যেমন—
সিংহের মতো পুরুষ → সিংহপুরুষ
বীরের মতো সিংহ → বীরসিংহ জাতীয় গঠন

এখানে তুলনাটি আক্ষরিক নয়; গুণগত সাদৃশ্যকে ভিত্তি করে রূপকধর্মী তুলনা করা হয়েছে।
রূপক কর্মধারয় সমাস
যে কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে সরাসরি অভিন্নতা আরোপ করা হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলা হয়।

যেমন—
মনরূপ মাঝি → মনমাঝি
ক্রোধরূপ অনল → ক্রোধানল

এখানে ‘মতো’ বা ‘ন্যায়’ নেই; উপমেয়কে সরাসরি উপমানের রূপে কল্পনা করা হয়েছে।

রূপক কর্মধারয় চেনার একটি সহজ কৌশল হলো— ব্যাসবাক্যে ‘রূপ’ শব্দ বসিয়ে অর্থ স্বাভাবিক থাকে কি না দেখা।
তৎপুরুষ সমাস
যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।

তৎপুরুষ সমাসের ধরন নির্ধারণে ব্যাসবাক্যে পূর্বপদের সঙ্গে যে বিভক্তি সম্পর্ক থাকে, তা লক্ষ্য করতে হয়।
দ্বিতীয় তৎপুরুষ
পূর্বপদের সঙ্গে ‘কে’ বা কর্মবাচক সম্পর্ক থাকলে দ্বিতীয় তৎপুরুষ হয়।

যেমন—
বিপদকে আপন্ন → বিপদাপন্ন
দুঃখকে প্রাপ্ত → দুঃখপ্রাপ্ত
তৃতীয়া তৎপুরুষ
ব্যাসবাক্যে ‘দ্বারা’, ‘দিয়ে’ অথবা ‘কর্তৃক’ অর্থ থাকলে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়।

যেমন—
মন দিয়ে গড়া → মনোগড়া
মধু দিয়ে মাখা → মধুমাখা
চতুর্থী তৎপুরুষ
‘জন্য’, ‘নিমিত্তে’ অথবা দান, সেবা, উৎসর্গজাত উদ্দেশ্য প্রকাশ করলে চতুর্থী তৎপুরুষ হয়।

যেমন—
গুরুকে ভক্তি → গুরুভক্তি
দেশের জন্য সেবা → দেশসেবা জাতীয় গঠন
পঞ্চমী তৎপুরুষ
ব্যাসবাক্যে ‘হতে’, ‘থেকে’, ‘চেয়ে’ ইত্যাদি অর্থ প্রকাশ পেলে পঞ্চমী তৎপুরুষ হয়।

যেমন—
বিপদ থেকে মুক্ত → বিপদমুক্ত
ঋণ থেকে মুক্ত → ঋণমুক্ত
ষষ্ঠী তৎপুরুষ
পূর্বপদের সঙ্গে ‘র’ বা ‘এর’ সম্বন্ধ থাকলে ষষ্ঠী তৎপুরুষ হয়।

যেমন—
রাজ্যের পথ → রাজপথ
রাজার সভা → রাজসভা
দেশের প্রেম → দেশপ্রেম
সপ্তমী তৎপুরুষ
ব্যাসবাক্যে ‘এ’, ‘তে’, ‘য়’ জাতীয় অধিকরণবাচক সম্পর্ক থাকলে সপ্তমী তৎপুরুষ হয়।

যেমন—
গাছে পাকা → গাছপাকা
বনে বাস → বনবাস জাতীয় গঠন
নঞ্ তৎপুরুষ
পূর্বপদে না, ন, নাই ইত্যাদি নঞর্থক ভাব থাকলে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস হয়।

যেমন—
না জানা → অজানা
নাই ভয় → নির্ভয় জাতীয় ভাব

তবে সব নঞর্থক শব্দ সমাস নয়; গঠন ও ব্যাসবাক্য দেখে বিচার করতে হয়।
উপপদ তৎপুরুষ
বিশেষ্য বা বিশেষণজাত কোনো পদ ক্রিয়ামূলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে উপপদ তৎপুরুষ বলা হয়।

