বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব, শিল্প-সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, নদ-নদী, বনজ সম্পদ ও কৃষি — Primary Teacher
বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব, শিল্প-সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, নদ-নদী, বনজ সম্পদ ও কৃষি: সাধারণ জ্ঞান, Primary Teacher পাঠ ও 350টি প্রশ্নের অনুশীলন। পৃষ্ঠা 1/7।
এ অধ্যায়ের পাঠ্যসূচী
- উয়ারী-বটেশ্বর
- বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতি
- আঞ্চলিক গান ও লোকসংগীত
- লোকনৃত্য ও আঞ্চলিক নৃত্য
- সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান
- বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য
- অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
- বাংলাদেশের GI পণ্য
- ঐতিহাসিক মসজিদ
- ঐতিহাসিক স্থান ও স্থাপনা
- উদ্যান, পার্ক ও স্মৃতিস্থান
- হাওর, বিল ও জলাভূমি
- বাংলাদেশের নদ-নদী
- গুরুত্বপূর্ণ নদীর উৎপত্তিস্থল
- বাংলাদেশের বনজ সম্পদ
- বনের প্রধান ধরন
- সুন্দরবন
- বাংলাদেশের কৃষি
- প্রধান কৃষিজ ফসল
- ফসল ও কৃষি মৌসুম
- উন্নত জাতের ফসল
- বাংলাদেশের চা
- কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান
উয়ারী-বটেশ্বর
Wari-Bateshwar Archaeological Site
উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। এটি নরসিংদী জেলার বেলাবো অঞ্চলে অবস্থিত। উয়ারী ও বটেশ্বর নামে পাশাপাশি দুটি গ্রামের নাম থেকে প্রত্নস্থলটির পরিচিতি গড়ে উঠেছে।
এখানে আবিষ্কৃত প্রত্ননিদর্শন থেকে বোঝা যায়, বহু প্রাচীনকালেই এ অঞ্চলে উন্নত নগরজীবন, বাণিজ্য ও বসতি গড়ে উঠেছিল। প্রত্নস্থলটির বয়স প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরোনো বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানটিতে মাটির নিচে দুর্গনগর, বন্দর, প্রাচীন স্থাপনার চিহ্ন এবং বিভিন্ন প্রত্নবস্তু আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাচীন নগরসভ্যতা ও বাণিজ্যব্যবস্থা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়।
উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চলের প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের সঙ্গে অধ্যাপক সুফি মোস্তাফিজুর রহমানের নাম বিশেষভাবে যুক্ত।
প্রাচীন প্রত্নস্থলটির পাশ দিয়ে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ প্রবাহিত হওয়ার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।
এখানে আবিষ্কৃত প্রত্ননিদর্শন থেকে বোঝা যায়, বহু প্রাচীনকালেই এ অঞ্চলে উন্নত নগরজীবন, বাণিজ্য ও বসতি গড়ে উঠেছিল। প্রত্নস্থলটির বয়স প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরোনো বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানটিতে মাটির নিচে দুর্গনগর, বন্দর, প্রাচীন স্থাপনার চিহ্ন এবং বিভিন্ন প্রত্নবস্তু আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাচীন নগরসভ্যতা ও বাণিজ্যব্যবস্থা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়।
উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চলের প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানের সঙ্গে অধ্যাপক সুফি মোস্তাফিজুর রহমানের নাম বিশেষভাবে যুক্ত।
প্রাচীন প্রত্নস্থলটির পাশ দিয়ে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ প্রবাহিত হওয়ার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতি
Art and Culture of Bangladesh
বাংলাদেশের সংস্কৃতি বহু আঞ্চলিক লোকাচার, গান, নৃত্য, ধর্মীয় উৎসব, নাট্যধারা, চিত্রকলা ও গ্রামীণ ঐতিহ্যের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন অঞ্চলের নিজস্ব গান, নাচ ও লোকজ রীতির কারণে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ।
বাংলা নববর্ষের প্রচলিত আয়োজন, গ্রামীণ মেলা, লোকগান, পল্লিগীতি, আঞ্চলিক নৃত্য এবং ধর্মীয় উৎসব বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ।
বাংলা নববর্ষের প্রচলিত আয়োজন, গ্রামীণ মেলা, লোকগান, পল্লিগীতি, আঞ্চলিক নৃত্য এবং ধর্মীয় উৎসব বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ।
আঞ্চলিক গান ও লোকসংগীত
Regional and Folk Songs
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বতন্ত্র লোকসংগীতের ধারা গড়ে উঠেছে। এসব গান স্থানীয় ভাষা, জীবনযাপন, কৃষি, নদী, প্রেম, ধর্মীয় অনুভূতি এবং সামাজিক অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটায়।
রংপুর অঞ্চলের ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত লোকসংগীতধারা। এর সুরে উত্তরাঞ্চলের জীবন, বিচ্ছেদ ও আবেগ বিশেষভাবে ফুটে ওঠে।
ময়মনসিংহ অঞ্চলে আঞ্চলিক লোকগানের নিজস্ব ধারা রয়েছে। একইভাবে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও স্থানীয় সুর ও শব্দভাণ্ডারভিত্তিক গান বিকশিত হয়েছে।
গারো জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সামাজিক সংগীত ঐতিহ্যের সঙ্গে ওয়ানগালা উৎসবের সম্পর্ক রয়েছে।
রংপুর অঞ্চলের ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত লোকসংগীতধারা। এর সুরে উত্তরাঞ্চলের জীবন, বিচ্ছেদ ও আবেগ বিশেষভাবে ফুটে ওঠে।
ময়মনসিংহ অঞ্চলে আঞ্চলিক লোকগানের নিজস্ব ধারা রয়েছে। একইভাবে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও স্থানীয় সুর ও শব্দভাণ্ডারভিত্তিক গান বিকশিত হয়েছে।
গারো জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় ও সামাজিক সংগীত ঐতিহ্যের সঙ্গে ওয়ানগালা উৎসবের সম্পর্ক রয়েছে।
লোকনৃত্য ও আঞ্চলিক নৃত্য
Folk and Regional Dance
