উপসর্গ, প্রকৃতি-প্রত্যয়, দ্বিরুক্ত শব্দ, বিরামচিহ্ন ও বাগধারা — Primary Teacher
উপসর্গ, প্রকৃতি-প্রত্যয়, দ্বিরুক্ত শব্দ, বিরামচিহ্ন ও বাগধারা: বাংলা, Primary Teacher পাঠ ও 87টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/2।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- উপসর্গ
- বাংলা উপসর্গ
- তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ
- বিদেশি উপসর্গ
- উপসর্গের অর্থগত ব্যবহার
- প্রকৃতি ও প্রত্যয়
- ক্রিয়া প্রকৃতি
- নাম প্রকৃতি
- কৃৎ-প্রত্যয়
- তদ্ধিত-প্রত্যয়
- দ্বিরুক্ত শব্দ
- শব্দের দ্বিরুক্তি
- পদের দ্বিরুক্তি
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি
- বিরামচিহ্ন
- বিরামচিহ্নের ব্যবহার
- বাগধারা ও বিশিষ্ট অর্থবাচক শব্দ
- মাথা-সংক্রান্ত বাগধারা
- হাত-সংক্রান্ত বাগধারা
- মুখ ও নাক-সংক্রান্ত বাগধারা
- অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
উপসর্গ
Prefix
যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি কোনো ধাতু বা শব্দের আগে যুক্ত হয়ে তার অর্থে পরিবর্তন, সম্প্রসারণ, বিশেষত্ব বা নতুন অর্থ সৃষ্টি করে, তাদের উপসর্গ বলা হয়।
উপসর্গ নিজে সাধারণত স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না; মূল শব্দ বা ধাতুর আগে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে।
যেমন—
অ + গতি → অগতি
সু + নাম → সুনাম
প্র + গতি → প্রগতি
উপ + কার → উপকার
উপসর্গের প্রধান কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন এবং মূল শব্দের অর্থে পরিবর্তন আনা।
উপসর্গ নিজে সাধারণত স্বাধীন পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না; মূল শব্দ বা ধাতুর আগে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে।
যেমন—
অ + গতি → অগতি
সু + নাম → সুনাম
প্র + গতি → প্রগতি
উপ + কার → উপকার
উপসর্গের প্রধান কাজ হলো নতুন শব্দ গঠন এবং মূল শব্দের অর্থে পরিবর্তন আনা।
উপসর্গের প্রধান শ্রেণি
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে উৎস অনুযায়ী প্রধানত তিন ভাগে দেখা যায়—
১। বাংলা উপসর্গ
২। তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ
৩। বিদেশি উপসর্গ
কিছু উপসর্গ বাংলা ও তৎসম উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হলেও শব্দের উৎস ও অর্থ অনুযায়ী তাদের ব্যবহার ভিন্ন হতে পারে।
১। বাংলা উপসর্গ
২। তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ
৩। বিদেশি উপসর্গ
কিছু উপসর্গ বাংলা ও তৎসম উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হলেও শব্দের উৎস ও অর্থ অনুযায়ী তাদের ব্যবহার ভিন্ন হতে পারে।
বাংলা উপসর্গ
বাংলা ভাষার নিজস্ব শব্দগঠনে ব্যবহৃত উপসর্গকে বাংলা উপসর্গ বলা হয়। প্রদত্ত পাঠ্য অনুযায়ী বাংলা উপসর্গের সংখ্যা প্রায় ২১টি।
গুরুত্বপূর্ণ বাংলা উপসর্গের মধ্যে—
অ, আ, অনা, কু, নি, বি, ভর, রাম, স, হা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
উদাহরণ—
অ + চিন → অচিন
কু + কাজ → কুকাজ
নি + খোঁজ → নিখোঁজ
ভর + দুপুর → ভরদুপুর
হা + ভাত → হাভাত
বাংলা উপসর্গ মনে রাখার ক্ষেত্রে উদাহরণভিত্তিক শেখা অধিক কার্যকর।
গুরুত্বপূর্ণ বাংলা উপসর্গের মধ্যে—
অ, আ, অনা, কু, নি, বি, ভর, রাম, স, হা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
উদাহরণ—
অ + চিন → অচিন
কু + কাজ → কুকাজ
নি + খোঁজ → নিখোঁজ
ভর + দুপুর → ভরদুপুর
হা + ভাত → হাভাত
বাংলা উপসর্গ মনে রাখার ক্ষেত্রে উদাহরণভিত্তিক শেখা অধিক কার্যকর।
বাংলা উপসর্গের অর্থগত উদাহরণ
অ — নঞর্থক বা অভাব
অচিন, অজানা জাতীয় শব্দ।
আ — প্রসার, পূর্ণতা বা তীব্রতা
আকণ্ঠ, আমরণ জাতীয় গঠন।
অনা — অনুপস্থিতি বা নেতিবাচকতা
অনাবৃষ্টি জাতীয় শব্দ।
কু — মন্দ বা খারাপ
কুকাজ, কুনাম।
নি — অভাব বা নিম্নভাব
নিখোঁজ, নিঃস্বজাত গঠন।
অচিন, অজানা জাতীয় শব্দ।
আ — প্রসার, পূর্ণতা বা তীব্রতা
আকণ্ঠ, আমরণ জাতীয় গঠন।
অনা — অনুপস্থিতি বা নেতিবাচকতা
অনাবৃষ্টি জাতীয় শব্দ।
কু — মন্দ বা খারাপ
কুকাজ, কুনাম।
নি — অভাব বা নিম্নভাব
নিখোঁজ, নিঃস্বজাত গঠন।
ভর — পূর্ণতা
ভরদুপুর, ভরপেট।
রাম — বিশেষ বা প্রবল অর্থে
রামছাগল জাতীয় শব্দে ব্যবহৃত।
স — সঙ্গে বা সহ
সপরিবার, সশরীরে জাতীয় গঠন।
হা — অভাব বা আকাঙ্ক্ষা
হাভাত, হাপিত্যেশ জাতীয় শব্দে অর্থ পরিবর্তন করে।
ভরদুপুর, ভরপেট।
রাম — বিশেষ বা প্রবল অর্থে
রামছাগল জাতীয় শব্দে ব্যবহৃত।
স — সঙ্গে বা সহ
সপরিবার, সশরীরে জাতীয় গঠন।
হা — অভাব বা আকাঙ্ক্ষা
হাভাত, হাপিত্যেশ জাতীয় শব্দে অর্থ পরিবর্তন করে।
তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ
সংস্কৃত থেকে আগত এবং তৎসম শব্দের পূর্বে ব্যবহৃত উপসর্গকে তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ বলা হয়। প্রদত্ত পাঠ্যে এদের সংখ্যা ২০টি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রধান তৎসম উপসর্গ—
