বাংলাদেশের উপজাতি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, গুরুত্বপূর্ণ সাল, উল্লেখযোগ্য প্রথম ও সংবিধানের সংশোধনী — Primary Teacher
বাংলাদেশের উপজাতি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, গুরুত্বপূর্ণ সাল, উল্লেখযোগ্য প্রথম ও সংবিধানের সংশোধনী: সাধারণ জ্ঞান, Primary Teacher পাঠ ও 50টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- বাংলাদেশের উপজাতি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী
- চাকমা
- মারমা
- গারো
- ত্রিপুরা
- সাঁওতাল
- মণিপুরি
- খাসিয়া
- রাখাইন ও অন্যান্য নৃগোষ্ঠী
- বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সাল ও ঘটনাপঞ্জি
- বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রথম
- বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রথম নারী
- বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধনীসমূহ
- গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংশোধনী
বাংলাদেশের উপজাতি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী
Ethnic Communities of Bangladesh
বাংলাদেশে বিভিন্ন ভাষা, ধর্ম, সংস্কৃতি ও সামাজিক রীতিনীতি অনুসরণকারী বহু ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে। পার্বত্য চট্টগ্রাম, বৃহত্তর ময়মনসিংহ, সিলেট, উত্তরবঙ্গ ও উপকূলীয় অঞ্চলে তাদের বসতি তুলনামূলক বেশি।
দেশের উল্লেখযোগ্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো, সাঁওতাল, খাসিয়া, মণিপুরি, রাখাইন, ম্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, হাজং ও অন্যান্য জনগোষ্ঠী রয়েছে।
প্রতিটি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা, পোশাক, ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক সংগঠন, উৎসব ও পারিবারিক রীতির বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
দেশের উল্লেখযোগ্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো, সাঁওতাল, খাসিয়া, মণিপুরি, রাখাইন, ম্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, হাজং ও অন্যান্য জনগোষ্ঠী রয়েছে।
প্রতিটি জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা, পোশাক, ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক সংগঠন, উৎসব ও পারিবারিক রীতির বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
চাকমা জনগোষ্ঠী
Chakma Community
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে চাকমা সংখ্যায় অন্যতম বৃহৎ। তাদের প্রধান বসতি পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে।
চাকমাদের অধিকাংশ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে এবং সামাজিক জীবনে ঐতিহ্যবাহী প্রথা ও উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ স্থান আছে।
চাকমাদের প্রধান বর্ষবরণ উৎসবের নাম বিজু। এই উৎসব বাংলা নববর্ষের সময়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
চাকমা সমাজ ঐতিহ্যগতভাবে পিতৃতান্ত্রিক। নৃত্য, গান, বয়নশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী পোশাক তাদের সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
চাকমাদের অধিকাংশ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে এবং সামাজিক জীবনে ঐতিহ্যবাহী প্রথা ও উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ স্থান আছে।
চাকমাদের প্রধান বর্ষবরণ উৎসবের নাম বিজু। এই উৎসব বাংলা নববর্ষের সময়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
চাকমা সমাজ ঐতিহ্যগতভাবে পিতৃতান্ত্রিক। নৃত্য, গান, বয়নশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী পোশাক তাদের সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
মারমা জনগোষ্ঠী
Marma Community
মারমারা প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করে। বান্দরবান ও পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকায় তাদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য।
মারমাদের অধিকাংশ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের সামাজিক ও ধর্মীয় জীবনে বৌদ্ধ ঐতিহ্যের প্রভাব স্পষ্ট।
মারমাদের অন্যতম প্রধান উৎসব সাংগ্রাই। নববর্ষ উপলক্ষে এই উৎসব পালন করা হয়। পানি ছিটানোর আনন্দঘন আয়োজন এ উৎসবের একটি পরিচিত বৈশিষ্ট্য।
মারমা সমাজে নিজস্ব ভাষা, পোশাক ও সাংস্কৃতিক আচার সংরক্ষিত রয়েছে।
মারমাদের অধিকাংশ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের সামাজিক ও ধর্মীয় জীবনে বৌদ্ধ ঐতিহ্যের প্রভাব স্পষ্ট।
মারমাদের অন্যতম প্রধান উৎসব সাংগ্রাই। নববর্ষ উপলক্ষে এই উৎসব পালন করা হয়। পানি ছিটানোর আনন্দঘন আয়োজন এ উৎসবের একটি পরিচিত বৈশিষ্ট্য।
মারমা সমাজে নিজস্ব ভাষা, পোশাক ও সাংস্কৃতিক আচার সংরক্ষিত রয়েছে।
গারো জনগোষ্ঠী
Garo Community
গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান বসতি ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে।
গারো সমাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মাতৃসূত্রীয় পারিবারিক কাঠামো। সম্পত্তি ও বংশপরিচয়ে নারীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
গারোদের প্রধান ভাষাগুলোর মধ্যে আচিক এবং মান্দি উল্লেখযোগ্য।
তাদের ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের মধ্যে ওয়ানগালা বিশেষভাবে পরিচিত। এটি মূলত কৃষি ও ফসলকে ঘিরে পালিত উৎসব।