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীতে নৃত্যের স্বতন্ত্র ঐতিহ্য রয়েছে। মণিপুরি নৃত্য বিশেষভাবে সিলেট অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সারি নৃত্য, ধূপ নৃত্য এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক লোকনৃত্য দেশের লোকসংস্কৃতির বৈচিত্র্য প্রকাশ করে।
ময়মনসিংহ, সিলেট, ফরিদপুর, খুলনা, রংপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের নিজস্ব লোকগান ও নাচের ধারা রয়েছে।
সারি নৃত্য, ধূপ নৃত্য এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক লোকনৃত্য দেশের লোকসংস্কৃতির বৈচিত্র্য প্রকাশ করে।
ময়মনসিংহ, সিলেট, ফরিদপুর, খুলনা, রংপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের নিজস্ব লোকগান ও নাচের ধারা রয়েছে।
সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান
Cultural Institutions and Important Places
বাংলাদেশের লোকশিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কাজ করে।
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
জাতীয় প্রাণী জাদুঘর মিরপুর এলাকায় অবস্থিত।
জাতীয় জাদুঘর ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত।
বাংলা একাডেমি ঢাকায় অবস্থিত।
বাংলাদেশের প্রথম ফিশ ওয়ার্ড অ্যাকুরিয়ামের অবস্থান হিসেবে কক্সবাজারের উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রথম পানি জাদুঘর বরগুনায় অবস্থিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি রাজশাহীর সারদায় অবস্থিত।
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বা BARD কুমিল্লায় অবস্থিত।
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
জাতীয় প্রাণী জাদুঘর মিরপুর এলাকায় অবস্থিত।
জাতীয় জাদুঘর ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত।
বাংলা একাডেমি ঢাকায় অবস্থিত।
বাংলাদেশের প্রথম ফিশ ওয়ার্ড অ্যাকুরিয়ামের অবস্থান হিসেবে কক্সবাজারের উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের প্রথম পানি জাদুঘর বরগুনায় অবস্থিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি রাজশাহীর সারদায় অবস্থিত।
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বা BARD কুমিল্লায় অবস্থিত।
বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য
World Heritage Sites of Bangladesh
UNESCO ঘোষিত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্যের মধ্যে তিনটি স্থান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
১। সুন্দরবন
২। বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরী
৩। পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর মহাবিহার
সুন্দরবন প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরী এবং পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে গুরুত্ব বহন করে।
বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে বাগেরহাট মসজিদ নগরীর উল্লেখ পাওয়া যায়।
১। সুন্দরবন
২। বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরী
৩। পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর মহাবিহার
সুন্দরবন প্রাকৃতিক বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে বাগেরহাটের ঐতিহাসিক মসজিদ নগরী এবং পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে গুরুত্ব বহন করে।
বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে বাগেরহাট মসজিদ নগরীর উল্লেখ পাওয়া যায়।
অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
Intangible Cultural Heritage
UNESCO বাংলাদেশের কয়েকটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে Intangible Cultural Heritage বা অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণগুলো হলো—
বাউল গান
জামদানি শাড়ি
মঙ্গল শোভাযাত্রা
শীতল পাটি
এসব ঐতিহ্য বাংলাদেশের জীবন্ত সাংস্কৃতিক পরিচয়, লোকজ দক্ষতা এবং সামাজিক ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরে।
বাউল গান
জামদানি শাড়ি
মঙ্গল শোভাযাত্রা
শীতল পাটি
এসব ঐতিহ্য বাংলাদেশের জীবন্ত সাংস্কৃতিক পরিচয়, লোকজ দক্ষতা এবং সামাজিক ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরে।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক বা GI পণ্য
Geographical Indication Products
Geographical Indication বা GI হলো এমন স্বীকৃতি, যার মাধ্যমে কোনো পণ্যের বিশেষ গুণ, খ্যাতি বা বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার সম্পর্ক নির্দেশ করা হয়।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের GI পণ্যের সংখ্যা নয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
১। জামদানি শাড়ি
২। ইলিশ মাছ
৩। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম
৪। মসলিন কাপড়
৫। রাজশাহী সিল্ক
৬। বিজয়পুরের সাদা মাটি
৭। দিনাজপুরের কাটারিভোগ
৮। বাংলাদেশ কালিজিরা
৯। রংপুরের শতরঞ্জি
জামদানি শাড়িকে বাংলাদেশের প্রথম GI পণ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের GI পণ্যের সংখ্যা নয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
১। জামদানি শাড়ি
২। ইলিশ মাছ
৩। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরশাপাতি আম
৪। মসলিন কাপড়
৫। রাজশাহী সিল্ক
৬। বিজয়পুরের সাদা মাটি
৭। দিনাজপুরের কাটারিভোগ
৮। বাংলাদেশ কালিজিরা
৯। রংপুরের শতরঞ্জি
জামদানি শাড়িকে বাংলাদেশের প্রথম GI পণ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের ঐতিহাসিক মসজিদ
Historic Mosques of Bangladesh
বাংলাদেশের মধ্যযুগীয় স্থাপত্য ঐতিহ্যে বহু প্রাচীন মসজিদ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
ষাট গম্বুজ মসজিদ
বাগেরহাটে অবস্থিত ষাট গম্বুজ মসজিদ খান জাহান আলীর সঙ্গে সম্পর্কিত। মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ হলেও প্রদত্ত তথ্যে গম্বুজের সংখ্যা ৮১টি উল্লেখ করা হয়েছে।