প্র, পরা, অপ, সম্, অনু, অব, নির্, দুর্, বি, অধি, সু, উৎ, অতি, অভি, প্রতি, পরি, উপ, আ, নি, অধঃ প্রভৃতি।
উদাহরণ—
প্র + গতি → প্রগতি
পরি + ক্রমা → পরিক্রমা
অতি + ক্রম → অতিক্রম
উৎ + সাহ → উৎসাহ
প্রতি + দিন → প্রতিদিন
উপ + কার → উপকার
প্রধান তৎসম উপসর্গ—
প্র, পরা, অপ, সম্, অনু, অব, নির্, দুর্, বি, অধি, সু, উৎ, অতি, অভি, প্রতি, পরি, উপ, আ, নি, অধঃ প্রভৃতি।
উদাহরণ—
প্র + গতি → প্রগতি
পরি + ক্রমা → পরিক্রমা
অতি + ক্রম → অতিক্রম
উৎ + সাহ → উৎসাহ
প্রতি + দিন → প্রতিদিন
উপ + কার → উপকার
তৎসম উপসর্গের কিছু অর্থ
অতি
অধিকতা বা অতিরিক্ত অর্থ প্রকাশ করে।
যেমন— অতিরিক্ত, অতিবৃষ্টি।
অধি
উপর বা কর্তৃত্বের ভাব প্রকাশ করতে পারে।
যেমন— অধিকার।
প্রতি
প্রত্যেক, দিকে বা প্রতিক্রিয়া জাতীয় অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে।
যেমন— প্রতিদিন, প্রতিবাদ।
উপ
নিকটতা, ক্ষুদ্রতা বা সহায়ক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
যেমন— উপকূল, উপশহর।
বি
পৃথক, বিশেষ, বিপরীত বা বিস্তারমূলক অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে।
যেমন— বিভাগ, বিশ্লেষণ।
অধিকতা বা অতিরিক্ত অর্থ প্রকাশ করে।
যেমন— অতিরিক্ত, অতিবৃষ্টি।
অধি
উপর বা কর্তৃত্বের ভাব প্রকাশ করতে পারে।
যেমন— অধিকার।
প্রতি
প্রত্যেক, দিকে বা প্রতিক্রিয়া জাতীয় অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে।
যেমন— প্রতিদিন, প্রতিবাদ।
উপ
নিকটতা, ক্ষুদ্রতা বা সহায়ক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
যেমন— উপকূল, উপশহর।
বি
পৃথক, বিশেষ, বিপরীত বা বিস্তারমূলক অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে।
যেমন— বিভাগ, বিশ্লেষণ।
বিদেশি উপসর্গ
আরবি, ফারসি, ইংরেজি প্রভৃতি ভাষা থেকে আগত কিছু উপসর্গ বাংলা শব্দগঠনে ব্যবহৃত হয়। এগুলোকে বিদেশি উপসর্গ বলা হয়।
আরবি উৎস
গর, লা, বাজে, আম, খাস প্রভৃতি।
উদাহরণ— গরমিল, লাপাত্তা, বাজেখরচ, আমজনতা, খাসমহল।
ফারসি উৎস
না, ফি, বদ, দর, বে, কম প্রভৃতি।
উদাহরণ— নারাজ, ফি-বছর, বদমেজাজ, বেকার, কমজোর।
ইংরেজি উৎস
হেড, সাব, হাফ, ফুল জাতীয় শব্দাংশ বাংলা ব্যবহারে উপসর্গের মতো কাজ করতে পারে।
যেমন— হেডমাস্টার, সাব-ইন্সপেক্টর।
আরবি উৎস
গর, লা, বাজে, আম, খাস প্রভৃতি।
উদাহরণ— গরমিল, লাপাত্তা, বাজেখরচ, আমজনতা, খাসমহল।
ফারসি উৎস
না, ফি, বদ, দর, বে, কম প্রভৃতি।
উদাহরণ— নারাজ, ফি-বছর, বদমেজাজ, বেকার, কমজোর।
ইংরেজি উৎস
হেড, সাব, হাফ, ফুল জাতীয় শব্দাংশ বাংলা ব্যবহারে উপসর্গের মতো কাজ করতে পারে।
যেমন— হেডমাস্টার, সাব-ইন্সপেক্টর।
উপসর্গের অর্থগত ব্যবহার
একই উপসর্গ বিভিন্ন শব্দে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে। তাই উপসর্গের অর্থ শুধু মুখস্থ না করে শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে বুঝতে হয়।
যেমন— ‘অপ’ উপসর্গ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিকৃষ্ট, বিরুদ্ধ, বিপরীত বা অন্য অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
আবার ‘অব’ উপসর্গের অর্থও সব শব্দে একই নয়। কোনো ক্ষেত্রে নিচের দিকে, কোনো ক্ষেত্রে অবনতি, কোনো ক্ষেত্রে অন্য অর্থ বোঝাতে পারে।
পরীক্ষায় একটি উপসর্গ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে— এমন প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
যেমন— ‘অপ’ উপসর্গ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিকৃষ্ট, বিরুদ্ধ, বিপরীত বা অন্য অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
আবার ‘অব’ উপসর্গের অর্থও সব শব্দে একই নয়। কোনো ক্ষেত্রে নিচের দিকে, কোনো ক্ষেত্রে অবনতি, কোনো ক্ষেত্রে অন্য অর্থ বোঝাতে পারে।
পরীক্ষায় একটি উপসর্গ কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে— এমন প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
উপসর্গ ও প্রত্যয়ের পার্থক্য
উপসর্গ মূল শব্দ বা ধাতুর আগে যুক্ত হয়।
প্রত্যয় মূল শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়।
উপসর্গের কাজ— মূল অর্থে পরিবর্তন এনে নতুন শব্দ তৈরি করা।
প্রত্যয়ের কাজ— ধাতু বা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন পদ বা নতুন শব্দরূপ তৈরি করা।
যেমন—
প্র + গতি → প্রগতি
এখানে ‘প্র’ উপসর্গ।
পড় + উয়া → পড়ুয়া
এখানে ‘উয়া’ প্রত্যয়।
প্রত্যয় মূল শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হয়।
উপসর্গের কাজ— মূল অর্থে পরিবর্তন এনে নতুন শব্দ তৈরি করা।
প্রত্যয়ের কাজ— ধাতু বা শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন পদ বা নতুন শব্দরূপ তৈরি করা।
যেমন—
প্র + গতি → প্রগতি
এখানে ‘প্র’ উপসর্গ।
পড় + উয়া → পড়ুয়া
এখানে ‘উয়া’ প্রত্যয়।
প্রকৃতি ও প্রত্যয়
Root and Suffix
শব্দ বা ধাতুর যে মূল অংশের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে প্রকৃতি বলা হয়। আর প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলা হয়।