গারো সমাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মাতৃসূত্রীয় পারিবারিক কাঠামো। সম্পত্তি ও বংশপরিচয়ে নারীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
গারোদের প্রধান ভাষাগুলোর মধ্যে আচিক এবং মান্দি উল্লেখযোগ্য।
তাদের ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের মধ্যে ওয়ানগালা বিশেষভাবে পরিচিত। এটি মূলত কৃষি ও ফসলকে ঘিরে পালিত উৎসব।
ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী
Tripura Community
ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বসতি প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে বিস্তৃত।
তাদের অধিকাংশ হিন্দু ধর্মাবলম্বী হিসেবে পরিচিত। নিজস্ব ভাষা, পোশাক, নৃত্য ও সামাজিক প্রথা ত্রিপুরা সংস্কৃতিকে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য দিয়েছে।
ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ ও সামাজিক উৎসবের নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে।
তাদের অধিকাংশ হিন্দু ধর্মাবলম্বী হিসেবে পরিচিত। নিজস্ব ভাষা, পোশাক, নৃত্য ও সামাজিক প্রথা ত্রিপুরা সংস্কৃতিকে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য দিয়েছে।
ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ ও সামাজিক উৎসবের নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে।
সাঁওতাল জনগোষ্ঠী
Santal Community
সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর বসতি বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বেশি। রাজশাহী, দিনাজপুর ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে তাদের বসবাস রয়েছে।
সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা, লোকসংগীত, নৃত্য ও ধর্মীয় আচার রয়েছে। প্রকৃতিনির্ভর জীবনধারা এবং কৃষিভিত্তিক সামাজিক সংস্কৃতি তাদের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সাঁওতাল সমাজে বিভিন্ন ফসলি ও ঋতুভিত্তিক উৎসব পালিত হয়।
সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা, লোকসংগীত, নৃত্য ও ধর্মীয় আচার রয়েছে। প্রকৃতিনির্ভর জীবনধারা এবং কৃষিভিত্তিক সামাজিক সংস্কৃতি তাদের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সাঁওতাল সমাজে বিভিন্ন ফসলি ও ঋতুভিত্তিক উৎসব পালিত হয়।
মণিপুরি জনগোষ্ঠী
Manipuri Community
বাংলাদেশের মণিপুরি জনগোষ্ঠী প্রধানত সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে। তাদের উল্লেখযোগ্য বসতি মৌলভীবাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়।
মণিপুরি সংস্কৃতি নৃত্য, সংগীত ও ধর্মীয় উৎসবের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। রাসলীলা তাদের বহুল পরিচিত ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব।
মণিপুরি জনগোষ্ঠীর ভাষাগত বৈচিত্র্য রয়েছে এবং তাদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈ ভাষার ব্যবহার দেখা যায়।
তাদের সামাজিক জীবনে বৈষ্ণব ধর্মের প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ।
মণিপুরি সংস্কৃতি নৃত্য, সংগীত ও ধর্মীয় উৎসবের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। রাসলীলা তাদের বহুল পরিচিত ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব।
মণিপুরি জনগোষ্ঠীর ভাষাগত বৈচিত্র্য রয়েছে এবং তাদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈ ভাষার ব্যবহার দেখা যায়।
তাদের সামাজিক জীবনে বৈষ্ণব ধর্মের প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ।
খাসিয়া জনগোষ্ঠী
Khasi Community
খাসিয়া জনগোষ্ঠী প্রধানত সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে। পাহাড়ি ও টিলাবেষ্টিত এলাকায় তাদের গ্রামগুলোকে পুঞ্জি বলা হয়।
খাসিয়া সমাজের পারিবারিক কাঠামোয় মাতৃসূত্রীয় বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
পান চাষ খাসিয়া জনগোষ্ঠীর জীবিকা ও অর্থনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।
প্রদত্ত তথ্যে খাসিয়াদের অধিকাংশকে খ্রিস্টধর্মাবলম্বী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
খাসিয়া সমাজের পারিবারিক কাঠামোয় মাতৃসূত্রীয় বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
পান চাষ খাসিয়া জনগোষ্ঠীর জীবিকা ও অর্থনীতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।
প্রদত্ত তথ্যে খাসিয়াদের অধিকাংশকে খ্রিস্টধর্মাবলম্বী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাখাইন ও অন্যান্য নৃগোষ্ঠী
Rakhine and Other Communities
রাখাইন জনগোষ্ঠীর বসতি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল ও উপকূলবর্তী এলাকায় রয়েছে। পটুয়াখালী ও কক্সবাজার অঞ্চলে তাদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য।
রাখাইনদের অধিকাংশ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে বুদ্ধ পূর্ণিমা গুরুত্বপূর্ণ।
হাজং জনগোষ্ঠীর বসতি ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা অঞ্চলে দেখা যায়।
ম্রো, বম, তঞ্চঙ্গ্যা ও অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রধান বসতি পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায়। এসব জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা, জীবনযাত্রা ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
রাখাইনদের অধিকাংশ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে বুদ্ধ পূর্ণিমা গুরুত্বপূর্ণ।