সাত গম্বুজ মসজিদ
ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত। এর গম্বুজ সংখ্যা সাতটি।
তারা মসজিদ
পুরান ঢাকায় অবস্থিত। মির্জা গোলাম পীর এটি নির্মাণ করেন বলে উল্লেখ রয়েছে।
ছোট কাটরা মসজিদ
পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক স্থাপনার সঙ্গে যুক্ত।
বড় কাটরা মসজিদ
ঢাকায় অবস্থিত এবং ঐতিহাসিক মুঘল স্থাপত্যের অংশ।
আতিয়া মসজিদ
টাঙ্গাইল অঞ্চলের একটি উল্লেখযোগ্য প্রাচীন মসজিদ।
বাঘা মসজিদ
রাজশাহী অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক মসজিদ।
ষাট গম্বুজ মসজিদ
বাগেরহাটে অবস্থিত ষাট গম্বুজ মসজিদ খান জাহান আলীর সঙ্গে সম্পর্কিত। মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ হলেও প্রদত্ত তথ্যে গম্বুজের সংখ্যা ৮১টি উল্লেখ করা হয়েছে।
সাত গম্বুজ মসজিদ
ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত। এর গম্বুজ সংখ্যা সাতটি।
তারা মসজিদ
পুরান ঢাকায় অবস্থিত। মির্জা গোলাম পীর এটি নির্মাণ করেন বলে উল্লেখ রয়েছে।
ছোট কাটরা মসজিদ
পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক স্থাপনার সঙ্গে যুক্ত।
বড় কাটরা মসজিদ
ঢাকায় অবস্থিত এবং ঐতিহাসিক মুঘল স্থাপত্যের অংশ।
আতিয়া মসজিদ
টাঙ্গাইল অঞ্চলের একটি উল্লেখযোগ্য প্রাচীন মসজিদ।
বাঘা মসজিদ
রাজশাহী অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক মসজিদ।
ঐতিহাসিক স্থান ও স্থাপনা
Historical Places and Monuments
বাংলাদেশে বিভিন্ন যুগের স্থাপত্য, প্রত্নস্থল, ধর্মীয় কেন্দ্র এবং ঐতিহাসিক নগরীর নিদর্শন ছড়িয়ে আছে।
পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলায় অবস্থিত। এটি দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধবিহারগুলোর একটি।
মহাস্থানগড় বগুড়া জেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন নগর প্রত্নস্থল।
ময়নামতির প্রত্নস্থল কুমিল্লায় অবস্থিত। শালবন বিহার এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ প্রত্নস্থাপনা।
লালবাগ কেল্লা পুরান ঢাকায় অবস্থিত। মুঘল আমলে নির্মাণ শুরু হওয়া এই দুর্গ ঢাকার অন্যতম পরিচিত ঐতিহাসিক স্থাপনা।
পানাম নগর সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত। প্রাচীন বাণিজ্য ও নগরজীবনের স্মারক হিসেবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।
আহসান মঞ্জিল ঢাকায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ।
পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহার নওগাঁ জেলায় অবস্থিত। এটি দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধবিহারগুলোর একটি।
মহাস্থানগড় বগুড়া জেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন নগর প্রত্নস্থল।
ময়নামতির প্রত্নস্থল কুমিল্লায় অবস্থিত। শালবন বিহার এ অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ প্রত্নস্থাপনা।
লালবাগ কেল্লা পুরান ঢাকায় অবস্থিত। মুঘল আমলে নির্মাণ শুরু হওয়া এই দুর্গ ঢাকার অন্যতম পরিচিত ঐতিহাসিক স্থাপনা।
পানাম নগর সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত। প্রাচীন বাণিজ্য ও নগরজীবনের স্মারক হিসেবে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।
আহসান মঞ্জিল ঢাকায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ।
উদ্যান, পার্ক ও স্মৃতিস্থান
Parks, Gardens and Memorial Places
বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্যান ও পার্ক ঐতিহাসিক, বিনোদনমূলক ও পরিবেশগত গুরুত্ব বহন করে।
রমনা পার্ক ঢাকার অন্যতম ঐতিহাসিক উদ্যান।
বাহাদুর শাহ পার্ক পুরান ঢাকায় অবস্থিত।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান।
বঙ্গবন্ধু উদ্যান, বিভিন্ন আঞ্চলিক উদ্যান এবং স্মৃতিস্থান দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক স্মৃতি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে।
রমনা পার্ক ঢাকার অন্যতম ঐতিহাসিক উদ্যান।
বাহাদুর শাহ পার্ক পুরান ঢাকায় অবস্থিত।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান।
বঙ্গবন্ধু উদ্যান, বিভিন্ন আঞ্চলিক উদ্যান এবং স্মৃতিস্থান দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক স্মৃতি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে।
বাংলাদেশের হাওর, বিল ও জলাভূমি
Haors, Beels and Wetlands
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিশেষভাবে হাওরসমৃদ্ধ। সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বহু হাওর রয়েছে।
বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর হিসেবে হাকালুকি হাওরের উল্লেখ রয়েছে। এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার বিস্তৃত এলাকায় অবস্থিত।
টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্র হাওর হিসেবে বুরবুক হাওরের উল্লেখ রয়েছে।
দেশের বৃহত্তম বিল হিসেবে চলন বিল পরিচিত। এটি সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও নাটোর অঞ্চলে বিস্তৃত।
বাইক্কা বিল মৌলভীবাজার অঞ্চলে অবস্থিত।
বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য জলাভূমি ও হাওরগুলো মৎস্যসম্পদ, কৃষি, পাখি এবং প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর হিসেবে হাকালুকি হাওরের উল্লেখ রয়েছে। এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার বিস্তৃত এলাকায় অবস্থিত।
টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্র হাওর হিসেবে বুরবুক হাওরের উল্লেখ রয়েছে।
দেশের বৃহত্তম বিল হিসেবে চলন বিল পরিচিত। এটি সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও নাটোর অঞ্চলে বিস্তৃত।
বাইক্কা বিল মৌলভীবাজার অঞ্চলে অবস্থিত।
বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য জলাভূমি ও হাওরগুলো মৎস্যসম্পদ, কৃষি, পাখি এবং প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের নদ-নদী
Rivers of Bangladesh
বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। দেশের ভূপ্রকৃতি, কৃষি, যোগাযোগ, মৎস্যসম্পদ ও জনজীবনের সঙ্গে নদ-নদীর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা সাত শতাধিক উল্লেখ করা হয়েছে। যৌথ নদী কমিশনের হিসাব অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বা আন্তসীমান্ত নদীর সংখ্যাও আলাদাভাবে উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশে প্রবাহিত গুরুত্বপূর্ণ নদীর মধ্যে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, কর্ণফুলী, সুরমা, কুশিয়ারা, ফেনী, সাংগু ও নাফ উল্লেখযোগ্য।
মেঘনাকে বাংলাদেশের দীর্ঘতম এবং গভীর নদীগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কর্ণফুলী নদীর ওপর কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যা সাত শতাধিক উল্লেখ করা হয়েছে। যৌথ নদী কমিশনের হিসাব অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বা আন্তসীমান্ত নদীর সংখ্যাও আলাদাভাবে উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশে প্রবাহিত গুরুত্বপূর্ণ নদীর মধ্যে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, কর্ণফুলী, সুরমা, কুশিয়ারা, ফেনী, সাংগু ও নাফ উল্লেখযোগ্য।
মেঘনাকে বাংলাদেশের দীর্ঘতম এবং গভীর নদীগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কর্ণফুলী নদীর ওপর কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ নদীর উৎপত্তিস্থল
Origins of Major Rivers
বাংলাদেশের বড় নদীগুলোর অধিকাংশের উৎস দেশের বাইরে। পার্বত্য ও হিমালয় অঞ্চলে উৎপন্ন হয়ে নদীগুলো বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
পদ্মা বা গঙ্গার উৎস হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ অঞ্চলে।
ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবরসংলগ্ন অঞ্চল থেকে উৎপন্ন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিস্তা ভারতের সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরামের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
সাংগু ও নাফ নদীর উৎপত্তি মিয়ানমারের পাহাড়ি অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
সুরমা ও কুশিয়ারা বরাক নদীর বিভক্ত প্রবাহ। পরে এই দুই নদী পুনরায় মিলিত হয়ে কালনী নামে প্রবাহিত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রবেশকারী প্রধান আন্তসীমান্ত নদীগুলো দেশের পলি, কৃষি, নৌযোগাযোগ ও পানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
পদ্মা বা গঙ্গার উৎস হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ অঞ্চলে।
ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতের মানস সরোবরসংলগ্ন অঞ্চল থেকে উৎপন্ন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিস্তা ভারতের সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
কর্ণফুলী নদী ভারতের মিজোরামের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
সাংগু ও নাফ নদীর উৎপত্তি মিয়ানমারের পাহাড়ি অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত।
সুরমা ও কুশিয়ারা বরাক নদীর বিভক্ত প্রবাহ। পরে এই দুই নদী পুনরায় মিলিত হয়ে কালনী নামে প্রবাহিত হওয়ার তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশে প্রবেশকারী প্রধান আন্তসীমান্ত নদীগুলো দেশের পলি, কৃষি, নৌযোগাযোগ ও পানি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের বনজ সম্পদ
Forest Resources of Bangladesh
বাংলাদেশের বনভূমি পরিবেশের ভারসাম্য, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, কাঠ ও অন্যান্য বনজ সম্পদ উৎপাদন এবং উপকূলীয় সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
প্রদত্ত তথ্যমতে দেশের মোট ভূমির প্রায় ১৭ শতাংশের কাছাকাছি অংশ বনাঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত তিন ধরনের অঞ্চলে আলোচনা করা হয়—
১। ক্রান্তীয় চিরসবুজ ও অর্ধচিরসবুজ বন
২। ক্রান্তীয় পাতাঝরা বন
৩। ম্যানগ্রোভ বা সুন্দরবন
প্রদত্ত তথ্যমতে দেশের মোট ভূমির প্রায় ১৭ শতাংশের কাছাকাছি অংশ বনাঞ্চল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত তিন ধরনের অঞ্চলে আলোচনা করা হয়—
১। ক্রান্তীয় চিরসবুজ ও অর্ধচিরসবুজ বন
২। ক্রান্তীয় পাতাঝরা বন
৩। ম্যানগ্রোভ বা সুন্দরবন
বাংলাদেশের বনের প্রধান ধরন
Major Forest Types
চিরসবুজ ও অর্ধচিরসবুজ বন
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে প্রধানত এ ধরনের বন দেখা যায়। এসব বনে গর্জন, জারুল, চাপালিশ, সেগুন, গামারসহ বিভিন্ন গাছ জন্মে।
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বন
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের কিছু অংশে এ ধরনের বন দেখা যায়। শাল এ বনের প্রধান বৃক্ষ।
ম্যানগ্রোভ বন
জোয়ার-ভাটাপ্রবণ লবণাক্ত এলাকায় জন্মানো বিশেষ বনকে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়। বাংলাদেশের সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনগুলোর একটি।
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে প্রধানত এ ধরনের বন দেখা যায়। এসব বনে গর্জন, জারুল, চাপালিশ, সেগুন, গামারসহ বিভিন্ন গাছ জন্মে।
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বন
মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের কিছু অংশে এ ধরনের বন দেখা যায়। শাল এ বনের প্রধান বৃক্ষ।
ম্যানগ্রোভ বন
জোয়ার-ভাটাপ্রবণ লবণাক্ত এলাকায় জন্মানো বিশেষ বনকে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়। বাংলাদেশের সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনগুলোর একটি।