প্রকৃতি সাধারণত দুই ধরনের—
১। ক্রিয়া প্রকৃতি
২। নাম প্রকৃতি
প্রত্যয়ও প্রধানত দুইভাবে আলোচিত হয়—
১। কৃৎ-প্রত্যয়
২। তদ্ধিত-প্রত্যয়
প্রকৃতি সাধারণত দুই ধরনের—
১। ক্রিয়া প্রকৃতি
২। নাম প্রকৃতি
প্রত্যয়ও প্রধানত দুইভাবে আলোচিত হয়—
১। কৃৎ-প্রত্যয়
২। তদ্ধিত-প্রত্যয়
ক্রিয়া প্রকৃতি
ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হলে সেই ধাতু বা ক্রিয়ামূলকে ক্রিয়া প্রকৃতি বলা হয়।
যেমন—
পড় + উয়া → পড়ুয়া
এখানে ‘পড়’ একটি ক্রিয়ামূল বা ধাতু এবং ‘উয়া’ প্রত্যয়। ফলে গঠিত হয়েছে ‘পড়ুয়া’।
আরও উদাহরণ—
চল + অন → চলন
কর + তা → কর্তা জাতীয় গঠন।
যেমন—
পড় + উয়া → পড়ুয়া
এখানে ‘পড়’ একটি ক্রিয়ামূল বা ধাতু এবং ‘উয়া’ প্রত্যয়। ফলে গঠিত হয়েছে ‘পড়ুয়া’।
আরও উদাহরণ—
চল + অন → চলন
কর + তা → কর্তা জাতীয় গঠন।
নাম প্রকৃতি
শব্দমূল বা নামবাচক পদের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন বিশেষ্য বা বিশেষণ গঠিত হলে মূল শব্দটিকে নাম প্রকৃতি বলা হয়।
যেমন—
ঘর + আমি → ঘরামি জাতীয় গঠন।
এখানে ‘ঘর’ নামবাচক মূল শব্দ এবং পরবর্তী অংশ প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
যেমন—
ঘর + আমি → ঘরামি জাতীয় গঠন।
এখানে ‘ঘর’ নামবাচক মূল শব্দ এবং পরবর্তী অংশ প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
কৃৎ-প্রত্যয়
ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতুর সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য, বিশেষণ বা অন্য পদ তৈরি করে, তাকে কৃৎ-প্রত্যয় বলা হয়।
যেমন—
চল + অন → চলন
চল + অন্ত → চলন্ত
পড় + উয়া → পড়ুয়া
ধাতুর মূলরূপ বোঝাতে অনেক সময় √ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যেমন—
√পড় + উয়া → পড়ুয়া
কৃৎ-প্রত্যয়যুক্ত গঠিত পদকে কৃদন্ত পদ বলা হয়।
যেমন—
চল + অন → চলন
চল + অন্ত → চলন্ত
পড় + উয়া → পড়ুয়া
ধাতুর মূলরূপ বোঝাতে অনেক সময় √ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যেমন—
√পড় + উয়া → পড়ুয়া
কৃৎ-প্রত্যয়যুক্ত গঠিত পদকে কৃদন্ত পদ বলা হয়।
কৃদন্ত পদ
কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে শব্দ তৈরি হয় তাকে কৃদন্ত পদ বলা হয়।
যেমন—
√পড় + উয়া → পড়ুয়া
√নাচ + অন → নাচন
কৃদন্ত শব্দ গঠনের সময় মূল ধাতুর ধ্বনিগত পরিবর্তনও ঘটতে পারে।
যেমন—
√পড় + উয়া → পড়ুয়া
√নাচ + অন → নাচন
কৃদন্ত শব্দ গঠনের সময় মূল ধাতুর ধ্বনিগত পরিবর্তনও ঘটতে পারে।
তদ্ধিত-প্রত্যয়
নাম শব্দ বা শব্দমূলের সঙ্গে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে, তাকে তদ্ধিত-প্রত্যয় বলা হয়।
যেমন—
লাজ + উক → লাজুক
বড় + আই → বড়াই
ঘর + আমি → ঘরামি
এখানে লাজ, বড় ও ঘর— মূল নাম প্রকৃতি; আর পরবর্তী অংশগুলো তদ্ধিত প্রত্যয়।
যেমন—
লাজ + উক → লাজুক
বড় + আই → বড়াই
ঘর + আমি → ঘরামি
এখানে লাজ, বড় ও ঘর— মূল নাম প্রকৃতি; আর পরবর্তী অংশগুলো তদ্ধিত প্রত্যয়।
বিভক্তিহীন নাম শব্দ
যে নাম শব্দে কোনো বিভক্তি যুক্ত থাকে না, তাকে বিভক্তিহীন নাম শব্দ বলা হয়। ব্যাকরণে একে অনেক সময় প্রাতিপদিক বলা হয়।
তবে ক্রিয়াপদের ক্ষেত্রে মূল অংশকে ধাতু বা প্রকৃতি বলা হয়।
তবে ক্রিয়াপদের ক্ষেত্রে মূল অংশকে ধাতু বা প্রকৃতি বলা হয়।
দ্বিরুক্ত শব্দ
Reduplicative Words
একই শব্দ, একই পদ বা কাছাকাছি ধ্বনির পুনরাবৃত্তির মাধ্যমে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলা হয়।
দ্বিরুক্তির মাধ্যমে পুনরাবৃত্তি, আধিক্য, ব্যাপকতা, ধারাবাহিকতা, সামান্যতা, তীব্রতা, অনুকরণ বা বিশেষ আবেগ প্রকাশ পায়।
দ্বিরুক্ত শব্দকে প্রধানত তিন ভাগে দেখা যায়—
১। শব্দের দ্বিরুক্তি
২। পদের দ্বিরুক্তি
৩। ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার দ্বিরুক্তি
দ্বিরুক্তির মাধ্যমে পুনরাবৃত্তি, আধিক্য, ব্যাপকতা, ধারাবাহিকতা, সামান্যতা, তীব্রতা, অনুকরণ বা বিশেষ আবেগ প্রকাশ পায়।
দ্বিরুক্ত শব্দকে প্রধানত তিন ভাগে দেখা যায়—
১। শব্দের দ্বিরুক্তি
২। পদের দ্বিরুক্তি
৩। ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার দ্বিরুক্তি
শব্দের দ্বিরুক্তি
একই শব্দ সম্পূর্ণভাবে দুবার ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে শব্দের দ্বিরুক্তি হয়।
যেমন—
ভাল ভাল বই
বড় বড় বাড়ি
ছোট ছোট ফুল
এ ধরনের দ্বিরুক্তিতে বহুত্ব, বিস্তার বা তীব্রতা প্রকাশ পেতে পারে।
যেমন—
ভাল ভাল বই
বড় বড় বাড়ি
ছোট ছোট ফুল
এ ধরনের দ্বিরুক্তিতে বহুত্ব, বিস্তার বা তীব্রতা প্রকাশ পেতে পারে।
সহযোগী শব্দযোগে দ্বিরুক্তি
কখনো মূল শব্দের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বা ধ্বনিসাদৃশ্যপূর্ণ আরেকটি শব্দ যুক্ত হয়ে দ্বিরুক্তি গঠিত হয়।
যেমন—
কাপড়-চোপড়
খোঁজ-খবর
চাল-চলন
এখানে দ্বিতীয় শব্দটি প্রথমটির সঙ্গে অর্থগত বা ধ্বনিগত সম্পর্ক তৈরি করে সমষ্টিগত অর্থ প্রকাশ করে।
যেমন—
কাপড়-চোপড়
খোঁজ-খবর