হাজং জনগোষ্ঠীর বসতি ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা অঞ্চলে দেখা যায়।
ম্রো, বম, তঞ্চঙ্গ্যা ও অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রধান বসতি পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায়। এসব জনগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা, জীবনযাত্রা ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সাল ও ঘটনাপঞ্জি
Important Timeline of Bangladesh
বাংলাদেশের ইতিহাস ও উন্নয়নধারায় বিভিন্ন বছর বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। প্রদত্ত পৃষ্ঠাগুলোতে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর একটি পুনর্গঠিত ধারাবাহিকতা নিচে দেওয়া হলো।
১৯৭০ — পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৭১ — বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা অর্জন।
১৯৭২ — সংবিধান প্রণয়ন, কমনওয়েলথসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় সদস্যপদ গ্রহণ এবং নতুন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গঠনের সূচনা।
১৯৭৩ — স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
১৯৭৪ — বাংলাদেশ জাতিসংঘে সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৭৫ — রাজনৈতিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে।
১৯৮২ — জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করা হয়।
১৯৮৪ — বাংলাদেশ অলিম্পিক গেমসে প্রথম অংশগ্রহণ করে।
১৯৮৫ — প্রথম উপজেলা নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে।
১৯৮৮ — ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
১৯৯০ — গণআন্দোলনের ফলে স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে।
১৯৯১ — সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তিত হয়।
১৯৯৬ — সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।
১৯৯৮ — যমুনা সেতু উদ্বোধন এবং বিভিন্ন অবকাঠামোগত অগ্রগতি ঘটে।
১৯৯৯ — ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে UNESCO-র স্বীকৃতি লাভ করে।
২০০১ — বিভিন্ন প্রযুক্তি ও যোগাযোগখাতে নতুন কার্যক্রম শুরু হয়।
২০০৫ — SEA-ME-WE-4 সাবমেরিন ক্যাবলে বাংলাদেশ যুক্ত হয়।
২০০৭ — বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়।
২০১০ — যুদ্ধাপরাধ বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়।
২০১১ — সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী এবং বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি ও ব্যাংকিং কার্যক্রমের সম্প্রসারণ ঘটে।
২০১২ — বাংলাদেশে 3G প্রযুক্তির যাত্রা শুরু হয় এবং সমুদ্রসীমা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটে।
২০১৪ — ভারত-বাংলাদেশ সমুদ্রসীমা নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় সম্পন্ন হয়।
২০১৫ — বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের শ্রেণিতে উন্নীত হয়।
২০১৬ — বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হয়।
২০১৭ — রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটে।
২০১৮ — বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জনের প্রাথমিক স্বীকৃতি লাভ করে এবং স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করে।
১৯৭০ — পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৭১ — বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা অর্জন।
১৯৭২ — সংবিধান প্রণয়ন, কমনওয়েলথসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় সদস্যপদ গ্রহণ এবং নতুন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গঠনের সূচনা।
১৯৭৩ — স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
১৯৭৪ — বাংলাদেশ জাতিসংঘে সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৭৫ — রাজনৈতিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে।
১৯৮২ — জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করা হয়।
১৯৮৪ — বাংলাদেশ অলিম্পিক গেমসে প্রথম অংশগ্রহণ করে।
১৯৮৫ — প্রথম উপজেলা নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে।
১৯৮৮ — ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
১৯৯০ — গণআন্দোলনের ফলে স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে।
১৯৯১ — সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তিত হয়।
১৯৯৬ — সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।
১৯৯৮ — যমুনা সেতু উদ্বোধন এবং বিভিন্ন অবকাঠামোগত অগ্রগতি ঘটে।
১৯৯৯ — ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে UNESCO-র স্বীকৃতি লাভ করে।
২০০১ — বিভিন্ন প্রযুক্তি ও যোগাযোগখাতে নতুন কার্যক্রম শুরু হয়।
২০০৫ — SEA-ME-WE-4 সাবমেরিন ক্যাবলে বাংলাদেশ যুক্ত হয়।
২০০৭ — বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়।
২০১০ — যুদ্ধাপরাধ বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়।
২০১১ — সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী এবং বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি ও ব্যাংকিং কার্যক্রমের সম্প্রসারণ ঘটে।
২০১২ — বাংলাদেশে 3G প্রযুক্তির যাত্রা শুরু হয় এবং সমুদ্রসীমা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটে।
২০১৪ — ভারত-বাংলাদেশ সমুদ্রসীমা নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় সম্পন্ন হয়।