সুন্দরবন
The Sundarbans
সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিশাল ম্যানগ্রোভ বন। এটি বাংলাদেশ ও ভারতের ভূখণ্ডে বিস্তৃত। বাংলাদেশ অংশ খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলার সঙ্গে সম্পর্কিত।
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে সুন্দরী, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। সুন্দরী গাছ থেকেই সুন্দরবনের নামকরণ হয়েছে বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার সুন্দরবনের সবচেয়ে বিখ্যাত প্রাণী। এছাড়া হরিণ, বানর, সাপ, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও জলজ প্রাণীও এখানে পাওয়া যায়।
সুন্দরবন UNESCO ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ এবং বাংলাদেশের পরিবেশগত সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।
প্রদত্ত তথ্যে সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় \(10,000\) বর্গকিলোমিটার এবং বাংলাদেশ অংশের আয়তন প্রায় \(6,017\) বর্গকিলোমিটার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের কাঠের উল্লেখযোগ্য অংশ সুন্দরবন থেকে আসে বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে সুন্দরী, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। সুন্দরী গাছ থেকেই সুন্দরবনের নামকরণ হয়েছে বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার সুন্দরবনের সবচেয়ে বিখ্যাত প্রাণী। এছাড়া হরিণ, বানর, সাপ, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও জলজ প্রাণীও এখানে পাওয়া যায়।
সুন্দরবন UNESCO ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ এবং বাংলাদেশের পরিবেশগত সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে।
প্রদত্ত তথ্যে সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় \(10,000\) বর্গকিলোমিটার এবং বাংলাদেশ অংশের আয়তন প্রায় \(6,017\) বর্গকিলোমিটার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের কাঠের উল্লেখযোগ্য অংশ সুন্দরবন থেকে আসে বলে প্রদত্ত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।
বাংলাদেশের কৃষি
Agriculture of Bangladesh
বাংলাদেশের অর্থনীতি, গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও খাদ্যনিরাপত্তায় কৃষির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের উর্বর পললমাটি, নদ-নদী, মৌসুমি বৃষ্টিপাত এবং বৈচিত্র্যময় জলবায়ু কৃষির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত প্রধান খাদ্যশস্য হলো ধান। এছাড়া গম, পাট, আলু, ডাল, আখ, ভুট্টা, চা, বিভিন্ন তেলবীজ, ফল ও সবজি উৎপন্ন হয়।
কৃষি উৎপাদনের পরিমাণ ও বৈশিষ্ট্য অঞ্চলভেদে ভিন্ন। উত্তরাঞ্চলে ধান ও গম, পাহাড়ি অঞ্চলে জুমচাষ এবং সিলেট ও পার্বত্য এলাকার কিছু অংশে চা চাষ গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত প্রধান খাদ্যশস্য হলো ধান। এছাড়া গম, পাট, আলু, ডাল, আখ, ভুট্টা, চা, বিভিন্ন তেলবীজ, ফল ও সবজি উৎপন্ন হয়।
কৃষি উৎপাদনের পরিমাণ ও বৈশিষ্ট্য অঞ্চলভেদে ভিন্ন। উত্তরাঞ্চলে ধান ও গম, পাহাড়ি অঞ্চলে জুমচাষ এবং সিলেট ও পার্বত্য এলাকার কিছু অংশে চা চাষ গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের প্রধান কৃষিজ ফসল
Major Agricultural Crops
প্রধান খাদ্য ও অর্থকরী ফসল
ধান — বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য
গম — দ্বিতীয় প্রধান খাদ্যশস্য হিসেবে উল্লেখিত
পাট — প্রধান অর্থকরী ফসলগুলোর একটি
আখ — চিনি উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল
চা — গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ও রপ্তানিমুখী ফসল
আলু — বহুল উৎপাদিত খাদ্য ও সবজি ফসল
ধান — বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য
গম — দ্বিতীয় প্রধান খাদ্যশস্য হিসেবে উল্লেখিত
পাট — প্রধান অর্থকরী ফসলগুলোর একটি
আখ — চিনি উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল
চা — গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ও রপ্তানিমুখী ফসল
আলু — বহুল উৎপাদিত খাদ্য ও সবজি ফসল
আঞ্চলিক উৎপাদন
ধান — সারা দেশে উৎপাদিত
চা — প্রধানত সিলেট ও পার্বত্য অঞ্চল
আম — রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চল
আনারস — পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য
পাট — ফরিদপুরসহ বিভিন্ন সমতল অঞ্চলে ব্যাপক
ধান — সারা দেশে উৎপাদিত
চা — প্রধানত সিলেট ও পার্বত্য অঞ্চল
আম — রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চল
আনারস — পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য
পাট — ফরিদপুরসহ বিভিন্ন সমতল অঞ্চলে ব্যাপক
ফসল ও কৃষি মৌসুম
Crop Seasons of Bangladesh
বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদন মৌসুমভিত্তিক। ধানকে সাধারণভাবে আউশ, আমন ও বোরো—এই তিন মৌসুমে ভাগ করা হয়।
বোরো ধান শুষ্ক মৌসুমে সেচনির্ভর অবস্থায় উৎপন্ন হয়।
আমন বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ের প্রধান ধান।
আউশ তুলনামূলক আগাম মৌসুমের ধান।
প্রদত্ত তথ্যে রবি ফসল বলতে প্রধানত শীতকালীন ফসলকে বোঝানো হয়েছে।
খরিফ ফসল উষ্ণ ও বর্ষাপ্রধান মৌসুমে জন্মে।
বাংলাদেশের কৃষিতে তিনটি প্রধান ফসলি মৌসুমের উল্লেখ রয়েছে—রবি, আউশ ও আমন।
বোরো ধান শুষ্ক মৌসুমে সেচনির্ভর অবস্থায় উৎপন্ন হয়।
আমন বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ের প্রধান ধান।
আউশ তুলনামূলক আগাম মৌসুমের ধান।
প্রদত্ত তথ্যে রবি ফসল বলতে প্রধানত শীতকালীন ফসলকে বোঝানো হয়েছে।
খরিফ ফসল উষ্ণ ও বর্ষাপ্রধান মৌসুমে জন্মে।
বাংলাদেশের কৃষিতে তিনটি প্রধান ফসলি মৌসুমের উল্লেখ রয়েছে—রবি, আউশ ও আমন।