যেমন—
পথে চলে যে → পথচারী
সত্য বলে যে → সত্যবাদী
ঘোড়া চালায় যে → ঘোড়সওয়ার জাতীয় গঠন
বহুব্রীহি সমাস
যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ সরাসরি প্রধান না হয়ে সমগ্র সমাসবদ্ধ পদ দ্বারা অন্য কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝানো হয়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলা হয়।

যেমন—
নীল কণ্ঠ যার → নীলকণ্ঠ

এখানে ‘নীল’ বা ‘কণ্ঠ’ কোনোটিই সরাসরি সমগ্র অর্থ নয়; ‘নীলকণ্ঠ’ দ্বারা বিশেষ একজন বা সত্তাকে বোঝানো হয়েছে।
বহুব্রীহির বিভিন্ন ধরন
বহুব্রীহি সমাসের ব্যাসবাক্যে সাধারণত ‘যার’, ‘যাঁর’, ‘যে’ ইত্যাদি ভাব দেখা যায়।

উদাহরণ—
মাথায় পাগড়ি যার → মাথায়পাগড়ি জাতীয় গঠন
গলায় মালা যার → গলায়মালা জাতীয় গঠন
হাতে খড়ি দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে → হাতেখড়ি
মুখে ভাত দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে → মুখেভাত

কিছু বহুব্রীহি সমাসে বিভক্তি লোপ পায় না; এগুলোকে অলুক বহুব্রীহি বলা হয়।
ব্যতিহার বহুব্রীহি
যে বহুব্রীহি সমাসে একই ধরনের দুটি পদ পারস্পরিক বা পুনরাবৃত্ত সম্পর্ক প্রকাশ করে, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলা হয়।

যেমন—
হাতে হাতে যে যুদ্ধ → হাতাহাতি
লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ → লাঠালাঠি

এই ধরনের গঠনে পুনরাবৃত্ত শব্দের ধ্বনিগত পরিবর্তনও ঘটে।
দ্বিগু সমাস
যে সমাসে পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং পুরো পদটি সাধারণত সমাহার বা সমষ্টির অর্থ প্রকাশ করে, তাকে দ্বিগু সমাস বলা হয়।

যেমন—
চার রাস্তার সমাহার → চৌরাস্তা
শত অব্দের সমাহার → শতাব্দী
তিন মোহনার মিলন → ত্রিমোহনা
পঞ্চ নদীর সমাহার → পঞ্চনদ জাতীয় গঠন

দ্বিগু সমাস চেনার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো— প্রথম পদে সংখ্যা এবং পুরো পদে সমষ্টিগত অর্থ।
অব্যয়ীভাব সমাস
যে সমাসে পূর্বপদ অব্যয় এবং সেই অব্যয়ের অর্থই সমগ্র সমাসবদ্ধ পদের অর্থে প্রধান থাকে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলা হয়।

উপসর্গজাত শব্দ অনেক ক্ষেত্রে অব্যয়ীভাব সমাসের গঠন তৈরি করতে পারে।

যেমন—
প্রতি দিন → প্রতিদিন
উপ কূল → উপকূল
আ মরণ → আমরণ
যথা শক্তি → যথাশক্তি

এ ধরনের সমাসে পূর্বপদের অর্থ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
নিত্য সমাস
যে সমাসের সমাসবদ্ধ রূপ স্থায়ীভাবে ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণ ব্যাসবাক্যে ভাঙলে প্রচলিত অর্থ ঠিক থাকে না, তাকে নিত্য সমাস বলা হয়।