২০১৫ — বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশের শ্রেণিতে উন্নীত হয়।
২০১৬ — বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হয়।
২০১৭ — রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটে।
২০১৮ — বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জনের প্রাথমিক স্বীকৃতি লাভ করে এবং স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করে।
বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রথম
Notable Firsts of Bangladesh
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রশাসন, শিক্ষা, অর্থনীতি, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির ইতিহাসে বহু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। প্রদত্ত পৃষ্ঠাগুলোর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো নিচে পুনর্গঠিতভাবে দেওয়া হলো।
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি — সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি — সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
প্রথম প্রধানমন্ত্রী — তাজউদ্দীন আহমদ।
প্রথম অর্থমন্ত্রী — ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী।
প্রথম অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী — ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী।
প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী — খন্দকার মোশতাক আহমদ।
প্রথম আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী — খন্দকার মোশতাক আহমদ।
প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী — এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান।
প্রথম শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী — এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান।
প্রথম মুখ্য সচিব — রুহুল কুদ্দুস।
প্রথম গণপরিষদ স্পিকার — শাহ আবদুল হামিদ।
প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার — মোহাম্মদ উল্লাহ।
প্রথম প্রধান বিচারপতি — এ. এস. এম. সায়েম।
প্রথম নির্বাচন কমিশনার — বিচারপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস।
প্রথম অ্যাটর্নি জেনারেল — এম. এইচ. খন্দকার।
প্রথম গভর্নর — এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ।
প্রথম সেনাপ্রধান — জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী।
প্রথম বিমানবাহিনী প্রধান — এ. কে. খন্দকার।
প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রথম বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে প্রদত্ত তথ্যে — আরব বাংলাদেশ ব্যাংক বা এবি ব্যাংকের উল্লেখ রয়েছে।
প্রথম রেলগাড়ি চালু — ১৮৬২ সালে।
প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার — ১৯৫৫ সালে।
প্রথম গ্যাস উত্তোলন — ১৯৫৭ সালে।
বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা — ১৯৫৫ সালে।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত প্রথম মেয়র — মোহাম্মদ হানিফ।
জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক হিসেবে প্রদত্ত তথ্যে — জাকারিয়া পিন্টুর নাম উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি — বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি — সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি — সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
প্রথম প্রধানমন্ত্রী — তাজউদ্দীন আহমদ।
প্রথম অর্থমন্ত্রী — ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী।
প্রথম অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী — ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী।
প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী — খন্দকার মোশতাক আহমদ।
প্রথম আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী — খন্দকার মোশতাক আহমদ।
প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী — এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান।
প্রথম শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী — এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান।
প্রথম মুখ্য সচিব — রুহুল কুদ্দুস।
প্রথম গণপরিষদ স্পিকার — শাহ আবদুল হামিদ।
প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার — মোহাম্মদ উল্লাহ।
প্রথম প্রধান বিচারপতি — এ. এস. এম. সায়েম।
প্রথম নির্বাচন কমিশনার — বিচারপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস।
প্রথম অ্যাটর্নি জেনারেল — এম. এইচ. খন্দকার।
প্রথম গভর্নর — এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ।
প্রথম সেনাপ্রধান — জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী।
প্রথম বিমানবাহিনী প্রধান — এ. কে. খন্দকার।
প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় — ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রথম বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে প্রদত্ত তথ্যে — আরব বাংলাদেশ ব্যাংক বা এবি ব্যাংকের উল্লেখ রয়েছে।
প্রথম রেলগাড়ি চালু — ১৮৬২ সালে।
প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার — ১৯৫৫ সালে।
প্রথম গ্যাস উত্তোলন — ১৯৫৭ সালে।
বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা — ১৯৫৫ সালে।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত প্রথম মেয়র — মোহাম্মদ হানিফ।
জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক হিসেবে প্রদত্ত তথ্যে — জাকারিয়া পিন্টুর নাম উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য প্রথম নারী
Notable First Women of Bangladesh
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয়, প্রশাসনিক, বিচারিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বহু নারী প্রথমবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী — বেগম খালেদা জিয়া।
প্রথম মহিলা বিরোধীদলীয় নেতা — শেখ হাসিনা।
প্রথম মহিলা পররাষ্ট্রমন্ত্রী — ডা. দীপু মনি।
প্রথম মহিলা শিক্ষামন্ত্রী — ডা. দীপু মনি।
প্রথম মহিলা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী — সাহারা খাতুন।
প্রথম মহিলা বিচারপতি — নাজমুন আরা সুলতানা।
পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রথম মহিলা চেয়ারম্যান — ড. জিন্নাতুন নেসা তাহমিদা বেগম।
প্রথম মহিলা জাতীয় অধ্যাপক — ড. সুফিয়া আহমেদ।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম মহিলা স্থায়ী প্রতিনিধি — ইসমাত জাহান।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে মেজর জেনারেল পদে প্রথম নারী — ড. সুসানে গীতি।
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী — বেগম খালেদা জিয়া।
প্রথম মহিলা বিরোধীদলীয় নেতা — শেখ হাসিনা।
প্রথম মহিলা পররাষ্ট্রমন্ত্রী — ডা. দীপু মনি।
প্রথম মহিলা শিক্ষামন্ত্রী — ডা. দীপু মনি।
প্রথম মহিলা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী — সাহারা খাতুন।
প্রথম মহিলা বিচারপতি — নাজমুন আরা সুলতানা।
পাবলিক সার্ভিস কমিশনের প্রথম মহিলা চেয়ারম্যান — ড. জিন্নাতুন নেসা তাহমিদা বেগম।
প্রথম মহিলা জাতীয় অধ্যাপক — ড. সুফিয়া আহমেদ।
জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম মহিলা স্থায়ী প্রতিনিধি — ইসমাত জাহান।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে মেজর জেনারেল পদে প্রথম নারী — ড. সুসানে গীতি।
বাংলাদেশের সংবিধানের সংশোধনীসমূহ
Amendments to the Constitution of Bangladesh
বাংলাদেশের সংবিধান বিভিন্ন রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও বিচারিক প্রয়োজনের কারণে একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে। প্রতিটি সংশোধনী নির্দিষ্ট সাংবিধানিক বিষয় পরিবর্তন, সংযোজন বা বিলোপ করেছে।
প্রদত্ত পৃষ্ঠাগুলোতে সংবিধান সংশোধনের ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে চারটি, জিয়াউর রহমানের সময়ে একটি, আবদুস সাত্তারের সময়ে একটি, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সময়ে একাধিক এবং পরবর্তী সংসদীয় সরকারগুলোর সময় আরও কয়েকটি সংশোধনীর উল্লেখ রয়েছে।
সংবিধানের সংশোধনীগুলোর মধ্যে রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা, জরুরি অবস্থা, বিচারপতি নিয়োগ, রাষ্ট্রধর্ম, সংসদীয় সরকারব্যবস্থা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নারী সংরক্ষিত আসন এবং স্বাধীনতার ঐতিহাসিক দলিল অন্তর্ভুক্তির মতো বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রদত্ত পৃষ্ঠাগুলোতে সংবিধান সংশোধনের ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে চারটি, জিয়াউর রহমানের সময়ে একটি, আবদুস সাত্তারের সময়ে একটি, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সময়ে একাধিক এবং পরবর্তী সংসদীয় সরকারগুলোর সময় আরও কয়েকটি সংশোধনীর উল্লেখ রয়েছে।
সংবিধানের সংশোধনীগুলোর মধ্যে রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা, জরুরি অবস্থা, বিচারপতি নিয়োগ, রাষ্ট্রধর্ম, সংসদীয় সরকারব্যবস্থা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নারী সংরক্ষিত আসন এবং স্বাধীনতার ঐতিহাসিক দলিল অন্তর্ভুক্তির মতো বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংশোধনী
Important Constitutional Amendments
প্রথম সংশোধনী
মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের বিচার নিশ্চিত করার সাংবিধানিক ভিত্তির সঙ্গে এই সংশোধনী যুক্ত।
দ্বিতীয় সংশোধনী
জরুরি অবস্থা ঘোষণা এবং কিছু মৌলিক অধিকার স্থগিত রাখার বিধান সংযোজনের সঙ্গে এটি সম্পর্কিত।
তৃতীয় সংশোধনী
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের সাংবিধানিক ব্যবস্থা করা হয়।
চতুর্থ সংশোধনী
সংসদীয় সরকারব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনা হয়।
পঞ্চম সংশোধনী
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে সামরিক শাসনামলে জারি করা বিভিন্ন আদেশ ও পরিবর্তনকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার সঙ্গে এই সংশোধনী সম্পর্কিত।
ষষ্ঠ সংশোধনী
উপ-রাষ্ট্রপতি পদ থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিধানসংক্রান্ত পরিবর্তন আনা হয়।
সপ্তম সংশোধনী
এরশাদের সামরিক শাসনামলের বিভিন্ন কার্যক্রমকে সাংবিধানিক বৈধতা প্রদানের সঙ্গে এটি যুক্ত।
অষ্টম সংশোধনী
ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান এবং উচ্চ আদালতের কাঠামোসংক্রান্ত পরিবর্তনের সঙ্গে এই সংশোধনী যুক্ত।
নবম সংশোধনী
রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ও একই ব্যক্তির রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্ব পালনের সীমা নির্ধারণের সঙ্গে সম্পর্কিত।
দশম সংশোধনী
জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ বাড়ানো হয়।
একাদশ সংশোধনী
বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে প্রধান বিচারপতির পদে ফিরে যাওয়ার সাংবিধানিক ব্যবস্থা করা হয়।
দ্বাদশ সংশোধনী
রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থা পরিবর্তন করে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হয় এবং উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয়।
ত্রয়োদশ সংশোধনী
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরবর্তীকালে এই ব্যবস্থা বাতিল হয়।
চতুর্দশ সংশোধনী
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বিচারপতিদের অবসরের বয়স বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরকারি কার্যালয়ে প্রদর্শনের বিধানসহ কয়েকটি পরিবর্তন আনা হয়।
পঞ্চদশ সংশোধনী
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়। ১৯৭২ সালের সংবিধানের চার মূলনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে সাংবিধানিকভাবে উল্লেখ করা হয়।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ, স্বাধীনতার ঘোষণা এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রকে সংবিধানের তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
ষোড়শ সংশোধনী
সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে দেওয়ার বিধান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আদালতের রায়ে এই সংশোধনীর গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাতিল হয়।
সপ্তদশ সংশোধনী
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ আরও বৃদ্ধি করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধের বিচার নিশ্চিত করার সাংবিধানিক ভিত্তির সঙ্গে এই সংশোধনী যুক্ত।
দ্বিতীয় সংশোধনী
জরুরি অবস্থা ঘোষণা এবং কিছু মৌলিক অধিকার স্থগিত রাখার বিধান সংযোজনের সঙ্গে এটি সম্পর্কিত।
তৃতীয় সংশোধনী
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের সাংবিধানিক ব্যবস্থা করা হয়।
চতুর্থ সংশোধনী
সংসদীয় সরকারব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আনা হয়।
পঞ্চম সংশোধনী
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে সামরিক শাসনামলে জারি করা বিভিন্ন আদেশ ও পরিবর্তনকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার সঙ্গে এই সংশোধনী সম্পর্কিত।
ষষ্ঠ সংশোধনী
উপ-রাষ্ট্রপতি পদ থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিধানসংক্রান্ত পরিবর্তন আনা হয়।
সপ্তম সংশোধনী
এরশাদের সামরিক শাসনামলের বিভিন্ন কার্যক্রমকে সাংবিধানিক বৈধতা প্রদানের সঙ্গে এটি যুক্ত।
অষ্টম সংশোধনী
ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান এবং উচ্চ আদালতের কাঠামোসংক্রান্ত পরিবর্তনের সঙ্গে এই সংশোধনী যুক্ত।
নবম সংশোধনী
রাষ্ট্রপতির মেয়াদ ও একই ব্যক্তির রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্ব পালনের সীমা নির্ধারণের সঙ্গে সম্পর্কিত।
দশম সংশোধনী
জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের মেয়াদ বাড়ানো হয়।
একাদশ সংশোধনী
বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে প্রধান বিচারপতির পদে ফিরে যাওয়ার সাংবিধানিক ব্যবস্থা করা হয়।
দ্বাদশ সংশোধনী
রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থা পরিবর্তন করে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হয় এবং উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয়।
ত্রয়োদশ সংশোধনী
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরবর্তীকালে এই ব্যবস্থা বাতিল হয়।
চতুর্দশ সংশোধনী
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বিচারপতিদের অবসরের বয়স বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সরকারি কার্যালয়ে প্রদর্শনের বিধানসহ কয়েকটি পরিবর্তন আনা হয়।
পঞ্চদশ সংশোধনী
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়। ১৯৭২ সালের সংবিধানের চার মূলনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে সাংবিধানিকভাবে উল্লেখ করা হয়।
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ, স্বাধীনতার ঘোষণা এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রকে সংবিধানের তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
ষোড়শ সংশোধনী
সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে দেওয়ার বিধান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে আদালতের রায়ে এই সংশোধনীর গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাতিল হয়।
সপ্তদশ সংশোধনী
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ আরও বৃদ্ধি করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে আইনের দৃষ্টিতে সকল নাগরিকের সমতার কথা কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
- ২৫ নং অনুচ্ছেদ
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ
- ৩১ নং অনুচ্ছেদ
- রাষ্ট্র ও গণজীবনের সব ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ
- ২৮(১) নং অনুচ্ছেদ
- ২৮(২) নং অনুচ্ছেদ
- ২৯(১) নং অনুচ্ছেদ
- নারী, শিশু বা অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান করার সুযোগ কোন অনুচ্ছেদে দেওয়া হয়েছে?
- ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদ
- ২৯(২) নং অনুচ্ছেদ
- ৩১ নং অনুচ্ছেদ
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদ
- সরকারি চাকরিতে সকল নাগরিকের সুযোগের সমতা কোন অনুচ্ছেদে নিশ্চিত করা হয়েছে?