উন্নত জাতের কৃষিজ ফসল
Improved Crop Varieties
বাংলাদেশে কৃষি গবেষণার মাধ্যমে ধান, গম, ভুট্টা, আলু, আখ, আমসহ বিভিন্ন ফসলের উচ্চফলনশীল ও উন্নত জাত উদ্ভাবিত হয়েছে।
প্রদত্ত তথ্যে ধানের উন্নত জাত হিসেবে হীরা, মুক্তা, আশা, মালা, ময়না, ইরাটম, হরি, প্রগতি, সোনার বাংলা-১, নারিকা-১ ও আলোকের উল্লেখ রয়েছে।
গমের উন্নত জাতের মধ্যে বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন ও শতাব্দীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুট্টার উন্নত জাত হিসেবে বর্ণালী, শুভ্র ও উত্তরণের নাম পাওয়া যায়।
আলুর উন্নত জাত হিসেবে ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, কুফরী ও সিন্ধুরী প্রভৃতি উল্লেখ করা হয়েছে।
টমেটোর উন্নত জাতের মধ্যে বাহার, মানিক, রতন, মিষ্টি, ঝুমকা, সিন্ধু ও শ্রাবণীর নাম পাওয়া যায়।
প্রদত্ত তথ্যে ধানের উন্নত জাত হিসেবে হীরা, মুক্তা, আশা, মালা, ময়না, ইরাটম, হরি, প্রগতি, সোনার বাংলা-১, নারিকা-১ ও আলোকের উল্লেখ রয়েছে।
গমের উন্নত জাতের মধ্যে বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন ও শতাব্দীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুট্টার উন্নত জাত হিসেবে বর্ণালী, শুভ্র ও উত্তরণের নাম পাওয়া যায়।
আলুর উন্নত জাত হিসেবে ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, কুফরী ও সিন্ধুরী প্রভৃতি উল্লেখ করা হয়েছে।
টমেটোর উন্নত জাতের মধ্যে বাহার, মানিক, রতন, মিষ্টি, ঝুমকা, সিন্ধু ও শ্রাবণীর নাম পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের চা
Tea Industry of Bangladesh
বাংলাদেশে চা চাষের ইতিহাস ঔপনিবেশিক আমল থেকে শুরু। প্রদত্ত তথ্যে বাংলাদেশের প্রথম চা চাষের সূচনা চট্টগ্রাম অঞ্চলে এবং পরে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে বাণিজ্যিক চাষের বিস্তারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক চা বাগানগুলোর একটি।
বাংলাদেশে বর্তমানে বহু নিবন্ধিত চা বাগান রয়েছে। চা উৎপাদনে মৌলভীবাজার বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং পঞ্চগড়েও সাম্প্রতিক সময়ে চা চাষের বিস্তার ঘটেছে।
বাংলাদেশ চা বোর্ড চা শিল্পের উন্নয়ন, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মালনীছড়া বাংলাদেশের প্রাচীন ও ঐতিহাসিক চা বাগানগুলোর একটি।
বাংলাদেশে বর্তমানে বহু নিবন্ধিত চা বাগান রয়েছে। চা উৎপাদনে মৌলভীবাজার বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং পঞ্চগড়েও সাম্প্রতিক সময়ে চা চাষের বিস্তার ঘটেছে।
বাংলাদেশ চা বোর্ড চা শিল্পের উন্নয়ন, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান
Agricultural Research and Development Institutions
বাংলাদেশে কৃষি, ধান, পাট, চা, মৎস্য, বন ও গ্রামীণ উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন বিশেষায়িত গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট — গাজীপুর
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বা BRRI — গাজীপুর
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট — ঢাকা
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট — মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট — পাবনার ঈশ্বরদী
বাংলাদেশ গম গবেষণা কেন্দ্র — দিনাজপুর
বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্র — বগুড়া
বাংলাদেশ ফল গবেষণা কেন্দ্র — রাজশাহী
বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট — ময়মনসিংহ
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান — ময়মনসিংহ অঞ্চলে
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট — চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র — বাগেরহাট
BRRI-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Rice Research Institute।
BADC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Agricultural Development Corporation। এর সদরদপ্তর ঢাকায়।
BARD-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Academy for Rural Development। এটি কুমিল্লায় অবস্থিত এবং এর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে ড. আখতার হামিদ খানের নাম যুক্ত।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট — গাজীপুর
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বা BRRI — গাজীপুর
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট — ঢাকা
বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট — মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল
বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট — পাবনার ঈশ্বরদী
বাংলাদেশ গম গবেষণা কেন্দ্র — দিনাজপুর
বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্র — বগুড়া
বাংলাদেশ ফল গবেষণা কেন্দ্র — রাজশাহী
বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট — ময়মনসিংহ
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান — ময়মনসিংহ অঞ্চলে
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট — চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র — বাগেরহাট
BRRI-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Rice Research Institute।
BADC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Agricultural Development Corporation। এর সদরদপ্তর ঢাকায়।
BARD-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Academy for Rural Development। এটি কুমিল্লায় অবস্থিত এবং এর প্রতিষ্ঠার সঙ্গে ড. আখতার হামিদ খানের নাম যুক্ত।
- বাংলাদেশের সর্বপ্রথম প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয় নিচের কোন স্থানে?