চাল-চলন
এখানে দ্বিতীয় শব্দটি প্রথমটির সঙ্গে অর্থগত বা ধ্বনিগত সম্পর্ক তৈরি করে সমষ্টিগত অর্থ প্রকাশ করে।
পরিবর্তিত পুনরুক্তি
একই শব্দের দ্বিতীয় অংশ সামান্য পরিবর্তিত হয়ে পুনরুক্তি গঠন করতে পারে।
যেমন—
মিট-মাট
ফিট-ফাট
বকা-ঝকা
এ ধরনের শব্দে প্রথম ও দ্বিতীয় অংশের ধ্বনি কাছাকাছি থাকলেও দুটির রূপ এক নয়।
যেমন—
মিট-মাট
ফিট-ফাট
বকা-ঝকা
এ ধরনের শব্দে প্রথম ও দ্বিতীয় অংশের ধ্বনি কাছাকাছি থাকলেও দুটির রূপ এক নয়।
সমার্থক ও বিপরীতার্থক দ্বিরুক্তি
সমার্থক শব্দ পাশাপাশি ব্যবহার করেও দ্বিরুক্তি হতে পারে।
যেমন— ধন-দৌলত।
বিপরীতার্থক শব্দের যুগলও দ্বিরুক্তি গঠন করতে পারে।
যেমন— দেনা-পাওনা, ধনী-গরিব, আসা-যাওয়া।
যেমন— ধন-দৌলত।
বিপরীতার্থক শব্দের যুগলও দ্বিরুক্তি গঠন করতে পারে।
যেমন— দেনা-পাওনা, ধনী-গরিব, আসা-যাওয়া।
পদের দ্বিরুক্তি
বিভক্তিযুক্ত কোনো পদ পুনরাবৃত্ত হয়ে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে পদের দ্বিরুক্তি বলা হয়।
যেমন—
ঘরে ঘরে যোগাযোগ চলছে।
দেশে দেশে ধন্য ধন্য পড়ে গেল।
মনে মনে ভাবছি।
কখনো দ্বিতীয় অংশে মূল শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হলেও বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
যেমন— হাতে-নাতে।
যেমন—
ঘরে ঘরে যোগাযোগ চলছে।
দেশে দেশে ধন্য ধন্য পড়ে গেল।
মনে মনে ভাবছি।
কখনো দ্বিতীয় অংশে মূল শব্দ কিছুটা পরিবর্তিত হলেও বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
যেমন— হাতে-নাতে।
পদের দ্বিরুক্তির ব্যবহার
পদের দ্বিরুক্তি দিয়ে বিভিন্ন ভাব প্রকাশ করা যায়—
১। আধিক্য
রাশি রাশি ধান।
২। সাধারণ বা ব্যাপক অর্থ
কবি কবি ভাব।
৩। ধারাবাহিকতা
দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছে।
৪। ক্রিয়া বিশেষণ
ধীরে ধীরে যায়।
৫। অনুরূপতা
তার সঙ্গী সাথী কেউ নেই।
৬। আবেগ বা আহ্বান
দাদা দাদা বলে ডাকছে।
১। আধিক্য
রাশি রাশি ধান।
২। সাধারণ বা ব্যাপক অর্থ
কবি কবি ভাব।
৩। ধারাবাহিকতা
দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছে।
৪। ক্রিয়া বিশেষণ
ধীরে ধীরে যায়।
৫। অনুরূপতা
তার সঙ্গী সাথী কেউ নেই।
৬। আবেগ বা আহ্বান
দাদা দাদা বলে ডাকছে।
ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার দ্বিরুক্তি
প্রকৃতি, প্রাণী, মানুষ বা বিভিন্ন ঘটনার শব্দ অনুকরণ করে যে শব্দ সৃষ্টি হয়, তাকে ধ্বন্যাত্মক বা অনুকার শব্দ বলা হয়। এ ধরনের শব্দের পুনরাবৃত্তিতে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি গঠিত হয়।
মানুষের ধ্বনি
ট্যা ট্যা, হি হি জাতীয় শব্দ।
প্রাণীর ধ্বনি
মেউ মেউ, কুহু কুহু, কা কা।
বস্তুর বা প্রকৃতির ধ্বনি
ঝমঝম, মড়মড়, ছপছপ।
অনুভূতিজাত
ঝিকিমিকি, কুটকুট, টনটন জাতীয় শব্দ।
মানুষের ধ্বনি
ট্যা ট্যা, হি হি জাতীয় শব্দ।
প্রাণীর ধ্বনি
মেউ মেউ, কুহু কুহু, কা কা।
বস্তুর বা প্রকৃতির ধ্বনি
ঝমঝম, মড়মড়, ছপছপ।
অনুভূতিজাত
ঝিকিমিকি, কুটকুট, টনটন জাতীয় শব্দ।
ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির গঠন
ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি বিভিন্নভাবে গঠিত হতে পারে—
একই শব্দের পুনরাবৃত্তি — ধক ধক, ঘন ঘন।
প্রথম শব্দে অতিরিক্ত ধ্বনি যোগ — গপাগপ জাতীয় গঠন।
দ্বিতীয় শব্দে ধ্বনি যোগ — ধরাধরি জাতীয় গঠন।
যুগ্মভাবে দুই অনুকার ধ্বনি — ফিসফিস, টাপুর টুপুর।
একই শব্দের পুনরাবৃত্তি — ধক ধক, ঘন ঘন।
প্রথম শব্দে অতিরিক্ত ধ্বনি যোগ — গপাগপ জাতীয় গঠন।
দ্বিতীয় শব্দে ধ্বনি যোগ — ধরাধরি জাতীয় গঠন।
যুগ্মভাবে দুই অনুকার ধ্বনি — ফিসফিস, টাপুর টুপুর।
বিরামচিহ্ন
Punctuation Marks
বাক্যের অর্থ স্পষ্টভাবে প্রকাশ, বক্তব্যের অংশগুলোর সীমা নির্ধারণ, আবেগের প্রকৃতি বোঝানো এবং পাঠের সময় উপযুক্ত বিরতি নির্দেশ করার জন্য যে চিহ্নগুলো ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে বিরামচিহ্ন বা যতিচিহ্ন বলা হয়।
বিরামচিহ্নের ব্যবহার বাক্যের অর্থ ও সৌন্দর্য উভয়কেই স্পষ্ট করে। ভুল বিরামচিহ্ন বাক্যের অর্থ পরিবর্তনও করতে পারে।
বিরামচিহ্নের ব্যবহার বাক্যের অর্থ ও সৌন্দর্য উভয়কেই স্পষ্ট করে। ভুল বিরামচিহ্ন বাক্যের অর্থ পরিবর্তনও করতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ বিরামচিহ্ন
দাঁড়ি — ।
কমা — ,
সেমিকোলন — ;
কোলন — :
প্রশ্নবোধক — ?
বিস্ময়সূচক — !
হাইফেন — -
ড্যাশ — —
কোলন ড্যাশ — :-
উদ্ধৃতি চিহ্ন — “ ” অথবা ‘ ’
বন্ধনী — ( )
প্রতিটি চিহ্নের বিরতির মাত্রা ও ব্যবহার পৃথক।
কমা — ,
সেমিকোলন — ;
কোলন — :
প্রশ্নবোধক — ?
বিস্ময়সূচক — !
হাইফেন — -
ড্যাশ — —
কোলন ড্যাশ — :-
উদ্ধৃতি চিহ্ন — “ ” অথবা ‘ ’
বন্ধনী — ( )
প্রতিটি চিহ্নের বিরতির মাত্রা ও ব্যবহার পৃথক।
বিরামচিহ্নের ব্যবহার
দাঁড়ি
পূর্ণ বাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয়।
যেমন— আমি বাড়ি যাব।
কমা
স্বল্প বিরতি, তালিকা বা সম্বোধনের পরে ব্যবহৃত হয়।
যেমন— রবি, তুমি কি যাবে?