যেমন—
অন্য দেশ → দেশান্তর জাতীয় গঠন

নিত্য সমাসের ক্ষেত্রে সমাসবদ্ধ রূপটিই প্রচলিত শব্দ হিসেবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
অলুক সমাস
যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ না পেয়ে সমাসবদ্ধ পদে বজায় থাকে, তাকে অলুক সমাস বলে।

যেমন—
হাতে খড়ি → হাতেখড়ি
মুখে ভাত → মুখেভাত

সাধারণ তৎপুরুষে বিভক্তি লোপ পায়, কিন্তু অলুক তৎপুরুষ বা অলুক বহুব্রীহিতে সেই বিভক্তির চিহ্ন থাকতে পারে।
সমাস চেনার দ্রুত কৌশল
দ্বন্দ্ব — ব্যাসবাক্যে ‘ও/এবং/আর’ পাওয়া যায়।
কর্মধারয় — সাধারণত ‘যে’ দিয়ে ব্যাসবাক্য করা যায়।
তৎপুরুষ — বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান।
বহুব্রীহি — ‘যার/যাঁর’ জাতীয় ব্যাসবাক্য এবং অর্থ অন্য ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে।
দ্বিগু — পূর্বপদ সংখ্যাবাচক, পুরো পদে সমাহারের অর্থ।
অব্যয়ীভাব — অব্যয়ের অর্থ প্রধান।

পরীক্ষায় সমাস নির্ণয়ের আগে ব্যাসবাক্য তৈরি করা সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।
বাচ্য
Voice
বাক্যে কর্তা, কর্ম বা ক্রিয়ার মধ্যে কোনটির অর্থকে প্রধান করে বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, সেই ভিত্তিতে বাচ্য নির্ধারিত হয়।

বাংলা ব্যাকরণে প্রধানত তিন ধরনের বাচ্য আলোচিত হয়—

১। কর্তৃবাচ্য
২। কর্মবাচ্য
৩। ভাববাচ্য

এ ছাড়া কর্মকর্তৃবাচ্য নামেও একটি বিশেষ গঠন ব্যবহৃত হয়।
কর্তৃবাচ্য
যে বাক্যে কর্তার অর্থ প্রধান এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারে গঠিত হয়, তাকে কর্তৃবাচ্য বলা হয়।

যেমন—
আমি ভাত খেয়েছি।
শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।

কর্তৃবাচ্যে কর্তা সাধারণত প্রথমা বা শূন্য বিভক্তিযুক্ত হয় এবং ক্রিয়া কর্তার পুরুষ ও বচনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখে।
কর্মবাচ্য
যে বাক্যে কর্মকে প্রধান করে বাক্যের গঠন করা হয় এবং ক্রিয়া কর্মের ভাব অনুসারে ব্যবহৃত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলা হয়।

যেমন—
আমাদের ভাত খাওয়া হয়েছে।
আলোকচিত্রীর দ্বারা ছবি তোলা হয়েছে।

কর্মবাচ্যে কর্তা গৌণ বা অনুল্লিখিত হতে পারে। প্রয়োজনে ‘দ্বারা’, ‘কর্তৃক’, ‘দিয়ে’ ইত্যাদি অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়।
ভাববাচ্য
যে বাক্যে কর্তা বা কর্ম নয়, ক্রিয়ার ভাব বা কাজটিই প্রধান হয়, তাকে ভাববাচ্য বলা হয়।

যেমন—
আমাকে ভাত দেওয়া হয়নি।
সেভাবে ঘুমানো হলো না।

ভাববাচ্যে সাধারণত ক্রিয়া নামপুরুষের রূপে থাকে এবং কাজের ঘটনার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কর্মকর্তৃবাচ্য
যে বাক্যে কর্মই কর্তার মতো আচরণ করে এবং কর্তা অনুল্লিখিত থাকে, তাকে কর্মকর্তৃবাচ্য বলা হয়।