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ
- ২৮ নং অনুচ্ছেদ
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ
- ৩২ নং অনুচ্ছেদ
- প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগের কথা বিশেষভাবে কোন উপ-অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
- ২৯(১)
- ২৯(২)
- ৩০(১)
- ৩১(১)
- সকল নাগরিকের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার কোন অনুচ্ছেদে স্বীকৃত?
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ
- ৩০ নং অনুচ্ছেদ
- ৩১ নং অনুচ্ছেদ
- ৩২ নং অনুচ্ছেদ
- চলাফেরার স্বাধীনতা বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত?
- ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
- ৩৫ নং অনুচ্ছেদ
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদ
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদ
- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার সাংবিধানিক স্বীকৃতি কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদ
- ৩৯(১) নং অনুচ্ছেদ
- ৩৯(২) নং অনুচ্ছেদ
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ
- বাকস্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদ
- ৩৯(১) নং অনুচ্ছেদ
- ৩৯(২) নং অনুচ্ছেদ
- ৪১ নং অনুচ্ছেদ
- পেশা বা বৃত্তি গ্রহণের স্বাধীনতা কোন অনুচ্ছেদে স্বীকৃত?
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদ
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ
- ৪১ নং অনুচ্ছেদ
- ৪২ নং অনুচ্ছেদ
- ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ
- ৪১ নং অনুচ্ছেদ
- ৪২ নং অনুচ্ছেদ
- ৪৪ নং অনুচ্ছেদ
- বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্মের বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ১ নং অনুচ্ছেদ
- ২ নং অনুচ্ছেদ
- ২ক নং অনুচ্ছেদ
- ৩ নং অনুচ্ছেদ
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কে কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
- ২ নং অনুচ্ছেদ
- ৩ নং অনুচ্ছেদ
- ৪ নং অনুচ্ছেদ
- ৫ নং অনুচ্ছেদ
- জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীকের বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ৩ নং অনুচ্ছেদ
- ৪ নং অনুচ্ছেদ
- ৫ নং অনুচ্ছেদ
- ৬ নং অনুচ্ছেদ
- বাংলাদেশের নাগরিকদের জাতীয়তা ‘বাংলাদেশি’—এ বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ৫(১) নং অনুচ্ছেদ
- ৬(১) নং অনুচ্ছেদ
- ৬(২) নং অনুচ্ছেদ
- ৭(১) নং অনুচ্ছেদ
- ‘প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ’—কথাটি কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ৬ নং অনুচ্ছেদ
- ৭ নং অনুচ্ছেদ
- ৮ নং অনুচ্ছেদ
- ৯ নং অনুচ্ছেদ
- বাংলাদেশের সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
- ৭ নং অনুচ্ছেদ
- ৮ নং অনুচ্ছেদ
- ৯ নং অনুচ্ছেদ
- ১০ নং অনুচ্ছেদ
- বাংলাদেশের সংবিধানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের নীতি কোন অনুচ্ছেদে আলোচিত হয়েছে?
- ৯ নং অনুচ্ছেদ
- ১০ নং অনুচ্ছেদ
- ১১ নং অনুচ্ছেদ
- ১২ নং অনুচ্ছেদ
- ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার নীতি কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
- ১০ নং অনুচ্ছেদ
- ১১ নং অনুচ্ছেদ
- ১২ নং অনুচ্ছেদ
- ১৩ নং অনুচ্ছেদ
- নাগরিকদের মৌলিক প্রয়োজন নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের—এ বক্তব্য কোন অনুচ্ছেদের সঙ্গে সম্পর্কিত?
- ১৩ নং অনুচ্ছেদ
- ১৪ নং অনুচ্ছেদ
- ১৫ নং অনুচ্ছেদ
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার সাংবিধানিক নির্দেশনা কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ১৫ নং অনুচ্ছেদ
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ
- ১৭ নং অনুচ্ছেদ
- ১৮ নং অনুচ্ছেদ
- সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার রাষ্ট্রীয় লক্ষ্য কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ১৮ নং অনুচ্ছেদ
- ১৯(১) নং অনুচ্ছেদ
- ২০ নং অনুচ্ছেদ
- ২১ নং অনুচ্ছেদ
- জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে নারীর অংশগ্রহণ ও সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ১৯(৩) নং অনুচ্ছেদ
- ২০(১) নং অনুচ্ছেদ
- ২১(১) নং অনুচ্ছেদ
- ২৮(১) নং অনুচ্ছেদ
- সংবিধান ও আইন মানা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা নাগরিকের কর্তব্য—এ বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ২০ নং অনুচ্ছেদ
- ২১(১) নং অনুচ্ছেদ
- ২১(২) নং অনুচ্ছেদ
- ২২ নং অনুচ্ছেদ
- সব সময় জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা কার সাংবিধানিক কর্তব্য?
- শুধু সংসদ সদস্যদের
- প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের
- শুধু বিচারকদের
- শুধু মন্ত্রীদের
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার নির্দেশ কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ২১ নং অনুচ্ছেদ
- ২২ নং অনুচ্ছেদ
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ
- বাংলাদেশে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে পৃথক হয় কবে?