- হরিপুর
- কৈলাসটিলা
- ছাতক
- তিতাস
- জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে নিচের কোন খনিজটি পাওয়া যায়?
- প্রাকৃতিক গ্যাস
- কয়লা
- খনিজ তেল
- চীনামাটি
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস ক্ষেত্র কোনটি?
- তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
- সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র
- বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র
- হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?
- ১৯৫৭ সালে
- ১৯৬০ সালে
- ১৯৬২ সালে
- ১৯৭২ সালে
- বাংলাদেশের সমুদ্রাঞ্চলে আবিষ্কৃত প্রথম গ্যাসক্ষেত্রের নাম কী?
- জ্যাকফোর্ড পয়েন্ট
- হাতিয়া প্রণালি
- সাঙ্গু ভ্যালি
- হিরণ পয়েন্ট
- দেশের কোন গ্যাসক্ষেত্রে প্রথম অগ্নিকাণ্ড হয়?
- হরিপুর
- সেমুতাং
- মাগুরছড়া
- সাঙ্গু
- বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস বেশি ব্যবহৃত হয় কোন খাতে?
- বিদ্যুৎ উৎপাদন
- সিমেন্ট কারখানা
- সি.এন.জি
- সার কারখানা
- দিনাজপুর জেলার হাকিমপুরে বাংলাদেশের প্রথম লোহার খনি আবিষ্কার হয় কত সালে?
- ২০১৮ সালে
- ২০১৯ সালে
- ১৯৮৭ সালে
- ১৯৫৫ সালে
- হরিপুর তেলক্ষেত্র আবিষ্কার হয়?
- ১৯৮৭ সালে
- ১৯৮৬ সালে
- ১৯৮৫ সালে
- ১৯৮৪ সালে
- দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়ায় কোন খনিজ সন্ধান পাওয়া গেছে?
- কঠিন শিলা
- কয়লা
- চুনা পাথর
- সাদা মাটি
- বাংলাদেশে ইউরেনিয়ামের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে—
- জামালগঞ্জে
- জকিগঞ্জে
- বিজয়পুর
- রানীগঞ্জে
- বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে—
- বিজয়পুরে
- রানীগঞ্জে
- টেকেরহাটে
- বিয়ানী বাজারে
- বাংলাদেশের কোথায় তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায়?
- সিলেটের পাহাড়ে
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে
- সুন্দরবনে
- লালমাই-একরায়
- বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের খনিতে মাইকা ও স্বর্ণের সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?
- খুলনার কোলাবিল
- জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ
- সিলেটের লালঘাট
- বড়পুকুরিয়া
- ইউনেস্কো (UNESCO) কর্তৃক সুন্দরবনকে ‘বিশ্ব প্রাকৃতিক ঐতিহ্য’ ঘোষিত হয়—
- ১২ অক্টোবর ১৯৯৬
- ১৯ জুন ১৯৯৭
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭
- ১০ জুলাই ১৯৯৮
- পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন—
- আমাজন
- সুমাত্রা
- সুন্দরবন
- মধুপুর গড়
- বাংলাদেশের বনাঞ্চলের পরিমাণ মোট ভূমির কত শতাংশ?
- ১৬
- ১৭
- ২০
- ২৫
- দেশের কোন বনাঞ্চলকে চিরহরিৎ বন বলা হয়?
- সুন্দরবন
- মধুপুর বনাঞ্চল
- পার্বত্য বনাঞ্চল
- গাজীপুর বনাঞ্চল
- বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?
- খুলনার বনভূমি
- ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
- সিলেটের বনভূমি
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
- বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনের আয়তন কত?
- ২৪০০ বর্গমাইল
- ১৯০০ বর্গমাইল
- ১৮৮৬ বর্গমাইল
- ১৯২৫ বর্গমাইল
- অসংখ্য দ্বীপ নিয়ে গঠিত বনাঞ্চল কোনটি?
- সুন্দরবন
- সেন্টমার্টিন
- নিঝুম দ্বীপ
- মহেশখালী
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার কোথায় অবস্থিত?
- রাজশাহী
- চট্টগ্রাম
- সিলেট
- সাভার
- বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গোচারণের জন্য বাথান আছে?