যেমন—
বাঁশি বাজে।
এই মধুর লাগে।

এ ধরনের বাক্যে কাজটি যেন কর্ম থেকেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঘটছে— এমন ভাব প্রকাশ পায়।
বাচ্য চেনার কৌশল
কর্তৃবাচ্য — কর্তা প্রধান।
কর্মবাচ্য — কর্ম প্রধান।
ভাববাচ্য — কাজ বা ক্রিয়ার ভাব প্রধান।
কর্মকর্তৃবাচ্য — কর্ম কর্তার ন্যায় আচরণ করে।

উদাহরণ—
আমি বই পড়ছি → কর্তৃবাচ্য
বইটি আমার দ্বারা পড়া হয়েছে → কর্মবাচ্য
এখানে পড়া হয় → ভাববাচ্য
দরজা খুলে গেল → কর্মকর্তৃবাচ্যধর্মী গঠন
পরিভাষা
Terminology
বিশেষ জ্ঞান, প্রশাসন, আইন, বিজ্ঞান, শিক্ষা, অর্থনীতি বা অন্য কোনো ক্ষেত্রের নির্দিষ্ট ধারণা প্রকাশের জন্য যে বিশেষ শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে পরিভাষা বলা হয়।

বিদেশি শব্দের উপযুক্ত বাংলা প্রতিশব্দ তৈরি করাও পরিভাষা নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ইংরেজি শব্দের বাংলা পরিভাষা এবং বাংলা অর্থ থেকে ইংরেজি পরিভাষা উভয় ধরনের প্রশ্নই আসে।
প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক পরিভাষা
Agenda — আলোচ্যসূচি
Agreement — চুক্তি
Adjournment — মুলতবি
Allowance — ভাতা
Ambassador — রাষ্ট্রদূত
Authority — কর্তৃপক্ষ
Autonomous — স্বায়ত্তশাসিত
Cabinet — মন্ত্রিসভা
Campaign — প্রচারাভিযান
Category — পর্যায় বা শ্রেণি
Circular — বিজ্ঞপ্তি
Committee — কমিটি
Conference — সম্মেলন
Constitution — সংবিধান
Council — পরিষদ
Delegate — প্রতিনিধি
Designation — পদবি
Gazette — সরকারি ঘোষণাপত্র
Guideline — নীতিনির্দেশনা
Memorandum — স্মারকলিপি
Notification — প্রজ্ঞাপন
Ordinance — অধ্যাদেশ
Portfolio — দপ্তর
Protocol — চুক্তির খসড়া বা প্রটোকল
Registration — নিবন্ধন
Secretariat — সচিবালয়
Spokesman — মুখপাত্র
Subsidy — ভর্তুকি
Vice-chancellor — উপাচার্য
Workshop — কর্মশালা
আইন ও বিচারবিষয়ক পরিভাষা
Affidavit — হলফনামা
Allegation — অভিযোগ
Bail — জামিন
Charge — অভিযোগ
Deed — দলিল
Defendant — বিবাদি বা প্রতিবাদী
Injunction — নিষেধাজ্ঞা
Judgment — রায়
Jurisdiction — এখতিয়ার
Jurisprudence — আইনবিজ্ঞান
Litigation — মামলা
Oath — শপথ
Penal code — দণ্ডবিধি
Perjury — মিথ্যা সাক্ষ্য
Plaintiff — বাদী