- ১ নভেম্বর, ২০০৫
- ১ নভেম্বর, ২০০৬
- ১ নভেম্বর, ২০০৭
- ১ নভেম্বর, ২০০৮
- মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী আইন বাতিল বা অকার্যকর হওয়ার সাংবিধানিক ভিত্তি কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ২৫ নং অনুচ্ছেদ
- ২৬ নং অনুচ্ছেদ
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ
- ২৮ নং অনুচ্ছেদ
- মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের জন্য আদালতে যাওয়ার অধিকার কোন অনুচ্ছেদে স্বীকৃত?
- ৪২ নং অনুচ্ছেদ
- ৪৩ নং অনুচ্ছেদ
- ৪৪ নং অনুচ্ছেদ
- ৪৫ নং অনুচ্ছেদ
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ৪৭ নং অনুচ্ছেদ
- ৪৮ নং অনুচ্ছেদ
- ৪৯ নং অনুচ্ছেদ
- ৫০ নং অনুচ্ছেদ
- দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা লঘু করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতিকে কোন অনুচ্ছেদে দেওয়া হয়েছে?
- ৪৮ নং অনুচ্ছেদ
- ৪৯ নং অনুচ্ছেদ
- ৫০ নং অনুচ্ছেদ
- ৫১ নং অনুচ্ছেদ
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির স্বাভাবিক মেয়াদ কত বছর?
- ৪ বছর
- ৫ বছর
- ৬ বছর
- ৭ বছর
- একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত মেয়াদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে পারেন?
- ১ মেয়াদ
- ২ মেয়াদ
- ৩ মেয়াদ
- কোনো সীমা নেই
- রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ৫০ নং অনুচ্ছেদ
- ৫১ নং অনুচ্ছেদ
- ৫২ নং অনুচ্ছেদ
- ৫৩ নং অনুচ্ছেদ
- সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ৫৫(২) নং অনুচ্ছেদ
- ৫৬(২) নং অনুচ্ছেদ
- ৫৬(৩) নং অনুচ্ছেদ
- ৫৭(১) নং অনুচ্ছেদ
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ দেন কে?
- স্পিকার
- প্রধান বিচারপতি
- রাষ্ট্রপতি
- নির্বাচন কমিশন
- মন্ত্রীদের সর্বোচ্চ কত শতাংশ সংসদ সদস্য না হয়েও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন?
- ৫%
- ১০%
- ১৫%
- ২০%
- স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত প্রধান সাংবিধানিক বিধান কোন দুটি অনুচ্ছেদে রয়েছে?
- ৫৭ ও ৫৮
- ৫৮ ও ৫৯
- ৫৯ ও ৬০
- ৬০ ও ৬১
- বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক কে?
- প্রধানমন্ত্রী
- রাষ্ট্রপতি
- সেনাপ্রধান
- প্রতিরক্ষামন্ত্রী
- বাংলাদেশের পক্ষে যুদ্ধ ঘোষণা করার সাংবিধানিক ক্ষমতা কার?
- রাষ্ট্রপতির এককভাবে
- জাতীয় সংসদের
- প্রধান বিচারপতির
- সেনাপ্রধানের
- জরুরি অবস্থা ঘোষণার সাংবিধানিক ক্ষমতা কার?
- স্পিকারের
- রাষ্ট্রপতির
- প্রধান বিচারপতির
- নির্বাচন কমিশনের
- একবার ঘোষিত জরুরি অবস্থা সর্বোচ্চ কতদিন পর্যন্ত বহাল থাকতে পারে?
- ৬০ দিন
- ৯০ দিন
- ১২০ দিন
- ১৮০ দিন
- দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংসদে ভোট দিলে সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়ার বিধান কোন অনুচ্ছেদের সঙ্গে সম্পর্কিত?
- ৬৫ নং অনুচ্ছেদ
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদ
- ৭০ নং অনুচ্ছেদ
- ৭২ নং অনুচ্ছেদ
- বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা কে?
- প্রধান বিচারপতি
- আইনমন্ত্রী
- অ্যাটর্নি জেনারেল
- সলিসিটর জেনারেল
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
- ১৪৩টি
- ১৫৩টি
- ১৬৩টি
- ১৭৩টি
- বাংলাদেশের সংবিধান মোট কয়টি ভাগে বিভক্ত?
- ৯টি
- ১০টি
- ১১টি
- ১২টি
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি তফসিল রয়েছে?
- ৫টি
- ৬টি
- ৭টি
- ৮টি
- বাংলাদেশের সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি কয়টি?
- ৩টি
- ৪টি
- ৫টি
- ৬টি
- বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
- ৩০ জন
- ৩২ জন
- ৩৪ জন
- ৩৬ জন
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি কে ছিলেন?
- ড. কামাল হোসেন
- শাহ আবদুল হামিদ
- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
- মোহাম্মদ উল্লাহ