- পাবনা-সিরাজগঞ্জ ও দিনাজপুরে
- দিনাজপুরে
- বরিশাল
- ফরিদপুরে
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হলে ন্যূনতম বয়স কত দরকার?
- ১৮ বছর
- ২৫ বছর
- ৩০ বছর
- ৩৫ বছর
- প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বাইরে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত কোন কাজ এককভাবে করতে পারেন?
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ
- পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ
- অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রার্থীর বয়স ন্যূনতম কত হওয়া দরকার?
- ২৫ বছর
- ৩০ বছর
- ৩৫ বছর
- কোনোটিই নয়
- কার কর্তৃত্বের উপর আদালতের কোনো এখতিয়ার নেই?
- প্রধানমন্ত্রী
- প্রধান বিচারপতি
- রাষ্ট্রপতি
- সেনাপ্রধান
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইনজীবীকে কী বলা হয়?
- ন্যায়পাল
- অ্যাটর্নি জেনারেল
- প্রধান বিচারপতি
- রেজিস্ট্রার
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি ব্যতীত নিচের কোন বিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না?
- আইন প্রণয়ন বিল
- বেসরকারি বিল
- অর্থ বিল
- সরকারি বিল
- বাংলাদেশে নির্বাচন বিভাগ হতে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়—
- ১ অক্টোবর ২০০৭
- ১ নভেম্বর ২০০৭
- ২০ অক্টোবর ২০০৭
- ২০ নভেম্বর ২০০৭
- বাংলাদেশের কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন প্রণয়ন করে থাকে?
- প্রধানমন্ত্রী
- জাতীয় সংসদ
- বিচার বিভাগ
- প্রশাসন বিভাগ
- সংসদের প্রধান কাজ কী?
- মূলতই আইন প্রণয়ন
- বিচারিক কার্য সম্পাদন
- আইনসমূহের প্রয়োগ
- আইনের ব্যাখ্যা দান
- একজন সংসদ সদস্য স্পিকারের অনুমতি ছাড়া কত দিন সংসদের বাইরে থাকতে পারবেন?
- ৩০ দিন
- ৪৫ দিন
- ৬০ দিন
- ৯০ দিন
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন কে?
- রাষ্ট্রপতি
- স্পিকার
- চিফ হুইপ
- প্রধানমন্ত্রী
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত সদস্যের উপস্থিতিতে?
- ৫০ জন
- ৬০ জন
- ৬২ জন
- ৬৫ জন
- সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে ‘ন্যায়পাল’ নিয়োগের বিধান আছে?
- ৪১নং অনুচ্ছেদে
- ৫১নং অনুচ্ছেদে
- ৬৬নং অনুচ্ছেদে
- ৭৭নং অনুচ্ছেদে
- সংসদের ‘বিশেষ অধিকার কমিটি’ কোন ধরনের কমিটি?
- সাংবিধানিক অস্থায়ী কমিটি
- স্পিকারের ইচ্ছায় মাঝে মধ্যে গঠিত কমিটি
- সাংবিধানিক স্থায়ী কমিটি
- বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলা কমিটি
- কার সম্মতি ছাড়া কোন বিল পাস করা যাবে না?
- প্রধানমন্ত্রীর
- স্পিকারের
- সচিবের
- রাষ্ট্রপতির
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে উত্থাপিত সরকারি বিল বলতে বুঝায়?
- কেবল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত বিল
- সরকার দলীয় সংসদ সদস্যগণ কর্তৃক উত্থাপিত বিল
- সংসদ সদস্যগণ কর্তৃক কেবলমাত্র উত্থাপিত বিল
- ক ও খ উভয়টি সঠিক
- বাংলাদেশের সংবিধানের ব্যাখ্যাকারক কে?
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি
- জাতীয় সংসদ
- সুপ্রিম কোর্ট
- হাইকোর্ট
- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রিট আবেদন করা যায়?
- ১০১
- ১০০
- ১০২
- ১০৭
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কে নিয়োগদান করেন?
- প্রধানমন্ত্রী
- প্রেসিডেন্ট
- স্পিকার
- আইনমন্ত্রী
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির সর্বোচ্চ বয়স কত?
- ৫০
- ৬২
- ৬৫
- ৬৭
- ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলা হয় কোন আদালতকে?
- সুপ্রিম কোর্ট
- ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
- জজ কোর্ট
- হাইকোর্ট
- কোন পদটি সাংবিধানিক পদ নয়?
- প্রধান নির্বাচন কমিশন
- চেয়ারম্যান, সরকারি কর্ম কমিশন
- চেয়ারম্যান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
- সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছে?
- ১১০নং অনুচ্ছেদে
- ১১৫নং অনুচ্ছেদে
- ১১৮নং অনুচ্ছেদে
- ১২৫নং অনুচ্ছেদে
- প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদকাল কত?
- ৪ বছর
- ৫ বছর
- ৩ বছর
- ৭ বছর
- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকার বিধান বর্ণিত আছে?
- ১২৪নং অনুচ্ছেদে
- ১১৯নং অনুচ্ছেদে
- ১২১নং অনুচ্ছেদে
- ১১৮নং অনুচ্ছেদে
- কোনো কারণে সংসদ ভেঙে গেলে পরবর্তী কত দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে?
- ৩০ দিন
- ৬০ দিন
- ৯০ দিন
- ১৮০ দিন
- বাংলাদেশ মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক পদে নিয়োগ দেন কে?
- প্রধানমন্ত্রী
- রাষ্ট্রপতি
- অর্থমন্ত্রী
- ন্যায়পাল