Pleadings — আরজি ও লিখিত জবাব
Probation — শিক্ষানবিশী বা পরীক্ষাকাল
Sanction — অনুমোদন
Suit — মামলা
Trial — বিচার
Tribunal — বিশেষ আদালত
Witness — সাক্ষী
Writ — আদেশলেখ বা পরোয়ানা জাতীয় বিচারিক নির্দেশ
Rule of law — আইনের শাসন
শিক্ষা ও জ্ঞানবিষয়ক পরিভাষা
Analysis — বিশ্লেষণ
Biography — জীবনী
Autobiography — আত্মজীবনী
Curriculum — পাঠ্যক্রম
Demonstration — প্রদর্শন
Educationist — শিক্ষাবিদ
Encyclopedia — বিশ্বকোষ
Faculty — অনুষদ
Glossary — টীকাপঞ্জি বা শব্দকোষ
Knowledge — জ্ঞান
Lexicon — অভিধান
Manuscript — পাণ্ডুলিপি
Reference — সূত্র
Research — গবেষণা
Routine — নিয়তক্রম
Script — লিপি বা চিত্রনাট্য
Syllabus — পাঠ্যক্রম
Synopsis — সংক্ষিপ্তসার
Terminology — পরিভাষা
Textbook — পাঠ্যপুস্তক
Thesis — গবেষণাপত্র
Wisdom — প্রজ্ঞা
Year book — বর্ষপঞ্জি
Questionnaire — প্রশ্নমালা
অর্থনীতি ও বাণিজ্যবিষয়ক পরিভাষা
Balance — ভারসাম্য
Basic pay — মূল বেতন
Bill — বিল বা মূল্যপত্র
Bill of exchange — বিনিময়পত্র
Bonus — অধিবৃত্তি
Broker — দালাল
Commodity — পণ্য
Consumer goods — ভোগ্যপণ্য
Debit — খরচ
Debt — ঋণ
Dividend — লভ্যাংশ
Excise duty — আবগারি শুল্ক
Foreign exchange — বৈদেশিক মুদ্রা
Income tax — আয়কর
Inflation — মুদ্রাস্ফীতি
Insurance — বীমা
Invoice — চালান
Lender — মহাজন
Revenue — রাজস্ব
Surplus — উদ্বৃত্ত
Tariff duty — শুল্ককর
Transaction — লেনদেন
Valuation — মূল্যায়ন
Devaluation — অবমূল্যায়ন
বিজ্ঞান, সমাজ ও সাধারণ পরিভাষা
Aboriginal — আদিম
Amplification — পরিবর্ধন
Animal husbandry — পশুপালন
Civil Society — সুশীল সমাজ
Dialect — উপভাষা
Flora — উদ্ভিদকুল
Fauna — প্রাণিকুল
Galaxy — ছায়াপথ
Gravitation — মহাকর্ষ
Hybrid — সংকর
Hydrogen — উদজান
Oxygen — অম্লজান
Intellectual — বুদ্ধিজীবী
Intelligentsia — বুদ্ধিজীবী সমাজ
Mass media — গণমাধ্যম
Plebiscite — গণভোট
Referendum — গণভোট
Satellite — উপগ্রহ
Secular — ধর্মনিরপেক্ষ
Sovereignty — সার্বভৌমত্ব
Submarine — ডুবোজাহাজ
Vocabulary — শব্দভাণ্ডার
Zodiac — রাশিচক্র
Milky way — ছায়াপথ
যেসব পরিভাষায় সহজে ভুল হয়
Emigrant — প্রবাসী
Immigrant — অভিবাসী