সেমিকোলন
দুটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত স্বাধীন বাক্যের মাঝখানে ব্যবহৃত হয়।
কোলন
ব্যাখ্যা, উদাহরণ বা তালিকা শুরু করতে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্নবোধক চিহ্ন
প্রশ্নসূচক বাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয়।
বিস্ময়সূচক চিহ্ন
আবেগ, বিস্ময়, আনন্দ, দুঃখ, আহ্বান ইত্যাদি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
হাইফেন
দুটি পদ বা সমাসবদ্ধ অংশের সংযোগ দেখাতে ব্যবহৃত হয়।
যেমন— মা-বাবা, ভাই-বোন।
ড্যাশ
বাক্যে হঠাৎ বিরতি, অতিরিক্ত ব্যাখ্যা বা বিশেষ জোর প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
উদ্ধৃতি চিহ্ন
অন্যের বক্তব্য, বিশেষ শব্দ বা উদ্ধৃতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
পূর্ণ বাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয়।
যেমন— আমি বাড়ি যাব।
কমা
স্বল্প বিরতি, তালিকা বা সম্বোধনের পরে ব্যবহৃত হয়।
যেমন— রবি, তুমি কি যাবে?
সেমিকোলন
দুটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত স্বাধীন বাক্যের মাঝখানে ব্যবহৃত হয়।
কোলন
ব্যাখ্যা, উদাহরণ বা তালিকা শুরু করতে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্নবোধক চিহ্ন
প্রশ্নসূচক বাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয়।
বিস্ময়সূচক চিহ্ন
আবেগ, বিস্ময়, আনন্দ, দুঃখ, আহ্বান ইত্যাদি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
হাইফেন
দুটি পদ বা সমাসবদ্ধ অংশের সংযোগ দেখাতে ব্যবহৃত হয়।
যেমন— মা-বাবা, ভাই-বোন।
ড্যাশ
বাক্যে হঠাৎ বিরতি, অতিরিক্ত ব্যাখ্যা বা বিশেষ জোর প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
উদ্ধৃতি চিহ্ন
অন্যের বক্তব্য, বিশেষ শব্দ বা উদ্ধৃতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বিরামচিহ্নে বিরতির মাত্রা
দাঁড়ি — তুলনামূলক পূর্ণ বিরতি।
কমা — অল্প বিরতি।
সেমিকোলন — কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাঁড়ির চেয়ে কম বিরতি।
কোলন — ব্যাখ্যা বা তালিকার পূর্বে মাঝারি বিরতি।
হাইফেন ও উদ্ধৃতি চিহ্ন সাধারণত বিরতির জন্য নয়; শব্দ বা বক্তব্যের সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
কমা — অল্প বিরতি।
সেমিকোলন — কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাঁড়ির চেয়ে কম বিরতি।
কোলন — ব্যাখ্যা বা তালিকার পূর্বে মাঝারি বিরতি।
হাইফেন ও উদ্ধৃতি চিহ্ন সাধারণত বিরতির জন্য নয়; শব্দ বা বক্তব্যের সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বিরামচিহ্ন ব্যবহারে বিশেষ সতর্কতা
১। পূর্ণ বাক্যের শেষে সাধারণত দাঁড়ি ব্যবহৃত হয়।
২। প্রশ্নসূচক বাক্যে প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়।
৩। বিস্ময়, আবেগ বা আহ্বানে বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
৪। তালিকার আগে কোলন ব্যবহার করা যেতে পারে।
৫। দুটি ঘনিষ্ঠ বাক্যের মাঝখানে সেমিকোলন উপযোগী।
৬। যৌগিক শব্দের অংশ পৃথক দেখাতে হাইফেন ব্যবহৃত হতে পারে।
২। প্রশ্নসূচক বাক্যে প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়।
৩। বিস্ময়, আবেগ বা আহ্বানে বিস্ময়সূচক চিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
৪। তালিকার আগে কোলন ব্যবহার করা যেতে পারে।
৫। দুটি ঘনিষ্ঠ বাক্যের মাঝখানে সেমিকোলন উপযোগী।
৬। যৌগিক শব্দের অংশ পৃথক দেখাতে হাইফেন ব্যবহৃত হতে পারে।
বাগধারা ও বিশিষ্ট অর্থবাচক শব্দ
Idiomatic Expressions
শব্দগুচ্ছের আক্ষরিক অর্থের পরিবর্তে প্রচলিত বিশেষ অর্থ প্রকাশ করলে তাকে বাগধারা বলা হয়। বাগধারার অর্থ সাধারণত শব্দগুলো আলাদা করে বিশ্লেষণ করে বোঝা যায় না।
যেমন—
মাথা খাওয়া → বিরক্ত করা বা শপথ করানো অর্থে প্রসঙ্গভেদে ব্যবহৃত হতে পারে।
হাত গুটানো → কাজ থেকে বিরত থাকা।
নাক কাটা → মান-সম্মানের ক্ষতি হওয়া।
পরীক্ষায় বাগধারার অর্থ, বাক্যে প্রয়োগ এবং একই শব্দের ভিন্ন বাগধারাগত অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে।
যেমন—
মাথা খাওয়া → বিরক্ত করা বা শপথ করানো অর্থে প্রসঙ্গভেদে ব্যবহৃত হতে পারে।
হাত গুটানো → কাজ থেকে বিরত থাকা।
নাক কাটা → মান-সম্মানের ক্ষতি হওয়া।
পরীক্ষায় বাগধারার অর্থ, বাক্যে প্রয়োগ এবং একই শব্দের ভিন্ন বাগধারাগত অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে।
‘মাথা’ শব্দযুক্ত বাগধারা
মাথা উঁচু করে চলা — গর্ব বা মর্যাদার সঙ্গে চলা
মাথা কাটা যাওয়া — সম্মানহানি হওয়া
মাথা খাওয়া — শপথ করানো বা বিরক্ত করা
মাথা ঘামানো — দায়িত্ব নেওয়া বা চিন্তা করা
মাথা খাটানো — বুদ্ধি প্রয়োগ করা
মাথা গরম করা — উত্তেজিত বা রাগান্বিত হওয়া
মাথা ধরা — বিরক্তিকর বা যন্ত্রণাদায়ক হওয়া
মাথা কাটা যাওয়া — সম্মানহানি হওয়া
মাথা খাওয়া — শপথ করানো বা বিরক্ত করা
মাথা ঘামানো — দায়িত্ব নেওয়া বা চিন্তা করা
মাথা খাটানো — বুদ্ধি প্রয়োগ করা
মাথা গরম করা — উত্তেজিত বা রাগান্বিত হওয়া
মাথা ধরা — বিরক্তিকর বা যন্ত্রণাদায়ক হওয়া
মাথা নিচু করা — লজ্জিত বা অপমানিত হওয়া
মাথায় হাত দেওয়া — বিপদে পড়া বা হতাশ হওয়া
মাথা হেঁট করা — লজ্জায় নত হওয়া
মাথায় তোলা — অতিরিক্ত প্রশ্রয় দেওয়া
গ্রামের মাথা — মোড়ল বা প্রধান ব্যক্তি