দেশ ছেড়ে অন্য দেশে চলে যাওয়া ব্যক্তিকে Emigrant বলা হয়; অন্যদিকে কোনো দেশে বাইরে থেকে এসে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদি বসবাসকারীকে Immigrant বলা হয়।

Custom — প্রথা
Customs — শুল্ক

Good — ভালো
Goods — পণ্য

Vocation — বৃত্তি
Vacation — ছুটি
Vacancy — শূন্যপদ

Knowledge — জ্ঞান
Wisdom — প্রজ্ঞা

Attestation — সত্যায়ন
Attested — সত্যায়িত
Attested copy — সত্যায়িত প্রতিলিপি
Certificate — প্রত্যয়নপত্র
Certified copy — প্রত্যয়িত অনুলিপি
আরও গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা
Appendix — পরিশিষ্ট
Apprentice — শিক্ষানবিশ
Article — অনুচ্ছেদ বা প্রবন্ধ
Auction — নিলাম
Award — পুরস্কার বা রায়
Blueprint — প্রতিচিত্র
Boycott — বর্জন
Cease fire — যুদ্ধবিরতি
Census — আদমশুমারি
Consensus — ঐকমত্য
Copyright — গ্রন্থস্বত্ব
Deadlock — অচলাবস্থা
Embargo — নিষেধাজ্ঞা বা অবরোধ
Exhibition — প্রদর্শনী
Forgery — জালিয়াতি
Fugitive — পলাতক
Goodwill — সুনাম
Hostage — জিম্মি
Manifesto — ইশতেহার
Pseudonym — ছদ্মনাম
Refugee — উদ্বাস্তু বা বাস্তুচ্যুত
Rehabilitation — পুনর্বাসন
Ultimatum — চরমপত্র
Unprecedented — অভূতপূর্ব
পরীক্ষোপযোগী সংক্ষিপ্ত পুনরালোচনা
সমাস
দ্বন্দ্ব — উভয় পদের অর্থ প্রধান
কর্মধারয় — বিশেষণ ও বিশেষ্যের সম্পর্ক
তৎপুরুষ — পরপদের অর্থ প্রধান, বিভক্তি লোপ
বহুব্রীহি — অন্য ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়
দ্বিগু — সংখ্যাবাচক পূর্বপদ ও সমাহার
অব্যয়ীভাব — অব্যয়ের অর্থ প্রধান
বাচ্য ও পরিভাষা
কর্তৃবাচ্য — কর্তা প্রধান
কর্মবাচ্য — কর্ম প্রধান
ভাববাচ্য — ক্রিয়ার ভাব প্রধান
পরিভাষা — বিশেষ বিষয়ের নির্দিষ্ট শব্দ
Emigrant — প্রবাসী
Immigrant — অভিবাসী
Wisdom — প্রজ্ঞা
Knowledge — জ্ঞান
  1. ‘সমাস’ শব্দের অর্থ কী?
    • সংযোজন
    • বিশ্লেষণ
    • সংক্ষেপণ
    • সংকোচন
  2. সমাস ভাষাকে কী করে?
    • সংক্ষেপ করে
    • বিস্তৃত করে
    • ভারাক্রান্ত করে
    • অর্থবোধক করে
  3. পরস্পর অর্থযুক্ত দুই বা ততোধিক পদকে এক পদে পরিণত করার নাম কী?
    • সন্ধি
    • প্রত্যয়
    • সমাস
    • পুরুষ
  4. সমাস নিষ্পন্ন পদটির নাম কী?
    • অব্যয় পদ
    • বিগ্রহ পদ
    • সমস্যমান পদ
    • সমস্ত পদ
  5. যে যে পদের সমাস হয়, তাদের প্রত্যেকটিকে কী বলে?
    • সমস্যমান পদ
    • সমস্তপদ
    • উত্তরপদ
    • পূর্বপদ
  6. ব্যাসবাক্যের অপর নাম কী?
    • গরব বাক্য
    • যৌগিক বাক্য
    • বিগ্রহ বাক্য
    • জটিল বাক্য
  7. সমাস কত প্রকার?
    • ৩ প্রকার
    • ৪ প্রকার
    • ৬ প্রকার
    • ৮ প্রকার
  8. সমাসের রীতি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
    • আরবি
    • ফারসি
    • সংস্কৃত
    • ইংরেজি
  9. ‘জয়া ও পতি’ সমাস করলে কী হয়?
    • স্বামী-স্ত্রী