মাথা ব্যথা — সমস্যা বা ঝামেলা
মাথায় হাত দেওয়া — বিপদে পড়া বা হতাশ হওয়া
মাথা হেঁট করা — লজ্জায় নত হওয়া
মাথায় তোলা — অতিরিক্ত প্রশ্রয় দেওয়া
গ্রামের মাথা — মোড়ল বা প্রধান ব্যক্তি
মাথা ব্যথা — সমস্যা বা ঝামেলা
মুখ ও নাক-সংক্রান্ত বাগধারা
মুখ করা — গন্তব্য বা দিকে যাওয়া
মুখ ধরা — অবস্থার পরিবর্তন হওয়া
মুখ ফোটা — কথা বলতে বা দাবি প্রকাশ করতে সক্ষম হওয়া
মুখ রাখা — সম্মান রক্ষা করা
মুখ তোলা — প্রসন্ন হওয়া বা মুখ দেখানোর সাহস পাওয়া
নাকে-মুখে — অত্যন্ত তাড়াহুড়া বা ঘন অবস্থায়
নাক কাটা — মানহানি হওয়া
নাকে দড়ি দেওয়া — সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা জাতীয় ভাব
নাকের ডগায় — একেবারে কাছাকাছি
মুখ ধরা — অবস্থার পরিবর্তন হওয়া
মুখ ফোটা — কথা বলতে বা দাবি প্রকাশ করতে সক্ষম হওয়া
মুখ রাখা — সম্মান রক্ষা করা
মুখ তোলা — প্রসন্ন হওয়া বা মুখ দেখানোর সাহস পাওয়া
নাকে-মুখে — অত্যন্ত তাড়াহুড়া বা ঘন অবস্থায়
নাক কাটা — মানহানি হওয়া
নাকে দড়ি দেওয়া — সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা জাতীয় ভাব
নাকের ডগায় — একেবারে কাছাকাছি
‘হাত’ শব্দযুক্ত বাগধারা
হাত আসা — দক্ষতা অর্জন করা
হাতে আসা — আয়ত্তে বা দখলে আসা
হাতে কলমে — বাস্তবভাবে বা কাজের মাধ্যমে
হাত গুটানো — কাজ থেকে বিরত থাকা
হাত ছাড়া — নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া
হাত টানা — ব্যয় বা কাজ সীমিত করা
হাত থাকা — কর্তৃত্ব বা প্রভাব থাকা
হাত ভারী — কৃপণতা বা ব্যয়ের অনীহা বোঝাতে ব্যবহৃত
হাতে হাতে — সঙ্গে সঙ্গে বা অবিলম্বে
হাতযশ — দক্ষতা বা নৈপুণ্যের সুনাম
হাতে আসা — আয়ত্তে বা দখলে আসা
হাতে কলমে — বাস্তবভাবে বা কাজের মাধ্যমে
হাত গুটানো — কাজ থেকে বিরত থাকা
হাত ছাড়া — নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া
হাত টানা — ব্যয় বা কাজ সীমিত করা
হাত থাকা — কর্তৃত্ব বা প্রভাব থাকা
হাত ভারী — কৃপণতা বা ব্যয়ের অনীহা বোঝাতে ব্যবহৃত
হাতে হাতে — সঙ্গে সঙ্গে বা অবিলম্বে
হাতযশ — দক্ষতা বা নৈপুণ্যের সুনাম
‘পাকা’ শব্দযুক্ত বিশিষ্ট অর্থ
পাকা আম — পরিপক্ব আম
পাকা কথা — চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
পাকা কাজ — নিশ্চিত বা স্থায়ী কাজ
পাকা বন্দোবস্ত — স্থায়ী ব্যবস্থা
পাকা বাড়ি — ইট, সিমেন্ট ইত্যাদির তৈরি বাড়ি
পাকা হাত — দক্ষ ব্যক্তি বা দক্ষ লেখক
একই ‘পাকা’ শব্দ বিভিন্ন পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
পাকা কথা — চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
পাকা কাজ — নিশ্চিত বা স্থায়ী কাজ
পাকা বন্দোবস্ত — স্থায়ী ব্যবস্থা
পাকা বাড়ি — ইট, সিমেন্ট ইত্যাদির তৈরি বাড়ি
পাকা হাত — দক্ষ ব্যক্তি বা দক্ষ লেখক
একই ‘পাকা’ শব্দ বিভিন্ন পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
‘কাঁচা’ শব্দযুক্ত বিশিষ্ট অর্থ
কাঁচা আম — অপরিপক্ব আম
কাঁচা ইট — পোড়ানো হয়নি এমন ইট
কাঁচা কাজ — অসম্পূর্ণ বা দুর্বল কাজ
কাঁচা কথা — অপরিণত বা ভিত্তিহীন কথা
কাঁচা ঘুম — হালকা ঘুম
কাঁচা চুল — কালো চুল
কাঁচা লোক — অনভিজ্ঞ ব্যক্তি
কাঁচা বয়স — অল্প বয়স
কাঁচা ইট — পোড়ানো হয়নি এমন ইট
কাঁচা কাজ — অসম্পূর্ণ বা দুর্বল কাজ
কাঁচা কথা — অপরিণত বা ভিত্তিহীন কথা
কাঁচা ঘুম — হালকা ঘুম
কাঁচা চুল — কালো চুল
কাঁচা লোক — অনভিজ্ঞ ব্যক্তি
কাঁচা বয়স — অল্প বয়স
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা
পাকা রং — স্থায়ী রং
পাকা আম — পরিপক্ব ফল
বড় ঘর — সম্ভ্রান্ত পরিবার
বড় মুখ — অহংকারপূর্ণ বক্তব্য
বড় মন — উদারতা
বড়লোক — ধনী ব্যক্তি
রোগ ধরা — রোগ নির্ণয় করা
রোগে ধরা — রোগাক্রান্ত হওয়া
পাকা আম — পরিপক্ব ফল
বড় ঘর — সম্ভ্রান্ত পরিবার
বড় মুখ — অহংকারপূর্ণ বক্তব্য
বড় মন — উদারতা
বড়লোক — ধনী ব্যক্তি
রোগ ধরা — রোগ নির্ণয় করা
রোগে ধরা — রোগাক্রান্ত হওয়া
মুখ তোলা — প্রসন্ন হওয়া
নাক কাটা — সম্মানহানি
উঠে যাওয়া — বন্ধ বা বিলুপ্ত হওয়া
কালে তোলা — কোনো বিষয় উত্থাপন করা
নাকে-মুখে — ঘন বা তাড়াহুড়ার অবস্থা
পায়ের তলায় মাটি না থাকা — অস্থির বা অতিরিক্ত উত্তেজিত হওয়া
নাক কাটা — সম্মানহানি
উঠে যাওয়া — বন্ধ বা বিলুপ্ত হওয়া
কালে তোলা — কোনো বিষয় উত্থাপন করা
নাকে-মুখে — ঘন বা তাড়াহুড়ার অবস্থা
পায়ের তলায় মাটি না থাকা — অস্থির বা অতিরিক্ত উত্তেজিত হওয়া
এক শব্দের ভিন্ন বাগধারাগত অর্থ
বাংলা বাগধারায় একই শব্দ ভিন্ন শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ আলাদা অর্থ প্রকাশ করতে পারে।
যেমন—
মাথা খাওয়া → বিরক্ত করা বা শপথ করানো
মাথা ঘামানো → চিন্তা বা দায়িত্ব নেওয়া
মাথা ধরা → সমস্যা বা যন্ত্রণা সৃষ্টি করা
হাত গুটানো → কাজ ছেড়ে দেওয়া
হাতে আসা → দখলে পাওয়া
হাতে কলমে → বাস্তবভাবে শেখানো বা করা
তাই বাগধারার অর্থ নির্ণয়ে শুধু একটি শব্দ নয়, পুরো শব্দগুচ্ছের অর্থ বিবেচনা করতে হবে।
যেমন—
মাথা খাওয়া → বিরক্ত করা বা শপথ করানো
মাথা ঘামানো → চিন্তা বা দায়িত্ব নেওয়া
মাথা ধরা → সমস্যা বা যন্ত্রণা সৃষ্টি করা
হাত গুটানো → কাজ ছেড়ে দেওয়া
হাতে আসা → দখলে পাওয়া
হাতে কলমে → বাস্তবভাবে শেখানো বা করা