    • পতি-পত্নী
    • দম্পতি
    • জয়া-পতি
  10. ‘নীল যে আকাশ’ থেকে ‘নীলাকাশ’—কোন সমাস?
    • বহুব্রীহি
    • দ্বিগু
    • কর্মধারয়
    • অব্যয়ীভাব
  11. ‘নীল যে অম্বর’ থেকে ‘নীলাম্বর’—কোন সমাস?
    • বহুব্রীহি
    • তৎপুরুষ
    • কর্মধারয়
    • দ্বিগু
  12. ‘মহর্ষি’ কোন সমাস?
    • তৎপুরুষ
    • বহুব্রীহি
    • দ্বিগু
    • কর্মধারয়
  13. ‘কৃষিতলাগার’ কোন সমাস?
    • বহুব্রীহি
    • তৎপুরুষ
    • কর্মধারয়
    • দ্বিগু
  14. ‘কলাচার’ শব্দটি কোন সমাস?
    • তৎপুরুষ
    • বহুব্রীহি
    • দ্বিগু
    • কর্মধারয়
  15. ‘সিংহাসন’ শব্দটি কোন সমাস?
    • ষষ্ঠী তৎপুরুষ
    • মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
    • নিত্য সমাস
    • দ্বিগু সমাস
  16. ‘গোরক্ষনাথ’ কোন সমাস?
    • উপমানকর্মধারয়
    • মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
    • দ্বন্দ্ব
    • দ্বিগু
  17. প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সঙ্গে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে কী বলা হয়?
    • উপমিত
    • উপমান
    • উপমেয়
    • রূপক
  18. ‘চাঁদমুখ’-এর ব্যাসবাক্য হলো—
    • চাঁদ মুখের ন্যায়
    • চাঁদের মতো মুখ
    • চাঁদ মুখ যার
    • মুখ চাঁদের ন্যায়
  19. ‘চাঁদমুখ’ কোন সমাস?
    • উপমান
    • উপমিত
    • রূপক
    • অব্যয়ীভাব
  20. ‘ফুলকুমারী’ শব্দটি কোন সমাস?
    • উপমিত
    • উপমান
    • রূপক
    • ষষ্ঠী তৎপুরুষ
  21. যে সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্ত পদ দ্বারা সমাহার বোঝায় তাকে কী বলে?
    • দ্বন্দ্ব সমাস
    • রূপক সমাস
    • বহুব্রীহি সমাস
    • দ্বিগু সমাস
  22. ‘শতাব্দী’ কোন সমাস?
    • দ্বিগু সমাস
    • বহুব্রীহি সমাস
    • তৎপুরুষ সমাস
    • কর্মধারয় সমাস
  23. ‘পঞ্চানন’ কোন সমাস?
    • দ্বন্দ্ব
    • তৎপুরুষ
    • বহুব্রীহি
    • অব্যয়ীভাব
  24. কোন শব্দটি বহুব্রীহি সমাসে নিষ্পন্ন?
    • বিপাশাপাণি
    • সিংহাসন
    • চৌরাস্তা
    • বনস্পতি
  25. ‘সোনামুখী’ কোন সমাস?
    • উপমান
    • উপমিত
    • রূপক
    • মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
  26. ‘অধর্ম’ শব্দের সমস্যমান পদ কোনটি?
    • ধর্ম নেই যার
    • ধর্মহীন যে
    • ধর্মের অভাব
    • নেই ধর্ম যার
  27. ‘নটরাজ’ কোন সমাস?
    • প্রাদি সমাস
    • ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস
    • তৎপুরুষ সমাস
    • কর্মধারয় সমাস
  28. ‘কানাকানি’ শব্দটি কোন সমাস?
    • বহুব্রীহি
    • কর্মধারয়
    • দ্বিগু
    • তৎপুরুষ
  29. কোনটি ব্যতিহার বহুব্রীহির উদাহরণ?
    • দশহাতি
    • হাতাহাতি
    • দশানন
    • দ্বিপদ
  30. ‘গোঁফ খেজুরে’ কোন সমাসের উদাহরণ?
    • মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
    • ব্যতিহার বহুব্রীহি
    • ব্যতিক্রম বহুব্রীহি
    • দ্বিগু
  31. ‘আশীবিষ’ কোন সমাস?
    • কর্মধারয়
    • তৎপুরুষ
    • বহুব্রীহি
    • অব্যয়ীভাব
  32. ‘বরানন্দ’ কোন প্রক্রিয়ায় গঠিত?
    • সমাস
    • সন্ধি
    • প্রত্যয়
    • উপসর্গ
  33. ‘অর্বাচীন’ কোন সমাস?
    • বহুব্রীহি
    • দ্বন্দ্ব
    • তৎপুরুষ
    • কর্মধারয়
  34. ‘বইপড়া’ কোন সমাস?
    • বহুব্রীহি
    • দ্বন্দ্ব
    • তৎপুরুষ
    • কর্মধারয়
  35. কোনটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?
    • প্রতিবাদ
    • বিলেত ফেরত
    • উপহার
    • ছেলেধরা
  36. ‘হাতাহাতি’ কোন সমাস?
    • প্রাদি
    • অব্যয়ীভাব
    • উপপদ তৎপুরুষ
    • বহুব্রীহি
  37. ‘বেহায়া’ কোন সমাস?
    • দ্বন্দ্ব
    • নিত্য
    • বহুব্রীহি
    • অব্যয়ীভাব
  38. কোনটি ইচ্ছা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস?
    • আজীবন
    • আরক্ত
    • আগাছা
    • আননী
  39. ‘উপশহর’ শব্দটি কোন সমাস?
    • দ্বন্দ্ব
    • নিত্য
    • বহুব্রীহি
    • অব্যয়ীভাব
  40. কোনটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ?
    • খোলামুখ
    • প্রতিদিন
    • আকাল
    • সেতার
  41. কোনটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাস?
    • ঘরে-বাইরে
    • ঘর-বাড়ি
    • ভাই-বোন
    • আমরা
  42. ‘তেলেভাজা’ কোন সমাস?
    • বহুব্রীহি
    • দ্বন্দ্ব
    • কর্মধারয়
    • তৎপুরুষ
  43. যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না অথবা অন্য পদের সাহায্যে বিগ্রহ করতে হয় তাকে কী বলা হয়?
    • দ্বন্দ্ব সমাস
    • অব্যয়ীভাব সমাস
    • প্রাদি সমাস
    • নিত্য সম??স
  44. কোনটি নিত্য সমাস?
    • পঞ্চানন
    • বেয়াদব
    • দেশান্তর
    • জামরুল
  45. নিচের কোন বাক্যটি কর্মবাচ্যের উদাহরণ?
    • তা, আপনার কী করা হয়
    • দূর থেকে পাহাড় নিচু মনে হয়
    • কেমন শীত শীত করছে
    • আসামিকে জরিমানা করা হয়েছে
  46. যে বাক্যে কর্ম থাকে না এবং ক্রিয়ার অর্থই প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কোন বাচ্য বলা হয়?
    • কর্ম-কর্তৃবাচ্য
    • কর্মবাচ্য
    • ভাববাচ্য
    • কর্তৃবাচ্য
  47. ‘আমার বই পড়া হয়েছে’ বাক্যটির উপযুক্ত কর্তৃবাচ্য রূপ কোনটি?
    • আমি বই পড়ি
    • আমরা বই পড়েছি
    • আমি বই পড়তে যাচ্ছি
    • আমি বই পড়েছি
  48. নিচের কোন বাক্যটিতে ভাববাচ্যের ব্যবহার দেখা যায়?
    • আমি ভাত খেয়েছি
    • তোরা সব ভাতের যোগাড় কর
    • আমাকে ভাত দেওয়া হয়নি
    • আমার ভাত খাওয়া হয়েছে
  49. ‘কোথায় থাকা হয়’ বাক্যটি কোন বাচ্যের উদাহরণ?
    • কর্তৃবাচ্য
    • কর্মবাচ্য
    • ভাববাচ্য
    • কর্ম-কর্তৃবাচ্য
  50. ‘তুমি বেড়ালে’ বাক্যটির ভাববাচ্য রূপ কোনটি?
    • তোমার বেড়ানো হলো
    • তোমা কর্তৃক বেড়ানো হলো
    • তুমি বেড়িয়ে এলে
    • তোমার বেড়ানো শেষ