তাই বাগধারার অর্থ নির্ণয়ে শুধু একটি শব্দ নয়, পুরো শব্দগুচ্ছের অর্থ বিবেচনা করতে হবে।
পরীক্ষোপযোগী সংক্ষিপ্ত পুনরালোচনা
উপসর্গ ও প্রত্যয়
উপসর্গ — শব্দের আগে বসে
প্রত্যয় — শব্দ বা ধাতুর পরে বসে
কৃৎ-প্রত্যয় — ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়
তদ্ধিত-প্রত্যয় — নাম শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়
প্রকৃতি — মূল ধাতু বা শব্দ
কৃদন্ত — কৃৎ-প্রত্যয়যুক্ত পদ
উপসর্গ — শব্দের আগে বসে
প্রত্যয় — শব্দ বা ধাতুর পরে বসে
কৃৎ-প্রত্যয় — ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়
তদ্ধিত-প্রত্যয় — নাম শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়
প্রকৃতি — মূল ধাতু বা শব্দ
কৃদন্ত — কৃৎ-প্রত্যয়যুক্ত পদ
দ্বিরুক্তি ও বিরামচিহ্ন
শব্দের দ্বিরুক্তি — একই শব্দের পুনরাবৃত্তি
পদের দ্বিরুক্তি — বিভক্তিযুক্ত পদের পুনরাবৃত্তি
ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি — ধ্বনির অনুকরণ
দাঁড়ি — পূর্ণ বিরতি
কমা — স্বল্প বিরতি
সেমিকোলন — মাঝারি বিরতি
কোলন — ব্যাখ্যা বা তালিকা
শব্দের দ্বিরুক্তি — একই শব্দের পুনরাবৃত্তি
পদের দ্বিরুক্তি — বিভক্তিযুক্ত পদের পুনরাবৃত্তি
ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি — ধ্বনির অনুকরণ
দাঁড়ি — পূর্ণ বিরতি
কমা — স্বল্প বিরতি
সেমিকোলন — মাঝারি বিরতি
কোলন — ব্যাখ্যা বা তালিকা
পরীক্ষায় চেনার সহজ কৌশল
উপসর্গ শব্দের আগে এবং প্রত্যয় শব্দের পরে থাকে।
ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে কৃৎ-প্রত্যয় হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
নাম শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে তদ্ধিত-প্রত্যয় হয়।
একই শব্দ পুনরাবৃত্ত হলে শব্দের দ্বিরুক্তি।
বিভক্তিযুক্ত পদ পুনরাবৃত্ত হলে পদের দ্বিরুক্তি।
প্রকৃতির শব্দ অনুকরণ করলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি।
বাগধারার অর্থ আক্ষরিক অর্থ থেকে নির্ধারণ করা যাবে না; পুরো শব্দগুচ্ছের প্রচলিত অর্থ দেখতে হবে।
ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে কৃৎ-প্রত্যয় হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
নাম শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হলে তদ্ধিত-প্রত্যয় হয়।
একই শব্দ পুনরাবৃত্ত হলে শব্দের দ্বিরুক্তি।
বিভক্তিযুক্ত পদ পুনরাবৃত্ত হলে পদের দ্বিরুক্তি।
প্রকৃতির শব্দ অনুকরণ করলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি।
বাগধারার অর্থ আক্ষরিক অর্থ থেকে নির্ধারণ করা যাবে না; পুরো শব্দগুচ্ছের প্রচলিত অর্থ দেখতে হবে।
- লেখার সময় প্রয়োজনীয় বিরতি বোঝাতে যে চিহ্নগুলো ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে কী বলা হয়?
- বিশ্রাম চিহ্ন
- বিরাম চিহ্ন
- বিভাজন চিহ্ন
- সাংকেতিক চিহ্ন
- বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
- বাক্য সংক্ষিপ্ত করা
- বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করা
- বাক্যের সৌন্দর্য বাড়ানো
- বাক্যকে অলংকৃত করা
- বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের নিয়মিত ব্যবহার প্রচলনে বিশেষ অবদান কার?
- প্রমথ চৌধুরী
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- বাংলা ভাষায় প্রচলিত যতি বা ছেদচিহ্ন মোট কতটি ধরা হয়?
- ৯টি
- ১০টি
- ১১টি
- ১২টি
- বিরাম চিহ্নের ব্যবহার নিচের কোন উদ্দেশ্যে করা হয় না?
- বাক্যের অর্থ সহজে বোঝাতে
- বিরতির স্থান নির্দেশ করতে
- বাক্যের অংশগুলো আলাদা করতে
- বক্তার ব্যক্তিগত মেজাজ নির্ধারণ করতে
- সম্বোধন পদ ব্যবহৃত হলে সাধারণত তার পরে কোন চিহ্ন বসে?
- দাঁড়ি
- সেমিকোলন
- কমা
- প্রশ্নচিহ্ন
- বাক্যে সম্বোধন পদ থাকলে তার পর সাধারণত কোন যতি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
- দাঁড়ি
- সেমিকোলন
- কমা
- কোলন
- তারিখ লেখার সময় দিন, মাস বা স্থানকে আলাদা করতে কোন যতি চিহ্নের ব্যবহার দেখা যায়?
- সেমিকোলন
- কমা
- দাঁড়ি
- কোলন
- বাড়ি বা রাস্তার নামের পর ঠিকানার পরবর্তী অংশ আলাদা করতে সাধারণত কোন চিহ্ন বসে?
- দাঁড়ি
- কোলন
- কমা
- ড্যাশ
- নিচের কোন তারিখ-লিখনটিতে বিরাম চিহ্নের ব্যবহার যথাযথ নয়?
- ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১
- ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
- ২৬ মার্চ, ১৯৭১
- পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশত সাত
- একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একই বাক্যের মধ্যে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করলে তাদের মাঝখানে কোন চিহ্ন ব্যবহার করা যায়?
- হাইফেন
- সেমিকোলন
- ড্যাশ
- কমা
- কমার চেয়ে বেশি কিন্তু পূর্ণচ্ছেদের চেয়ে কম বিরতির প্রয়োজন হলে কোন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
- কোলন
- ড্যাশ
- সেমিকোলন
- দাঁড়ি
- একটি অসম্পূর্ণ বক্তব্যের পরে তার ব্যাখ্যা, তালিকা বা পরবর্তী বক্তব্য উপস্থাপন করতে কোন বিরাম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়?
- ড্যাশ
- হাইফেন
- কোলন
- উদ্ধরণ চিহ্ন
- নিচের কোন চিহ্নটি কোলন?
- ;
- ?
- :
- —
- কোন বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের স্থানে আলাদা করে থামার প্রয়োজন হয় না?
- হাইফেন
- ড্যাশ
- সেমিকোলন
- কোলন
- বাংলা বাক্যের শেষে ব্যবহৃত হতে পারে— এমন প্রধান বিরাম চিহ্নের সংখ্যা কতটি?
- ৮টি
- ৫টি
- ৩টি
- ২টি
- বিশেষ্য পদের পুনরাবৃত্তিতে গঠিত দ্বিরুক্ত শব্দের উদাহরণ কোনটি?
- ভালো-ভালো আম
- যে-যে যাবে
- বাড়ি-বাড়ি যাব
- লাল-লাল ফুল
- বিশেষণ পদের দ্বিরুক্তির সঠিক উদাহরণ কোনটি?
- লাল লাল ফুল
- জ্বর জ্বর লাগছে
- গ্রামে গ্রামে যাব
- ভাইয়ে ভাইয়ে যুদ্ধ
- ‘ভাল ভাল’ ধরনের শব্দযোগে গঠিত দ্বিরুক্তিতে কী ধরনের অর্থ প্রকাশ পায়?
- সমার্থক
- মিলনাত্মক
- বিপরীতার্থক
- ভিন্নার্থক
- ‘ডেকে ডেকে হয়রান হয়েছি’— এখানে ‘ডেকে ডেকে’ কোন অর্থ প্রকাশ করছে?
- স্বল্পকাল স্থায়ী
- দীর্ঘকাল স্থায়ী
- আধিক্য
- পৌনঃপুনিকতা
- ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর’— এখানে ‘টাপুর টুপুর’ কোন ধরনের শব্দ?
- শব্দের দ্বিরুক্তি
- ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি
- পদের দ্বিরুক্তি
- ছড়ার শব্দ
- ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান’— এখানে ‘টাপুর টুপুর’ কী ধরনের শব্দ?
- অব্যয়াত্মক শব্দ
- বাক্যকারক শব্দ
- ধ্বন্যাত্মক শব্দ
- সাধারণ দ্বিরুক্ত শব্দ
- ‘বই-টই নিয়ে পড়তে বসো’— এখানে ‘বই-টই’ কোন শ্রেণির দ্বিরুক্তি?
- যথার্থ দ্বিরুক্তি
- অনুকার-দ্বিরুক্তি
- সমার্থক দ্বিরুক্তি
- বিপরীতার্থক দ্বিরুক্তি
- নিচের কোনটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তির উদাহরণ?
- ঘন-ঘন
- ঝম-ঝম
- ভাল-ভাল
- রাশি-রাশি
- ইংরেজি ‘Prefix’ শব্দটির বাংলা ব্যাকরণিক পরিভাষা কী?
- অনুসর্গ
- কারক
- সমাস
- উপসর্গ
- উপসর্গের প্রধান কাজ কোনটি?
- বর্ণ সংরক্ষণ
- যতি স্থাপন
- ভাবের পার্থক্য নিরূপণ
- নতুন শব্দ গঠন
- উপসর্গ ও প্রত্যয়ের অবস্থানগত প্রধান পার্থক্য কোনটি?
- উভয়ই শব্দের আগে বসে
- উপসর্গ সামনে এবং প্রত্যয় শেষে যুক্ত হয়
- উভয়ই কেবল অর্থ পরিবর্তন করে
- দুটিই নতুন বাক্য গঠন করে
- নিচের কোনটি মূল শব্দের আগে যুক্ত হয়?
- অনুসর্গ
- উপসর্গ
- বিভক্তি
- প্রত্যয়
- খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা কত?
- উনিশ
- কুড়ি
- একুশ
- বাইশ
- নিচের কোনটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ?
- অজ
- অতি
- বি
- খাস
- ‘অচিন’ শব্দে ‘অ’ উপসর্গটি কোন অর্থ প্রকাশ করেছে?
- নেতিবাচক
- বিয়োগাত্মক
- নঞর্থক
- অনাবৃষ্টি
- নিচের কোন শব্দটি বাংলা উপসর্গ যোগে গঠিত?
- পরাকাষ্ঠা
- অভিব্যক্তি
- পরিশ্রান্ত
- অনাবৃষ্টি
- নিচের কোনটি বাংলা উপসর্গ?
- গর
- পাতি
- ফুল
- উৎ
- নিচের কোনটি খাঁটি বাংলা উপসর্গের উদাহরণ?
- আম
- রাম
- সম
- নিম
- সংস্কৃত উপসর্গের প্রচলিত সংখ্যা কত?
- ১২
- ২০
- ২৪
- ৩২
- ‘প্র, পরা, অপ’— এগুলো কোন শ্রেণির উপসর্গ?
- বাংলা উপসর্গ
- সংস্কৃত উপসর্গ
- বিদেশি উপসর্গ
- স্থানীয় অব্যয়
- ‘অপ’ কোন ধরনের উপসর্গ?
- সংস্কৃত
- বাংলা
- বিদেশি
- মিশ্র
- ‘অপমান’ শব্দে ‘অপ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
- বিকৃত
- নিঃকৃষ্ট
- নিকৃষ্ট
- অভাব
- ‘অপব্যয়তা’ শব্দে ‘অপ’ উপসর্গটির অর্থ কী?
- মন্দ অর্থে
- বিপরীত অর্থে
- বৃদ্ধি অর্থে
- অভাব অর্থে
- ‘অবমূল্যায়ন’ ও ‘অবদান’ শব্দে ‘অব’ উপসর্গের প্রয়োগ সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সঠিক?
- দুটি শব্দেই অর্থ সম্পূর্ণ একই
- দুটি শব্দেই একই শ্রেণির অর্থ
- দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দুই রকম
- দুটি শব্দে কোনো অর্থগত ভূমিকা নেই
- ‘অবশেষ’ শব্দে ‘অব’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
- নিচে
- অল্পতা
- প্রতিকূল
- সম্যকভাবে
- ‘বিজ্ঞান’ শব্দে ‘বি’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
- অভাব
- সাধারণ
- বিশেষ
- গতি
- ‘উপহার’ শব্দে ‘উপ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?
- ক্ষুদ্র
- বিশেষ
- সামীপ্য
- সদৃশ
- নিচের কোনটি উপসর্গ যোগে নিষ্পন্ন শব্দ?
- বড়াই
- অভিমুখ
- ছাত্রকে
- চৌর্যতা
- নিচের কোন শব্দটি উপসর্গ যোগে গঠিত?
- প্রত্যেক
- পুকুরে
- বড়াই
- নিবাস
- ‘কারসাজি’ শব্দে ব্যবহৃত উপসর্গটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
- আরবি
- ফারসি
- সংস্কৃত
- ইংরেজি
- নিচের কোন শব্দে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
- নিখুঁত
- আনমনা
- অবহেলা
- নিমরাজি
- ‘লাপাত্তা’ শব্দের ‘লা’ উপসর্গটি কোন ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে?
- আরবি
- ফারসি
- হিন্দি
- উর্দু
- ‘কলাকার’ শব্দটি কোন ধরনের উপসর্গযোগে গঠিত?
- দেশি উপসর্গযোগে
- বিদেশি উপসর্গযোগে
- সংস্কৃত উপসর্গযোগে
- কোনোটিই নয়
- ক্রিয়াপদের যে মূল অংশ থেকে ক্রিয়ার বিভিন্ন রূপ গঠিত হয়, তাকে কী বলা হয়?
- বিভক্তি
- কারক
- ধাতু
- প্রত্যয়